জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে পটুয়াখালীতে বিএনপির বিশাল জনসমাবেশ

পটুয়াখালী সদর উপজেলা বিএনপির আয়োজনে শনিবার (২৩ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে একটি বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০টায় পটুয়াখালী শহরের শহীদ আলাউদ্দিন শিশুপার্কে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী একত্রিত হন, যার ফলে জনসমাবেশটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মাহবুব হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর মাওলানা নেছারুল হক। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুর রশিদ চুন্নু মিয়া, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব স্নেহাংশু সরকার কুট্টি এবং সাবেক মেয়র মোশতাক আহমেদ পিনু।

সমাবেশে বক্তারা পটুয়াখালীতে বিএনপির ওপর সরকারি হামলা এবং সহিংসতার অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা বলেন, “গত ১৫ বছরে পটুয়াখালীতে বিএনপির অফিস ১৪ বার আক্রমণ করা হয়েছে এবং অফিসের পাখাও চুরি হয়ে গেছে।” বক্তারা আরও বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত হয়েও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসিনি, অথচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন এবং দেশের বাইরে পালিয়ে গেছেন।”

এদিন, বিএনপির নেতাকর্মীরা পটুয়াখালী শহর এবং সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে পৌঁছান। কিছু নেতাকর্মী হাতে ধানের ছড়া, জিয়াউর রহমানের ছবি ও প্লাকার্ড নিয়ে আসেন। পাশাপাশি, খালেদা জিয়ার প্রতিরূপ সাজিয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে শহর জুড়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন।

সমাবেশে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং কৃষক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে পটুয়াখালীকে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নত রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



লতাচাপলী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতিকে বহিষ্কার

দলের ভাবমূর্তি ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের লতাচাপলী ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) মহিপুর থানা শ্রমিক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান পিন্টু এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুম ফরাজীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহিপুর থানা শ্রমিক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান পিন্টু বলেন, “দলের ভাবমূর্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা সব সময় কঠোর। কেউ যদি দলের সুনাম নষ্ট করার মতো কাজ করে, তবে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া তারই প্রমাণ।”

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রমিক দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে আরও শৃঙ্খলা আনার জন্য সংশ্লিষ্ট নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



কলাপাড়ায় বিএনপির সাংগঠনিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর বিএনপির ২নং ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে দলকে গতিশীল করার লক্ষ্যে বুধবার (২০ নভেম্বর) বিকালে কলাপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে এক সাংগঠনিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি নেতা মো. শফিকুল হক পনির। প্রধান অতিথি ছিলেন কলাপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি গাজী মো. ফারুক, আর প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নাননু মুন্সী।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা তারেক আনাম সুমন, কামরুজ্জামান কাজল তালুকদার, স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাদল মৃধা, সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ রতন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ক রাশেদ মোশাররফ কল্লোল, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুশফিকুর রহমান লিটু, মো. আল আমিন হাওলাদার, বিএনপি নেতা আরিফ সিকদার, পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন মোল্লা মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মো. শোয়েবুর রহমান শোয়েব এবং যুবদল নেতা জেমস জানিব।

কর্মী সমাবেশে বক্তারা বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তারা বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। বক্তারা প্রতিশ্রুতি দেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সুলভ মূল্যে সরবরাহ করা হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইমরান বিশ্বাস, সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা এবং পৌর বিএনপি নেতা গাজী মো. কাউসার।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




একাত্তরের অপরাধ প্রমাণ হলে জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে জামায়াত

জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন, যদি একাত্তরের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় তবে তারা জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে। ১৯ নভেম্বর মঙ্গলবার পূর্ব লন্ডনে যুক্তরাজ্যে বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “একাত্তরে যদি কোনো ভুল করে থাকি এবং তা যদি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়, আমি জাতির কাছে ক্ষমা চাইব। ওয়ার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের নামে যে বিচার হয়েছে, তার অবজারভেশনে এখানকার বিচারপতিরা সে রায়কে ‘জেনোসাইড অব জাস্টিস’ বলেছে।”

তিনি আরও বলেন, “২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের ‘জাতীয় বীর’ হিসেবে স্বীকৃতি দিন। এই অভ্যুত্থানে দেশের সকল শ্রেণীর মানুষ অংশগ্রহণ করেছিল এবং দেশের বাইরে অবস্থানরত প্রত্যেকেই যেভাবে পারেন, আমাদের সাথে যুদ্ধ করেছেন।”

এছাড়া, ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতের ওপর আক্রমণের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং বলেন, “১৫ বছর জামায়াতকে কার্যালয় খুলতে দেয়া হয়নি, কথা বলতে দেয়া হয়নি, সভা-সমাবেশ করতে দেয়নি, এমনকি শোভাযাত্রা পর্যন্ত করতে দেয়নি। আমরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে জাতির কাছেও যেতে পারিনি।”

প্রবাসীদের প্রতি তার আহ্বান, “আমি প্রবাসীদের শুধু মনিটারি রেমিটেন্স নয়, বাংলাদেশকে ইন্টেলিজেন্স রেমিটেন্স পাঠানোর জন্যও আবেদন জানাচ্ছি। এই রেমিটেন্স বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে বিরাট সাহায্য করবে এবং প্রবাসীরা স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে অপরিসীম অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।”

বিগত সরকারের দুর্নীতির ব্যাপারে তিনি বলেন, “যে পরিমাণ উন্নয়ন সম্ভব ছিল, তা হয়নি। বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর খরচ অন্য দেশের তুলনায় তিনগুণ বেশি ছিল। প্রকল্পগুলো সময়মতো শেষ হয়নি, বরং সময় বাড়ানো হয়েছে এবং প্রকল্পের খরচও বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে দেশের সম্পদ লুটে নিঃস্ব করা হয়েছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




এক যুগ পর সেনাকুঞ্জে যাচ্ছেন খালেদা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেনাকুঞ্জে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বুধবার এ কথা জানান।

তিনি বলেন, “সুস্থ থাকলে ইনশাল্লাহ ম্যাডাম (বৃহস্পতিবার) সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলার সাথে যুক্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এস এম কামরুল আহসান বুধবার রাতে গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসা ফিরোজায় গিয়ে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন।

বৃহস্পতিবার সেনানিবাসের এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ২৬ জন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা সম্মিলিতভাবে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণের সূচনা করে। দিনব‌্যাপী অনুষ্ঠানে প্রতিবছর দিনটি ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ হিসেবে পালন করে বাংলাদেশ।




বাউফল সরকারি কলেজে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

পটুয়াখালীর বাউফল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে অর্ধশত বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। বুধবার (২০ নভেম্বর) কলেজ চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।

কলেজ চত্বরে পতিত জমিতে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ফলজ ও বনজ মিলিয়ে ৫০টি গাছের চারা রোপণ করেন। কর্মসূচিতে ছাত্রদলের সদস্যদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

বৃক্ষরোপণ শেষে কলেজ ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশী নেতা ইসতিয়াক রসুল সোয়েব বলেন, “দেশনেতা তারেক রহমানের নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে ছাত্রদল। এই ধারাবাহিকতায় সবুজ ক্যাম্পাস গড়ে তোলার জন্য আমাদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সশস্ত্র বাহিনী দিবসে বিএনপি নেতাদের আমন্ত্রণ

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের ২৬ নেতাকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করেন খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, আগামী ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ থেকে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ২৬ জনকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।

বিএনপির একটি সূত্রে জানানো হয়, ২০০৮ সালের পর এবারই প্রথম তারেক রহমানকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আমন্ত্রণ জানানো হলো। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সশস্ত্র বাহিনী দিবসে খালেদা জিয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিতেন। তবে তিনি কারাগারে যাওয়ার পর বিএনপির প্রতিনিধিরা সেখানে যেতেন। সর্বশেষ ২-৩ বছর ধরে বিএনপি সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বরিশালে মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী গ্রেপ্তার

বরিশালে বিএনপির কার্যালয় পোড়ানোসহ একাধিক মামলায় মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ১৯ নভেম্বর, মঙ্গলবার, বরিশাল নগরীর ভাটিখানার বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃত কোহিনুর বেগম বরিশাল সিটি করপোরেশনের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক কাউন্সিলর এবং সিটি করপোরেশনের সর্বশেষ পরিষদের প্যানেল মেয়র ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া, এসব মামলায় এর আগে সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ ফারুক শামীম, সিটি করপোরেশনের ৯ কাউন্সিলরসহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে ক্ষুব্ধ গণতন্ত্র মঞ্চ, ২৭ নভেম্বর সমাবেশের ঘোষণা

বর্তমান বাজার পরিস্থিতিকে বেসামাল হিসেবে আখ্যায়িত করে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। জোটের নেতাদের দাবি, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের বিশেষ কোনো কার্যকারিতা দেখা যাচ্ছে না। অতি আবশ্যক খাদ্যপণ্য এখনও স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। তাই জনজীবনের সংকট সমাধানের দাবিতে ২৭ নভেম্বর সমাবেশের ডাক দিয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) বিকেলে তোপখানা রোডে নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সভায় এসব কথা বলেন তারা। সভায় সরকারের ১০০ দিনের সামগ্রিক কাজকর্ম ও রাজনৈতিক পদক্ষেপসমূহ নিয়েও আলোচনা করা হয়।

সভায় প্রস্তাবে বলা হয়, যেসব পণ্যের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার বা কমিয়ে আনা হয়েছে, খুচরা বাজারে তারও কোনো প্রভাব নেই। পুরোনো মুনাফাখোর বাজার নিয়ন্ত্রণে এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছে।

এ সময় সভায় জনজীবনের সংকট সমাধানের দাবিতে ২৭ নভেম্বর বেলা ১১টায় পুরানা পল্টন মোড়ে গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেন।

গণতন্ত্র মঞ্চের নতুন সমন্বয়ক বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণ সংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



‘বন্দিবিনিময় চুক্তির মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে’

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০০৭ সালে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বন্দিবিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে, এমন দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি ট্রাইব্যুনালে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির এক পর্যায়ে ট্রাইব্যুনাল জানতে চায়, “শেখ হাসিনা কোথায়?” জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আছেন এবং ইন্টারপোল ও বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।”

এ সময় ট্রাইব্যুনাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যা মামলার তদন্ত শেষ করার জন্য এক মাসের সময়সীমা নির্ধারণ করেন।

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, “শেখ হাসিনার শাসনামলে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরে হেফাজতের ওপর গণহত্যা এবং অন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন তিনি।” তিনি আরও বলেন, “গত ১৫ বছরে এমন কোনো মানবতাবিরোধী অপরাধ নেই, যা শেখ হাসিনা করেননি।”

এছাড়া, তিনি জানান, গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং ২৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে। এই গণহত্যার মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা তার ক্ষমতা প্রলম্বিত করার চেষ্টা করেছিলেন।

শুনানি শেষে, ট্রাইব্যুনাল ১৩ আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামিদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, ফারুক খান, ডা. দীপু মনি, শাজাহান খান, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, সালমান এফ রহমান, ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, কামাল আহমেদ মজুমদার, গোলাম দস্তগীর গাজী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম রয়েছেন।

এদিন সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে গারদখানা থেকে ১৩ আসামিকে এজলাসে তোলা হয়, এরপর তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে শুনানি শুরু হয়।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম