মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ চলছে না: শামসুজ্জামান দুদু

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু মন্তব্য করেছেন যে, দেশের উন্নয়ন এবং পরিস্থিতি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী এগুচ্ছে না। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশ এক ষড়যন্ত্রের জালে আটকে গেছে, এবং সেই জাল ছিঁড়ে ফেলার জন্য একটি জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন।

আজ (৩০ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চালক দলের উদ্যোগে আয়োজিত নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার দাবিতে এক প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে শামসুজ্জামান দুদু এ মন্তব্য করেন।

দুদু বলেন, “বাংলাদেশ হাসিনামুক্ত হওয়ার পর মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল, নির্বিঘ্নে বসবাস করা, লুটেরাদের হাত থেকে দেশ রক্ষা পাওয়া, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসন মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু গত ছয় মাসে বাংলাদেশ যেভাবে চলেছে, ক্রমেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।”

তিনি আরও বলেন, “এখনো বাজারে সিন্ডিকেটের হাতে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, যেটি শেখ হাসিনার শাসনামলেও ছিল, আর এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ছে। আমি সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করুন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাপন সহজ করুন।”

দুদু অভিযোগ করেন যে, বাংলাদেশ বর্তমানে ষড়যন্ত্রের জালে আটকে গেছে এবং এই জাল ছিঁড়ে ফেলার জন্য কঠোর রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রয়োজন। তিনি বলেন, “এটি একটি কঠিন কাজ, কিন্তু একমাত্র জনগণের সমর্থিত সরকারই এটি করতে পারবে। আর সেই সরকার প্রতিষ্ঠা করতে জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। জনগণ যদি তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, তবে কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।”

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, “সরকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সমর্থন করেছে, তবে তারা যথাযথ ফল না পাওয়ার কারণে এখনো এই সরকারের সমর্থন বহাল রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি বারবার হতাশাজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, তাহলে এই সমর্থন বজায় রাখা কঠিন হবে।”

অবশেষে, তিনি নির্বাচন এবং সংস্কারের বিষয়ে মন্তব্য করেন এবং বলেন, “আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচন এবং সংস্কারের মধ্যে কোনো সংঘাত নেই, কিন্তু সরকার যেভাবে ধারণা দিতে চাচ্ছে, তাতে সংস্কার না হলে নির্বাচন হবে না, আর সংস্কার হলে নির্বাচনে দেরি হবে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সাবেক এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বরগুনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও তার স্ত্রী মাধবী দেবনাথের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বুধবার দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এক ব্রিফিংয়ে জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রুহুল হক দুদকের জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মামলাগুলো দায়ের করেন।

অভিযোগের বিস্তারিত

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু দায়িত্বশীল পদে থেকে অবৈধ উপায়ে ৫ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার ১২৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া, তার ১৬টি ব্যাংক হিসাবে ৪১ কোটি ৯৩ লাখ ২৫ হাজার ৭০২ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

স্ত্রী মাধবী দেবনাথের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর স্ত্রী মাধবী দেবনাথও জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে ২ কোটি ২ লাখ ৪১ হাজার ৪০৪ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি, তিনি ৭টি ব্যাংক হিসাবে ৮ কোটি ৪৫ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।

এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সম্পদ অনুসন্ধান

ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ছেলে সুনাম দেবনাথ, পুত্রবধূ কাসপিয়া তালুকদার ও মেয়ে শুক্লা দেবনাথের বিরুদ্ধেও অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে দুদক।

সুনাম দেবনাথ: ৯৬ লাখ ৫৮ হাজার ৪৪৩ টাকার সম্পদ

কাসপিয়া তালুকদার: ৪৯ লাখ ৮৮ হাজার ৪০০ টাকার সম্পদ

শুক্লা দেবনাথ: ৬৮ লাখ ৯১ হাজার টাকার সম্পদ

এই তিনজনের বিরুদ্ধে সম্পদের সঠিক হিসাব প্রদানের জন্য সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার আদেশ জারির সুপারিশ করা হয়েছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

দুদক সূত্র জানায়, মামলাগুলোর তদন্ত শিগগিরই শুরু হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গণহত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না: প্রেস সচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি, নারকীয় হত্যাকাণ্ডের জন্য দলটিকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে শফিকুল আলম বলেন, “আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি আগামী ফেব্রুয়ারিতে রয়েছে। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে এবং আমরা দেশকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেওয়ার কোনো প্রচেষ্টাকে প্রশ্রয় দেব না।”

তিনি আরও বলেন, “যারা খুনের রাজনীতি করেছে, তারা কোনো প্রতিবাদ-সমাবেশ করলে বাংলাদেশের জনগণ তার কঠোর জবাব দেবে। আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে হলে অবশ্যই গণহত্যার বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। তাদের রাজনীতি করতে হলে ক্লিন ইমেজ নিয়ে আসতে হবে।”

প্রেস সচিব বলেন, “আওয়ামী লীগের কোনো নেতা বা কর্মী কি গণহত্যার জন্য অনুতপ্ত? তারা কি এ জন্য ক্ষমা চেয়েছে? ৭১টি শিশুকে হত্যা করা হয়েছে, হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানো হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ এর দায় স্বীকার করেনি। বরং তারা মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগের ভেতর থেকে কেউ কি বলেছেন—হাসিনার এই কিলিং আমরা মানি না? আমরা ক্লিন ইমেজের নেতৃত্ব চাই? একজনও বলেনি। বরং দলটির অনেক নেতা মিথ্যা কথা বলছে, গুজব ছড়াচ্ছে।”

এর আগে বিকেলে শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন, যেখানে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।

তিনি লেখেন, “পৃথিবীর কোনো দেশ কি একদল খুনি এবং দুর্নীতিবাজ চক্রকে আবার ক্ষমতায় আসতে দেবে? কোনো দেশই জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফেরার অনুমতি দেয় না। বাংলাদেশের জনগণ এই খুনিদের বিরুদ্ধে কঠিন জবাব দেবে।”

তিনি আরও বলেন, “মিত্রবাহিনী কি নাৎসিদের বিক্ষোভ করার অনুমতি দিয়েছিল? যতক্ষণ না আওয়ামী লীগ গণহত্যার দায় স্বীকার করে, অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করে এবং তাদের ফ্যাসিবাদী আদর্শ ত্যাগ করে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হবে না।”

শফিকুল আলম বলেন, “আওয়ামী লীগ যদি অবৈধভাবে বিক্ষোভ করার সাহস দেখায়, তবে তাদের আইনের মুখোমুখি হতে হবে।”

মিডিয়া ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদারও উপস্থিত ছিলেন।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মিত্রবাহিনী কি নাৎসিদের বিক্ষোভ করার অনুমতি দিয়েছিল?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মিত্রবাহিনী নাৎসিদের বিক্ষোভ করার অনুমতি দিয়েছিল কি না এমন প্রশ্ন রেখে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগ তাদের বর্তমান নেতৃত্ব ও ফ্যাসিবাদী আদর্শ থেকে যতক্ষণ নিজেকে আলাদা না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের বিক্ষোভ করার অনুমতি দেওয়া হবে না। মিত্রবাহিনী কি নাৎসিদের বিক্ষোভ করার অনুমতি দিয়েছিল?

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন তিনি।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আগস্টে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো ন্যায্য বিক্ষোভ বন্ধ বা নিষিদ্ধ করেনি। আমরা সমাবেশ করার স্বাধীনতা এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। আজ সকালে গণমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সাড়ে পাঁচ মাসে কেবল ঢাকায় কমপক্ষে ১৩৬টি বিক্ষোভ হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিক্ষোভের ফলে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবুও, সরকার কখনো বিক্ষোভ-সমাবেশের ওপর কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করেননি।’

‘কিন্তু আমাদের কি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে বিক্ষোভ করার সুযোগ দেওয়া উচিত? জুলাই-আগস্টের ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যায় যে আওয়ামী লীগের কর্মীরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যায় অংশ নিয়েছিল। তাদের পরিচালিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ হয়েছেন কয়েকশ তরুণ শিক্ষার্থী, এমনকি নাবালক শিশুরাও। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গণহত্যা, খুন ও তাণ্ডবের জন্য দায়ী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের দলীয় সরকার।’

ফেসবুক স্ট্যাটাসে আরও লেখেন, ‘গতকাল কয়েকজন বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মীর সাক্ষাৎকারের বরাতে নিউইয়র্ক-ভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, শেখ হাসিনা তার ১৬ বছরের একনায়কত্বের শাসনামলে সরাসরি হত্যা এবং জোরপূর্বক গুমের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি একটি চোরতন্ত্র (ক্লেপ্টোক্রেসি) এবং খুনি শাসনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। নিরপেক্ষ ও স্বাধীন একটি প্যানেল বলছে, শেখ হাসিনার তত্ত্বাবধানে তার ঘনিষ্ঠরা ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। দুর্নীতিগ্রস্ত চুক্তি থেকে কোটি কোটি ডলার চুরির দায়ে হাসিনার পরিবারের বিরুদ্ধে এখন তদন্ত চলছে।’

‘এছাড়া প্রায় সাড়ে তিন হাজার ব্যক্তি জোরপূর্বক গুমের শিকার হয়েছেন। প্রায় তিন হাজার জনকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়েছে। শাপলা চত্বরের সমাবেশ এবং মাওলানা সাঈদীর বিচারিক রায়ের পর বিক্ষোভকারীদের ওপর গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে। পুলিশ বাহিনী হাসিনার শাসনামলে পুলিশ লীগে পরিণত হয়েছিল। হাসিনার একনায়কতন্ত্রে প্রায় ষাট লাখ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ভুয়া ও গায়েবি মামলা দেওয়া হয়। এমনকি দেশের প্রথম হিন্দু প্রধান বিচারপতিকেও নির্মমভাবে মারধর করা হয়, পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয় এবং নির্বাসনে পাঠানো হয়।’

ফেসবুক স্ট্যাটাসে শফিকুল আলম লেখেন, ‘যতক্ষণ না আওয়ামী লীগ এই গণহত্যা, হত্যাকাণ্ড এবং প্রকাশ্য দুর্নীতির জন্য ক্ষমা না চাইবে এবং যতক্ষণ না তাদের অন্যায়কারী নেতাকর্মীরা বিচার ব্যবস্থার কাছে আত্মসমর্পণ করে তাদের অপরাধের জন্য বিচারকার্যের প্রক্রিয়া শুরু করে পাপমোচন করতে উদ্যোগ না নেবে এবং যতক্ষণ না আওয়ামী লীগ তাদের বর্তমান নেতৃত্ব ও ফ্যাসিবাদী আদর্শ থেকে নিজেকে আলাদা না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের বিক্ষোভ করার অনুমতি দেওয়া হবে না। মিত্রবাহিনী কি নাৎসিদের বিক্ষোভ করার অনুমতি দিয়েছিল?’

‘পৃথিবীর কোনো দেশ কি একদল খুনি এবং দুর্নীতিবাজ চক্রকে আবার ক্ষমতায় আসতে দেবে? কোনো দেশই জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফেরার অনুমতি দেয় না। বাংলাদেশের জনগণ এই খুনিরা কোনো প্রতিবাদ-সমাবেশ করলে তার বিরুদ্ধে কঠিন জবাব দেবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা দেশকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেওয়ার কোনো ধরনের প্রচেষ্টাকে সুযোগ দেব না। আওয়ামী লীগের পতাকাতলে কেউ যদি অবৈধ বিক্ষোভ করার সাহস করে তবে তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে।’




গলাচিপার মেধাবী তামান্নার পাশে নুরুল হক নুর

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের বড় গাবুয়া গ্রামের মেধাবী ছাত্রী তামান্না আক্তার, যিনি এবারের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন, আর্থিক অনটনের কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রচারের পর বিষয়টি গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরের নজরে আসে।

খবর পেয়েই নুরুল হক নুর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন এবং গলাচিপা উপজেলার গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান ও সদস্য সচিব মো. জাকির হোসেন মুন্সির নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীদের পাঠান তামান্নার বাড়িতে। সেখানে তারা তামান্নাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং তার অসচ্ছল পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।

তামান্নার পরিবারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে নুরুল হক নুর আশ্বস্ত করেন, তার মেডিকেল পড়াশোনার যাবতীয় দায়িত্ব তিনি নিজে বহন করবেন। এছাড়াও, পরিবারের পক্ষ থেকে এনজিও ঋণের সমস্যা উল্লেখ করা হলে তিনি সেটি সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।

এই সহায়তা তামান্নার পরিবার এবং স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। নুরুল হক নুরের এই উদ্যোগ একটি মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং প্রমাণ করেছে যে, সংকটের মুহূর্তে সঠিক পদক্ষেপ কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




শেখ হাসিনা সরাসরি গুম ও হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন

ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন গণঅভ্যুত্থানের ফলে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় গুলি চালিয়ে হত্যার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার সংখ্যা ইতোমধ্যে ২০০ অতিক্রম করেছে।

বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে গুম, হত্যা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে গুমের প্রথম আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেন এনামুল কবির নামে এক ব্যবসায়ী। তার দাবি, ২০১৮ সালে তিনি ১০ দিন গুম ছিলেন।

২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া সকল গুমের অভিযোগ তদন্তের আবেদন করেছেন এনামুল কবির। তার অভিযোগ, এই সময়ে গুমের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার ফলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

অনেকেই মনে করেন, শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত ন্যায়বিচারের পথে থাকছে না। এ নিয়ে টবি ক্যাডম্যানসহ অনেক মানবাধিকারকর্মী এবং আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা তার বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই ধরণের গণঅভ্যুত্থান এবং গুমের অভিযোগ রাজনীতির গভীর সংকটকে চিহ্নিত করছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ মেনেই রাজনীতি করতে হবে: মাহফুজ আলম

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, বাংলাদেশের জন্ম এবং এ দেশের মানুষের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামকে স্বীকার করেই রাজনীতি করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া মানে রাষ্ট্রের ভিত্তির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, “মুক্তিযুদ্ধ মানেই বাংলাদেশ। এর বিপক্ষে যারা যাবেন, তারা অতীতে পরাজিত হয়েছেন, ভবিষ্যতেও পরাজিত হবেন।”

পোস্টে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ঘটনাবলী নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হতে পারে, সমালোচনাও হতে পারে। তবে সবকিছুই হতে হবে মুক্তিযুদ্ধের মূল আদর্শ মেনে নিয়ে। তিনি আরও বলেন, “শেখ মুজিবুর রহমানের মতো জাতীয় নেতার অবদান অস্বীকার করা যায় না। ’৭২-এর পূর্বের শেখ মুজিবকে আমরা প্রাপ্য গুরুত্ব দেব, তবে তার ফ্যাসিস্ট আচরণ নিয়েও আলোচনা করব।”

মাহফুজ আলম উল্লেখ করেন, মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যেও বিভক্তি ছিল। কেউ কেউ ফ্যাসিস্ট বা তাবেদার হয়ে উঠলেও মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনগণের সংগ্রাম। তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী ১০ বছরের ইতিহাসে দেখা যায়, মুজিববাদী এবং ভারতবিরোধী মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যকার লড়াই। তবে কেউই মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করেননি। এটি ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “এদেশে রাজনীতি করতে হলে ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতাকে স্বীকার করতেই হবে। যারা এই আদর্শকে অস্বীকার করবেন, তারা ছাত্র-জনতার কাছে পরাজিত হবেন।”

তিনি বলেন, “জুলাই বিপ্লব বাংলাদেশকে ঐক্যবদ্ধ করেছে। এই বিপ্লব ছিল ছাত্র-জনতার সর্বজনীন অভ্যুত্থান। ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল।”

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মার্কিন ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ এ যোগ দেবেন জায়মা রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জায়মা রহমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

আগামী ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে এই প্রভাবশালী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। বিএনপি’র নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমান ব্যক্তিগত কারণে এতে অংশগ্রহণ করবেন না। তবে তার প্রতিনিধি হিসেবে কন্যা জায়মা রহমান অংশগ্রহণ করবেন।

সূত্র জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে যুক্তরাজ্যে তারেক রহমানের বাসায় অবস্থান করছেন এবং চিকিৎসা নিচ্ছেন। মায়ের পাশে থাকার জন্য তারেক রহমান এই সফর এড়িয়ে যাচ্ছেন।

জায়মা রহমানের এই অংশগ্রহণ তার জন্য প্রথম এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তার ভিসা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা ইতোমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন।

‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠানটি ১৯৫৩ সাল থেকে শুরু হয়েছে এবং এটি বিশ্বব্যাপী প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মিলিত হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট, সিনেটর, কংগ্রেস সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

এই আয়োজন নির্দলীয় এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়িক নেতাদের একত্রে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও প্রার্থনার সুযোগ প্রদান করে। এটি মার্কিন নীতিনির্ধারণে বিশেষ ভূমিকা রাখে এবং বিশ্ব শান্তি ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দুমকীতে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

পটুয়াখালীর দুমকিতে বিএনপির দুই স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে এক নারীর কাছ থেকে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী জলিশা এলাকার বাসিন্দা জাকিয়া বেগম গত শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) দুমকি থানায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি গতকাল (সোমবার) জানাজানি হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, জাকিয়া বেগমের দুমকি থানার কাছে কয়েকটি দোকান রয়েছে, যার জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে একটি মামলা চলমান। জাকিয়া বেগম জানান, গত ৫ আগস্টের পর থেকে যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জাকির হাওলাদার ও তাঁর সহযোগীরা পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না পেয়ে তাঁরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন। পরে স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য জি এম অলিউর রহমান ফোনে দুই লাখ টাকা দাবি করেন।

তবে চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জি এম অলিউর রহমান। তিনি জানান, “সে আমার স্বজন, তার কাছে কেন টাকা চাব? টাকা চাওয়ার অডিও ক্লিপ কীভাবে হলো, তা আমি বুঝতে পারছি না।” যুবদলের নেতা মো. জাকির হাওলাদারও অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার ভগ্নিপতি শাহ আলম জমি নিয়ে আদালতের রায় পেয়েছেন। আমরা চাঁদা চাইনি, বরং যারা রায় পেয়েছেন, তাদের দোকান ভাড়া দিতে বলেছি।”

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “তদন্ত চলছে। সত্যতা প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




 বহিষ্কৃতরা বিএনপির সদস্যপদ নবায়ন করতে পারবেন না: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, বিভিন্ন কারণে দল থেকে বহিষ্কৃত বা অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিরা বিএনপির সদস্যপদ নবায়ন করতে পারবেন না। এ সিদ্ধান্ত দলের স্বচ্ছতা বজায় রাখা ও অপ্রত্যাশিত হস্তক্ষেপ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সদস্য নবায়ন ফরম বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

রিজভী বলেন, “যারা বহিষ্কৃত হয়েছেন বা অব্যাহতি পেয়েছেন, তারা দলীয় সদস্যপদ নবায়ন বা প্রাথমিক সদস্য হতে পারবেন না। বহিষ্কার হওয়ার পর তাদের সব ধরনের সদস্যপদ বাতিল হয়ে গেছে।”

তিনি আরও বলেন, সদস্যপদ নবায়ন কার্যক্রমে দলকে সুরক্ষিত রাখার জন্য জেলা ও মহানগর শাখাকে বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিবাদী কীটপতঙ্গরা বিএনপির সদস্যপদে ঢুকে যেন ষড়যন্ত্র করতে না পারে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।”**

দলের স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং অভ্যন্তরীণ বিশুদ্ধতা রক্ষার উদ্দেশ্যে নবায়ন প্রক্রিয়ার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে রিজভী বলেন, **“বিএনপির ওপর নানাভাবে আক্রমণ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। প্রশাসন, পুলিশ এবং সরকারি চক্রের মাধ্যমে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র হচ্ছে। নবায়ন কার্যক্রম দলীয় শৃঙ্খলা ধরে রাখতে সহায়ক হবে।”গণতান্ত্রিক ঐক্যের শক্তি এবং এর কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি বৃহৎ গণতান্ত্রিক ঐক্যের মাধ্যমে সংগ্রামকে আরও বেগবান করতে চায়। “আমাদের আন্দোলন সাফল্যের পথে রয়েছে। এই বিজয় কেউ কেউ ভালভাবে নেন না। তবে রাষ্ট্র ও দলের ভেতরের ষড়যন্ত্র এবং চক্রান্ত সত্ত্বেও আমরা অগ্রসর হচ্ছি।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সকু এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সামসুজ্জামান মেহেদীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মো. আরাফাত জামান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম