২২০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত জাপার, শুক্রবার প্রকাশ পাচ্ছে তালিকা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২২০টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। বাকি ৮০টি আসনের প্রার্থী নির্ধারণ প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০০ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে একাধিক দফা সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ২২০টি আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবারও (২৫ ডিসেম্বর) কয়েকটি আসনের বিষয়ে সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে। সবকিছু চূড়ান্ত করে শুক্রবার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে।

দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের রংপুর-৩ (সদর) আসন থেকে এবং মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানা গেছে। দলটি ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

গত ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টির মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়। তবে এবার মনোনয়ন ফরম বিক্রির সংখ্যা নিয়ে দলীয়ভাবে কেউ নির্দিষ্ট তথ্য দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, সঠিক পরিসংখ্যান এখনই বলা সম্ভব নয়, হিসাব করে দেখতে হবে। দলীয় একাধিক সূত্রের দাবি, নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এবার মনোনয়ন ফরম বিক্রিতে বড় ধরনের ভাটা পড়েছে।

দলীয় নেতারা বলছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে জাতীয় পার্টি নানাভাবে চাপে রয়েছে। স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। এমনকি কাউন্সিল বা সভা করার জন্য অডিটোরিয়াম ভাড়া পেতেও সমস্যায় পড়ছে দলটি। ইফতার মাহফিলসহ একাধিক কর্মসূচি বাতিল বা পণ্ড হয়ে গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ অবস্থায় উদ্বেগ ও শঙ্কার মধ্যে দিয়ে চলছে মনোনয়ন প্রক্রিয়া। অনেক নেতাকর্মীর মধ্যে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—নির্বাচন আদৌ হবে কি না, হলে জাতীয় পার্টিকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে কি না, কিংবা বিএনপির সঙ্গে জোট হলে দলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী দাঁড়াবে। এসব অনিশ্চয়তার কারণে প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের মধ্যে দ্বিধা দেখা দিয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি প্রায় ১ হাজার ৭৫২টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছিল। সে হিসাব অনুযায়ী এবার প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম ফরম বিক্রি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে নির্বাচন-সংক্রান্ত শঙ্কা এবং দলীয় ভাঙনকে দায়ী করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

২০২৪ সালের নির্বাচনের পর জাতীয় পার্টি একাধিক দফায় ভাঙনের মুখে পড়ে। প্রথমে রওশন এরশাদের নেতৃত্বে একটি পৃথক অংশ আত্মপ্রকাশ করে। পরে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের নেতৃত্বে আরেকটি অংশ আলাদা হয়ে যায়। এতে দলের প্রথম সারির অনেক নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মূলধারা থেকে সরে যান। যদিও তৃণমূল পর্যায়ে জিএম কাদেরের প্রতি সমর্থন থাকলেও নেতৃত্বে এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

তবে সম্প্রতি সাবেক মন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, একাধিকবারের সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামসহ কয়েকজন সিনিয়র নেতা পুনরায় জিএম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিতে ফিরে এসেছেন, যা দলীয়ভাবে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির জরুরি সভায় তৃণমূল নেতারা এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে মত দেন। তারা মনে করছেন, আওয়ামী লীগ সমর্থকদের একটি বড় অংশের ভোট জাতীয় পার্টির ঝুলিতে আসতে পারে। তবে জিএম কাদের সভায় জানান, জোটগত নির্বাচনের প্রশ্নে প্রয়োজনে আবার বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, জাতীয় পার্টি মনোনয়ন জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত হতাশাজনক’ উল্লেখ করে বলেন, এর আগে কোনো জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে এমন পরিস্থিতি দেখা যায়নি। একতরফা বা মিডিয়া-নির্ভর নির্বাচন হওয়ার আশঙ্কাও ব্যক্ত করেন তিনি।

বিএনপির সঙ্গে জোটের গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে জাতীয় পার্টির সঙ্গে কোনো দলের আনুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে না। তবে রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই—এ মন্তব্য করে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার ইঙ্গিতও দেন তিনি।

সব মিলিয়ে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হলেও জাতীয় পার্টির নির্বাচনী কৌশল ও জোট রাজনীতি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা এখনো তুঙ্গে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




গোলাপের মালায় আবেগঘন অভ্যর্থনা, শাশুড়ির বরণে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবেগঘন এক দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছেন উপস্থিত সবাই। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গোলাপের মালা পরিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন তার শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু। দীর্ঘ সময় পর দেশে ফেরা এবং পারিবারিক এই মুহূর্তটি ঘিরে বিমানবন্দরে সৃষ্টি হয় আবেগময় পরিবেশ।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বরণ করা হয়। এর কিছুক্ষণ আগে, সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি ঢাকায় অবতরণ করে।

বিমান থেকে নামার পরপরই তিনি দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে করমর্দন ও কুশল বিনিময় করেন। পরে ভিআইপি লাউঞ্জে প্রবেশ করলে সেখানে অপেক্ষমাণ তার শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু গোলাপের মালা পরিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

এ সময় তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমান। পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে উপস্থিতি মুহূর্তটিকে আরও আবেগঘন করে তোলে।

নেতাকর্মীরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন শুধু রাজনৈতিকভাবেই নয়, পারিবারিক দিক থেকেও একটি স্মরণীয় ঘটনা। বিমানবন্দরের এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের মাটিতে ফিরে পরিবারের এমন উষ্ণ অভ্যর্থনা তারেক রহমানের ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি রাজনৈতিক পথচলার ক্ষেত্রেও একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বাংলাদেশে ফিরলেন তারেক রহমান

প্রায় ১৮ বছর পর নিজ মাতৃভূমি লাল-সবুজের বাংলাদেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে তার এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমানটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে তারেক রহমানের সমর্থক ও দলীয় নেতাকর্মীদের।

দেশে পৌঁছানোর পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তা দেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ত্রী জুবাইদা রহমানের সঙ্গে তোলা দুটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। ছবিগুলোর ক্যাপশনে সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর আবেগ প্রকাশ করে লেখেন—
“অবশেষে সিলেটে, বাংলাদেশের মাটিতে।”
এই পোস্ট মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। হাজার হাজার মানুষ এতে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন। অনেকেই মন্তব্যে লেখেন, দীর্ঘ সময় পর তারেক রহমানের দেশে ফেরা দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

শুধু তারেক রহমানই নন, আবেগ প্রকাশ করেছেন তার কন্যা জাইমা রহমানও। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে বাবার দেশে ফেরা নিয়ে অনুভূতির কথা জানান তিনি। তার পোস্টেও ফুটে ওঠে দীর্ঘ প্রবাসজীবনের অবসান ও দেশের মাটিতে ফেরার আনন্দ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে এটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে বলেও মনে করছেন তারা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে তারেক রহমান লন্ডন হিথ্রো পৌঁছালেন

দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর মাতৃভূমিতে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ১০ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এর আগে রাত ৮টা ০৫ মিনিটে সপরিবারে তিনি লন্ডনের বাসা ত্যাগ করেন।
তার সঙ্গে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। দেশফেরাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। পূর্বাচল এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে, যাতে কোনো ধরনের নিরাপত্তা জটিলতা না হয়।

বেশ কিছু দিন ধরেই তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে সরগরম পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিএনপি সভাপতি ও নেতাকর্মীরা মনে করছেন, এটি স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সংবর্ধনার এক অভিজ্ঞতা হবে। দলটির ধারণা, ঢাকায় এবারের সমাবেশে ৫০ লাখেরও বেশি নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করবেন।

বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পূর্বাচলে পৌঁছাবেন তারেক রহমান। সেখানে তার জন্য স্মরণকালের এক অনন্য সংবর্ধনার প্রস্তুতি চলছে। নেতৃবৃন্দ ইতোমধ্যেই মাঠ পর্যায়ে সমাবেশের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করেছেন।
Copy code

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ভোলা থেকে ঢাকায় তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে লক্ষাধিক বিএনপি নেতা-কর্মী লঞ্চযাত্রা

ভোলা, নাগরিক অনলাইন: দীর্ঘদিন পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে ভোলা জেলা থেকে ঢাকায় বিপুলসংখ্যক বিএনপি নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করছেন। জেলা বিএনপি জানিয়েছে, ভোলার ৭ উপজেলার নেতা-কর্মীরা আজ (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ১০টি লঞ্চযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম জানান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীরের নেতৃত্বে ভোলা সদর উপজেলা থেকে প্রায় ২০ হাজার নেতা-কর্মী ঢাকায় যাত্রা করবেন। জেলার অন্যান্য উপজেলারও বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

মঙ্গলবার থেকে প্রস্তুতি সভা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম চলছিল। বিএনপির পাশাপাশি যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল ও কৃষক দলও পৃথকভাবে ঢাকায় অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিয়েছে।

মনপুরা ও চরফ্যাসন উপজেলা থেকে রওনা দিতে তিনটি লঞ্চ ব্যবস্থা করেছেন ভোলা-৪ আসনের কেন্দ্রীয় যুবদল সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন। মনপুরা উপজেলার রামেনওয়াজ ঘাট থেকে এমভি ফারহান-৮ এবং চরফ্যাসনের বেতুয়া ও ঘোষের হাট থেকে এমভি জাকির সম্রাট-৪ ও এমভি শাহরুখ-২ লঞ্চ ঢাকায় যাত্রা করবে।

মনপুরা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মন্নান হাওলাদার জানান, “ইতিহাসের অংশ হতে চরফ্যাসন ও মনপুরা উপজেলার ১০ হাজারের বেশি নেতা-কর্মী লঞ্চযোগে ঢাকার পথে। এই যাত্রা নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।”

স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বলেন, নেতা তারেক রহমান আসছে—এবারের যাত্রায় সকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঢাকায় উপস্থিত হওয়ার জন্য উত্তেজিত ও উৎসাহী। অনেকে নিজ উদ্যোগে বাস যোগে বা তজুমুদ্দিন হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন, কারণ বরাদ্দকৃত লঞ্চে জায়গার সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত

বরিশাল, ব্যুরো চীফ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বরিশালে আনন্দ মিছিল করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টায় বরিশাল নগরীর সদর রোডস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিল শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা উল্লাস প্রকাশ করেন এবং নেতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানান।

মিছিলে উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) তাদের স্বপ্ন পূরণের দিন। এই দিনে তারেক রহমান দেশে ফিরছেন এবং তাই সবাই আনন্দিত। তারা আরও জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে জয় নিশ্চিত করতে সকলে সক্রিয়ভাবে কাজ করবেন।

আনন্দ মিছিলের শেষে অশ্বিনী কুমার টাউন হল প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালে আওয়ামী লীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

বরিশাল, ব্যুরো চীফ: বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আগৈলঝাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ মাসুদ খাঁন বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) জানান, মঙ্গলবার রাতে পৃথক অভিযানে উপজেলা শ্রমিক লীগের সদস্য ও বাকাল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আসাদুজ্জামান খলিফা, রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মতিউর রহমান এবং বাগধা ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সম্পাদক আজিম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব রাতুল ইসলাম শাহেদের মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের জন্য ৮টি আসন ছেড়ে দিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসাবে বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ও সমমনা দলগুলোর জন্য ৮টি আসন ছেড়ে দিয়েছে। এ ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে।

মির্জা ফখরুল জানান, সমঝোতার আওতায় আসন পাওয়া দলগুলো নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেবেন। সমঝোতার আওতায় থাকা আসনগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • বগুড়া-২: নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না
  • পিরোজপুর-১: জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার
  • নড়াইল-২: এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ
  • যশোর-৫: ইসলামী ঐক্য জোটের মুফতি রশিদ বিন ওয়াক্কাস
  • পটুয়াখালী-৩: গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর
  • ঝিনাইদহ-৪: গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান
  • ঢাকা-১২: বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬: গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি

সূত্র জানায়, ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। ২০১৮ সালে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সত্ত্বেও পুরোপুরি মাঠে থাকতে পারেনি দলটি। বর্তমানে মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের সময় নেতাদের ওপর নির্যাতন–নিপীড়নের অভিজ্ঞতা থাকায় শীর্ষ নেতৃত্বকে সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

বিএনপি ঘোষণা করেছে, সমঝোতার আওতায় থাকা আসনে দল কোনো প্রার্থী দেবে না, এবং শরিক দলগুলো কেবল নির্ধারিত আসনেই প্রার্থী হবে। এছাড়া বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করাকে দল বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে।

এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম তার দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন এবং লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে নির্বাচনে অংশ নিতে চান।

বিএনপি এখন পর্যন্ত দুই দফায় ২৭২টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। বাকি ২৮টি আসন সমঝোতার মাধ্যমে শরিকদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। এর মধ্যে সম্প্রতি জমিয়তকে চারটি আসন প্রদান করা হয়েছে।

  • সিলেট-৫: উবায়দুল্লাহ ফারুক
  • নীলফামারী-১: মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: জুনায়েদ আল হাবিব
  • নারায়ণগঞ্জ-৪: মনির হোসেন কাসেমী

এছাড়া লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মহাসচিব ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ কুমিল্লা-৭ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




হিন্দু ভোটের হিসাব ঘিরে পিরোজপুরে বিএনপি-জামায়াতের তৎপরতা তুঙ্গে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পিরোজপুর জেলায় ফের জমে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। জেলার সাতটি উপজেলা নিয়ে গঠিত তিনটি সংসদীয় আসনে এবার মূল লড়াই হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে। দীর্ঘদিন ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ না পাওয়া সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মাঝে এবার ভোট দেওয়ার প্রবল আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

জেলার তিনটি আসনেই জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। বিএনপি দুটি আসনে প্রার্থী দিলেও পিরোজপুর-১ আসনে এখনো মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়নি। তবুও তিনটি আসনেই প্রার্থী ও মনোনয়নপ্রত্যাশীরা সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় ভোটের সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিশেষ করে পিরোজপুর-১ আসনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হিন্দু ভোটার থাকায় তাদের সমর্থন আদায়ে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

পিরোজপুর-১ (সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানী)

এই আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী। তিনি নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং পিরোজপুরকে একটি ‘বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ জেলা’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

অন্যদিকে বিএনপি এখনো এ আসনে প্রার্থী ঘোষণা না করায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য আলমগীর হোসেন ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেও জোটগত সমঝোতার মাধ্যমে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার মনোনয়ন পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রায় এক-চতুর্থাংশ হিন্দু ভোটার থাকায় এই আসনে সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংককে নিজেদের পক্ষে আনতে দুই দলই সক্রিয়।

পিরোজপুর-২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ)

এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন শামীম সাঈদী। অতীতে ভোটাধিকার হরণের অভিযোগ তুলে তিনি সাধারণ ভোটারদের সহানুভূতি অর্জনের চেষ্টা করছেন।

অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী ভান্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন। ক্লিন ইমেজ ও পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কারণে তাকেও শক্ত প্রার্থী হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। সাবেক এমপি আনোয়ার হোসেন মঞ্জু নতুন কোনো রাজনৈতিক জোট থেকে প্রার্থী হলে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া)

জেলার দক্ষিণাঞ্চলের মঠবাড়িয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলের প্রার্থীরাই জোরালো প্রচার চালাচ্ছেন। অতীতে আওয়ামী লীগের প্রভাব বেশি থাকলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে এবার সমীকরণ বদলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শরীফ আবদুল জলিল এবং বিএনপির প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রুহুল আমীন দুলাল নিয়মিত গণসংযোগ করছেন। অতীতে দলীয় দ্বন্দ্ব থাকলেও বর্তমানে বিএনপিতে ঐক্য ফিরেছে বলে দাবি নেতাকর্মীদের। এ ছাড়া রুস্তম আলী ফরাজী নতুন কোনো জোট থেকে প্রার্থী হলে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

ভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পিরোজপুরের সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তাদের প্রত্যাশা, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তা তুলনামূলক সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে। তবে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কিছুটা সংশয়ও রয়েছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পিরোজপুরের সহসভাপতি আফজাল হোসেন লাভলু বলেন, দীর্ঘদিন মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এবার তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চায়।

সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) পিরোজপুরের সভাপতি আতা-ই রব্বানী ফিরোজ বলেন, নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে এবারের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে।

নতুন ভোটার আজমাইন নূর রেজা ও শাইরা সাহিদ নূর জানান, তারা একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান, যাতে কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বরগুনা থেকে ঢাকায় যাচ্ছে ৫০ হাজার বিএনপি নেতাকর্মী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বরগুনা জেলা বিএনপি। এ কর্মসূচিতে যোগ দিতে বরগুনা থেকে বাস ও লঞ্চযোগে অন্তত ৫০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরছেন। এই উপলক্ষে সারা দেশের মতো বরগুনাতেও দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৪ ডিসেম্বর বরগুনা জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবেন।

বরগুনা-১ আসনের (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) উপজেলা থেকে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় যাবেন বলে জানা গেছে। অপরদিকে বরগুনা-২ আসনের (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) তিন উপজেলা থেকেও ১৫ থেকে ২০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক রাজধানীতে অনুষ্ঠেয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন হাসান শাহীন বলেন, তারেক রহমান বরগুনাসহ সারা দেশের মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক। তার আগমনকে ঘিরে বরগুনার মানুষের আগ্রহ ব্যাপক। যদিও যানবাহনের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তারপরও প্রত্যেক উপজেলা থেকে বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একটি লঞ্চ ইতোমধ্যেই প্রস্তুত রয়েছে এবং আমতলী উপজেলার অনেক নেতাকর্মী পটুয়াখালী হয়ে লঞ্চে ঢাকায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বরগুনা-১ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে ঘিরে আয়োজিত এই কর্মসূচি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণকালের অন্যতম বৃহৎ আয়োজন হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বরগুনা থেকে অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ঢাকায় পৌঁছে গেছেন। আগামী দিনে বরগুনা-১ আসন থেকেই অন্তত ৩০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় উপস্থিত থাকবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরগুনা-2 আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বরগুনা-২ আসনের তিন উপজেলা থেকে প্রায় ৩০টি বাসে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ঢাকায় যাবেন। কেউ কেউ মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আগেভাগেই রওনা হয়েছেন বলেও তিনি জানান।

বরগুনা জুড়ে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫