হিন্দু ভোটের হিসাব ঘিরে পিরোজপুরে বিএনপি-জামায়াতের তৎপরতা তুঙ্গে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পিরোজপুর জেলায় ফের জমে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। জেলার সাতটি উপজেলা নিয়ে গঠিত তিনটি সংসদীয় আসনে এবার মূল লড়াই হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে। দীর্ঘদিন ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ না পাওয়া সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মাঝে এবার ভোট দেওয়ার প্রবল আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

জেলার তিনটি আসনেই জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। বিএনপি দুটি আসনে প্রার্থী দিলেও পিরোজপুর-১ আসনে এখনো মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়নি। তবুও তিনটি আসনেই প্রার্থী ও মনোনয়নপ্রত্যাশীরা সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় ভোটের সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিশেষ করে পিরোজপুর-১ আসনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হিন্দু ভোটার থাকায় তাদের সমর্থন আদায়ে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

পিরোজপুর-১ (সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানী)

এই আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী। তিনি নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং পিরোজপুরকে একটি ‘বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ জেলা’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

অন্যদিকে বিএনপি এখনো এ আসনে প্রার্থী ঘোষণা না করায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য আলমগীর হোসেন ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেও জোটগত সমঝোতার মাধ্যমে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার মনোনয়ন পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রায় এক-চতুর্থাংশ হিন্দু ভোটার থাকায় এই আসনে সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংককে নিজেদের পক্ষে আনতে দুই দলই সক্রিয়।

পিরোজপুর-২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ)

এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন শামীম সাঈদী। অতীতে ভোটাধিকার হরণের অভিযোগ তুলে তিনি সাধারণ ভোটারদের সহানুভূতি অর্জনের চেষ্টা করছেন।

অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী ভান্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন। ক্লিন ইমেজ ও পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কারণে তাকেও শক্ত প্রার্থী হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। সাবেক এমপি আনোয়ার হোসেন মঞ্জু নতুন কোনো রাজনৈতিক জোট থেকে প্রার্থী হলে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া)

জেলার দক্ষিণাঞ্চলের মঠবাড়িয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলের প্রার্থীরাই জোরালো প্রচার চালাচ্ছেন। অতীতে আওয়ামী লীগের প্রভাব বেশি থাকলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে এবার সমীকরণ বদলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শরীফ আবদুল জলিল এবং বিএনপির প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রুহুল আমীন দুলাল নিয়মিত গণসংযোগ করছেন। অতীতে দলীয় দ্বন্দ্ব থাকলেও বর্তমানে বিএনপিতে ঐক্য ফিরেছে বলে দাবি নেতাকর্মীদের। এ ছাড়া রুস্তম আলী ফরাজী নতুন কোনো জোট থেকে প্রার্থী হলে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

ভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পিরোজপুরের সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তাদের প্রত্যাশা, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তা তুলনামূলক সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে। তবে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কিছুটা সংশয়ও রয়েছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পিরোজপুরের সহসভাপতি আফজাল হোসেন লাভলু বলেন, দীর্ঘদিন মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এবার তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চায়।

সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) পিরোজপুরের সভাপতি আতা-ই রব্বানী ফিরোজ বলেন, নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে এবারের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে।

নতুন ভোটার আজমাইন নূর রেজা ও শাইরা সাহিদ নূর জানান, তারা একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান, যাতে কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বরগুনা থেকে ঢাকায় যাচ্ছে ৫০ হাজার বিএনপি নেতাকর্মী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বরগুনা জেলা বিএনপি। এ কর্মসূচিতে যোগ দিতে বরগুনা থেকে বাস ও লঞ্চযোগে অন্তত ৫০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরছেন। এই উপলক্ষে সারা দেশের মতো বরগুনাতেও দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৪ ডিসেম্বর বরগুনা জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবেন।

বরগুনা-১ আসনের (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) উপজেলা থেকে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় যাবেন বলে জানা গেছে। অপরদিকে বরগুনা-২ আসনের (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) তিন উপজেলা থেকেও ১৫ থেকে ২০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক রাজধানীতে অনুষ্ঠেয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন হাসান শাহীন বলেন, তারেক রহমান বরগুনাসহ সারা দেশের মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক। তার আগমনকে ঘিরে বরগুনার মানুষের আগ্রহ ব্যাপক। যদিও যানবাহনের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তারপরও প্রত্যেক উপজেলা থেকে বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একটি লঞ্চ ইতোমধ্যেই প্রস্তুত রয়েছে এবং আমতলী উপজেলার অনেক নেতাকর্মী পটুয়াখালী হয়ে লঞ্চে ঢাকায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বরগুনা-১ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে ঘিরে আয়োজিত এই কর্মসূচি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণকালের অন্যতম বৃহৎ আয়োজন হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বরগুনা থেকে অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ঢাকায় পৌঁছে গেছেন। আগামী দিনে বরগুনা-১ আসন থেকেই অন্তত ৩০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় উপস্থিত থাকবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরগুনা-2 আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বরগুনা-২ আসনের তিন উপজেলা থেকে প্রায় ৩০টি বাসে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ঢাকায় যাবেন। কেউ কেউ মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আগেভাগেই রওনা হয়েছেন বলেও তিনি জানান।

বরগুনা জুড়ে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে উত্তাল বরিশাল, নদীবন্দরে প্রস্তুত বিশাল লঞ্চ

 ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে বরিশালে দেখা দিয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি ও উৎসবমুখর পরিবেশ। এই উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য ঐতিহাসিক জনসমাবেশে যোগ দিতে সড়ক ও নদীপথে যাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বরিশাল বিভাগের হাজার হাজার নেতাকর্মী।

বরিশাল নদী বন্দরে ইতোমধ্যে বিশালাকৃতির চারটি লঞ্চ ধুয়ে-মুছে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বরিশাল জেলা বিএনপির উদ্যোগে লঞ্চগুলো ভাড়া নেওয়া হয়েছে এবং বিকেলের মধ্যেই নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে এসব লঞ্চ।

এদিকে বরিশাল জেলার ১০টি উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা সকাল থেকেই সড়কপথে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বাসস্ট্যান্ডগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন। অনেকেই নিজ উদ্যোগে বাস, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত যানবাহনে রাজধানীর উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন।

দক্ষিণাঞ্চলের নেতাকর্মীদের মাঝে এদিনটি ঘিরে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, দলের গুরুত্বপূর্ণ এই নেতার দেশে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে এবং ভোটের রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

নদী বন্দরে সরেজমিনে দেখা গেছে, লঞ্চের ভেতরে উপজেলা পর্যায়ের নেতারা রশি ও চিহ্ন ব্যবহার করে নিজ নিজ কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করছেন, যাতে যাত্রাপথে শৃঙ্খলা বজায় থাকে।

বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহিন জানান, বরিশাল জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে চারটি লঞ্চ ও প্রায় ২০টি বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে হাজার হাজার নেতাকর্মী ইতোমধ্যেই ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন। বরিশাল মহানগর থেকেও আলাদাভাবে দুটি লঞ্চ ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগে একাধিক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বরিশাল বিভাগ থেকে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক নেতাকর্মী সড়ক ও নদীপথে ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ইসলামের সেবায় জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপি নেতা হেলাল

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সদস্য ও নাজিরপুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা হেলাল উদ্দিন মুন্সী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে বাউফল উপজেলার সূর্য্যমনি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তিনি দলটিতে যোগদানের ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি এবং পটুয়াখালী-২ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি নবাগত সদস্য হেলাল উদ্দিন মুন্সীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

দলে যোগদানের বিষয়ে হেলাল উদ্দিন মুন্সী বলেন, তিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে এখন তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ইসলামের খেদমতে নিজেকে সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে নাজিরপুর ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করবেন এবং আসন্ন নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন গড়ে তুলতে সচেষ্ট থাকবেন। এ জন্য তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

বিএনপি থেকে জামায়াতে ইসলামীতে হেলাল উদ্দিন মুন্সীর যোগদানের ঘটনায় বাউফল উপজেলায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল দেখা দিয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




২২ ঘণ্টায় ৩৭ লাখ টাকা অনুদান, তাসনিম জারার তহবিলে ব্যাপক সাড়া

ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারার নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। মাত্র ২২ ঘণ্টায় তিনি ৩৭ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ডা. তাসনিম জারা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের জন্য আর্থিক সহযোগিতা করেছেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, মাত্র ২২ ঘণ্টার ব্যবধানে ৩৭ লাখ টাকা সংগ্রহ হয়েছে এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে এই ফান্ড রেইজিং কার্যক্রম। তিনি সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, মানুষের এই ভালোবাসা ও বিশ্বাস তাঁকে আরও দায়িত্বশীল করে তুলছে।

ডা. তাসনিম জারা আরও জানান, তাঁর নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহের চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৮০ টাকা। অর্থাৎ আরও প্রায় ৯ লাখ টাকা সংগ্রহ হলেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই তহবিল সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ করা হবে।

অনুদান পাঠানোর বিষয়ে তিনি জানান, বিকাশ অ্যাকাউন্টের নির্ধারিত লেনদেন সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে বিকল্প হিসেবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনুদান পাঠানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যারা এখনো সহযোগিতা করতে আগ্রহী, তারা ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করে অনুদান দিতে পারবেন।

সংগৃহীত অর্থের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুরু থেকেই প্রতিটি টাকার হিসাব জনগণের সামনে স্পষ্ট রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কোনো নগদ অর্থ গ্রহণ করা হচ্ছে না এবং সব লেনদেন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন।

এছাড়া নিয়মিতভাবে আয়ের হিসাব প্রকাশ করা হবে এবং নির্বাচন কমিশনের কাছেও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। সংগৃহীত অর্থ কোন কোন খাতে ব্যয় করা হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে মাত্র ১৪ ঘণ্টায় ২৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা সংগ্রহের তথ্য জানিয়েছিলেন ডা. তাসনিম জারা, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




কুয়াকাটায় অপকর্মের অভিযোগে জামায়াত নেতা বহিষ্কার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অপকর্মের অভিযোগে কুয়াকাটা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. আ. হালিমকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুয়াকাটা পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা মো. শহীদুল ইসলাম।

বহিষ্কৃত নেতা মো. আ. হালিম উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের মুসুল্লীয়াবাদ গ্রামের বাসিন্দা।

কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, “কুয়াকাটায় পতিতাবৃত্তি বেড়ে চলেছে। আমরা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার। সংগঠনের এক নেতার বিরুদ্ধে এমন কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠলে আমরা প্রাথমিকভাবে তদন্ত ও সতর্কতা অবলম্বন করি। হালিম নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই ঘৃণিত কাজ থেকে ফেরেননি, তাই সাংগঠনিক মিটিংয়ে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।”

সংবাদ সম্মেলনে কুয়াকাটা পৌর জামায়াতের আমির মো. শহীদুল ইসলাম, পৌরসভার সাবেক আমির মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মান্নান, লতাচাপলী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. রাসেল মুসল্লী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, “সংগঠনের নীতিমালা ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

সাবেক আমির মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মান্নান জানান, “অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে যুক্ত নেতাদের বিরুদ্ধে সংগঠন থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।”

এ বিষয়ে মো. আ. হালিম বলেছেন, “আমার বাসায় ভাড়া নেওয়া একটি ফ্ল্যাটের বিষয়ে আমাকে না জানিয়ে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। বিষয়টি নিয়ে আমার সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। আমি এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করব।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




দুইদিন শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রী ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা বিমানযাত্রী ছাড়া অন্য সবার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ পাঠানো এক বার্তায় এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৈধ টিকিটধারী যাত্রী ব্যতীত সব ধরনের সহযাত্রী ও ভিজিটরের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, উল্লিখিত সময়ে শুধুমাত্র বৈধ বিমান টিকিটধারী যাত্রীরাই বিমানবন্দর এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন। এই নিষেধাজ্ঞা যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা ও অপারেশনাল শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২৫ ডিসেম্বর সকালে তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। দীর্ঘদিনের প্রবাস জীবন শেষে তার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বিএনপি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বৃহৎ প্রস্তুতি নিয়েছে। বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




পিরোজপুর থেকে ৩০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় যাবে, ৬ লঞ্চ ও শতাধিক বাস প্রস্তুত

আগামী ২৫ ডিসেম্বর প্রায় ১৮ বছরের নির্বাসনের পর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমনের প্রস্তুতি হিসেবে পিরোজপুর জেলা বিএনপি ব্যাপক ব্যবস্থা নিয়েছে। জেলার প্রায় ৩০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক ঢাকায় যাওয়ার জন্য ৬টি লঞ্চ এবং শতাধিক বাস প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাঈদুল ইসলাম কিসমত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, জেলার শীর্ষ নেতারা কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। জেলা কমিটির এক জরুরি সভায় কর্মী-সমর্থকদের ঢাকায় যাত্রা বিষয়ক বিস্তারিত পরিকল্পনা গৃহীত হয়। এই প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে

প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, “পিরোজপুর জেলা থেকে ৩০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থককে নির্ধারিত দিনে অন্তত ৬টি লঞ্চ ও শতাধিক বাসে ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানকে বরণ করতে নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বসিত।”

সাঈদুল ইসলাম কিসমত আরও জানান, ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হুলারহাট নদীবন্দর থেকে ৬টি বিশাল লঞ্চে খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। পরদিন ২৫ ডিসেম্বর সকালে জেলা ও শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে শতাধিক বাস নেতাকর্মীদের ঢাকায় পৌঁছানোর জন্য রওনা হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫

 




ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন রুমিন ফারহানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনের অন্তর্ভুক্ত সরাইল, আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগরের চান্দুরা-বুধন্তি এলাকার একাংশের মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক রয়েছে রুমিন ফারহানার। নিজ জন্মস্থান বিজয়নগরসহ পুরো এলাকায় তাঁর উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয়তা এবং কর্মী-সমর্থকদের সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে এই আসনটি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত সপ্তাহেই ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন যে, তিনি সরাইল-আশুগঞ্জ আসন থেকেই নির্বাচনে অংশ নেবেন। মঙ্গলবারও তিনি গণমাধ্যমকে মোবাইল ফোনে একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, “আমি যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি, জনগণই ভোটের মাধ্যমে তাদের মতামত জানাবে। বিজয়ের বিষয়ে আমি আশাবাদী।”

অন্যদিকে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিএনপি এই আসনে প্রার্থী হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীবকে চূড়ান্ত করেছে। ফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানার অংশগ্রহণ নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জেলা আমীর মাওলানা মোবারক হোসাইন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদী।

আসন্ন নির্বাচনে একাধিক রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অংশগ্রহণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে ত্রিমুখী নয়, বরং বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




গণমাধ্যম সহ্য করতে না পারলে জনগণের প্রতিনিধি হওয়া যায় না: জহির উদ্দিন স্বপন

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আধুনিক সভ্য সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে গণমাধ্যম। যিনি গণমাধ্যমকে সহ্য করতে পারেন না বা গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করেন, তিনি কখনোই জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি হতে পারেন না।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বরিশাল উত্তর জনপদের ঐতিহ্যবাহী গৌরনদী প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “যে ক্ষমতাবান ব্যক্তি গণমাধ্যমকে সুযোগ দেয় না কিংবা সমালোচনা সহ্য করতে পারে না, তাকে বুঝতে হবে—সে নির্বাচিত হোক বা অনির্বাচিত হোক—জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না।”

তিনি আরও বলেন, জবাবদিহিতার সংস্কৃতিই একটি সভ্য রাষ্ট্র ও সমাজের মূল ভিত্তি। গণমাধ্যমই রাষ্ট্র ও সমাজকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারে। তাই গণমাধ্যম ছাড়া কোনো সভ্য সমাজ কল্পনা করা যায় না।

গৌরনদী প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক জহুরুল ইসলাম জহিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন প্যানেল আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন মিয়া, খোন্দকার মনিরুজ্জামান, মো. হানিফ সরদারসহ অন্যান্য বক্তারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল-১ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের লিগ্যাল টিমের প্রধান সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট রেজাউল ফিরোজ রিন্টু, প্রচার বিষয়ক উপ-কমিটির প্রধান সমন্বয়ক রফিকুল ইসলাম কাজল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, সাবেক আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাফর ইকবালসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫