ডিসেম্বরই শেষ সময়’, যুগপৎ সঙ্গীদের সঙ্গে বসছে বিএনপি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : শনিবার (১৯ এপ্রিল) বিকেল তিনটায় গুলশানের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে বৈঠক করবেন বিএনপির লিয়াঁজো কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তবর্তী সরকারের সঙ্গে আলোচনার সূত্র ধরে এবার যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকে বসছে বিএনপি।

(১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, লিয়াঁজো কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান বৈঠক করবেন ১২ দলীয় জোট ও এলডিপির সঙ্গে। বিকেল ৩টায় ১২ দলীয় জোট ও সন্ধ্যা ৭টায় এলডিপির সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি।

১৬ এপ্রিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি। সেখানে তারা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এয়োদশ সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে দাবি জানান। কিন্তু সরকার নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ না জানিয়ে ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে বলে বিএনপিকে জানায়। সরকারের এই অবস্থান নিয়ে পাল্টা নিজেদের অসন্তুষ্টির কথা জানায় বিএনপি।




এনসিপি’র নিবন্ধন চ্যালেঞ্জ, ইসি কি বলছে ?




শিক্ষার্থী-ছাত্রদল ও এনসিপির সংঘর্ষ ও মারামারি




নির্বাচনের আগে তিনটি মৌলিক শর্ত পূরণের আহ্বান জামায়াত আমিরের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ এক নতুনভাবে স্বাধীনতা পেয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের আগে তিনটি মৌলিক শর্ত পূরণ আবশ্যক।”

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সফর শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, “হাজারো মানুষের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে যা অর্জিত হয়েছে, তা রক্ষা করতে হলে নির্বাচনকে ভিত্তিহীন হতে দেওয়া যাবে না। এজন্য দৃশ্যমান মৌলিক সংস্কার দরকার। আমরা একটি সংস্কারপত্র কমিশনে জমা দিয়েছি।”

তিনি বলেন, প্রথমত রাজনৈতিক দলগুলোকে মৌলিক সংস্কারে অংশগ্রহণ করতে হবে। তারা সহযোগিতা করলে দ্রুত সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হবে। সহযোগিতা না করলে পুরনো ধারার অনাকাঙ্ক্ষিত নির্বাচনই হবে, যার দায় দলগুলোকেই নিতে হবে।

দ্বিতীয় শর্ত হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, “গণহত্যাকারীদের দৃশ্যমান বিচার করতে হবে, যাতে জনগণের আস্থা ফিরে আসে ও শহীদদের আত্মা শান্তি পায়।”

তৃতীয় শর্ত হিসেবে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ফিরিয়ে আনতে হবে। আমি জিতলে নির্বাচন সুষ্ঠু, না জিতলে অনিয়ম—এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।”

সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে তিনি বলেন, “শর্ত পূরণ না হলে নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি কতটা রক্ষা পাবে, তা আল্লাহই ভালো জানেন।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



নতুন রাজনৈতিক দল ‘বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টি’র আত্মপ্রকাশ, আহ্বায়ক রফিকুল আমীন

রাজনৈতিক অঙ্গনে যুক্ত হলো নতুন নাম—‘বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টি’। ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীনের নেতৃত্বে এই দলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। তিনি দলের আহ্বায়ক এবং ফাতিমা তাসনিম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর বনানীতে শেরাটন হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

ঘোষণাপত্র পাঠের সময় রফিকুল আমীন বলেন, “স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশের মানুষ বঞ্চনা ও বৈষম্যের শিকার। এই পরিস্থিতি বদলাতে হলে সবাইকে এক হতে হবে। স্বৈরাচার বিদায় করে মানুষের মৌলিক ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের দল অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।”

তিনি আরও জানান, দলটি সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি, অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠন, সরকারি দপ্তর ও আদালতে ডিজিটাল ব্যবস্থার প্রসার, শিক্ষা ও প্রশাসনে দলীয় প্রভাব হ্রাসসহ সময়োপযোগী উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সদস্য সচিব ফাতিমা তাসনিম বলেন, “রাজনৈতিক সচেতনতা না থাকলে দেশে আবার স্বৈরাচার ফিরে আসবে। আমরা অতীতে যেমন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছি, ভবিষ্যতেও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব।”

অনুষ্ঠানে ২৯৭ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি ছিল নানা মাত্রায় সমৃদ্ধ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




আলোচনায় সন্তুষ্ট নয় বিএনপি




রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শেষে স্পষ্ট হবে সরকার কতটুকু সংস্কার বাস্তবায়ন করতে পারবে : প্রেস সচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিকদলগুলোর সংলাপ শেষ হওয়ার পরই স্পষ্ট হবে অন্তর্বর্তী সরকার কতটুকু সংস্কার বাস্তবায়ন করতে পারবে।বাসস

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, ‘রাজনৈতিকদলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশন বিশদ সংলাপ করছে। এই সংলাপ শেষ হলে রাজনৈতিকদলগুলো একটা ঐকমত্যে পৌঁছাবে, তখন স্পষ্ট হবে কতটা সংস্কার আমরা করব এবং কতটা সংস্কার পরবর্তী সরকার করবে।’

প্রেস সচিব মনে করেন সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়টি নির্ভর করছে রাজনৈতিকদলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের সংলাপের ওপর।

প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।




শুধু নির্বাচনসহ  আরও অনেক বিষয়ে কথা হবে : বিএনপি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে বিএনপির নেতারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে সুনির্দিষ্ট করে জানতে চাইবেন কবে নাগাদ নির্বাচন হবে এবং নির্বাচনের রোডম্যাপ বা পথনকশা কবে ঘোষণা করা হবে। উপদেষ্টার বক্তব্যে সন্তুষ্ট হতে না পারলে বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের নিয়ে আবার মাঠের কর্মসূচিতে যেতে পারে।প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে শুধু জাতীয় নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট পথনকশার দাবি নয়, এ–সংশ্লিষ্ট আরও অনেক বিষয়ে কথা বলবে বিএনপি।

আজ বুধবার দুপুর ১২টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এ বৈঠক হবে। বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেফাইল ছবি

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভা হয়। সেখানে বৈঠকের আলোচ্য সূচি এবং নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট সময়ের বিষয়ে স্পষ্ট ঘোষণার দাবি নিয়ে আলোচনা হয়।

বিএনপির নেতারা মনে করছেন, সরকারের উপদেষ্টাদের বিভিন্ন রকম বক্তব্যে নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সরকারের মধ্যেও নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কোনো প্রস্তুতি দৃশ্যমান নয়। বিশেষ করে, এখনো সংসদীয় আসনবিন্যাসের বিষয়টি মীমাংসা হয়নি। বর্তমান নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। বিষয়টি এখনো সেভাবেই পড়ে আছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা ইসি থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করে। বর্তমান ইসি সেটি আবার নির্বাচন কমিশনের অধীন রাখার প্রস্তাব করে। এই প্রস্তাব উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদনও করে। কিন্তু এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনোই অগ্রগতি নেই।

এ ছাড়া বিএনপির নেতারা মনে করেন, প্রশাসনের সর্বস্তরে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর ও সুবিধাভোগীরা এখনো বহাল আছে। এত দিন যাঁরা বৈষম্যের শিকার, তাঁদের এখনো পদায়ন করা হচ্ছে না। এ বিষয়গুলোও বৈঠকে তুলবে বিএনপি।

সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে বিএনপির নীতিনির্ধারণী নেতারা মনে করছেন, নির্বাচন প্রশ্নে প্রধান উপদেষ্টাসহ আরও কয়েকজন উপদেষ্টার বিভিন্ন রকম বক্তব্যে নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে স্পষ্ট হতে চাইবে।

বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, আগেরবারের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা তাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে চলতি বছরের ডিসেম্বর নাগাদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে তাঁর সব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তখন এ বক্তব্যে তাঁরা সন্তুষ্ট হয়েছিলেন। তখনই তাঁরা প্রধান উপদেষ্টাকে অনুরোধ করেছিলেন, প্রতিশ্রুত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এর পথনকশা যথাযথভাবে জাতির সামনে উপস্থাপন করতে, যাতে নির্বাচন কমিশন সে অনুযায়ী প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারে।

বিএনপির নেতাদের ভাষ্য, তখন প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে আশ্বস্ত হয়ে ‘দ্রুত’ নির্বাচন বা চলতি বছরের ‘জুন-জুলাইয়ের মধ্যে’ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করা থেকে বিএনপি সরে আসে। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টার সাম্প্রতিক বক্তব্যে তাঁর আগের অবস্থানের হেরফের দেখছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা। প্রধান উপদেষ্টা সাম্প্রতিক একাধিক বক্তব্য ও সাক্ষাৎকারে এ বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা বলেছেন। বিএনপি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায়। দলটি মনে করছে, নির্বাচন পেছানোর ভাবনায় ষড়যন্ত্র আছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ  বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ডিসেম্বরে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে তিনি সব কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এর ব্যতিক্রম কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ছাড়া নির্বাচন নিয়ে উপদেষ্টাদের কয়েকজনের যে বক্তব্য এবং সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের যে পোস্ট, তাতে করে মনে হচ্ছে নির্বাচন বিলম্বিত করার প্রয়াস অব্যাহত আছে। বৈঠকে আমরা জানতে চাইব, তিনি কবে নির্বাচনের রোডম্যাপ দেবেন, নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনের নির্দেশনা দেবেন।’




বিএনপির সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠক কাল

চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্য পথ খুঁজে বের করতে আগামীকাল বুধবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সঙ্গে বৈঠকে বসছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে দুপুর ১২টায়, রাজধানীর সরকারি বাসভবন যমুনায়। বৈঠকের আয়োজন ও সময়সূচি সম্পর্কে নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আলোচনার প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসবে।

বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, এই বৈঠকটি দেশের রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলার পাশাপাশি জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই সংলাপের মধ্য দিয়ে।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন মহল থেকে বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে সংলাপ ও আলোচনার প্রয়োজনীয়তা বারবার তুলে ধরা হয়েছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই পদক্ষেপ দেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এখন অপেক্ষা শুধু আগামীকালের আলোচিত বৈঠকের ফলাফলের দিকে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা

ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রোডম্যাপ অনুযায়ী মে মাসের মাঝামাঝি পর্যায়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। তবে নির্বাচন কমিশন কতদিনের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করবে তা রোডম্যাপে উল্লেখ নেই। বাসস

আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই রোডম্যাপ এর কথা জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন মনে করে, ডাকসু প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শিক্ষার্থীদেরও ডাকসু নির্বাচনের ব্যাপারে যথেষ্ট আগ্রহ আছে। সে কারণেই বর্তমান প্রশাসন ডাকসু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ডাকসু নির্বাচন সম্পাদনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও সুচারুভাবে আয়োজনের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ এবং অগ্রগতি সংবলিত রোডম্যাপ প্রকাশ করা হলো।

গণমাধ্যমে পাঠানো রোডম্যাপে উল্লেখ করা হয়, ডাকসু নিয়ে অংশীজনদের আলোচনা শুরু হয় গত বছরের ডিসেম্বরে।

একই মাসে ডাকসু সংশোধিত গঠনতন্ত্র চূড়ান্ত করে তা ছাত্রসংগঠনগুলোর কাছে পাঠানো হয়। এর আগে এ বিষয়ে ছয়টি সভা করা হয়। এই গঠনতন্ত্র এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে অনুমোদন হওয়ার অপেক্ষায় আছে।

রোডম্যাপে উল্লেখ করা হয়, গত জানুয়ারি মাসে ‘ডাকসু ইলেকশন কোড অব কনডাক্ট রিভিউ কমিটি’ করা হয়। তারা সাতটি সভা করে। এটিও চূড়ান্ত হওয়ার পর এখন তা সিন্ডিকেটে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

রোডম্যাপ অনুযায়ী, মে মাসের প্রথমার্ধে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। একই সঙ্গে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ অন্যান্য রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে। একই মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ভোটার তালিকা প্রস্তুত করবে নির্বাচন কমিশন। এরপর নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করবে।