বরিশালে সাম্য হত্যার প্রতিবাদে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার প্রতিবাদে বরিশালের ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রদল।

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় বিএম কলেজের মূল ফটকের সামনে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ ও কালো ব্যাজ ধারণের মাধ্যমে কর্মসূচি পালন করেন।

◾ “আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটেছে”

কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বিএম কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক বাবর খালেদ। বক্তব্যে নেতারা বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো নিরাপদ স্থানে প্রকাশ্যে একজন ছাত্রনেতাকে হত্যা করা স্পষ্ট প্রমাণ করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নিরাপত্তার ঘাটতি বাড়ছে।”

তারা আরও বলেন, “আমরা সরকারকে সতর্ক করে দিতে চাই—সাম্য হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার না হলে, ছাত্রদল দেশব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেবে।”

◾ কে ছিলেন সাম্য?

গত মঙ্গলবার (১৩ মে) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য ছুরিকাঘাতে নিহত হন। তিনি শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৮-১৯ সেশনের ছাত্র এবং এফ রহমান হলের আবাসিক ছিলেন। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায়।

ঘটনার পর ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে হত্যার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা নিয়ে ছাত্রদলসহ অনেকেই প্রশ্ন তুলেছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /


 




 জবি শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জ কেন? প্রশ্ন রিজভীর

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী কড়া সমালোচনা করে বলেন, “একদিকে এনসিপি নেতাদেরকে সাদরে বরণ করা হচ্ছে, অন্যদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জ চালানো হচ্ছে — এটা কেমন দ্বিচারিতা?”

তিনি বলেন, “জবি শিক্ষার্থীরা যখন নিজেদের আবাসন সমস্যার সমাধান চাইতে যায়, তখন তাদের ওপর চালানো হয় লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস এবং সাউন্ড গ্রেনেড। অথচ কয়েকদিন আগেই এনসিপি নেতাদের যমুনার দিকে যাত্রায় সম্মান জানানো হয়েছে।”

রিজভী আরও বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বে থাকা লোকদের আচরণে পক্ষপাতদুষ্টতা স্পষ্ট। যাদের জনগণ গণতন্ত্রের জন্য সমর্থন দিয়েছে, তাদের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করা যায় না।”

◾ শাহরিয়ার সাম্য হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে বক্তব্য

রিজভী তার বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যাকাণ্ড নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “একজন তরুণ শিক্ষার্থীকে রাজনৈতিক কারণে হত্যা করা হয়েছে বলে আমাদের সন্দেহ। সাম্য ফেসবুকে জাতীয় সংগীতের পক্ষে পোস্ট দিয়েছিল। এটাই কি তার মৃত্যুর কারণ?”

তিনি আবরার হত্যার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতা ও দেশের স্বার্থ নিয়ে যারা কথা বলেন, তাদের একের পর এক হত্যা করা হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

◾ বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ প্রশ্নবিদ্ধ

রিজভী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় একটি জ্ঞানচর্চার স্থান। এখানে শান্তির পতাকা উড়বে, রক্তপাত নয়। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ছাত্র নিহত হয়েছে। ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব হচ্ছে সকল ছাত্রের প্রতি সমান আচরণ করা, রাজনৈতিক বিভেদ নয়।”

তিনি আরও যোগ করেন, “যদি প্রশাসনিকভাবে রাজনৈতিক চিন্তা দর্শনের প্রভাব পড়ে, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আর কখনো শান্তি ফিরে পাবে না।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




আওয়ামী লীগের নাম মুখেও নেবো না: দশমিনায় চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ মিয়ার পদত্যাগ

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ মিয়া রাজনৈতিক জীবনের বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগের সকল পদ থেকে পদত্যাগ করে ঘোষণা দিয়েছেন—“আর কখনো আওয়ামী লীগের নাম মুখেও নেবো না।”

বুধবার (১৪ মে) ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণাটি দেন। পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আবদুল আজিজ মিয়া বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ থেকে আমার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই।”

স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আবদুল আজিজ মিয়া। তিনি দীর্ঘদিন দলীয়ভাবে সক্রিয় ছিলেন এবং স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

তবে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর আবদুল আজিজ মিয়াও কিছু সময়ের জন্য আত্মগোপনে ছিলেন। পরে এলাকায় ফিরে আবার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন শুরু করেন। বিভিন্ন সময় অসুস্থতার অজুহাতে ঢাকায় অবস্থান করতেন বলেও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।

এই পদত্যাগকে কেন্দ্র করে দশমিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বরিশালে ব্র্যাক ‘শিখা’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

ব্র্যাক পরিচালিত ‘শিখা’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বরিশালে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব লুসিকান্ত হাজং।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, বিভিন্ন দপ্তরের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপ-পরিচালক (মহিলা ও শিশু, সমাজসেবা, যুব উন্নয়ন), জেলা শিক্ষা অফিসার, পরিবহন শ্রমিক নেতা, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

চার বছর মেয়াদি ‘শিখা’ প্রকল্পটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে এবং ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। বরিশালসহ ঢাকা, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও রাজশাহী মিলিয়ে ছয়টি জেলায় এটি কার্যকর করা হবে। এর আওতায় ২৭০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, তৈরি পোশাক কারখানা, গণপরিবহন ও কমিউনিটিতে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করা হবে।

সভায় বক্তারা বলেন, যৌন হয়রানি, বুলিং, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সচেতনতা বাড়ানো এবং রেসপন্স ও রিপোর্টিং ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। এছাড়া, শিখা প্রকল্পের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের চলাচলের পথের ঝুঁকি ম্যাপ তৈরি, প্রতিরোধ কমিটি শক্তিশালী করা এবং সহিংসতা প্রতিরোধে নীতিগত কাঠামো উন্নয়নের উপর জোর দেওয়া হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক শিখা প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা সমন্বয়ক বিভাস চন্দ্র তরফদার, রোড সেইফটি প্রোগ্রামের প্রজেক্ট লিড মোহাম্মদ নাজমুল হক, টেকনিক্যাল ম্যানেজার মো. তৌহিদুর রহমান, প্রজেক্ট অফিসার মায়িশা খান, অনিক বিশ্বাস, কিশোর মিস্ত্রি এবং অন্যান্য প্রতিনিধিরা। সভা সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক শিখা প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার মায়িশা খান।

‘শিখা’ প্রকল্পটি বরিশাল জেলার স্থানীয় সরকার, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিভিন্ন অংশীদারদের সম্পৃক্ত করে যৌন হয়রানি ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করবে। এর মধ্যে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিরোধ ও সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, আইনি সহায়তা প্রদান এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




ফেসবুক-ইউটিউবসহ আওয়ামী লীগের সব প্ল্যাটফর্ম বন্ধের নির্দেশ




আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র কি বলছে?




আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধে ভারত উদ্বিগ্ন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর বাংলাদেশের এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘‘যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার ঘটনা একটি উদ্বেগজনক পদক্ষেপ।’’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। এ সময় বাংলাদেশে শিগগিরই অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারত ‘গণতান্ত্রিক অধিকার হ্রাস এবং রাজনৈতিক পরিসর সংকুচিত হওয়া’ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন।’’ দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, ‘‘আমরা বাংলাদেশে অবিলম্বে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনে জোরালো সমর্থন জানাই।’’




পটুয়াখালীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রনেতা সিফাত গ্রেফতার

পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক এবং বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত আমিনুর রহমান সিফাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৩ মে) রাতের আঁধারে পৌর শহরের বড় চৌরাস্তা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ যৌথ অভিযানে অংশ নেয় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও সদর থানা পুলিশ।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুসের কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।”

গ্রেফতারকৃত সিফাতকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

মো: আল-আমিন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম।



নিবন্ধন পুনরুদ্ধারে জামায়াতের শেষ চেষ্টার শুনানি শুরু

রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে পৌঁছেছে দলটি। বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরে পেতে তাদের করা আপিলের শুনানি মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই শুনানি গ্রহণ করছেন।

জামায়াতের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন খ্যাতনামা আইনজীবী ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিক, ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিক, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন। দলটির তরফে আদালতে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের এবং অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল।

এর আগে, ১২ মার্চ সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য এই শুনানি শুরু হলেও তা আর এগোয়নি। তবে এবার নতুন উদ্যমে জামায়াত আইনি লড়াইয়ে ফিরেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে আপিল বিভাগের এক আদেশে জামায়াতের আগের খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত হয়। সেই থেকে দলটি আবার নিবন্ধন ও প্রতীক (দাঁড়িপাল্লা) ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যে আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে আসছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্টের এক ঐতিহাসিক রায়ে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপরে নির্বাচন কমিশন ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে দলটির নিবন্ধন বাতিল করে। জামায়াত এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করলেও আইনজীবী অনুপস্থিত থাকায় ২০২৩ সালের নভেম্বরে আপিল খারিজ হয় ‘ডিসমিস ফর ডিফল্ট’ হিসেবে।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সাল থেকে জামায়াত ও এর অঙ্গ সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপে ছিল। ২০২৩ সালে সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় দলটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও পরে ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে।

জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সাংবিধানিক পথে থেকে রাজনৈতিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে। এখন দেখার বিষয়, আপিল বিভাগের এই শুনানি দলটির রাজনীতিতে ফিরতে নতুন পথ খুলে দেয় কি না।

মো: আল-আমিন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম।

 




চোখের অস্ত্রোপচারের জন্য ব্যাংককে গেলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল

চোখের জটিল সমস্যার চিকিৎসা নিতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে গেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বুধবার (১২ মে) দিবাগত রাত ২টা ৪৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী রাহাত আরা বেগম

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ব্যাংককের রুটনিন আই হাসপাতালে মির্জা ফখরুলের চোখের রেটিনায় অস্ত্রোপচার করা হবে।

এর আগে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চেকআপে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে দ্রুত অস্ত্রোপচারের জন্য থাইল্যান্ড যাওয়ার পরামর্শ দেন।

উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের ৬ এপ্রিলেও সস্ত্রীক চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিবের এ ধরনের চিকিৎসার খবরে রাজনীতিতে কিছুটা আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। তবে চিকিৎসাজনিত কারণে বিদেশ যাত্রা রাজনীতিকদের জন্য নতুন কিছু নয়। আশা করা যায়, তার অস্ত্রোপচার সফল হবে এবং তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে দেশে ফিরবেন।

মো: আল-আমিন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম।