দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ চেয়ে সরকারের প্রতি আহ্বান নুরুল হক নুরের

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর জানিয়েছেন, ছাত্র আন্দোলনপূর্ব পটভূমি থেকে আসা এবং বিতর্কিত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকা দুই উপদেষ্টাকে পদত্যাগের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারকে আহ্বান জানানো হয়েছে। রোববার (২৫ মে) রাতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।

নুর বলেন, “যেসব উপদেষ্টার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, বিশেষ করে যাদের বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে, তাদের সরিয়ে দিলে সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষা পাবে।”

তিনি আরও জানান, সরকার প্রশাসন ও সামরিক বাহিনীর ওপর একটি মহল প্রতিনিয়ত চাপ সৃষ্টি করছে, যা রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক প্রসঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা এ বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠকের আশ্বাস দিয়েছেন।”

করিডর ইস্যুতে সরকারের প্রতি অবস্থান স্পষ্ট করে নুর জানান, “বর্তমানে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিতে সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছি।”

নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করে নুর বলেন, “সরকার ডিসেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করলেও, এর মধ্যে রোজা, ঈদ, ইজতেমার মতো বড় বড় আয়োজন রয়েছে। তাই আমরা বলেছি, একটি নির্দিষ্ট মাস ঘোষণা করা হোক যাতে জনগণ প্রস্তুতি নিতে পারে।”

সরকার গঠনের সময় দেওয়া সমর্থনের বিষয়ে নুর বলেন, “নয় মাস আগে আমরা যে সমর্থন দিয়েছিলাম, এখন আর তা নেই।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারকে সহযোগিতা করবে, তবে তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকেও স্পষ্টতা ও সদিচ্ছার প্রয়োজন রয়েছে।




“আমি যতদিন আছি দেশের কোনো ক্ষতি হবে না “,ড. ইউনুস

জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, তার উপস্থিতিতে দেশের কোনো অনিষ্ট হবে না। রোববার (২৫ মে) রাতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ আশ্বাস দেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

বৈঠকে ড. ইউনূস বলেন, “আমি যতদিন আছি, দেশের অনিষ্ট হবে এমন কোনো কাজ হবে না, নিশ্চিন্ত থাকুন।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা এখন একটি বড় যুদ্ধাবস্থার মধ্যে রয়েছি। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর দেশকে অস্থিতিশীল করার নানা প্রচেষ্টা চলছে। এসব থেকে রক্ষা পেতে হলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিভাজনের অবসান ঘটিয়ে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন জাতি হিসেবে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।”

প্রধান উপদেষ্টা জানান, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘মহা সুযোগ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। তার ভাষায়, “অভ্যুত্থানের কারণে আমরা একটি মহা সুযোগ পেয়েছি ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে ঘুরে দাঁড় করানোর। কিন্তু আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে-বিদেশে আরেকটি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যাতে আমরা অগ্রসর হতে না পারি, সবকিছু ভেঙে পড়ে এবং জাতি আবার পরাধীনতার পথে ফিরে যায়।”

বৈঠকে উপস্থিত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে ড. ইউনূস বলেন, “সবাই একসঙ্গে বসায় সাহস পেয়েছি। যদি আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে না পারি, আমি নিজেকে অপরাধী মনে করব।”

প্রসঙ্গত, দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিভাজন নিরসনে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ।




“ড. ইউনুসের নেতৃত্বেই ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে”,তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেছেন যে, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে বাংলাদেশের জনগণ শিগগিরই দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন দেখতে পাবে।

রবিবার (২৫ মে) রাজধানীর রমনায় ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনপিপি’র সভাপতি ফরিদুজ্জামান ফরহাদ।

তারেক রহমান বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানের সঙ্গে দেখা করে জাতীয় নির্বাচনের নির্দিষ্ট দিন ও সময় ঘোষণার দাবি জানিয়েছে। বিএনপির দাবি, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়ায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তিনি দাবি করেন, আন্দোলনের মাধ্যমে যারা এসব সংস্কারের দাবিতে রাজপথে ছিলেন, তারা সরকারকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

আলোচনা সভায় বাজেট প্রসঙ্গে মন্তব্য করে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে নিয়ম অনুযায়ী চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করতে হবে। তবে বাজেট বাস্তবায়নে ঘাটতি ও এনবিআরের হঠাৎ সংস্কার চাপিয়ে দেওয়ার কারণে অর্থনীতিতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক সরকার না থাকায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়েছে এবং জনমনে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে। প্রতিদিন জনগণ বিভিন্ন দাবি নিয়ে রাজপথে নামলেও সেসব শোনার কেউ নেই।”

তিনি ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা তুলে ধরে বলেন, “ফ্যাসিবাদের পথ রুদ্ধ করে রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে সাংবিধানিক ও আইনগত সংস্কার অপরিহার্য।”

তারেক রহমান আরও বলেন, জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সরকারই জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে। তিনি সতর্ক করেন, জনগণের ক্ষমতা নিশ্চিত না হলে যে কোনো সরকারই ফ্যাসিবাদী চরিত্র ধারণ করতে পারে। তাই নাগরিকদের উচিত সরকারের প্রতি গঠনমূলক সমালোচনার ধারা অব্যাহত রাখা।

তিনি বলেন, “সরকার জনগণের করুণার পাত্র নয়, বরং জনগণের কথাই শোনার বাধ্যবাধকতা সরকারের রয়েছে। এখানে সরকারের ব্যক্তিগত রাগ-অনুরাগের কোনো স্থান নেই।”

তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের হয়তো নৈতিক বা রাজনৈতিক বৈধতার সংকট নেই, কিন্তু জনগণের কাছে তাদের জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে। তাই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জনগণের সামনে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা জরুরি।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, রাজনৈতিক দলগুলোকে অনিশ্চয়তায় রেখে বা জনগণকে অন্ধকারে রেখে কোনো পরিকল্পনাই কার্যকর বা টেকসই হতে পারে না।




 বিতর্কিত উপদেষ্টাদের অপসারণে সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষা সম্ভব: নুরুল হক নুর

ছাত্র আন্দোলন থেকে আগত বা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বিতর্কিত উপদেষ্টারা যদি পদত্যাগ করেন, তাহলে সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষা পাবে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের নেতা নুরুল হক নুর

রোববার (২৫ মে) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

নুর বলেন, “একটি মহল সামরিক বাহিনী ও প্রশাসনকে সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। আমরা উপদেষ্টাকে বলেছি, তিনি যেন সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের আস্থা নিয়ে কাজ করেন।”
তিনি আরও জানান, প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের দূরত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং নিয়মিত বৈঠকের আশ্বাস দিয়েছেন।

নুর বলেন, “সরকার ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচনের কথা বলছে, কিন্তু সেটি অত্যন্ত অস্পষ্ট। রোজা, ঈদ, ইজতেমার মতো সময় এলে সমস্যার সৃষ্টি হবে। আমরা চাই, একটি নির্দিষ্ট মাস ঘোষণা করা হোক—যে মাসে নির্বাচন হবে।”

নুর জানান, উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠনের বিষয়ে সরাসরি কোনো ঘোষণা না এলেও প্রধান উপদেষ্টা স্বীকার করেছেন, বর্তমানে উপদেষ্টাদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হচ্ছে। অনেক নতুন উপদেষ্টা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

নুর স্পষ্ট করে বলেন, “নয় মাস আগে সরকার গঠনের সময় আমরা সমর্থন দিয়েছিলাম, কিন্তু এখন আর সেই সমর্থন নেই। তাই আমরা দ্রুত নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছি। নতুন কোনো ইস্যু নিয়ে আলোচনার সময় এখন নয়।”

 




৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন চায় এবি পার্টি: মঞ্জু

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, সমঝোতার ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হওয়া জরুরি।

রবিবার (২৫ মে) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সংবাদমাধ্যমকে এসব কথা বলেন তিনি।

মঞ্জু জানান, “আমরা বলেছি, ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যথাসম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা উচিত। তবে সেটা চাপিয়ে দিয়ে নয়, প্রধান উপদেষ্টা যেন সুবিধাজনক সময়ে এই নির্বাচন আয়োজন করেন।”

ছাত্র আন্দোলনের ঐক্য নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “জেনজি, মাদ্রাসা ও পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে যে ঐক্য ছিল, তা ধরে রাখা যায়নি। বরং কিছু উপদেষ্টার কারণে ঐক্য বিনষ্ট হয়েছে।”

এবি পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, “বর্তমান অস্থিতিশীল অবস্থা কাটিয়ে উঠতে হলে চারটি পক্ষ—অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা জরুরি।”

তিনি জানান, “আমরা উপদেষ্টা পরিষদের পুনর্গঠনসহ প্রয়োজনীয় সংস্কারের পরামর্শ দিয়েছি। ইগো বা অহংকার আমাদের এই অবস্থায় এনে দিয়েছে।”

পদত্যাগ নয়, দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে মঞ্জু বলেন, “আপনার, আমার, আমাদের সবার পরাজয়ের সুযোগ নেই। সফল হতেই হবে। আপনি এখন দায়িত্ব ছেড়ে দিলে নির্বাচন ও সংস্কার সব অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তাই আপনাকে দায়িত্বে থেকেই এগিয়ে যেতে হবে।”

নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “স্থিতিশীল অবস্থা তৈরি হলে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন। যদিও তিনি ব্যক্তিগতভাবে কিছুটা হতাশ, তবুও আমরা বলেছি হতাশ না হয়ে এগিয়ে যান।”


এস. এল. টি. তুহিন / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




ইশরাক হোসেনের শপথ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নবনির্বাচিত মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

রোববার (২৫ মে) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিটটি দাখিল করেন ইশরাকের পক্ষে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

এর আগে গত ২২ মে ইশরাক হোসেনকে শপথ না পড়ানোর জন্য দায়ের করা একটি রিট আবেদন হাইকোর্ট সরাসরি খারিজ করে দেন। আদালত বলেন, ওই রিটটি শুনানির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে ইশরাকের শপথ গ্রহণে আর কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানান আইনজীবীরা।

হাইকোর্টের ওই আদেশের পর ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সাংবাদিকদের জানান, সরকার যদি এখন শপথ পড়াতে গড়িমসি করে, তবে তা আদালত অবমাননার শামিল হবে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সরকার দ্রুত শপথের ব্যবস্থা করবে।

এর আগে গত ১৪ মে ঢাকা দক্ষিণ সিটির বাসিন্দা মো. মামুনুর রশিদ হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন, যাতে ইশরাকের শপথ ঠেকানো এবং তাকে মেয়র ঘোষণা করা বিচারকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করা হয়। ওই রিটে মামুনুর রশিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কাজী আকবর আলী।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। তবে গত ২৭ মার্চ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম সেই ফলাফল বাতিল করে বিএনপি প্রার্থী ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করেন। পরে ২২ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ নেয় এবং ২৭ এপ্রিল ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে।

বর্তমানে ইশরাকের সমর্থকরা তাকে মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানোর দাবিতে নগর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।




প্রধান উপদেষ্টা ও জামায়াত আমিরের আলোচিত বিষয়

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শনিবার (২৪ মে) বিএনপির সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে বৈঠকে দুটি বিষয় স্পষ্ট করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, নির্বাচনের নির্দিষ্ট সময় জানানো প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ও দৃশ্যমান বিচার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। তার ভাষায়, “নির্বাচনটি এমন সময় হওয়া দরকার যাতে জনগণের বড় ধরনের কোনো ভোগান্তি না হয়। আবার, সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে না। তবে, সব সংস্কার এ সরকারের পক্ষে শেষ করাও সম্ভব নয়।”

নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে জামায়াত কি কোনো সময়সীমা দিয়েছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমরা নির্দিষ্ট কোনো সময় দিইনি, তবে দুইটি সম্ভাব্য সময় উল্লেখ করেছি। যদি সংস্কার দ্রুত শেষ হয়, তাহলে নির্বাচন ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি হতে পারে। আর সময় বেশি লাগলে রোজার পরপরই নির্বাচন হওয়া উচিত। তবে এটিকে দীর্ঘায়িত করা হলে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হবে না।”

বৈঠকে জামায়াতের দাবির বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল জানতে চাইলে শফিকুর রহমান বলেন, “তিনি আমাদের বক্তব্য গভীর মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। আমরা মনে করি, তিনি আমাদের প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।”

সাংবাদিকরা বিএনপির দাবিকৃত তিনজন উপদেষ্টার পদত্যাগ প্রসঙ্গে জামায়াতের অবস্থান জানতে চাইলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, “পদত্যাগ চেয়েছে বিএনপি, আর ফতোয়া দেবে জামায়াতে ইসলামী—এটা কি মানায়? যাদের পদত্যাগ চাওয়া হয়েছে, তারাই ব্যাখ্যা করবে। আমরা কারও পদত্যাগ চাইনি।”

বৈঠকে জামায়াতকে সরকারের ডাকার প্রসঙ্গেও ডা. শফিক বলেন, “আমাদের উপস্থিতি বিএনপির মতো না। আমরা নিজেরাই সময় চেয়েছিলাম। আমন্ত্রণ পেয়েছি ঠিকই, তবে আমরাই প্রথমে যোগাযোগ করেছিলাম। আমাদের দলের কর্মসূচির কারণে নির্ধারিত সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে পিছিয়ে রাত ৮টায় বৈঠক হয়।”

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের অবস্থান প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, “তিনি বলেছেন, দেশ আমাদের সবার। আমি এমন একটি অর্থবহ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন করতে চাই, যেটি সবাই গ্রহণ করতে পারে। আমি যেনতেন নির্বাচন দিতে চাই না।”

এই বৈঠকে জামায়াতে ইসলামী সুষ্ঠু নির্বাচন, সময়োপযোগী সংস্কার এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানোর বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেছে।




ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সাথে বিএনপির আলোচনা

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে বৈঠকে বসেছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শনিবার (২৪ মে) অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট ও আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপির প্রতিনিধি দলের প্রধান খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ এলেও বৈঠকে আলোচনার বিষয়বস্তু আগেই জানানো হয়নি। তবে বিএনপি অনুমানভিত্তিক একটি লিখিত বক্তব্য প্রস্তুত করে তা বৈঠকে উপস্থাপন করে এবং মূলত সেটিকে কেন্দ্র করেই আলোচনা এগোয়।

লিখিত বক্তব্যে বিএনপি উল্লেখ করে, গণতন্ত্রের উত্তরণের জন্য একটি সুস্পষ্ট নির্বাচনি রোডম্যাপ প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে বিতর্কিত উপদেষ্টাদের বাদ দিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠনের দাবি জানানো হয়। তারা অভিযোগ করে, গত সরকারের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—রাজনৈতিক ও পারিবারিক উভয়ভাবেই। ফলে আওয়ামী লীগের শাসনামলের বিচার দাবি করে বিএনপি জানায়, ভবিষ্যতে যদি তারা ক্ষমতায় আসে, তবে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে সেসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়া বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা এবং সংশ্লিষ্ট সকল সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানায়। তারা মনে করে, নির্বাচন বিলম্বিত হলে দেশে স্বৈরাচারী শাসনের পুনরাবৃত্তি হতে পারে, যার দায় সরকারকেই বহন করতে হবে।

বিএনপির পক্ষ থেকে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বৈঠকে নির্বাচনের রোডম্যাপ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে নির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস তারা পাননি। তাদের দাবি ও প্রস্তাবনা তুলে ধরা হলেও উপদেষ্টা স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।

বৈঠক নিয়ে সন্তুষ্ট কি না—এমন প্রশ্নে বিএনপি জানায়, এ বিষয়ে মন্তব্য করার আগে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেলের বক্তব্যের অপেক্ষা করবেন তারা।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, আলোচনা চলাকালে সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন—এই তিনটি বিষয় উঠে এসেছে। বিএনপি মনে করে, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, যার সঙ্গে বিচার বা নির্বাচনের সরাসরি সম্পর্ক নেই। তারা আশা করে, বর্তমান সরকার জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি সময়োপযোগী সংস্কার প্রস্তাব উপস্থাপন করবে, যা ভবিষ্যৎ সরকারও বাস্তবায়নে উদ্যোগী হবে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকেও সমানভাবে নির্বাচন ও সংস্কার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয় বলে জানা গেছে।




প্রধান উপদেষ্টার সাথে এনসিপির আলোচনা

বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে শনিবার (২৪ মে) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর নেতারা। বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন নির্বাচন এবং গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সরকার থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, ৩০ দিনের মধ্যে “জুলাই ঘোষণাপত্র” জারি করা হবে। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যেন এই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়, সে দাবি তারা জানিয়ে এসেছেন। এ বিষয়ে সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা উভয় পক্ষ থেকেই আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম আরও জানান, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে” আহত ও নিহতদের পরিবারের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া খুব ধীরগতিতে চলছে। নির্ধারিত সঞ্চয়পত্র এখনও অনেক শহীদ পরিবার পাননি এবং মাসিক ভাতা কার্যকর হয়নি। তিনি বলেন, পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে এনসিপি।

বিএনপির পক্ষ থেকে ছাত্র উপদেষ্টাদের পদত্যাগের দাবির বিষয়ে প্রশ্ন করলে, নাহিদ ইসলাম সাফ জানিয়ে দেন, ছাত্র উপদেষ্টাদের সঙ্গে এনসিপির কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, তারা সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নন, বরং গণঅভ্যুত্থানের প্রতিনিধি হিসেবে সরকারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তাদের নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য এবং পদত্যাগ দাবি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত বলে এনসিপি মনে করে।

প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের পদত্যাগের সম্ভাবনার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, এনসিপি চায় তিনি দায়িত্বে থেকে সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানে কাজ করুন। তিনি কোনো দলের প্রতিনিধি নন বরং জনগণ ও আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার আহ্বানে দায়িত্ব নিয়েছেন। তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে এই দৃষ্টিভঙ্গি যেন বিবেচনায় থাকে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

কেন সরকার এনসিপিকে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে—এ প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, মূলত চলমান পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময়ের জন্যই এ বৈঠক। তিনি জানান, ড. ইউনূস বৈঠকে কিছুটা হতাশা প্রকাশ করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি একটি নতুন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাংলাদেশ গঠনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তবে কিছু পক্ষ সেই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসছে, যা তার কাজে বাধা সৃষ্টি করছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ইউনূস যেন রাজনৈতিক চাপ নয়, বরং জনগণ ও ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকেন।




নির্বাচন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন: “এখনো কোনো আশ্বাস পাইনি আর কোনো স্পষ্টতাও দেখছি না”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, আসন্ন নির্বাচন নিয়ে এখনো কোনো স্পষ্টতা দেখতে পাচ্ছি না। উপদেষ্টা পরিষদের কোনো আশ্বাসও পাইনি। শনিবার (২৪ মে) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

নির্বাচন বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা কোনো নির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কি না— এমন প্রশ্নের উত্তরে কিছুটা বিরক্ত স্বরে সালাহউদ্দিন বলেন, “সুনির্দিষ্টভাবে এমন কোনো কথা হয়নি। আমরা আমাদের দাবি জানিয়েছি। হয়তো তারা তাদের প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জানাবে। আমরা সেটির অপেক্ষায় থাকব।”

তিনি আরও বলেন, “এখন প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় নয়। আগে তারা সংবাদ সম্মেলনে কী বলেন, তা দেখা দরকার। এরপরই আমরা প্রতিক্রিয়া জানাব।”

সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, উপদেষ্টা পরিষদ থেকে নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধকারী ব্যক্তিদের অপসারণের দাবিতে তারা লিখিতভাবে জানিয়ে এসেছেন। “নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং দুই ছাত্র উপদেষ্টার কারণে সরকারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে— আমরা আগে যেমন জানিয়েছিলাম, এবারও তা লিখিত এবং মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।”

এই দাবির বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি মিলেছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, তারা বিষয়টি বিবেচনা করবেন।”

বৈঠকে উপস্থিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, মূলত তিনটি বিষয়—সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন—নিয়ে আলোচনা হয়েছে। “সংস্কারের বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট এবং উনারাও একমত হয়েছেন যে, ঐকমত্যের ভিত্তিতেই সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এ কাজ শেষ করা সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, “বিচারব্যবস্থা আদালতের বিষয় এবং বিচারের আওতায় আনা নিয়েও কোনো দ্বিমত দেখা যায়নি। এমনকি ডিসেম্বরের আগেও নির্বাচন আয়োজন সম্ভব—এ বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।”

আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান বলেন, “আমরা বলেছি, দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করা হলে দেশে চলমান নৈরাজ্য, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও অনিশ্চয়তা দূর হবে। একটি ঘোষণাই দেশে গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারে।