ভরা মৌসুমে মুখ থুবড়ে পড়েছে ইলিশ আহরণ

বরিশাল অফিস :: দেশের রুপালি সম্পদ ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে। তবে এমন সময়ে চরম অর্থ সংকটে পড়েছেন উপকূলের ইলিশ ব্যবসায়ীরা। দেশে চলমান পরিস্থিতিতে এক দিনে দুই লাখ টাকার বেশি উত্তোলন করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাস্তবে অর্থ সংকটের কারণে একজন ব্যবসায়ীকে দিনে এক লাখ টাকাও দিতে পারছে না ব্যাংক।

ইলিশ ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতে তারা ভীষণ ক্ষতির মুখে পড়েছেন। মোকাম থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা ইলিশের দাম ব্যাংকের হিসাব নম্বরে পরিশোধ করা হয়। তবে তারা ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে চাহিদা অনুযায়ী টাকা তুলতে পারছেন না। এতে অর্থ সংকটে উপকরণ কিনে ইলিশ আহরণে গভীর সমুদ্রে ট্রলার পাঠাতে পারছেন না মহাজনরা।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য মোকাম বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের (বিএফডিসি) ইলিশ ব্যবসায়ীরা এ তথ্য জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও বলেছেন, ব্যবসায়ীদের অভিযোগ সত্য। তারা অর্থ সংকটে পড়ায় অবতরণ কেন্দ্রে রাজস্ব আদায়েও বকেয়া বাড়ছে। দক্ষিণের অন্যান্য মোকামেও ব্যবসায়ীরা একই সংকটে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

পাথরঘাটা সাগর তীরবর্তী হওয়ায় এ মোকাম থেকে সবচেয়ে বেশি ট্রলার সাগরে মাছ আহরণ করতে যায়। ট্রলারগুলো এ মোকামে ফিরেই মাছ বিক্রি করে। অর্থ সংকটে পড়ে সাগরে যেতে না পারা শতাধিক ট্রলার মোকামে বেঁধে রাখতে দেখা গেছে পাথরঘাটায়। জেলে-শ্রমিকরা কাটাচ্ছেন অলস সময়।

তাদেরই একজন জেলে হাবিবুর রহমান দুপুরে জানান, তিন দিন আগে পাথরঘাটার একটি আড়তে ২২ লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছেন। ক্রেতারা মহাজনের ব্যাংকের হিসাব নম্বরে টাকা পরিশোধ করেছেন। পুনরায় সাগরে যেতে শুধু খাওয়ার বাজার কেনা বাবদ ৪ লক্ষাধিক টাকা প্রয়োজন। এর সঙ্গে জ্বালানিসহ অন্যান্য খরচ রয়েছে। মহাজন টাকা দিতে না পারায় তারাও সাগরে যেতে পারছেন না। হাবিবুর আফসোস করে বলেন, এখন সাগরে প্রচুর ইলিশ। তাঁর মতো অন্য জেলেরাও যেতে না পারায় ভারত ও মিয়ানমারের জেলেরা আহরণ করছেন।

পাথরঘাটা মৎস্য পাইকার সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্বাস উদ্দিন জানান, গত ৫ আগস্ট থেকে এ মোকামে প্রতিদিন অন্তত ৩ কোটি টাকার মাছ বিক্রি হচ্ছে। পাইকাররা দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় ট্রাকে মাছ সরবরাহ করেন। ক্রেতারাও হিসাব নম্বরে টাকা পাঠাচ্ছেন।
আব্বাস উদ্দিন বলেন, তাদের হিসাব নম্বরে কোটি কোটি টাকা জমা হচ্ছে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী উত্তোলন করতে না পারায় ট্রলার মালিককে টাকা দিতে পারছেন না। একটি ট্রলার সাগরে পাঠাতে অন্তত ৭ লাখ টাকা খরচ করতে হয়।

আড়তদার সগীর হোসেন জানান, গত পাঁচ দিনে পাথরঘাটা বিএফডিসি মোকামে ৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকার মাছ বিক্রি হয়েছে। উপজেলার পাঁচটি ব্যাংকে ব্যবসায়ীদের প্রায় ৩০০ হিসাব নম্বরের অনুকূলে মাত্র ৩০ লাখ টাকা প্রদান করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। জেলেদের সাংসারিক চাহিদার টাকা দিতেও সুদে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ নিতে হচ্ছে।

পাথরঘাটা বিএফডিসির ব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাসুদ শিকদার জানান, ব্যবসায়ীরা ব্যাংক থেকে চাহিদা অনুযায়ী টাকা না পাওয়ায় গত ৫ দিনে আড়তদারদের কাছে ২৫ লাখ টাকার রাজস্ব বকেয়া পড়েছে। এ মোকামে আড়তদারদের কাছে মোট ৭০ লাখ টাকা বকেয়া পড়েছে বিএফডিসির। এভাবে বকেয়া বাড়তে থাকলে পরে আদায় দুরূহ হবে।

পাথরঘাটা সোনালী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক সুমন রাহা বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী লেনদেন করছেন তারা। একটি হিসাব নম্বরে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে শাখাগুলোতে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় এ নিয়মও রক্ষা করা যাচ্ছে না। উপজেলার অন্য শাখা ব্যবস্থাপকদের বক্তব্য একই।

পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান খান বলেন, মৎস্য ব্যবসায়ীদের সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলে জানানো হবে।

 




মানহানির এক মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::পটুয়াখালীতে হওয়া ২০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় খালাস পেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল সোমবার বিকেলে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ রায়ের আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় তাকে খালাসের আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. কাইউম এ আদেশের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি কলাপাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মো. হাবিবুল্লাহ রানা বাদী হয়ে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২০ কোটি টাকার এ মানহানির মামলা করেন। তৎকালীন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সরাসরি মামলাটি আমলে নিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। তখন বাদী পক্ষে মামলার নিযুক্তীয় কৌসুলি ছিলেন মরহুম অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন তালুকদার।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ইস্ট লন্ডনের অস্ট্রিয়ামে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতিহাস বিকৃত করে সাবেক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজাকার, লালসালু, পাকবন্ধু ও পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসেন বলে ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্য করেন এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের কোনো অবদান নেই, শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের জন্য লালসালু, এ লালসালুকে ঘিরে থাকে ভক্তরা। দখলদার ও রং হেডেড শেখ হাসিনা যখনই বিপদে পড়েন, তখনই জনগণকে ধোঁকা দিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দোহাই দেন। তার পরিবারই রাজাকারের বংশ বিস্তার করছে, রাজাকারেরা তার মন্ত্রিসভায় আছে তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেন বলে বাদী তার মামলায় উল্লেখ করেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও তার পরিবারবর্গকে নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যে দেশ, জাতি তথা বাংলাদেশের সুনাম, সুখ্যাতিসহ বহির্বিশ্বে সাবেক রাষ্ট্রপতিসহ বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে, এতে ২০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে বলে এজাহারে দাবি করেন বাদী।




আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিলে গণভবনের মতো পরিণতি হবে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিলে গণভবনের মতো পরিণতির হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। আজ সোমবার শেখ হাসিনার বিচারের দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে অনুষ্ঠিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

সমাবেশে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না জানিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘যেসব উপদেষ্টা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চান, তাদের অবস্থাও গণভবনের মতো পরিণতি হবে। এছাড়া ১৫ আগস্ট যদি কোনো প্রতিবিপ্লবের চেষ্টা চলে, তা প্রতিহত করা হবে।’

সংবাদমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হাসনাত বলেন, ‘যেসব সংবাদমাধ্যম খুনিদের পুনর্বাসন করতে চায়, তাদের জনতার কাতারে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’

এ সময় সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, ‘৫ আগস্ট আমরা নতুন করে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, এই স্বাধীনতা যারা ক্ষুণ্ণ করতে চান, তাদের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হবে।’

বিক্ষোভ সমাবেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য মামলা দায়েরের দাবি জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

এরআগে, আজ সিএমএইচ হাসপাতালে আহত আনসার সদস্যদের দেখতে যান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব) সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় তিনি আওয়ামী লীগ অনেক বড় দল উল্লেখ করে বলেন, ‘দলটির প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে। এক সময় বাঙালিদের ভরসার জায়গা ছিল, এটা জাতীয় সম্পদ। এটা বাংলাদেশের সম্পত্তি।’

দলটির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত স্বার্থে আপনারা এত বড় দলকে নষ্ট করবেন না, নষ্ট করার অধিকার আপনাদের নেই। এমন কিছু করবেন না, যাতে আপনাদের জীবন বিপন্ন হয়। আপনারা দল সংগঠিত করেন, নির্বাচন হলে অংশ নেবেন। মারামারি করে লাভ নেই। আর কোনো মৃত্যু আমরা চাই না। আমরা উসকানি দিলে আপনারা টিকতে পারতেন না।’

এরপরেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা শেখ হাসিনার বিচার দাবিতে আয়োজিত সমাবেশ থেকে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানান।




বিপ্লবোত্তর সামনের দিনগুলো বেশ ক্রিটিক্যাল: মিজানুর রহমান আজহারী

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বিপ্লবোত্তর সামনের দিনগুলোকে বেশ ক্রিটিক্যাল বলে মন্তব্য করেছেন দেশের জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। আজ সোমবার (রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা লেখেন।

ফেসবুক পোস্টে আজহারী লিখেছেন, ‘বিপ্লবোত্তর সামনের দিনগুলো বেশ ক্রিটিক্যাল। প্রতি-বিপ্লব ঠেকাতে সদা-জাগ্রত, সদা-সজাগ থাকা চাই। বিপ্লবী ছাত্র-জনতাকে রাজপথ দখলে রাখতে হবে আরও কিছুদিন। তারুণ্যের এই গণজোয়ার অব্যাহত থাকুক। করুণাময় এ বিজয়কে টেকসই করুন। Miles to go…’

দেশের জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী বর্তমানে মালয়েশিয়ায় থাকেন। এর আগে দেশটির গার্ডেন অব নলেজ খ্যাত ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে পোস্ট-গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন তিনি। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব কোরআন অ্যান্ড সুন্নাহ স্টাডিজ থেকে ২০১৬ সালে পোস্ট-গ্রাজুয়েশন শেষ করেন আজহারী। তার আগে মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব তাফসির অ্যান্ড কোরআনিক সায়েন্স থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। এ জন্য নামের শেষে আজহারী যোগ করেছেন এ ইসলামি বক্তা।

প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে গত ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।



স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেনের পদত্যাগের দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনালের (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর নয়াপল্টন, কাকরাইল এলাকায় এ মিছিল করেন তারা।

আজ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) আহত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের দেখতে গিয়ে আওয়ামী লীগকে দল গঠনের আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তার এ বক্তব্য দেওয়ার পরেই তাৎক্ষণিক বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে জড়ো হন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে নয়াপল্টন।

পরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে প্রায় হাজার খানেক নেতাকর্মী নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি কাকরাইল মোড় হয়ে পলওয়েল মার্কেট ঘুরে আবারও নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হ

মিছিলটি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম ও সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিটের বিপুল সংখ্যক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, একই কারণে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদল।




পটুয়াখালী জার্নালিস্ট ফোরামের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সহয়তা প্রদান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জার্নালিস্ট ফোরাম (পিজেএফ), ঢাকার সদস্য মোঃ রিপন হাওলাদার গত ১৮ জুলাই ২০২৪ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর রামপুরায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহের সময় গুরুতর আহত হয়েছেন।

তাকে ১২ আগস্ট ২০২৪ইং সন্ধ্যায় ফোরামের অস্থায়ী কার্যালয়ে পিজেএফ এর পক্ষ থেকে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা করা হয়েছে।




প্রধান উপদেষ্টার ছবি দিয়ে পটুয়াখালীতে বিএনপি নেতার ব্যানার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টাদের ছবি দিয়ে ব্যানার টানিয়েছেন পটুয়াখালী বিএনপিপন্থী এক আইনজীবী। তবে ব্যানারে প্রধান উপদেষ্টার নামের বানানটিও ভুল দেখা গেছে।

গত বৃহস্পতিবার শুক্রবার শহরের মডেল মসজিদের পাশে ব্যানারটি টানানো হয়েছে। একই দিন (শুক্রবার) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে পত্রিকাসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন বা অন্য কোনো প্রচারণায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

ব্যানার টানানো ওই আইনজীবীর নাম–মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, তিনি নিজেকে পটুয়াখালী জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ক্রীড়া সম্পাদক বলে পরিচয় দেন।

সোমবার শহরের আদালত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মডেল মসজিদের পাশে টানানো ব্যানারে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ সব উপদেষ্টার ছবি রয়েছে। ব্যানারে ওপরে দুপাশে বৈষম্যবিরোধী বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদ–মীর মুগ্ধর ছবি।

লেখা রয়েছে, ‘২য় বার স্বাধীন হওয়ায় বাংলাদেশের নবগঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ উইনূসসহ সকল উপদেষ্টাদের রক্তিম শুভেচ্ছা ও বিপ্লবী অভিনন্দন।’ নিচে মাকসুদুর রহমান নিজের ছবি ব্যবহার করে আইনজীবী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থক উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শপথ গ্রহণ করলে আমি পরের দিন সকালে ব্যানার টানাই এবং এটি আগের দিনই করা হয়েছিল।’

প্রধান উপদেষ্টার ছবি ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার ছবি ব্যবহার নিষেধ করা হয়েছে আমি জানতাম না, আমার নলেজে নাই।’

পটুয়াখালী জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সালাহউদ্দিন বলেন, ‘তিনি (মাকসুদুর রহমান) আগে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন এখন পদে নেই, সদস্য হিসেবে আছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘যে ব্যানারটি টানিয়েছে সেখানে আইনজীবী ফোরামের কথা লেখা হয়নি। যেহেতু প্রধান উপদেষ্টার ছবি দিয়ে ব্যানার টানানো নিষেধ, সেহেতু তিনি কাজটি ঠিক করেনি। আমি এবং আমাদের সভাপতি তাকে বলেছি, দ্রুত ব্যানারটি নামিয়ে ফেলতে।




মোহাম্মদ আলী আরাফাত ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত ও তার স্ত্রী শারমিন মুস্তারি অ্যাকাউন্ট জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। দেশের সব ব্যাংককে এ নির্দেশনা দিয়েছে তারা।

আজ সোমবার বিএফআইইউর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

চিঠিতে ব্যাংকগুলোকে আরাফাত ও তার স্ত্রীর নামে থাকা ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সব ধরনের টাকা তোলা বন্ধ করতে বলেছে বিএফআইইউ।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের ব্যানারে নানা অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও দলটির নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রচারণার কাজ করে আলোচনায় আসেন। এ ছাড়া টেলিভিশন টকশোতেও তিনি আওয়ামী লীগের হয়ে কথা বলতেন।
গত বছরের ১৭ জুলাই তিনি ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে হিরো আলমকে হারিয়ে সংসদ সদস্য (এমপি) হন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে তিনি এমপি হওয়ার পর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হন।



মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পাওয়া চাকরি ছাড়লেন ওসি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পাওয়া চাকরি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সরওয়ার তুহিন। গতকাল রবিবার তিনি ফেসবুক পোস্টে এ ঘোষণা দেন।

ফেসবুক পোস্টে গোলাম সরওয়ার তুহিন লেখেন, ‘বিদায় বাংলাদেশ পুলিশ। বিদায়বেলায় কিছু কথা। আমার বাবা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর করপোরাল পদে কর্মরত ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯৭৩ সালে তিনি স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে চলে আসেন। আমার মা একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষিকা ছিলেন। তখন আমার জন্ম হয়নি। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জানতে পেরেছি তৎকালীন সেনাবাহিনীর মধ্যে অসন্তোষ থাকায় আমার মায়ের পরামর্শে তিনি (বাবা) চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় চলে আসেন। এসে তিনি স্থানীয় আওয়ামী রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন এবং একটি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।’

তিনি লেখেন, ‘এরপর ধীরে ধীরে তিনি পেশা হিসেবে ব্যবসাকে বেছে নেন। বাউফল উপজেলার বাহেরচর বন্দরে আমাদের একটি টিনের আড়ত, একটি রাইচ মিল ও একটি ফার্মেসি ছিল। বেড়ে ওঠাকালীন আমার বাবাকে

মধ্যে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর লোকজন খুঁজতে আসত, কিন্তু কেন আসত তা আমরা জানতাম না। নানা অপবাদ দিয়ে আমার বাবাকে খোঁজা হতো।’

ওসি পদ থেকে পদত্যাগরী এ ব্যক্তি লেখেন, ‘পুলিশের জন্য আমার বাবা বাড়ি থাকতে না পেরে বিভিন্ন শহরে এসে ক্যানভাসারের কাজ করত জীবিকা নির্বাহের জন্য। এভাবে আত্মগোপনে থেকে তাকে অনেক দিন পার করতে হয়েছে। একবার আমাদের স্বনামধন্য এমপি আ স ম ফিরোজ নৌকা মার্কা না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন। কিন্তু আমার বাবা নৌকার বিপক্ষে না গিয়ে নৌকা মার্কায় অবিচল থেকে কাজ করেন, কার পক্ষে কাজ করেছেন তাকে আমরা চিনিও না তেমন। নীতিগত কারণে তিনি নৌকা মার্কার প্রার্থীর প্রতি অবিচল ছিলেন। কারণ, তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত ছিলেন।’

তিনি লেখেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত নৌকা মার্কা হেরে গেল, স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হলো এবং আবারও আওয়ামী লীগে যোগদান করলেন। এরপর আমাদের পরিবারের অবস্থা বিরোধীদলের চেয়েও খারাপ ছিল। এরপর আমার বাবা পুরোদমে ব্যবসায় মনোযোগ দিলেন ও সফল ব্যবসায়ী ছিলেন। সে থেকে আমাদের পরিবার সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে আছি। এরপর বেশ ভালোই ছিলাম।’

গোলাম সরওয়ার তুহিন লেখেন, ‘হঠাৎ একদিন (বিএনপি ঘরানার) আমাদের বাড়ির এক মেয়ে আমার বড় ভাইকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে নিজ দায়িত্বে আমাদের ঘরে চলে আসেন। আমার ভাই তখন বরিশালে ছিল। নানাভাবে মেয়েকে বুঝালাম পরিবারের সঙ্গে কথা বললাম ফিরে যাওয়ার জন্য কিন্তু তিনি অনড় ছিলেন, যাবেন না। এলাকার সব লোক মিলে বুঝিয়েও তাকে ফেরাতে পারেননি।’

তিনি লেখেন, ‘হঠাৎ রাতের বেলা পুলিশ এলো, আমার বাবা-মাকে গ্রেপ্তার করল এবং থানায় নিয়ে মামলা দিয়ে চালান দিল। বলল, আমরা না কি ওই মেয়েকে অপহরণ করেছি। আসলে কী অপরাধ ছিল সেটাই আমরা জানতাম না, পরে শুনেছি নারী নির্যাতনের নতুন আইন হয়েছে। যা হোক অনেক কিছুর পরও সে মেয়েকে নিয়েই আমার বড় ভাই এখনো সংসার করছেন। আমার বাবা-মায়ের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কিছু ছিল না। পুলিশ তো জানত, কোনটা সত্যি কোনটা মিথ্যা। ছেলের সুখের জন্য আমার বাবা-মা সবকিছু মেনে নিলেন। কিন্তু মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অপমানের কথা ভুলতে পারলেন না। এরপরও অনেক পুলিশি হয়রানির ঘটনা ঘটেছে, কারণ আমাদের পিছনে কোনো শক্তি ছিল না। বাবা আমাকে বলেছিলেন, ‘‘যাই হোক কখনো কোনো মানুষের ক্ষতি করবে না’’। সে নীতিতেই বেঁচে আছি এবং পথ চলছি।’

পুলিশ থেকে পদত্যাগকারী তুহিন লেখেন, ‘আমার বাবা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তালিকাভুক্ত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, কারোর দয়ায় বা করুণায় নয়। বীর মুক্তিযোদ্ধার কোটায় আমার চাকরি হয়েছে। যেভাবে ৫ আগস্ট দেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হলো, যেভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাস্কর্যসহ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যকে অপমান করা হলো, ভেঙেচুরে চুরমার করা হলো, সেখানে কোনো নৈতিক অধিকারে আমি এ চাকরি করি। চাকরিকালীন আমি সব কর্মস্থলেই নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পেরেছি, তবে রাজনৈতিক কারণে কিছু কাজ করতে হয়েছে, যেহেতু আমি সরকারি চাকরি করি।’

তিনি লেখেন, ‘আমি জীবনে কখনো কোনো তদবির করিনি, যেখানে দায়িত্বে দিয়েছে সেখানেই দায়িত্ব পালন করেছি। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস আমাদের শেষ হয়েছে। এখন হয়তো নতুন স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবস শুরু হবে। আমি নতুন প্রজন্মের কাছে আমার মুক্তিযোদ্ধার কোটায় থাকা চাকরিটি ছেড়ে দিলাম, তারা নতুন উদ্যমে জায়গা পূরণ করে নেবেন এবং প্রত্যাশিতভাবে দেশকে সাজাবেন- এ অনুরোধ রাখলাম।’

তুহিন আরও লেখেন, ‘আমি আমার বাবার দেখানো নীতিতেই বাকিটা পথ হাঁটব। বাবা বলেছিলেন, ‘‘যেখানে সম্মান নেই সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে নিও।’’ সাধারণ জনগণের কাছে পুলিশ যেভাবে অসম্মানিত হলেন, সে ইমেজ নিয়ে কীভাবে জনগণের সেবা করব। আমি আমার বাবার সম্মান রক্ষা করার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে বিদায় জানালাম। আমি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের জন্য আবেদনপত্র পাঠিয়ে দিলাম। তবে আইন পেশার সঙ্গেই যুক্ত থাকব। সবার জন্য শুভকামনা রইল। আমিন, জয় বাংলা, বাংলাদেশ, চিরজীবী হোক।’

এ ব্যাপারে জানতে স্বরূপকাঠি থানার ওসি মো. গোলাম সরওয়ার তুহিনের অফিসিয়াল মোবাইল নম্বরে কল করা হলে থানাটির পরিদর্শক (তদন্ত) এইচ এম শাহিন তা রিসিভ করেন। তিনি বলেন, ‘ওসি সাহেব অফিসে আসেননি।’

গোলাম সরওয়ার তুহিনের স্বেচ্ছায় অবসরের বিষয়টি জানতে চাইলে এইচ এম শাহিন বলেন, ‘আমিও শুনেছি ফেসবুকে এমন একটা স্ট্যাটাস তিনি দিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত দেননি।




টানা বৃষ্টিতে পটুয়াখালীতে আমনের বীজতলা নষ্ট

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: টানা বৃষ্টিতে পটুয়াখালীর বেশিরভাগ জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে আমনের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে চলতি মৌসুমে অধিকাংশ জমি অনাবাদি থাকার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। কোথাও হাঁটু পানি, আবার কোথাও কোমড় পানি। ডুবে আছে ফসলি জমি। এছাড়া চলতি মৌসুমে রোপণের জন্য তৈরি করা আমনের বীজতলাও ডুবে গেছে।

কৃষকরা বলেন, বেশিরভাগ চারা পচে নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন করে বীজতলা তৈরির সময় না থাকায় জমি অনাবাদি থাকার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।’

এক কৃষক বলেন, ‘তিনবার বীজতলা করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু বর্ষার পানিতে ডুবে গেছে। আমাদের ফসলি জমি মনে হয় এবার পড়ে থাকবে। আর কৃষি অফিস থেকে আমাদেরকে সহযোগিতা না করলে চলতে পারব না।’

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আর্থিক প্রণোদনাসহ ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’ চলতি আমন মৌসুমে জেলায় ১২ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে আমনের বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। আর আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা এক লাখ ৯৫ হাজার হেক্টর জমি নির্ধারিত আছে।