শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবিতে পটুয়াখালী নদী বন্দরে বিএনপির খণ্ড খণ্ড মিছিল

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়ে গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের ফাঁসির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে পটুয়াখালী জেলা বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে জড়ো হয় পটুয়াখালী নদী বন্দরের সামনে। পরে বেলা ১১টায় জেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শ্নেহাশু সরকার কুট্টি।

অবস্থান কর্মসূচিতে জেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের সব নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার ফাঁসি কার্যকর করা হোক। আমাদের মধ্যে অনেক চিহ্নিত আওয়ামী লীগ ঢুকে পড়েছে তাদের প্রতিহত করতে হবে।




পটুয়াখালী সদর উপজেলার আইনশৃংঙ্খলা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি সর্ম্পকে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলার আইন-শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলশ্রতিতে এখন অবদি জেলার কোথাও কোন ধরনের বিশৃংখলার খবর পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগনের বন্ধু সেই বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা জনগনের সেবায় সেনাবাহিনী মাঠে আছে।

পটুয়াখালীতে আইন-শৃংখলা ও নিরাপত্তা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেবুখালী সেনানিবাসের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল মোহসীন এসব কথা বলেন।

আজ পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলণ কক্ষে সদর উপজেলার আইন শৃংখলা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক মোঃ নূর কুতুবুল আলম এর সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন মেজর সাব্বির, পুলিশ সুপার আবদুস সালাম, জেলা জামাতের নায়েবে আমির এডভোকেট নাজমুল আহসান, পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র অন্দোলনের তোফাজ্জেল হোসেন, জেলা যুবদলের সভাপতি মনিরুল ইসলাম লিটন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ শামিম চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক জাকারিয়া আহম্মেদ প্রমুখ ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক আবদুল রশিদ চুন্নু মিয়া, সদস্য সচিব স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, জেলা জামাতের আমির অধ্যক্ষ মোঃ শাহআলম, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি জাফর উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আঃ রাজ্জাক, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্ট্রান ঐক্যপরিষদের সভাপতি অতুল চন্দ্র দাস, জেলা মহিলা দলের সাধারন সম্পাদক ফারজানা রুমা, জেলা সেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি মশিউর রহমান মিলন ,জেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি মাওলানা আবু সাইদ, পটুয়াখালী প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক জাকারিয়া হ্রদয় , সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, মো: জাকির হোসেন সহ ১৪টি ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সহ সুশীল সমাজের নেতৃবুন্দ।

তিনি বলেন, আমরা সকলে মিলে ভাল থাকতে চাই, এ দেশে জনসাধারন যখন যেভাবে চেয়েছে সেভাবে দেশ পরিচালিত হয়েছে। যদি কখনো সেভাবে দেশ পারিচালিত না হয়, সেক্ষেত্রে জনসাধারন তাদের ভবিষৎ এর গতি প্রকৃতি নির্ধারন করে নিয়েছে। ইতিহাস বলে শাসকগোষ্টি যখন গনমানুষের কথা বুঝতে পারে নাই, তখন গনমানুষ নতুন করে নতুন দিক নিয়ে এসেছে। দেশের ৯০ ভাগ মানুষ একরকম চাচ্ছে, ১০ভাগ অন্য ভাবে চাচ্ছে-এ ক্ষেত্রে ৯০ ভাগ মানুষের কথাই শুনতে হবে। আমরা সকলে ভাল থাকতে চাই, শান্তিতে থাকতে চাই-এটাই আমাদের উদ্দেশ্য।

ছাত্র সমাজের উদ্দেশ্যে কর্নেল মোহসীন হোসেন বলেন, এদেশের ছাত্র ও যুব সমাজ একটি ভালো ভূমিকা রেখেছে-তারাই নেতৃত্বে ছিল শুরুতে, তাদের সাথে দেশের জনসাধারন মিশে গেছে যখন দেখেছে তাদের দাবী গুলি যৌক্তিক।

সনাতন ধর্মালম্বীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, এ দেশ সবার, এখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বলে আলাদা করা ঠিক না, তারা আমাদের ভাই সবার অধিকার সমান। পটুয়াখালীতে সংখ্যালঘু হিসেবে কারও উপর কোন হামলা হয়েছে-এ ধরনের কোন অভিযোগ সেনা ক্যাম্পে আসে নাই। কিন্তু কোন কারন ছাড়াই আপনারা কেন বিক্ষোভ মিছিল করছেন, মানববন্ধন করছেন, কেন করছেন? আক্রমন না হয়ে থাকলেও প্রতিদিন মিছিল করার পরিকল্পনা, একত্রিত হওয়ার পরিকল্পনা করছেন কারনটা কি? আপনাদের কোন ধরনের নিরাপত্তার হুমকী থেকে থাকলে আমাদের সেনাবাহিনীকে
জানান, আপনাদের নিরাপত্তার পুরোদায়িত্ব আমরা নেব। কিন্তু কোন কারন ছাড়াই কিসের উস্কানীতে এগুলি আপনারা করছেন? কারা আপনাদের এগুলি করাচ্ছেন? আপনারা কোন খেলার গুটি হবেন না। এ এলাকার মানুষ অসম্প্রদায়িক, এখানে একজন আরেক জনকে দেখে রাখেন। এখানে সাধারন ছাত্রদের সাথে মাদরাসার ছাত্ররাও রয়েছে। আমি ছবি দেখেছি বেড়া দিয়ে রেখে নামাজের সময় হয়ে গিয়েছে-
মন্দিরের পাশে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ পড়ছেন। আমরা যে অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বলি, এর চেয়ে ভালো দৃশ্য আর কি হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, একটি অশুভ গোষ্টি ১৪ ও ১৫ তারিখকে সামনে রেখে যদি কোন নিরাপত্তা বিঘিœত করতে চেষ্টা করে তাদেরকে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আমরা সকলে মিলে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্ঠান সম্প্রদায়সহ সকল উপসানালয় নিরাপত্তার চাদরে রাখবো। আমরা সকলে মিলে সব সময় নজরে রাখবো, যাতে এগুলি ভাংচুর করে বা নিরাপত্তা বিঘিœত করে কোন ই্যসু তৈরী করতে না পারে, সেদিকে আমরা খেয়ালরাখবো।

তিনি পুলিশ বাহিনীর সংস্কারের বিষয়ে উল্লেখ করে বলেন, পুলিশ বাহিনী একটি সংস্কারের সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, সংস্কারে পরে যে পুলিশ বাহিনী আসবে তা জনগনের বন্ধু হিসেবে কাজ করবে। কোন সংস্থাকে ঘৃনা করবেন না, পাপকে ঘৃনা করি পাপিকে নয়। পুলিশের নেতৃত্বে সমস্যা ছিল, তারা এখন কেউ নেই কিন্তু এলাকায় যারা অফিসার বা কনষ্টেবল হিসেবে আছেন তাদের সহযোগীতা করেন।আমি সব কয়টি থানায় গিয়েছি তাদের মধ্যে অনুশোচনা হয়েছ, তারা আমাকে বলেছেন তারা বাধ্য হয়েছেন ঐ কাজ গুলি করতে। তাদেরকে সুযোগ দিতে হবে, তারা নিশ্চয়ই আপনাদের আস্থার জায়গায় ফিরে আসতে পারবেন, জনগনের বন্ধু হিসেবে কাজ করবেন। প্রতিটি ওয়ার্ডের চালুকৃত কমিউনিটি পুলিশের সাথে ছাত্র সমন্বয়ক ও ভলান্টিায়রদের নিয়ে টিম গঠন করে কাজ শুরু করতে হবে।




পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় যুবদল নেতার উপর হামলার অভিযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক সুমন গাজীর উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে দশটার দিকে কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে। হামলার পর পরই তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক রিমন শিকদার জানান, সকালে নিজ বাড়ি থেকে বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন সুমন গাজী। পথিমধ্যে আওয়ামী দলীয় কার্যালয়ের সামনে তার উপর হামলা করে দূর্বৃত্তরা।
তিনি বলেন, এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতালেব তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।

হামলায় যুবদল নেতার ডান পা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

তবে অভিযোগের বিষয় অস্বীকার করে আবদুল মোতালেব তালুকদার বলেন, এ ধরনের কোন ঘটনা আমার সামনে ঘটেনি। গায়েবি অভিযোগ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহম্মেদ জানান, আমরা এ ধরনের সংবাদ পাইনি। তবে খোঁজ নিয়ে দেখছি।




শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপ: আ.লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আটক

বরিশাল অফিস :: সরকারের পতনের পর পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবিরকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বরগুনা পৌর শহর থেকে তাকে আটক করা হয় বলে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মিজানুর রহমান জানান।

এর আগে ১২ আগস্ট সোমবার শেখ হাসিনার সঙ্গে জাহাঙ্গীর কবীরের ফোনালাপের কিছু অংশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জানান, সোমবার রাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপ হয়। সেখানে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়; ১৫ আগস্টের কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেন শেখ হাসিনা। ফোনালাপের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও জনপ্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা এখন পুলিশের হাতে আটকের ভয়ে আছেন।

বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্বাস হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ফোনালাপের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের ধারণা, এ কারণেই পুলিশ তাঁকে আটক করেছে।’

তিন মিনিটের ফোনালাপের একপর্যায়ে জাহাঙ্গীর কবীর শেখ হাসিনাকে বলেন, ‘আপা আপনি ঘাবড়াবেন না, মনোবল হারাবেন না। আপনি ঘাবড়ালে আমরা দুর্বল হয়ে যাই। আমরা শক্ত আছি।’

তখন শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি ঘাবড়াব কেন? আমি ভয় পাইনি। আপনারা দেখছেন, আমাদের পুলিশ বাহিনীকে মেরে কীভাবে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমাদের কর্মী বাহিনী হাসপাতালে চিকিৎসা করতে গেছে, তাদের টেনে এনে ঝুলায় গুলি করে মারে। এমন বীভৎস ঘটনা কে দেখছে।…এই দেশটা রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে, এটা তাদের মনে রাখা উচিত।…এত উন্নতি হয়েছে, এটা যেন নষ্ট না হয় তা বিবেচনা করা উচিত। এটা তো তারাই ব্যবহার করবে।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আপনারা যেভাবে আছেন থাকেন। ১৫ আগস্ট যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করেন।’

বরগুনা সদর থানার ওসি এ কে এম মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঢাকা থেকে পুলিশের একটি টিম এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ধারণা করা হচ্ছে, শেখ হাসিনার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার মাধ্যমে ষড়যন্ত্র ও একটি প্রতিবিপ্লবের পাঁয়তারার অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছে। তবে এটা কেবলই আমার ধারণা।

 




উপদেষ্টার ছেলেকে নিয়ে বরিশাল ঘুরে গেলেন হাসানাতপুত্র মঈন

বরিশাল অফিস :: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফের ছেলে ব্যারিস্টার মুয়াজ আরিফকে সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলবার বরিশাল ঘুরে গেলেন আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পুত্র মঈন আব্দুল্লাহ।

আওয়ামী লীগের দুর্ভাগ্যজনক পতনের মাত্র ৭ দিনের মাথায় এ সফর নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় চলছে বরিশালে। কয়েক ঘণ্টার এই সফরে নগরের কাউনিয়া এলাকায় থাকা নানার বাড়িতে দুপুরের খাবার খান মঈন। মুসলিম গোরস্থানে থাকা মা শাহানারা আব্দুল্লাহর কবরও জিয়ারত করেন তিনি। তবে গণবিক্ষোভে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া কালীবাড়ি রোডের পৈতৃক বাসভবনে যাননি তিনি।

বরিশাল সফরের বিষয়টি অবশ্য নিজেই স্বীকার করেছেন পেশায় ব্যবসায়ী মঈন। নিজের শহর বরিশালে আসতেই পারেন বলে জানান তিনি। সঙ্গে থাকা উপদেষ্টার সন্তান প্রসঙ্গে বলেন, ‘সে আমার শিশুকালের বন্ধু। দয়া করে এর সঙ্গে রাজনীতি মেলাবেন না।’

মঙ্গলবার বিকালে নগরীতে ছড়িয়ে পড়ে উপদেষ্টার ছেলেকে নিয়ে মঈন আব্দুল্লাহর বরিশালে আসার খবর। ৬টি গাড়ির বহর নিয়ে তিনি বরিশালে এসেছেন বলে জানান অনেকে। পরে খোঁজখবর নিয়ে মেলে এ তথ্যের সত্যতা।

মঈন আব্দুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার জন্মস্থান বরিশালে আমি যাব এটা নিয়ে অবাক হওয়ার কি আছে? আমি তো রাজনীতি করি না। আমি ব্যবসায়ী, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক এবং সিআইপি। দুপুরের একটু আগে বরিশালে গিয়েছি। মায়ের কবর জেয়ারত করেছি। তারপর গেছি কাউনিয়া এলাকার মামা বাড়িতে। সেখানে দুপুরের খাবার খেয়েছি।

স্থানীয় সরকারের উপদেষ্টা হাসান আরিফের পুত্র ব্যারিস্টার মুয়াজ আরিফ সঙ্গে থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সে তো আমার ছোট বেলার বন্ধু। সেই শিশুকাল থেকে আমরা একসঙ্গে বড় হয়েছি। বন্ধুত্ব আর রাজনীতি মিলিয়ে ফেলবেন না।

ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া পৈতৃক বাড়িতে না যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার বাবা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে ছাড়া ওই বাড়িতে আমি কি করে যাই? তাছাড়া পত্র-পত্রিকায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া আমার বাড়ির যেসব ছবি দেখেছি তাতে সেখানে গেলে হয়তো নিজেকে সামলাতে পারব না। ওই বাড়ির সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে অনেকবার রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু আমার দাদা শহিদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের গড়া ওই বাড়িতে কোনোদিন একটা ঢিলও পড়েনি। যতদূর জানি, আমার পরিবারের কেউও কখনো এভাবে কারো বাড়ি পোড়ায়নি। আমি বাবার সন্তান হিসেবে গর্ববোধ করি। ওই বাড়িতে যখন যাব তখন বাবার সঙ্গেই যাব।

হাসানাত পুত্র মঈন আব্দুল্লাহর এ সফর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বরিশাল মহানগর বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক বলেন, নিজের শহরে তিনি (মঈন) আসতেই পারেন। তবে সময় নির্বাচনটা তার সঠিক হয়নি। এখন যদি ছাত্র-জনতা তার উপর হামলা চালাত কিংবা গাড়ি ভাঙচুর করত সেই দায় তিনি কাকে দিতেন? আমাদের সবচেয়ে বড় যেটা আপত্তি তা হলো মঈন আব্দুল্লাহর সঙ্গে বর্তমান সরকারের একজন উপদেষ্টার সন্তানের উপস্থিতি। বাল্যবন্ধু হোক আর যাই হোক, তিনি একজন উপদেষ্টার সন্তান। এ দেশের মানুষের চরম ঘৃণার কবলে পড়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। সেই হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে মঈন আব্দুল্লাহ।

ইতোমধ্যে একজন উপদেষ্টার বিতর্কিত বক্তব্য নিয়ে মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আরেক উপদেষ্টার ছেলেকে নিয়ে মঈন আব্দুল্লাহর এই সফর ভিন্ন কিছুর ইঙ্গিত দেয়। এসব বিষয়ে বর্তমান সরকারের আরও সর্তক হওয়া প্রয়োজন। তা না হলে হয়তো আবার আমাদের রাস্তায় নামতে হবে সরকারের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে।

প্রসঙ্গত, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর বড় ছেলে সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র। গত ৫ জানুয়ারি সরকার পতনের দিন নগরের কালীবাড়ি রোডে থাকা তাদের পৈত্রিক বাসভবন ভাংচুরের পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা।

এ ঘটনায় বাড়ির ভেতরে থাকা বিসিসি কাউন্সিলর গাজী নঈমুল ইসলাম লিটুসহ ৩ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান।




পটুয়াখালীতে শহীদ হৃদয় তারুয়ার বাড়িতে পবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে নিহত চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হৃদয় তারুয়ার বাড়িতে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বিকাল ৪ টার দিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সেখানে পৌঁছে হৃদয় পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তারা, এ-সময় নগত অর্থ এবং পরিবারের একজনকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিবেন বলে জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, শিক্ষক বৃন্দু ও শিক্ষার্থী।

প্রসঙ্গত, কোটা সংস্কার নিয়ে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অগ্রণী ভূমিকায় ছিলেন হৃদয় তারুয়ার। সেখানে তিনি ছিলেন এই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক। গত ১৮ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইটে দিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করেন। পুলিশ তাদের বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে পুলিশের গুলতে তার মৃত্যু হয়। নিহত হৃদয় তারুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় তার বাড়ি।




অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চায় ভারত: প্রণয় ভার্মা

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দুই দেশের মানুষের স্বার্থে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভারত কাজ চালিয়ে যেতে চায় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

বুধবার (১৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

তিনি বলেন, আজ শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। কোনো এজেন্ডা ছিল না। দুই দেশের মানুষের স্বার্থে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চায় ভারত।

প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে সুনির্দিষ্ট কোনো আলাপ হয়নি।

 




পবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ হলো সকল ধরনের রাজনীতি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: এবার পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে ক্যাম্পাসে পেশাজীবী সংগঠনেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার( ১৪ আগষ্ট) পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান এক অফিস আদেশে জানিয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং ছাত্রছাত্রীদের দাবির প্রেক্ষিতে ক্যাম্পাসে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় আইন এর ধারা ৪৭ (৫) আনুযায়ি সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং পেশাজীবী সংগঠন বন্ধ করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত রাজনীতিমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী রিজেন্ট বোর্ডে অবহিতকরণ সাপেক্ষে এ আদেশ দেয়া হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পবিপ্রবি রেজিস্ট্রার (অ.দা.) ড. এস এম হেমায়েত জাহান।

এর আগে পবিপ্রবি’র প্রশাসনিক শীর্ষ কর্মকর্তা পদে ব্যাপক রদবদল করা হয়েছে।




আন্দোলনে নিহতদের খোঁজখবর নিতে দুমকীতে বিএনপির প্রতিনিধিরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলনে ঢাকায় নিহত পটুয়াখালী জেলার দুমকীর মো. মিলন হাওলাদার ও মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদারের পরিবারের খোঁজখবর নিল কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রতিনিধি দল।

নিহতদের কবর জিয়ারতসহ এসব পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিয়ে প্রতিটি হত্যার বিচার দাবি করেন তারা।

এ সময় কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, জাতীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুস, জেলা বিএনপির আহবায়ক আবদুর রসিদ চুন্নু মিয়া ও সদস্য সচিব স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, দুমকী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধাসহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ঝাটরা গ্রামের মদন হাওলাদার বাড়ির নিহত মো. মিলন হাওলাদারের কবর জিয়ারত শেষে তার বাবা হোছেন হাওলাদারের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় পারিবারিক খোঁজখবর নেওয়া হয়। দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের রাজগঞ্জ গ্রামের সোবহান হাওলাদারের ছেলে নিহত মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদারের কবর জিয়ারত শেষে তার মা-বাবা, স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে কথা বলে খোঁজখবর নেওয়া হয়।

পরে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার উপহার দেওয়ার দাবি জানান এই নেতারা। পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এসব পরিবারদের মুক্তিযোদ্ধাদের মতো সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারা।




মির্জাগঞ্জে পুকুরে জমে থাকা ৫ বছরের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করলেন শিক্ষার্থীরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে একটি পরিত্যক্ত পুকুর প্রায় পাঁচ বছর ধরে ময়লা-আবর্জনায় ভরে ছিল। তবে সেখান থেকে জঞ্জাল সরিয়ে স্বাভাবিক রূপে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন শিক্ষার্থীরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ কার্যক্রমে গতকাল মঙ্গলবার সকালে অন্তত ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন।

তাঁরা বলছেন, ৪/৫ ঘণ্টার মধ্যে পুকুরটি পরিষ্কার জঞ্জালমুক্ত হয়েছে। তবে এটি পুরোপুরি পরিষ্কার করতে আরও এক-দুই দিন সময় লাগবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে বাজার পর্যবেক্ষণ, সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ ভূমিকা পালন করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলা শহর পরিচ্ছন্ন করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে উপজেলা শহর সুবিদখালীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনায় পূর্ণ পুকুরটি পরিবেশ বিনষ্টের পাশাপাশি জীবাণু ছড়াচ্ছিল। পাশের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বাসাবাড়ি, দোকানপাটের পরিবেশ নষ্ট হলেও পুকুরের আবর্জনা পরিচ্ছন্নতায় কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদের এই সামাজিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

পুকুর পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত শিক্ষার্থীরা জানান, পুকুর পরিষ্কারের পাশাপাশি গত সাত দিনে শহরের বিভিন্ন রাস্তাঘাটের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও বিভিন্ন পয়েন্টের ট্রাফিকের দায়িত্বও পালন, বাজার পর্যবেক্ষণ করছেন শিক্ষার্থীরা।

পুকুরটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র গোলাম রাব্বানী, সাইফুল ইসলাম সিয়াম, অর্জুন ঋষি, মিজান সজল, মাসুম, জাহিদুল ইসলাম, বান্না, শাওন, হৃদয়, সাব্বিরসহ ৫০ জন অংশ নেন।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিএম কলেজের সমন্বয়ক মো. রাব্বানী বলেন, পুকুরটি ময়লা অবস্থায় দীর্ঘদিন পড়ে ছিল। গতকাল সকাল থেকে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী নিজ উদ্যোগে স্বেচ্ছায় পুকুরটি পরিষ্কার কাজে অংশ নেন। এটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করতে আরও দুই দিন সময় লাগবে। এ ধরনের সামাজিক কাজ অব্যাহত থাকবে।

শিক্ষার্থীদের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন। আশা করি সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।’