বন্যার্তদের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিপাকে শুভ

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন :: ভয়াবহ বন্যার কবলে দেশ। ভারী বর্ষণ ও উজানের পানিতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে দেশের ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন জেলা। এর মধ্যে ফেনী ও নোয়াখালীতেই বন্যাকবলিত ২২ লাখের বেশি মানুষ। এই সময় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন শোবিজের তারকা শিল্পীরা। বানভাসিদের নিয়ে তারকাদের এমন সক্রিয়তা সবার নজর কেড়েছে।

বন্যার্তদের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিপাকে পড়েছেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। আজ বৃহস্পতিবার এই অভিনেতা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ভয়াবহ বন্যার কবলে দেশের বেশ কয়েকটি জেলা। দেশের এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে আমাদের জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। আসুন সবাই নিজ জায়গা থেকে সাহায্যের হাত বাড়াই। সবার আগে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ, পশুপাখিসহ সব জীবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি। আল্লাহ সহায় হন আমাদের।’

তার এমন বার্তায় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন অনুসারীরা। কেউ করেছেন কটাক্ষ আবার কেউ রীতিমতো আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছেন শুভর ওই পোস্টে। সানজিদা আক্তার নামে একজন লিখেছেন, ‘আসছে বঙ্গবন্ধু! আপনি এতদিন কোথায় ছিলেন হাসিনার আব্বা!’

রাসেল রায়হান লিখেছেন, ‘অবশেষে আপনিও আসলেন।’

আরোসা মনি নামে একজন লিখেছেন, ‘জুলাই মাসে চুপ ছিলেন, আজ আসছেন মানবতা দেখাইতে ভাই।’

মেহেদী হাসান নামে অন্য একজন লিখেছেন, ‘তুমি না বলেছিলে, ভারত-বাংলাদেশ ভাই-ভাই! এই নমুনা ভাইদের?’

বলা দরকার, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নীরব ছিলেন আরিফিন শুভ। এ কারণে অধিকাংশ মানুষের কাছেই খলনায়কে পরিণত হয়েছেন তিনি।




বেক্সিমকো-সামিটসহ ৫ গ্রুপের ব্যাংক হিসাব তলব

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বিভিন্ন পন্থায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির বিশেষ অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এরই ধারাবাহিকতায় বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমান, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, ওরিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান ওবায়দুল করিম এবং এদের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের আয়কর ফাঁকির তথ্য অনুসন্ধানে নেমেছে সংস্থাটি।

ইতোমধ্যে দেশের অন্যতম বড় শিল্পগ্রুপ বসুন্ধরা, সামিট, নাসা, ওরিয়ন ও বেক্সিমকোর মালিকানা পরিবারের সদস্যদের লেনদেনের তথ্য চেয়ে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর। আজ বৃহস্পতিবার কর ফাঁকির অভিযোগে অনুসন্ধান কার্যক্রমের স্বার্থে এই চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এনবিআরের চিঠি বলা হয়েছে, বিভিন্ন উপায়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির বিশেষ অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি)। সিআইসি বর্তমান সময়ে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ পর্যালোচনা এবং সুনির্দিষ্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সম্ভাব্য কর ফাঁকিবাজদের তালিকা সম্পন্ন করেছে। পর্যায়ক্রমে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আয়কর আইন, ২০২৩ ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীনে কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ফাঁকি দেওয়া কর উদ্ধারের পাশাপাশি শাস্তিমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

এরই ধারাবাহিকতায় বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমান, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, ওরিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান ওবায়দুল করিম এবং এদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আয়কর ফাঁকির তথ্য অনুসন্ধানে বা উদঘাটনে এনবিআর-এর সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে বলেও চিঠিতে জানানো হয়।

চিঠির তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, সঞ্চয় অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে পত্র পাঠানো হয়েছে। সিআইসি কর্তৃক পরিচালিত এ বিশেষ অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।




সংবাদমাধ্যমে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে বাধা নেই: হাইকোর্ট

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কোনো ধরনের বক্তব্য-বিবৃতি সংবাদমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে দেওয়া রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল খারিজ করে এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রুল ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রত্যাহারের আবেদন করেন রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাসরিন সিদ্দিকা লিনা। তিনি আদালতে বলেন, ‘আমি আদালতে এই রিট মামলা আর চালাতে চাই না।’

এ সময় আদালতে তারেক রহমানের আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি তারেক রহমানের বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রুল জারি করে। রুলে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার নিষিদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

ওই রুল শুনানির জন্য আট বছর পর হাইকোর্টে আবেদন জানায় রিটকারী পক্ষ। কিন্তু তারেক রহমানের ঠিকানা ভুল থাকায় নোটিশ সঠিকভাবে জারি হয়নি। এ কারণে ঠিকানা সংশোধন করে ফের আবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ওই নির্দেশনা মোতাবেক তারেক রহমানের ঠিকানা সংশোধন করে নোটিশ জারির নির্দেশ দেন আদালত। এরপরই নোটিশ জারি করা হয়।




পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গভীর রাতে ফার্মেসী ভেঙ্গে লুটপাট করল দুর্বৃত্তরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের অভ্যন্তরে চুক্তিভিত্তিক ইজারা নেয়া একটি ঔষধের ফার্মেসী সরকার পতনের দিন রাতেই হামলা করে দুর্বৃত্তরা। এক সপ্তাহ পর দ্বিতীয় দফার হামলা ও লুটপাটে পথে বসে যায় ব্যবসায়ী।

জানা যায়, পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল সংলগ্ন পৃথক জায়গায় একটি ঔষধের দোকান ও একটি ক্যান্টিন রয়েছে। উভয় প্রতিষ্ঠানে একটি চুক্তির মাধ্যমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ৫ বছরের জন্য ইজারা নেয় সৈয়দ ইমাম হাসান জুয়েল। জনস্বার্থে এবং রোগীদের সেবার সুবিধার্থে দিনে এবং রাতে সর্বক্ষণিক ন্যায্য মূল্যে ঔষধ বিক্রির ব্যবস্থা করা হয় দোকান থেকে। ফার্মেসিটি হাসপাতাল সংলগ্ন হওয়ায় গভীর রাতের বিশেষ প্রয়োজনেও নারী পুরুষ যে কেউ সহজেই হাতের নাগালে ঔষধ পেত। কিন্তু সরকার পতনের দিন ৫ই অগস্ট রাতে দুর্বৃত্তরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। এরপরও ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য একদিন পর আবারো ফার্মেসি খুলে বসে। ৮ আগষ্ট কোন কারন ছাড়াই হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক থেকে ঔষধের দোকান ও ক্যান্টিনকে তিন কার্য দিবসের মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অপসারণ করার নোটিশ দেয়। দিশেহারা প্রতিষ্ঠান মালিক তত্ত্বাবধায়কের সাথে আলোচনা করার জন্য অপেক্ষা করে এবং দোকান বন্ধ রাখে। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় এক সপ্তাহ পর ১৪ অক্টোবর গভীর রাতে ভেকু মেশিন দিয়ে ওষুধের দোকানটি গুঁড়িয়ে দেয় এবং মালামাল লুটপাট করে। এতে প্রায় প্রতিষ্ঠানটি বিশ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয় বলে জানায়।

চুক্তিপত্র ও প্রেরিত চিঠি থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে একটি ঔষধের দোকান ও একটি ক্যান্টিন ইজারা নেয় সৈয়দ ইমাম হাসান জুয়েল। চুক্তি অনুযায়ী এখনো প্রায় আড়াই বছর ব্যবসা করতে পারবে সে। যে কারো প্রয়োজনে দুই মাস সময় পাবে দোকান খালি করার জন্য। কিন্তু উল্লেখিত কোন কারণ ছাড়াই ৮ অগস্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক থেকে ফার্মেসী ও ক্যান্টিন বরাবর দোকান অপসারণের চিঠি দেয়া হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, আগামী তিন কার্য দিবসের মধ্যে এস এইচ ফার্মেসী ও এস এইচ কেন্টিনটি অপসারণ করা না হলে যথাযথ আইনানুর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়িক জুয়েলের শ্বশুর বলেন, এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকেই জামাই এবং আমার পরিবার চলত। দুর্বৃত্তদের হামলা এবং লুটপাটে আমরা এখন পথে বসে গেছি। ক্ষতিপূরণ সহ এখানে যেন আমরা আবার ব্যবসা করতে পারি সরকারের কাছে এই দাবি জানাই।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দিলরুবা ইয়াসমিন লিজার মুঠোফোন একাধিকবার বার কল দিলেও সে ফোন রিসিভ করেনি।




পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক

বরিশাল অফিস :: পদত্যাগপত্র দাখিলের এক দিনের মাথায় প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, এছাড়া আর কারও প্রত্যাহারপত্র আমার কার্যালয়ে জমা পড়েনি।

ডেপুটি রেজিস্ট্রার বাহাউদ্দিন গোলাপ জানান, বিভিন্ন বিভাগের ডিন, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক-কর্মকর্তার অনুরোধে ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তিনি প্রত্যাহার না করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা সম্ভব হত না। এতে সেশনজটসহ পড়ালেখার বিরূপ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে শিক্ষার্থীদের দিক বিবেচনা করে তিনি পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নেন।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভুঁইয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর পদত্যাগপত্র দাখিল করেন। আর পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. আব্দুল কাইউম তার স্ত্রী শেখ হাসিনা হলের ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট ড. ইসরাত জাহানসহ ১৯ জন নিজ নিজ দায়িত্বরত পদের অনুকূলে পদত্যাগপত্র রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দাখিল করেন বলে জানান রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম।

১৯ জনের মধ্যে প্রক্টর ড. মো. আব্দুল কাইউম তার স্ত্রী শেখ হাসিনা হলের ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট ড. ইসরাত জাহান ছাড়ও রয়েছেন প্রক্টরিয়াল বডির সহকারী প্রক্টর মো. গাজীউর রহমান, ড. মোহাম্মদ মাহফুজ আলম, মো. ফরহাদ উদ্দীন, শাওন মিত্র, মো, সাইফুল ইসলাম, পুষ্প রানি মজুমদার। এছাড়া রয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট ড. হেনা রানি বিশ্বাস, শেরে বাংলা হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরি, বঙ্গবন্ধু হলের প্রভোস্ট ড. তারেক মাহমুদ আবীর, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান পদ থেকে ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন, টিএসসি পরিচালক ড. রহিমা নাসরিন, পরিবহণ পুল ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমান, শারীরিক শিক্ষা অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সৈয়দ আশিক ই ইলাহি, শেরে বাংলা হলের সহকারী আবাসিক শিক্ষক আব্দুল্লাহ আহমেদ ফয়সাল ও মোহাম্মদ সাকিবুল হাসান, বঙ্গবন্ধু হলের সহকারী আবাসিক শিক্ষক মো. কবির হাসান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভুঁইয়া কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ও প্রক্টর ড. মো. আব্দুল কাইয়ুম স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে নিজেকে জড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে অদৃশ্য ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করতেন।

গেল সিটি নির্বাচনে তিনিসহ পদত্যাগ করা বেশিরভাগই নৌকার প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা ও নির্বাচন প্রচারণা কমিটির সদস্য ছিলেন। তবে এসব কিছুর বাহিরে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, উপাচার্য ও প্রক্টরসহ মাত্র কয়েকজনের পদত্যাগের দাবি তোলা হলেও ২০ জনের পদত্যাগ মানে শিক্ষার্থীদের সেশনজটসহ নানান বিপাকে ফেলতে চেয়েছিলেন তারা। আর এরা কেউ শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করেননি, ফ্যাসিবাদের কথা চিন্তা করেছেন। তবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করায় অন্তত সামনে পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে।




বরিশালে দেড়শ বছরের পুরোনো এক মন্দিরে অগ্নিকান্ড

বরিশাল অফিস :: বরিশালে দেড়শ বছরের পুরোনো এক মন্দিরে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৪টার দিকে বরিশাল নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিপুর ইছাকাঠি এলাকার মহামায়া সড়কে শ্রীশ্রী মহামায়া মন্দিরে এই ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস ও মন্দির কমিটির সভাপতি তপন মুখার্জীর বরাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের আইসিটি মিডিয়া সেল জানায়, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে, মন্দিরের প্রায় ৫৬ হাজার টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতি হয়।

অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মন্দির কমিটির কোন অভিযোগ নেই বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

তবে মন্দির কমিটির এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ জানিয়েছে বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ ও বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান যুব ঐক্য পরিষদ।

বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের দপ্তর সম্পাদক রণজিৎ সেন বলেন, ‘আমরা সকালেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

’ যদি শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুন লাগতো তাহলে বৈদ্যুতিক ক্যাবল কিভাবে ভালো থাকে। মিটার পুড়লেও বৈদ্যুতিক ক্যাবলের কিছু হয়নি। তাই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন।’

বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা বলেন, ‘ মন্দিরটির আশপাশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বসবাস নেই।

’ আমরা মন্দিরটি পরিদর্শন করেছি। ঐতিহ্যবাহী দেড়শ বছরের অধিক পুরোনো মন্দিরটি পুড়ে যাওয়ার ঘটনা মেনে নেয়া সম্ভব নয়। সন্ধ্যার পর সব সুইচ বন্ধ থাকে, তাহলে কিভাবে আগুন লাগলো। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন।’

এয়ারপোর্ট থানার ওসি লোকমান হোসেন বলেন, ‘ অগ্নিকান্ডের খবর শুনে ভোরে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিস আমাদেরকে জানিয়েছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের মাধ্যমেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

শ্রীশ্রী মহামায়া মন্দিরটি ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে, ২০১০ সালে মন্দিরটি পুনঃসংস্কার করা হয়।




বৃষ্টি উপেক্ষা করে পবিপ্রবিতে নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকা দাহ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: লাগাতার আন্দোলনের অংশ হিসেবে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকা দাহ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তন (টিএসসি) প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সকাল থেকে আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকা সত্ত্বেও বৃষ্টি উপেক্ষা করে টিএসসি চত্বরে জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। পূর্ব নির্ধারিত সময়ের কিছু পরে কর্মসূচির অংশ হিসেবে নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থী বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে টিএসসি চত্বরে এসে শেষ হয়। মিছিল পরবর্তী শিক্ষার্থীরা নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকা দাহ করেন। এসময় শতাধিক শিক্ষার্থীরা মোদি ও ভারত বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদের শিক্ষার্থী নুরুন্নবী সোহান বলেন, বারবার ভারতের এমন আগ্রাসন আমরা নিতে পারি না। ভারত যদি তাদের নীতি থেকে সরে না আসে আমরাও তাদের সেভেন সিস্টার্স ধ্বংস করে দেব।

উল্লেখ্য, ভারত সরকার কর্তৃক ডম্বুর ও গজলডোবা বাঁধ খুলে দেওয়ায় বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে নোয়াখালী, ফেনী, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।




পটুয়াখালীতে টানা বৃষ্টিতে স্থবির জন জীবন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। গত এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টিতে সব কিছুতে স্থবিরতা নেমে এসেছে। ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল ছয়টা থেকে নয়টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টায় জেলার কলাপাড়া উপজেলায় ২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। এছাড়াও পানির নিচে তলিয়ে আছে আমন ক্ষেত। অনেক কৃষকের আমনের বীজ পচে নষ্ট হয়ে গেছে। চারা রোপণে পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। বর্ষাকালীন সবজি চাষিরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এদিকে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। বড় বড় ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে। স্বাভাবিকের চেয়ে নদ-নদীর পানির উচ্চতা ২ থেকে ৩ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে প্রতিদিন দুই দফা জোয়ারে নিম্নাঞ্চলের ঘর বাড়ি প্লাবিত হচ্ছে।

কলাপাড়ার নাচনাপাড়া এলাকার বেড়িবাঁধের বাইরে বসবাসকারী রুবেল ও সাইদ মিয়া জানান, প্রতিদিন দুই দফায় জোয়ারের পানি ভাসিয়ে দিচ্ছে। আমরা বেশ ভোগান্তিতে রয়েছি।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রামের কৃষক ইদ্রিস হোসেন জানান, আমাদের এখানকার বেশির ভাগ জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকের বীজ পচে গেছে। এদিকে চারা রোপণের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। পানির কারণে এখন চারা রোপণ করতে পারছি না।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় যে লঘুচাপটি অবস্থান করছিলো সেটি গুরুত্বহীন হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সাথে মিলিত হয়েছে। তবে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উপকূলে আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।




হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপ, সাবেক চেয়ারম্যান ও তার ছেলের নামে মামলা

 

বরিশাল অফিস :: ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালানো সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোন কলে কথা বলার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা বরগুনার সদ্য সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও তার ছেলের নামে মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছে বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক।

বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. গোলাম ফারুক বুধবার (২১ আগস্ট) নালিশি মামলায় আনা অভিযোগ তদন্ত করে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন।

মামলার বিবাদী হলেন- বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদ্য সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গির কবির ও তার ছেলে জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুবায়ের আদনান অনিক।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী নাজমুল হাসান বলেন, নালিশি আবেদনে আসামি মো. জাহাঙ্গির কবির ও জুবায়ের আদনান অনিক তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দিয়ে ভিডিও কলে কথা বলার বার্তা পরস্পরের নিজ নিজ মোবাইল নম্বর দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তদন্তের প্রয়োজন।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা আছে কিনা সেই বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বরগুনা সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নালিশিতে বাদী অভিযোগ করেছেন, গত ১২ আগস্ট রাত ৮টা ১০ মিনিটে আসামি জাহাঙ্গির কবির বরগুনা পৌর এলাকার আমতলার পাড় সড়কের নিজ বাসভবনের ড্রয়িং রুমে বসে দেশ ছেড়ে পালানো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপ করেন।

সেখানে জাহাঙ্গির কবির শেখ হাসিনাকে বলেন, ‘আপা আপনি ঘাবড়াবেন না, মনোবল হারাবেন না। আপনি ঘাবড়ালে আমরা দুর্বল হয়ে যাই। আমরা শক্ত আছি। যা প্রয়োজন তা করবো। শেখ হাসিনা বলেন, আমি ঘাবড়াবো কেন। আমি ভয় পাইনি। আপনারা দেখছেন আমাদের কর্মীদের মেরেছে। বোরকা পড়ে মেরেছে। আরও অনেক কথাবার্তা বলেছেন। ফোনালাপের এ দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে ফেসবুকে প্রকাশ করে সারা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। যা দেশ ও জন সাধারণের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বিরাজ করছে।

বেঞ্চ সহকারী আরও জানান, মামলায় মোট ৩১ জনকে আসামি করা হয়েছে। কিন্তু বাকি ২৯ জনের বিরুদ্ধে কোনো তথ্য প্রমাণাদি না দেওয়ায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেননি। তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।




বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভারতের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

বরিশাল অফিস :: মধ্যরাতে ভারতের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। ভারতের বাঁধ খুলে দিয়ে বাংলাদেশে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টির প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।

বুধবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো থেকে মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রশিক্ষণ করেন।

বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী রশিদ সরদার বলেন, আমরা ভারতকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, এই কৃত্রিম বন্যায় আমাদের জানমালের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার হিসাব ভারতকে দিতে হবে। আপনাদের সৃষ্টি বন্যায় আমাদের বাড়িঘর ভাসিয়ে দিয়ে আপনারা শান্তিতে থাকতে পারবেন না। যদি শান্তিতে থাকতে চান, তাহলে আন্তর্জাতিক নদী আইন মেনে আমাদের পানির অধিকার আমাদেরকে দেন।