লাশ পোড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ডিবির আরাফাতের ৩ দিনের রিমান্ড

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: আশুলিয়ায় মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় হত্যাচেষ্টা মামলায় গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক (তদন্ত) আরাফাত হোসেনের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শুক্রবার ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাবেয়া বেগম এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু তাহের মিয়া তার ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ১১ সেপ্টেম্বর আশুলিয়া থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী মো. রবিউল সানি। মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলার ১০ নম্বর আসামি আরাফাত। মামলার পর রাজধানীর আফতাবনগর থেকে আরাফাতকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৪।

এ মামলার উল্লেখযোগ্য অপর আসামিরা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ইউজিসি’র সাবেক সচিব ড. ফেরদৌস জামান, সাবেক সদস্য ড. মুহাম্মদ আলমগীর, ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র, ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন।



জামালপুরে ট্রেনে আগুন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা দেওয়ানগঞ্জ বাজার স্টেশনগামী লোকাল ট্রেনের ইঞ্জিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে কারও আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

ট্রেনের এক হকার জানান, জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছার আগেই ইঞ্জিনে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। ট্রেনটি স্টেশনে পৌঁছামাত্র কয়েক জন হকার আশেপাশ থেকে পানি এনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।

প্রত্যক্ষদর্শী এক হকার জানান, ট্রেনে এবং স্টেশনে থাকা ১০-১২ জন হকার মিলে আগুন নেভানোর জন্য দূর থেকে পানি আনে। হকাররা প্রায় আধঘণ্টা চেষ্টা করার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল আসে। ফায়ার সার্ভিসের ওই ইউনিট আরও আধঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, আধঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নেভাতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন কীভাবে ছড়িয়ে পড়ল, কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ট্রেনের চালক জানিয়েছেন অতিরিক্ত তাপে আগুন লেগেছে। তারপরও তদন্ত সাপেক্ষে আগুনের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

জামালপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার শেখ উজ্জ্বল মাহমুদ জানান, দেওয়ানগঞ্জগামী ২৫৫ লোকাল ট্রেনের চালকের মাধ্যমে আমরা জেনেছি অতিরিক্ত তাপে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। পার্শ্ববর্তী নান্দিনা স্টেশন থেকে ট্রেন ছেড়ে এসে জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনের দূরবর্তী সিগনালের আগেই ইঞ্জিনে আগুন ধরেছে।




‘জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশ হবে জঙ্গিমুক্ত’

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য আগে মানুষ হিসেবে, নাগরিক হিসেবে নিজের সংস্কার প্রয়োজন। সেই কাজটি জামায়াত করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। আজ শুক্রবার রাজধানীর হাজারীবাগ পূর্ব থানা জামায়াতে ইসলামীর সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. মাসুদ বলেন, ‘সোনার বাংলার জন্য আগে সোনার মানুষ তৈরি করতে হবে। সোনার মানুষ তৈরি করতে জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে। নৈতিকতা, আদর্শ ও চরিত্রবান নাগরিক তৈরি করার সেরা সংগঠন জামায়াত।’

তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী কখনো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের জন্য আন্দোলন করে না, জামায়াতে ইসলামী আন্দোলন করে ইসলামের সুমহান আদর্শের ভিত্তিতে একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য। একটি চক্র রয়েছে যারা প্রচার করে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে জঙ্গিবাদে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ হবে।’

বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী কুরআন ও সুন্নাহর আইন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। ইসলাম ছাড়া বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠন সম্ভব হবে না।’

ড. মাসুদ বলেন বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী মনে করে এখন মহাসমাবেশ করার সময় নয়, এখন ছাত্র-আন্দোলনে শহীদ-আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং আহত ভাই-বোনদের চিকিৎসাসহ সার্বিক খোঁজ-খবর রাখতে হবে। আর জামায়াতে ইসলামী সেটাই করছে।’




দেশ গঠনে নতুন বার্তা দেবেন তারেক রহমান, জানালেন ডা. জাহিদ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে ১৫ সেপ্টেম্বর বিএনপির সমাবেশ থেকে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ গঠনে নতুন বার্তা দেবেন বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। আজ শুক্রবার বিকেলে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর সমাবেশের প্রস্ততি নিয়ে যৌথসভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

জাহিদ হোসেন বলেন, ‘গণতন্ত্র দিবসে ১৫ সেপ্টেম্বর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ হবে। সেই সমাবেশ হবে অন্যতম বৃহৎ সমাবেশ। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সমাবেশ থেকে আগামী দিনের বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তারেক রহমান অবশ্যই একটি বার্তা দিবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ক্ষমতা গ্রহণের পর নেতাকর্মীরা নিজেদের ভবিষ্যতের আখের গোছানোর জন্য দেশের সম্পত্তিকে পৈতৃক সম্পত্তির মত করে লুটপাট করেছে। শেখ হাসিনার সরকার ১৪ সালে বিনাভোটে নির্বাচন করেছে, ১৮ সালে দিনের ভোট রাতে করেছে, ২৪ সালে ডামি নির্বাচন করে দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। সেইসঙ্গেনিজের ক্ষমতাকে বাঁচিয়ে রাখতে সকল প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করেছে।’

ডা. জাহিদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানকে কাঁটাছেড়া করতে করতে একটি দলীয় সংবিধানে পরিণত করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দলীয় বাহিনীতে পরিণত করেছে। আইন-আদালতকে যেমন ইচ্ছা তেমন ব্যবহার করেছে।’

গুম-খুন নিয়ে তিনি বলেন, ‘বিরোধীদলের নেতাকর্মী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে লাখ লাখ মামলা দেওয়া হয়েছে। যে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলেছে তাকেই হত্যা বা গুম করা হয়েছে।’

ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে জানিয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, ‘দেশে হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘ সময় আন্দোলন করেছেন। এখন আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা আন্দোলন করছি। বিএনপি আন্দোলনে ছিলো আন্দোলনে থাকবে। যতদিন পর্যন্ত ভোটের অধিকার আর গণতন্ত্র ফিরে না আসবে।’




ধর্মই এ দেশের প্রগতিশীলদের প্রধান শত্রু: শায়খ আহমাদুল্লাহ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::ধর্ম বাংলাদেশের প্রগতিশীলদের প্রধান শত্রু বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। আজ শুক্রবার নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে শায়খ আহমাদুল্লাহ লেখেন, ‘বিগত ৫০ বছর যাবৎ দেশের সকল সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করছে কথিত প্রগতিশীল শক্তি। এরা সব সময়ই ধর্মকে রাষ্ট্রের কেন্দ্র থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। শুধু তাই নয়, তারা ইনিয়ে-বিনিয়ে বলার চেষ্টা করেছে— উন্নতির পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো ধর্ম।’

তিনি লেখেন, ‘অথচ ধর্মকে অগ্রাধিকার দিয়েও যে কোনো দেশ উন্নতির শিখরে উঠতে পারে, তার বড় উদাহরণের নাম মালয়েশিয়া। তাদের সংবিধানের ৩ (১) ধারায় রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম উল্লেখ করে অন্যান্য ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে। সেখানকার মোট জনগোষ্ঠীর ৬০-৬৫% মুসলমান। তার ওপর ভিত্তি করে তারা যদি ইসলামকে রাষ্ট্রের কেন্দ্রে রাখতে পারে, সকল কাজে ইসলামকে ধারণ করে তারা যদি বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারে, তবে বাংলাদেশে সমস্যাটা ঠিক কোন জায়গায়?’

এ ইসলামি বক্তা লেখেন, ‘শুধু মালয়েশিয়াই নয়, এমন আরও বহু দেশ রাষ্ট্রধর্মকে স্বীকার করে তার আলোকে দেশ পরিচালনা করে এগিয়ে গেছে। চোখের সামনে উন্নতির এমন জ্বলজ্যান্ত উদাহরণ থাকার পরও ধর্মই এ দেশের প্রগতিশীলদের প্রধান শত্রু। অথচ যুগের পর যুগ রাষ্ট্র থেকে ধর্মের বিযুক্তি আমাদের দেশকে কী দিয়েছে, কতটুকু উন্নত করেছে, এটা সময়ের বড় প্রশ্ন।’

তিনি লেখেন, ‘এর চেয়ে যদি রাষ্ট্র পরিচালনায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দেওয়া হতো, তাদেরকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হতো, যদি তাদের ভেতর এই অনুভব ছড়িয়ে দেওয়া যেত যে, তারা বাইরের কেউ নয়, তারা এই দেশের মালিক, তবে দেশের উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য তারা সবকিছু উজাড় করে দিত। এতে দিনশেষে লাভবান হতো আমাদের এই দেশটাই।’

এ ছাড়া ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে একাধিক মন্তব্য করেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। একটি মন্তব্যে লেখেন, ‘মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাশে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। সেখান প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রীগণ নিয়মিত নামাজ আদায় করেন। আইকনিক কোনো ইসলামিক ব্যক্তিত্ব দেশে আসলে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল দেওয়া হয়। সেখানকার মন্ত্রী-এমপিসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ইসলাম পালনের চেষ্টা করেন। নারী পুলিশের ইউনিফরমে হিজাব আছে। এগুলোর কোনোকিছুই যদি মালয়েশিয়ার উন্নতির পথে অন্তরায় না হয়, তবে বাংলাদেশে বাধা কোথায়!’

অপর মন্তব্যে লেখেন, ‘গুটিকয় প্রগতিশীল এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের পলিসি নির্ধারণ করে আসছে। সংখ্যাগরিষ্ঠরা কিছু বললেই তাদেরকে বিভিন্ন রাষ্ট্রে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এভাবে দিনের পর দিন জনগণের গণআকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করা হবে, এটাই কি কথিত প্রগতিশীলদের গণতান্ত্রিক আচরণের স্বরূপ?’

 




আওয়ামী লীগের জন্মই হয়েছে ইসলাম বিদ্বেষের ওপর: এ টি এম মাসুম

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: আওয়ামী লীগের জন্মই হয়েছে ইসলাম বিদ্বেষের ওপর বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাসুম।আজ শুক্রবার সকালে শহরের জেলা শিল্পাকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আয়োজিত এক কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এটি এম মাসুম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের জন্মই হয়েছে ইসলাম বিদ্বেষের ওপর। ইসলামকে নির্মূল করা। ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান সেটা তারা গত ১৫ বছর মানুষের কাছে তুলে ধরেছে। তারা জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এমন আচারণ করেছে, যে আচারণ পশুও পশুর সঙ্গে করতে পারে না। তারা নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে, মিথ্যা বিচারপতি দিয়ে ফাঁসি দিয়েছে। এ দেশের মানুষের কাছে তাদের অপকর্ম পরিস্কার। ’

তিনি বলেন, ‘৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ঝড়ে আওয়ামী লীগ অপশক্তিকে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। বাংলাদেশ হচ্ছে শতকরা ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশ। এখানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরাও আছে। তারা আলাদা কোনো নাগরিক নয়, তারাও বাংলাদেশের নাগরিক। এখানে তারাও জন্ম নিয়েছেন। আমরা মুসলমানরা তাদের সমান অধিকার দিয়ে সম্মলিতভাবে মিলেমিশে এদেশে বসবাস করতে চাই। আমরা কারো দাদাগিরিকে মেনে নিব না এবং গ্রহণ করব না।’

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বাংলাদেশ জাময়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘আপনারা এমন নেতাদের পিছনে ঘুরলেন যারা দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বললেন- ‘‘শুধু দলের প্রতি নয়, দেশের প্রতিই আমাদের দায়িত্ব নাই। ’’ আমরা ধিক্কার জানাই যারা প্রাচীন দল হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেন। ’

তিনি আরও বলেন, ‘যখন এই আন্দোলনকে দমন করা যাচ্ছে না, তখন তারা যড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী এবং ছাত্র শিবির নিষিদ্ধের ঘোষণা দেয়। শেখ হাসিনা বিগত ১৫ বছর আমাদের কোনো উপকার করতে পারে নাই। কিন্তু ১ আগস্ট জামায়াত ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে আপনি একটা উপকার করে দিয়ে গেলেন। এই ২০২৪ সালে নিষিদ্ধের মাধ্যমে এই আন্দোলনের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে জামায়াতকে আপনি চিহ্নিত করে দিয়েছেন। এটাই প্রমাণিত হয়েছে ছাত্র-সমাজ জামায়াত ইসলামী এবং ছাত্রশিবিরকে বুকে ধারণ করে বিজয়ের পতাকা তারা উর্ত্তীণ করেছে।’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ আব্দুল জব্বারের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য মাওলানা মাঈনুদ্দিন আহমেদ, ঢাকা দক্ষিণের আমীর মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, নারায়ণগঞ্জ জেলার আমীর মমিনুল হক সরকার, মুন্সিগঞ্জ জেলা আমীর আ জ ম রুহুল কুদ্দুস, নরসিংদী জেলা আমীর মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন, ইসলামিক এডুকেশন সোসাইটির পরিচালক প্রিন্সিপাল ড. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া।




ডাব ডিমও ইজারা দিতেন কুয়াকাটার সাবেক মেয়র আনোয়ার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভার অপসারিত মেয়র আনোয়ার হাওলাদারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মেয়র অপসারিত হওয়ার পর মুখ খুলতে শুরু করেছেন স্থানীয়রাও।
তাঁদের অভিযোগ, কুয়াকাটা পৌর শহরে ঢোকার জন্য সড়কে যানবাহন থেকে চাঁদা নেওয়া হতো। শুধু তা-ই নয়, পৌর এলাকায় ডিম-ডাব বিক্রিতেও ‘ইজারা পদ্ধতি’র প্রচলন করেন তিনি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ার হাওলাদার একসময় জাতীয় পার্টির (জাপা) রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী) আসনে জাপার মনোনয়ন পান তিনি। যদিও পরে নির্বাচনে অংশ নেননি। পরে ২০২০ সালে কুয়াকাটা পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র নির্বাচিত হন আনোয়ার। এরপরই তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই সেরনিয়াবাত আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর হাত ধরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন।

ডিম-ডাব ইজারা
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, পৌরসভার ভেতরের হাট ও বাজার ইজারা দেওয়ার কথা থাকলেও আনোয়ার হাওলাদার নিজের মতো করে ডিম, ডাব, গোশত মহল বানিয়ে আলাদা ইজারা দিতেন। নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বাৎসরিকভাবে ইজারা দিয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করেন। এতে কুয়াকাটা পৌর শহরে ডিম-ডাব বিক্রি করতে হলে ব্যবসায়ীদের প্রতিটি পণ্যে খাজনা দিতে হতো সংশ্লিষ্ট ইজারাদারকে।

ডিম ইজারাদার ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমি গত বছর ইজারা নিয়েছিলাম। এ বছর টেন্ডারের মাধ্যমে মেয়রের কাছ থেকে মন্টু দফাদার নামের একজন ৫ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছেন। আর দোকান থেকে ডিম পাইকারি বিক্রি করেন জাকির। তাঁরা ডিমপ্রতি ২৫ পয়সা খাজনা নেন।’

ডাবের ইজারাদার আব্দুর রব মাঝি বলেন, ‘এ বছর চৈত্র মাসে মেয়রে ২ লাখ টাহা দিয়া ইজারা নিছি আগামী চৈত্র মাস পর্যন্ত। কুয়াকাটায় ১৫ জনের মতো ডাব বিক্রি করেন। তাঁরা প্রতিদিন ডাব উঠাইলে ডাবপ্রতি ১ টাকা করে নেই।’

মহাসড়কে চাঁদাবাজি
আনোয়ার হাওলাদার বাসস্ট্যান্ড ইজারার নামে নিজস্ব লোকজন দিয়ে সড়কে চাঁদাবাজি করতেন। এখনো সে ব্যবস্থা বহাল রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কুয়াকাটা পৌরসভা বাসস্ট্যান্ডের সামনে মহাসড়কে থামানো হচ্ছে পণ্যবাহী ট্রাক, থ্রিহুইলার, লরি। চালক ও তাঁর সহকারীর কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে টাকা।

বরিশাল থেকে মালপত্র নিয়ে আসা একটি পিকআপের চালক পলাশ হোসেন বলেন, ‘কুয়াকাটায় ঢুকতে এবং বের হতে হলে টোল দিতে হয় ১০০ টাকা। সপ্তাহে দু-তিনবার আসি, প্রতিবারই দিতে হয়।’

সৈকত থেকে ময়লা নেওয়া বন্ধ, জ্বলে না সড়কবাতি
উপজেলা প্রশাসন সৈকতের দখল হওয়া জমি উদ্ধার করা শুরু করলে সাবেক এই মেয়র উপজেলা প্রশাসনকে বাধা দেন। সৈকতে একক আধিপত্য বিস্তার করতে না পারায় গত ১৪ এপ্রিল সমুদ্রসৈকত থেকে ময়লা নেওয়া বন্ধ ও রাতে সড়কবাতি না জ্বালানোর নির্দেশ দেন।

দুদকের অনুসন্ধান
এদিকে আনোয়ার হাওলাদারের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তুলে গত বছর দুদকে অভিযোগ দেন এক ব্যক্তি। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুদক। সর্বশেষ গত ৭ জুলাই সতর্কতামূলক সুরক্ষা কাজ প্রকল্পের আওতায় কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের ২ কিলোমিটার সড়কের যাচাই-বাছাই ও মূল্য নিরূপণের অনুসন্ধান করেন দুদক।

পটুয়াখালী জেলা দুদকের সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রাসেল রনি বলেন, ‘সাবেক মেয়র আনোয়ার হাওলাদারের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আমরা অনুসন্ধান চালাচ্ছি। অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।’

অভিযোগের বিষয়ে অপসারিত মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন, ‘আপনারা গিয়ে পৌরসভায় দেখেন রুল টানানো আছে, ডিম-ডাব থেকে কত টাকা নেবে। এ ছাড়া কুয়াকাটা পৌরসভার রাস্তা ব্যবহারের কারণে ট্রাক থেকে টাকা নেওয়া হতো। তবে মাইক্রো, মাহিন্দ্রা থেকে টাকা আদায় করা হতো না। এখনো পৌরসভা টাকা নিচ্ছে, আর এই টাকা পৌরসভার রাজস্বে জমা হয়।’

আনোয়ার হাওলাদার আরও বলেন, ‘আমার কোনো অবৈধ সম্পদ নেই। উল্টো রাজনীতি করে ৩-৪ কোটি টাকা দেনা হয়ে গেছি। আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো মিথ্যা।’




কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৬ জনের মৃত্যু

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনগত মধ্যরাতে সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের ২ ওয়ার্ডের দক্ষিণ ডিককুল গ্রাম ও উখিয়ার ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।

এর মধ্যে দক্ষিণ ডিককুল গ্রামে পাহাড়ধসে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে উখিয়া উপজেলার ১৪ নম্বর হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

নিহতরা হলেন- দক্ষিণ ডিককুল গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী আঁখি মনি, তার দুই শিশু কন্যা মিহা জান্নাত নাঈমা ও লতিফা ইসলাম এবং ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ই- ব্লকের কবির আহমেদের পুত্র আব্দুর রহিম, আব্দুল হাফেজ ও আবদুল ওয়াহেদ।

ডিককুল গ্রামে পাহাড় ধসের বিষয়ে নিহতের স্বজনরা জানান, রাত ২টার দিকে ভারি বৃষ্টির সময় মিজানের বাড়ির দিক থেকে একটি পাহাড় বিকট শব্দে ধসে পড়ে। পরে তারা গিয়ে দেখেন মিজানের পরিবারের সদস্যরা মাটি চাপা পড়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে মিজানকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। পরে আজ ভোরে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মিজানের স্ত্রী ও দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।

কক্সবাজার ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার শামসুদ দৌজা নয়ন জানান, ভারি বর্ষণে উখিয়া ১৪ নম্বর হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে তিনটি বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে আজ শুক্রবার ভোর ৬টা পর্যন্ত ৩৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে একদিনে সর্বোচ্চ রেকর্ড।




কক্সবাজারে পাহাড় ধসে ঘুমন্ত মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: কক্সবাজার সদরের ঝিলংজায় টানা বর্ষণের ফলে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে মা ও দুই মেয়েসহ একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঝিলংজা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ ডিক্কুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুল করিম সিকদার।

নিহতরা হলেন- ঝিলংজা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ ডিক্কুল এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী আঁখি মনি (২৫) ও দুই সন্তান ময়না (৫) মায়া (২)।

প্রতিবেশী মোহাম্মদ রুস্তম জানান, টানা বর্ষণের ফলে রাত তিনটার দিকে পাহাড় ধসের ঘটনাটি ঘটে। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় মা মেয়েসহ তিনজনই মাটি চাপা পড়ে। স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করে। পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস হওয়ায় এ দুর্ঘটনার শিকার হল পরিবারটি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুল করিম সিকদার বলেন, টানা বর্ষণের কারণে কক্সবাজার সদর উপজেলার অনেক এলাকা তলীয়ে গেছে। পাহাড় ধসের আশঙ্কা থাকায় এসব এলাকায় সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তারা নিরাপদে সরে না যাওয়ায় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে পরিবারটি




আমি পদত্যাগ করতে রাজি আছি: মমতা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠক করতে চেয়েও পারেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। পরে রাজ্যের সচিবালয় কলকাতার নবান্নে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, পদত্যাগ করতে রাজি আছেন। আর আন্দোলনকারীরা বিচার চান না, ক্ষমতা চান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে গত মঙ্গলবার থেকে কলকাতার স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অনশনে বসেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। এর আগে পরপর দুই দিন তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চেয়েছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তবে চিকিৎসকরা শর্ত দিয়েছিলেন। তারা চেয়েছিলেন, এই বৈঠক সরাসরি সম্প্রচার করতে হবে। আর নিজেদের মধ্য থেকে ৩০ জন প্রতিনিধি নবান্নে যেতে চেয়েছিলেন।তবে এই দুই শর্তেই আপত্তি জানায় রাজ্য সরকার।

আজও বৈঠক করতে না পেরে সংবাদ সম্মেলনে মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন, ‘তিন দিনেও সমাধান করতে পারলাম না। বাংলার মানুষের কাছে ক্ষমা চাইছি। যারা নবান্নের সামনে এসেও বৈঠকে এলেন না, তাদের আমি ক্ষমা করলাম। আমাকে অনেক অসম্মান করা হয়েছে। আমার সরকারকে অসম্মান করা হয়েছে। অনেক ভুল বোঝাবুঝি, কুৎসা হয়েছে। সাধারণ মানুষ রঙ বোঝেনি। আমি পদত্যাগ করতে রাজি আছি, কিন্তু তারা বিচার চায় না। চেয়ার চায়। আশা করি মানুষ সেটা বুঝবেন।’

বৈঠক না হওয়ায় নবান্নের সামনে অনশনে বসেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে বৈঠক করতে আগ্রহী ছিলেন, কিন্তু বাইরে থেকে নির্দেশ আসছিল। দু-তিন জন রাজি হননি। আমি মানুষের কাছে ক্ষমা চাইছি। ডাক্তারদের অনুরোধ করছি, কাজে ফিরুন।’

নবান্নের বৈঠক থেকে মমতা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের প্রসঙ্গও তোলেন। তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, সময় পেরিয়ে গিয়েছে। আমি যত দূর জানি, সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন, রাজ্য পদক্ষেপ করলে তারা বাধা দেবেন না, কিন্তু আমি কিছু করব না। বহু মানুষ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। ইতোমধ্যে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাত লাখ মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন।’

মমতা জানিয়েছেন, এরপরও যদি জুনিয়র চিকিৎসকরা বৈঠক করতে চান, তবে মুখ্যসচিব এবং নবান্নের অন্যান্য কর্মকর্তারা যেন বৈঠক করেন ও তাদের বক্তব্য শোনেন। তবে তিনি আপাতত এ আলোচনায় থাকছেন না বলে জানিয়েছেন।