পটুয়াখালীতে সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে জোড়পুল ব্রিজের কাজ দুই বছর আগে শেষ হলেও নেই ব্রিজে উঠার সংযোগ সড়ক। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন বাঁশবাড়িয়া ও বহরমপুর দুই ইউনিয়নের প্রায় কয়েক হাজার মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের কাজ শেষ হয়েছে। সেতুটির দক্ষিণ পাশে কয়েক দিন আগে বালু দিয়ে ভরাট করে রাখা হয়েছে। আর উত্তর পাশে কাঠের সাঁকো। স্কুলশিক্ষার্থী, বয়স্ক ও শিশুসহ সাধারণ পথচারীরা পারাপার হচ্ছেন কাঠের সাঁকো দিয়ে।

স্থানীয়রা জানান, বহরম ইউনিয়নের মানুষের দশমিনা সদরে কাজে যাওয়ার জন্য এই সেতুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া এই ইউনিয়নের কৃষকরা উৎপাদিত ফসল বাজারজাতকরণে বিপাকে পড়েন। এ ব্রিজের সংযোগ সড়ক না থাকায় হঠাৎ অসুস্থ হলে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে চিকিৎসাসেবা সম্ভব হয় না। অনেক পথ ঘুরে যেতে হয়।

অটোচালক হাবিবুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন সেতুটির সংযোগ সড়ক না থাকায় অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। হঠাৎ প্রসব ব্যথা উঠলে গর্ভবতী মায়েদের নিয়ে সরাসরি হাসপাতালে যাওয়া যাচ্ছে না। কাঁধে করে সেতু পার করতে হয়।

নেহালগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী জুঁই বলেন, বর্ষা মৌসুমে অনেক ঝুঁকি নিয়ে এই সেতুটি পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়। মাঝেমধ্যে সেতু থেকে নামার সময় পিছলে পড়ে যায় অনেক শিক্ষার্থী।

স্থানীয় বাসিন্দা শামসুল হক বলেন, অনেক দিন ধরে দুর্ভোগে আছে এলাকাবাসী। এই এলাকার মানুষকে সরকার মানুষ মনে করে না। মূল সেতু হয়ে গেছে অনেক দিন হয়। কিন্তু সংযোগ সড়ক হচ্ছে না। কখন কার হাত-পা ভাঙে সবসময় সে ভয়ে থাকতে হয়। অভিযোগ করার কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না।

দশমিনা উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মো. মকবুল হোসেন বলেন, দুই বছর আগে মূল সেতুর কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু সেতুর একপাশে বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় সংযোগ সড়কের কাজ সম্পন্ন হয়নি। তবে আশা করছি দ্রুত সেতুর সংযোগ সড়কের কাজ সম্পন্ন হবে।




রাঙ্গাবালীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বৈষম্য দূর করতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে মানববন্ধন করেছেন বেসরকারি স্কুল-মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী অংশ নেন।

কর্মসূচিতে মাধ্যমিক পর্যায়ের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ, জাতীয়করণের আগ পর্যন্ত শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পদে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদায়ন বন্ধ রাখা এবং শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়।

আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন- উপজেলার সাজির হাওলা আকবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার সুলতানুর রহমান ও বড়বাইশদিয়া এ হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহতাব হোসাইন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মাধ্যমিক স্তরের ৯৭ শতাংশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ করা অত্যন্ত জরুরি। একই শিক্ষাগত যোগ্যতা, একই বই পড়ানো, একই বোর্ডের আওতায় পরীক্ষা। অথচ সরকারি ও বেসরকারি নাম দিয়ে আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদার মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে রাখা হয়েছে।

কর্মসূচি থেকে এসব দাবি নিয়ে বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

ডাক্তার পরিচয়ে সরকারি হাসপাতালের ওটি বয়ের কাণ্ডডাক্তার পরিচয়ে সরকারি হাসপাতালের ওটি বয়ের কাণ্ড
কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক ও উপজেলা জামায়াতে আমীর মাওলানা মুহাম্মদ কবির হুসাইন, রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নেছার উদ্দিন নাসির, নেতা ছালেহা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফিরোজ, ছোটবাইশদিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আলমগীর হোসেন প্রমুখ।




যদি কেউ চাঁদাবাজি করতে আসে তাহলে খাম্বার সাথে বেঁধে রাখবেন : ফয়জুল করীম

বরিশাল অফিস :: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নাবেয়ে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন,আজকে এই ভূখণ্ড নিয়ে ষড়যন্ত্র চলতেছে, আপনারা দেখেছেন যে পার্বত্য অঞ্চলের অবস্থাটা কী,স্বাধীন করার জন্য একদল চক্রান্তকারীরা চক্রান্ত শুরু করেছে, আমি অন্তর্বর্তীকালী সরকার কে বলবো, ওদের রুখে দেন,ওদের কঠোর হস্তে দমন করেন যদি আপনারা না পারেন তাহলে আহ্বান করুন, বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জনগণ বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটি ও রক্ষা করার জন্য তারা জীবন দিবে সবকিছু ঊষর্গ করবে তারপরও একদেশের ১ ইঞ্চি মাটি ও তারা ছাড়বে না।

মঙ্গলবার ( ২৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫ টার দিকে রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড-এ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মডেল থানা দক্ষিণের আলহাজ্ব মোঃ জাকির হোসেন কাফরা সভাপতিত্বে সংখ্যানুপাতিক (চজ) পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ ৯ দফা দাবীতে ইসলামী আন্দোলনের গণসমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে ব্রিটিশ এ দেশ থেকে হঠতে বাধ্য হয়েছে। এরপরে আমরা ভেবেছিলাম এবার তাদের অধিকার ফিরে পাবে মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে মুক্তি পাবে। কিন্তু আমরা দেখলাম সংখ্যালঘু হিন্দুরা মুসলমানদের অধিকার ফিরিয়ে দিচ্ছে না বৈষম্য করছে। এ জন্য ৪৭ সে ইসলাম ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান নামে একটি দেশ আমরা স্বাধীন করেছিলাম এ অর্জন করেছিলাম। ভেবেছিলাম বৈষম্য দূর হবে মানুষ শান্তি ভাবে মানুষ মুক্তি পাবে কিন্তু আমরা দেখলাম দ্বিতীয়বার স্বাধীন হওয়ার পরেও পূর্ব পাকিস্তান মানুষদের মর্যাদা দেয় না তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেয় না তাদের স্বাধীনতা হরণ করে আমরা চিন্তা করলাম এই বৈষম্য দূর করার জন্য আমরা স্বাধীন একটা রাষ্ট্র গড়তে পারি।

যাতে মানুষের বৈষম্য দূর করার জন্য পাকিস্তান থেকে আলাদা হতে পারি তাহলে মানুষের অধিকার পাবে শান্তি পাবে । এজন্য ৭১ সালে তৃতীয়বার আমরা আন্দোলন করেছিলাম। ভেবেছিলাম এইবারে মানুষ শান্তি পাবে কিন্তু ৭১ এরপর থেকে এখন ২৪ সাল পর্যন্ত এই ৫৩ বছরে যারা দেশের শাষক ছিল ও ক্ষমতায় ছিল কিন্তু জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য কিছু করতে পারে নায়। ইজ্জত মর্যাদা রক্ষা করতে পারে নায়। সাম্য মানবিক মর্যাদা সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত করতে পারে নায়। ২৪ সে ৫ আগষ্ট এদেশের মানুষ হাজার রক্তের ভিত্তিতে হাজারো চক্ষু যাওয়ার ভিত্তিতে আমরা ফ্যাসিবাদ সরকারকে হটিয়ে ভেবেছিলাম এবার আমরা মুক্তি পেয়েছি। আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি এবার বৈষম্য থাকবে না মানুষ নির্বিঘ্নে ব্যবসা করবে চলাফেরা করবে ডাকাতি থাকবে না চুরি থাকবে না কোন, আমাদের মা-বোনরা ধর্ষিত হবে না কিন্তু আমরা কি দেখলাম পাঁচই আগস্ট এর পরে আবারও দখলদারি আবারও চাঁদাবাজি আবারো টেন্ডারবাজি আবারো খুন তোফাজ্জলের মত একজন মানুষকে পিটিয়ে যারা হত্যা করেছে চিন্তাও করা যায় না।

নাবেয়ে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন,আওয়ামী লীগের আমলে যেভাবে মিথ্যা মামলা ছিল সয়লাভ ছিল গাইবি মামলা ছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে এখনো মিথ্যা মামলা দিয়ে আজকেও সেই হয়রানি হচ্ছে। তাহলে আমরা কেনো আন্দোলন করেছিলাম। জীবনের মায়া ত্যাগ করে কেন আমরা রাস্তায় নেমেছিলাম এই দখলদারিত্বের জন্য আমরা রাস্তায় নামি নাই।

মানুষের স্বাধীনতা রক্ষা ও অধিকারের জন্য রাস্তা নেমেছিলাম। কিন্তু অধিকার ফিরে পাচ্ছি না কেন খুঁজে বের করতে হবে। তেঁতুল গাছ লাগিয়ে মিষ্টি ফলের যেমন আশা করা যায় না তেমনি ভাবে চোরের মাধ্যমে চুরি বন্ধ করা যায় না। ডাকাতের মাধ্যমে ডাকাতি বন্ধ করা যায় না।দুর্নীতিবাজদের মাধ্যমে দুর্নীতি বন্ধ করা যায় না। যারা ক্ষমতায় যায় নেতা পরিবর্তন হয় কিন্তু নীতি পরিবর্তন হয় না। ওসি পরিবর্তন হয় কিন্তু ঘুষ যায় না, এসপি যায় কিন্তু ডাকাতির পরিবর্তন হয় না। ডিসি যায় কিন্তু দুর্নীতি পরিবর্তন হয় না। কিন্তু নীতি ও আদর্শবান লোকের ওই চেয়ারে বসে না ব্যক্তি পরিবর্তন হয় কিন্তুু ঘুষের পরিবর্তন হয় না।

আপনারা কী বিবেকবান মানুষ হবেন না আপনার আর কত রক্ত দিতে চান কতবার আন্দোলন করতে চান, আপনারা দেখেছেন সোনার বাংলা, সবুজ বাংলা দেখছেন নতুন বাংলা দেখছেন ডিজিটাল বাংলা কোন বাংলায় মানুষকে শান্তি দিতে পারে নাই এবার আসুন আমরা বাস্তবায়ন করি ইসলামী বাংলা। ইসলামী বাংলায় একমাত্র মানুষকে শান্তি দিতে পারে । ইসলামের মাধ্যমে প্রতিটা শ্রেণি মানুষের অধিকার বাস্তবায়ন হবে। মহিলারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে এবং মহিলাদের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়ন করা হবে। মহিলারা শিক্ষিত হবে মহিলারা বড় বড় ব্যবসায়ী হবে।

এ সময় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ফ্যাসিবাদ সরকার ভোট ঢাকাত তথাকথিত অবৈধ মেয়র মাত্র ৮ মাসে ১শ কোটি টাকা চুরি করেছে, মাত্র নতুন চোর পুরাপুরি চুরি শিখে নাই তাতে ১শ কোটি যদি ৫ বছরের চোর থাকতো তাহলে কয়েকশো হাজার কোটি টাকা চুরি করতো।

বরিশালে চাঁদাবাজদের উদ্দেশ্য করে ফয়জুল করিম বলেন,বরিশালে কোন চাঁদাবাজি থাকবেনা যদি কেউ চাঁদাবাজি করতে আসে তাহলে খাম্বার সাথে বেঁধে রাখবেন, ছাত্র জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদেরকে প্রতিহত করবো। কোন চাঁদাবাজ থাকবে না। আপনারা নির্বিঘ্নে ব্যবসা করবেন, দালান উঠাবেন কোন চাঁদাবাজ যদি দালান উঠানোর জন্য চাঁদাবাজি করতে আসে খাম্বার সাথে বেঁধে রাখবেন। ছাত্র জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওদের বিচার করবে এবং আইনের হাতে তুলে দেবো ।

এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, সাংবাদিক বন্ধুরা যারা জাতির বিবেক আপনাদের কাছে আমি অনুরোধ করবো আপনার বিবেকবান হন নীতিবান হন আদর্শবান হন। আদর্শ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেন আমরা দল চাইনা এ দেশটাকে চাই। আমরা ব্যক্তি চাই না আমরা মানুষের শান্তি চাই। আমরা কোন ব্যক্তির কল্যাণ চাই না এদেশের মানুষের শান্তি চাই। দলকে পিউরিটি না দিয়ে কোন ব্যক্তিকে প্যারিটি না দিয়ে এই ভূখণ্ডকে প্যারিটি দেই।

বিজিবিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আজকে দেখেছি বিএসএফের একজন সদস্যকে তারা আইন অমান্য করার কারণে বিজিবি সদস্যরা গ্রেপ্তার করেছে এজন্য তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতেছি। অনেকদিন পর হলেও মানুষ ও মানবতা আপনাদের মধ্যে রয়েছে। কিছুটা হলেও রক্ত আপনাদের মধ্যে রয়েছে এটার প্রমাণ দিয়েছেন। এতদিন তো আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের কাছে মাতা নত করেছিল। বাংলাদের হাজারও মানুষ মারছে ভারত সরকাররের কিছু করতে পারে নায়।

তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে বিগত দিনে সকল আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করেছে। ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়ের বিপক্ষে সর্বদা সোচ্ছার ছিলো, আছে এবং থাকবে। আমাদের কর্মীরা ৫ ই আগস্ট এর পরে হিন্দুদের মন্দির পাহাড়া, বন্যা কবলিত বিভিন্ন ইস্যুতে ত্রান তৎপরতায় সাধ্যের সবটুকু চেষ্টা করছে।

ফয়জুল করীম বলেন, জুলাই-আগস্টের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের শুরু থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং সকল সহযোগী সংগঠনগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। এতে সংগঠনের ১৮জন কর্মী শাহাদাত বরণ করেছে এবং প্রায় ৫ শতাধিক কর্মী আহত অবস্থায় এখনো চিকিৎসাধীন আছে। সুতরাং দেশের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ইসলামকে বাদ দিয়ে করা যাবেনা। তিনি বিগত দিনে হিন্দু সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের নিন্দা জানিয়ে দেশ গড়ায় হিন্দু-মুসলিম সহ সর্বস্তরের গণমানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর ইসলামী আন্দোলনের আমীর পীর সাহেব চরমোনাই দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিচার বিশ্লেষণ করে দেশ সংস্কারে ৯ দফা দাবী প্রস্তাব করেন। দাবী আদায়ে সকল জেলা, মহানগর এবং উপজেলা পর্যায়ে গণসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তাঁর বক্তব্যে অন্তরবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনুসকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঘোষিত পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন এবং নয় দফা দাবী বাস্তবায়নের আহবান করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর সভাপতি প্রফেসর মোঃ লোকমান হাকীম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা সৈয়দ নাছির আহমাদ কাওছার। বরিশাল মহানগর সহ-সভাপতি,
মাওলানা জাকারিয়া হামিদী।

বরিশাল মহানগর মাওলানা আবুল খায়ের সেক্রেটারী আলহাজ্ব মোঃ এনামুল হক শামীম রাঢ়ী,বরিশাল মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম,ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ, বরিশাল মহানগর সভাপতি তানভীর আহমেদ শোভন।

উক্ত গণসমাবেশে এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর, থানা, ও ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ।




কলাপাড়ায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ ও বৈষম্যদূর করার দাবিতে মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বৈষম্য দূরীকরণে মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ ও জাতীয়করণের পূর্ব পর্যন্ত শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পদে সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের পদায়ন বন্ধ রাখা এবং শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনের দাবীতে মানববন্ধব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ সময় কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিতিদের মধ্যে থেকে জমিয়াতুল মোদার্রেসিন কলাপাড়া উপজেলা শাখার কোষাধ্যক্ষ মাওলানা মো. ওসমান গনী, কলাপাড়া উপজেলা শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন বক্তব্য দেন ।

বক্তারা বলেন, প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে মাধ্যমিক স্কুলকে জাতীয়করণ করে বাংলাদেশের শিক্ষার গুনগতমান বৃদ্ধি সম্ভব নয়। তাই বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করতে হবে।

শিক্ষা সংস্কার কমিশন দ্রুতই গঠন করতে হবে। যদি জাতীয়করণ না করা হয় তাহলে শিক্ষক সমাজ শুধুই মানববন্ধন ও স্মারকলিপির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেনা। জাতীর সার্থে সারা বাংলাদেশে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলামের কাছে শিক্ষা উপদেষ্টা ও সিনিয়র সচিব বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেছেন শিক্ষকরা।




আমিরাতে সাজা পাওয়া প্রবাসীদের পুনর্বাসন করবে সরকার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে এর সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে ফিরে আসা কর্মীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

আসিফ নজরুল বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে যেসব প্রবাসী নিজেদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে ফেলে কারাবরণ করেছেন আমরা তাদের এই প্রতিদান মনে রেখেছি। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ফিরে আসা ৮৭ জনকে তালিকাভুক্ত করতে পেরেছি। তাদের বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। তাদের প্রতি এটা বাংলাদেশের দায় বলে আমরা মনে করি। চাকুরি হোক বা ব্যবসার উদ্যোগ হোক, মোট কথা আমাদের মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থান করব।’

আসিফ নজরুল বলেন, ‘দরকার হলে বেসরকারি খাত আছে যারা মানবকল্যাণে কাজ করেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করব। কারও যদি উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছা থাকে, যদি প্রয়োজন হয় গ্রামীণ ব্যাংকের বিভিন্ন উদ্যোগ রয়েছে সেখানে কাজে লাগানো যায় কি না দেখব। এ ছাড়া, আমাদের প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকও রয়েছে।’

প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা বলেন, ‘বোয়েসেলের মাধ্যমে দরকার হলে তাদের বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করব। তা সম্ভব না হলে আমরা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। মূল কথা হচ্ছে, আমরা তাদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব।’




জাতিসংঘের অধিবেশন শুরু, যোগ দিয়েছেন ড. ইউনূস

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে সংস্থাটির সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন সোমবার শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিশ্বের দেড় শতাধিক রাষ্ট্রপ্রধান যোগ দিচ্ছেন এবারের অধিবেশনে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ড. মুহাম্মদ ইউনূস অধিবেশনে আসলে তাকে স্বাগত জানান জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

সাধারণ অধিবেশন শুরু হওয়ার পর ভাষণ দিচ্ছেন জাতিসংঘের মহাসচির অ্যান্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বব্যাপী এমন এক চ্যাঞ্জেলের মুখে রয়েছে যা আগে কখনও দেখিনি। বৈশ্বিকভাবেই এই চ্যাঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে। যুদ্ধ বেড়েই চলছে এবং তার শেষ হওয়ার কোনো উপায় দেখছি না।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করতে যাচ্ছেন। এটি হবে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বাংলাদেশের কোন সরকার প্রধানের প্রথম বৈঠক।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৯টা) জাতিসংঘ সদর দফতরে দুই দেশের সরকার প্রধান বৈঠকে মিলিত হবেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের কাউন্সিলর ফাহমিদ ফারহান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা ও নিউইয়র্কের উচ্চ পর্যায়ের কূটনীতিকরা বলছেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ দুই নেতার এই বৈঠক ইঙ্গিত করে যে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসন কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায়। এর মাধ্যমে মার্কিন প্রশাসন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।

জো বাইডেন ও ড. ইউনূসের মধ্যকার বৈঠকে বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনার ক্ষেত্রে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক কীভাবে আরও বাড়ানো যায় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে মার্কিন সহায়তার বিষয়ে দুই নেতা বিশদ আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।




বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কাল থেকে কঠোর হওয়ার হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: দেশের সব শিল্প কারখানা আগামীকাল বুধবার চালু হবে বলে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমিক এবং মালিকপক্ষের যৌথ বিবৃতির বিষয়ে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কাল থেকে সব শিল্পকারখানা চালু হবে। কোনো ধরনের যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। এরপরও যদি বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়, তাহলে কিন্তু অন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, শ্রমিক-মালিকপক্ষের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর আমরা একটা সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরেছি। এই সমঝোতা স্মারকে মালিকপক্ষ ও শ্রমিকপক্ষ সবাই স্বাক্ষর করেছে। সবাইকে এটা মেনে চলতে হবে। অঙ্গীকার করতে হবে যে, এই চুক্তি থেকে আমাদের পিছু হটার কোনো কারণ বা অবকাশ নেই। কোনো বাহানা করা যাবে না।

আগামীকাল থেকে শিল্পকারখানা সচল দেখতে চান জানিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে নানা মাধ্যমে এই শিল্পটাকে নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শুধু দেশ থেকে নয়, বিদেশ থেকেও হচ্ছে। এই শিল্প যদি বাইরে চলে যায়, তাহলে আমাদের কী হবে, সে বিষয় সবাইকে চিন্তা করতে হবে। আমি একটাই কথা বলব, আইন আপনারা নিজেদের হাতে তুলে নেবেন না।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, শিল্প এলাকায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যেন না হয়। এটার ব্যত্যয় ঘটলে আপনারাই এর জন্য দায়ী থাকবেন। কারণ আপনারা সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন। সে সময় আপনারা পিছপা হবো না। এখানে যারা উপস্থিত আছেন সবাই যদি চেষ্টা করেন, তাহলে বিশৃঙ্খলা হবে না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোনোভাবেই অবনতি হবে না।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিক ভাই-বোনদের কাছে আবেদন করছি, আপনারা শুধু স্বাক্ষর করলে চলবে না। মনের ভেতর থেকে আসতে হবে যে, এই শিল্পই আমাদের বাঁচাবে। এই শিল্পই আমাদের সবকিছু দিয়ে যাচ্ছে। শুধু আপনাদের নয়, জনগণকেও অনেক কিছু দিয়ে যাচ্ছে। এই শিল্পের ওপর দেড় কোটি নয়, পুরো বাংলাদেশের মানুষ নির্ভরশীল। এজন্য আপনাদের নজর রাখতে হবে।




শারদীয় দুর্গাপুজা উদযাপন উপলক্ষে বরিশালে প্রস্তুতিমূলক সভা

বরিশাল অফিস :: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপুজা উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরের মতো এবারো জেলা প্রশাসন বরিশাল এর আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপুজা-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে পূজামণ্ডপসমূহে নিরাপত্তা, আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণ ও প্রাসঙ্গিক বিষয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায়
বরিশাল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, বরিশাল স্থানীয় সরকার উপপরিচালক
গৌতম বাড়ৈ, জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অতিরিক্ত
লুসিকান্ত হাজং, সেনা কর্মকর্তা মেজর হাফিজ ও মেজর মোহাম্মদ রাশেদ খান, অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ ফারুক হোসেন, জেলা ও মহানগরীর পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি প্রমূখ।

শুরুতে সকলের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় পরে অতিথিরা আসন্ন শারদীয় দুর্গাপুজা-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন আলোচনা করেন। হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। বরিশালে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি চলছে, ভক্তরা প্রস্তুত মা দুর্গার আরাধনায় অপেক্ষায়। এবারও শারদীয় দূর্গা পূজা শান্তিপূর্নভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে প্রশাসন।

পূজা শান্তিপূর্নভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে পূজা মন্ডপগুলোতে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পর্যাপ্ত সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, আনসারসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃংখলা বাহিনী নিয়োজিত রাখাসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।




রোহিঙ্গা সংকট শুধু বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট শুধু বাংলাদেশের উদ্বেগের বিষয় নয়। মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গা আশেপাশের অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কমনওয়েলথ মন্ত্রীদের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, কমনওয়েলথ মন্ত্রীদের বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট শুধু বাংলাদেশের একার উদ্বেগের বিষয় নয়। মিয়ানমারের জনগণ যে সংকটের সম্মুখীন হয়েছে, তা আশপাশের অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এই ইস্যুতে কাজ করা।

এদিকে নিউইয়র্কে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক ক‌রেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। বৈঠ‌কে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হ‌য়ে‌ছে।



পাচারকৃত অর্থ ফেরাতে আইএমএফের সহায়তা চাইলেন অর্থ উপদেষ্টা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে আইএমএফের (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল) কাছে সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সফররত আইএমএফ আবাসিক প্রতিনিধি জয়েন্দু দে’র সঙ্গে বৈঠকে শেষে এ কথা জানিয়েছেন উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় তারা সহায়তা করবে- আগামী অক্টোবরে আইএমএফের বোর্ড মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান অর্থ উপদেষ্টা।

এছাড়াও ব্যাংকিং খাত, ভ্যাটসহ রাজস্ব কাঠামো এবং আর্থিক খাতের সংস্কারে আইএমএফের কাছে কারিগরি সহায়তা চাওয়া হয়েছে। সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য সংস্থার কাছেও।

এদিন সকালে সচিবালয়ে আইএমএফের আবাসিক প্রতিনিধি জয়েন্দু দে’সহ নয় সদস্যের প্রতিনিধি বৈঠকে অংশ গ্রহণ করেন।

ড. সালেহউদ্দিন বলেন, সরকার চায় নিজস্ব রিসোর্স ব্যবহার করে অর্থনৈতিক খাতে এগিয়ে যেতে। তবে, আইএমএফ বড় উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বাংলাদেশের। তাই তাদের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায় সরকার।

শুধু আইএমএফ নয়, অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গেও সংস্কার নিয়ে একইরকম আলোচনা হবে বলেও জানান অর্থ উপদেষ্টা।