দেশের রিজার্ভ কত, জানাল বাংলাদেশ ব্যাংক

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত এক মাসে ৯৭ কোটি ৭৫ লাখ ১০ হাজার ডলার কমে ২ হাজার ৪৬৭ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার বা ২৪ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলারের দাঁড়িয়েছে।গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য মতে, ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাবের মান অনুযায়ী এ মাসের ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৫৬ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা ১৯ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে গ্রস বা মোট রিজার্ভের পরিমাণ ২ হাজার ৪৬৭ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার বা ২৪ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য, গত ২৯ আগস্ট নিট রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৫৪ কোটি ৫০ লাখ ৬০ হাজার ডলার বা ২০ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে গ্রস রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৫৫৬ কোটি ৬৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার বা ২৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার। এর বাইরে ব্যবহারযোগ্য (সব দায়দেনা বাদ দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে থাকা ব্যবহার করার মতো রিজার্ভ।) রিজার্ভের পরিমাণ ১৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স আসার গতি ভালো রয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে এ মাস আড়াই বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসবে। বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসার পেছনে সচেতনতা কাজ করছে। আবার বৈধ পথে ডলারের দরবৃদ্ধিতে হুন্ডি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন তারা। এতে বাড়ছে রেমিট্যান্স আসার গতি




বিশ্বনেতাদের সামনে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য ও উদ্যোগ তুলে ধরলেন ড. ইউনূস

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্য ও উদ্যোগ তুলে ধরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশনে আলোচনায় অংশ নিয়ে তার নের্তৃতাধীন সরকারের উদ্দেশ্য ও উদ্যোগ তুলে ধরেন তিনি।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো দুঃসহ হয়ে গেছে, তার পুনর্গঠনের জন্য আমাদের তরুণেরা এবং দেশের আপামর জনসাধারণ একমত হয়ে আমার এবং আমার উপদেষ্টা পরিষদের ওপর আস্থা রেখে সরকার পরিচালনার এক মহান দায়িত্ব অর্পণ করেছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর আমরা গভীর বিস্ময় ও হতাশার সঙ্গে মুখোমুখিভাবে দেখতে পাচ্ছি কীভাবে সর্বগ্রাসী দুর্নীতি একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে, কীভাবে রাষ্ট্রের মূল প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্মম দলীয়করণের আবর্তে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, কীভাবে জনগণের অর্থসম্পদকে নিদারুণভাবে লুটপাট করা হয়েছিল, কীভাবে একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী সমস্ত ব্যবসা-বাণিজ্যকে অন্যায়ভাবে নিজেদের হাতে কুক্ষিগত করে দেশের সম্পদ অবাধে বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। এককথায়, কীভাবে প্রত্যেকটি পর্যায়ে ন্যায়, নীতি ও নৈতিকতা অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, এরকমই এক অবস্থায় দেশকে পুনর্গঠন এবং জনগণের কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের ওপর দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। অতীতের ভুলগুলোকে সংশোধন করে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও শক্তিশালী অর্থনীতি এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই মুহূর্তে আমাদের মূল লক্ষ্য।

বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, সব রাজনৈতিক দল এখন স্বাধীনভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারছে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় কাজ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত, তাদের প্রত্যেকের জবাবদিহি নিশ্চিত করাই আমাদের অগ্রাধিকার।

তিনি বলেন, আমরা মানুষের মৌলিক অধিকারকে সমুন্নত ও সুরক্ষিত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমাদের দেশের মানুষ মুক্তভাবে কথা বলবে, ভয়ভীতি ছাড়া সমাবেশ করবে, তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে, এটাই আমাদের লক্ষ্য। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংরক্ষণ এবং সাইবার ডোমেইনসহ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুসংহতকরণেও আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

বাংলাদেশের একজন কৃষক বা শ্রমিকের সন্তানও যেন সমাজের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছতে পারে, সেই লক্ষ্যে বিশালাকার অবকাঠামো নির্মাণের বদলে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির ওপর সরকার গুরুত্ব আরোপ করছে বলেও জানান ড. ইউনূস। তিনি বলেন, রাষ্ট্রব্যবস্থার সব পর্যায়ে সুশাসন ফিরিয়ে আনাই আমাদের অভীষ্ট। বাংলাদেশ যেসব আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তির পক্ষভুক্ত, সেগুলো প্রতিপালনে আমাদের সরকার বদ্ধপরিকর। জাতিসংঘসহ বহুপাক্ষিক বিশ্ব কাঠামোতে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও অবদান অব্যাহত থাকবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, মর্যাদা ও স্বার্থ সংরক্ষণের ভিত্তিতে বাংলাদেশ বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।

নতুন সরকার এরমধ্যে যা যা করছে, তাও তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। মাত্র সাত সপ্তাহের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, আমাদের অনুরোধে সাড়া দিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার বাংলাদেশের গণআন্দোলনকালে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে বিস্তৃত অনুসন্ধান এবং এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পরামর্শ প্রদানের জন্য একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন গঠন এবং তার কাজ শুরু করার জন্য দ্রুত বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন। আমি তাকে অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, দায়িত্বভার গ্রহণের দুই সপ্তাহের মধ্যে আমরা গুম প্রতিরোধে যে আন্তর্জাতিক কনভেনশন রয়েছে, তাতে যোগদান করেছি। এর আশু বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় দেশীয় আইন ও বিধি প্রণয়ন বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বাংলাদেশে বিগত দেড় দশকে যেসব গুমের অভিযোগ রয়েছে, সেগুলো তদন্ত করার জন্য একটি তদন্ত কমিশন এ মুহূর্তে কাজ করছে।

ড. ইউনূস বিশ্বনেতৃত্বের উদ্দেশে বলেন, মানুষের আস্থা ও আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে এবং নির্মম অতীত যেন আর ফিরে না আসে, সেজন্য আমরা কিছু সুনির্দিষ্ট খাতে সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। সেই লক্ষ্যে আমরা বিদ্যমান নির্বাচন ব্যবস্থা, সংবিধান, বিচার ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা সংস্কারে স্বাধীন কমিশন গঠন করেছি। সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের সংস্কারের জন্যও পৃথক কমিশনসহ আরও কয়েকটি বিষয়ে কমিশন গঠন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ব্যবসা-বাণিজ্যে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার ব্যাংক ও আর্থিক খাতের ব্যাপক সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলেও জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, কোনও বিদেশি ব্যবসা বা বিনিয়োগ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতেও আমরা বদ্ধপরিকর। এসব সংস্কার যেন টেকসই হয়, তা দীর্ঘমেয়াদে নিশ্চিত করতে এবং অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

গণতন্ত্র, আইনের শাসন, সমতা ও সমৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক সমাজ হিসেবে আত্মপ্রকাশের অভিপ্রায় বাস্তবায়নে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও সহযোগিতা ব্যাপকতর ও গভীরতর করার আহ্বান জানান।




বরিশালে পলাতক আ. লীগ নেতার লাইসেন্সেই ইলিশ যাচ্ছে ভারতে

বরিশাল অফিস :: আওয়ামী সরকার পতনের পর পরই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল ওরফে মামা টুটুল। তিনি পালিয়ে গেলেও থেমে নেই তার মৎস্য ব্যবসায় প্রভাব। বরং আত্মগোপনে থেকেই এবার দুর্গাপূজায় বরিশাল থেকে আড়াই টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করছেন তিনি।

এরই মধ্যে রপ্তানির উদ্দেশ্যে কয়েক টন ইলিশ মজুদ করেছেন পোর্টরোড পাইকারী মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি নিরব হোসেন টুটুল। বিএনপির অফিস পোড়ানো মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি নিরব হোসেন টুটুলকে দিয়েই ভারতে ইলিশ রপ্তানির খবরে ক্ষুব্ধ বরিশালের মৎস্য ব্যবসায়ীরা।

জানা গেছে, ‘শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে তিন হাজার টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সেই সাথে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়া হয়েছে কয়েকজন মৎস্য ব্যবসায়ীকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘যেই লাইসেন্সগুলোকে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে তার মধ্যে পাঁচটি লাইসেন্সের মালিক বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল। আওয়ামী সরকারের আমল থেকেই ওই লাইসেন্সগুলোর মাধ্যমে বরিশাল থেকে একচেটিয়াভাবে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করে আসছেন তিনি।

ইলিশ রপ্তানির অনুমতি পাওয়া নিরব হোসেন টুটুলের লাইসেন্সগুলো হলো- মাহিমা ইন্টারপ্রাইজ, তানিশা এন্টারপ্রাইজ, মাসফি এন্টারপ্রাইজ, নাহিয়ান এন্টারপ্রাইজ এবং এআর এন্টারপ্রাইজ।

পোর্ট রোডের পাইকারী মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির কোষাধ্যক্ষ ইয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ‘এবার বরিশাল থেকে কারা ইলিশ রপ্তানির অনুমতি পেয়েছি তা নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না। তবে এবারও বরিশাল থেকে ভারতে রাপ্তানির জন্য ইলিশ কিনছেন আওয়ামী লীগ নেতা নিরব হোসেন টুটুল। তবে তিনি রপ্তানি অনুমতি পেয়েছে কিনা তা নিশ্চিত নই।

একই কথা জানিয়েছেন, পোর্টরোড পাইকারী মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জহির সিকদার। তিনি বলেন, ‘গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে মোকামে এলসি ইলিশ কিনছেন নিরব হোসেন টুটুলের লোক। বুধবারও সারাদিন তারাই ইলিশ কিনে মজুদ করেছে। তাদের প্রভাবে কারণে অন্য ব্যবসায়ীরা বড় সাইজের ইলিশ কিনতে পারছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘ভারতে পালাতে গিয়ে সীমান্তে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অন্যতম রাজনৈতিক সহচর নিরব হোসেন টুটুল। পরে আদালত থেকে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার কথা বলে ভারতে চলে যান তিনি। বিশ্বস্থ সূত্র বলছে, ভারতে শ্বশুর বাড়ি রয়েছে নিরব হোসেন টুটুলের।

এদিকে, ভারতে থেকেই তার মামা মো. বাবর সিকদারকে দিয়ে বরিশালে নিজের মৎস্য ব্যবসা পরিচালনা করছেন নিরব হোসেন টিটুল। এ কথার সত্যতা স্বীকার করে বাবর সিকদার বলেন, ‘এবারও টুটুলের মালিকানাধীন পাঁচটি লাইসেন্সে ভারতে ইলিশ রাপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রত্যেকটি লাইসেন্সের অনুকূলে ৫০ টন করে মোট আড়াইশ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বুধবার থেকে আমরা রপ্তানিযোগ্য ইলিশ কিনতে শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত ২০ টনের মত ইলিশ কিনেছি। তবে নদীতে ইলিশের সংকট রয়েছে। তাই রপ্তানিযোগ্য ইলিশ মজুদ করা সম্ভব হচ্ছে না।’

মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ২০২৩ সালের দুর্গাপূজায় বাংলাদেশ থেকে পাঁচ হাজার টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করা হয়। সেসময়ও পাঁচটি লাইসেন্সের অনুক‚লে বরিশাল থেকে ইলিশ রপ্তানি করেন নিরব হোসেন টুটুল। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে অন্য ব্যবসায়ীদের বরিশাল থেকে ইলিশ পাঠাতে দেননি ভারতে। এ কারণে অনেক জেলে ঘাট বদল করে চলে যান চাঁদপুর ইলিশ মোকামে। এবার ক্ষমতা না থাকলেও আগের মতই বাজারে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন টুটুলের লোকেরা। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ সেখানকার মৎস্য ব্যবসায়ীরা।

এ প্রসঙ্গে বক্তব্য জানতে নিরব হোসেন টুটুলকে তার ব্যবহৃত হোয়ার্সঅ্যাপ নম্বরে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।




পটুয়াখালীর হাসপাতালে ২ মাস ধরে নেই জলাতঙ্কের টিকা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ২ মাসের বেশি সময় ধরে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে র‌্যাভিস ভ্যাকসিন (জলাতঙ্কের টিকা) সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত রোগীদের বাধ্য হয়ে উচ্চমূল্যে এ ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে।

জেলা শহরসহ উপজেলা শহরগুলোতে প্রতিদিন বিভিন্ন বয়সী মানুষ কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত হচ্ছেন। আক্রান্ত এসব রোগীরা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভিড় করলেও ১ মাসেরও বেশি সময় ধরে র‌্যাভিস ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। এতে করে আক্রান্ত রোগীদের বাহির থেকে ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে। যা অনেকের পক্ষে কেনা সম্ভব হচ্ছে না।

কালিকাপুর এলাকার কৃষক মোতাহার হাওলাদার জানান, দুদিন আগে নাতনিকে কুকুর কামড় দিয়েছে। এরপর তিনি পটুয়াখালী হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। হাসপাতাল থেকে ড্রেসিং করে দিলেও কুকুরে কামড়ের যে ভ্যাকসিন দিতে হয় তা বাহির থেকে কিনতে হয়েছে।

এদিকে পটুয়াখালী শহরের বিভিন্ন ফার্মেসিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে প্রতিটি ভ্যাকসিন বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়। তবে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগীরা এ ভ্যাকসিন না দিয়েই ফিরে যাচ্ছেন। এতে করে জলাতঙ্ক ছড়িয়ে পরার সম্ভাবনাও দেখছেন স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে জড়িতরা।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ড. দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা জানান, কেন্দ্রীয় ওষুধ ভাণ্ডার থেকে র‌্যাভিস ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়। প্রতি বছর প্রতি লডে দুই হাজারের মত ভ্যাকসিন আসে। কিন্তু সরবরাহের থেকে আমাদের রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। এ কারণে বর্তমানে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে শহরে ফার্মেসিগুলোতে ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে।




দেশের ১২ সিটি কর্পোরেশনের সব কাউন্সিলরকে অপসারণ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের ও সংরক্ষতি নারী কাউন্সিলরসহ সব কাউন্সিলরকে স্ব স্ব পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ।

 

 

এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এতদ্বারা স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’এর ধারা ১৩ক প্রয়োগ করে বাংলাদেশের নিম্নবর্ণিত সিটি কর্পোরেশনসমূহের কাউন্সিলরগণকে (সংরক্ষিত আসনসহ) স্ব স্ব পদ হতে অপসারণ করা হলো।

 

 

সিটি কর্পোরেশনগুলো হলো- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, খুলনা সিটি কর্পোরেশন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন, রংপুর সিটি কর্পোরেশন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন।

 

 

জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

 

এর আগে, ১৯ আগস্ট এই ১২টি সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ দেয় সরকার।




ভেজা আউটফিল্ড, কানপুর টেস্টে টসে বিলম্ব

চন্দ্রদ্বীপ ক্রীড়া ডেস্ক :: কানপুরের গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই ঝরেছে বৃষ্টি। সারারাত বৃষ্টি হওয়ায় আউটফিল্ড ভেজা। যার করণে টস হতে দেরি হচ্ছে।

স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় টস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও মাঠ খেলার উপযুক্ত না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। মাঠ পরিদর্শন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন আম্পায়াররা।

তবে বর্তমানে স্টেডিয়াম এলাকায় বৃষ্টি নেই। কিন্তু আকাশে প্রচুর মেঘ দেখা গিয়েছে। যেকোনো সময় বৃষ্টি নামতে পারে বলে উইকেট কাভারে ঢেকে রাখা হয়েছে। সবমিলিয়ে খেলা শুরুর সময় নির্ভর করছে প্রকৃতির ওপর।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ:

সাদমান ইসলাম, জাকির হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ ও হাসকিন আহমেদ।

ভারতের সম্ভাব্য একাদশ:

রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), যশস্বী জয়সওয়াল, শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, রিষভ পান্ত, লোকেশ রাহুল, রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, কুলদীপ যাদব/অক্ষর প্যাটেল, জাসপ্রিত বুমরাহ ও মোহাম্মদ সিরাজ।




বাংলাদেশের খেলাসহ টিভিতে যা দেখবেন




ড. ইউনূসের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এ বৈঠক হয়। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোস্ট করা হয়।

এতে বলা হয়, দুই নেতার আলোচনায় বিভিন্ন পর্যায়ে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে যোগ দিতে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরে অধিবেশনে যোগ দেন তিনি।

অধিবেশনের ফাঁকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা। সংক্ষিপ্ত বৈঠকে বাংলাদেশ-কানাডা সম্পর্ক জোরদার, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন তারা।

বৈঠকে সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেয়ায় অধ্যাপক ইউনূসের প্রশংসা করেন জাস্টিন ট্রুডো। জানান, বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পাশে থাকবে কানাডা।

এ সময় অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বিগত সরকার নানাভাবে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করেছে। বৈঠকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডায় আরও বেশি ভিসা দেয়ার অনুরোধ করেন প্রধান উপদেষ্টা।

এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় বাংলাদেশ সরকারকে ‘পূর্ণ সমর্থনের’ কথা জানিয়েছেন বাইডেন।

বৈঠকে ড. ইউনূস বিগত সরকারের আমলে সব ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকা ও বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা জো বাইডেনকে জানান। অধ্যাপক ড. ইউনূস জোর দিয়ে বলেন, দেশ পুনর্গঠনে তার সরকারকে অবশ্যই সফল হতে হবে।

এ সময় যেকোনো প্রয়োজনে বাংলাদেশ সরকারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন।




এক দিনের ব্যবধানে বাড়ল স্বর্ণের দাম

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::দেশের বাজারে ফের বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এক দিনের ব্যবধানে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৮ টাকা।

আজ বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষর করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৮ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ৯৩ হাজার ১৬০ টাকায় বিক্রি করা হবে।

তবে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেট দাম ২ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম এক দফা বাড়ায় বাজুস। আজ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ২৯ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ১০ হাজার ৯৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ৯১ হাজার ৩৮ টাকায়।




কাল ভারতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ইলিশ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছাবে বাংলাদেশের ইলিশ। কাল পশ্চিমবঙ্গের পেট্রাপোল সীমান্ত (এ পাড়ে বাংলাদেশের বেনাপোল) দিয়ে কলকাতা, হাওড়াসহ চারটি বাজারে পৌঁছাবে ইলিশের প্রথম চালান। আগামী শুক্রবার থেকে এ মাছ পাওয়া যাবে খুচরা বাজারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, আজ ইলিশ রপ্তানিতে ছাড়পত্র দিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ রপ্তানি করতে পারবেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গ ফিস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ তাদেরকে ইলিশ আমদানির তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করে কাল সকালে বাংলাদেশ থেকে ইলিশভর্তি ট্রাক রওনা দেবে পেট্রাপোল সীমান্তের দিকে। সন্ধ্যাতেই ইলিশ কলকাতায় পৌঁছে যাওয়ার কথা।

প্রাথমিকভাবে হাওড়া, পাতিপুকুর, শিয়ালদহ ও শিলিগুড়ির বাজারে পদ্মার ইলিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী শনিবারের মধ্যে রাজ্যের প্রায় সব মাছের পাইকারি বাজারে বিক্রি হবে ‘প্রতীক্ষিত’ ইলিশ।

বাংলাদেশের রপ্তানিকারক সংস্থার পক্ষ থেকে ইব্রাহিম আনন্দবাজার অনলাইনকে বলেন, ‘ইলিশের প্রথম চালান বৃহস্পতিবার সকালে এখান থেকে ছেড়ে যাবে। বৃহস্পতিবার বিকেল অথবা সন্ধ্যায় পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছাবে।’

এদিকে, প্রতি কেজি ইলিশের দাম কত হতে পারে, পশ্চিমবঙ্গজুড়ে এখন চলছে সেই আলোচনা। আমদানিকারক সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, গত বছর বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের কাছ থেকে যে মূল্যে ইলিশ পেয়েছিলেন, এ বছর তার থেকে অনেকটাই বেশি দাম দিতে হচ্ছে। খুচরা বাজারে বাংলাদেশের ইলিশের চাহিদাও যথেষ্ট। তাই সাধারণ মধ্যবিত্তের কতটা নাগালের মধ্যে ইলিশের দাম থাকবে, সে প্রশ্নই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানি করে ভারত। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে ভারতে ইলিশ রপ্তানি রীতিতে পরিণত হয়েছিল। তবে সে সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভারতকে ইলিশ দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জানিয়েছিলেন, এ বছর ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হবে না।

এরপর অনেক আলোচনা-সমালোচনার মাঝে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে আজ ইলিশ রপ্তানির অনুমতি বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টের রিট করেছেন এক আইনজীবী।