আর কোনো স্বৈরাচার সরকার জনগণ মেনে নেবে না :আ.ন.ম শামসুল ইসলাম

বরিশাল অফিস :: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য আ.ন.ম শামসুল ইসলাম বলেছেন, এদেশের ছাত্র-জনতা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বৈরাচার সরকার হটিয়েছে। তাই তারা আর কখনই নতুন কোনো স্বৈরাচার সরকারকে বাংলার মাটিতে মেনে নেবে না। জামায়াতে ইসলামীর কাছেই এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ম সবচেয়ে নিরাপদ বলে মনে করছে দেশের অধিকাংশ মানুষ।

শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গুঠিয়া বাইতুল ভিউ কমপ্লেক্সে জামায়াতে ইসলামী বরিশাল মহানগরীর রোকন শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষা শিবিরে বরিশাল মহানগর জামায়াতের ৬ শতাধিক রোকন সদস্য অংশ নেন।

শামসুল ইসলাম আরও বলেন, দীর্ঘদিনের স্বৈরচারী দুঃশাসনের পর দেশের মানুষ এখন শান্তি ও স্বস্তি চায়। তাই জনসাধারণ জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। কারণ মানুষ জানে, জামায়াতই পারবে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ও ন্যয় বিচার নিশ্চিত করতে। তাই আগামী দিনের নতুন বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জামায়াতের শপথের সদস্যদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগর আমির অধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুম ও অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বরিশাল মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান।




জাতীয়করণের দাবি বরিশাল বিভাগের শিক্ষক-কর্মচারীদের

বরিশাল অফিস :: চাকরি জাতীয়করণের এক দফা দাবিতে সমাবেশ করেছে বরিশাল বিভাগের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা। এ সময় নিজদের নানা দুর্দশা ও বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরে দ্রুত সময়ে তাদের দাবি পূরণের আলটিমেটাম দেন তারা।

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস) ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (বাশিস) একাংশের বরিশাল মহানগর ও জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। শনিবার দুপুরে বরিশাল নগরীর অশ্বিনী কুমার (টাউন) হলে এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকেরা।

এ সময় ঝালকাঠি থেকে আসা শিক্ষক নূরে আলম বলেন, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে একই সিলেবাস, একই সিস্টেম কিন্তু দুই ধরনের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিস্তর বৈষম্য। সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পেলেও আমরা পাই ১ হাজার টাকা। বাংলাদেশে কোথায় বাড়িভাড়া ১ হাজার টাকা আছে সেটা সরকারের কাছে জানতে চাই।

বানারীপাড়ার চাখার শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক ইনস্টিটিউশনের সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের দাবি একটাই সেটা হলো জাতীয়করণ। সরকারি শিক্ষকেরা চিকিৎসা ভাতা ১৫০০ টাকা পেলেও আমাদেরকে দেয়া হয় ৫০০ টাকা। উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়াসহ প্রতিটি জায়গায় সরকারি আর বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য আছে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মহাসচিব মো. জাকির হোসেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাকশিস বরিশাল জেলা শাখার আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন বেপারী।




দীর্ঘদিনেও সংস্কার হয়নি চিকনিকান্দি সেতুর সংযোগ সড়কটি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপা থেকে কলাগাছিয়া সড়কের গুরুত্বপূর্ণ চিকনিকান্দি সেতুর সংযোগ সড়কের মাটি ধসে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ার উপক্রম সেতুটি। এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করায় যে কোনো সময় দূর্ঘটনার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

ভুক্তভোগীরা দ্রুত মেরামত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণেই ব্রিজটির ক্ষত দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ঝুঁকিতে রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলার চিকনিকান্দি ও ডাকুয়া ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া ভারানি খাল। সেই খালের উপর নির্মিত ব্রিজ দিয়ে কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াত। এক বছরের বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রিজের অ্যাপ্রোচ সড়কের মাটি ধসে গিয়ে বিশাল গর্ত দেখা দিয়েছে। ফলে যানবাহন ও মানুষের চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কতৃক এ ব্রীজটি ৬/৭ বছর আগে নির্মিত হলেও প্রায় এক বছর ধরে ব্রিজের অ্যাপ্রোচ সড়কের বেহাল দশা। ব্রিজটির পাশেই রয়েছে চিকনিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ, কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় , ব্যাংক, এনজিও অফিস ও হাঁট, বাজার। সড়ক পথে যাতায়াতের একমাত্র ব্রিজটির উপর দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। ব্রিজটির উত্তর পাশে রয়েছে চিকনিকান্দি ইউনিয়ন ও দক্ষিন পাশে রয়েছে ডাকুয়া ইউনিয়ন। মুলত: দক্ষিন পাশেই রয়েছে বিশাল ক্ষত।

এ ব্রিজটি দিয়ে আশ পাশের বিভিন্ন গ্রামের শিক্ষার্থীরা সহ নানা বয়সী ও পেশার মানুষ গন্তব্যে যাতায়ত করে থাকেন। পাঁচ ইউনিয়ন তথা ডাকুয়া, গজালিয়া , বকুলবাড়ীয়া, চিকনিকান্দি ও কলাগাছিয়াসহ পার্শ্ববর্তী বাউফল উপজেলায় এ ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ হাজার লোক আসা যাওয়া করে। দিনের বেলায় যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও রাতের বেলায় বৃষ্টির সময় দূর্ঘটনার আশঙ্কা বেশি থাকে।

চিকনিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন রিয়াদ জানান, ব্রিজটির দক্ষিন পাশের অ্যাপ্রোচ সড়কের মাটি ধসে গিয়ে গর্ত দেখা দিয়েছে দীর্ঘদিন। স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তারা বিষয়টি জেনেও সমাধান করছে না। ব্রিজটি সংস্কারের ব্যাপারে এলাকারবাসীর জোর দাবি।

এ ব্যাপারে গলাচিপা উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ব্রিজটির জন্য উপজেলা পরিষদ এক লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দিয়েছিল। কাজটি দ্রুত করার ব্যাপারে আমরা তৎপর রয়েছি।




নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে ঢাকার উদ্দেশে নিউ ইয়র্ক ত্যাগ করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। ফ্লাইটটি ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ১৫ মিনিটে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশের কোনো সরকার প্রধানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের সবচেয়ে সফলতম সফর ছিল এবার।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সাইডলাইনে ৪০টি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। সফরকালে প্রধান উপদেষ্টার ব্যাপক কর্ম-তৎপরতা বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিশ্বের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং অংশীদারিত্ব এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা গত ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেন। তিনি চারদিনের সফরকালে খুবই কর্মব্যস্ত সময় পার করেন।




ইলিশ কিনতে এসেছি, পোয়া কিনে বাড়ি যাচ্ছি

ইলিশ কিনতে এসেছি, পোয়া কিনে বাড়ি যাচ্ছি

বরিশাল অফিস :: বাজারে ইলিশ মাছ কিনতে এসেছি, দাম শুনে এখন পোয়া মাছ কিনে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছি।’ বাজার শেষে বাড়ি ফেরার পথে এভাবেই আক্ষেপ করে কথাটি বলছিলেন নিম্নআয়ের মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তার মতে, ইলিশ এখন নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের সাধ্যের বাইরে।

বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৩২ ভাগ উৎপাদন হয় দ্বীপজেলা ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া ও বঙ্গোপসাগরের ১৯২ কিলোমিটার অভয়াশ্রমে। চলতি বছর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন, যা গত বছরের চেয়েও বেশি।

সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক ভারতে দুই হাজার ৪২০ টন ইলিশ রপ্তানি অনুমতির খবরে ভোলায় ইলিশের বাজারে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে।

গত দুদিন ভোলার বিভিন্ন মাছ বাজার ঘুরে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ৭০০ গ্রাম ওজনের উপরের ইলিশ মাছ বাজারে সরবরাহ নেই। আর এতেই প্রভাব পড়ছে ছোট সাইজের ইলিশের দামের ওপর। স্থানীয় বাজারগুলোতে হঠাৎ ইলিশের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষোভ ঝাড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা।

খুচরা বাজারে ২৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৭০০ টাকা কেজি দরে, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকার উপরে, আর ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১৩৫০ টাকা থেকে ১৪০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে গত কয়েকদিনের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকারও বেশি।

ইলিশ মাছ বিক্রেতা আলমগীর জানান, আড়ত থেকে বেশি দাম দিয়েই মাছ কিনে আনি। আমাদের যেমন দামে কিনি তেমন দামেই বাজারে বিক্রি করতে হয়। তবে ঢাকা, চাঁদপুর, খুলনাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের বড় পাইকারদের কারণে আড়ত থেকে এখন আর বড় ইলিশ কেনা সম্ভব হয় না, দাম বেশি দিয়ে হলেও তারা কিনে নেন। তবে তারা ছোট ইলিশ কেনেন না। ওই ছোট ইলিশগুলোই আমরা কিনে এনে বিক্রি করি। তাও বেশি দামে কিনে আনতে হয়।

তেঁতুলিয়া নদী এলাকার বাবুল মাঝি বলেন, ইলিশ মাছের দাম কই বাড়ছে? আড়তে আগেও যে দামে বেচতাম এখনো এই দামেই বেচি (বিক্রি করেন)। নদীতে মাছ মোটামুটি ভালোই পাচ্ছি। তবে গত কয়েকদিন ধইরা বড় ইলিশের অনেক চাহিদা।

ভোলা দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের নীরব মাঝি বলেন, শুনেছি বাজারে ইলিশের দাম বাড়ছে। কিন্তু বাড়তি দামে আমরা আড়তে ইলিশ বিক্রি করতে পারি না। আবার যত টাকার মাছ বিক্রি করি তার ওপর ১০ ভাগ কমিশন কেটে রাখেন আড়তদার, সব লাভ আড়তদারদের।

সাধারণ ক্রেতা ফারুক জানান, ইলিশের বাজারে নৈরাজ্যের কারণে আমরা ভোলার মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তরা ঠিকমতো ইলিশ মাছ কিনতে পারি না। অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বড় ইলিশ ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে পাঠিয়ে স্থানীয়ভাবে ছোট ইলিশের দামের ওপর কৃত্রিম চাপ তৈরি করে। এর ফলে ছোট সাইজের ইলিশের দাম বেড়েছে। যা বর্তমানে আমাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।

কিচেন মার্কেটে মাছ কিনতে আসা গৃহিণী শারমিন আক্তার জানান, অনেকক্ষণ বাজার ঘুরে দামাদামি করলাম। কিন্তু ইলিশ মাছের দাম আমার বাজেটের বাইরে, ছোট ইলিশের দামও অনেক বেশি। মাছ তো কিনতে হবে,তাই এখন পুকুরে চাষ করা মাছ দেখতেছি।

ক্রেতা সাইফুল আলম জানান, নিয়মিত বাজার মনিটরিং না করার ফলাফল হচ্ছে ইলিশের বাজারে নৈরাজ্য। বিক্রেতারা সব সময়ই সুযোগসন্ধানী। তাদের অজুহাতের শেষ নেই। ভারতে সরকারিভাবে ইলিশ মাছ রপ্তানির খবর শুনেই ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়েছেন। তিনি উল্টো প্রশ্ন করে জানতে চাইলেন, ভোলায় কি ইলিশের আকাল চলছে? যে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে হবে।

ভোলারখাল ও তুলাতুলি মৎস্য আড়ত মালিকরা বলছেন, বড় ইলিশের দাম বেশি হলেও প্রচুর চাহিদা। পাইকাররা দাম বেশি দিয়ে হলেও বড় ইলিশ কিনছেন। তারা ভারতে রপ্তানির উদ্দেশ্যে মাছ কেনেন। তবে আমরা ভোলার আড়তদাররা মাছ মজুদ করি না।

সরাসরি নদীপথেই বেশিরভাগ মাছ ঢাকাসহ অন্যান্য অঞ্চলে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। যার কারণে ভোলায় ইলিশের বাজারে প্রভাব পড়ছে।

ভোলা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মোস্তফা সোহেল জানিয়েছেন, নিয়মিত আমরা বাজার মনিটরিং করছি। এটা আমাদের রুটিন ওয়ার্ক। কোনো বিক্রেতার বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ২৫০টির বেশি আসন পাবে বিএনপি : রুমিন ফারহানা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি ২৫০টির বেশি আসন নিয়ে সরকার গঠন করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা।

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার প্রাঙ্গণে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ভোট পাগল। ৯০-১০০ বছর বয়সে নাতির কাঁধে চড়ে মানুষ ভোট দিতে যায়।

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, গত ২০ বছরে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। তারা উন্মুখ হয়ে আছে কবে একটা ভোট দিতে পারবে। মানুষকে তার পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ করে দিন।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি সংবিধান, আইন ও বিচার বিভাগ এবং নির্বাচন কমিশনের সংস্কার প্রয়োজন। কিন্তু সংস্কার সবচেয়ে বেশি ন্যায্য হয়, যদি সেটি নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে হয়। তাই আমি আহ্বান জানাব যত দ্রুত সম্ভব যৌক্তিক সময়ের মধ্যে মানুষকে তার ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিন।

এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সকল শহীদদের স্মরণে ও বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আলোচনা এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপি নেতা কাজী নাজমুল হোসেন তাপসের সভাপতিত্বে আলোচনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক খোকনসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




ইন্দুরকানীতে ছাত্রলীগের হামলায় জামায়াত নেতা আহত

বরিশাল অফিস :: পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে ছাত্রলীগ কর্মীর হামলায় গুরুতর আহত জামায়াত নেতা ও তার স্ত্রী। বৃহস্পতিবার উপজেলার কালাইয়া গ্রামের এ ঘটনা ঘটে। আহত হচ্ছেন রমিজ সিকদার (৫৫) ও তার স্ত্রী মালেকা বেগম।

জানা যায়, রমিজ সিকদার কালাইয়া গ্রামের জামায়াতে ইসলামীর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কালাইয়া ওয়ার্ড সভাপতি। স্বজনরা জানায়, আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে রমিজ সিকদারের জমি জোর করে দখল করে নেয় একই গ্রামের আবুল কালাম ও তার দুই ছেলে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা নোমান ও জাহিদ। বৃহস্পতিবার রমিজ সিকদার সেই জমির পাশে গেলে নোমান ও তার ছোট ভাই জাহিদ তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের ইন্দুরকানী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

Advertisement

অভিযুক্ত নোমান বলেন, এটা মিথ্যা ঘটনা। আমার মা ও স্ত্রী পুকুরে গোসল করা অবস্থায় রমিজ সিকদার গোপনে মোবাইলে ভিডিও করছিল। সেই সময় আমি দেখলে দৌড়ে গিয়ে তাকে বাধা দেই। ধস্তাধস্তি হলে রমিজ মিয়া পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পায়।

এ বিষয় ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, হামলার ঘটনা শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব।




ভোলায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বরিশাল অফিস :: ভোলার লালমোহনে পুকুরে ডুবে মারিয়া (৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দেবীরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সে ওই গ্রামের তোফায়েল ইসলামের মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে মারিয়ার মা সংসারের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। আর শিশু মারিয়া বসতঘরে একা একা খেলাধুলা করছিল। দুপুরের দিকে শিশুটি তার মা ও পরিবারের অগচরে বসতঘর থেকে বের হয়ে বসতঘরের পাশে পুকুরে পরে যায়।

পরে দীর্ঘ সময় শিশুটিকে বসতঘরে দেখতে না পেয়ে তার মা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এরপর বসতঘরের পাশে পুকুরে শিশুটিতে ভাসতে দেখে ডাক চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেছে সেখানকার চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভোলার লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাহবুব উল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।




নেতানিয়াহু মঞ্চে ওঠার পরই খালি জাতিসংঘের অধিবেশন কক্ষ




ঘুরে দেখতে পারেন চট্টগ্রামের যে ১৮৩ দর্শনীয় স্থান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: সাগর থেকে পাহাড়। লেক থেকে ঝর্ণা। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থান চট্টগ্রাম বিভাগকে যেন দুহাত ভরেই দিয়েছে প্রকৃতি। ৩৩ হাজার ৯০৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই বিভাগের ১১টি জেলায় বাস প্রায় ৩ কোটি মানুষের। ঐতিহ্যে ভরপুর এই বিভাগে পর্যটকরা ১৮৩টি দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে পারেন।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ‘চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের’ উদ্যোগে কয়েক বছর আগে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ পর্যটন আকর্ষণ, চট্টগ্রাম বিভাগ’ শীর্ষক প্রবন্ধে এসব জায়গার সচিত্র বর্ণনা দেওয়া হয়।

প্রবন্ধটি অনুসারে বিভাগের কুমিল্লা জেলায় ২২টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১২টি, চাঁদপুর জেলায় ১০টি, নোয়াখালী জেলায় ৬টি, লক্ষ্মীপুর জেলায় ৮টি, ফেনী জেলায় ৮টি, চট্টগ্রাম জেলায় ৩৬টি, কক্সবাজার জেলায় ২৬টি, খাগড়াছড়ি জেলায় ১০টি, রাঙামাটি জেলায় ২২টি এবং বান্দরবান জেলায় ২৩টি পর্যটন স্পট রয়েছে। অবশ্য গত কয়েকবছরে নতুন করে আরও কিছু পর্যটন স্পট যুক্ত হয়েছে, আবার কিছু কিছু পর্যটন স্পট জায়গা নিয়েছে অতীতের পাতায়।

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সারাবিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে পর্যটন দিবস। এই দিবসে চট্টগ্রাম বিভাগের এসব পর্যটন স্পটের নামগুলো জেনে নেওয়া যাক আরেকবার।

কুমিল্লা: এই জেলার অন্যতম প্রসিদ্ধ স্থানগুলোর মধ্যে ময়নামতি লালমাই পাহাড়, শালবন বিহার, রূপবান মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, ভোজ বিহার, কোটিলা মুড়া, চারপত্র মুড়া, আনন্দ রাজার বাড়ি, রানী ময়নামতি প্রাসাদ, ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, গুনাইঘর বায়তুল আজগর জামে মসজিদ, শাহ সুজা মসজিদ, নূর মানিকচর জামে মসজিদ, ময়নামতি জাদুঘর, বার্ড, কবিতীর্থ দৌলতপুর, নবাব ফয়জুন্নেসার বাড়ি, জমিদার অতুল কৃঞ্চ রায়ের বাড়ি, জগন্নাথ মন্দির, ধর্মসাগর দিঘি, উটখাড়া মাজার ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ। এসব জায়গা দেখতে গিয়ে আপনি চাইলে কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী খাদি বস্ত্র, মৃৎশিল্প আর রসমালাই নিয়েও ফিরতে পারেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ১ হাজার ৯২৭ বর্গকিলোমিটারের এই জেলায় কোল্লাপাথর শহীদ সমাধিস্তল, হাতিরপুল, সরাইলের প্রাচীন মসজিদ ও দিঘি, ভাদুঘর গ্রামের প্রাচীন মসজিদ, কালভৈরব মন্দির, উলচাপাড়া মসজিদ, কল্লা শহীদ মাজার, চম্পক নগর, নাগঘরের বিচিত্র শিব মূর্তি, বিদ্যাকুট সতীদাহ মন্দির, গণিশাহ মাজার শরিফ ও গঙ্গাসাগর দিঘির মতো পর্যটন স্পটগুলো রয়েছে।

চাঁদপুর: ইলিশের বাড়ি খ্যাত চাঁদপুরের পর্যটন স্পটগুলো হাজিগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ, অলিপুর শাহ্‌ সুজা মসজিদ, আলমগীর মসজিদ, শাহরাস্তি মাজার, সাহেবগঞ্জের নীলকুঠি, লোহাগড়ের মঠ, রূপসার জমিদার বাড়ি, নেওড়া মঠ, তুলাতুলি যাত্রামণির মঠ ও মেহারকালী বাড়ি।

নোয়াখালী: এই জেলার পর্যটন স্পটগুলো হলো সোনাপুর ক্যাথলিক মিশন, গান্ধী আশ্রম, বজরা শাহী মসজিদ, নিঝুম দ্বীপ, হাতিয়া ও রাম ঠাকুরের আশ্রম।

লক্ষ্মীপুর: এই জেলার পর্যটন স্পটগুলো হলো দালাল বাজার জমিদার বাড়ি, কামানখোলা জমিদার বাড়ি, জিনের মসজিদ, খোয়া সাগর দিঘি, তিতা খাঁ জামে মসজিদ, জকি উদ্দিন আল হোসাইনি (র.) এর দায়রা শরিফ, ঘাসিয়ার চর ও বয়ার চর।

ফেনী: এই জেলার পর্যটন স্পটগুলো হলো শমসের গাজীর কেল্লা, চাঁদগাজী ভূঁইয়া মসজিদ, রাজা-ঝি’র দিঘি, সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্প, পাগলা মিঞার মাজার, শিলুয়া প্রাচীন ঢিবি ও শার্শাদি গ্রামের প্রাচীন মসজিদ।

চট্টগ্রাম: এই জেলার পর্যটন স্পটগুলো হলো হযরত বায়েজিদ বোস্তামির (র.) মাজার, কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি, হযরত শাহ আমাতন (র.) মাজার, লালদিঘি ময়দান, আন্দরকিল্লা মসজিদ, চট্টগ্রাম আদালত ভবন, মাইজভাণ্ডার শরিফ, ক্যাথেড্রাল চার্চ, শ্রী শ্রী চট্টেশ্বরী কালী বিগ্রহ মন্দির, হযরত শাহ বু আলী কালান্দরের মাজার, চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির, সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক ও বোটানিক্যাল গার্ডেন, জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, চেরাগী পাহাড়, বাংলাদেশ মিলিটারি একাডিম, ভাটিয়ারি হ্রদ ও গলফ ক্লাব, বাটারফ্লাই পার্ক, মহামায়া সেচ প্রকল্প ও হ্রদ, শেখ রাসেল অ্যাভিয়অরি অ্যান্ড রিক্রিয়েশন পার্ক, ফয়’স লেক, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, বাঁশখালী ইকোপার্ক, খৈয়াছড়া জলপ্রপাত, সন্দ্বীপ, শ্রীপুর বুড়া মসজিদ, হযরত মোহসেন আওলিয়ার (র.) মাজার, চন্দনপুরা মসজিদ, কৈবল্য ধাম, রেলওয়ে জাদুঘর, বুদ্ধ গয়ার বোধিতরু, কাঁলাচাঁদ ঠাকুর বাড়ি, টাইগার পাস, বাটালি হিল, ডিসি হিল এবং কর্ণফুলী নদী।

কক্সবাজার: এই জেলার পর্যটন স্পটগুলো হলো সমুদ্র সৈকত, কুতুবদিয়া দ্বীপ (কুতুব আউলিয়ার মাজার, বাতিঘর), কাকারা শাহ ওমর মাজার. বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা বিহার, লামার পাড়া বৌদ্ধ বিহার, শ্রী শ্রী রামকুট তীর্থধাম, মহাসিংদোগ্রী বৌদ্ধ মন্দির, পাতাবাড়ি বৌদ্ধ মন্দির, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক, মহেশখালী দ্বীপ ও আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া, বরইতলী গোলাপ বাগান, ইনানী সমুদ্র সৈকত, হিমছড়ি, কুদুম গুহা, চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, রাবার বাগান, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, ছেঁড়া দ্বীপ, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, মাথিনের কূপ, কানা রাজার গুহা, শাহ পরীর দ্বীপ এবং নাফ নদী।

খাগড়াছড়ি: এই জেলার পর্যটন স্পটগুলো হলো শান্তিপুর অরণ্য কুটির, আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, আলুটিলা পাহাড়ের পাকৃতিক সুড়ঙ্গ, দেবতার পুকুর, রিছাং ঝরণা, ধর্মপুর আর্য বনবিহার, মানিকছড়ির রাজবাড়ি, সাজেক ভ্যালি, গরম পাহাড় ও রামগড়।

রাঙামাটি: এই জেলার পর্যটন স্পটগুলো হলো ঝুলন্ত সেতু, রাজবন বিহার, চাকমা রাজার বাড়ি, ক্ষুদ্র –নৃ-গোষ্ঠীর জাদুঘর, কাপ্তাই হৃদ ও জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র, প্যাদা টিং টিং ও চাং পাং, টুক টুক ইকো ভিলেজ, বনশ্রী পর্যটন কমপ্লেক্স, শুভলং ঝরণা, কাট্টলি হৃদ, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান, ন’কাবা ছঢ়া ও পাংখোপাড়া, রাইংখ্যং পুকুর, কাসালং, সাজেক ভ্যালি, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের সমাধিস্থল, তিনটিলা বনবিহার, ওয়াগ্‌গা চা অ্যাস্টেট, ফুরমোন পাহাড়, চিৎমরং বৌদ্ধ বিহার, কর্ণফুলী পেপার মিলস এবং বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

বান্দরবান: এই জেলার পর্যটন স্পটগুলো হলো বুদ্ধ ধাতু জাদি ক্যাং, মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স, নীলাচল, নীলগিরি, বগা লেক, প্রান্তিক লেক, মিলনছড়ি, মিরিঞ্জা, পাইন্দু সাইতার জলপ্রপাত, বাকলাই জলপ্রপাত, চিম্বুক পাহাড়, বিজয় শৃঙ্গ, কেওক্রাডং, জাদিপাই ঝরণা, বোমাং রাজার বাড়ি, রিজুক ঝরনা, তিন্দু বড়ো পাথর, নাফুখম ঝরনা, সাঙ্গু ব্রিজ, শৈলপ্রপাত, উপবন লেক, আলীর সুড়ঙ্গ এবং জীবননগর পাহাড়।