মহানবীকে কটুক্তির প্রতিবাদে পটুয়াখালী মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নিয়ে ভারতীয় হিন্দু পুরোহিতের কটুক্তি ও মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতে ভারতের বিজেপি নেতার সমর্থনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিন করে।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা “বিশ্বনবীর অপমান, সইবে নারে মুসলমান, রাসুলের দুশমনেরা, হুশিয়ার সাবধান” এসব শ্লোগান দেন। মিছিল শেষে একই স্থানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, রাসুলাল্লাহ (সা.) আমাদের হৃদয়ের স্পন্দন। তিনি গোটা মানবজাতির নেতা। তাই ইসলামে উনাকে সম্মানিত করা হয়েছে এবং উনার বিরুদ্ধে কটূক্তি কারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির (মৃত্যুদণ্ডের) বিধান রাখা হয়েছে। ভারতের কিছু গোষ্ঠী ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ অঞ্চলের ধর্মীয় সম্প্রতি নষ্টের জন্য বারংবার মহানবী (সা.) -কে নিয়ে কটূক্তি করে যাচ্ছে।

যা এ অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য হুমকি স্বরূপ। তাই আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সে ব্যাপারেও আমরা বার্তা দিতে চাই।




পটুয়াখালীতে বেড়িবাঁধের দাবিতে জোয়ারের পানিতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: অস্বাভাবিক জোয়ারের প্লাবন থেকে বাড়িঘর, চলাচলের রাস্তাঘাট রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জোয়ারের পানিতে দাঁড়িয়ে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের পশ্চিম লোন্দা গ্রামের টিয়াখালী নদীর তীরে জোয়ারের পানিতে দাঁড়িয়ে এ প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘পশ্চিম লোন্দা গ্রামের ২৫০টি দরিদ্র পরিবার প্রায় ৪০ বছর ধরে জোয়ার-ভাটায় ভেসে-ডুবে বসবাস করছে। আমরা বেঁচে থাকার জন্য, কৃষিজমি রক্ষায় একটি টেকসই বেড়িবাঁধ চাই।’

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম ফকু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ মোল্লা, মো. শাহীন মোল্লা, মো. সোহেল মোল্লা, ভুক্তভোগী কৃষক মো. মোশারফ হাওলাদার, বেল্লাল হোসেন, মোসা. হালিমা আয়শা এবং মেহেদী হাসান প্রমুখ।




কলাপাড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ আয়রন সেতু, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: গত ৩ বছর ঝুঁকিপূর্ণ আয়রন সেতু দিয়ে চলাচল করছেন পথচারী ও শিক্ষার্থীরা। যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ে ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনা এড়াতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়রন ব্রিজে প্রবেশের দুই মাথায় দেওয়া হয়েছে বেড়া। যাতে ভুলেও কোনো যানবাহন উঠতে না পারে ওই ব্রিজে। ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি অপসারণ করে নতুন একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর।

সরেজমিন পটুয়াখালীর মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের তাহেরপুর ও আজিমপুর গ্রামের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত লক্ষ্মীরখালের ওপর ২০০১ সালে নির্মিত হয় একটি আয়রন ব্রিজ। দুই যুগের ব্যবধানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এটি। ব্রিজের মূল অংশের অবকাঠামো ধসে পড়েছে। মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে গেছে নিচের লোহার অ্যাঙ্গেলগুলো। কাঠের তত্ত্ব দ্বারা কোনোমতে জোড়াতালি দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা পারাপার করছেন। তাহেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আজিমপুর একে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দু পাড়ের ১০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। এছাড়াও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এখানকার কৃষকেরা। দ্রুত সময়ের মধ্যে কৃষকদের উৎপাদিত ফসল নিতে পারছেন না বাজার-ঘাটে। দুর্ভোগ পোহাতে হয় জরুরি প্রয়োজনে অসুস্থ রোগীদের।

তাহেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল বাশার হাওলাদার বলেন, ‘কয়েক বছর ধরে ব্রিজটি চলাচলের অনুপযোগী। এলাকাবাসী এবং শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি অপসারণ কিংবা নতুন ব্রিজ নির্মাণের কোনো উদ্যোগ দেখছি না। আমিও প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই সেতু পার হয়ে বিদ্যালয় আসছি।’

আজিমপুর একে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে আমাদের। এই ব্রিজে উঠলেই ভয় করে। কখন বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে বলা যায় না।’

স্থানীয়রা জানান, ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এর দু পাশে বেড়া দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে, যাতে লোকজন হেঁটে পার হলেও গাড়ি চলাচল করতে না পারে। গাড়ি পারাপার বন্ধ না থাকলে এতদিনে ধসে যেত বলে মনে করছেন তারা। তবে এভাবে বেশিদিন থাকলে হয়তো আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এটি অপসারণ করে শিগগিরই একটি গার্ডার সেতু নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর।

স্থানীয় বাসিন্দা আল-আমিন হোসেন নীরব বলেন, ‘আমরা দুর্ঘটনায় এড়াতে দু পাশে গাছের বেড়া দিয়ে রেখেছি। গাড়ি চলাচল করলে এতদিনে ধসে পড়ত। কাঠের তক্তা দিয়ে কয়েকবার জোড়াতালি দিয়েছি। এখন আর জোড়াতালি দেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।’

কলাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কাজী ফয়সাল বারী পূর্ণ অচিরেই নতুন ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা এ সেতুটির বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।’

এ ব্যাপারে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘ব্রিজটি নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে নতুন ব্রিজ নির্মাণ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।




একদিনের ব্যবধানে আবারো ধরা পড়লো বিশালাকৃতির দুই জোড়া পাখি মাছ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: একদিনের ব্যবধানে জেলেদের জালে দুই জোড়া বিশালাকৃতির সেইল ফিস (যা জেলেদের ভাষায় পাখি মাছ) ধরা পরেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সকাল পটুয়াখালীর আলীপুর বিএফডিসি মার্কেটে ৪টি মাছ বিক্রির উদ্দেশ্য নিয়া আসা হয়। এ সময় মাছগুলি একনজর দেখতে আড়ৎ পট্টিতে স্থানীয় উৎসুক জনতা ভিড় জমায়।

জানা গেছে, আমজেদ হোসেন মাঝির এফবি ফারজানা ট্রলারের ২টি মাছের ওজন ৭৫ কেজি। যা নিলামের মাধ্যমে সাড়ে সাত হাজার টাকায় আ: সালাম নামের এক ব্যবসায়ী ক্রয় করেন।

অপর দিকে এফবি ভাই ভাই ট্রলারের মাঝি বাদল মিয়া ২টি পাখি মাছ বিক্রি করতে নিয়ে আসেন। কারিমা ফিসে মালিক মজিবুর রহমান নিলামের মাধ্যমে আড়াই হাজার টাকায় ক্রয় করেন।

মৎস্য আড়তদার ও জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ জাতীয় মাছের পিঠে বিশাল আকারের পাখনা থাকায় এটিকে স্থানীয়ভাবে পাখি মাছ নামে পরিচিত। এটি সাগরের সবচেয়ে দ্রুতগতির জলজপ্রাণী।

মাছটি ঘণ্টায় ১১০-১৩০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে। নৌকার পালের মতো এর পৃষ্ঠীয় পাখনাটি দেখতে হয় বলে একে সেইল (পাল) ফিশ বলা হয়। মাছটি শিকারের কাছে এসে রং পরিবর্তন করতে পারে। এ মাছটি জেলেদের কাছে গোলপাতা নামেও পরিচিত।

মেসার্স কারিমা ফিসের স্বত্বাধিকার মজিবুর রহমান জানান, উপকূলে এসব মাছের চাহিদা না থাকায় তেমন একটা দাম ওঠে না। তবে নিলামের মাধ্যমে ক্রয় করে ঢাকা সহ বিভিন্ন যায়গায় চালান দেওয়া হয়। তবে এই মাছ সব সময় দেখা যায় না।

আরো বলেন, এ মাছগুলো বিদেশেও রপ্তানি হয়। তবে দেশের নামিদামি রেস্টুরেন্টগুলোতে এ মাছের চাহিদা রয়েছে।

এফবি ফারজানা ট্রলারের মাঝি আমজেদ হোসেন বলেন, সাড়ে ৪ লাখ টাকার বাজার নিয়ে ফিশিং এ গিয়েছি। কিন্তুু বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাত্র ৭৫ হাজার টাকার মাছ নিয়ে ঘাটে ফিরে আসতে হয়েছে। তবে আমাদের জালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে এ পাখি মাছ ২ টি পেয়েছি। কিন্তুু চাহিদা কম থাকায় দামও একটু কম পেয়েছি।

কলাপাড়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘পাখি মাছ গভীর সমুদ্র থাকে। এটি গভীর সমুদ্রের মাছ। এর বৈজ্ঞানিক নাম সেইল ফিস (Sail-Fish)।

তবে এ অঞ্চলে এই মাছ পাখি হিসেবে পরিচিত। খেতে খুব সুস্বাদু। বিদেশে পাখি মাছের চাহিদা রয়েছে। তাই রপ্তানি হয়ে থাকে। এছাড়াও এ মাছের পুষ্টিগুণ মানবদেহের জন্য উপকারী।




কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে হাত পা বাঁধা অজ্ঞান অবস্থায় জসিম উদ্দিন (৩০) নামে এক যুবককে উদ্ধার করছেন স্থানীয় জেলেরা। পরে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

বুধবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড মাঝিবাড়ি সংলগ্ন সমুদ্র সৈকত থেকে উদ্ধার করা হয় ওই যুবককে। উদ্ধার হওয়া যুবক জসিম উদ্দিনের বাড়ী মির্জাগঞ্জের কাঁঠালতলী। তার বাবার নাম শাহ আলম।

হাসপাতালে নিয়ে আসা ভ্যানচালক কবির হোসেন বলেন, জেলেরা মাছ ধরে কুয়াকাটা সমুদ্র তীরে ফেরার সময় জসিম উদ্দিন চিৎকার করে বাঁচাও বাঁচাও বলেন। আমরা প্রথমে পাগল ভেবে কাছে গিয়ে দেখি সৈকতে হাত-পা বাঁধ অবস্থায় শরীরে পানি ছুঁই ছুঁই অবস্থায় পড়ে আছেন। আমরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করার পর পরিচয় দিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

জসিম উদ্দিনের মা বিলকিস বেগম জানান, তার ছেলে গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সে বাড়িতে আসার জন্য গাড়িতে ওঠে। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়নি। মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল। এখন শুনতে পেলাম সে কুয়াকাটা হাসপাতালে আছে।

কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মুমসাদ সায়েম পুনম বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অচেতন অবস্থায় এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন জেলেরা। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অবস্থা সংকটাপন্ন হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কলাপাড়া পাঠানো হবে। বর্তমানে ওই যুবক অবজারভেশনে রয়েছে।




লেবাননে প্রবেশের চেষ্টাকালে বোমার বিস্ফোরণ, বহু ইসরায়েলি সেনা আহত




কুয়াকাটায় ১১শ’ জেলের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভার উদ্যোগে ১১০২ জন জেলের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ করা হয়েছে। ৬৫ দিনের অবরোধের দ্বিতীয় পর্যায়ে জেলেদের মাঝে বিকল্প কর্মসংস্থানের অংশ হিসেবে এসব চাল বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার সকালে পৌর প্রশাসক ও কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কৌশিক আহমেদের উপস্থিতিতে এসব চাল বিতরণ করা হয়।

এ সময় পৌর পরিষদের কর্মকর্তা কর্মচারী ছাড়াও পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ মুসুল্লি ও সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমানসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিতি ছিলেন।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ৬৫ দিনের অবরোধে জেলে প্রতি ৮৪ কেজি চাল বরাদ্দ করা হয়। এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৫৪ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। বুধবার দ্বিতীয় পর্যায়ে ৩০ কেজি করে দুই দফায় মোট ৮৪ কেজি চাল জেলে প্রতি বিতরণ করা হয়েছে।

তবে জেলেদের অভিযোগ রয়েছে কিছু কিছু বস্তায় পচা ও খাবার অযোগ্য চাল বিতরণ করা হয়েছে। এসব চাল পরিবর্তন করে ভালো চাল বিতরণ করার দাবি জানালেও পৌর কর্তৃপক্ষ তা কর্ণপাত করছে না।

এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক জানান, ভিজিএফের চাল খুবই ভালো মানের। তবে দুই একটি বস্তায় চাল খারাপ থাকতে পারে। যা পরিবর্তন যোগ্য নয়।




বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে জট খুলছে না ২৩২ মামলার!

বরিশাল অফিস :: তদন্ত প্রতিবেদন ও আলামত না আসায় বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে জট খুলছে না ২৩২টি মামলার। বাদী-বিবাদী পক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, সাইবার আইনের সঠিক ব্যবহার না হওয়ায় অনেক মামলার জন্য হয়রানির মুখোমুখি হচ্ছেন তারা। ট্রাইব্যুনালে গতি ও স্বচ্ছতা আনতে নতুন আইন কমিশনের উদ্যোগ দেখতে চায় বরিশাল আইনজীবী সমিতি।

আদালত প্রশাসনের তথ্যমতে, সাইবার ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তৎকালীন জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়ানোর অভিযোগে ৭০টি মামলা বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা আছে ২৬টি। সব মিলিয়ে বর্তমানে ২৩২টি মামলার জট খুলছে না এ আদালতে।

আইনজীবীরা বলছেন, হয়রানি ও দমন নিপীড়নের জন্য গঠন করা হয় সাইবার ট্রাইব্যুনাল। বেশিরভাগ মামলা ঝুলে আছে তদন্ত প্রতিবেদন ও আলামত না আসার কারণে।

অ্যাডভোকেট মোখলেছুর রহমান বাচ্চু বলেন, সাইবার আদালতের মামলাগুলো মূলত মানুষকে সবচেয়ে বেশি হয়রানি করে। এছাড়া সাইবার মামলা যেসব পুলিশ তদন্ত করে তাদেরও এই বিষয়ে জ্ঞানের অভাব রয়েছে। ফলে আসামি ও বাদী উভয় পক্ষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। পাশাপাশি ধীরগতি দেখা দেয় আদালতের বিচারকার্যে।

সরকারি কৌঁসুলিরা জানান, আলামতের ডিভাইসগুলো ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হলে তারা প্রতিবেদন দিতে অনেক দেরি করে। এ কারণে চাইলেও মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে না বলে দাবি তাদের। আর ট্রাইব্যুনালের গতি ও স্বচ্ছতা আনতে নতুন আইন কমিশনের উদ্যোগ দেখতে চায় আইনজীবী সমিতি।
বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি ইশতাক আহমেদ রুবেল বলেন, বেশিরভাগ মামলার সাক্ষী সময়মতো আসে না। এছাড়া তদন্তে দেরিসহ নানা প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয় মামলায়। অনেক সময় আলামত নিয়েও নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক খান মোহাম্মদ মোর্শেদ বলেন, ট্রাইব্যুনালের গতি ও স্বচ্ছতা আনতে নতুন আইন কমিশনের উদ্যোগ নেয়াটা এখন সময়ের দাবি। আমরা চাই বিষয়টি নিয়ে তারা কাজ করবে।

২০২১ সালের ২৭ জুন বরিশালে প্রথম সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালত গঠন করা হয়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত ৪৬৭টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে এ আদালতে। বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে জট খুলছে না ২৩২টি মামলার।



পটুয়াখালীতে কোডেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: জেলায় কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নানা আয়াজনে উদযাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) টেনিং সেন্টারে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কেক কাটার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়।

কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) সহকারী পরিচালক রাশেদুর রেজার সভাপতিত্বে এবং উর্দ্ধতন জোনাল ব্যবস্থাপক শেখ হাসানুর রহমানের সঞ্চালানায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী জজকোর্টের আইনজীবী এ্যাডভোকেট আব্দুল জলিল।

এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী নেফাজ উদ্দিন, ডাচ বাংলাদেশ ব্যাংক ম্যানেজার প্রীতম ঘোষ, হেতালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মজিবুর রহমান, কোডেকের প্রজেক্ট কো-অডিনেটর আতিকুর রহমান ও আলিম ওয়াহেদ প্রমুখ।

কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) সাংস্কৃতিক টিমের সদস্যগণ জাতীয় সংগীতসহ বিভিন্ন দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন।

কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে কোডেক বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাগণ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

শেষে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কেটে সকলকে খাওয়ানো হয়।




ন্যাটোর নতুন প্রধান হলেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট্টে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: পশ্চিমা সামরিক জোট নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশনের (ন্যাটো) মহাসচিব তথা প্রধান হলেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট্টে। আজ মঙ্গলবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত ন্যাটো কার্যালয়ে সদ্য সাবেক মহাসচিব নরওয়ের জেনস স্টলটেনবার্গের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের খবরে বলা হয়েছে, ৩২ সদস্যের সামরিক জোট ন্যাটোর অগ্রাধিকারগুলো রুট্টে ধরে রাখবেন বলে মনে করছেন সদস্যরা। এসব অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনের জন্য সমর্থন অব্যাহত রাখা, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানো ও ইউরোপীয় নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রাখা।

যদিও মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতিসহ বিভিন্ন কারণে ইউক্রেন যুদ্ধে সমর্থন বজায় রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন নির্বাচনে যথেষ্ট সমর্থন থাকা রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের কিয়েভ ও ন্যাটোর প্রতি সমর্থন নিয়ে আশঙ্কায় আছে সামরিক জোটটি।

স্নায়ুযুদ্ধকালে পশ্চিম ইউরোপের ওপর সোভিয়েত ইউনিয়নের যেকোনো হামলা প্রতিহত করতে ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ন্যাটো। ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্য দিয়ে সংস্থাটি দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রে চলে আসে।