তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্বে মাহফুজ আলম

উপদেষ্টা পরিষদ থেকে নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের পর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। তার পদত্যাগের ফলে দুটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পদ শূন্য হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাহফুজ আলম শুধুমাত্র তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

অন্যদিকে, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সরাসরি প্রধান উপদেষ্টা পরিচালনা করবেন। ফলে বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টা সাতটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তিন তরুণ উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক দলে যুক্ত হতে উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন নাহিদ ইসলাম।


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি: সেমিতে উঠার লড়াইয়ে ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তান

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ‘এ’ গ্রুপের উত্তেজনা শেষ হওয়ার পর, ‘বি’ গ্রুপে শুরু হয়েছে চরম রোমাঞ্চ। নিউজিল্যান্ড ও ভারতের টানা দুই জয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে, কিন্তু ‘বি’ গ্রুপে এখনো চলছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আজকের ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তানের ম্যাচটি গ্রুপ ‘বি’ এর সেমিফাইনালের সম্ভাবনা নির্ধারণ করবে।

আজকের ম্যাচে যে দল জিতবে, তাদের সেমিফাইনালে যাওয়ার আশায় বাঁচবে। তবে, শুধু জিতলেই হবে না, পরবর্তী ম্যাচেও জয় নিশ্চিত করতে হবে। আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডের সামনে কঠিন প্রতিপক্ষ রয়েছে, আফগানিস্তান শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এবং ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা।

এদিকে, গ্রুপ ‘বি’ তে ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ পয়েন্ট করে পেয়েছে। আজকের ম্যাচের জয়ী দল সেমিফাইনালের জন্য টিকে থাকতে পারে, তবে তাদের পরের ম্যাচে জয় দরকার হবে।

আফগানিস্তান যে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ, তা মনে রেখে ইংল্যান্ড তাদের কৌশল সাজাবে। ২০২৩ বিশ্বকাপে আফগানিস্তান ইংল্যান্ডকে ৬৯ রানে হারিয়েছিল, এবং তারপর থেকে ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স নিম্নমুখী।

এখন গ্রুপ ‘বি’ এর বাকি সব ম্যাচই কার্যত নকআউটের মর্যাদা পাচ্ছে, আর আজকের ম্যাচে এরই শুরু। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় শুরু হবে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ ইরানের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনা প্রত্যাখ্যান করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। নতুন করে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের একদিন পর মঙ্গলবার এই মন্তব্য করেছেন তিনি।

এর আগে, সোমবার ইরানের জাতীয় তেল সংস্থার প্রধানসহ ইরানি তেল বিক্রয় ও পরিবহনের কাজে জড়িত অভিযোগে তেহরানের ৩০টিরও বেশি জাহাজ ও কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেয় ওয়াশিংটন।

তেহরানের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেওয়ার একদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন মন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রতি সর্বোচ্চ চাপপ্রয়োগের নীতি পুনরায় জোরদার করার পর সর্বশেষ ওই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।




নামাজি ছেলে চান আইশা খান, শর্ত জানালেন নিজেই

উপস্থাপনা ও মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজে প্রবেশ করার পর অভিনয়েও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন আইশা খান। ছোট পর্দায় তার উপস্থিতি এবং অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকদের মন জিতে নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি নতুন নতুন নাটকে কাজ করছেন, যার ফলে তার প্রতি দর্শকদের আগ্রহ বেড়েছে।

এ ধরনের জনপ্রিয় তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনও সমানভাবে আলোচিত হয়। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে আইশা খান তার জীবনসঙ্গী সম্পর্কে কিছু দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল তার জীবনসঙ্গীর নামাজি হওয়া। আইশা বলেন, “আমার মাঝে মাঝে নামাজ কম পড়া হয়। তবে আমার পার্টনার অবশ্যই নিয়মিত নামাজ আদায়কারী হতে হবে। কারণ, নামাজের জন্যই আমি মা থেকে বেশ কিছু বকাঝকা শুনেছি। আমাদের পরিবারও নামাজে খুব সচেতন।”

এছাড়া, প্রেম সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তরে আইশা বলেন, “স্কুল জীবন থেকে আমার পার্সোনালিটি ছিল রাফ এন্ড টাফ। এতে হয়তো কেউ আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়নি। তবে যাদের প্রপোজাল এসেছে, তাদের সাথে কিছুটা কথা বলেছি। কিন্তু একসময় তাদের মধ্যে কিছু নির্দিষ্ট বিষয় বুঝতে পেরে মনে হয়েছে, সম্পর্কের দূরত্ব বজায় রাখা ভালো।”

আইশা আরও বলেন, “লাইফ পার্টনারের মধ্যে ভালো ব্যবহার এবং চরিত্রের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। তাকে অবশ্যই সম্মান প্রদর্শন করতে জানতে হবে এবং ভালো আচরণ শিখতে হবে। আর যদি সে ট্রাভেল ফ্রিক হয়, তাহলেই হবে, কারণ আমি ঘুরতে পছন্দ করি।”

এছাড়া, আইশা তার বিয়ের তারিখও জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ২১ ডিসেম্বর আমার বিয়ে হবে। তবে কোন সাল, সেটা এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। আগে পাত্র খুঁজে পেলে, তারপর ২১ ডিসেম্বর বিয়ে করব।”

সমাপ্তি:

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




কুয়াকাটায় ভয়াবহ পরিস্থিতি: মারধর, ছিনতাই, আতঙ্কিত পর্যটকরা

এস এল টি তুহিন,বরিশাল :: সাগরকন্যা কুয়াকাটা, যা একসময় ছিল নিরাপদ এবং শান্তিপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র, এখন হঠাৎ এক ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হয়েছে। এখানে পর্যটকদের ওপর হামলা, মারধর, ছিনতাই এবং চাঁদাবাজির ঘটনা বেড়ে যাওয়ার ফলে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা জানান, কুয়াকাটায় বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে, যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি। পুলিশ প্রশাসনের অসক্রিয়তা এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের অপ্রতুল তৎপরতা এই অরাজক পরিস্থিতির জন্য দায়ী বলে মনে করছেন স্থানীয় ট্যুরিস্ট সংগঠন ও বাসিন্দারা।

কুয়াকাটা, বরিশালের একটি অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন স্থান, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার পর্যটক আসেন। এখানকার ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত, সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য, এবং স্থানীয় দর্শনীয় স্থানগুলো বিখ্যাত। কিন্তু বর্তমানে এখানে একটি ভিন্ন ছবি দেখা যাচ্ছে। এখন পর্যটকরা শুধু সাগরপাড়ে নয়, হোটেলেও নিরাপদ নন। সম্প্রতি বিভিন্ন পর্যটক অপহরণ, মারধর, এবং ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন।

সর্বশেষ ঘটনার সূত্রপাত সোমবার গঙ্গামতী এলাকায়, যেখানে এক পর্যটক দম্পতি তাদের মোবাইল হারিয়ে ফেলেন। মোবাইলটি ফেরত দেওয়ার জন্য দুষ্কৃতকারীরা ওই দম্পতিকে ৫ হাজার টাকা বিকাশে দাবি করে। টাকা দেওয়ার পর, স্বামীকে মোবাইল নিতে যাওয়ার সময় আরো এক মোবাইল ও টাকা-পয়সা ছিনতাই করা হয়। এরপর, তাকে ছাড়িয়ে আনতে স্ত্রীকে ৩ জন ছিনতাইকারী ফোন করে এনে ঝাউবন এলাকায় ডাকে, কিন্তু স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা দুজনকে আটক করে। পরে, তাদের দেওয়া তথ্যে অপহৃত পর্যটককে উদ্ধার করা হয়।

এমন একাধিক ঘটনা ঘটেছে কুয়াকাটায়, যার মধ্যে বেশ কিছু ঘটনা স্থানীয় বাসিন্দারা সহায়তায় উদ্ধার করেছেন। একাধিক পর্যটক পরিবার তাদের অপহৃত মোবাইল ফোন, নগদ অর্থ, এবং অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। তবুও, অনেক পর্যটক এসব ঘটনার পর থানায় অভিযোগ জানাতে চায় না, কারণ তারা পুলিশের ঝামেলা এড়াতে চান এবং অভিযুক্তরা ভয়ে তাদের ওপর প্রতিশোধ নিতে পারে।

কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, “এ ধরনের ঘটনা কুয়াকাটায় বেশ কিছু সময় ধরেই ঘটছে। কিন্তু বেশিরভাগ ঘটনার কথা সাধারণত জনসমক্ষে আসে না। অনেক পর্যটকই অভিযোগ জানান না, কারণ তারা ভাবেন না যে অভিযোগ দিয়ে কোনো লাভ হবে। ফলে, দুর্বৃত্তদের সাহস আরও বাড়ে।”

ট্যুর অপারেটরদের মতে, পর্যটক হয়রানির পাশাপাশি কুয়াকাটায় অপরাধের মাত্রা বেড়ে গেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী সিকদার মোহাম্মদ আলমাস, যিনি ‘হৈমন্তী ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বলেন, “এখনকার পরিস্থিতি কুয়াকাটার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পূর্বে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে এবং কুয়াকাটায় পর্যটকদের সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু এখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় পুলিশের তৎপরতা কমে গেছে, যার ফলে ছিনতাইকারীরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।”

এছাড়া, কুয়াকাটার ট্যুরিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সভাপতি রুম্মান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, “কুয়াকাটায় আগে যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি ছিল, তা এখন নেই। এখানে পর্যটকরা নিরাপদ ছিল, কিন্তু বর্তমানে এমন অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, ট্যুরিস্ট পুলিশের কোনো কার্যকর ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। যদি তারা আরও তৎপর হতো, তবে এসব ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল।”

এ বিষয়ে, কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের সুপার অনির্বাণ চাকমা বলেন, “কুয়াকাটার সমুদ্রসৈকত ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ, এবং আমাদের কাছে সীমিত জনবল রয়েছে। তবে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং টহলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আমাদের চেষ্টা আছে যাতে এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে না ঘটে।”

গত কিছুদিনের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা এবং ব্যবসায়ীরা নিজেদের উদ্যোগে ছিনতাই হওয়া টাকাপয়সা এবং মোবাইল ফেরত দিয়ে সহায়তা করেছেন, কিন্তু পর্যটকদের অভিযোগ রয়েছে যে, ট্যুরিস্ট পুলিশ তাদের অভিযোগ গ্রহণ করছে না এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। পর্যটকরা জানায়, পুলিশি ব্যবস্থা জোরদার না হলে কুয়াকাটার খ্যাতি এবং পর্যটন শিল্পের ক্ষতি হতে পারে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




লঞ্চে করে ট্রফি নিয়ে বরিশাল যেতে চান তামিম

বিপিএল ফাইনালের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল বলেছেন, যদি তারা চ্যাম্পিয়ন হতে পারে, তবে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে লঞ্চে করে বরিশাল যাবেন। তিনি তার আশা ব্যক্ত করে বলেন, “অবশ্যই চেষ্টা থাকবে যদি চ্যাম্পিয়ন হতে পারি; ইচ্ছা আছে লঞ্চে করে বরিশাল যাব। আমার মনে হয় (এর আগে) কোনো কারণে যেতে পারিনি। এবার যদি আল্লাহ আমাদের ওপর রহমত করেন, তাহলে অবশ্যই যাব।”

তামিম ইকবাল আরও বলেন, “আমরা খুবই ভাগ্যবান যে, এই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলি। চিটাগং, সিলেট, ঢাকা; যখন যেখানে যে ম্যাচই আমরা খেলি, গ্রুপপর্ব হোক বা কোয়ালিফায়িং হোক, বরিশালের দর্শক সবসময় ছিল। আমরা অনেক ভাগ্যবান।”

এবারের বিপিএলে বরিশালের সমর্থকরা অনেক বড় ভূমিকা পালন করেছে। প্রতিটি ম্যাচে শেরে বাংলার গ্যালারি বরিশাল সমর্থকদের আগ্রহে ভরে উঠেছে, আর গ্যালারিতে “বরিশাল-বরিশাল” ধ্বনিতে পুরো স্টেডিয়াম কেঁপে ওঠে।

তামিম আশা প্রকাশ করেছেন যে, ৭ ফেব্রুয়ারি ফাইনালে বরিশাল সমর্থকরা গগনবিদারি চিৎকার, করতালি ও স্লোগানে শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে মাতিয়ে তুলবে। তিনি বলেন, “ফরচুন বরিশাল ক্যাপ্টেন হিসেবে আমি খুবই ভাগ্যবান, কারণ আমাদের সাপোর্টাররা সবসময় আমাদের পাশে ছিল।”

এদিকে, তামিমের এই আকাঙ্ক্ষা এবং সমর্থকদের উচ্ছ্বাস বিপিএল ফাইনালে বরিশালের বিশেষ জয়গানের মতো পরিবেশ তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সরকারি টাকায় উড়োজাহাজ ভাড়া করতেন হাসিনা

বিদেশ সফরের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি টাকায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ ভাড়া করতেন। তিনি তার সফরসঙ্গীদের বিশাল বহর নিয়ে যেতেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ১৬ বছরের ক্ষমতায় জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রায় প্রতিটি সভায় অংশ নিতে শেখ হাসিনা নিউইয়র্কে যেতেন বিশাল বহর নিয়ে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ২২৭ জন, ২০১৪ সালে ১৭৮ জন এবং ২০১৩ সালে ১৩৪ জন সফরসঙ্গী নিয়ে তিনি নিউইয়র্কে গিয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা তার সব সফরে অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৭৭ ও ৭৮৭ সিরিজের বিমান ব্যবহার করতেন। ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিমানের ৪৮টি ভিভিআইপি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ২৫০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ছিল শেখ হাসিনার সফরের ব্যয়।

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে স্থানীয় সময় বিকেলে শেখ হাসিনা ফিনল্যান্ডে অবতরণ করেন এবং সেখানে দুই দিন অবস্থান করেন। সফরসঙ্গীদের জন্য সব খরচসহ সাত কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়েছিল । এছাড়া, ২০২৩ পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সরকারের কাছে প্রায় ৫০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বিদেশি পর্যটকরা ঢাকার যে মসজিদ দেখতে আসেন

ঢাকার পুরান ঢাকার আরমানিটোলা এলাকায় অবস্থিত তারা মসজিদ এখন একটি প্রধান পর্যটন স্থান হয়ে উঠেছে, যেখানে বিদেশি পর্যটকরা ধর্মীয় স্থাপত্য এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্য উপভোগ করতে আসেন। মসজিদের ভেতরে বিচিত্র নকশা এবং অলংকরণ যেমন, প্রাচীন টাইলস, রঙিন কাচের টুকরা, চিনামাটির ফলকসহ নানা উপকরণ ব্যবহৃত রয়েছে, যা পর্যটকদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে ‘চিনি টিকরি’ নকশা, যেখানে কাচের টুকরা দিয়ে মসজিদের দেয়াল এবং গম্বুজ সাজানো হয়েছে, একে অনন্য করে তোলে।

প্রথম দর্শনেই এই মসজিদটির ভেতরের গম্বুজ ও দেয়ালের ডিজাইন পর্যটকদের চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। বিকেলে বাতি জ্বালালে দেয়ালে কাচের টুকরোগুলোর রঙিন আলো এমনভাবে প্রতিফলিত হয় যে, মসজিদটি আরও রহস্যময় হয়ে ওঠে।

তারা মসজিদটির নির্মাণকাল নিয়ে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন তার বই ‘ঢাকা: স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী’-তে এই মসজিদের নির্মাণকাল ১৮শ শতকের শেষ ভাগ বলে উল্লেখ করেছেন। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, মসজিদটির নির্মাণকাল ১৯শ শতকের প্রথম দিকের। মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন ধনাঢ্য জমিদার মীর্জা গোলাম পীর, যিনি মসজিদটি ওয়াকফ করে গিয়েছিলেন।

বর্তমানে, মসজিদটির আকর্ষণ শুধু স্থানীয় মুসল্লিদের জন্য নয়, বরং বহু বিদেশি পর্যটক এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা এখানে দর্শনীয় স্থান হিসেবে আসেন। ঢাকার প্রধান দর্শনীয় স্থান হিসেবে **তারা মসজিদ** বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইটেও উল্লেখ রয়েছে।

মসজিদটির সংস্কার কাজ শুরু হয়েছিল ১৯২৬ সালে, যখন আরমানিটোলার ব্যবসায়ী আলী জান ব্যাপারী বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে এটি সংস্কার করেন। ১৯৮৭ সালে মসজিদটি আবারো সংস্কার করা হয় এবং এর পর থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে।

তারা মসজিদটি একটি আকর্ষণীয় স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে, যেখানে পর্যটকরা ঢাকার ঐতিহ্য এবং স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য সম্মিলন দেখতে পান। পুরোনো ঢাকার ঘিঞ্জি পরিবেশের মধ্যে মসজিদটি এক নিঃসঙ্গ শান্তির স্থান, যা সত্যিই দর্শনীয়।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ফেসবুক থেকে শুরু, এখন ১৬ লাখ টাকার কেক বিক্রি!

পটুয়াখালীর দুই বন্ধু ইমাম হোসেন ও রুম্পা আক্তারের উদ্যোগ ‘সফট বাইট’ এখন কেকের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড। মাত্র ৫ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই ব্যবসা এখন চারটি শাখা, ৩৫ জন কর্মী ও মাসিক ১৬-২০ লাখ টাকা বিক্রির প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

২০১৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ইমাম ও রুম্পা। রুম্পার জন্মদিনে ভালো কেক না পেয়ে তারা ভাবলেন, পটুয়াখালীতে ভালো কেকের ব্যবস্থা করা দরকার। ঢাকায় ফিরে শুরু করেন কেক প্রস্তুতির গবেষণা। ফেসবুকে ‘সফট বাইট’ নামে পেজ খুলে শুরু হয় তাদের ব্যবসার যাত্রা।

শুরুর দিকে ঢাকা থেকে লঞ্চে কেক পাঠিয়ে পটুয়াখালীতে বিক্রি করতেন তারা। ক্রেতাদের চাহিদা বাড়তে থাকলে ধীরে ধীরে প্রসারিত হয় ব্যবসা। বর্তমানে সফট বাইটের দুটি শাখা পটুয়াখালী ও দুটি বরগুনায়।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় ব্যবসা চালিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ বিভাগ থেকে পাওয়া জ্ঞান, মেন্টরশিপ ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অফার তাদের এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।

ইমাম বলেন, “চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছি। আমাদের টার্গেট, ২০২৬ সালের মধ্যে সব বিভাগীয় শহরে সফট বাইটের শাখা খোলা। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড হিসেবে সফট বাইটকে দেখতে চাই।” নতুনদের উদ্দেশে ইমাম বলেন, **”উদ্যোগ নিন, পথ চলতে চলতেই শিখবেন। নেটওয়ার্কিং বাড়ান, বই পড়ুন এবং স্বপ্ন দেখুন। নিজেদের এমনভাবে তৈরি করুন যাতে ভবিষ্যতে বিশ্ব আপনাদের চিনতে বাধ্য হয়!”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত নির্বাচন কমিশন: ইসি মাছউদ

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ না করে সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। বরিশালে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি জানান, সুষ্ঠু ভোট উপহার দেওয়া কমিশনের অঙ্গীকার।

ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি ২০২৫ উপলক্ষে বুধবার (২২ জানুয়ারি) বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভায় ইসি মাছউদ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন যেন হালনাগাদ কার্যক্রম নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হয়। ভুয়া ভোটার থাকলে তা প্রমাণ সাপেক্ষে বাতিল করতে বলেন তিনি। একইসঙ্গে সঠিক তথ্য সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নয়, বর্তমানে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে পরিকল্পনা করছে কমিশন। তাদের লক্ষ্য নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা।