সংঘর্ষে উড়ে গেল বাসের ছাদ, ৫ কিলোমিটার ছুটলো যাত্রীদের নিয়েই!

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে যাত্রীবাহী একটি বাসের ছাদ উড়ে গেছে। ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনার পরও বাসচালক থামেননি। যাত্রীদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে ছাদহীন বাসটি প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হয় ‘বরিশাল এক্সপ্রেস’ নামের বাসটি। রাত সাড়ে ৯টার দিকে শ্রীনগরের সমষপুর এলাকায় প্রথমে একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। কিছুক্ষণ পরেই আরেকটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে বাসের ছাদ সম্পূর্ণ উড়ে যায়।

তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এ অবস্থায়ও চালক বাস থামাননি। যাত্রীদের আর্তচিৎকার উপেক্ষা করে ছুটতে থাকেন দ্রুতগতিতে। শেষমেশ কুমারভোগ এলাকায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাসটির গতি রোধ করা হয়। যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হলে চালক পালিয়ে যান।

বাসটিতে মোট ৬০ জন যাত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে অন্তত ৫ জন আহত হন। গুরুতর আহত একজনকে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে এবং বাকিদের স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার বিষয়ে কী বললেন পুলিশ কর্মকর্তারা?
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী জানান, “দুই দফা সংঘর্ষের পর ছাদ উড়ে গেলেও চালক বাস থামাননি। পরে স্থানীয়রা বাধা দিলে তিনি বাস রেখে পালিয়ে যান।”

এদিকে পদ্মা সেতুর উত্তর থানার ওসি জাকির হোসেন জানান, “আহতদের মধ্যে একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অন্যদের চিকিৎসা শেষে বিকল্প যানবাহনে গন্তব্যে পাঠানো হয়। বাসটি জব্দ করা হয়েছে, চালক পলাতক।”

এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রশ্ন উঠেছে, এমন দায়িত্বহীন চালক কীভাবে রাস্তায় বাস চালানোর অনুমতি পান?


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে বসতঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্নকাঠী গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে রাহাত (২৮)ও লামিয়া (২১) নামের স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত রাহাত পেশায় একজন অটোচালক ছিলেন। তার পিতা স্বপ্নন হাওলাদার। স্ত্রী লামিয়া গৃহিণী হিসেবে সংসার সামলাতেন।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। বরিশাল বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল পর্যন্ত ঘর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীরা সন্দেহ করেন। পরে জানালা দিয়ে উঁকি দিলে দেখা যায়, ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে ওই দম্পতির নিথর দেহ। তৎক্ষণাৎ বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পুলিশ জানিয়েছে, দম্পতির মধ্যে সম্প্রতি পারিবারিক কলহ চলছিল বলে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানা গেছে। সেই কলহ থেকেই এমন ট্র্যাজেডি ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বরিশাল বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন,
প্রাথমিকভাবে আমরা এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করছি। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার পেছনে যদি অন্য কোনো কারণ থেকে থাকে, তা খতিয়ে দেখা হোক।




লোকদেখানো ড্রেজিংয়ে দক্ষিণের নৌপথ বন্ধের মুখে

বরিশাল-ঢাকা নৌপথসহ দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নদীপথগুলো এখন নাব্য সংকটে। খনন কার্যক্রমের এক বছর না ঘুরতেই আবারও ডুবোচর দেখা দিচ্ছে কীর্তনখোলা নদীতে। লঞ্চ মালিকদের অভিযোগ, লোকদেখানো ও অপরিকল্পিত ড্রেজিংয়ের কারণে নদীপথে চলছে দুর্ভোগ, আর নৌযানগুলো পড়ছে চরম বিপাকে।

লঞ্চ মালিকদের ভাষ্য, প্রতি বছর ড্রেজিংয়ের নামে কোটি কোটি টাকা খরচ দেখানো হলেও বাস্তবে সুফল মিলছে না। খননের বরাদ্দের প্রায় ৭০ শতাংশই আত্মসাৎ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও ড্রেজিং বিভাগ। এতে দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নদীপথগুলো একে একে অচল হয়ে পড়ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মেঘনা, গজারিয়া, বরিশাল-ভোলা, বরিশাল-পাতারহাট-লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন নদীপথে শুকনো মৌসুমে পানি তলানিতে নেমে যায়। এতে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বরিশাল নৌবন্দরেও একই রকম নাব্য সংকট বিরাজ করছে।

ঢাকা, পটুয়াখালী, ভোলা, লক্ষ্মীপুর, হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জসহ বিভিন্ন রুটের যাত্রীরা জানান, প্রতিবছরই ড্রেজিং করা হলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না। বরং ডুবোচরে লঞ্চ আটকে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এতে নৌযাত্রীদের পাশাপাশি লঞ্চ মালিকরাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ লঞ্চমালিক সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, “আগে ড্রেজিংয়ের সময় বিআইডব্লিউটিএ ও লঞ্চ মালিকদের প্রতিনিধি রাখা হতো। এখন তা বাদ দিয়ে একচেটিয়াভাবে খনন কাজ করছে ড্রেজিং বিভাগ। ফলে চাহিদা অনুযায়ী কাজ হচ্ছে না, বরং সরকারি অর্থ লোপাটের পথ খুলে গেছে।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “ভাটায় এক ফুট বালি কাটে আর জোয়ারে এসে মাপে পাঁচ ফুট—এভাবেই বিল উঠানো হয়। নদীর বালি নদীতেই পড়ে থাকে।”

লঞ্চমালিক সমিতির প্রেসিডেন্ট আক্কাস সিকদারও ড্রেজিং কার্যক্রমের দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বলেন, “ড্রেজিংয়ের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ হচ্ছে। তাই একে একে বন্ধ হচ্ছে দক্ষিণের নৌপথ। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দরকার। নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

অন্যদিকে বিআইডব্লিউটিএ বরিশাল নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মোহাম্মদ সেলিম রেজা জানান, ডুবোচর খননের বিষয়টি জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

ড্রেজিং বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন উর রশীদ অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এখন সব কিছুই স্বচ্ছতার সঙ্গে করা হচ্ছে। আগের পরিস্থিতি কেমন ছিল জানি না, তবে সামনে বিআইডব্লিউটিএ ও লঞ্চ মালিকদের প্রতিনিধি নিয়ে ড্রেজিং করা হবে।”


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সালমান-ঐশ্বরিয়ার প্রেম ভাঙার কারণ ?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন।সালমান-ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক বহুদূর গড়িয়েছিল, এমনকি তাঁদের বিয়েও হওয়ার কথা ছিল। কেন ভেঙে যায় এই তারকার প্রেম? চলতি শতকের শুরুর দিকে তাঁদের প্রেম ছিল অন্যতম চর্চিত বিষয়।  ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ছবির শুটিং থেকে প্রেম শুরু সালমান ও ঐশ্বরিয়ার। সেই প্রেম নিয়ে চর্চাও হয়েছিল বিস্তর। ঐশ্বরিয়ার প্রেমে নাকি সেই সময়ে ডুবে ছিলেন সালমান। কিন্তু সে সময় সালমানের সম্পর্ক ছিল সোমি আলির সঙ্গে। কিন্তু ঐশ্বরিয়া ও সালমানের বারবার সাক্ষাৎ, সময় কাটানো কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি সোমি। তাঁদের ব্রেক আপ হয়ে যায়। সোমিও বিদেশে চলে যান।

অন্যদিকে ঐশ্বরিয়া ও সালমানও আরও কাছাকাছি আসার সুযোগ পেয়ে যান। সালমানের দুই বোন আলভিরা ও অর্পিতার সঙ্গেও বেশ ভালো সম্পর্ক হয়ে যায় অ্যাশের। মিডিয়া তখন তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে প্রতিদিনই খবরের শিরোনাম করছে। সালমানও বলিউডে ঐশ্বরিযার পায়ের তলায় মাটি শক্ত করতে উঠে পড়ে লাগেন। তিনি কার সঙ্গে কাজ করবেন, কোন ছবি নেবেন, সে ব্যাপারেও পরামর্শ দিতে শুরু করেন সালমান।

‘হাম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমায় সালমান ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন

ঠিক এমনই সময় ঐশ্বরিয়ার কাছে সুভাষ ঘাই পরিচালিত ‘তাল’ ছবির প্রস্তাব আসে। কিন্তু সুভাষ ঘাইয়ের তাঁর নায়িকাদের সঙ্গে নানা গসিপ আগে থেকেই চালু থাকায় এই ছবিতে ঐশ্বরিয়াকে কাজ করতে বারণ করেন সালমান, কিন্তু অ্যাশও ছাড়ার পাত্রী নন। তিনি অভিনয় করেন এবং সেই ছবিও বক্স অফিসে সুপারহিট হয়। কিন্তু ছবির এক প্রিমিয়ার পার্টিতে ঐশ্বরিয়া সম্পর্কে খারাপ কথা বললে সুভাষকে চড় মেরে বসেন ‘ভাইজান’।

ঐশ্বরিয়ার জীবন যেন আবর্তিত হতো সালমানের হাতেই। এদিকে সালমান ভাবতেন, এ তো তাঁর অধিকার। ঠিক এমন সময়েই হরিণ শিকার–কাণ্ডে নাম জড়ায় সালমানের। শুধু তা–ই নয়, শোনা যায়, এ সময় নাকি তাঁর সাবেক সোমি আলির সঙ্গেও সালমানের আবার কথাবার্তা শুরু হয়। তাঁর বাবার চিকিৎসার জন্য টাকাও পাঠান সালমান। কিন্তু সবটাই ঐশ্বরিয়াকে না জানিয়ে।

এদিকে পাল্লা দিয়ে চলছিল সালমানের মদের প্রতি আসক্তি আর ঐশ্বরিয়ার প্রতি অপরিসীম অধিকার ফলানো। একবার নাকি ঐশ্বরিয়ার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে তিনি পাগলের মতো দরজা খোলার জন্য চিৎকার করতে থাকেন। সে সময় এই ঘটনা শিরোনাম দখল করেছিল অনেক সংবাদমাধ্যমের। ঐশ্বরিয়া দরজা না খুললে তিনি নিজেকে শেষ করে দেওয়ার হুমকিও দিতে থাকেন।

ঐশ্বরিয়ার বাড়ি থেকেও কিছুতেই এই সম্পর্ক মেনে নিতে চাইছিলেন না তাঁর মা–বাবা, সে কথা পরবর্তীকালে নিজেই বলেছিলেন সালমান। একবার এক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে চোখে সানগ্লাস পরে পুরস্কার নিতেও ওঠেন ঐশ্বরিয়া। মনে খটকা লাগে উপস্থিত দর্শকদের। ঐশ্বরিয়া বলেছিলেন, চোখে ইনফেকশন হয়েছে। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রির অন্দর বলছিল অন্য কথা।

অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া। ইনস্টাগ্রাম থেকে

সালমান নাকি গায়ে হাত তুলেছিলেন তাঁর। প্রথমে স্বীকার না করলেও পরবর্তী সময় সে কথা মেনে নিয়েছিলেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড’। তিনি বলেছিলেন, একবার নয়, বহুবার তাঁকে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে সালমানের কাছে। যদিও ‘ভাইজান’ কখনোই এই অভিযোগ মানেননি। তাঁর কথায়, ‘আমি ইমোশনাল, নিজেকে বহুবার আঘাত করেছি। কিন্তু সুভাষ ঘাই ছাড়া জীবনে কখনো কারও গায়ে হাত তুলিনি।’

একবার এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়ার নাম না করে সালমান বলেছিলেন ‘ওর বাবা কৃষ্ণরাজ রাই আমাকে পছন্দ করতেন না। আমার সাবেক সম্পর্কগুলোর জন্য ওর বাবা আমাকে মেনে নিতে পারেননি। ওর পরিবারের সঙ্গেও আমার ঝামেলা বেঁধেছিল ওর বাবার জন্যই।’
সে কারণেই কয়েক বছর আগে কৃষ্ণরাজ প্রয়াত হওয়ার পর ভাইজান প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি বলে মনে করা হয়। কৃষ্ণরাজের স্মরণসভায় বি-টাউনের প্রথম সারির তারকারা উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু সালমান আসেননি। এ বিষয়ে মুখও খোলেননি। যদিও সে সময় ঐশ্বরিয়া বলেছিলেন, ‘আমি মদ্যপ সালমান, বেহিসেবি সালমানের পাশে থেকেছি। কিন্তু ও কেবল আমাকে অত্যাচার করেছে। আমি সম্মান নিয়ে বেরিয়ে এসেছি।’

‘আত্মসম্মান ভূলুণ্ঠিত হচ্ছিল’, এই বলেই অবশেষে সম্পর্ক থেকে সরে আসেন ঐশ্বরিয়া। কিন্তু ব্রেকআপ–পরবর্তী ট্রমা থেকে কিছুতেই বের হতে পারছিলেন না সালমান। সালমানের পর বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ালেও তাঁকে হুমকি দিয়েছিলেন ‘সল্লু ভাই’, এমনটাই শোনা যায় বলিপাড়ায় কান পাতলে।

এই সম্পর্ক থেকে অব্যাহতি চাইছিলেন ঐশ্বরিয়া নিজেও। ‘কুছ না কহো’ ছবিতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন অভিষেক বচ্চন। শোনা যায়, সালমান নাকি সেই ছবির শুটে গিয়েও ঝামেলা করেছিলেন। ভেঙে দিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়ার গাড়ি। অভিষেক থেকে শাহরুখ, প্রায় সব সহ–অভিনেতাকে নিয়েই প্রবল সন্দেহ করতেন সালমান।

অনেক পরে এক সাক্ষাৎকার ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া নিয়ে কথা বলেছিলেন সালমানের ভাই আরবাজ খান। তাঁর ভাষ্যে, বিয়ের জন্য নাকি একেবারেই প্রস্তুত ছিলেন না ঐশ্বরিয়া। সেই কারণেই নাকি সালমানের সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরে। নব্বইয়ের দশকে বিশ্বসুন্দরীর খেতাব জেতার পরে পরপর ছবিতে অভিনয় করছিলেন ঐশ্বরিয়া। সেই সময়ে অভিনেত্রীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ ছিলেন দর্শক। তাঁর ক্যারিয়ারও ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তাই তখনই বিয়ে করতে চাননি ঐশ্বরিয়া। অন্যদিকে সালমান বিয়ে করে থিতু হতে চেয়েছিলেন।
তবে এরপর বহু বছর পেরিয়ে গেলেও সালমানের আর বিয়ে করা হয়নি। অন্যদিকে অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করে ঐশ্বরিয়া এখন এক সন্তানের মা।




যুব ক্ষমতায়ন ও পরিবেশ রক্ষায় এক অদম্য তরুণ আরিফুর রহমান শুভ

আরিফুর রহমান শুভ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার তিমিরকাঠি গ্রামের এক প্রত্যন্ত পরিবেশে ২০০০ সালের ৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কাজ করার প্রবল ইচ্ছা তাকে ইয়ুথনেট গ্লোবালের নেতৃত্বে পৌঁছে দিয়েছে। এই আন্তর্জাতিক সংগঠন বর্তমানে ৫০টি জেলা ও ১১টি দেশে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, যেখানে যুব উন্নয়ন, সবুজ দক্ষতা এবং আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তার অসাধারণ অবদান রয়েছে। আরিফুর রহমান বাংলাদেশ যুব রেডক্রিসেন্টের বরিশাল সদর উপজেলার দলনেতা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০০৭ সালের সিডর দুর্যোগ তার জীবনের গতিপথ পরিবর্তন করে। পরিবার-পরিজনসহ ঘরবাড়ি হারানোর অভিজ্ঞতা তাকে জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবিক সংকটের ভয়াবহতা বুঝতে শেখায়। এই অভিজ্ঞতা থেকেই আরিফুর রহমান জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কাজ করার সংকল্প নেন। পরবর্তীতে তিনি ইয়ুথনেট গ্লোবালের মাধ্যমে যুবদের সবুজ দক্ষতা, টেকসই কৃষি, সৌরবিদ্যুৎ এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তির ব্যবহারে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন। তার নেতৃত্বে মানতা সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে খাদ্য, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসন সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

শুভ ২০১৬ সালে ইয়ুথনেট গ্লোবাল প্রতিষ্ঠা করেন, যা জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তার নেতৃত্বে সংগঠনটি ৬ হাজারেরও বেশি তরুণকে সক্রিয়ভাবে করেছে এবং ২০,০০০ যুবককে সবুজ দক্ষতা ও আত্মকর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ২০১৯ সালে জলবায়ু ধর্মঘটের আয়োজনের মাধ্যমে বৈশ্বিক আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে, যা লাখো তরুণের মাঝে পরিবেশগত সচেতনতা তৈরি করেছে।

২০২৪ সালের ইয়াং অ্যাক্টিভিস্ট সামিটে বিশ্বের সেরা পাঁচটি তরুণ সংগঠনের মধ্যে ইয়ুথনেট গ্লোবালকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আরিফুর রহমান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সম্মেলনে যুব ক্ষমতায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।

আরিফুর রহমান ২০২৪ সালে ছাত্র ও যুব নেতৃত্বে গণআন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। সহযোদ্ধা ইশতিয়াক আহমেদ শ্রাবণের মৃত্যুর পরও তিনি দৃঢ় নেতৃত্ব অব্যাহত রাখেন। তার নেতৃত্বে এই আন্দোলন সমাজের প্রতি অঙ্গীকার এবং পরিবর্তনের জন্য প্রজ্ঞামূলক আহ্বান হিসেবে চিহ্নিত হয়।
বর্তমানে তিনি একজন অনুপ্রেরণাদায়ী যুব নেতা, যিনি জলবায়ু পরিবর্তন ও সামাজিক ন্যায়ের জন্য যুবদের একত্রিত করেছেন। তার সংগ্রামী জীবন ও অদম্য ইচ্ছাশক্তি তরুণদের নতুন পথ দেখাচ্ছে এবং সাহসী উদ্যোগ গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ঈদ উদযাপনকে ইবাদতে পরিণত করার উপায়

ঈদ মুসলমানদের জন্য এক বিশেষ নিয়ামত, যা আনন্দ ও ইবাদতের এক অনন্য সমন্বয়। আমরা যদি কিছু আমল অনুসরণ করি, তাহলে ঈদ উদযাপনকে ইবাদতে পরিণত করা সম্ভব। এর কিছু উপায় হলো—

১. ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করা: ঈদের রাত আনন্দে কাটানোর পর ফজরের নামাজ পড়তে গড়িমসি করা উচিত নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যদি মানুষ ফজর ও এশার নামাজের গুরুত্ব বুঝত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তা আদায় করত। (সহিহ বোখারি: ৬১৫)

২. ঈদের নামাজ আদায় করা: ঈদের দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো ঈদের নামাজ আদায় করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) দুই রাকাত ঈদের নামাজ আদায় করতেন এবং এর আগে-পরে অন্য কোনো নামাজ পড়তেন না। (সহিহ বোখারি: ৯৮৯)

৩. ঈদের দিন গোসল করা: পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অর্জনের জন্য ঈদের দিনে গোসল করা সুন্নত। ইবনে উমার (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি ঈদের দিন ঈদগাহে যাওয়ার আগে গোসল করতেন। (সুনানে বায়হাকি: ৫৯২০)

৪. পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া: রাসুলুল্লাহ (সা.) সুন্নত হিসেবে ঈদগাহে পায়ে হেঁটে যেতেন। (জামে তিরমিজি: ৫৩৩)

৫. ঈদের দিনে খাবার গ্রহণ: ঈদুল ফিতরের দিন ঈদের নামাজের আগে খাবার গ্রহণ করা এবং ঈদুল আজহার দিন কোরবানির গোশত খাওয়া সুন্নত। (জামে তিরমিজি: ৫৪৫)

৬. ঈদে শুভেচ্ছা বিনিময়: সাহাবারা পরস্পরকে বলতেন, ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকা’ (আল্লাহ আমাদের ও তোমাদের আমল কবুল করুন)। এছাড়া ‘ঈদ মোবারক’ ও ‘ঈদুকুম সাঈদ’ বলা যায়।

৭. ঈদের চাঁদ দেখার পর থেকে তাকবির পাঠ করা: তাকবির দ্বারা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদের দিন ঈদগাহে যাওয়ার সময় তাকবির পাঠ করতেন। (মুসতাদরাক: ১১০৬)

৮. নতুন বা পরিচ্ছন্ন পোশাক পরা: রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদের দিন উত্তম পোশাক পরতেন। (যাদুল মায়াদ)

৯. ঈদের খুতবা শোনা: ঈদের খুতবা ইসলামি শিক্ষা ও নির্দেশনা প্রদান করে, তাই এটি গুরুত্বের সঙ্গে শোনা উচিত। (সুনানে আবু দাউদ: ১১৫৭)

১০. দোয়া ও ইস্তেগফার করা: ঈদের দিনে আল্লাহ অনেক বান্দাকে ক্ষমা করেন। তাই বেশি করে দোয়া ও ইস্তেগফার করা উচিত।

১১. এতিম ও অভাবীদের সাহায্য করা: ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এতিম ও দুঃস্থদের সহায়তা করা গুরুত্বপূর্ণ।

ঈদ শুধুই আনন্দের নয়, এটি ইবাদতেরও একটি অংশ। শরিয়তসম্মতভাবে আনন্দ প্রকাশ করা আল্লাহর অনুগ্রহের প্রতিফলন। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘বলো, এটা আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত, সুতরাং এ নিয়েই যেন তারা খুশি হয়। এটি যা তারা জমা করে তা থেকে উত্তম।’ (সূরা ইউনুস: ৫৮)

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৪০, লেবাননে প্রাণ গেল আরও ৬ জনের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও ৪০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় চালানো একের পর এক হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন তারা।

এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৫০ হাজার ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননেও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। দেশটিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলায় আরও ৬ লেবানিজ নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গাজার মধ্যাঞ্চলে একটি ব্যস্ত বাজারে ইসরায়েলি হামলায় সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে গত ২৪ ঘণ্টায় যুদ্ধবিধ্বস্ত এই অঞ্চল জুড়ে ৪০ জনেরও বেশি লোকের মৃত্যু হলো।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধে কমপক্ষে ৫০ হাজার ২০৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ১ লাখ ১৩ হাজার ৯১০ জন আহত হয়েছেন।

গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস ইসরায়েলি আগ্রাসনে ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানির সংখ্যা আপডেট করে ৬১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি উল্লেখ করে জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে মৃত বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করে দিয়েছে, গাজায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি তীব্র ক্ষুধা ও অপুষ্টির মুখোমুখি হচ্ছে। অন্যদিকে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা জানিয়েছে, তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কোনও সাহায্য গাজা ভূখণ্ডে প্রবেশ করেনি।

এই পরিস্থিতিতে গাজাজুড়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় হতাহতের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। আল জাজিরা আরবির সাংবাদিক এবং ফিলিস্তিনি তথ্য কেন্দ্রের তথ্য অনুসারে, গাজা শহরের জেইতুন এলাকায় আওয়াদ পরিবারের বাড়িতে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান বোমা হামলায় তিনজন নিহত এবং আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছেন।

আল জাজিরা আরবি অনুসারে, দক্ষিণ গাজার রাফাহের পূর্বে আশ-শাওকা শহরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় কমপক্ষে দুইজন নিহত এবং আরও একজন আহত হয়েছেন। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের পূর্বে বানি সুহেলা শহরে একটি ভবনে ইসরায়েলি বাহিনীর গোলাবর্ষণের পর বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

এদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে সর্বশেষ ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ছয়জন নিহত হয়েছেন।




পর্যটকবাহী সাবমেরিন বিস্ফোরিত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : মিসরের লোহিত সাগরে পর্যটকবাহী সাবমেরিন ডুবে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। সিনবাদ নামের এ সাবমেরিনটিতে রাশিয়ান পর্যটকরা ছিলেন। যারমধ্যে শিশুও ছিল। সাবমেরিনটি উপকূলীয় শহর হুরঘাদার প্রবাল প্রাচীর দেখাতে পর্যটকদের নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু এর আগেই এটি বিস্ফোরিত এবং উপকূল থেকে এক কিলোমিটার দূরে ডুবে যায়।

দুর্ঘটনার সময় সাবমেরিনট ৪৫ জন যাত্রী ও অন্যান্য ক্রুদের বহন করছিল। যার মধ্যে নয়জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ২৯ জনকে অক্ষত উদ্ধার করতে সক্ষম হন উদ্ধারকারীরা।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকালের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

মিসরের রাজধানী কায়রোতে অবিস্থত রাশিয়ার দূতাবাস ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে, বিবলিও গ্লোবাস ইজিপ্ট ট্র্যুর নামে একটি সংস্থা সাবমেরিনটি পরিচালনা করত। দুর্ঘটনার সময় এটিতে তাদের ৪৫ জন নাগরিক ছিলেন। দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করা হয়। রুশ দূতাবাস অবশ্য চারজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে।

যে সংস্থাটি সাবমেরিনটি পরিচালনা করত সেটির একটি বিজ্ঞাপনে বলা আছে, তাদের সাবমেরিনে পর্যটকদের জন্য ৪৪টি আসন রয়েছে। এছাড়া এটিতে পাইলটদের জন্য দুটি আসন রয়েছে। বিজ্ঞাপনে আরও বলা আছে, না ভিজেই লোহিত সাগরের নিচের দৃশ্য অবলোকন করা যাবে তাদের সাবমেরিনের মাধ্যমে। যেটিতে রয়েছে স্বচ্ছ জানালা। এছাড়া বিশ্বে বিনোদনের জন্য নির্মিত যে ১৪টি সাবমেরিন রয়েছে, সেটির দুটি তাদের কাছে রয়েছে বলেও এক বিজ্ঞাপনে জানিয়েছিল এ সংস্থাটি




বেইজিংয়ে ড. ইউনূসকে রাজকীয় লাল গালিচা সংবর্ধনা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : চারদিনের চীন সফরের দ্বিতীয় দিনে বোয়াও শহরে ব্যস্ততম দিন পার করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বেশ কয়েকটি প্রোগ্রাম অংশ নিয়ে চীনের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বেইজিং এসে পৌঁছেছেন।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টাকে বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লালগালিচা অভ্যর্থনা জানান চীনের উপমন্ত্রী সান ওয়েইডং।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ২০ মিনিটে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। সেখানে প্রধান উপদেষ্টাকে রাজকীয় লাল গালিচা সংবর্ধনা দিয়েছে চীন। চীনের উপমন্ত্রী সান ওয়েইডং বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানান।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।




তামিমের জন্য বন্ডে সাইন করা কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল: দেবব্রত পাল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সাভারের কেপিজি হাসপাতাল থেকে তামিম ইকবাল বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে। সোমবার বিকেএসপিতে ডিপিএলের ম্যাচ খেলতে গিয়ে মাঠেই হার্ট অ্যাটাক করেছিলেন বাংলাদেশ দলের সাবেক এই অধিনায়ক। এরপরের মুহূর্তগুলো পার হয়েছে খুব দ্রুত আর সঙ্গে ছিল উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।

গেল সোমবার যখন তামিম ইকবাল অসুস্থ হয়ে পড়েন, পরে তার হার্টে রিং পরানোর আগে কিছু কাগুজে আনুষ্ঠানিকতা সারতে হয়েছিল। রিং পরানোর জন্য একটি অপারেশন লেগেছিল। সাধারণত এই ধরনের চিকিৎসার আগে পরিবারের পক্ষ থেকে সম্মতি বা বন্ড নেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু সাভারে সেই সময় তামিমের পরিবারের কেউ ছিলেন না।

স্ত্রী বা বড় ভাই নাফিস ইকবাল কিংবা রক্তের সম্পর্কীয় ছিলেন না কেউই। কিন্তু পরিবারের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার মতো অবস্থাও ছিল না সেই সময়ে। যে কারণে তামিমের অপারেশনের বন্ডে স্বাক্ষর করার দায়িত্ব নেন ডিপিএলের ম্যাচ রেফারি দেবব্রত পাল। সাবেক প্রথম শ্রেণির এই ক্রিকেটার সব সময় ক্রিকেটারদের পাশে থাকেন। চিকিৎসকরাও ওই সম্মতিপত্র গ্রহণ করেন।

শুরু থেকে সেই প্রক্রিয়ার কথা ঢাকা পোস্টকে স্পষ্ট করে জানালেন জানালেন দেবব্রত, ‘এটা তো অনেক কঠিন একটা সিদ্ধান্ত ছিল। এগুলো তো সাধারণত পরিবারের লোকজনরাই করে থাকে। কেউ তখন ছিল না এ কারণে তো আমাকে সাইন করতে হলো। তো তখন ওখানে লেখা ছিল সম্পর্ক কি আমার সাথে তার। আমি সেখানে কলিগ লিখলাম।’

দেবব্রত পাল বলেন, ‘আমি সাইন করার আগেও নাফিস ইকবালের সাথে কথা বলেছিলাম। বোর্ড প্রেসিডেন্ট ফারুক ভাইয়ের সাথে কথা বলেছিলাম। তারা সবাই বলেছে যে সাইন করতে। তামিমের সাথে দেখা হয়েছিল সোমবারই। ও চোখ খুলেছিল আমার দিকে তাকিয়েছিল। আমি না করেছিলাম কথা বলতে। এখন ভালো আছে, গতকালকে আমরা আর কেউ ভিতরে যায়নি। নাফিস, তামিমের স্ত্রী ওরা সবাই আছে।’