বিএনপি না আসলেও নির্বাচন হবে, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

 

মো:আল-আমিন,পটুয়াখালী: বিএনপি না আসলেও নির্বাচন হবে; অসংখ্য রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে অপেক্ষা করছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী বলেছেন, “বিএনপি নির্বাচনে আসবে না মূলত বিজয়ী হতে পারবে না জেনে। ২০ দলীয় জোটে অনেক দল আছে যাদের নামও আমরা জানি না।

“১২ দলীয় জোট হয়েছে; সেখানে একটি দলেরও রেজিস্ট্রেশন নেই। এ জাতীয় লোকেরা হালুয়া-রুটির লোভে এখানে ওখানে যাবে।”

বিএনপিতে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো কোনো নেতা নেই মন্তব্য করে রেজাউল করিম আরও বলেন, “ভাড়াটিয়া নেতা ড. কামাল হোসেনকে এনেছিলো তিনিও সরে গেছেন। এখন দিশেহারা অবস্থায় বিএনপি।

“১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাওলানা ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি নির্বাচনে আসে নাই, তাতে নির্বাচন বন্ধ থাকে নাই। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে নির্বাচন হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছিল বলেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।”

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল আহমেদ চৌধূরী, পটুয়াখালী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান হাফিজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমাদ মাঈনুল হাসান, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ, পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এ ভবন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছে গণপূর্ত বিভাগ।




সাত ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

 

মো:আল-আমিন,পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সাত ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোমবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে পৌরশহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মূল্য তালিকা না থাকা, বি,এস,টি আই এর অনুমোদন ব্যতীত মালামাল বিক্রি এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য তৈরি করার দায়ে এ জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শাহ্ সোয়াইব মিয়া।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্যানেটারি কর্মকর্তা মৃণাল চন্দ্র দেবনাথ ও কলাপাড়া পুলিশ সদস্যরা।

আমির বেপারীকে পাঁচ হাজার টাকা, মো.ইব্রাহিমকে পাঁচ হাজার, গাজী আনোয়ারকে এক হাজার পাঁচশত, আরিফুল ইসলামকে দুই হাজার, আবুবক্করকে আড়াই হাজার টাকা, আল-মদিনা হোটেলকে আট হাজার এবং আনিকা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ছয় হাজার টাকা জরমিানা করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শাহ্ সোয়াইব মিয়া জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৭ ব্যাবসায়ীকে এ জরিমানা করা হয়েছে। এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।




১০০ ইসরায়েলিকে অপহরণ করেছে হামাস: যুক্তরাষ্ট্র

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক:  ইসরায়েলে আক্রমণ চালিয়ে অন্তত ১০০ জন সামরিক-বেসামরিক নাগরিককে অপহরণ করেছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। ইসরায়েলের মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর বিবিসির।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সের এক পোস্টে মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, ইসরায়েলে হামাসের সাম্প্রতিক হামলায় ৩০০ জনের বেশি নিহত, ১ হাজার ৮০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। অপহরণ করা হয়েছে ১০০ ইসরায়েলিকে, যাদের মধ্যে সামরিক-বেসামরিক উভয় ধরনের নাগরিকই রয়েছেন। ইসরায়েলে চালানো এই হামলায় হামাস পাঁচ হাজারের বেশি রকেট ছুড়েছে বলে উল্লেখ করেছে মার্কিন দূতাবাস কর্তৃপক্ষ। যদিও এসব পরিসংখ্যান এখনো নিশ্চিত করেনি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৭ অক্টোবর) ভোরে গাজা থেকে ইসরায়েলে কয়েক হাজার রকেট ছোড়ে হামাস। ২০ মিনিটে ইসরায়েলে পাঁচ হাজার রকেট ছোড়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটি। পাশাপাশি, ইসরায়েলের ভেতরে সশস্ত্র যোদ্ধারা ঢুকে পড়ারও খবর পাওয়া গেছে।

এ অবস্থায় ‘যুদ্ধ পরিস্থিতি’ ঘোষণা করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, আমাদের শত্রুদের এমন মূল্য দিতে হবে, যা তারা কখনো দেখেনি।

হামাসের হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ৩০০ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি মিডিয়া। আর গাজায় ইসরায়েলিদের পাল্টা হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২৫০ ফিলিস্তিনি।

টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার রাতে বিপুল সংখ্যক সৈন্য জড়ো করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। বড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে তারা।




বরিশালের ছয়টি আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া

 

এস এল টি তুহিন,বরিশাল : ভোটের আনুষ্ঠানিকতা শুরু না হলেও বরিশালের ছয়টি আসনের তৃণমূল পর্যায়ে নির্বাচনী হাওয়া এখন তুঙ্গে। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের একাধিক সম্ভ্রাব্য প্রার্থী সরকারের উন্নয়ন প্রচারের মাধ্যমে নির্বাচনী গণসংযোগে মাঠে নেমেছেন। তবে প্রতিটি আসনেই ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে অভ্যন্তরীন কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে।

বিশেষ করে বিভিন্ন দল থেকে সদ্য যোগদান করা ও ক্ষমতার আমলে পারিবারিকভাবে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করা নেতাদের সাথে দলের দুর্দীনের ত্যাগী, নির্যাতিত ও অসংখ্য মামলায় কারাবরণকারী নেতাদের বিরোধ এখন চরম আকার ধারন করেছে। এনিয়ে ইতোমধ্যে কয়েকটি আসনে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষও হয়েছে। নির্বাচনের দিন যতোই ঘনিয়ে আসছে হাইব্রিড আওয়ামী লীগের নেতৃত্বস্থানীয় নেতারা দলের মধ্যে অনুপ্রবেশকারীদের দিয়ে দুর্দীনের ত্যাগী নেতাদের বিভিন্ন ভাবে দমন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

যার কারণে বেশ সুবিধাজনক অবস্থান করে নেওয়ার চেষ্ঠা করছে বিরোধী দলের নেতারা।অভিযোগ আছে  কৌশলে ক্ষমতাসীন দলের ত্যাগী নেতাদের দমন করে নৌকার প্রার্থীর সুনাম বিনস্ট করছে তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী পদমর্যাদায় থাকা বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নের কারণে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্ধী হিসেবে এখানে কোন প্রার্থী নেই। তবে টানা ক্ষমতার আমলে এখানে সবচেয়ে বেশি বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদানের ঘটনা ঘটেছে। তাই বরিশালের ছয়টি আসনের মধ্যে বর্তমানে এখানে সবচেয়ে বেশি দলীয় বিরোধ রয়েছে। হামলা ও মামলার পর যা এখন বড়ধরনের সংঘাতের রূপ নিয়েছে। পাশাপাশি নেতৃত্বস্থানীয়দের প্রতিটি কর্মকান্ড আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর জনপ্রিয়তাকে বির্তকিত করছে। অনুপ্রবেশকারীদের মাধ্যমে দলীয় বিরোধ সৃষ্টি করায় দলের ত্যাগী নেতারা হামলা ও মামলার পর গ্রেপ্তার আতঙ্কে অনেকে আত্মগোপন এবং কেউবা অভিমান করে রাজপথে না থাকায় অত্যন্ত সু-কৌশলে মাঠ গুছিয়ে সক্রিয় হচ্ছেন বিএনপির সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপন ও দলের অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান।

বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের বর্তমান সাংসদ শাহে আলম নিজ দলের মধ্যেই এবার বেশ ঝুঁকিতে রয়েছেন। ক্ষমতার পাঁচ বছরে তিনি দলে কোন শক্ত অবস্থান করতে পারেননি। ফলে এ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক
অ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস এবার প্রকাশ্যে মাঠে নেমেছেন। ওই আসনে মনোনয়ন পেতে মাঠে রয়েছেন সাবেক এমপি মনিরুল ইসলাম মনি এবং বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি ও জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের সভাপতি ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন। ক্ষমতাসীন দলের বাহিরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু অত্যন্ত সু-কৌশলে দলগুছিয়ে রেখেছেন। এছাড়া সমাজতান্ত্রিক দল বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিচুজ্জামান আনিচও তৃণমূল পর্যায়ে
ব্যাপক গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।

আওয়ামী লীগের এমপি নেই বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে। এখনকার এমপি জাতীয় পার্টির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু। এবার জোট-মহাজোট মিলে বর্তমান সাংসদকে ধরাশায়ী করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। এখানে এবার আওয়ামী
লীগের একক প্রার্থী ঘোষণা করার জন্য দীর্ঘবছর থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের সমর্থিত প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ও বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক সরকারের উন্নয়ন প্রচারনায় মাঠে রয়েছে। এ আসনটিতে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ওয়ার্কার্স পার্টির সাবেক এমপি শেখ টিপু সুলতান প্রার্থী হতে বেশ আগ্রহী। তবে এ
আসনটিতে এবার আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী ঘোষণা করা না হলে আসনটি মহাজোটের হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার দৌঁড়ে বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথের প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী হতে পারেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, আওয়ামী লীগ নেতা শাহে আলম মুরাদ ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আফজালুল করিম। এর বাইরে বিএনপির সাবেক এমপি মেজবাউদ্দিন ফরহাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসানও কৌশলে মাঠ গোছাচ্ছেন।

বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বর্তমান এমপি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীমের প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী হওয়ার জন্য সিটি করপোরেশনে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে এবার মাঠে নেমেছেন বিদায়ী সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এখানে বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বিএনপির চারবারের এমপি মজিবর রহমান সরোয়ার, জাপার ইকবাল হোসেন তাপস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির ফয়জুল করীম।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের বর্তমান এমপি জাপার নাসরিন জাহান রতœাকে পরিবর্তন করতে এককাট্টা হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। তারা এবার এককভাবে নৌকার প্রার্থী চাচ্ছেন। এখানে মনোনয়ন পাওয়ার দৌঁড়ে রয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ মল্লিক, বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এসএম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান বাদশা, বাকেরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সামসুল আলম চুন্নু, সাধারণ
সম্পাদক ও তিনবারের পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া।

ক্ষমতাসীনদের বাহিরে এখানে বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক সাংসদ আবুল হোসেন খান, জেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক নজরুল ইসলাম খান রাজন। জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির
যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ মোহসীন। সবমিলিয়ে এখনই ক্ষমতাসীন দলের অভ্যন্তরীন বিরোধ মীমাংসা করে ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের সরকারের উন্নয়ন প্রচারনার জন্য রাজপথে নামানো না হলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিরুপ প্রভাব পরার
আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।




বরিশালে ২০৯ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত, একজনের মৃত্যু

শুক্রবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, মৃত মাকসুদা পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি গত ৪ অক্টোবর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ অক্টোবর রাতে তার মৃত্যু হয়।

ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বরিশালের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ২৬ হাজার ৩৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২৫ হাজার ১৭০ জন। বিভাগে এখন পর্যন্ত ১১২ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বরিশালের দুই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ৮২ জন, ভোলা সদর হাসপাতালে ৮ জন, বরগুনা সদর হাসপাতালে ৫ জন, পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ১০ জন, পটুয়াখালীর দুই হাসপাতালে ৬ জন ও ঝালকাঠি হাসপাতালে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ছয় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ২০৯ রোগী। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বরিশালে ৯০ জন, পটুয়াখালীতে ৫১ জন, পিরোজপুরে ২৭ জন, ভোলায় ১৯ জন ও বরগুনায় ২২ জন। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ছয় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে এক হাজার ৫২ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন।




শর্ত পূরণে ব্যর্থ শ্রীলঙ্কাকে ঋণ প্রদান স্থগিত করল আইএমএফ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দেওয়া স্থগিত করেছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণদাতা সংস্থা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। গত মাসে ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি প্রদানের কথা থাকলেও এখনও তা পায়নি কলম্বো।



জলপাইগুড়িতে পানির স্রোতে ভেসে আসছে মরদেহ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: সিকিমে তিস্তার ধ্বংসলীলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। পাহাড়ি ঢলের কারণে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাও প্লাবিত হচ্ছে। পানিতে ভেসে গেছে ঘর-বাড়ি। আতঙ্কে দিন কাটছে মানুষের। এর মধ্যেই জলপাইগুড়িতে পানির স্রোতের সঙ্গে একাধিক মরদেহ ভেসে আসতে দেখা গেছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তিস্তার পানির স্রোতে ভেসে আসছে মরদেহ, জামাকাপড়, বাসনপত্র, গবাদি পশু, রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র। এসব দেখে সাধারণ মানুষ আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে।

জলপাইগুড়ির তিস্তা রেল সেতুর কাছেও পানি বেড়ে গেছে। সমতলে তিস্তার দু’পার থেকে অন্তত পাঁচ হাজার বাসিন্দাকে উদ্ধার করেছে প্রশাসন। জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার মিলিয়ে খোলা হয়েছে ২৮টি ত্রাণশিবির।

জলপাইগুড়ির গজলডোবা এলাকায় এক নারীসহ তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সিকিম বা রাজ্যের পাহাড়ি এলাকা থেকে ভেসে এসেছে এসব মরদেহ। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর চারটি দল শিলিগুড়ি এবং জলপাইগুড়ি জেলায় উদ্ধারকাজের জন্য এসেছে। রয়েছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলার আরও সাতটি দল।

বুধবার (৪ অক্টোবর) ভোরে ভারী বৃষ্টির জেরে লোনক হ্রদের পানি প্রবল বেগে ছুটে আসে তিস্তায়। ফলে সিকিমে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। যতই সময় যাচ্ছে সেখানকার পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সেখানে ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সিকিমের সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এখনও ২২ জন সেনাসহ অন্তত ১২০ জন নিখোঁজ রয়েছে।

স্থানীয় কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বুধবার সকালে ২৩ সেনা নিখোঁজ হয়। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত একজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওই সেনার শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল বলে সেনা সূত্র নিশ্চিত করেছে। এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ১৪টির মতো ব্রীজ ধসে পড়েছে। এছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়েছেন তিন হাজারের বেশি পর্যটক।

উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদের ওপর ভারীর বৃষ্টির কারণেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। এদিকে আকস্মিক বন্যার পানির স্রোতে সিকিমের চুংথাম বাঁধ ভেঙে গেছে। সে কারণেই অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে তিস্তার পানি। নদীর তাণ্ডবে আশপাশের এলাকা পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। পূজার আগে সিকিমের এই বিপর্যয়ের কারণে সেখানে ঘুরতে যাওয়া বহু পর্যটক আটকে পড়েছেন প্রতিবেশী রাজ্যে।

পশ্চিমবঙ্গের অন্তত দু’হাজার পর্যটক সিকিমে আটকা পড়েছেন বলে জানা গেছে। জাতীয় সড়কে যান চলাচলও বন্ধ রয়েছে। ফলে আপাতত ফেরার পথও বন্ধ। রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিকিম সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

কাদা-মাটিতে চাপা পড়েছে বহু বসতি, রাস্তাঘাট, সেনাছাউনি। পরিস্থিতি জরিপ করে আগামী ৮ অক্টোবর পর্যন্ত পাকিয়ং, গ্যাংটক, নামচি এবং মঙ্গনের সব স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চালু করা হয়েছে একাধিক জরুরি পরিষেবার নম্বর।

এদিকে তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে। তবে রাত ১০টায় তিস্তার পানি কমে গিয়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি নিয়ন্ত্রণের ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।




কাউনিয়ায় বৃদ্ধাশ্রম পরিদর্শন করলেন নগর সেবিকা লুনা আব্দুল্লাহ

বরিশাল অফিস: বরিশাল নগরীর ২নং ওয়ার্ড কাউনিয়া হাউজিং এ অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রম পূণর্বাসন কল্যাণ সংস্থা পরিদর্শনকালে সেবা গ্রহীতাদের নিজ হাতে মিষ্টি খাইয়ে নির্বাচনী বিজয়ের শুভেচ্ছা ও আনন্দ ভাগাভাগি করেন নবনির্বাচিত বিসিসি মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত) এর সহধর্মিনী নগর সেবিকা লুনা আব্দুল্লাহ।

একই সাথে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সকলের মাঝে বিতরণ করেন। এসময় বৃদ্ধাশ্রমের থাকা সেবাগ্রহীতাদের স্বাস্থ্য সেবা ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে বরিশাল শেরে-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্নী চিকিৎসকবৃন্দ দিয়ে প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়।

এবং ঔষধ ও খাদ্য সহযোগিতা পাঠানোর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন লুনা আবদুল্লাহ।




কেশবপুর ইউনিয়নে শূন্য চেয়ারম্যান পদ

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে পরিষদের কার্যক্রম। এতে  চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। ইউএনও কার্যালয়ে ভোটাভুটির মাধ্যমে প্যানেল চেয়ারম্যান গঠন করা হলেও মামলা জটিলতায় তা স্থাগিত হওয়ায় এমন ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইউনিয়ন পরিষদ সূত্র জানায়, গত ১৪ আগস্ট ইউপি চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকু হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যায়। তার মারা যাওয়ার দুই মাসেও শূন্য পদে কাউকে দায়িত্ব না দেয়ায় জনগণ চরম দুভোর্গে পড়েছেন। জন্মনিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ, মৃত্যু সনদ, ডিজিটাল পরিষেবা কার্যক্রম,  সরকারে বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি ও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। এতে সাধারন মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।

ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যুর পর ইউপি কার্যক্রম সচল করতে গত ২৯ আগস্ট ইউএনও কার্যালয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান গঠন হয়। সকল ইউপি সদস্যদের ভোটাভুটিতে ৯নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. শাহজাহান গাজী প্যানেল চেয়ারম্যান-১, ১নং ইউপি সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম প্যানেল চেয়ারম্যান-২ ও ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য শিরিন আক্তার প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ নির্বাচিত হয়।

গত ২০ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমীন প্রধান তার অনুমোদন দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেন। ইউপির কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। তবে ৫নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম জেলা জজ আদালতে ওই প্যানেল স্থগিতের আবেদন করেন। আদালত ওই প্যানেল অস্থায়ী স্থগিত করেন। এতে ইউপির কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মহসিন মাস্টার বলেন, ছেলের স্কুলে জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রয়োজন। প্যানেল চেয়ারম্যান না থাকায় তা উত্তোলন করতে পারছি না।

আরেক বাসিন্দা ও ভরিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো. আতিক ফয়সাল জানান, ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ইউনিয়ন পরিষদের সেবা বঞ্চিত। থেমে আছে সরকারের বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম ও উন্নয়ন প্রকল্প। এটা অতিদ্রুত নিরসন করা দরকার।

ইউপি সদস্য  মো. শাহজাহান গাজী বলেন, সকল সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে আমি প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। দায়িত্বভার গ্রহণ করে পরিষদের থেকে থাকা কার্যক্রম সচল করি। তবে এক ইউপি সদস্য জালিয়াতি করে নিজেকে প্যানেল চেয়ারম্যান দাবি করে আদালতে মামলা করেন। যিনি মামলা করেছেন তিনিও উপস্থিত থেকে ভোটাভুটিতে অংশ নেন। তার পরেও এমন ঘটনা দুঃখজনক।

এ বিষয়ে জানতে আদালতে অভিযোগকারী ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজী বলেন, ভোটাভুটির মাধ্যমে প্যানেল চেয়ারম্যান গঠন করা হয়। যা স্থানীয় সরকার বিভাগ অনুমোদনও দিয়েছে। তবে এক ইউপি সদস্যের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালত প্যানেল চেয়ারম্যানের কার্যক্রম স্থগিত করেছেন। এ আইনি জটিলতা নিরাসনের জন্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।




গলাচিপায়  শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ

 

মো:আল-আমিন,পটুয়াখালী : “গাছ লাগিয়ে যত্ন করি, সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি” এ প্রতিপাদ্যের আলোকে টেকসই বন ও জীবিকা (SUFAL) প্রকল্পের অর্থায়নে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে ১২ হাজার ১৪৩ টি ফলদ, বনজ ও ভেষজ গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যে গলাচিপা উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের এবং সংগঠনের সদস্যদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ করেছেন পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা।

পড়ালেখার পাশাপাশি শিশুরা যাতে গাছের পরিচর্যা ও বৃক্ষরোপণ করতে আগ্রহী হয় এজন্য তাদের প্রত্যেককে ৩টি ফলদ, বনজ ও ভেষজ চারা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনের সামনে এসব গাছের চারা  বিতরণ করা হয়।

এর আগে উপজেলা প্রশাসন ও গলাচিপা রেঞ্জ বন বিভাগ এর আয়োজনে বৈশ্বিক উষ্ণায়নসহ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরিবেশ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি গাছ লাগাতে উৎসাহ জোগাতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মহিউদ্দিন আল হেলাল এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী ৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মু:সাহিন, গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ শোনিত কুমার গায়েণ, কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হাজী মুজিবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক শামসুদ্দিন শানু ঢালী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা, শিক্ষার্থী ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা।

সভা সঞ্চালনা করেন মো: নুরুজ্জামান মিয়া। সার্বিক দ্বায়িত্বে ছিলেন গলাচিপা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।