পিরোজপুরে সুপারির খোল থেকে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব তৈজসপত্র

এস এল টি তুহিন, বরিশাল : বনে-জঙ্গলে পড়ে থাকা অপ্রয়োজনীয় সুপারি গাছের পাতা বা খোল এখন আর ফেলনা নয়। এক সময় বাগানে পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গেলেও এখন সেই খোল দিয়ে তৈরি হচ্ছে থালা, বাটি, ট্রে, নাশতার প্লেট সহ নানা রকমের তৈজসপত্র। বাজারে বিদ্যমান প্লাস্টিকের ওয়ানটাইম ব্যবহার উপযোগী প্লেটের বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব এসব সামগ্রীর ব্যবহার শুরু হয়েছে রাজধানী ঢাকা, বরিশাল ও পিরোজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

আর পরিবেশ বান্ধর এসব তৈজসপত্র তৈরি করা হচ্ছে পিরোজপুরের স্বারুপকাঠী উপজেলায়।নতুন এ শিল্পের উদ্যোগ দেখে আলোড়ন
সৃষ্টি হয়েছে জেলাজুড়ে। গোটা উপজেলায় রয়েছে সারি সারি সুপারি গাছ। এসব গাছ থেকে ঝরে পড়া সুপরির খোল বা বাইল বেশিরভাগই বাগানে পড়ে থাকে।

কেউ কেউ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করেন। কিন্তু জেলার স্বরূপকাঠী উপজেলার মাহমুদকাঠি গ্রামে সেই সুপারি গাছের শুকনো খোল দিয়ে বিভিন্ন ধরনের পরিবেশবান্ধব ওয়ানটাইম প্লেট তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন আকরাম হোসেন উজ্জ্বল নামের এক ব্যক্তি। আকরাম হোসেন উজ্জ্বল স্থানীয় আটঘর কুড়িয়ানা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য।

তার প্রতিষ্ঠিত ‘এ আর ন্যাচালার প্লেট’ নামের খোল কারখানায় ইতিমধ্যে ৮ জন কাজ করছে। সুপারি খোল দিয়ে তৈরি এসব থালা, বাটি, ট্র, নাশতার প্লেটের প্রচুর চাহিদা রয়েছে ঢাকাসহ স্থানীয় পার্যায়ে।

স্থানীয়রা ও এই কারখানায় কর্মরতরা বলছে এই শিল্পটি অত্র অঞ্চলের জন্য একটি সম্ভবনাময় শিল্প। এটির বানিজ্যেক ভাবে আরো বড় করতে পাড়লে এলাকার অনেক মানুষ কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। দূর-দুরন্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এসে কারখানা থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন এই পণ্য। মানের দিক থেকেই ভালো মজমুদ দাবি ক্রেতাদের।আর আকরাম হোসেনের কারখানায় কাজ করে জীবীকা নির্বাহ করছেন ৮ জন শ্রমিক। তারা ধরছেন পরিবারের হাল,পড়াশোনা করাচ্ছেন ছেলেমেয়েদের।

পরিবেশবান্ধব ও ন্যাচারল হওয়ার কারনে সচেতন মানুষের কাছে এই পন্যটির চাহিদা অনেক। তাই সরকারি বিভিন্ন সহযোগীতা পেলে এই শিল্পকে আরো বৃহৎ আকারে প্রতিষ্ঠা করা যাবে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তা আকরাম হোসেন উজ্জল।

পিরোজপুর সহ দক্ষিণাঞ্চলে এটা একটি সম্ভবনাময় শিল্প। সুপারি খোল নিয়ে যারা ন্যাচালার প্লেট তৈরির কাজ করছে এবং যা আগ্রহী তাদের প্রশিক্ষণ সহ ঋণ সুবিধার ব্যবস্থা করবে সরকার। এমন আশ্বাস বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন বিসিক।

এদিকে পরিবেশের উপরের ভারসম্য রক্ষায় পরিবেশবান্ধন এই তৈজসপত্র তৈরি ও ব্যবহারের জন্য সরকারি ভাবে সহযোগীতা করা হবে সেই সাথে এশিল্পকে স্থায়ী ভাবে গড়ে তুলতে পারলে অনেক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হবে বলে জানান জেলাপ্রশাসক ।




কিইউ’র বিপক্ষে জোড়া সেঞ্চুরিতে ৩৫৭ রানের পাহাড় গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা




বরগুনায় টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ

সোহাগ হাফিজ,বরগুনা : বরগুনায় রাস্তায় গাছের গুড়ি ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। বুধবার (১ নভেম্বর) দুপুরে বরগুনা সদরের পুরাকাটা-বড়ইতলা সড়কের পোটকাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে দলীয় স্লোগান দিতে থাকেন এবং যানবাহন আটকে রাস্তায় টায়ার ও গাছের গুড়ি ফেলে তাতে আগুন জ্বালিয়ে দেন। এতে রাস্তায় থাকা যানবাহন চালকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আ. হালিম বলেন, সকল জায়গায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তারপরেও গোপনে কিছু জায়গায় এমনটা যারা করছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।




বরিশালে জাতীয় যুব দিবস পালিত

বরিশাল অফিস : “স্মার্ট যুব সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” এই স্লোগান নিয়ে আজ বুধবার (১ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বরিশালের আয়োজনে সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান, সনদপত্র ও যুব ঋণের চেক এবং পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শওকত আলী। বরিশালের জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল পুলিশ সুপার রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের কাজী মোঃ শোয়েব,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরিশাল জেলা সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো: ইউনুস,বীর মুক্তিযোদ্ধা কে এস এ মহিউদ্দিন মানিক বীর প্রতিক, সিনিয়র সহ-সভাপতি জেলা আওয়ামী লীগ বরিশাল মোঃ হোসেন চৌধুরী। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি ও যুব উদ্যোক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

শুরুতে নগরীর সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণ থেকে প্রধান অতিথির নেতৃত্বে র‌্যালি বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সার্কিট হাউজ গিয়ে শেষ হয়। পরে দিবসটি উপলক্ষ্যে ১২ জন যুব উদ্যোক্তাদের মাঝে যুব ঋণের আওতায় ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি একটি সংগঠনের মাঝে সম্মাননা প্রদান ও সনদ বিতরণ করা হয়।




আমরা আবার ক্ষমতায় আসব : পরিকল্পনামন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমি বিশ্বাস করি, আমরা আবার ক্ষমতায় আসব। কারণ, আমরা উন্নয়ন করি, ধ্বংসাত্মক কাজ করি না।



রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে পাকিস্তানকে ১ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষে দ. আফ্রিকা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক:  একটা সময় মনে হচ্ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা সহজেই রান তাড়ার কাজটা সেরে ফেলবে। সেখান থেকে নাটকীয়ভাবে ম্যাচে ফেরে পাকিস্তান। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না বাবর আজমদের। রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে পাকিস্তানকে ১ উইকেটে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৬ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে পয়েন্ট তালিকারও শীর্ষে উঠে এসেছে প্রোটিয়ারা।

দক্ষিণ আফ্রিকার রানরেট আগে থেকেই ভালো ছিল। পাকিস্তানকে হারানোর পর পয়েন্টও হয়েছে ভারতের সমান ১০। রানরেটে এগিয়ে থাকায় ভারতকে পেছনে ঠেলে এক নম্বরে চলে এসেছে টেম্বা বাভুমার দল।

এই ম্যাচে প্রোটিয়াদের জয়ের লক্ষ্য ছিল ২৭১ রানের। উইকেটে সেট হয়ে আউট হয়েছেন কুইন্টন ডি কক (২৪), টেম্বা বাভুমা (২৮), রসি ফন ডার ডুসেন (২১) আর হেনরিখ ক্লাসেন (১২)। ১৩৬ রানে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪ উইকেট তুলে নিয়ে বেশ চেপে ধরেছিল পাকিস্তান।

কিন্তু এইডেন মার্করাম আর ডেভিড মিলার সেখান থেকে ৬৯ বলে ৭০ রানের একটি জুটি গড়ে ম্যাচ অনেকটাই হাতে নিয়ে আসেন। একটা সময় ৪ উইকেটেই ২০৫ রান তুলে ফেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। জয়টা তখন মনে হচ্ছিল সময়ের ব্যাপার। সেখান থেকে লড়াই জমিয়ে তোলে পাকিস্তান

২৯ করা ডেভিড মিলারকে সাজঘরের পথ দেখান শাহিন শাহ আফ্রিদি। ১৪ বলে ২০ রানের ছোটখাটো ঝড় তোলা মার্কো জানসেনকে আউট করেন হারিস রউফ। এরপর সেঞ্চুরির পথে থাকা এইডেন মার্করামকে ফিরিয়ে আশা জাগান উসামা মীর। ৯৩ বলে ৭ চার আর ৩ ছক্কায় মার্করাম আউট হন ৯১ করে। পরের ওভারে গেরাল্ড কোয়েটজিকে (১০) উইকেটরক্ষককের ক্যাচ বানান শাহিন আফ্রিদি।

৪৬তম ওভারে নিজের বলেই হারিস রউফ লুঙ্গি এনগিদির চোখ ধাঁধানো এক ক্যাচ নিলে নবম উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। তখনও জয়ের জন্য ১১ দরকার প্রোটিয়াদের। পাকিস্তানের দরকার মাত্র ১টি উইকেট। কিন্তু সে উইকেটটি আর তুলে নিতে পারেনি পাকিস্তান। ৪৭.২ ওভারে জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। কেশভ মহারাজ ৭ আর তাবরেজ শামসি ৪ রানে অপরাজিত থাকেন।

পাকিস্তানের হারিস রউফ ৩টি আর শাহিন আফ্রিদি, মোহাম্মদ ওয়াসিম আর উসামা মীর নেন দুটি করে উইকেট।

এর আগে হাতে আরও ২০টি বল ছিল। পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারলে হয়তো স্কোরটা তিনশোর কাছাকাছি চলে যেতো পাকিস্তানের। কিন্তু সেটা পারেনি বাবর আজমের দল। প্রোটিয়া বোলারদের তোপে ৪৬.৪ ওভারে ২৭০ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান।

পাকিস্তান তাদের ইনিংসে চাপ কাটিয়ে দুইবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সম্ভাবনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আর বড় স্কোর গড়ার স্বপ্ন পূরণ হয়নি আনপ্রেডিক্টেবলদের।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাঁচামরার লড়াইয়ে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। চেন্নাইয়ে এমএ চিদাম্বরম ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসভাগ্য সহায় হলেও শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।

দলীয় ২০ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। উইকেটে থিতু হয়ে থাকার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক। ১৭ বলে ৯ রান করে সাজঘরে ফেরত যান এই ওপেনার। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে মার্কো জানসেনের বলে লুঙ্গি এনগিদির হাতে ধরা পড়েন তিনি।

এরপর ইনিংসের সপ্তম ওভারে জানসেনের দ্বিতীয় শিকার হন আরেক ওপেনার ইমাম উল হক। হেনরিখ ক্লাসেনের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে তিনি করেন ১৮ বলে ১২ রান। ৩৮ রানে ২ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

তৃতীয় উইকেটে ৪৮ রান যোগ করেন অধিনায়ক বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। রিজওয়ান মেরে খেলছিলেন। কিন্তু ২৭ বলে ৩১ রানে থাকার সময় তার উইকেটটি তুলে নেন কোয়েতজি। ইফতিখার আহমেদও সেট হয়ে উইকেট দিয়ে আসেন। ৩১ বল খেলে তিনি করেন ২১।

অধিনায়ক বাবর আজম হাল ধরেছিলেন। ফিফটিও পেয়ে যান পাকিস্তান দলপতি। কিন্তু হাফসেঞ্চুরি পূরণ হতেই উইকেট দিয়ে আসেন। তাবরেজ শামসির বলে সুইপ খেলতে গিয়ে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন বাবর তিনি। ১৪১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফের চাপে পড়ে পাকিস্তান।

সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন সৌদ শাকিল। ষষ্ঠ উইকেটে শাদাব খানকে নিয়ে ৮৪ রান যোগ করেন এই ব্যাটার। শাদাব খান ঝোড়ো গতিতে ৩৬ বলে ৪৩ করে আউট হন। এরপর শাকিলও ফিফটি করে সাজঘরে ফিরে যান। ৫২ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ৫২ রান করে তাবরেজ শামসির ঘূর্ণি বলে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে ধরা পড়েন এই হাফসেঞ্চুরিয়ান।

সেট দুই ব্যাটার ফেরার পর পাকিস্তানের বড় স্কোর গড়ার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়। শেষদিকে মোহাম্মদ নওয়াজ ২৪ বলে ২৪ করলেও ২৭০ রানের বেশি তুলতে পারেনি বাবরের দল। দক্ষিণ আফ্রিকার লেগস্পিনার তাবরেজ শামসি ৬০ রান খরচায় নেন ৪টি উইকেট। ৩টি উইকেট শিকার মার্কো জানসেনের।




শ্রীলঙ্কার কাছেও হারল চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড

চন্দ্রদীপ নিউজ: ভারত বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক হার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের। নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে লঙ্কানদের কাছে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে থ্রি লায়ন্সরা। এবারের আসরে এটি তাদের চতুর্থ হার। আগে ব্যাট করে লঙ্কানদের বোলিং তোপে ৩৩.২ ওভারে মাত্র ১৫৬ রানেই গুটিয়ে যায় জস বাটলাররা। জবাবে ১৪৬ বল আর ৮ উইকেট হাতে রেখে বিশাল ব্যবধানে জয় পায় লঙ্কানরা।

রান তাড়া করতে নেমে লঙ্কানরা ২৩ রানেই হারায় দুই উইকেট। দলীয় ৯ রানে আউট হন ওপেনার কুশল পেরেরা (৪)। ২৩ রানের মাথায় সাজঘরের পথ ধরেন অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস (১১)। দুই কুশলকেই ফেরান ইংলিশ পেসার ডেভিড উইলি। সেখান থেকে প্রতিরোধ গড়েন পাথুম নিশাঙ্কা ও সাদিরা সামারাবিক্রমা।

দুজনের অবিচ্ছিন্ন ১৩৭ রানের জুটিতে মাত্র ২৫.৪ ওভারেই জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে শ্রীলঙ্কা। আসরে পায় নিজেদের দ্বিতীয় জয়ের দেখা। ফলে, পাঁচ ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে তারা। নিশাঙ্কা ৮৩ বলে সাত চার ও দুই ছক্কায় ৭৭ রানে এবং সাদিরা ৫৪ বলে সাত চার ও এক ছক্কায় ৬৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

ব্যাঙ্গালুরুতে টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে শুরুটা ভালোই করে ইংল্যান্ড। ডেভিড মালান ও জনি বেয়ারস্টোর ৪৫ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন বিশ্বকাপ দলে ফেরা অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। ২৮ রান করা মালানকে কট বিহাইন্ড করেন তিনি।

এরপর জো রুট পড়েছেন রানআউটের ফাঁদে। ১০ বলে ৩ রান করা ইংলিশ ব্যাটিং স্তম্ভকে ফেরানোর পেছনেও অবদান ম্যাথুসের থ্রোয়ের। ৫৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারিয়েছে ইংলিশরা। এরপর কাসুন রাজিথার শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন জনি বেয়ারস্টোও (৩১ বলে ৩০)। দলের হাল ধরতে পারেননি জস বাটলারও। তাকে ৮ রানে দ্রুত বিদায় করেন লাহিরু কুমারা। লিভিংস্টোন বিদায় নিলে ইংল্যান্ড হারায় তাদের পঞ্চম উইকেট। কুমারার বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে ৬ বল খেলে ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

সেখান থেকে দলকে টানছিলেন বেন স্টোকস ও মইন আলি। তবে ৩৭ রান যোগ করতেই মঈন আলীর(১৫) বিদায়ে ভাঙে জুটি। স্টোকসকে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ হন ক্রিস ওকসও(০)। একাই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন স্টোকস। দলীয় ১৩৭ রানে ৭৩ বলে ৪৩ রান করে আউট হন তিনি। এরপর দ্রুতই আরও দুই উইকেট হারিয়ে ৩৩ ওভার ২ বলে ১৫৬ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। শ্রীলঙ্কার পক্ষে লহিরু কুমারা নেন ৩টি উইকেট।

ইংল্যান্ড একাদশ: জনি বেয়ারস্টো, ডেভিড মালান, জো রুট, বেন স্টোকস, জস বাটলার, লিয়াম লিভিংস্টোন, মঈন আলি, ক্রিস ওকস, ডেভিড উইলি, আদিল রশিদ, মার্ক উড।

শ্রীলঙ্কা একাদশ: পাথুম নিসাঙ্কা, কুশল পেরেরা, কুশল মেন্ডিস, সাদিরা সামারাবিক্রমা, চারিথ আসালাঙ্কা, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, মহেশ থিকসানা, কাসুন রাজিথা, লাহিরু কুমারা, দিলশান মাদুশঙ্কা।




সাবেক মন্ত্রী আবুল হোসেনের মৃত্যুতে মন্ত্রী হাসানাত আবদুল্লাহর শোক প্রকাশ

 

বরিশাল অফিস: আওয়ামী লীগের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, মাাদারীপুর – ০৩ আসনে চার বারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেন ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মঙ্গলবার রাত ২টা ৫মিনিটে শেষ নিশ্বাষ ত্যাগ করেন। (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়েসহ বহু আত্মীয় স্বজন ও শুভাকাঙ্খি রেখে গেছেন।

সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের মৃত্যুতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ কমিটির আহŸায়ক (মন্ত্রী) আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ – এমপি মরুহমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

বুধবার সকালে গৌরনদী উপজেলা পরিষদে বরিশাল-১ আসনের উন্নয়ন প্রকল্প সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মরহুম
আবুল হোসেন এর শ্রদ্ধা-স্মরণে ১ মিনিট নিরাবতা পালন করে শোক প্রস্তাব গ্রহন করেন মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। ওই সভায় বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহ, গৌরনদী-আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারগন, উপজেলা চেয়ারম্যানগন, পৌর মেয়র, ভাইস চেয়ারম্যানগন, ইউপি চেয়ারম্যানগন, আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকগন
উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে আগৈলঝাড়ার সরকারি গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন মেধাবী শিক্ষার্থী (এস.এস.সি. ১৯৬৬), ২০০০ সাল থেকে
বিদ্যালয়ে মেধাবী শিক্ষা বৃত্তির ফাউন্ডার সৈয়দ আবুল হোসেন এর মৃত্যুতে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে মরহুমের শোকসন্তপ্ত
পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন বিদ্যালয়ের পরধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম।




হামাস স্বাধীনতাকামী সংগঠন: এরদোয়ান

ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এরই মধ্যে হামাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে। গাজায় ধারাবাহিক বোমা হামলায় হু হু করে বাড়ছে নিহতের সংখ্যা।

এদিকে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় এখনই ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি কার্যকর করলে হামাস উপকৃত হবে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) যখন গাজায় মানবিক সহায়তা পাঠানোর জন্য সাময়িক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে তখন মিলার এমন হুঁশিয়ারি দিলেন। বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির জন্য বারবার আহ্বান জানানো হলেও যুক্তরাষ্ট্র ব্যতিক্রম কিছু চাচ্ছে।

ম্যাথিউ মিলার বলেন, যুদ্ধবিরতি হামাসকে বিশ্রামের সুযোগ দেবে, পুনরায় গুছিয়ে ওঠার সুযোগ দেবে ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হওয়ার ক্ষমতা বাড়াবে।




রাখাইনদের তৈরি নান্দনিক ডিজাইনের বস্ত্র

 

এস এল টি তুহিন,বরিশাল : রাখাইন নারী তাঁতীদের তৈরি করা শীতের বাহারী চাদর, শার্ট পিস, ব্যাগ, শাড়ি, লুঙ্গী, গামছাসহ প্রয়োজনীয় সব বস্ত্রের কদর দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের সর্বত্রই রয়েছে। মিয়ানমার থেকে আমদানি করা বিভিন্ন রঙ বে-রঙয়ের সুতা দিয়ে হস্তচালিত তাঁতে তৈরী রাখাইনদের নান্দনিক কারুকাজ খচিত বস্ত্রের চাহিদা সারাবছর খুব বেশি না থাকলেও শীত মৌসুমে এর ব্যাপক চাহিদা বেড়ে যায়। তাইতো শীত মৌসুমকে সামনে রেখে বরগুনার তালতলী উপজেলার রাখাইন তাঁতীদের কাপড় বোনায় ব্যস্ততা বেড়ে গেছে।

দীর্ঘদিনের এ মৌসুমী অর্থনৈতিক কর্মকা- গত কয়েক বছর ধরে প্রায় সারা বছরই কম-বেশি চালু থাকে বলে জানিয়েছেন রাখাইন নারী তাঁতীরা। কারণ হিসেবে তারা জানিয়েছেন, বরগুনার তালতলী উপজেলায় ৩০৭ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুত কেন্দ্র, শুভ সন্ধ্যা সী-বিচ, জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প, সোনাকাটা ইকোপার্ক, পাথরঘাটার হরিণঘাটা, লালদিয়ার চরে পর্যটনস্পট।

এদিকে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায় পায়রা সমুদ্র বন্দর, ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, নৌ ঘাঁটি, দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন, সাগরকন্যা কুয়াকাটার পর্যটন কেন্দ্রে বছরের বারোমাসই পর্যটকদের ভীড় থাকায় রাখাইনদের তৈরি বস্ত্রের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।

১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা ও কলাপাড়া উপজেলার কালাচানপাড়া, গোড়াআমখোলাপাড়া, দিয়ার আমখোলা পাড়া, নয়াপাড়া, নাইউরী পাড়া, মংথয়পাড়া, থঞ্জুপাড়া, মিশ্রিপাড়া, লক্ষীপাড়া, বৌলতলীপাড়া, পক্ষীয়াপাড়া, কেরানীপাড়া এবং বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার তালতলীপাড়া, ছাতনপাড়া, গোড়াঠাকুরপাড়া, আগাঠাকুরপাড়া, মনুসেপাড়া, অংকোজানপাড়া, তাতেপাড়া, লাউপাড়া, নামেসেপাড়া, কবিরাজপাড়া, সওদাগাড়পাড়া ও তালুকদারপাড়ায় রাখাইনরা স্থায়ীভাবে বসবাস করা শুরু করেন। চল্লিশ দশকের শেষভাগে এ অঞ্চলগুলোতে ২৪২টি রাখাইন পাড়া বা পল্লী ছিল।

প্রবীণ রাখাইনরা জানিয়েছেন, সে সময়ে বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলায় ৬০ হাজারেরও বেশী রাখাইন নারী-পুরুষ বসবাস করতেন। বর্তমানে রাখাইন জনসংখ্যা ১০ হাজারেরও নিচে নেমে এসেছে। পাশাপাশি বহু রাখাইনপাড়া বিলুপ্ত হয়ে গেছে। একসময়ে জায়গা জমি ধনদৌলতে খুবই স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ ছিল রাখাইনরা। তারা গড়ে তুলেছিলেন বড় বড় বৌদ্ধ বিহার (প্যাগোডা), শ্মশান (চে-শেই) ও শান বাঁধানো পুকুর। পালিত হতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানসহ বৈশাখী পূর্ণিমা, চৈত্র সংক্রান্তি বা সাংগ্রান, নববর্ষ উৎযাপনে জলকেলী উৎসবসহ নানা অনুষ্ঠান। শ্রমন, বিয়ে অনুষ্ঠান, শ্রাদ্ধ, বৌদ্ধ বিহারাধ্যক্ষের মৃত্যু পরবর্তী শ্রাদ্ধ আড়ম্বর পরিবেশে পালিত হতো। নানাবিধ সমস্যায় তারা আর্থ সামাজিক প্রতিযোগিতায় হোচোট খেতে থাকে। যেকারণে এ অঞ্চল থেকে রাখাইন জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে।

বরগুনার তালতলী পাড়া, ছাতন পাড়া, মনুখে পাড়া, আগাঠাকুর পাড়া, নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের সওদাগর পাড়া, তালুকদার পাড়া ও সোনাকাটা ইউনিয়নের কবিরাজ পাড়া, নামিষে পাড়া, লাউপাড়া ও অংকুজান পাড়াসহ রাখাইন পাড়াগুলোতে প্রায় শতাধিক হস্তচালিত তাঁত রয়েছে। কোনো কোনো পাড়ায় একই পরিবারে দুই থেকে তিনটি তাঁতও রয়েছে। কলাপাড়া, কুয়াকাটা ও গলাচিপায় রয়েছে আরও প্রায় দুই শতাধিক তাঁত। এসব তাঁতে প্রায় ছয়শ’র বেশী পেশাদার নারী তাঁতী কাপড় বুনন করে থাকেন।

তালতলী উপজেলার মোমেসে পাড়ার মংচিন থান জানান, একসময়ে তাঁত বস্ত্রের উপরই নির্ভরশীল ছিল রাখাইন পরিবারগুলো। রাখাইন পরিবারের মধ্যে এমন প্রচলন ছিল যে, মেয়েরা হস্তচালিত তাঁত শিল্পের কাজ না জানলে তাদের বিয়ে হতোনা। রাখাইনদের তাঁতে প্রথমদিকে পরিবারের চাহিদা মেটাতে কাপড় বোনা হতো। পরে তারা বাণিজ্যিক পরিসরে এ কাজ শুরু করলে দেশব্যাপী তাদের বস্ত্রের ব্যাপক কদর বাড়ে। কিন্তু যথার্থ পদ্ধতিতে বিপণন বা রপ্তানী করতে না পারায় তাদের এ শিল্প বেশীদূর যেতে পারেনি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদৌলতে উপকূলে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকা-ে একদিকে যেমন বেড়েছে জনসমাগম, তেমনি বেড়েছে বিকিকিনি। তাছাড়া পদ্মা সেতু চালুর পর এখন আর ঢাকা থেকে দেশের সর্বদক্ষিণের জেলায় আসতে কোন ঝক্কিঝামেলা পোহাতে হচ্ছেনা। সম্পূর্ণ ফেরি বিহনীভাবে পর্যটকরা খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্রগুলো আসতে পারছেন। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যোগাযোগ মাধ্যমের উন্নতির সাথেসাথে তাদের (রাখাইন) পন্যের প্রসার ঘটছে।

রাখাইন নেত্রী এ্যামেন রাখাইন বলেন, দক্ষিণাঞ্চলে বসবাসরত রাখাইন সম্প্রদায়ের লোক সংখ্যা দিনদিন কমে যাচ্ছিল। কর্মসংস্থানের অভাবই ছিল তার প্রধান কারণ। কিন্তু বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় এ অঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তাই আমরা (রাখাইন) আমাদের হারানো ঐতিহ্য ও অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। তারই ধারাবাহিকতায় শীত মৌসুমকে সামনে রেখে রাখাইন পল্লীগুলোতে পোশাক তৈরির ধুম পরেছে। পরিবারের সবাই মিলে মনের মাধুরী দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বাহারি ডিজাইন ও নানা রঙের পোশাক। আর এসব পোশাক ক্রয় করতে ভিড় করছেন এখানে বেড়াতে আসা পর্যটকরা।