পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করলো অস্ট্রেলিয়া

তবুও আমির জামালকে নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের রান তিন অংকের ঘর পার করে দিয়েছিলেন রিজওয়ান। পরে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে বাকি তিন উইকেট পড়তে খুব বেশি সময় লাগেনি। ১১৫ রানেই অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান।

জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৩০ রানের। শুরুতেই উসমান খাজার উইকেট তুলে নিতে সক্ষম হলেও অস্ট্রেলিয়াকে আর বিপদে ফেলতে পারেনি পাকিস্তানি বোলাররা। যার ফলে ২৫.৫ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়েই ৮ উইকেটের ব্যবধানে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। দেড় দিন বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয় প্যাট কামিন্সের দল।

তিন টেস্টের সিরিজে পাকিস্তান হোয়াইটওয়াশ হলো ৩-০ ব্যবধানে। পার্থে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে ৩৬০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিলো অস্ট্রেলিয়া। মেলবোর্নে দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয় ৭৯ রানে। শেষ টেস্টে জিতলো তারা ৮ উইকেটের ব্যবধানে।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শেষটা রাঙান ডেভিড ওয়ার্নার। অনবদ্য এক হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। আউট হয়েছিলেন ৫৭ রানে। মার্নাস লাবুশেন ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন। হেরে গেলেও পাকিস্তানের নতুন ক্রিকেটার আমের জামাল ব্যাটে-বলে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে হলেন ম্যাচ সেরা।

প্রথম ইনিংসে মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং শেষ দিকে আমের জামালের নৈপুণ্যে ৩১৩ রান করতে সক্ষম হয়েছিলো পাকিস্তান। কামিন্স, হ্যাজলউড, স্টার্ক এবং নাথান লিওনেদের তোপের মুখেও ৩০০ পার করে পাকিস্তান।

জবাবে পাকিস্তানি বোলারদের তোপের মুখে লিডও নিতে পারেনি স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। অলআউট হয়েছে ২৯৯ রানে। ১৪ রানের লিড নেয় পাকিস্তান। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া বোলারদের তোপের মুখে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে শান মাসুদের দল।

তৃতীয় দিন শেষ করেছিলো তারা ৭ উইকেটে ৬৮ রান নিয়ে। চতুর্থ দিন সকালে ব্যাক করতে নেমে বাকি ৩ উইকেটে ৪৭ রান যোগ করতে সক্ষম হলো তারা। মোহাম্মদ রিজওয়ান আউট হন ২৮ রানে। আমের জামাল করেন ১৮ রান। জস হ্যাজলউড নেন ৪ উইকেট। ৩টি নেন নাথান লিওন। ১টি করে নেন মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স এবং ট্রাভিস হেড।

জবাব দিতে নেমে প্রথম ওভারের শেষ বলে স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ না হতেই আউট হয়ে যান উসমান খাজা। সাজিদ খানের বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি। এরপর ওয়ার্নার এবং মার্নাস লাবুশেন মিলে ১১৯ রানের জুটি গড়েন। ৭৫ বলে ৫৭ রান করেন ওয়ার্নার এবং ৭৩ বলে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন লাবুশেন।




ফের লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  লোহিত সাগর দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্বের বৃহত্তম কন্টেইনার শিপিং কোম্পানি মায়ের্স্ক। শুক্রবার প্রতিষ্ঠানটি এক ঘোষণায় জানিয়েছে, লোহিত সাগর দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোতে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলা চলতে থাকায় ওই জলসীমা এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এক বিবৃতিতে ড্যানিশ কোম্পানিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লোহিত সাগর ও এডেন সাগর এড়িয়ে এখন থেকে আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে তাদের জাহাজগুলো ভূমধ্যসাগরে পৌঁছাবে। কিন্তু লোহিত সাগর এড়িয়ে আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে আসার জন্য একটি জাহাজকে ১০ দিন অতিরিক্ত সময় ও বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয় করতে হয়। কোম্পানিটি বলছে, লোহিত সাগরের পরিস্থিতি ‘অতি উচ্চ মাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ’ থাকায় তারা এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

এই নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ না চালানোর সিদ্ধান্ত নিল মায়ের্স্ক। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসনের প্রতিবাদে ইয়েমেনের হুথি সমর্থিত সেনাবাহিনী ইসরায়েলগামী জাহাজগুলোতে হামলা চালানোর পর নভেম্বর মাসে মায়ের্স্কসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি বড় শিপিং কোম্পানি লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ রেখেছিল।

কিন্তু গত মাসে মার্কিন নৌবাহিনী হুথিদের হামলা প্রতিহত করার জন্য লোহিত সাগরে একটি কথিত আন্তর্জাতিক টাস্ক ফোর্স গঠন করার ঘোষণা দেওয়ার পর ড্যানিশ কোম্পানিটি গত রোববার ওই টাস্ক ফোর্সের ছত্রছায়ায় জাহাজ চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

কিন্তু ওই টাস্ক ফোর্সের বহু রণতরী টহল দেওয়া সত্ত্বেও গত বুধবার ইসরায়েল অভিমুখী আরেকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালায় ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলন সমর্থিত সেনাবাহিনী। সিএমএ সিজিএম ট্যাগ নামক জাহাজটি ইয়েমেনের নৌবাহিনীর সতর্কতা কয়েক দফা উপেক্ষা করার পর এতে হামলা চালানো হয়।

ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়ি গত বুধবার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরায়েল অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ওপর আগ্রাসন বন্ধ না করা পর্যন্ত ইয়েমেনের সেনাবাহিনী লোহিত সাগর ও আরব সাগরে ইসরায়েলগামী জাহাজে হামলা চালিয়ে যাবে। তবে ইসরায়েলি মালিকানাধীন কিংবা ইসরায়েলগামী নয় এমন কোনো জাহাজের ক্ষতি ইয়েমেন করবে না।




ট্রেনে আগুন ফোনে বলেছিলেন ‘আমি আর পারছি না’, এরপরই খোঁজ নেই এলিনার

শনিবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় এলিনার ভাসুর রেজাউল করিম বলেন, গতকাল থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি। কোথাও পাইনি। ট্রেন দুর্ঘটনার ওখানেও নেই, হাসপাতালেও নেই। হাসপাতালে থাকা মরদেহ দেখেছি, সেখানেও নেই। সব জায়গায় আমাদের পরিবারের লোকজন খোঁজ নিচ্ছে। কিন্তু কোথাও পাওয়া যায়নি। গতকালকের পর থেকে এলিনার মোবাইলও বন্ধ। হয়ত ট্রেনেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এর আগে গতকাল এলিনাকে খুঁজতে এসে তার আরেক ভাসুর সৈয়দ মুরাদ হোসেন বলেছিলেন, ছেলে আরফান ও ভাই-ভাবির সঙ্গে একই ট্রেনে আসছিলেন এলিনা। আগুন লাগলে এলিনার ভাই-ভাবি শিশু আরফানকে নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে যান। পরে এলিনা ফোন করে বলেন, ‘আমি আর পারছি না।’ এরপর থেকে আর তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।




হুমকি উপেক্ষা করে ভোট বর্জন জাপা প্রার্থীদের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচার শুরু হয় গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর। এর পর থেকে নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ দাবি করে সরে দাঁড়াচ্ছেন জাতীয় পার্টির একের পর এক প্রার্থী। তাদের অভিযোগ-মনোনয়ন দেওয়ার পর থেকে জাপা হাইকমান্ড প্রার্থীদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখছে না। তারা হুমকির শিকার হচ্ছেন, হামলা ও মামলা করা হচ্ছে। তবু দলের নেতৃত্ব কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

সংবাদ সম্মেলন ও গণমাধ্যমকে জানিয়ে ভোট থেকে সরে গেছে প্রায় ২৩ জন। তবে ঘোষণা না দিলেও অনেকেই নেই ভোটের মাঠে, অনেকেই সরেছেন নীরবে।

আবার নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর ভোটের পরিবেশকে সুষ্ঠ বলে আগের বক্তব্য প্রত্যাহার করেছেন সিলেট-৫ আসনে জাপার প্রার্থী।

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো এ প্রার্থীরা সরকারের সঙ্গে সমঝোতার ২৬ আসনের বাইরের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, প্রায় শতাধিক প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। প্রার্থীদের সরে যাওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন গত ৩ জানুয়ারি। প্রার্থীরা নিজ স্বার্থে সরেছেন উল্লেখ করে জিএম কাদের বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।

গত বুধবার (৩ জানুয়ারি) রংপুরে নিজের নির্বাচনী এলাকায় এক সমাবেশে জিএম কাদের বলেন, গণমাধ্যমের সামনে আমাদের দোস দিয়ে যারা নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিচ্ছেন তা দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এ কাজ করছেন। যারা নির্বাচন থেকে সরে যাচ্ছেন, তারা নিজেদের স্বার্থে সরে যাচ্ছেন। এগুলো যাচাই-বাছাই করে আগামীতে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রার্থীরা এখনও বলছেন, তারা ভালো করবেন। তাছাড়া বিপুল প্রার্থী সরে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। যখন সরে যাবে তখন বলা যাবে। তবে সরে গেলে আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে।

তবে ওইদিনই ভোট থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন জাতীয় পার্টির ৪ প্রার্থী। তারা হলেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সোহরাব হোসেন, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের রবিউল ইসলাম, সিলেট- ৫ আসনের সাব্বির আহমেদ, গাইবান্ধা-৫ আসনের প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার আতা।

এর পরের দিন বৃহস্পতি (৫ জানুয়ারি) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন আরও ৫ প্রার্থী। তারা হলেন ময়মনসিংহ-৩ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের মুহাম্মদ রাকিব হোসেন, গাইবান্ধা-৫ আসনের আতাউর রহমান,
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ও রাজশাহী-৬ আসনের প্রার্থী মো.শামসুদ্দিন।

লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের মুহাম্মদ রাকিব হোসেন  বলেন, ‘দেশে প্রহসনের নির্বাচন হচ্ছে। লক্ষ্মীপুরের সাধারণ মানুষ নির্বাচন থেকে বিমুখ হয়ে পড়েছে। শুধু বিশেষ সুবিধাভোগী কিছু লোক নির্বাচনের মাঠ গরম রেখেছে। ভোটের মাঠে কালো টাকার ব্যাপক ছড়াছাড়ি হচ্ছে। কালো টাকার প্রভাবে কেন্দ্রে এখন এজেন্ট দেওয়া যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘পোস্টার ছিঁড়ে নিয়ে যাওয়া হলেও রিটার্নি কর্মকর্তা বা দলের কারও কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় কেন্দ্রের নির্দেশে আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।’

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নির্বাচনে কর্মীদের ভয়ভীতি-প্রদর্শন, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা এবং কার্যালয় ভাঙচুর হয়েছে অব্যাহতভাবে। এখানে নির্বাচনের সুষ্ঠু যে পরিবেশ, তা নেই। এ নির্বাচন এক পেশে নির্বাচন। এ কারণে আমি আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছি।

প্রার্থীতা প্রত্যাহারের সময় পার হওয়ার পর আইনগতভাবে ভোট ছেড়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এসময় ভোট ছাড়লেও ব্যালটে তাদের প্রতীক থাকবে

আইন অনুযায়ী, তারা ইসির কাছে বৈধ প্রার্থী হিসেবেই গণ্য হবেন। এমনকি ভোটের মাঠ ছেড়ে দেওয়া কেউ যদি বিজয়ী হন, আইনত সেটা বৈধ হবে। ফলে শেষ মুহূর্তে সরে গেলেও নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে না।

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ২৮টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে ১ হাজার ৯৭০ জনের মত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।




পাথরঘাটায় জেলেদের ভোট কেন্দ্রে যেতে উপকূলে মাইকিং

বরিশাল অফিস :: রাত পোহালেই আগামীকাল ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। বরগুনার পাথরঘাটায় জেলেদের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে উৎসাহিত করতে আজ শনিবার উপকূলে মাইকিং করেছে জেলা ট্রলার মালিক সমিতি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী।

জেলা ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা জেলায় ৪২ হাজার জেলে রয়েছে। এর মধ্যে পাথরঘাটায় রয়েছে প্রায় ২৫ হাজার। এসব জেলেদের ভোট না দিয়ে সাগরে মাছ শিকারে যেতে মাইকিং করে নিষেধ করা হয়েছে। এ ছাড়াও সাগরে থাকা জেলেদের ঘাটে ফিরে আসতে মালিকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। এই সময়ে যদি জেলেরা নতুন করে মাছ শিকারে সাগরে যায় তাহলে ভোট দিতে পারবেন না। তাই নতুন করে সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

এ ছাড়াও সাগরে থাকা ১০ হাজার জেলে আজ সন্ধ্যার মধ্যে ঘাটে ফিরবে। এসব জেলেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করবেন বলে জানান গোলাম মোস্তফা চৌধুরী।

পাথরঘাটা উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান খান জানান বলেন, পাথরঘাটায় ১ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন ভোটার রয়েছে। ভোট গ্রহণের জন্য পাথরঘাটায় ৫৩টি কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ১ হাজারের বেশি নৌ-বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়াও র‍্যাবের কয়েকটি টহল টিম আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবে।




বরিশাল-৬ আসন: নির্বাচনে জয়ী হলে জনগণকে দেয়া ওয়াদা রাখবো- মুক্তিযোদ্ধা চুন্নু

রিশাল অফিস :: জীবনের অস্তিত্ব আর যতদিন আছে, ততোদিন মানুষের সেবা করে যাবো। যেখানেই প্রচার-প্রচারণা করেছিলাম সেখানের জনগণদের এই ওয়াদা দিয়েছি। নির্বাচিত হলে জনগণকে দেয়া ওয়াদা সর্ব প্রথম রক্ষা করবো প্রতিবেদককে এমন কথা বলেছেন বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের ট্রাক মার্কা স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর-মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম চুন্নু । তার সাথে থাকা বাকেরগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. লোকমান হোসেন ডাকুয়া বলেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে দেশে উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনেক উন্নত হয়েছে। শহর ও গ্রামে আগের তুলনায় শিক্ষার হার বেড়েছে। তাছাড়া পাশের ফলাফলে একধিকবার দেশ সেরা হয়েছে বরিশাল। এ সব শিক্ষর্থীরা যখনই শুনে শামসুল আলম চুন্নু একজন বীর-মুক্তিযোদ্ধা, আ.লীগ নেতাসহ তার উপজেলায় উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন।

এ সব শুনেই অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা সেচ্ছায় চুন্নু ট্রাক প্রতীকের পক্ষ নিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বরিশাল- ৬ আসনে ট্রাক প্রার্থী জনপ্রিয়তায় ও সমর্থন শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। আশা নয় বিশ্বাস করি, বিপুল ভোটে ট্রাক প্রতীকের জয় হবে। একইভাবে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও থানা আ.লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান বলেন,বীর-মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম চুন্নু ভালো মনের একজন মানুষ।

জনগণ তাকে ভালোবাসে বলেই একই পদে পরপর তিনবার তাকে নির্বাচিত হয়েছিল। তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বাকেরগঞ্জ সদর উপজেলাসহ অধিকাংশ ইউনিয়নের আ.লীগর নেতাকর্মী। তিনি মনে করেন, উপজেলার মতই জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জনগণ ট্রাক প্রতীকে ভোট দিয়ে মুক্তিযোদ্ধ চুন্নুকে জয়ী করবে।

৫ ডিসেম্বর শুক্রবার চরাদি, চরামদ্দি, ফরিদপুর ও নলুয়া সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, চায়ের দোকান ও নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বসতঘরের সামনে ট্রাক মার্কার পোস্টার লাগিয়ে জনগণ প্রার্থীর পক্ষের লোক বলে জনান দিচ্ছে। পাশাপাশি চায়ের দোকানগুলোতে আসা মানুষগুলো নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সমালোচনা ঝড় তুলেছে। তারা প্রার্থীদের বর্তমান ও অতীত কার্যক্রম নিয়ে চায়ের কাপে ঝড় তুলেছেন।

আয়নাল খান, রাজিব হোসেন, রুবেল হাওলাদার ও শহিদুল ইসলামসহ ১০/১২ জনে বলছেন, যুদ্ধ করে এ দেশের মানুষদের স্বাধীনতা অর্জন করে দিয়েছিলেন চুন্নু মত হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা। সেই মুক্তিযুদ্ধের স্ব-পক্ষের দল আ.লীগের সমর্থক হয়ে যুগ ধরে উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ছিলেন।

আবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে হ্যাট্রিক অর্জন করেছেন চুন্নু। জনপ্রিয়তা না থাকলে তিন এতদূর পর্যন্ত এগিয়ে আসতে পারতেন না। তারা দেশ প্রেমিক চুন্নু সমর্থন বলে প্রকাশ্যে জানান দেয়। আলোচনায় উঠে এসেছে, উপজেলা আ.লীগের সভাপতিসহ পরপর তিনবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন বীর-মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম চুন্নু। তিনি রানিং চেয়ারম্যান পদ ছেড়ে হয়েছেন এমপি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী।

সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণাও করছেন উপজেলা আ.লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মী। জনসমর্থনে ট্রাক মার্কা রয়েছে অনেক এগিয়ে। অনেকেরই ধারণা, এ আসনটিতে বিপুল ভোটে জয় অর্জন করার সম্ভবনা রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা চুন্নুর। কেননা, জনগণের কাছে ওয়াদাবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

 




পিরোজপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ১৩০ ভোটকেন্দ্র

বরিশাল অফিস :: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে পিরোজপুর জেলায় তিনটি সংসদীয় আসনে ৪২০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৩০টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে বলে জানান জেলা রির্টানিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান। এদিকে নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি শেষের দিকে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। সুষ্ঠু নির্বাচন ও শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে এবং সহিংসতা ঠেকাতে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশ।

জেলায় এক ব্যাটালিয়ান (৪৭০ জন) সেনা সদস্য ও ৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। তারা জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল দিচ্ছেন। নির্বাচনকালীন যেকোনো সহিংসতা এড়াতে নিয়মিত টহল দেবে সেনাবাহিনী। ৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের তিন দিন পর পর্যন্ত মাঠে থাকবেন তারা।

পিরোজপুর-১ আসনে ১৬৭টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬১টি ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। ১০৬টি ভোটকেন্দ্র স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭ জন। এর মধ্যে নারী ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৩৩ জন আর পুরুষ ১ লাখ ৮৬ হাজার ৩০৪ জন।

পিরোজপুর-২ আসনে মোট ১৬৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৭টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ১৫২টি ভোটকেন্দ্র স্বাভাবিক রয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৪৯৩ জন। এর মধ্যে নারী ১ লাখ ৯১ হাজার ৬৬৬ জন আর পুরুষ ১ লাখ ৯২ হাজার ৮২৫ জন।

পিরোজপুর-৩ আসনে ৮৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪২টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। ৪২টি ভোটকেন্দ্র স্বাভাবিক রয়েছে। পিরোজপুর-৩ আসনে মোট ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ২৩ হাজার ৪৪২ জন। এর মধ্যে নারী ১ লাখ ১০ হাজার ৪৭৪ জন আর পুরুষ ১ লাখ ১২ হাজার ৯৬৭ জন।

পিরোজপুরের ৩টি আসনে নির্বাচনে ১২টি দলের ১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মাঠে রয়েছেন ৭ জন প্রার্থী। জেলায় মোট ভোটার ৯ লাখ ৪ হাজার ৯৭২ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৪ লাখ ২ হাজার ৮৭৩ আর পুরুষ ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ২ হাজার ৯৬ জন।

জেলা রির্টানিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, ’জেলায় তিনটি সংসদীয় আসনে ৪২০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৩০টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি পিরোজপুর-১ আসনে ৬১টি, পিরোজপুর-২ আসনে ১৭টি এবং পিরোজপুর-৩ আসনে ৪২টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার বাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা থাকবে। ভোটের দিন এসব কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ ভাবে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবে।’




১৫-২০ কিলোমিটার নদীপথ পাড়ি দিয়ে ভোলার চরের ভোটাররা যাবেন ভোট দিতে

বরিশাল অফিস :: ভোলার অনেক দুর্গম চরে ভোটকেন্দ্র না থাকায় জেলার প্রায় ৫০ হাজার ভোটারকে ভোগান্তি পোহাতে হবে। ভোট দিতে অনেককে পাড়ি দিতে হবে ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার নদীপথ। তবে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে থাকবে নৌযানের ব্যবস্থা। ভোটারদের নিরাপত্তায় থাকবে কোস্ট গার্ড। প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে জমজমাট ভোটের আশা ভোলাবাসীর।

দ্বীপজেলা ভোলার ৭১টি ইউনিয়নের ১০টি ইউনিয়ন রয়েছে মধ্য মেঘনা ও সাগরের বুকে জেগে ওঠা চরাঞ্চলে। এসব ইউনিয়নে ভোটার আছে ১ লাখেরও বেশি। কেন্দ্র আছে ২৬টি। এতে ভোট দিতে পারবেন ৬০ হাজার ৩০৪ জন। বাকিদের ভোট দিতে হবে নদী পেরিয়ে মূল ভূখণ্ডে অর্থাৎ উপজেলা সদরে গিয়ে।

বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন হাজীপুরে ভোটকেন্দ্র নেই। ভোটারদের নদী পেরিয়ে যেতে হবে দৌলতখান সদরে। এ ছাড়া তজুমদ্দিনের চাঁদপুর ইউনিয়নের চর মোজাম্মেল, চর নাসরিন ও চর ফারজানার প্রায় ১০ হাজার ভোটারকেও ভোট দিতে হবে উপজেলা সদরে গিয়ে।

চরের উন্নয়নের স্বার্থে এমন কষ্ট মেনে নিয়েও ভোট দিতে আগ্রহী চরের মানুষ। রিটার্নিং কর্মকর্তারও আশা, যথেষ্ট ভোটার উপস্থিতির।

ভোলার রিটার্নিং কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান  বলেছেন, শীত মৌসুম হওয়ায় নদী শান্ত। তা ছাড়া ভোটারদের নদীতে চলার অভ্যাস আছে। দূরে হলেও ভোট দিতে সমস্যা হবে না।

স্থানীয় এক ভোটার বলছেন, নৌকা করে তজুমদ্দিন গিয়ে ভোট দিয়ে আবার চরে ফিরে আসবেন।

আরেক ভোটার বলেছেন তাদের চরের উন্নয়নের কথা। বিদ্যুৎ পাওয়াতে লাভবান হচ্ছেন তারা।

ভোলা-৩ আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, মানুষের সুবিধার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের পক্ষ থেকে ভোটের দিন নৌ-যানের ব্যবস্থা রাখা হবে। তিনি আরও বলেছেন, চরের ভোটারদের মূল ভূখণ্ডে নেওয়ার জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যান নৌকার ব্যবস্থা করবে। ভোটাররা ওই নৌকায় করে ভোট কেন্দ্রে  গিয়ে ভোট দিয়ে আবার বাড়ি ফিরবেন।

দুর্গম চরাঞ্চল থেকে কেন্দ্রগুলোতে আসা-যাওয়ায় ভোটারদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল আশরাফুল হক চৌধুরী বলেন, বিক্ষিপ্ত চরাঞ্চল থেকে মূল ভূখণ্ডে যারা এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে তাদের যেন কোনো সমস্যা না হয়, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কোস্টগার্ড বিভিন্ন নৌ-যান নিয়ে নদীতে সার্বক্ষণিক অবস্থান করবে।

ভোলার ৪টি আসনে মোট ভোটার ১৫ লাখ ৫৩ হাজার ৭৫২ জন।




ভোলার মনপুরায় গাড়ি দুর্ঘটনায় বিজিবির ৪ সদস্য আহত

বরিশাল অফিস :: ভোলার মনপুরায় বিজিবির একটি নির্বাচনী টহল গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। এ ঘটনায় ৪ বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দু’জনকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৫ টার দিকে মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জহির ও সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য আবু মুছা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আহত ৪ বিজিবি সদস্যের মধ্যে দু’জনের নাম নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন- হাবিলদার নুরুজ্জামান ও সিপাহী লক্ষণ। অপর দু’জন সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। তারা ব্যারাকে ফিরে গেছেন। নুরুজ্জামান ও লক্ষণ ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ওসি জানান, মনপুরা উপজেলায় নির্বাচনী ডিউটি করছিলেন নৌবাহিনী ও বিজিবির দু’টি টহল টিম। বিকেল ৫টার দিকে উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ এলাকায় বিজিবির টহল করা টমটম গাড়িটির সামনের অংশ ভেঙে তা সড়কের পাশে থাকা খাদে পড়ে যায়। এ সময় গাড়িতে থাকা ৪ বিজিবি সদস্য আহত হন। তাদের মধ্যে দু’জনকে নৌবাহিনীর টহল টিম উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 




ইরানে হামলার দায় স্বীকার আইএসের

চন্দ্রদ্বীপ  ডেস্ক: ইরানে প্রাণঘাতী জোড়া বিস্ফোরণ ও হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অভিজাত শাখা কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ওই হামলার ঘটনা ঘটে।