বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব নির্বাচন-২০২৪ সম্পন্ন

বরিশাল অফিস :: উৎসব মূখর পরিবেশে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব নির্বাচন-২০২৪ সম্পন্ন হয়েছে। ১ বছর মেয়াদী কমিটির এ নির্বাচন গত ২৩ ফেব্রুয়ারী-২০২৪ শুক্রবার সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সভাপতি পদে দৈনিক কালের কন্ঠ ও আজকের পরিবর্তন পত্রিকার বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি মোঃ সাইফুল ইসলাম ১১ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন।

তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী দৈনিক ভোরের অঙ্গিকার পত্রিকার বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি প্রভাষক সাইফুল রহিমও ১১ ভোট পান। যে কারণে প্রথম ৬ মাস সিনিয়র সদস্য হিসেবে মোঃ সাইফুল ইসলাম বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করনে। এ সময়ের মধ্যে প্রভাষক সাইফুল রহিম সভাপতি পরিচয় দেওয়া কিংবা কোন ধরণের সুযোগ সুবিধার গ্রহন করতে পারবেন না।

 

পরবর্তী ৬ মাস পরে তাঁকে বাকী ৬ মাসের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পর তিনি সভাপতি পরিচয় কিংবা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এছাড়াও সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি আরিফ হোসেন ১২ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী দৈনিক দেশ পত্রিকার বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ মামুন পেয়েছেন ১০ ভোট। সকাল ০৯ থেকে ১১ টা পর্যন্ত প্রেসক্লাবের সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে টানা দুই ঘন্টা ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রয়োগ করেন।

 

নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন- বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জহিরুল হাসান অরুন,সদস্য শাহাব উদ্দিন বাচ্চু ও হাফেজ সাইফুল ইসলাম। বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগীতায় সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে নির্বাচনটি উৎসবে পরিনত হয়েছে। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে পূণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হইবে।




বাবুগঞ্জে ব্র্যাকের উপজেলা অ্যাডভোকেসি কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বরিশাল অফিস :: বরিশালের বাবুগঞ্জে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের বাস্তবায়নে “নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ-ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণ” বিষয়ক উপজেলা অ্যাডভোকেসি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারী রোববার সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

বরিশাল জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থানের সহকারী পরিচালক এ কে এম শাহাব উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও সেক্টর স্পেশালিষ্ট ইকনোমিক রিইন্টিগ্রেশন মোঃ শাহিন হোসেন এর সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ কাজী ইমদাদুল হক দুলাল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুবাস সরকার, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান, বাবুগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাকসুদুর রহমান, চাঁদপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন ঢ়ারী, মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহিন হোসেন প্রমূখ। এছাড়াও সভায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের বাবুগঞ্জ উপজেলা ফিল্ড অর্গানাইজার মোঃ হানিফ ও মোসাঃ লামিয়া আক্তার সহ সাংবাদিক, রাজনৈতিক, প্রবাসফেরত ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সেবা প্রদান, বিদেশ ফেরত ও গমনেচ্ছুদের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কিভাবে মোকাবেলা করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করেন।




বরিশালে নির্মিত হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা হাসানাত তোড়ন

বরিশাল অফিস :: জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলায় প্রথমবারের মতো নির্মিত হচ্ছে মহান মুক্তিযুদ্ধের মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ তোড়ন।

উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নে চন্দ্রদ্বীপ হাইস্কুল এ- কলেজের প্রধান ফটকে বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মন্ত্রী পদমর্যাদায় থাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর নামে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন তোরনটির নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের পথে।

দৃষ্টিনন্দন এ তোরন নির্মাণের উদ্যোক্তা বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী ইমদাদুল হক দুলাল বলেন, ঐতিহ্যবাহী চন্দ্রদ্বীপ হাইস্কুল এ- কলেজে দীর্ঘদিন যাবত কোন উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি।

অবহেলিত ছিল। আমি কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর আমার রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর প্রচেষ্টায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হাইস্কুল এ- কলেজের প্রধান ফটকে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি’র নামের তোরনটি খুব শিঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধণ করা হবে।




বরিশালে রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড, কলেজছাত্রী আহত

বরিশাল অফিস :: বরিশাল নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার ( ২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রুপাতলি হাউসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের এক ছাত্রী আহত হয়েছেন। আহত ছাত্রী হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিটের সদস্যরা আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিস বরিশালের সহকারী পরিচালক বেলাল উদ্দিন বলেন, দিকে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। এ সময় ৩টি ইউনিটের সদস্যরা মিলে প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুনে রেস্টুরেন্টের এক পাশের ডেকোরেশন, আসবাবপত্রসহ প্রায় সবকিছুই পুড়ে গেছে। আগুনের সূত্রপাতের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।

রেস্তোরাঁর কর্মী মো. সোহেল জানান, প্রতি শনিবার আমাদের রেস্টুরেন্টে বুফে খাবারের আয়োজন করা হয়। আজও সে আয়োজন করা হয়েছিল। খাবার গরম রাখার জন্য পাত্রের নিচে আগুন দিয়ে রাখতে হয়। খাবারের পাত্রে আগুন দেওয়ার কাজ করছিলেন ওই ছাত্রী। তার হাত পুড়ে গেছে।




পুলিশ কারণে পরিবারের সদস্যদের প্রাণ বেঁচেছিল : আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ

বরিশাল অফিস :: বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী) ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভয়াল কালরাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পূর্বে ঘাতকদের দোতলায় উঠতে বাঁধা প্রদানকারী পুলিশ কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমানকে প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে। শুধু তাই নয়; বাঙালি জাতির সেই দুর্বিসহ রাতে আমাদের মিন্টু রোডের বাসায় ঘাতকরা নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়। ভোরে রমনা থানা পুলিশ সদস্যরা আমাদের বাড়িতে এসে ঘাতকের নির্মম বুলেটে গুরুত্বর আহত আমার স্ত্রী, সন্তান, ভাই-বোনসহ অন্যান্যের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন। একারণেই আমার পরিবারের আহত অনেকেরই প্রাণ রক্ষা হয়েছিল।

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধের মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ডার আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ আরও বলেছেন, এরপূর্বে বঙ্গবন্ধুর উদাত্ত আহবানে সারাদিয়ে পুলিশ সদস্যরা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে ‘থ্রি-নট-থ্রি’ রাইফেল হাতে আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত পাকহানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। যেকারণে পাকহানাদার বাহিনী সারদা পুলিশ একাডেমিতে নিরস্ত্র পুলিশ সদস্যদের নির্বিচারে হত্যা করে।

এখনও দেশের প্রতিটি ক্লান্তি লগ্নে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী নিজেদের জীবন উৎস্বর্গ করে নিরলস ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর বঙ্গবন্ধু একটি জনবান্ধব, আধুনিক, পেশাদার ও চৌকস পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। তিনি শূন্যহাতে একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পরিচালনার দায়িত্ব ভার গ্রহণ করেও পুলিশের বেতন বৃদ্ধি করেছিলেন। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রথম নারী পুলিশ নিয়োগ দিয়েছিলেন। জাতির পিতাকে হত্যার পর স্বৈরশাসকেরা পুলিশ বাহিনীর উন্নয়নে আর কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। যেকারণে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। যার ধারাবাহিকতা এখনও চলমান রয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমানে প্রতিটি পুলিশ সদস্যকেও স্মার্ট হতে হবে। বাংলাদেশ পুলিশের সদ্য পদন্নোতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি বরিশালের কৃতী সন্তান বশির আহমেদ পিপিএম বার স্ব স্ত্রীক শুক্রবার দিবাগত রাত নয়টার দিকে সাংসদের আগৈলঝাড়ার সেরালস্থ বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে আসেন।

এ সময় পুলিশ কর্মকর্তাসহ দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে মতবিনিময় সভায় উল্লিখিত কথাগুলো বলেছেন, আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি। সভায় বাংলাদেশ পুলিশের সদ্য পদন্নোতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি বশির আহমেদ পিপিএম বার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ সেবায় নিজেকে উৎস্বর্গ করার অঙ্গীকার করেছেন।

অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ অ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস, বানরীপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম ফারুক, উজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম জামাল হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ শিকদার বাচ্চু, পৌর মেয়র গিয়াস উদ্দিন বেপারীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।




বরিশালে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

বরিশাল অফিস :: বরিশাল নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা ও নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সামনে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এলাকায় শনিবার (২৪) ফেব্রয়ারি শনিবার দুপুরে সর্বস্তরের জনগনের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সৈয়দ জুয়েলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মাইনুল ইসলাম বাপ্পী, রাব্বী, আব্দুর সালাম মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, নগরীর মধ্যে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের ১১ কিলোমিটার পথ রয়েছে। এ অংশের মধ্যেই রয়েছে জনবহুল এলাকা নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এবং রূপাতলী বাস টার্মিনাল। পায়রা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে নগরীতে যানবাহনের চাপ দ্বিগুনের বেশি
বেড়েছে। এ পয়েন্টগুলোতে দিনরাত যানজট লেগেই থাকে।

প্রতিদিনই ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা। তাই নাগরিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে অবিলম্বে হাতেম আলী কলেজ চৌমাথাসহ এসব পয়েন্টে
ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।




ভোলায় কিশোর গ্যাংয়ের হাতে যুবক নিহত

বরিশাল অফিস :: ভোলার দৌলতখানে কিশোর গ্য়াংয়ের হাতে রাব্বি (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় মাহিদ নামের এক কিশোরের বাবাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই যুবকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে ভোলা ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

দৌলতখান থানার ডিউটি অফিসার মো. সাইদুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত রাব্বি দৌলতখান পৌরসভার মো. জামাল মাঝির ছেলে। তিনি পেশায় জেলে ছিলেন।

স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওইদিন বিকালে উপজেলার পৌর ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বেশ কয়েকজন কিশোর ক্রিকেট খেলছিল। তার মধ্যে রাব্বির ছোট ভাই রাজিবও ছিল। একপর্যায়ে খেলা নিয়ে রাজিব ও মাহিদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

সন্ধ্যার পর চা খেতে উপজেলার সোনালী ব্যাংক এলাকায় যান রাব্বি। এ সময় তিনি শুনতে পান তার ছোট ভাই রাজিবের সঙ্গে ক্রিকেট খেলা নিয়ে মাহিদসহ বেশ কয়েকজন কিশোরের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তখন রাব্বি মাহিদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান।

মাহিদ রাব্বিকে জানায়, তার ছোট ভাই রাজিব ক্রিকেট খেলা নিয়ে তাকে ও তার দলের অন্যান্য কিশোরদের গালমন্দ করেছে। এতে তারা রাজিবের ওপর ক্ষুব্ধ। জানায়, তাকে যেখানে পাবে সেখানেই পেটাবে। এ কথা শুনে রাব্বি রেগে যায়। তখন মাহিদ তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। মারধরে রাব্বির মাথা প্রচণ্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসক তার অবস্থা গুরুতর দেখে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন। পরে স্বজনরা রাতেই তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। সকালের দিকে হাসপাতালটির দায়িত্বরত চিকিৎসক রাব্বিকে ঢাকা মেডিক্যাল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নেওয়ার পথে দুপুরের দিকে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় রাব্বির মৃত্যু হয়।

থানার ডিউটি অফিসার সাইদুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি। রাব্বির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনের কার্যক্রম চলছে। এছাড়াও এ ঘটনায় কিশোর মাহিদের বাবাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রাব্বিকে যারা পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে তারা সবাই কিশোর। তাদের সবার বয়স ১৮ বছরের নিচে।




আম্বানির ছেলের বিয়েতে আমন্ত্রিত কারা?




জাবির দুই ছাত্রের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বরিশালে মশাল মিছিল

বরিশাল অফিস :: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি মুছে ধর্ষণবিরোধী গ্রাফিতি আঁকার জেরে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি-সম্পাদকের বহিষ্কারাদেশ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন ও মশাল মিছিল করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নগরের সদর রোডে এ কর্মসূচি পালন গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা।

নগরের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের জেলা সমন্বয়ক হুজাইফা রহমান।

বক্তব্য দেন বরিশাল ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি একে আজাদ, ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রথিন্দ্রনাথ বাপ্পি, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি নয়ন সরকার, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আহ্বায়ক সিবাত আহমেদ প্রমুখ।

দুই নেতার বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়ের করা মামলা ও এক বছরের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান বক্তারা। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

উল্লেখ্য, ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিকী অনুষদের পশ্চিম পাশের দেয়ালে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি চিত্র মুছে ধর্ষণবিরোধী দেয়ালচিত্র আঁকেন জাহাঙ্গীরনগর ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি অমর্ত্য রায় ও সাধারণ সম্পাদক ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলী।

তারা দুজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৪৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার সিন্ডিকেট সভায় কমিটির সুপারিশে অমর্ত্য রায় ও ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলিকে এক বছরের বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাদী হয়ে এই দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সাভারের আশুলিয়া থানায় ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ মামলা দায়ের করে।




ঢাকায় বরিশাল শিল্পকলা একাডেমির শিশুতোষ নাটক ঝালাপালা মঞ্চায়িত

বরিশাল অফিস :: ঢাকায় জাতীয় নাট্যশালায় জাতীয় শিশু কিশোর ও যুব নাট্যোৎসব ২০২৪ এ ২৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার উদ্বোধনী দিনে মঞ্চস্থ হলো জেলা শিল্পকলা একাডেমি, বরিশাল পরিচালিত রেপার্টরি শিশু নাট্যদলের নাটক ‘ঝালাপালা’।নাট্যশালার স্টুডিও থিয়েটার হলে বিকেল ৫টায় নাটকটির মঞ্চায়ন হয়।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩মার্চ জাতীয় নাট্যশালায় তিনটি হলে জাতীয় শিশু কিশোর ও যুব নাট্যোৎসব ২০২৪ আয়োজন করা হয়। এই উৎসবে বরিশাল শিল্পকলার প্রশিক্ষণ বিভাগের আবৃত্তি ও নাটক বিভাগের শিশুদের নিয়ে গঠিত রেপার্টরি শিশু নাট্যদল বিখ্যাত শিশু সাহিত্যিক সুকুমার রায়ের ‘ঝালাপালা’ নাটকটি মঞ্চস্থ করে। নাটকের নির্দেশনা প্রদান করেন শিল্পকলা একাডেমির নাট্য ও আবৃত্তি প্রশিক্ষক অনিমেশ সাহা লিটু। নাট্য প্রদর্শণী উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহা পরিচালক ঋত্বিক নাট্যজন লিয়াকত আলী লাকী।

‘ঝালাপালা’ সুকুমার রায়ের এক অনন্য রচনা। এ নাটকে যেমন অফুরান পরিচ্ছন্ন কৌতুক রস বিদ্যমান, তেমন রয়েছে জীবন ঘেঁষা নাট্যিক উপাদান। নামেই বলা হয়েছে এটি একটি ‘পালা’। অর্থাৎ পালাগানের মতোই জুড়ির গান দিয়ে জোড়া দেয়া হয়েছে ছিমছাম পর্বগুলো। ভালোমানুষ জমিদার চণ্ডীচরণকে ঘিরে একদল নিষ্কর্মা পরগাছার দল তাঁকে উত্যক্ত করে যাচ্ছে। তার মধ্যে সশিষ্য এক টুলো পণ্ডিত, এক বেসুরো গাইয়ে, গ্রামের গুণ্ডা আর ঠকবাজেরাও আছে। চণ্ডীচরণ অতি ভদ্রলোক, সরাসরি চাকর দিয়ে এদের তাড়াতে পারেন না, শেষপর্যন্ত তাঁর মামা কেদারকৃষ্ণের শরণাপন্ন হতে হলো।

তিনি এসে নিজের রচনা শুনিয়ে পণ্ডিতের কান ঝালাপালা করে আর বাকী সকলকে সাজানো পুলিসের ভয় দেখিয়ে তাড়ালেন। নাটকের গল্পে থেকে থেকে এ ওকে প্রহার করছে। ভাবধারায় নাটকটিকে স্ল্যাপস্টিক কমেডি বলা যায়। শিশু-কিশোরদের নিয়ে নাটকটি জীবন প্রবাহের এক বাস্তব রূপায়ণ। নির্দেশকের মুন্সিয়ানা আর শিশুশিল্পীদের অভিনয় নৈপুণ্যে নাটকটি অনবদ্য হয়ে ওঠে।

নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে রাজীন রাসূল, রওজাতুল জান্নাত লিয়ানা, ফাইজা বিনতে আসাদ, অনংশা সাহা শালুক, মো: তাসনীমুল হাসান আরাজ, রাওনাফ তাসনিম, অনন্যা বাড়ৈ, ইতমিনান আহমেদ, আফনান ইনকিয়াদ রাফিন, মুহাইমিন শামস্, মাহিদুল মাহি, জুনায়েদ শাহি, ওহিদুল ওহি, সানজানা হালদার, প্রত্যাশা মুখার্জী।

নাটকের প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন জেলা কালচারাল অফিসার মো: হাসানুর রশীদ এবং নির্দেশনা সহযোগী হিসেবে শাহিদা আক্তার, সুর ও সঙ্গীত পািরচালনায় মৈত্রী ঘরাই, আবহ ও তালযন্ত্রে উত্তম কুমার মুখার্জী, নৃত্যে জয়ন্তী রায়, পোশাক পরিকল্পনায় সাথী সাহা ও মমতাজ বেগম, মঞ্চ ব্যবস্থাপনায় দীপ সাহা কাজ করেন।