বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

বরিশাল অফিস :: রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডের বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (১ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আগুনে পুড়ে মৃত্যুবরণকারীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এবং আহতদের দ্রুত চিকিৎসা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়েছেন।

তাছাড়া, আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বেইলি রোডে একটি বহুতল ভবনে আগুন লাগে। এতে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 




ভোলার দুই নদীতে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা

বরিশাল অফিস : ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া দুই নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এ নিষেধাজ্ঞা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে ৩০ এপ্রিল মধ্যরাতে।

অর্থাৎ নদী থেকে ইলিশ আহরণে ২ মাসের নিষেধাজ্ঞায় পড়তে হচ্ছে ভোলার জেলেদের। তাই এই দুই মাস বেকার হয়ে পড়বেন উপকূলের দুই লাখের বেশি জেলে।

যে কারণে অভাব, অনটন আর অনিশ্চয়তায় পড়তে যাচ্ছেন তারা। কীভাবে বেকার সময় পার করবেন সেই চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন জেলেরা।

তাই নিষেধাজ্ঞার সময়কালে জেলেদের মাঝে পুনর্বাসনের চাল বিতরণের দাবি তাদের। উপকূলের জেলেরা জানান, গত মৌসুমে পুরো সময়জুড়ে ইলিশ সংকট থাকায় এ বছরের শুরুটা ভালো যায়নি ভোলার জেলেদের।

নদীতে ইলিশ শূন্যতায় বার বার আর্থিকভাবে ধাক্কা খেতে হয়েছে তাদের। এমন সংকটের মধ্যে আবার চলে আসছে ইলিশ ধরায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা।

দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির দিনে কীভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে দিন কাটাবেন এমন দুশ্চিন্তার ছাপ তাদের চোখ-মুখে।

 

আড়তে নিলাম হচ্ছে ইলিশ :–

জেলে সাহাবুদ্দিন ও ছিদ্দিক বলেন, ধারদেনা করে কাটিয়েছি পুরো মৌসুম। এরমধ্যে আবার চলে এসেছে অভিযান। এখন আমরা সংকটে পড়েছি।

জানা গেছে, মাছ ধরেই চলে জেলেদের জীবন-জীবিকা। নদীতে মাছের সংকট বা মাছ ধরা বন্ধ থাকলে তাদের জীবনে নেমে আসে চরম সংকট। নিষেধাজ্ঞাকালীন পুনর্বাসনের জন্য চাল বরাদ্দ হলে সে চাল পৌঁছায় না অনেক জেলের ভাগ্যে।

তুলাতলীর ঘাটের জেলে রহিম ও লোকমান বলেন, আমাদের দাবি, নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলে পুনর্বাসনের চাল যেন দ্রুত দেওয়া হয়।

ঘাটের আড়তদার মো. মনজুরুল আলম বলেন, দুই মাস ইলিশ শিকার বন্ধ, অনেকে জেলে ঘাটে ফিরেছেন। অনেকে আবার ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমরাও আড়ত বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। জেলেদেরকেও আমরা মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে বলেছি।

তবে ইলিশের অভয়াশ্রম রক্ষায় জেলেদের সচেতনতার পাশাপাশি সব ধরনের অভিযানের কথা জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ।

তিনি বলেন, জেলেরা যেহেতু বেকার থাকবেন। তাই দুই মাসে জেলে পুনর্বাসনের জন্য নিবন্ধিত প্রত্যেক জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে।




বেইলি রোডে আগুন: ২০ জনের মরদেহ হস্তান্তর

বরিশাল অফিস :: রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ২০ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশের নিউমার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার রেফাতুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হচ্ছে।

হস্তান্তর করা লাশের মধ্যে ১১ জন হলেন- নাজিয়া (৩৫), আরহান মোস্তফা (৮), সম্পন্ন পোদ্দার (১২), মিমু (২০), জান্নাতিন (২৩), সৈয়দা ফাতেমা তুজ জোহরা (১৭), রিয়া (২৩), স্বপ্না আক্তার (৩৭), পম্পি সাহা (৪৬), মেহেরা কবির দোলা (২৫), মাইশা কবির মাহী (২০)।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা হ্যান্ডমাইক নিয়ে স্বজনদের আহ্বান করছিলেন লাশ শনাক্তের জন্য। নাম-পরিচয় লেখা হচ্ছে জরুরি বিভাগের সামনের একটি বারান্দায়। সেই টেবিল ঘিরে আছেন মৃতদের স্বজনরা।

 

লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। এখন পর্যন্ত ১৬ জনের তথ্য রয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসনের কাছে। রাতেই ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশ। এরপর মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে আগুনে পুড়ে ৪৪ জন নিহত হয়েছেন। দগ্ধ আরও বেশ কয়েকজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, বার্ন ইন্সটিটিউটে এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছেন। অপর দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৩ জন মারা গেছে।

তিনি আরও জানান, আগুনের ঘটনায় আহত বেশির ভাগের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থা গুরুতর। তাদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।




বেইলি রোডে আগুনে পুড়ে ২২ জনের মৃত্যু

বরিশাল অফিস :: রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে আগুনে পুড়ে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ আরও বেশ কয়েকজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন (আরএস) ডা. মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নারী শিশুসহ এখন পর্যন্ত ২২ জনের মরদেহ আনা হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে জানান তিনি।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পান তারা। প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৯টা ৫৬ মিনিটে। পরে আগুনের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়লে আরও ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে পুলিশ, আনসার, র‌্যাব ও এনএসআই।

 




চিকিৎসার টাকা নেই, হতদরিদ্র বরগুনার ছালামের হাজারও টিউমারের সাথে বসবাস

বরিশাল অফিস :: ডাক্তার দ্যাহাইন্যা টাহা নেই। দিনরাত ঘুমাতে পারি না মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করি। ৪৫টি বছর ধইর‌্যা মুই এই ভাবে বাইচ্ছা আছি। ভিক্ষা কইর‌্যা যা পাই হেইয়া দিয়া বউ পোলা লইয়া সংসার চালাই। এই রহম আর বাঁচতে চাই না। মনে চায় মইর‌্যা যাই।’ কথাগুলো বলছিলেন সারা শরীরে ৪৫ বছর ধরে বিরল রোগ হাজার হাজার টিউমার নিয়ে বসবাস করা হতদরিদ্র আব্দুস ছালাম।

ছালাম বরগুনার তালতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের পচাকোড়ালিয়া গ্রামের মৃত্যু আইনুদ্দিন পহলাদের ছেলে। বরগুনার তালতলী উপজেলা পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের পচাকোড়ালিয়া গ্রাম। এই গ্রামের বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধের ঢালে সরকারী জমিতে বসবাস করেন হতদরিদ্র মো. আব্দুস ছালাম (৫৫)। বাবা আইনুদ্দিন পহলানের ৩ ছেলের মধ্যে সবার ছোট ছালাম। জমি জমা বলতে খিছুই ছিল না তাদের। সবাই ছিল দিনমজুর। ছালামের জন্ম ১৯৬৮ সালের নভেম্বর মাসে।

জন্মের ১০ বছরের মাথায় প্রথম তার শরীরে ছোট ছোট গোটার মত উঠতে শুরু করে। দরিদ্র বাবা আইনুদ্দিন পহলান সামান্য আয়ের টাকা দিয়ে ঢাকা বরিশাল খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন যায়গায় ছেলের চিকিৎসা করান। কিন্তু তাতে কোন কাজ হয়নি। ছোট ছোট গোটা ধীরে ধীরে তা বড় হয়ে টিউমারে রুপ নেয়। এতে দিশে হারা হয়ে তার পরিবার। কিন্তু কি করবে দরিদ্র বাবা মা। হতদরিদ্র পরিবারটি এক সময় চিকিৎসা বন্ধ করে দেন তারা। বাবা মা একই সময় মারা গেলে নিজের আয়ের টাকা দিয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়ে নি:স্ব হয়ে পড়েন ছালাম। তাতেও ভালো না হলে একসময় চিকিৎসা করা ছেরে দিয়ে স্ত্রী নাসিমাকে বিয়ে করে সংসারী হন ছালাম।

দেখতে দেখতে কোল জুরে আসে শিউলী, ছালমা, সীমা ও ইব্রাহিম নামে ৪ সন্তান। পরিবারের সদস্য সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে তার শরীরের টিউমারের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। বাড়তে থাকে যন্ত্রনা। দিনমজুরি ছেরে বেছে নেন ভিক্ষা বৃত্তির পথ। এভাবেই চলছে ছালামের জীবন সংগ্রাম। বর্তমানে বাম হাতের কনুইয়ের নীচের টিউমারটি প্রায় ১ কেজি ওজনের হবে। এভাবে হাত পা মাথা চোখ নাক কানসহ শরীর জুরে হাজার হাজার টিউমারে ভরে গেছে ছালামের পুরো শরীর। টিউমারের কারনে ডান চোখটিও নষ্ট হয়ে গেছে এখন সে চোখে আর কিছুই দেখতে পান না।

শুক্রবার সকালে ছালামের সাথে চন্দ্রদীপ নিজের প্রতিবেদকের কথা হয় বরিশালে সদর রোডের কালিবারাড়ি এলাকায় বসে । এখানে সে ভিক্ষা করতে করতে এসেছেন। তিনি জানান তার শরীরের কোন জায়গা বাদ নেই যেখানে টিউমার নেই। টিউমারে ডানােখটি ঢেকে নষ্ট হয়ে গেছে। বাম হাতের বড় টিউমারটির কারনে হাত জাগানো জায়না। দিনে রাতে শরীরে সব সময় অসহ্য যন্ত্রনা হয়। যন্ত্রনার কারনে দিনে রাতে ঘুমাতে পারি না।

 

ভিক্ষা করে যা পাই তা দিয়ে সংসার চালাই। কি দিয়ে চিকিৎসা করাবো। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘ডাক্তার দ্যাহাইন্যা টাহা নাই। দিনরাত ঘুমাইতে পারি না মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করি। ৪৫টি বছর ধইর‌্যা মুই এই ভাবে বাইচ্ছা আছি। ভিক্ষা কইর‌্যা যা পাই হেইয়া দিয়া বউ পোলা লইয়া সংসার চালাই। কি দিয়া ওষুধ কিন্যা খামু। এই রহম আর বাঁচতে চাই না মনে চায় মইর‌্যা যাই।’ তিনি আকুতি জানিয়ে বলেন, সরকার বা অন্য কেউ যদি মোরে সাহায্য হরত হ্যালে মরার আগে একটু শান্তি পাইয়া মরতে পারতাম।

ছালামের স্ত্রী নাসিমা বেগম বলেন, স্বামীর কষ্ট দেইক্যা খুব খারাপ লাগে। টিউমারের ব্যাথায় রাইতে ঘুমাইতে পারে না। ভিক্ষা কইর‌্যা যা পায় হেইয়া দিয়া সংসার চালায়। ওষুধ কিন্যা খাওয়াইন্যা টাহাও নাই। ডাক্তার দেহানের লইগ্যা যদি মোর স্বামীরে কেউ একটু সাহাজ্য করত হ্যালে মোরা হের ডাক্তার দেহাইতে পারতাম।

পচাকোড়ালিয়া গ্রামের ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান পাটোয়ারি বলেন, টিউমারের কারনে ছালাম সবসময় অসুস্থ থাকে। চিকিৎসা করানের মতো তার আর্থিক সঙ্গতি নেই। ভিক্ষা করে সংসার চালায় ছালাম। চিকিৎসার জন্য তার সরকারী সহায়তা প্রয়োজন।

পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার বলেন, ছালামের শরীরে ছোট বড় হাজার হাজার টিউমার। জটিল এই রোগ নিয়ে সে কোন কাজ কর্ম করতে পারে না। হতদরিদ্র হওয়ায় চিকিসা করাতে পারছে না। চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় তাকে সরকারী সহায়তায় প্রয়োজন। আমি তার চিকিৎসার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

 

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মুনয়েম সাদ বলেন, এটি হচ্ছে নিউরোফাইব্রোমেটোসিস। এ রোগটি থেকে সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হবে।

সালামকে সাহজ্য পাঠানোর জন্য ছালামের স্ত্রী নাসিমা বেগমের মোবাইলে যোগাযোগ করা যাবে। ০১৭৮৮০৫৮৮৭৪( বিকাশ) নম্বরে।




মুলাদীতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারী জন্ম দিয়েছে ছেলে সন্তান

বরিশাল অফিস :: বরিশালের মুলাদীতে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। স্বামীহারা ওই নারীর সদ্যজাত সন্তানের দায় নিচ্ছে না কেউ। গত বুধবার রাতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের খাসেরহাট আশ্রয়ন প্রকল্পের একটি ঘরে সন্তান জন্ম দেন। বর্তমানে শিশুটিকে প্রতিবেশিদের হেফাজতে রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। তবে ওই নারী স্থানীয় ৪ যুবকের ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন।

আশ্রয়ন কেন্দ্রের ওই নারীর এক প্রতিবেশি জানান, প্রায় ৫ বছর আগে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর স্বামী মারা যান। পরে তিনি স্বজনদের কাছে আশ্রয় না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করতেন। স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সহযোগিতায় আশ্রয়ন প্রকল্পের জমিসহ একটি ঘর পেয়ে সেখানেই থাকতেন। তাকে সাহায্য সহযোগিতার নামে বিভিন্ন লোকজন তার কাছে আসতেন।

ওই প্রতিবেশি আরও জানান, বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছিলো। বুধবার রাতে ওই নারীর প্রসব বেদনা উঠলে কান্নাকাটি শুরু করেন। আশপাশের নারীদের সহযোগিতায় তার ঘরের মধ্যেই স্বাভাবিক ভাবে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। শিশুটিকে আশ্রয়ন প্রকল্পের একজনের কাছে রাখা হয়েছে।
মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে সাহায্য সহযোগিতা দেওয়ার জন্য কাজিরচর গ্রামের বেল্লাল হাওলাদার, সাইদুল, কালাম ওরফে কালু এবং সোহেল খান ঘরে আসতো। বিভিন্ন সময়ে তারা সাহায্য-সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতেন। এর ফলেই এই সন্তানের জন্ম হয়েছে।

এ ব্যাপারে মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া জানান, ভুক্তভোগী নারীর স্বজনদের কাছ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




বরিশালে চাঁদার দাবিতে প্রবাসীর নির্মাণাধীন ভবনে হামলা

বরিশাল অফিস :: চাঁদার দাবিতে ওমান প্রবাসীর নির্মাণাধীন ভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে তিনজনকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ওইদিন বিকেলে জেলার গৌরনদী উপজেলার সরিকল বন্দরে।

 

ওই এলাকার বাসিন্দা প্রবাসী চুন্নু বালী অভিযোগ করে বলেন, আমি দীর্ঘদিন ওমানের প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে সরিকল বন্দরে একটি ভবন নির্মানের কাজ শুরু করি। ভবন নির্মানের শুরুতেই স্থানীয় নাসির মোল্লা, ইউপি সদস্য রনি মোল্লা ও ইউপি সদস্য হারুন আকন দুইবার আমার কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা চাঁদা নিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নাসির মোল্লা, রনি মোল্লা ও হারুন আকন তাদের দলবল নিয়ে সরিকল বন্দরে এসে ফের আমার কাছে মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবি করে। তাদের দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দিলে ভবন নির্মানের কাজ বন্ধ রাখতে বলেন।

এসময় তাদেরকে চাঁদা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করায় আমার নির্মাণাধীন ভবনে হামলা চালিয়ে মালামাল ভাঙচুর করে। আমি (চুন্নু) ভাঙচুর ঠেকাতে এগিয়ে আসলে নাসির, রনি ও হারুন আমাকে প্রকাশ্যে মারধর করে আহত করে। আমাকে রক্ষায় ব্যবসায়ী হেদায়েত মৃধা ও রাতুল মৃধা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। এসময় বন্দরের ব্যবসায়ীরা এসে আমাদের উদ্ধার করেন এবং হামলাকারী নাসির মোল্লা ও তার সহযোগিদের ধাওয়া করে গণপিটুনি দেয়।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে হারুন আকন বলেন, একইদিন সকালে চুন্নু বালী তার লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। বিকেলে পূর্ণরায় তারা হামলা চালিয়ে নাসির মোল্লাকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেছে।

এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মাজহারুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। উভয় অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।




অপহরণকৃত কিশোরী উদ্ধারের পর বরিশাল ওসিসি থেকে উধাও

বরিশাল অফিস :: র‍্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে অপহরণকৃত কিশোরী নুপুর ঋষি দাস (১৪) কে মাদারীপুর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রাম থেকে উদ্ধারের পর গৌরনদী থানা পুলিশ বরিশাল ওসিসিতে প্রেরণ করেন। এক রাতের ব্যবধানে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ‘ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি)’ থেকে ভিকটিম কিশোরী রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেছে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ওসিসি’র দায়িত্বরত পুলিশ ইনচার্জ আব্দুল জলিল বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারী সকালে অফিসে এসে ভিকটিমের কাগজপত্র চাইলে জানতে পারি সে ওসিসিতে নেই। এ ঘটনার পরই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পাশাপাশি বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডাইরী দায়ের করি। একইসাথে গৌরনদী থানায়ও জানাই। বর্তমানে ভিকটিম উদ্ধার অভিযানের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরনদী থানার সেকেন্ড অফিসার, সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মো: শহিদুল ইসলাম বলেন, অপহরণকৃত কিশোরীকে মাদারীপুর থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারী উদ্ধারের পরই ওসিসিতে প্রেরণ করা হয়। পরে শুনতে পারলাম ওসিসিতে ভিকটিম নেই।

দায়েরকৃত মামলার বাদী ও কিশোরী ভিকটিমের মা ঝর্ণা রাণী দাস বলেন, মেয়েকে দেখতে ২৭ ফেব্রুয়ারী রাত সাড়ে ৮টায় ওসিসিতে আসেন। মেয়ের সাথে থাকতে চাইলে ওসিসির কর্মরত নার্সরা তাকে বলেছেন, ভিকটিমের সাথে কেউ থাকতে পারবে না। আগামীকাল অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারী সকাল ১০ টায় আসতে বলেন। তাদের কথামত পরদিন সকালে মেয়ের জন্য খাবার নিয়ে গেলে জানতে পারি নুপুর ওসিসিতে নেই। মা হয়ে মেয়েকে নিরাপত্তায় রাখতে পারলাম না। আর দায়িত্বরত সরকারী প্রতিষ্ঠানেও নিরাপত্তা পেলাম না।

 

ভিকটিমের বাবা গোবিন্দ ঋষি দাস বলেন, স্ত্রীর সাথে তিনিসহ তার ভাই তপন ঋষি দাস উপস্থিত ছিলেন। নুপুর আগে কখনও বরিশাল শহরে আসেনি। এমনকি পথ-ঘাটও চেনে না। আসামী পক্ষ কেউ ভাগিয়ে নিয়েছে কিনা ? তাও জানি না। নুপুর ৮ম শ্রেণীতে পড়ে। শিশু টিকা কার্ড ও জন্ম সনদানুযায়ী তার জন্ম তারিখ ১৯-০২-২০১০।

ভিকটিমের চাচা তপন ঋষি দাস বলেন, ওসিসিতে সিসি ক্যামেরা আছে। তা পর্যবেক্ষণ করলে বেড়িয়ে আসবে, নুপুর নিজ ইচ্ছায় বা কারো সহযোগিতায় বা আসামীদের প্ররোচনায় পালিয়েছে কিনা?

ভিকটিমের নাম ঠিকানা ও ছবি দিয়ে প্রতিবেদককে সংবাদ প্রকাশ করার অনুরোধ করেন তার মা-বাবা। কারণ, তাদের মেয়েকে কেউ দেখলে ( ০১৭২৪-১৭১৯৮৯) নম্বরে কল করে জানানোর অনুরোধ করেছেন ।

মাদারীপুর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অমিত হোসেন কবির বলেন, আবারো কিশোরী নুপুর তার ইউনিয়নে বা ওই ছেলের বাড়িতে গেলে পূর্বের ন্যায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীদের সহযোগিতা করবেন তিনি।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারী গৌরনদী উত্তর কান্ডাপাশা নিজ গ্রাম থেকে নুপুর বান্ধবীর জন্মদিনে তার বাড়িতে যাবার পথে মাহিলারা ফকির বাড়ির সামনে থেকে মাদারীপুর কুনিয়া গ্রামের অমিত ঋষি দাস (২২), গৌরি ঋষি দাস (৪৫), বিশ্বজিৎ ঋষি দাস (৪৫) ও মাখম ঋষি (৩৫)সহ অজ্ঞাত ২/৩ জন মিলে তাকে (নুপুর) মাইক্রোবাসযোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়। খোঁজাখুজির পর উপায়ন্ত না পেয়ে নুপুরের মা ঝর্ণা রাণী দাস গত ২৬ ফেব্রুয়ারী গৌরনদী থানায় উপরোক্ত অপহরণকারীদের আসামী করে মামলা (নং-২৬/৪৯) দায়ের করেন।




চরমোনাই মাহফিলের মুসল্লী জিম্মি ও ট্রলারে চাঁদা আদায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য আহত

বরিশাল অফিস :: বরিশাল সদর উপজেলা চরবাড়িয়া ইউনিয়নের বেলতলা খেয়াঘাটের সড়কও জনপদের ঘাট ব্যবহার করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, বেলতলা খেয়াঘাটের স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীরা ও ইজারাদার।

কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত বেলতলা খেয়াঘাট। খেয়া পারাপারের যেন অনিয়ম বেড়েই চলছে। অনিয়মের সাথে সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে নানা দুর্ভোগ,যাতে করে সাধারণ মানুষকে গুনতে হচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত খেয়া পারাপারের টাকা। ফলে চরমোনাই ইউনিয়নের প্রতিবারের নেয় এবার মাহফিলে আসা লাখ লাখ মুসল্লীদের প্রতিনিয়তই এই দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

এ নিয়ে যাত্রীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও হয়রানির ভয়ে নিশ্চুপ থাকেন তারা। এছাড়াও তাদের হাতে বছরের পর বছর জিম্মি চরমোনাই ইউনিয়নে বাসিন্দারাও।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারী) বিকালে বেলতলা খেয়া ঘাটে ঘাটের ইজারাদার লোক ইমরান ও স্থানীয় পলাশপুরের বাসিন্দা রাব্বি নামের যুবকের সাথে কথার কাটাকাটি হয়। এ সময় কাউনিয়া থানার এক পুলিশ সদস্য লাঞ্ছিতর শিকার হন। আহত পুলিশ নগরীর কাউনিয়া থানার কনস্টেবল মমিনুল ইসলাম।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি বছরের মত এবছরও চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশ্যে আশা যাত্রীদের কাজ থেকে পল্টনে প্রবেশ করলেই ৮টাকা ভাড়া আদায় করেন। পরবর্তীতে পল্টন থেকে মুসল্লীরা ট্রলার রিসার্ভ করে চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশ্য রওয়ানা দিলে ঘাট ইজারাদারের বাহিরে ট্রলার প্রতি পাঁচশত টাকা থেকে এক হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে চরমোনাই বাৎসরিক মাহফিলে আশা মুসল্লীদের নিরাপত্তা ও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য পুলিশ সদস্যদের কঠোর ডিউটিতে নিয়োজিত রয়েছেন ।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জিহাদুল কবির বলেন,চরমোনাই মাহফিলকে কেন্দ্র করে মুসল্লীদের হয়রানি বা ট্রলার থেকে চাঁদা আদায় ও মারধরের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘাট ইজারাদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি চলছে।

কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, বেলতলা খেয়া ঘাটে ঘাট ইজারাদার ও স্থানীয়দের ভিতর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ডিউটিরত পুলিশ সদস্য নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে তার উপরও হামলা হয়। উক্ত ঘটনায় রাব্বি নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ঘাট ইজারাদারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 




ফাইনালে ‘কিলার’ মিলারকে পাবে বরিশাল

বরিশাল অফিস :: আগামী ৯ মার্চ বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ডেভিড মিলারের। বিয়ের আয়োজনের ঝক্কি কম নয়। তবু অনুরোধের ঢেঁকি গিলে বিয়ের ঠিক আগে ফরচুন বরিশালের হয়ে বিপিএলে দুই ম্যাচ খেলতে এসেছিলেন। তবে দল ফাইনালে ওঠায় এখন সে ম্যাচেও তাকে পেতে চাইছে বরিশাল। আরও একবার বরিশাল কর্তৃপক্ষের অনুরোধ রেখে ফাইনালে খেলতে সম্মত হয়েছেন মিলার।

শুক্রবার (১ মার্চ) ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে মিলারকে পাওয়া যাবে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে ফরচুন বরিশাল কর্তৃপক্ষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবরটি সমর্থকদের দিয়েছেন তারা।

৯ মার্চ দীর্ঘদিনের বান্ধবী ক্যামিলা হ্যারিসের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধবেন মিলার। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিপিএলে খেলতে ঢাকায় পা দিয়েই জানিয়েছিলেন, ’বিয়ে করবো। অনেক কিছু ম্যানেজ করার ব্যাপার ছিল।’ তবু তামিম ইকবাল এবং বরিশাল কর্তৃপক্ষের অনুরোধে টুর্নামেন্টের ‘বিজনেস এন্ড’-এ খেলতে রাজি হয়েছিলেন এই প্রোটিয়া ব্যাটার।

উল্লেখ্য, প্লে-অফে দুই ম্যাচ জিতে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফরচুন বরিশাল। এলিমিনেটরে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স এবং দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট সাকিব আল হাসানের রংপুর রাইডার্সের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়েছে তারা। এখন ফাইনালে চারবারের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লাকে ধরাশায়ী করে প্রথমবারের মতো শিরোপা ছুঁয়ে দেখার স্বপ্নে বিভোর তামিম-মিলারদের বরিশাল।