৩ দিন পর ভোলার নৌপথে লঞ্চ চলাচল শুরু, ঘাটে ফিরছে স্বাভাবিকতা

টানা তিনদিন বন্ধ থাকার পর ভোলার অভ্যন্তরীণ নৌরুটে ফের লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। সমুদ্র ও নদী বন্দরে সতর্কতা সংকেত তুলে নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধীরে ধীরে সচল হতে শুরু করে লঞ্চ সার্ভিস। এতে আটকে পড়া যাত্রীরা গন্তব্যে যাত্রা শুরু করেছেন এবং ঘাটগুলোতে ফিরেছে চেনা কর্মচাঞ্চল্য।

ভোলা নৌবন্দরের সহকারী পরিচালক রিয়াদ হোসেন জানান, আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সকাল থেকেই সব রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। তবে নৌযান কর্তৃপক্ষকে সতর্কতা বজায় রেখে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, টানা বৃষ্টিপাতে উপকূলীয় অঞ্চলসহ ভোলার বিভিন্ন এলাকায় জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। নদ-নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় অনেক এলাকায় বসতঘর, রাস্তা ও ফসলি জমি পানির নিচে চলে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন হাজারো পরিবার।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে এখনও বজায় রয়েছে বৈরী আবহাওয়া। বৃষ্টিপাত আরও ২-৩ দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

পর্যটক ও স্থানীয় যাত্রীদের সুবিধার্থে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে লিটন সিকদারকে কুপিয়ে হত্যা

বরিশালে পারিবারিক বিরোধের জেরে পুলিশের উপস্থিতিতেই নির্মম এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা লিটন সিকদার লিটু (৪২)–কে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় একদল উত্তেজিত জনতা।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুরের বিল্লবাড়ি এলাকায় এ ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। নিহত লিটন সিকদার বরিশাল মহানগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বিল্লবাড়ি গ্রামের নজির সিকদারের ছেলে।

এই ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই সুমন সিকদার (৩৫) ও বোন মুন্নি বেগম (৩৮) গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তারা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মুন্নি বেগম জানান, তার স্বামী জাকির হোসেন গাজী গোপনে আরেকটি বিয়ে করায় পারিবারিক কলহ শুরু হয়। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি মামলাও চলে। বৃহস্পতিবার আদালত থেকে জামিন নিয়ে পুলিশ প্রহরায় তিনি ও তার ভাই লিটন সিকদার বাড়িতে আসলে স্থানীয় একটি পক্ষ অতর্কিতে হামলা চালায়।

পুলিশের সামনেই হামলাকারীরা ঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। লিটনকে মারধর ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়, আহত হন তার ভাই ও বোনও।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এলাকাবাসী লিটনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুব্ধ ছিল। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসসহ নানা অপরাধের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। এমনকি কয়েকদিন আগে বোনজামাই জাকির হোসেনকে মারধর করে তার গোপনাঙ্গে বিদ্যুৎ শক দেয়ার অভিযোগ ওঠে লিটনের বিরুদ্ধে। এতে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লিটন পুলিশ নিয়ে এলাকায় এলে বিক্ষুব্ধ জনতা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। পুলিশ কিছু সময় পর ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে স্থানীয়রা লিটনকে গণপিটুনি দেয়।

পরে পুলিশ এসে আহত লিটনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার সময় উত্তেজিত জনতা আবারও হামলা চালিয়ে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় এবং নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুপিয়ে তার একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ভয়াবহ ক্ষত সৃষ্টি করা হয়।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির শিকদার সাংবাদিকদের বলেন, “বিষয়টি নিয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




“ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা চলছে” — নাহিদের পোস্টে সাদিক কায়েমের তীব্র প্রতিক্রিয়া

‘জুলাই বিপ্লব’ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা এবং ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক মো. আবু সাদিক (কায়েম)।

তিনি দাবি করেন, “জুলাই আন্দোলনে আমার ভূমিকাকে খাটো করার চেষ্টা শুধু দুঃখজনকই নয়, বরং তা ইতিহাস রচনায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।”

সাদিক কায়েম বলেন, ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, কারফিউ এবং দমন-পীড়নের মধ্যেও আন্দোলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তার ও সহযোদ্ধাদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, “আমি যতগুলো বক্তব্য রেখেছি, ৫ আগস্টের পর সেগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে, আমি সব জায়গায়ই বলেছি—জুলাই বিপ্লবের প্রকৃত নায়ক ছিলেন আমাদের শহীদ ও গাজীরা। তাদের আত্মত্যাগেই আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি।”

তিনি এ আন্দোলনকে ‘আপামর জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বিস্ফোরণ’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং বলেন, “এখানে মতভেদ ভুলে সবাই একটি অভিন্ন লক্ষ্য—ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশ গড়তে একত্র হয়েছিল।”

নাহিদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে সাদিক কায়েম চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, “আমি কোনোদিন সমন্বয়কের পরিচয়ে কোথাও দখল বা আত্মসাৎ করেছি—এমন একটি ডকুমেন্টও কেউ দেখাতে পারবে না।”

তিনি জানান, মূল সারির সমন্বয়করা যখন ১৯ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত অনুপস্থিত ছিলেন, তখন তিনি নয় দফা ফরমেশন, কর্মসূচি প্রণয়ন, মিডিয়া হাউজে যোগাযোগ, দ্বিতীয় সারির নেতাদের সেফ হাউজে রাখার ব্যবস্থা এবং দেশি-বিদেশি অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছিলেন।

সাদিক সতর্ক করে বলেন, এসব ঘটনাগুলো জাতির সামনে না এলে ইতিহাস বিকৃতি ঘটবে। “৫ আগস্টের পর দেখা গেছে, কেউ কেউ গুমের নাটক করেছে, কেউ আত্মগোপনে ছিল, আবার কেউ আন্দোলনকে পাশ কাটিয়ে ক্যাম্পাস খোলার পক্ষে ছিল—এরাই পরে বিপ্লবের মহানায়ক হয়ে উঠেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি, চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু একই সময়ে কিছু মানুষ নিজেদের দখলদার সমন্বয়ক হিসেবে তুলে ধরেছে।”

সরকার গঠনের প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা ময়দানে বসেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কোনো সেনানিবাস বা দপ্তর থেকে নয়। আমরা সবাই মিলে এক দফা ঘোষণা দিয়েছিলাম। তখন সায়ের ভাই ও মাহফুজ আলমসহ সকলে ছিল।”

শেষে সাদিক কায়েম বলেন, “দায়িত্বশীল অবস্থানে থাকা ব্যক্তিদের দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। বিভাজন তৈরি না করে ইতিহাসকে সম্মান করা উচিত। কেউ যদি জুলাই চেতনাকে পুঁজি করে রাজনীতি বা ব্যবসা করতে চায়, তবে তাদের বিরুদ্ধেও আন্দোলন চলবে।”

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, সাদিক কায়েম ৫ আগস্টের আগে কোনোভাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘সমন্বয়ক’ ছিলেন না, বরং ৫ আগস্টের পর থেকেই তিনি ওই পরিচয় ব্যবহার করতে শুরু করেন।




বরগুনায় ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে বিএনপি আইনজীবীদের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আহ্বান

নতুন বাংলাদেশের জয়যাত্রায় শহীদ স্মরণে’ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশের মতো বরগুনাতেও পালন করা হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে এই উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান মজিবর।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এজেডএম সালেহ ফারুক, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বর্তমান পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন, জাতীয় আইনজীবী ফোরামের সদস্য অ্যাড. রেজবুল কবির, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আহসান হাবিব স্বপন এবং জেলা আইনজীবী ফোরামের সদস্য অ্যাড. সেলিম হোসেন।

বক্তারা বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে দেশের ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের ভূমিকা অপরিসীম। জুলাই মাসের গণআন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, আমরা তাঁদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। সেই আত্মত্যাগ বৃথা যেতে পারে না। দেশে আজও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অবিলম্বে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানাচ্ছি।”

সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন ফোরামের বরগুনা জেলা শাখার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াসী মতিন।
অনুষ্ঠানে জেলা আইনজীবী ফোরামের অন্যান্য সদস্যবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ভোলায় নিউমোনিয়ার হানা, শিশু ওয়ার্ডে তীব্র সংকট

ভোলায় হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে নিউমোনিয়া ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। বর্ষার সময়কালে তীব্র আবহাওয়ার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। এর ফলে ভোলা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। দেখা দিয়েছে বেড ও ওষুধের সংকট। অনেক অভিভাবক বাধ্য হয়ে সন্তানদের মেঝেতে রেখেই চিকিৎসা করাচ্ছেন।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শিশু ওয়ার্ডের প্রতিটি বেডে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছে দুই থেকে তিনজন শিশু। ওয়ার্ডের আশপাশের মেঝেতেও অন্তত অর্ধশতাধিক শিশু চিকিৎসাধীন। এরা বেশিরভাগই নিউমোনিয়া, ঠান্ডা ও জ্বরে আক্রান্ত।

শিশু রোগীর অভিভাবক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, “বেড না পেয়ে আমার সন্তানকে একদিন মেঝেতে রেখে চিকিৎসা করাতে হয়েছে। পরদিন একটা বেড পেলেও সেখানে অন্য এক শিশুর সাথেই রাখতে হচ্ছে।”

এমন অভিজ্ঞতা জানিয়ে আরেক অভিভাবক জান্নাত বেগম বলেন, “হাসপাতালে বেড না থাকায় অন্য শিশুর সঙ্গে বেড শেয়ার করতে হচ্ছে। চিকিৎসার এই অবস্থা কষ্টদায়ক।”

রোগীর স্বজন মো. ফরিদ বলেন, “ডাক্তার দিনে একবার আসেন। নার্সদের ডাকলেও পাওয়া যায় না। আমাদেরই গিয়ে ধরে আনতে হয়।”

আরেক শিশু রোগীর মা তানিয়া আক্তার ও বাবা মো. জাকীর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, “হাসপাতাল থেকে কোনো ওষুধ, ইনজেকশন বা ক্যানুলা দেওয়া হয়নি। সবকিছু বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়েছে।”

এই সংকট নিয়ে কথা বলেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ সুফিয়ান রুস্তম। তিনি জানান, “আবহাওয়াজনিত কারণে নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় বেড সংকট হচ্ছে। এছাড়া ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর কিছুটা সংকট রয়েছে, যা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




লালমোহনে নিষিদ্ধ বিষাক্ত কীটনাশক জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫০ হাজার টাকা

ভোলার লালমোহনে কৃষিতে ব্যবহারের জন্য সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত বিপজ্জনক কীটনাশক কার্বোফিউরান জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই ২০২৫) দুপুরে লালমোহন পৌর শহরের হাফিজ উদ্দিন এভিনিউ এলাকার মেসার্স রেদোয়ান ট্রেডার্স নামের একটি সারের দোকানে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ১৪০ কেজি কার্বোফিউরান উদ্ধার করা হয়, যা বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এই কীটনাশক রাখার দায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দোকান মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহ আজিজ

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বরাতে জানা গেছে, বুধবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে বিপজ্জনক কীটনাশকের অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার এ অভিযান চালানো হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

অভিযানকালে আরও উপস্থিত ছিলেন লালমোহন উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মোঃ আহসানউল্যাহ, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ রকিবুল হাসান লিটন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হাসনাইন তালুকদার এবং লালমোহন থানা পুলিশের সদস্যরা।

প্রসঙ্গত, কার্বোফিউরান একটি অত্যন্ত বিষাক্ত কীটনাশক, যা মাটি, পানি ও পরিবেশ দূষণ ছাড়াও মানুষ ও প্রাণীর জন্য ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এটি আমদানি, বিক্রি ও মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বরিশাল অফিস :: বরিশালে রোমহর্ষক এক হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন সিকদার লিটু (৪২)।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের বিল্ববাড়ি এলাকায় পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি থেকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষের লোকজন।

হামলায় নিহতের ছোট ভাই সুমন সিকদার (৩৫), বড় বোন মুন্নি বেগম (৩৮) এবং বৃদ্ধা মা গুরুতর আহত হয়েছেন। তারা বর্তমানে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার মূল সূত্র ছিল পারিবারিক কলহ। লিটনের বোন মুন্নি বেগমের স্বামী জাকির হোসেন গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করায় সম্প্রতি পারিবারিক উত্তেজনা দেখা দেয়। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি মামলা হয় দুই পরিবারের মধ্যে।

বৃহস্পতিবার আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে মুন্নি ও তার ভাইয়েরা পুলিশের সহায়তায় নিজ বাড়িতে ফিরলে প্রতিপক্ষ জাকির হোসেন ও তার লোকজন প্রথমে পুলিশের সামনেই বিক্ষোভ শুরু করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে তারা বাড়িতে হামলা চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা প্রথমে বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এরপর লিটন সিকদারকে ঘর থেকে টেনে বের করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে হত্যা করে। একপর্যায়ে তার একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়।

পরিবারের সদস্যরা লিটনকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদের ওপরও হামলা চালায়। বোন মুন্নি, ভাই সুমন এবং বৃদ্ধা মা গুরুতর আহত হন।

এমনকি লিটনের মরদেহ পুলিশ যখন উদ্ধার করে নিয়ে যেতে চায়, তখনও হামলাকারীরা গাড়ি থামিয়ে লাশ ছিনিয়ে নেয় এবং ফের কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পুলিশ যদি প্রথম থেকেই দৃঢ় অবস্থান নিতো, তাহলে এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ঠেকানো যেত।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নিহত লিটন সিকদার আগে থেকেই নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, নারী লাঞ্ছনা ও মারধরের একাধিক অভিযোগ ছিল। এমনকি সম্প্রতি তিনি নিজ ভগ্নিপতিকে বৈদ্যুতিক শক দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এসব কারণে এলাকাবাসীর একাংশ তার প্রতি ক্ষুব্ধ ছিল বলে জানা গেছে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এডিসি-উত্তর) মো. রিয়াদ হোসেন বলেন,“ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত চলছে।”

তিনি আরও জানান, পুলিশের উপস্থিতিতে এমন ঘটনা দুঃখজনক। পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নজরদারিতে রেখেছে।

পারিবারিক বিরোধ থেকে রক্তক্ষয়ী হত্যায় রূপ নেওয়া এ ঘটনা বরিশালজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনরা। অপরাধীদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন তারা।




নবনিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফের বিন আবিয়াহ রোববার (২৭ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূতকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণে শুভেচ্ছা জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন, তার মেয়াদকালে বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হবে। তিনি রাষ্ট্রদূতের কার্যকালীন সময়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রশংসা করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, সাশ্রয়ী শ্রমশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সৌদি আরবের জন্য সম্ভাবনাময় একটি বিনিয়োগ গন্তব্য। বিশেষ করে জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা ও ওষুধ শিল্পে সৌদি বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ততা প্রত্যাশিত।”

এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বাড়ছে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে। তিনি জানান, সৌদি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ‘রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল’ বর্তমানে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল ও মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরের সঙ্গে যুক্ত।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, সৌদি সরকার বাংলাদেশে একটি আরবি ভাষা ইনস্টিটিউট স্থাপন এবং দেশের বিভিন্ন শহরে আটটি মসজিদ নির্মাণের জন্য ২ কোটি মার্কিন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে।

সাক্ষাৎকালে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের পক্ষ থেকে আসন্ন ‘ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এফআইআই)’ ফোরামে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণপত্র প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করেন রাষ্ট্রদূত। এই ফোরাম আগামী অক্টোবর মাসে রিয়াদে অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সৌদি যুবরাজের বাংলাদেশ সফরের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

সাক্ষাৎ শেষে সৌজন্য স্মারক হিসেবে রাষ্ট্রদূতের হাতে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে জনতার আঁকা একটি গ্রাফিতি চিত্র তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা।

সাক্ষাতে সিনিয়র সচিব ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক সমন্বয়কারী লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।




ঢাকা-বরিশাল রুটে বিমান চলাচল বন্ধ, উদ্বেগে যাত্রীরা

দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠা ঢাকা-বরিশাল রুটের যাত্রীবাহী বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বাংলাদেশ বিমান।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) থেকে এই রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় বরিশাল, পটুয়াখালী ও কুয়াকাটার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার দ্রুত আকাশপথে যোগাযোগ ব্যাহত হলো। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল বিমানবন্দরের ম্যানেজার সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “বরিশাল থেকে সব ফ্লাইট বন্ধ।” এরপরই তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উড়োজাহাজ সংকটের কারণেই সাময়িকভাবে বরিশালসহ দুটি রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছে, দুটি উড়োজাহাজ প্রাপ্ত হলেই এই রুটে বিমান চলাচল পুনরায় চালু হবে।

১৯৯৫ সালে বরিশাল বিমানবন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলেও নিয়মিত ফ্লাইট অনেক সময়ই বন্ধ থাকে। সর্বশেষ ২০২১ সালের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে নিয়মিত বিমান চলাচল শুরু হয়। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর যাত্রী সংকটের অজুহাতে ২০২২ সাল থেকে সপ্তাহে তিন দিন করে ফ্লাইট চালানো হচ্ছিল।

বর্তমানে এই রুটে কোনো বেসরকারি এয়ারলাইনও ফ্লাইট পরিচালনা করছে না। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ বিমানের ‘এস ২ একেডি’ নম্বরের উড়োজাহাজ ৬০ জন যাত্রী নিয়ে বরিশালে আসে এবং ৬৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকায় ফিরে যায়। সেটিই ছিল সর্বশেষ ফ্লাইট।

দীর্ঘদিন আকাশপথে নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরা বলছেন, ফ্লাইট বন্ধ থাকায় তারা সময়, অর্থ ও নিরাপত্তার দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন কাঠামোর সঙ্গে এই রুট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম খান রাজন বলেন, “এ রুটে পর্যাপ্ত যাত্রী থাকা সত্ত্বেও বারবার সার্ভিস বন্ধ করা হচ্ছে। এটা এ অঞ্চলের অর্থনীতির জন্য অশনি সংকেত।”

তিনি আরও বলেন, “এখন সময় এসেছে বিমানবন্দর আধুনিকায়ন করে যাত্রীবান্ধব করে তোলা ও ফ্লাইট চালু রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করার। অন্যথায় আমরা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।”

সাধারণ যাত্রীরাও দ্রুত এই রুটে বিমান চলাচল স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




কুমিল্লায় গোমতী নদীর পানি বাড়ছে, বন্যার শঙ্কা

 

টানা ভারি বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জেলায় বন্যার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে। বুধবার (৯ জুলাই) বিকেল সোয়া ৩টার সময় নদীর পানি ৮.৫৬ মিটার ছিল, যা বিপৎসীমা ১১.৩ মিটারের থেকে প্রায় ৩ মিটার কম। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় পানি মাত্রায় প্রায় ৫ মিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মো. ওয়ালিউজ্জামান জানান, টানা ভারি বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের কারণে পানি বৃদ্ধির ঘটনা ঘটছে। বৃষ্টি থামলে এবং পাহাড়ি ঢল বন্ধ হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে, অন্যথায় বন্যার শঙ্কা থাকবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।

কুমিল্লা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৯.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টায়ও ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। মৌসুমী বৃষ্টিপাত এবং সাগরের লঘুচাপের প্রভাবের কারণে আবহাওয়া অনির্দিষ্ট থাকবে।

জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে বন্যার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বড়ুয়ার মতে, ৫৮৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও চাল মজুত রয়েছে। প্রশাসন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম

\#গোমতীনদী #কুমিল্লাবন্যা #ভারিবর্ষণ #বাংলাদেশ #GomtiRiver #CumillaFlood #HeavyRain #Bangladesh