বরিশাল হিজলা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মারা গেছেন

বরিশাল অফিস :: বরিশালের হিজলা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মো. আলতাফ হোসেন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাহির রাজিউন)। শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাত পৌনে ৯টায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি দীর্ঘ ২০ বছর হিজলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ছিলেন।

হিজলা উপজেলার সংরক্ষিত ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আলতাফ হোসেন দীর্ঘ তিন বছর ধরে লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। জানাজা ও দাফনের সময় চুড়ান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।’

এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি হিজলা উপজেলার চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন ঢালী মারা যান।




পলাশের রঙে রঙিন ববি, মোহনীয় সৌন্দর্যে টানছে দর্শনার্থী

বরিশাল অফিস :: বসন্ত আসলেই প্রকৃতিতে যেন সাজের জোয়ার উঠে। কে কত বেশি সাজিয়ে তুলতে পারে প্রকৃতিকে। কে কত বেশি সৌন্দর্য বিলাতে পারে প্রকৃতিতে। ফুলের মধ্যে শুরু হয় প্রতিযোগিতা। সেই প্রতিযোগিতায় অনেকটাই এগিয়ে থাকে লাল-হলুদের মিশ্রিত মোহনীয় রঙের পলাশ। যার সৌন্দর্য থেকে পশু-পাখি থেকে মানবকুল কেউ দৃষ্টি সরাতে পারে না।

কবি কিংবা গীতিকাররা নানানভাবে দিয়েছেন পলাশের সেই সৌন্দর্যের বর্ণনা, রূপসি বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ লিখেছেন ‘যে-দিন সন্ধ্যায় পলাশের বনে হিঙ্গুল মেঘের আলোয় কোকিলের ডাক শুনেছি, সে-দিনই বুঝেছি আমার মৃত্যু অনেক দূরে।’

প্রকৃতিতে ঋতুরাজের আগমনে রূপসি বাংলার কবির জন্মভূমি বরিশালে এক যুগ পার করে আসা দক্ষিণবঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসকে আবেশ মাখানো রঙেই রাঙিয়ে তুলেছে সেই পলাশ।

পুরো বসন্ত জুড়ে ববি ক্যাম্পাস যেন পলাশ ফুলের ছোট্ট এক টুকরো রাজ্য হয়ে উঠে। যে দিকেই তাকাই চোখে পড়ে পলাশ ফুলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য। ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চ এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংলগ্ন রাস্তার পাশে সারি সারি অগ্নি রঙা পলাশ ফুল সৌন্দর্যের দূতী ছড়াচ্ছে শিক্ষক- শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা- কর্মচারীদের মাঝে। পলাশের চোখ জুড়ানো মুগ্ধতায় কাছে টানছে নানারকম পাখির সঙ্গে দর্শনার্থীদের দৃষ্টিকেও।

সৌন্দর্য উপভোগে আগ্রহের কমতি নেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে। সবাই ভিড় জমাচ্ছেন পলাশ গাছের নিচে। কেউ ছবি তুলছেন। কেউবা আবার ফুল ছিঁড়ে তার প্রিয়জনের ফুলের খোঁপায় বুজে দিচ্ছেন।

ক্যাম্পাসে পলাশের সৌন্দর্যের মুগ্ধতা নিয়ে কথা বলতে গেলে মার্কেটিং বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী রক্তিমা গোলদার বলেন, ‘বসন্তের আগমনে রক্তিম সম্ভারে ভরে উঠেছে পলাশ। বসন্ত মানে ফুলের সমারোহ, আর ফুল মানে রঙের মিলনমেলা। আগুন ঝরা পলাশ সেই রঙের মেলায় যোগ করেছে ভিন্নমাত্রা। পলাশে আকৃষ্ট হওয়া পাখির কলতানে মুখরিত হচ্ছে চারদিক। পলাশের ডালের ফাঁক গলে নীলাকাশে মনকে প্রশান্ত করে-রাঙিয়ে তোলে, পলাশ ফুলের সৌন্দর্য ক্যাম্পাসে যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা।প্র কৃতি প্রেমীদের কাছে টেনেছে বারংবার। আমরা এই সৌন্দর্য মনভরে উপভোগ করছি।’

মার্কেটিং বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী মো. পারভেজ আলম পলাশ ফুল নিয়ে বলেন, ‘ঋতুরাজ বসন্তের অপ্রতিম সৌন্দর্যের পূর্ণতা পায় পলাশ ফুলের স্নিগ্ধতায়। আবহমান গ্রাম বাংলার প্রকৃতিতে নয়নাভিরাম পলাশ ফুল না দেখলে যেন অপূর্ণতা থেকে যায় বসন্তের। সুবাস না থাকলেও সৌন্দর্য ছড়াতে জুড়ি নেই পলাশের। পলাশ ফুলের সৌন্দর্য এবং বসন্তের হিমেল হাওয়া মিলে তৈরি হয় এক মনোরম পরিবেশের যা প্রকৃতি প্রেমীদেরকে আকৃষ্ট করে। আর সেই ভালো লাগার পলাশ ফুল যখন নিজের ভালোবাসার ক্যাম্পাসে শোভা ছড়ায় তা আসলে এক অন্যরকম অনুভূতি দেয়, যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।’

 




নাব্যতার সংকটে বরিশাল-ঢাকা পথে নৌপথ

বরিশাল অফিস :: চলতি শুকনো মৌসুমে বরিশাল-ঢাকা নৌপথে নাব্যতার সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মেঘনা ও গজারিয়া নদীর দুই জায়গায় ভাটার সময় পানি তলানিতে পৌঁছে যাচ্ছে। এতে করে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও মালবাহী জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বরিশাল নৌবন্দরেও নাব্যতার সংকট রয়েছে। সেখানে খনন চলছে।

অন্যদিকে নৌপথের বেশ কয়েকটি জায়গা খননের জন্য সম্প্রতি এক সভায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীকে তাগিদ দিয়েছেন লঞ্চমালিকেরা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশালের পরিদর্শক জুলফিকার আলী বলেন, বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাওয়া এমভি সুভরাজ-৯, অ্যাডভেঞ্চার-১ ও সুরভী-৭ লঞ্চের মাস্টাররা অভিযোগ করেছেন, খননের অভাবে ভাটার সময় লঞ্চ চলাচলের জন্য নদীতে ধাক্কাধাক্কি করতে হয়।

এ নিয়ে কথা হলে এমভি সুন্দরবন-১৫ লঞ্চের মাস্টার আলম হোসেন জানান, শুষ্ক মৌসুমের কারণে মেঘনার শাখা এবং গজারিয়া নদীর দুটি জায়গায় প্রায় তিন কিলোমিটার পথে নাব্যতার সংকট দেখা দিয়েছে। এর একটি বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জের বাগরজা থেকে বামনীর চরের গজারিয়া পর্যন্ত এক কিলোমিটার পথ। এখানে জোয়ারের সময় নৌযান চলতে পারলেও ভাটায় লঞ্চ চালাতে হিমশিম খেতে হয়। ভাটায় সাধারণত পানির গভীরতা তিন-চার ফুটে নেমে আসে। যদিও লঞ্চ চলাচলে গভীরতা দরকার কমপক্ষে পাঁচ ফুট এবং মালবাহী জাহাজের জন্য সাত ফুট।

এ ছাড়া চাঁদপুরের হিজলা থেকে বাবুগঞ্জ পর্যন্ত মেঘনার শাখায় দুই কিলোমিটার পথে নাব্যতার সংকট দেখা দিয়েছে। এবার খনন না হওয়ায় সেখানে ভাটার সময় চার ফুট গভীর পানি থাকে। এখানে ভাটায় প্রায়ই মালবাহী জাহাজ আটকে যায়। লঞ্চের মাস্টার আলম বলেন, তিনি তাঁর লঞ্চের মালিককে বিষয়টি অবহিত করেছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করেছেন।

লঞ্চের একাধিক মাস্টার জানিয়েছেন, বরিশাল নৌবন্দরেও নাব্যতার সংকট রয়েছে। যদিও সেখানে খনন চলছে। কিন্তু প্রতিবছরই অপরিকল্পিত খননের কারণে ঘাটে লঞ্চ ভেড়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) রিয়াদ হোসেন বলেন, খননের আগে তাঁরা মালিক সমিতি বরাবর চিঠি দেন। মালিকেরা খননের জায়গা বললে খনন বিভাগে প্রস্তাব পাঠানো হয়। নতুন করে ওই সব জায়গায় নাব্যতার সংকট হলে খনন বিভাগে চাহিদা পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে বিআইডব্লিউটিএ চাঁদপুরের নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালনা বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক বাকের হোসেন বলেন, নতুন করে নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও খননের জন্য তিনি খনন বিভাগে চিঠিও দিয়েছেন।

যোগাযোগ করা হলে লঞ্চ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু জানান, ১৮ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে লঞ্চমালিকদের সঙ্গে সভা হয়। সেখানে প্রতিমন্ত্রীকে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে নাব্যতার সংকটের কথা জানিয়ে দ্রুত খননের তাগিদ দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, পরিকল্পিত খনন না হওয়ায় সরকারের টাকা প্রতিবছর জলে যায়।




রমজানে বাজার মনিটরিং: ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড

বরিশাল অফিস :: পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে বাজার মনিটরিং, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বরিশাল জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের নির্দেশনায় বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৫ মার্চ) বিকাল ৫ টার দিকে বরিশাল নগরীর কয়েকটি বাজারে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।


মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন, বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহরুখ আলম শান্তনু। এ সময় তিনি নতুন বাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে কৃষিপণ্য বিপণন আইনে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

এ সময় আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ ও র‌্যাব-৮ এর ৩ টি টিম। অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 




শিশু আবদুল্লাহকে বাঁচাতে সাহায্য প্রয়োজন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর বাউফলে শিশু আবদুল্লাহ (৭) জন্ম থেকেই হৃদরোগসহ নানা রোগে আক্রান্ত। তার হৃৎপিণ্ডে ছিদ্রসহ ব্লাড সার্কুলেশনের ডান পাশের শিরা বা পাশের শিরার সঙ্গে যুক্ত। এরই মধ্যে তার হাত-পায়ের নখ নীল রং ধারণ করেছে। ওজন মাত্র ১১ কেজি। সামান্য হাঁটা চলা বা খেলাধুলা করলেই হাঁপিয়ে ওঠে, শ্বাসকষ্ট হয়।

 

ভারতের প্রখ্যাত চিকিৎসক দেবী শেঠিসহ তার চিকিৎসা করেছেন।

আবদুল্লাহর বাবা আলী আক্কাস পটুয়াখালী শহরের আলাউদ্দিন শিশু পার্ক এলাকায় ছোট খেলনার দোকান দিয়ে সংসার চালান। মা মুসলিমা বেগম গৃহিণী। তাদের বাড়ি উপজেলার নওমালা গ্রামে। দুই সন্তানের মধ্যে আবদুল্লাহ বড়।

দরিদ্র পরিবারটি সম্বল হারিয়ে কয়েক লাখ টাকা দিয়ে এ পর্যন্ত আবদুল্লাহর চিকিৎসা করালেও এখন আর করাতে পারছে না।

চিকিৎসকরা বলেছেন, তার চিকিৎসায় আরও ৬ লাখ টাকা দরকার। কিন্তু এত টাকার জোগাড় না থাকায় মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছে শিশুটি।

আবদুল্লাহকে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন বাউফল ইউএনও বশির গাজী ও পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা—মো. আলী আক্কাস, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, পটুয়াখালী শাখা, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর: ০১৪৪১২২০০০২১৭০৯
(বিকাশ ও নগদ) ০১৮৪২৭৯৯৯৭৯




বিশ্ব ভোক্তা দিবসে বরিশালে আলোচনা সভা

বরিশাল অফিস :: স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ি, ভোক্তার স্মার্থে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করি এই পতিপাদ্য নিয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিভাগীয় কার্যালয়ের আয়োজনে শুক্রবার (১৫ মার্চ) সকাল ১১ টায় সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বরিশালে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে, প্রধান অতিথি ছিলেন,বরিশাল অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ সোহরাব হোসেন। অনুষ্ঠানে, বরিশাল জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন,বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলী,বরিশাল চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি বরিশালের সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু।

বীর মুক্তিযোদ্ধা বীর প্রতিক কেএসএ মহিউদ্দিন মানিক। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের উপপরিচালক অপূর্ব অধিকারীসহ বিভিন্ন অতিথিরাসহ ক্যাব এর সদস্য, সরকারি-বেসরাকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

শুরুতে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয় পরে আলোচনায় অতিথি বৃন্দরা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা করেন।




বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মসজিদ বরিশালের চরমোনাই

বরিশাল অফিস :: পর্তুগীজ আমলের রহস্যে ঘেরা এই ছোট্ট মসজিদটি দেখে বিস্মিত হন অনেকেই। গা ছমছম করে প্রথম দেখায়। বরিশালের চরমোনাইয়ের হোগলারচর গ্রামের স্থানীয়দের দাবি, কম হলেও ৪ থেকে পাঁচশ বছরের পুরানো মসজিদ এটি। আয়তনে দেশের তো বটেই, পৃথিবীর অন্য কোথাও এতো ছোট মসজিদ নেই বলে দাবি এলাকাবাসীর। মসজিদটি দেখতে প্রায় প্রতিদিন ভিড় করেন দর্শনার্থী।

মুসুল্লীরা জানান, এটি একটি গায়েবী মসজিদ। কেউ কেউ এটিকে আবার একটি কানা মসজিদ বলেও আখ্যায়িত করেন। একত্রে তিন থেকে সর্বোচ্চ পাঁচজন ব্যক্তি নামাজ আদায় করতে পারেন এই পাঞ্জেগানা মসজিদটিতে। এর প্রবেশের দরজার উচ্চতা মাত্র সাড়ে তিন ফুট। দু’পাশে রয়েছো ছোট দুটি জানালা। এই মসজিদটিতে একটি গম্বুজ রয়েছে। ইতিহাস সম্পর্কে কারোরি কোন সঠিক ধারনা নেই। সকলেই মুখ কথায় শুনেছেন গায়েবী ভাবেই এই মসজিদটি স্থাপিত হয়েছে। বটগাছ সাদৃশ একটি গাছ দিয়ে আবৃত রয়েছে পুরো মসজিদটি। লতায় প্যাচানো গাছটির নাম দেওয়া হয়ছে লাহর গাছ। যার পাতার মধ্যেও রয়েছে ভিন্নতা। অদ্ভুত এই গাছের পাতাও বিরল প্রজাতির। গাছটি এমন ভাবে মসজিদটিকে ঘিরে রেখেছে। যাতে বাহির থেকে মসজিদটির কোন অংশই বুঝার উপায় নেই।

মসজিদ, গাছ, এবং এখানকার পুকুর নিয়ে স্থানীয়দের আছে নানা বিশ্বাস, মতবাদ। কেউই এই মসজিদের উপরে গাছের ডালা ভাঙা তো দূরে থাক, একটি পাতাও ভুলক্রমে ছেড়েন না। গাছ থেকে যে পাতা ঝড়ে পরে তা পরেই থাকে। জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারও করেনা কেউ। তাদের বিশ্বাস, কেউ যদি এই গাছের ডাল ভাঙে, কিংবা পাতা ছিঁড়েন তবে তার বিপদ হবেই হবে। মাত্র বছর পাঁচেক আগেও এই গাছের ডাল কাটায় স্থানীয় আরেক মসজিদের ইমাম পঙ্গু হয়েছেন অলৌকিক ভাবে বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের।

স্থানীয়রা কেউ কেউ বলছেন, এই মসজিদটির দেখভাল করছেন জ্বীন-পরীরা!! অনেকেই আবার গভীর রাতে সাদা পোষাকে এই মসজীদে নামাজ আদায় করতেও দেখেছেন বলেও দাবি তাদের।

মসজিদের সামনে একটি দানবাক্স রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ভক্তরা এই দানবাক্সে দান করে থাকেন।

কেবল মুসলিমরাই নন, বিশ্বাস করে আসেন অন্য ধর্মালম্বীরাও। প্রতি তিন মাস অন্তর খোলা হয় মসজিদের দানবাক্স!! প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে রক্ষণাবেক্ষণ ও খিচুড়ি খাওয়ানো হয় গরীবদের। মসজিদটি ইতিহাস সংরক্ষণের পাশাপাশি এর অবয়ব ঠিক রেখে উন্নয়নের দাবি এলাকাবাসীর।

মসজিদটি বরিশাল শহর থেকে সড়ক পথে বেলতলা খেয়াঘাট হয়ে চরমোনাইয়ে চরহোগলা গ্রামে যাবার পথ ৮ কিলোমাটার। এছাড়াও শহরের রুপাতলী হয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছুয়ে ভোলা সড়ক ঘুরে চরমোনায়ের এই গ্রামে সরাসরি যাতায়াত করা যায়।




সন্তানদের জন্মভিটা দেখাতে জার্মানি থেকে বরিশালে শংকর ব্যানার্জী

বরিশাল অফিস :: নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত শংকর ব্যানার্জী। তার আদি বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুরে। দেশভাগের সময় জন্মভিটা ছেড়ে কলকাতা পারি জমালেও ভুলতে পারেননি নিজের জন্মভিটা। তাদের রেখে যাওয়া পঞ্চাশ একরের বেশি জমিতে এখন গড়ে উঠেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। তারই আওতায় বর্তমানে আছে কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট ও আঞ্চলিক হর্টিকালচার সেন্টার। কৃষি গবেষণায় নিযুক্ত এইসব প্রতিষ্ঠানের কম্পাউন্ডে আজও রয়ে গেছে শংকর ব্যানার্জীর জন্মসময়ের সেই পুরোনো স্মৃতি।

আর তা দেখেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিশ্বখ্যাত এই বিশেষজ্ঞ। এর আগে একবার কাজের সূত্রে নিজে আসলেও এবার নিয়ে এসেছেন পুরো পরিবারকে। গত মঙ্গলবার (১২ মার্চ) স্ত্রী গ্যাব্রিয়েল, দুই কন্যা শকুন্তলা ব্যানার্জী ও শর্মিলা ব্যানার্জী এবং জামাতা লুকাস ওয়ালপটকে নিয়ে ঘুরে গেছেন পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি।


শংকর ব্যানার্জী বলেন, আমার স্পষ্ট মনে আছে ১৯৪৭ সালের ২৩ আগস্টের কথা। বরিশাল থেকে স্টিমারে কলকাতা গিয়ে আর ফিরে আসা হয়নি। তবে কুঁড়ি বছর আগের ২০০৩ সালে একবার কাজের তাগিদে চট্টগ্রামে এসে ওখানকার বন্ধুদের আমার জন্মভিটার কথা জানাই। বন্ধুদের আগ্রহে সেবার বরিশালে এসে খোঁজ করে আমাদের পুরানো বাড়ির সন্ধান পাই।

সেবার বাড়ি দর্শনের অভিজ্ঞতা পরিবারকে জানিয়েছিলেন। তা থেকেই স্ত্রী, সন্তান ছায়াঘেরা সুশীতল মায়াবী সেই বাড়ি দেখার আগ্রহ প্রকাশ করে। পরিবারের আগ্রহে এবার তাই এসেছি পরিত্যক্ত সেই স্মৃতিময় জন্মভিটা দেখতে।

শংকর ব্যানার্জী বলেন, আবার কবে আসা হয় জানি না। মেয়েরা দেখতে চেয়েছিল বলেই জন্মভূমিতে ফিরে আসা।

শংকর ব্যানার্জী বর্তমানে জার্মানির বাসিন্দা। বয়স ৮৫ বছর। বরিশাল যখন ছেড়েছিলেন তখন বয়স ৮ কি ৯ হবে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় পরিবারসহ তার পিতা প্রফুল্ল ব্যানার্জী ভারতের এলাহাবাদে বসবাস শুরু করেন এবং এলাহাবাদ কলেজে অধ্যাপনায় নিযুক্ত হন। এলাহাবাদেই লেখাপড়া শুরু করেন শংকর ব্যানার্জী। সেখান থেকে ১৯৬০ সালে পড়াশোনার জন্য জার্মানিতে পাড়ি জমান। পড়াশোনা শেষে জার্মান মেয়ে গ্যাব্রিয়েলকে বিয়ে করে সেখানে বসবাস শুরু করেন। প্রথমে টেক্সটাইল মিল করে ব্যবসা শুরু করলেও তা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। পরে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ডিজাইনারকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। তাতে সফলতা পান। তার ডিজাইনে জার্মান ছাড়ার বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

দ্বিতীয় দফায় রহমতপুরে সপরিবারে এসে নিজের ভিটার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। রেখে যাওয়া বাড়ির কোন স্থানে মন্দির ছিল, কোন জায়গায় প্রতিমা ছিল, কোন জায়গায় বসতঘর ছিল সেসব বর্ণনা দেন মেয়েদের কাছে।

রহমতপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক অলিউল আলম বলেন, হর্টিকালচার সেন্টার যেখানে সেই জমি দেশভাগের আগে যাদের ছিল তারা এসেছিলেন বলে শুনছি। কিন্তু সে সর্ম্পকে আমি কিছুই জানি না। আমার সঙ্গে তাদের দেখা হয়নি।

আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বিমল চন্দ্র কুন্ডু বলেন, ১৯৬০ সালের আগে এই জমি সরকার অধিগ্রহণ করে নেয়। জমি একসময়ে মূখার্জীদের ছিল বলে শুনেছি। সরকারে পলিসির বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই। তবে দেশভাগের আগে এই জমি যাদের ছিল তারা এসেছিলেন বলে জেনেছি।

এই কর্মকর্তা বলেন, হর্টিকালচার সেন্টারের কম্পাউন্ডে কিছু পুরাতন বাড়ির স্থাপনা এখনো টিকে আছে। তাছাড়া শংকর মুখার্জী যে স্থাপনার সামনে ছবি তুলেছেন তা হর্টিকালচার কম্পাউন্ডে। তিনি আমাদের কিছু জানিয়ে আসেননি। আসলে আমাদেরও ভালো লাগতো।




ঝালকাঠির হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা দেশ-বিদেশে

বরিশাল অফিস :: রমজানকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার মুড়ি ব্যবসায়ীরা। উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের তিমিরকাঠি গ্রাম বিখ্যাত মুড়ির গ্রাম নামে পরিচিত। ইতোমধ্যে বেড়েছে মুড়ি তৈরির ব্যস্ততা।

এ গ্রামের মুড়ির কদর রয়েছে সারাদেশেই। রমজানের আগেই মুড়ি ভেজে পাইকারদের হাতে তুলে দিচ্ছেন এখানকার মুড়ি কারিগররা।

নলছিটির মুড়ি পল্লী তিমিরকাঠি গ্রামে প্রায় শতভাগ পরিবারই মুড়ি ভাজা ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। মুড়ি ভাজাকে আদি পেশা হিসেবে ধরে রেখেছেন এ গ্রামের বসিন্দরা। সারাবছর এ কাজ করেই তাদের সংসার চলে। বিশেষ করে রমজান মাস এলেই তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। রমজানের আগেভাগেই মুড়ি ভেজে মজুত রেখে বাড়তি আয় করেন তারা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিটি পরিবারই মুড়ি ভাজায় ব্যস্ত। হাতে ভাজা এ মুড়ি দক্ষিণাঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে সারাদেশে চলে যায়।

মুড়ি ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিন মণকে মণ মুড়ি এ গ্রাম থেকে পাইকার ও আড়তদাররা নিয়ে যান। ইউরিয়া সারের ব্যবহারবিহীন হাতেভাজা এ মুড়ি স্বাদে অতুলনীয়। তাই প্রতিদিন মানুষের কাছে এ মুড়ি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বাজারে অনেক সাদা ও প্যাকেটজাত মুড়ি থাকলেও তিমিরকাঠি গ্রামের হাতেভাজা মুড়ির কদর বেশি।

স্থানীয় পাইকাররা জানান, যেসব মুড়ি দেখতে ধবধবে সাদা তা মেশিনে রাসায়নিক কেমিক্যাল ব্যবহার ও ইউরিয়া সার দিয়ে তৈরি করা হয়। এসব মুড়ি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় সর্বস্তরের মানুষের কাছে হাতেভাজা মুড়ির চাহিদা রয়েছে।

 

মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ নামে মুড়ির আড়তের মালিক মো. গিয়াস উদ্দিন খাঁন জানান, এক সময় দেশের অন্য দশটা গ্রামের মতোই এ গ্রামের লোকেরা নিজেদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় মুড়ি ভাজতেন। ১৯৮৫ সালে পার্শ্ববর্তী গ্রাম জুরকাঠির বাসিন্দা আমজেদ নামের এক ব্যক্তি মুড়ি ভেজে তা বাজারে বিক্রি করতে শুরু করেন। তার দেখাদেখি তিমিরকাঠীর কয়েকটি পরিবার তাদের সংসারের আয় বাড়াতে মুড়ি ভেজে বিক্রি করতে শুরু করেন। এভাবে শুরু হয় মুড়ি ব্যবসায় প্রতিযোগিতা। এক পর্যায় গ্রামের পরিবারগুলো মুড়ি ভেঙেই তাদের সংসার চালাতে শুরু করে।

স্থানীয় মুড়ির কারিগর দেলোয়ার হোসেন ও মোসা. খাদিজা বেগম জানান, মুড়ির জন্য উপযোগী বিশেষ তিনটি প্রজাতির ধান থেকে মুড়ি উৎপাদন ভালো হয়। দপদপিয়া ইউনিয়নে মোটা নাখুচী ও সাদা মোটা নামের তিন প্রজাতির ধানের ব্যাপক চাষাবাদ ও ফলন হয়। পূর্বে একমাত্র বউড়ি ধানের মুড়ির প্রচলন থাকলেও এখন তার চেয়ে সরস ধান হিসেবে নাখুচী ধানের মুড়ির কদর বেড়েছে।

এছাড়াও দিনাজপুর থেকে ভারতের নলটি চাল ক্রয় করে তিমিরকাঠীর মানুষ মুড়ি তৈরি করেন। বাণিজ্যিকভাবে মুড়ি ভাজার সাথে তিন যুগ ধরে এ গ্রামের পরিবারগুলো জড়িত।

জানা গেছে, দৈনিক গড়ে ১০০ কেজি মুড়ি ভাজতে পারলে খরচ বাদ দিয়ে ৭ শত থেকে ৮ শত টাকা লাভ হয়। তবে নিজেরা ধান কিনে সিদ্ধ করে শুকিয়ে মুড়ি ভেজে শহরে নিয়ে বিক্রি করলে দ্বিগুণ লাভ হয়। তাই স্বল্প পুঁজির মানুষ রমজান মাসে কমপক্ষে ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন।

স্থানীয় আড়তদাররা এ গ্রাম থেকে মুড়ি সংগ্রহ করে দক্ষিণাঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, কাউখালী, পটুয়াখালী, মির্জাগঞ্জ, মহিপুর, কুয়াকাটা, গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠান।

ঝালকাঠি বিসিকের ভারপ্রাপ্ত উপব্যবস্থাপক এইচ এম ফাইজুর রহমান বলেন, মুড়ি কারিগররা বিসিক থেকে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজ শর্তে ঋণ নিতে পারবে। তারা আমাদের কাছে আসলেই হয়।




তালতলীতে আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবসে ব্যতিক্রমী মানববন্ধন

বরিশাল অফিস :: বরগুনার তালতলীতে আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবস উপলক্ষে মরা খালে কলসি দিয়ে পানি ঢেলে ব্যতিক্রমী মানববন্ধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার পাঁজরা ভাঙ্গা শাখা খালের পাড়ে ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ ও ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এবং ছোট ভাইজোড়া মিঠাপানি সংরক্ষণ কমিটির আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পায়রা নদীর বিভিন্ন প্রবহমান খাল দখল ও দূষণের ফলে পাঁজরা ভাঙ্গা শাখা খালটি ধীরে ধীরে যৌবন হারিয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে। এতে মিঠা পানির অভাবে খালটির দুই পাড়ের কয়েক হাজার কৃষক রবিশস্য, আমন, বোরো ধান, তরমুজ, সূর্যমুখী ফুলের চাষ করতে পারছে না তাই কৃষকরা দ্রুত খালটি খননের মাধ্যমে মিঠা সংরক্ষণের দাবি জানান। বক্তারা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবসে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নদ-নদীকে দখলমুক্ত, দূষণমুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

 

এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, ছোট ভাইজোড়া মিঠাপানি সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক খালিদ মাসুদ, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইসমাইল ফরাজী, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ (তালতলী-আমতলী) উপজেলা সমন্বয়ক আরিফ রহমান, পরিবেশ কর্মী হাইরাইজ মাঝী, উন্নয়নকর্মী এম মিলন, পরিবেশ কর্মী মোস্তাফিজ প্রমূখ।