বরিশালে আবেদ আলীর পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসন

বরিশাল অফিস :: বরিশালে কীর্তনখোলা নদীতে লঞ্চের পাখায় আটকে পড়া জাল ছাড়াতে গিয়ে কাটা পড়ে নিহত জেলে আবেদ আলীর পরিবারকে বরিশাল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার( ২৫ মার্চ) বিকাল ৪ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় তার অফিস কক্ষে নিহত জেলে আবেদ আলীর বাবা সুবহান ফকির ও মা নিরুজান এর হাতে ২৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেন বরিশাল জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,বরিশাল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনদীপ ঘরাই,বরিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সদর মোঃ মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার।

নিহত জেলে আবেদ আলী (৩০) নগরীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর চরের বাসিন্দা বেদে সর্দার সোহরাব সর্দারের ছেলে। গত ১৮ মার্চ সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরিশাল নৌ-বন্দরের পন্টুনে এমভি পারাবাত-১১ লঞ্চের পাখায় আটকে পড়া জাল ছাড়াতে নদীতে নেমে নিখোঁজ হন আবেদ আলী। ঘটনার পরপর ওই জেলের একটি কাটা পা উদ্ধার করা হয়। শরীরের অন্য অংশ উদ্ধারে নদীতে তল্লাশি চালায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। তবে তারা উদ্ধার করতে পারেননি। ঘটনার দুদিন পর লাশ ভেসে উঠে।




টকটকে লাল ও সুস্বাদু রাঙ্গাবালীর ‘রাঙা তরমুজ’

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

তরমুজের নগরী খ্যাত পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালীর রাঙা তরমুজের কদর দেশের সব জায়গাতেই। তাই, প্রতিদিন ক্ষেত থেকেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে এখানকার ‘রাঙা তরমুজ’ টকটকে লাল ও অত্যন্ত সুস্বাদু হওয়ায় এখানকার তরমুজের সুনাম দেশেজুড়ে।

রাঙ্গাবালীর এক তরমুজ মাঠে সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠ ভরা শুধু তরমুজ আর তরমুজ। মাঠের পর মাঠজুড়ে তরমুজ ক্ষেত। দেখতে পাওয়া যায়, কৃষকরা ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে স্তূপ করে রাখছেন ক্ষেতের বা পার্শ্ববর্তী সড়কের পাশে। বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এসে ভিড় করছেন সেখানে। তারা তরমুজ কিনছেন। সেই তরমুজ তারা লঞ্চ, ট্রলার, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানে করে পাঠিয়ে দিচ্ছেন দেশের বিভিন্ন জেলায় কিংবা রাজধানী শহর ঢাকায়। রাঙ্গাবালীতে তরমুজকে ঘিরে চলছে বিশাল এক কর্মযজ্ঞ।
রবি মৌসুমের এ ফসলটির চাহিদা দেশের সর্বত্র। তরমুজ চাষ লাভজনক হওয়ায় চাষিদের মধ্যে আগ্রহও বেড়েছে। পটুয়াখালীর এ উপজেলায় প্রতি বছরই বাড়ছে তরমুজ চাষ। এবার ফলন কম হলেও দাম ভালো পাওয়ায় পরিপক্ব হওয়ার আগেই বাজারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তরমুজ।

চাষি শহিদুল ইসলাম বলেন, বাজারে তরমুজের চাহিদা ও দাম ভালো পাওয়ায় ছোট তরমুজ বাজারজাত করছেন চাষিরা। এতে ফলন কিছুটা কমে যাচ্ছে এবং বাজারে তরমুজের দামও কমছে।

তরমুজ চাষি ইব্রাহিম হাওলাদার বলেন, প্রথম দিকে তরমুজের দাম খুবই ভালো ছিল।
এ বছর তরমুজের দাম ভালো। তবে ফলন ভালো হয়নি। যে কারণে তরমুজ চাষিদের আশানুরূপ লাভ হবে না।
তিনি আরো বলেন, কৃষি বিভাগের সঠিক পরামর্শ পেলে রাঙ্গাবালীতে তরমুজের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।

আড়ৎদাররা বলেন, রাঙ্গা তরমুজের সুনাম রয়েছে সারা দেশে। কিন্তু বেশি দামের আশায় প্রধান মৌসুমের আগেই বাজারে উঠে আসছে অপরিপক্ব তরমুজ।

উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জুয়েল বলেন, তরমুজ পরিপক্ব হওয়ার আগেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তরমুজ বাজারজাত শুরু করেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, রাঙ্গাবালী কার্যালয় সূত্র জানায়, এবার উপজেলায় ৫৬ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে।

আরো পড়ুন : ২ টাকা লাভে পণ্য বিক্রি



২ টাকা লাভে পণ্য বিক্রি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

প্রতিবছরের মতো এবারও রমজান মাসে ২ টাকা লাভে পণ্যসামগ্রী বিক্রি শুরু করেছেন দুমকী উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের হাজির হাট এলাকার আসাদুজ্জামান টিপু ফরাজি। সুলভ মূল্যে পণ্য কিনতে পেরে ক্রেতারও খুশি।

এক শ্রেণীর মুনাফালোভী ব্যবসায়ী যখন রমজানে পণ্যের দাম বাড়ানোর প্রতিযোগিতা করছে, সেখানে টিপু ফরাজী সুলভে পণ্য বিক্রি করছেন। রোজার প্রথম দিন থেকেই মুড়ি, ছোলা বুট, খেজুর, খেসারির ডাল, বেসন, সয়াবিন তেল, চিড়াসহ অন্যান্য পণ্য প্রতি কেজিতে মাত্র দুই থেকে তিন টাকা লাভে বিক্রি করছেন।রমজানে মহৎ এ উদ্যোগ গ্রহণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন টিপু। তবে শুধু রমজান মাসেই নয়, সারা বছর ব্যবসায়ীরা আসাদুজ্জামান টিপু ফরাজীর মতো ব্যবসা পরিচালনা করবে, এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

জেলা সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে হাজির হাট বাজারে রয়েছে আসাদুজ্জামান টিপু ফরাজীর মালিকানাধীন ‘সততা ভ্যারাইটিজ স্টোর্স’।

এক সময় টিপু সৌদি আরবে প্রবাসী ছিলেন। ২০১০ সালের দেশে ফিরে আসেন। তিন বছর আগে ২০২১ সালের শুরুতে নিজ এলাকা হাজির হাট বাজারে মুদি-মনোহরী ব্যবসা শুরু করেন। সেই থেকে প্রতি বছর রমজানের প্রথম দিন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত প্রতি কেজিতে দুই থেকে তিন টাকার সামান্য লাভে বিক্রি করে আসছেন তিনি। বিশেষ করে মুড়ি, ছোলা বুট, খেজুর, খেসারির ডাল, বেসন, সয়াবিন তেল, চিড়াসহ ইফতারির অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী পণ্যগুলোতে নগদ ক্রেতাদের এ ছাড় দিচ্ছেন তিনি।

দুমকী এবিএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান বলেন, রমজানে টিপু ফরাজী সুলভ মূল্যে পণ্য বিক্রি করছেন। তাঁর এ উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই’।

আসাদুজ্জামান টিপু ফরাজী বলেন, রমজান নাজাতের মাস। ১১ মাস তো কম-বেশি লাভ করি, কিন্তু রমজান মাসে ছাড় দিয়ে পণ্য বিক্রি করব।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালীর সহকারী পরিচালক মো. শাহ শোয়াইব মিয়া জানান, টিপু ফরাজীর মতো অন্য ব্যবসায়ীরা এভাবে এগিয়ে আসলে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে। সাধারণ মানুষও উপকৃত হবে।

আরো পডুন : গলাচিপায় কলেজছাত্র জিসান হত্যা ঘটনায় ২ জন আটক



শেখ হাসিনা সেনানিবাসে সমরাস্ত্র প্রদর্শনী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পটুয়াখালীর লেবুখালী শেখ হাসিনা সেনানিবাসে সাত দিনব্যাপী সমরাস্ত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।

রোববার (২৪ মার্চ) সকালে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল আবদুল কাইয়ুম মোল্লা। পরে তিনি প্রদর্শনীর স্টলগুলো পরিদর্শন করেন।

মেজর জেনারেল আবদুল কাইয়ুম মোল্লা বলেন, ‘শেখ হাসিনা সেনানিবাস বর্তমানে সেনাবাহিনীকে অস্ত্রেসস্ত্রে আরও আধুনিক করেছে।’

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি। এছাড়া বরিশাল ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক, র‍্যাব ৮ এর সিইওসহ সামরিক কর্মকর্তা, পটুয়াখালী ও বরিশাল জেলার অসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: গলাচিপায় কলেজছাত্র জিসান হত্যা ঘটনায় ২ জন আটক

পটুয়াখালীর শেখ হাসিনা সেনানিবাসের এই সমরাস্ত্র প্রদর্শনী চলবে আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৬ দিন জনসাধারণের জন্য এ প্রদর্শনী উন্মুক্ত থাকবে।

উল্লেখ্য, প্রথমবারের মতো বরিশাল এরিয়ায় এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন আর্মস এবং সার্ভিলেনের কার্যক্রম, মহান মুক্তিযুদ্ধ, শেখ হাসিনা সেনানিবাসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, দেশ ও জাতি গঠনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও সাফল্য এবং সেনাবাহিনীতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।

 




বরিশালে ভ্রাম্যমান আদালতে অভিযানে ৬ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

বরিশাল অফিস :: পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে বাজার মনিটরিং, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বরিশালে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের মোবাইল কোর্ট অভিযানে ৬ ব্যবসায়ীকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে ।

বরিবার( ২৪ মার্চ) বিকালে বরিশাল জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের নির্দেশনায় বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে বরিশাল নগরীর কয়েকটি বাজারে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন,
বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ মারজানুর রহমান ও মোঃ শাহরুখ আলম শান্তনু।

এ সময় তারা নগরীর রুপাতলী বাজারে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে কৃষিপণ্য বিপণন আইন ও ভোক্তা অধিকার আইনে এসময় নির্ধারিত মূল্যে পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ের বিষয়ে বিক্রেতাদের সতর্ক করা হয়। এছাড়াও, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, ভাউচার সংরক্ষণ না করা এবং নির্ধারিত মূল্যের অধিক মূলে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয়ের অপরাধে ৬টি মামলায় ৬ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কে মোট ১১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এসময় আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ ও র‌্যাব-৮ এর ৩ টি টিম। অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




সম্পত্তি লিখে নিয়ে মাকে পিটিয়ে ঘরছাড়া করল ১০ সন্তান

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : সব সম্পত্তি লিখে নিয়ে মাকে মারধরের পর ঘর থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সন্তানদের বিরুদ্ধে। ৮২ বছরের হতভাগ্য ১০ সন্তানের মা ফরিদা বেগম এখন ঘুরছেন রাস্তায় রাস্তায়। মাদারীপুর সদর উপজেলার পৌর পেয়ারপুর গ্রামের এ ঘটনায় তোলপাড় এলাকা।

জানা যায়, স্বামী কলম গড়িয়া মারা গেছেন ৩৫ বছর আগে। অনেক কষ্ট করে চার ছেলেকেই করেছেন প্রতিষ্ঠিত। এর মধ্যে বড় ছেলে দেলোয়ার গড়িয়া কাঁচামাল ব্যবসায়ী, মেজ ছেলে কামাল টিটিসিতে চাকরি করেন, এর পর সেজ ছেলে হেমায়েত পল্লী চিকিৎসক, আর ছোট ছেলে কাজল গড়িয়া এলজিইডিতে টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। এ ছাড়া ৬ মেয়েকে বিয়েও দিয়েছেন সম্ভ্রান্ত পরিবারে।

এই ১০ সন্তানের বিরুদ্ধেই ফরিদার অভিযোগ। তবে এই অভিযোগের তীর সবচেয়ে বেশি বড় ছেলে দেলোয়ার, আর ছোট ছেলে কাজলের ওপর।

ফরিদা বেগম জানান, স্বামীর দান করা ও রেখে যাওয়া ৬৭ শতাংশ ফসলি জমি বিক্রি করে সন্তানদের মানুষ করেছেন। আর বাড়ির ৪৫ শতাংশ জমি বিভিন্ন সময়ে কারণে-অকারণে লিখে নিয়ে গেছে সন্তানরা। দলিলে লাখ লাখ টাকা জমির মূল্য দেখালেও ফরিদাকে দেওয়া হয়নি একটি টাকাও। সম্প্রতি সব কিছু লিখে নেওয়ার পর মারধর করে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছোট ছেলে কাজল গড়িয়ার বিরুদ্ধে।

এমন অবস্থায় বড় ছেলে দেলোয়ার তার মাকে বিষ খেয়ে মরে যেতে বলেছে। এর পর রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন হতভাগ্য এই মা।

ছোট ছেলে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার পর আশ্রয় নিয়েছিলেন বড় মেয়ে সুফিয়া বেগমের বাড়িতে। সম্পত্তির ভাগ কম হওয়ায় বড় মেয়েও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মাকে দেখভাল করবেন না। আর অন্য ছেলেদের মুখেও একই কথা।

তবে মাকে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দেওয়া আর জোর করে সব সম্পত্তি লিখে নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। ফরিদার ১০ সন্তানের এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীও। দোষীদের বিচারের পাশাপাশি ফরিদার সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তাদের। সরকারিভাবে আইনগত সহায়তার পাশাপাশি ফরিদা বেগমের পাশে দাঁড়ানোর কথা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

ফরিদা বেগমের ছোট ছেলে কাজল গড়িয়া বলেন, আমার মায়ের মাথায় একটু সমস্যা আছে। তাই মাঝে মাঝে উল্টাপাল্টা বলে। আমি মাকে মারধর করিনি আর জোর করে সম্পত্তিও লিখে নিইনি। মা আমার নামে মিথ্যে কথা বলছে। আমার মা, ভাইদের একই সম্পত্তি বারবার লিখে দেওয়ায় সমস্যা হয়েছে। আমাদের ভাইদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়েছে।




দুই বছর ধরে জোড়া সেতু যেন মৃত্যুকূপ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন খালের পশ্চিম পাশে কাছিয়াবুনিয়া আর পূর্বাংশে হাপুয়াখালী গ্রাম। মাঝখানে বয়ে যাওয়া খালটির নাম আমলাভাঙা। দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মেলবন্ধনে দু’টি সেতু নির্মাণ কর হয়েছে। এই সেতু এখন গলার কাঁটা হয়ে ঝুঁলছে। গত দুই বছর ধরে সেতুর মধ্যাংশে ও পাশের রেলিং ভেঙে গেছে। ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ১৯৯৮ সালে আমলাভাঙ্গা খালের ওপর আয়রন ব্রিজ প্রকল্প থেকে সেতু নির্মাণ করা হয়।

জানা গেছে, ভাঙা সেতু পার হয়ে কাছিয়াবুনিয়া গ্রামে অবস্থিত তিনটি মাধ্যমিক ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা আসা-যাওয়া করছেন।

আরো পড়ুন :কলাপাড়া পৌর এলাকায় ময়লা আবর্জনায় অতিষ্ঠ মানুষ

রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান মামুন বলেন, সেতুটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে নতুন সেতুর কোনো বিকল্প নেই।




হঠাৎ তরমুজের দরপতন, বিপাকে কৃষকেরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীতে প্রচুর তরমুজ থাকলেও ক্রেতার অভাবে একেবারেই দাম নেই। পচনশীল হওয়ায় পানির দামেই পাইকারদের কাছে অনেকে ছেড়ে দিচ্ছেন তরমুজ। ফলে মাথায় হাত পড়েছে কৃষকদের।

কৃষকেরা জানান, তরমুজের এখন যা পাইকারি দাম তাতে উৎপাদন খরচ তো দূরের কথা, পরিবহন খরচই উঠছে না। তরমুজ বিক্রি করে গাড়ি ভাড়ার খরচ দিয়ে পকেট শূন্য।

হঠাৎ দরপতন হওয়ার কারণ হিসেবে পটুয়াখালী চরবিশ্বাস এর কৃষক শামীম পালোয়ান জানান, ব্যাপারীরা যারা ক্ষেত কিনে রেখেছিলেন তারা গত দুই দিন বৈরি আবহাওয়ার কারণে অপরিপক্ক  সহ সব তরমুজ কেটে বাজারে নিয়ে গেছেন। বাজারে তরমুজ সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা নেই। কাঁচা থাকার কারণে ক্রেতারা তরমুজ কিনছেন না।

আরো পড়ুন :বাজারে এসেই জাটকা হয়ে যাচ্ছে ‘চাপিলা মাছ’

ফরহাদ নামের আরেক কৃষক জানান, ক্ষেতে এখনো ৪০ থেকে ৫০ ভাগ তরমুজ রয়েছে। দাম কমে যাওয়ায় ক্ষতি হচ্ছে। এক ট্রাক তরমুজ কয়েকদিন আগেও বিক্রি করছি ৭/৮ লাখ টাকায়। এখন বিক্রি হচ্ছে ২/৩ লাখ টাকা। ক্ষেতের তরমুজ ৪/৫ দিনের মধ্যে পেকে যাবে। তখন তরমুজ সরবরাহ আরো বাড়বে। তখনো দাম কম থাকলে কৃষকেরা পকেটের টাকা গচ্চা দিয়ে তরমুজ নিয়ে বাজারে হয়তো যাবেন না। তখন ক্ষেতেই ক্ষেতেই পঁচে যাবে।

কৃষকেরা জানান, সবচেয়ে ভালো মানের ৮-১২ কেজি ওজনের ১০০টি তরমুজ পাইকারি বিক্রি ছিল ৪ হাজার টাকা, যা এখন কমে হয়েছে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা।

এলাকা ঘুরে জানা গেছে, পটুয়াখালীতে এবার আগাম তরমুজের বাম্পার ফলন হলেও শেষ মুহূর্তে দাম হঠাৎ কমে যাওয়ায় চরম হতাশ কৃষকেরা। নিদারুণ কষ্ট- রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে এবং নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে উৎপাদিত এ ফসলের মূল্যপতন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ঝেড়েছেন তারা।

আরো পড়ুন : দুমকিতে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা



পটুয়াখালীতে স্কাউটিং আর্থ আওয়ার উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

“পৃথিবীকে এক ঘন্টা সময় দিন” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে স্কাউটিং আর্থ আওয়ার ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে ২৩ মার্চ শনিবার বাংলাদেশ স্কাউটস, পটুয়াখালী জেলা ও জেলা রোভার এর আয়োজনে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০টায় সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণ থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক যাদব সরকার এর নেতৃত্বে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক যাদব সরকার, বাংলাদেশ স্কাউটস, পটুয়াখালী জেলা শাখার উপ-পরিচালক শাকিলা ইয়াছমিন, পটুয়াখালী জেলা রোভার কোষাধ্যক্ষ মোঃ মাহাবুব আলম, বাংলাদেশ স্কাউটস, পটুয়াখালী জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক হারুন অর রশিদ, সদর উপজেলা সম্পাদক মনীন্দ্র চন্দ্র দত্ত, পটুয়াখালী জেলা রোভার যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সেলিম মৃধা, জেলা স্কাউট লিডার সাইদুল হক আজাদ, জেলা কাব লিডার আব্দুল কাউয়ুম।

আরো পড়ুন :দুমকিতে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা

উল্লেখ্য, স্কাউটিং বিশ্বব্যাপি স্বীকৃত একটি শিক্ষ মূলক যুব আন্দোলন। স্কাউটিং এর মাধ্যমে অর্জিত শিক্ষা কাজে লাগিয়ে স্কাউটরা তাদের ব্যক্তি জীবনে মানবকল্যাণ ও সমাজ উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে। র‌্যালি ও আলোচনা সভায় বাংলাদেশ স্কাউটস,পটুয়াখালী জেলা ও জেলা রোভার এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




দুমকিতে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দুমকিতে বহু দিনের জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শহিদুল আলম হাওলাদারকে সভাপতি ও মো. রাকিব হোসেন মৃধাকে সাধারণ সম্পাদক করে উপজেলা শাখার আংশিক এই কমিটির অনুমোদন দিয়েছে জেলা ছাত্রলীগ কমিটি।

আজ শনিবার পটুয়াখালী জেলা শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. তানভীর হাসান আরিফ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৭ সদস্যের এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। 

আরো পড়ুন :আন্ধারমানিক নদী রক্ষায় প্রতিবন্ধকতা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কমিটির অন্যরা হলেন- সহসভাপতি মাইনুল এইচ সাচ্চু মৃধা, এস.এম প্রিন্স, রাসেল শরীফ, সবুজ উদ্দিন মৃধা, মামুন মোল্লা, আরিফ মুন্সী, রাহাত তালুকদার। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. বায়জিদ খান, সৈয়দ রাব্বি, মোহাম্মদ ইমন হাওলাদার, শফিউল আলম জিসান। সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তফা, মশিউর রহমান, মোহাম্মদ শাহিন, শেখ সোহাগ।