বরিশালের ৫ নদীতে অভিযান জাটকাসহ নিষিদ্ধ জাল জব্দ

বরিশাল অফিস :: বরিশালের মুলাদী উপজেলার পাঁচটি নদীতে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ জাল সহ ৮ মন জাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে।

রোববার রাতভর মৎস্য অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন ও মুলাদী থানা পুলিশ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের নেতৃত্বদানকারী হিজলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম জানান, মুলাদীর আড়িয়াল খাঁ, নয়া ভাঙ্গনী, জয়ন্তী, লুকাস ও পাতার চর মরানদী মোট পাঁচটি নদীতে অভিযান চালিয়ে এসময় একটি পাই জাল,ছয়টি বেহুন্দী জাল, জালের এংকর সহ ৮ আট মন জাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে।

পরবতীতে জাটকাগুলো বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। আটক নিষিদ্ধ জালগুলো পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হবে বলেও তিনি উল্লে করেন।




ঈদের বাড়তি আনন্দ বরিশালের উপজেলা নির্বাচন

খোকন আহম্মেদ হীরা,বরিশাল :: আসন্ন ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে জেলার নয়টি উপজেলার প্রতিটি পাড়া-মহল্লা ও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে বাড়তি আনন্দ যোগ হয়েছে উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে। এসব উপজেলার সম্ভ্রাব্য চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন।

এছাড়া প্রতিদিনই প্রার্থীদের রয়েছে নির্বাচনী এলাকায় ইফতার আয়োজন। ইতোমধ্যে গোপনে ভোটারদের মাঝে ঈদ উপহারও পৌঁছে দিয়েছেন অসংখ্য প্রার্থীরা। ফলে উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে এবার আসন্ন ঈদ-উল ফিতর ও পহেলা বৈশাখের আনন্দের সাথে বাড়তি আনন্দ যোগ হয়েছে। দুটি সর্ববৃহত উৎসব নির্বাচনের আগে হওয়ায় এবার প্রার্থীদেরও খরচ বেড়ে গেছে। এখন পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী ছাড়া অন্যকোন দলের প্রার্থীদের খবর পাওয়া যায়নি।

https://www.chandradipnews24.com/2024/04/26023/

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা ও উপজেলার বিএনপি এবং জাতীয় পার্টির নেতৃত্বস্থানীয় একাধিক নেতৃবৃন্দরা জানিয়েছেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন থেকে উপজেলা নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সরকার দলীয় নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ থাকবেনা বলে ঘোষণা করা হলেও বাস্তবের সাথে এ কথার কোন মিল নেই। সম্ভাব্য প্রার্থীরা স্ব-স্ব এলাকার সংসদ সদস্যদের ছবি সংবলিত পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনের মাধ্যমে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে। এছাড়াও একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা গেছে, ইতোমধ্যে কয়েকটি উপজেলায় দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। যেকারণে এ নির্বাচনও শেষপর্যন্ত কতোখানি সুষ্ঠু হবে তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রথমধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে গণসংযোগ করে আসছেন বরিশাল

প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনিরুল ইসলাম ছবি, সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মধু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলী হাওলাদার ও স্বেচ্ছাসেবী এস.আর সমাজকল্যাণ সংস্থার প্রধান সমন্বয়কারী এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল মালেক।

প্রথমধাপের বাকেরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সাইফুর রহমান মাসুদ ও যুবলীগের সহসস্পাদক রাজিব আহমেদ তালুকদার।

দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে বাবুগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জনতার প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক মেধাবী ছাত্র মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মোঃ আদনান আলম খান বাবু, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী ইমদাদুল হক দুলাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার খালেদ হোসেন স্বপন এবং ভাইস চেয়ারম্যান ফরজানা বিনতে ওহাব। ওই উপজেলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক গণসংযোগ করে আসছেন উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মৌরিন আক্তার আশা।

https://www.chandradipnews24.com/2024/04/26023/

 

উজিরপুর উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ সিকদার বাচ্চু, সাবেক চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবাল, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম জামাল হোসেন,স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুখেন্দ শেখর বৈদ্য, শোলক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি কাজী হুমায়ুন কবির, জাসদ নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ
বাদল প্রচার-প্রচারনায় রয়েছেন। বানারীপাড়া উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ গোলাম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মাওলাদ হোসেন সানা, সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য মামুন-উর রশিদ স্বপন তালুকদার, সহ-সভাপতি জিয়াউল হক মিন্টু এবং জাসদ নেতা সাজ্জাদ হোসেন প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে আগৈলঝাড়া উপজেলায় পাঁচজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। অতিসম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপির ছোট ছেলে সেরনিয়াবাত আশিক আব্দুল্লাহকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা দেওয়ার পর এতোদিন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতা করা প্রার্থীরা নিশ্চুপ হয়ে গেছেন। তবে শেষপর্যন্ত ওই উপজেলায় সাবেক এক চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে।

 

বরিশাল গৌরনদী উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে ব্যাপক ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন লাগিয়ে ১০ জন প্রার্থী দোয়া ও সমর্থন চেয়ে আসছিলেন। অতিসম্প্রতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র মোঃ হারিছুর রহমানকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা দেওয়ার পর আটজন প্রার্থী নিশ্চুপ হয়ে গেছেন। তবে শেষপর্যন্ত প্রতিদ্বন্ধীতা করার ঘোষণা দিয়েছেন বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী এবং পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি মনির হোসেন মিয়া।

চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে মুলাদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে প্রচার- প্রচারনায় মাঠে নেমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিকসম্পাদক মোঃ জহির উদ্দীন খসরু। ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে উপজেলাজুড়ে পরিচিত জহির উদ্দীন খসরুর পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি এবার প্রকাশ্যে গণসংযোগে মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, বরিশাল-৩ (মুলাদী ও বাবুগঞ্জ) সংসদীয় আসনটি দীর্ঘদিন থেকে জাতীয় পার্টির দখলে থাকলেও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মুলাদীতে জাতীয় পার্টির কোনো নেতা নির্বাচন না করার ঘোষণা দিয়েছেন। যেকারণে জাপার নেতাকর্মীরা জহির উদ্দীন খসরুর পক্ষে প্রকাশ্যে নির্বাচনী মাঠে গণসংযোগে নেমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। এছাড়াও মুলাদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান তারিকুল হাসান মিঠু খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ইউসুফ আলী, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

হিজলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছেন উপজেলা পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান (সদ্য প্রয়াত) মোঃ বেলায়েত হোসেন ঢালীর একমাত্র ছেলে মোঃ নজরুল ইসলাম রাজু ঢালী। এছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলতাফ মাহমুদ দিপু সিকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহজাহান তালুকদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম স্বপন চৌধুরী এবং হরিনাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক
তৌফিকুর রহমান সিকদার প্রার্থী হতে পারেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলার একাধিক সম্ভ্রাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বলেন, সংসদ সদস্য ও জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের শতভাগ প্রতিশ্রুতি পেলে প্রতিটি উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুর্দীনের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা প্রার্থী হবেন।

কোনধরনের প্রভাব থাকবেনা জানিয়ে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস বলেন, যেহেতু এবারের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ও প্রতীক থাকছেনা, তাই প্রার্থী নিয়েও কোন বক্তব্য নেই। শুধু একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই আমাদের লক্ষ্য থাকবে। জনগন যাকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনে করবেন, তাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য থাকবে, নির্বাচন নিয়ে যেন নিজেদের মধ্যে কোনধরনের সংঘাতের ঘটনা না ঘটে।




দুমকিতে রাস্তা সংস্কার বন্ধ দুবছর

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি রাস্তা সংস্কারের কাজ বন্ধ থাকায় খানাখন্দক ও ধুলাবালিতে যানবাহনসহ চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলার মুরাদিয়া বোর্ড অফিস বাজার থেকে কলবাড়ি বাজার সংলগ্ন চেয়ারম্যান বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কারের জন্য দুই বছর আগে খোয়া দেওয়ার পর থেকে অজানা কারণে কাজটি বন্ধ। নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করায় এমনটা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, দুমকী উপজেলার মুরাদিয়া ইউপিসি টু লাউকাঠী ইউপিসি ভায়া মুরাদিয়া হাইস্কুল ভায়া সাউথখালী জিপিএস এবং ভক্ত বাড়ি রাস্তাটি আম্পার প্রকল্প থেকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের জন্য ৩ কোটি ২৫ লাখ ৬ হাজার ৭৮৭ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেই সাপেক্ষে শরিয়তপুরের মেসার্স শেখ এন্টারপ্রাইজ গত ২০২২, ২৫ ডিসেম্বর কাজ শুরু করে এবং গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বরে কাজ শেষ হওয়ার কথা। মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও রাস্তাটি বেহাল রয়েছে।

আরো পড়ুন : গলাচিপায় স্ত্রীর সামনে স্বামীর মৃত্যু

স্থানীয় মোটরসাইকেল চালক মমিনুল ইসলাম খবির, গৌরী রানী নামের এক যাত্রী বলেন, গত দুইবছর আগে রাস্তায় নিম্নমানের ইটের খোয়া ফেলে রাখায় গুড়া হয়ে ধূলায় পরিণত হয়েছে। ধূলায় অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন যাতায়াতের সময় ইটের গুড়া, মাটি ও বালি মিশে ধূলায় পরিণত হয়ে বাতাসে উড়ছে। যাত্রীদের জামাকাপড় ধূলাবালিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রাস্তার দুইপাশের ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গাছপালা ধুলাবালি পড়ে লাল হয়ে গেছে এবং শ্বাসকষ্টজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানান তারা। এছাড়াও রাস্তাটি দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কারের নামে ফেলে রাখায় খানাখন্দের কারণে চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। নিম্নমানের ইট ব্যবহার করার কারণে গুড়া হয়ে গেছে। গাড়িতে উঠলে ঝাঁকুনিতে চলাচলে শরীর ব্যথা হয়ে যাচ্ছে। ধুলাবালির কারণে চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে এবং শাসকষ্ট জনিত রোগে ভুগছেন। কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে পেইজ ঢালাই করে দিলে দুর্ভোগ পোহাতে হতো না।

এদিকে, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার রাকিবুল ইসলাম আকন মোবাইলে বলেন, ঈদের পরে রাস্তাটির কাজ শেষ করা হবে।

দুমকী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. সাদ জগলুল ফারুক বলেন, আম্পার প্রকল্পের আওতায় রাস্তাটির কাজ চলমান। ঠিকাদার দীর্ঘ দিন ধরে কাজটি ফেলে রেখেছে। দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে বার বার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।




গলাচিপায় স্ত্রীর সামনে স্বামীর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় স্ত্রীর সামনেই তাল গাছ থেকে নিচে পড়ে স্বামী মো: জহিরুল ইসলাম মুন্সি (৪৭) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

রোববার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাজিকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মো: জহিরুল ইসলাম মুন্সি ওই এলাকার মরহুম হাকিম আলী মুন্সির ছেলে।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ঝড়ে মৃত্যু বেড়ে তিন, নিখোঁজ এক

সূত্রে জানা গেছে, মো: জহিরুল ইসলাম মুন্সি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। দুপুরে নিজ ধান ক্ষেতে ওষুধ প্রয়োগ শেষে বাড়িতে আসেন। দুপুর সাড়ে ৩টায় স্ত্রী নাজমা বেগমকে সাথে নিয়ে ঘরের পিছনে তাল গাছ থেকে রস কাটতে যান। এ সময় স্ত্রীকে নিচে রেখে তিনি (জহিরুল ইসলাম) তাল গাছ উঠেন। হঠাৎ গাছ থেকে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। তবে কি কারণে হঠাৎ গাছ থেকে পড়ে যান তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না।

পানপট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ রানা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ‘সোমবার সকালে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।’




মির্জাগঞ্জে নসিমনের চাপায় পথচারী নিহত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ট্রলি গাড়ির ধাক্কায় এক মাহেন্দ্রা চালক নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুল মালেক (৪০)। তিনি উপজেলার ৩নং আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের উত্তর সুবিদখালী গ্রামের আব্দুল মাজেদ সিকদারের ছেলে।

আজ রবিবার (৭ এপ্রিল) সকালে মির্জাগঞ্জ-বেতাগী সড়কের সুবিদখালী সরকারি কলেজ রোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ঝড়ে মৃত্যু বেড়ে তিন, নিখোঁজ এক

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মালেক তার মাহেন্দ্র গাড়িটি রাস্তার পাশে পার্কিং করে, রাস্তার পাশ দিয়ে হাঁটছিলেন। হঠাৎ বেপরোয়া গতিতে পূর্ব দিক থেকে আসা একটা ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে ধাক্কা দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ট্রলিটি জব্দ করা হয়েছে। চালক পালিয়ে গেছেন। এ ব্যাপারে পরবর্তী সময়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




দশমিনায় ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করলেন ওসি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দশমিনায় রাস্তা ও ফুটপাতের অবৈধ দখল মুক্ত করেছেন ওসি নুরুল ইসলাম মজুমদার। এতে রাস্তাগুলোতে স্বস্তিতে চলাচল করতে পারছে বাজার করতে আসা সাধারণ মানুষ।

রবিবার (৭ এপ্রিল) বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলা সদরের মানিক মিয়া চত্ত্বর, মাছ, মাংস ও সবজি বাজার এলাকায় রাস্তাগুলোর ফুটপাত ও রাস্তার মাঝে অবৈধ ভাবে থাকা দোকানপাট ও বিভিন্ন চায়ের দোকানের চেয়ার টেবিল উচ্ছেদ করা হয়।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ঝড়ে মৃত্যু বেড়ে তিন, নিখোঁজ এক

জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে জনচলাচলের ওই ব্যস্ত রাস্তা গুলোর ফুটপাত অবৈধ ভাবে দখল করে ব্যবসা করে যাচ্ছেন এক শ্রেণির ক্ষমতাশালী ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে চা দোকানীরা জনচলাচলের এ রাস্তা গুলোর মাঝে বেঞ্চ, চেয়ার, টেবিল স্থাপন করে ক্রেতাদের বসার জায়গা করেছেন। এতে ওই পথগুলোতে দীর্ঘদিন সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে চলাচল করতে পারেনি। তবে এ ব্যাপারে এতদিন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি দাবী জনগনের।

আরো পড়ুন : রাঙ্গাবালীতে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ

বাজারে মুরগি কিনতে আসা শাহিদা বেগম বলেন, মানিক মিয়া চত্ত্বর থেকে মাছ বাজার পর্যন্ত উভয় পাশের রাস্তা দুটির মাঝে বসে মানুষ চা পান করায় ও আড্ডা দেওয়ায় এতদিন এ পথগুলোতে ভীড় ঠেলে হেঁটে যাওয়ারও কোনো পরিস্থিতি ছিল না। এখন স্বস্তিতে চলাচল করতে পারছি।

দশমিনা থানার ওসি নুরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, জনচলাচলের পথ দখলমুক্ত ও উম্মুক্ত রেখে শান্তিপূর্ণ ভাবে জনচলাচল নিশ্চিত রাখতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।




পটুয়াখালীতে ঝড়ে মৃত্যু বেড়ে তিন, নিখোঁজ এক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে কালবৈশাখী ঝড়ে রাতুল (১৪) নামের এক কিশোর ও সুফিয়া বেগম (৮৫) নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। পরে ইব্রাহিম ফরাজী (৪৫) নামের এক জেলের লাশ উদ্ধার করা হয় তেতুলিয়া নদী থেকে। অপর জেলে ইসমাইল রারী (৪০) এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। এ দুই জেলের বাড়ি বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে।

নিহত রাতুলের বাড়ি উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রায় তাঁতের কাঠি গ্রামে। তার বাবার নাম জহির সিকদার। তাকে রাস্তায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে বজ্রপাতে তিনি মারা গেছেন। আর সুফিয়া বেগমের বাড়ি উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়েনর চরআলগী গ্রামে। তাঁর স্বামীর নাম মৃত আহম্মেদ প্যাদা। ঘরের উপর গাছ চাপা পরে তিনি নিহত হন।

আরো পড়ুন : বাউফলে কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, ২ জনের মৃত্যু

এদিকে, নিহত ইব্রাহিম ফরাজী ও নিখোঁজ ইসমাইল রারীর গ্রামের বাড়ি চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে। তারা দু্ইজন একই নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়।

এ ছাড়াও ঝড়ে উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রোববার সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে ১১ টা ৫ মিনিট পর্যন্ত ৩৫ মিনিট স্থায়ী এ ঝড়ে কাঁচা বাড়ি-ঘর, গাছ গাছালি উপরে গেছে। বাউফলের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় শতাধিক আধাপাকা বাড়ি বিধস্ত ও কয়েক হাজার গাছগাছালি উপড়ে পরার খবর পাওয়া গেছে। এসময় ব্যপক শীলা বৃষ্টি ও বিরামহীন  ভাবে বজ্রপাত হয়েছে।

আরো পড়ুন : ঘূর্ণিঝড়ে দুমকিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

বাউফল পৌর শহরের থানার সামনে সালেহিয়া ফাজিল মাদ্রাসার একটি ভবনের টিনের চালা উপরে রাস্তায় পরে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। পশু হাসপাতাল রোডে গাছ ভেঙে সড়কের উপর পরায় সেখানেও চলাচল বন্ধ রয়েছে।
গোসিংগা গ্রামের আফসেরের গ্রেজ এলাকায় ঘরের উপর গাছ ভেঙ্গে পরে মা সাবিহা (৩০) তার মেয়ে ইভা (১২) ও দুই বছর বয়সী শিশু মারাত্মক আহত হয়েছে। ঝড়ে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের তার ছিড়ে গেছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি খাম্বা ভেঙ্গে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। শীলা বৃষ্টিতে তরমুজসহ রবি ফসল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশংকা করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বশির গাজী বলেন, ‘ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের জন্য কৃষি বিভাগ ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’




ঘূর্ণিঝড়ে দুমকিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকিতে আকস্মিক ঘূর্ণীঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তান্ডবে পল্লীবিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুটি ভেঙ্গে উপড়ে ও তারছিড়ে লন্ডভন্ড হয়েছে।

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রচন্ড বেগের আকস্মিক ঝড়ে বাঁশবুনিয়ার নুর ইসলাম মৃধা, নলদোয়ানীর আঃ কাদের হাং ও চরবয়েড়ায় মফিজ উদ্দিন, শ্রীরামপুরের সেলিম হাওলাদারের, দুমকি আনোয়ার হোসেন হওলাদার চেয়ারম্যানের বসত ঘরসহ বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ছাউনী উড়ে ও গাছচাপা পড়াসহ ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। ঝড়ের তান্ডবে জলিশা কদমতলা কলেজের ছাউনী উড়িয়ে নিয়ে গেছে, এল.এ এম কলেজের টিনশেড অংশ বিধস্ত হয়েছে।

আরো পড়ুন : রাঙ্গাবালীতে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ

এছাড়া গাছপালা কলা বাগান, রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তান্ডবে বিভিন্ন স্থানে পল্লীবিদ্যুৎ এর খুটি ভেঙে ও উপড়ে তার ছিড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে।

রাজাখালী, মুরাদিয়া, আংগারিয়া ও পাঙ্গাশিয়ায় অন্তত অর্ধশতাধিক স্পটে তার ছিড়েছে, ৪০টি পয়েন্টে মেইন লাইনের ওপরে গাছ পরে থাকার খবর পাওয়া গেছে। ঝড়ের পড়ে বিদ্যুৎ কর্মীরা সব জনবল নিয়ে মাঠে নেমে কাজ শুরু করলেও কখন নাগাদ বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হবে তা বলা যাচ্ছে না।

মুরাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সিকদার বলেন, ঝড়ে তার ইউনিয়নে বিভিন্ন ওয়ার্ডে কিছু ঘরবাড়ির ক্ষয় ক্ষতির খবর পেয়েছি। সরেজমিন দেখে ক্ষয় ক্ষতি নিরুপণ তালিকা করা হবে।

দুমকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহিন মাহমুদ বলেন, ঝড়ের পর পরই বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।




রাঙ্গাবালীতে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: রাঙ্গাবালীতে অসহায় ও দুস্থ  পরিবারদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে দেওয়া ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার দুপুরে রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে শতাধিক পরিবারের মাঝে এসব ঈদ উপহার বিতরণ করেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও
ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান মহিব।

ঈদ উপহার হিসেবে চাল, ডাল, লবণ, চিনি, সেমাই, সয়াবিন  ইত্যাদি বিতরণ করা হয়।

আরো পড়ুন : বাউফলে কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, ২ জনের মৃত্যু

উপহার বিতরণকালে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান, রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান মামুন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল হোসেন মাস্টার, ছোটবাইসদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান শিবলী ও মৌডুবি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রাসেল মাহমুদসহ
বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা  উপস্থিত ছিলেন।

উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান মহিব 
বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, রমজান মাসে আমরা দলীয়ভাবে ও রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো ইফতার আয়োজন করবো না। সেই খরচের টাকা বাংলাদেশের সকল অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী রাঙ্গাবালীর অসহায় ও দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে ঈদ উপহার নিয়ে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, এক সময় যাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না, খোলা আকাশের নিচে যারা দিন কাটাতো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের জন্য জমিসহ ঘর দিয়েছেন।তারা এখন সুখে শান্তিতে দিন কাটাচ্ছেন। এবারের ঈদটা যাতে রাঙ্গাবালীর মানুষ পরিবার পরিজন নিয়ে আনন্দ উচ্ছ্বাসে কাটাতে পারে সে জন্য তাদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ করেছি।




বাউফলে কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, ২ জনের মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এসময় বজ্রপাতে রাতুল (১৩) নামে এক শিশু ও গাছের নিচে চাপা পড়ে সাফিয়া রহমান (৯০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার বেলা ১১ টায় উপজেলার তাতেরকাঠি গ্রামে ওই শিশুর ও দাশপাড়া ইউনিয়নের চরালকী গ্রামে ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। এছাড়া অন্তত ২০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে অনেককে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বর্তমানে পুরো উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে। উপড়ে পড়ে রয়েছে প্রায় শতাধিক গাছপালা।

এসময় সদর উপজেলার আউলিয়াপুরে একটি গরুরও মৃত্যু হয়।

ঝড় চলাকালীন সময়ে বাউফল উপজেলা ছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্থানে সহস্রাধিক গাছপালা উপড়ে পড়েছে বলে জানা গেছে এবং অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক নুর কুতুবুল আলম জানান, ঠিক কি পরিমানে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেটি এখনো বলা যাচ্ছে না। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করতে ইউএনওদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।