পটুয়াখালীতে দেশী প্রজাতির ছোট বড় মাছ বিলুপ্ত হতে চলছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলার সবগুলো উপজেলাতে বিভিন্ন দেশী প্রজাতির ছোট বড় মাছ বিলুপ্ত হতে চলছে। জেলার বিভিন্ন খালে-বিলে বাঁশের চাঁই ব্যবহারের ফলে ছোট প্রজাতির মাছ হারিয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে। চাঁই ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির দেশী মাছের পোনা ও ছোট বড় মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। গ্রাম-গঞ্জে বাঁশের তৈরী চাঁই পেতে মাছের বংশ নষ্ট করছে এক শ্রেনীর অসাধু জেলেরা।

অন্যদিকে বিভিন্ন খালে ও ডোবায় অধিক হারে কীটনাশকযুক্ত পানি প্রবেশ করার কারনে মাছের বংশ বিস্তার করতে পারছে না। এই সব অবৈধ চাঁই প্রতিরোধ করতে না পারলে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। তারপরও থেমে নেই মাছ শিকারে অসাধু জেলেরা। ফলে ভবিষ্যতে দেশী প্রজাতির ছোট-বড় মাছ রুপকথার গল্পের মত হয়ে যাবে।

আরো পড়ুন : দীর্ঘ ৮ বছর পর পটুয়াখালী-কুয়াকাটার ১১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ

জেলায় মাছের ক্ষেত্র হিসাবে পরিচিত আলীপুরা, বাঁশবাড়িয়া, রনগোপালদী, চরবোরহান, দশমিনা, গলাচিপা, ছোট বিঘাই, দুমকি, মির্জাগঞ্জ, সুবীধখালী, কলাপাড়া, আনন্দপুর, বেতাগী সানকিপুর ইত্যাদি ইউনিয়নসহ চরাঞ্চল এলাকা ছোট-বড় খাল এখন মাছ শূন্য হয়ে গেছে।

উল্লেখিত এলাকায় বোয়াল, মাগুর, শিং, কৈ, টেংরা, শোল, টাকি, পুটি, গজার, চাপিলা, খৈইলশা, পাবদা, আইড়, চিংড়ি, মলা, বাইন, বেলে সহ অর্ধ শতাধিক প্রজাতির মাছ প্রায় বিলুপ্ত হবার পথে রয়েছে। বিশেষ করে নদীর মাছ হিসাবে পরিচিত পোয়া, ইলিশ, আইড়, রিটা যার দেখা এখন অনেকটা ভাগ্যের ব্যাপার। অত্র অঞ্চলের সোনার হরিণ হিসাবে পরিচিত ইলিশ মাছ যেন এখন হয়ে গেছে।

নিষিদ্ধ ঘোষিত জালের অবাধ ব্যবহার, কৃষি জমিতে সার ও কীটনাশকের ব্যাপক ব্যবহার, বর্ষাকালে প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা মা মাছ সহ পোনা নিধন, শুস্ক মৌসুমে মাছ ধরার প্রবনতা এবং মাছের বিচরন ক্ষেত্র কমে যাওয়া সহ প্রভৃতি কারনে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ফসল হিসাবে পরিচিত মৎস্য সম্পদ আজ বিলুপ্ত হতে চলছে। এছাড়া মাছের প্রজনন মৌসুম ও পোনা মাছের বৃদ্ধিকালীন সময় অবাধে ছোট-বড় মাছ ধরা এবং মৎস্য আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় মৎস্য সম্পদ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। বিগত ২০ বছর আগে গ্রামাঞ্চলে সর্বত্র দেশী প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও এখন আর সেই অবস্থা নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা গুলোর বিভিন্ন হাট-বাজারে অবৈধ ভাবে বাঁশের তৈরী চাঁই বিক্রি করে থাকে স্থানীয় ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীরা। বৈশাখ থেকে ভাদ্র মাসের শেষ পর্যন্ত জেলার ৭টি উপজেলাতেই ধানী জমি ও খাল-বিল, ডোবা-নালাতে বাশেঁর চাঁই পেতে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছ ও বড় মাছ শিকার করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মাছ শিকারের জন্য ব্যবহারিত নিয়ম কানুন না মেনে অবৈধ ভাবে চাই পেতে মাছ শিকারে মেতে উঠেছে অসাধু জেলেরা। এ সকল অসাধু জেলেরা দুই সুতাঁ পরিমান ফাঁকা রেখে বাশেঁর চাঁই তৈরী করে ব্যবহার করছে। ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশ নষ্ট করছে। আর দেশীয় মৎস্য প্রজনন কমে যাচ্ছে।

আরো পড়ুন : নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজি খাদে, নিহত ২

অন্য দিকে এ অঞ্চলের মানুষের মাছের আকাল দিন দিন বেড়েই চলছে। এমতাবস্থায় বাঁশের চাঁই ব্যবহার দ্রুত বন্ধ না করলে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে দেশীয় মাছ রুপকথার গল্পের মত
থেকে যাবে।

এই বিষয়ে দশমিনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব আলম তালুকদার বলেন,বাশেঁর চাঁই দিয়ে মাছ শিকারের কারনে এই অঞ্চলের দেশী বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎপাদন কমে যাচ্ছে। দেশী প্রজাতির মাছ রক্ষায় জেলেদেরকে সচেতন করা হবে।




নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজি খাদে, নিহত ২

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সিএনজি উল্টে রাস্তার খাদে পড়ে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন।

আজ শনিবার (১৩ এপ্রিল) সকালে পটুয়াখালী-কলাপাড়া মহাসড়কের বিশকানি নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন : ট্রাক-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক নিহত

নিহতরা হলেন আফজাল হোসেন (৬০) ও জাকারিয়া (২৩)। এ ঘটনায় চারজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিএনজিচালক পার্শ্ববর্তী আমতলী চৌরাস্তা থেকে ৫ জন যাত্রী নিয়ে কলাপাড়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। এ সময় বিশকানি এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে সিএনজিচালক জামাল ও মতিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : দীর্ঘ ৮ বছর পর পটুয়াখালী-কুয়াকাটার ১১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ

কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহমদ জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।




দীর্ঘ ৮ বছর পর পটুয়াখালী-কুয়াকাটার ১১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: কুয়াকাটা মহাসড়কের ১১ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘ ৮ বছর পর সংস্কার হতে যাচ্ছে। মামলা জটিলতার কারণে কলাপাড়া উপজেলার পাখিমারা বাজার থেকে আলিপুর ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের এ অংশটি ২০১৪ সালের পর সংস্কার করা হয়নি। সম্প্রতি মামলা জটিলতার অবসান হওয়ায় এ সড়কের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী দুয়েক মাসের মধ্যেই প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এ সংস্কার কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপদ (সওজ) অধিদপ্তর।

পটুয়াখালী সওজ সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী সড়ক বিভাগ ২০১১ সালে পটুয়াখালী কুয়াকাটা সড়কের পাখিমারা থেকে আলিপুর পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের কাজ হাতে নেয়। খুলনার রূপসা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড ওই অংশের ঠিকাদার নিযুক্ত হয়। ব্যয় ধরা হয় ২০ কোটি টাকা। ঠিকাদার সড়কটি সংস্কারের পর চূড়ান্ত বিল দাবি করে সড়ক বিভাগের কাছে।

আরো পড়ুন : ট্রাক-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক নিহত

কিন্তু সংস্কার কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে সড়ক বিভাগ ঠিকাদারকে ১২ কোটি টাকা পরিশোধের পর বাকি ৮ কোটি টাকা আটকে রাখে। শিডিউলের শর্ত অনুযায়ী আবার সংস্কারের জন্য বলা হলে ঠিকাদার তাতে অস্বীকৃতি জানায়।

এ নিয়ে সওজ পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে সড়কের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের সত্যতা পায়। পরে ঠিকাদারের চূড়ান্ত বিল পরিশোধে আপত্তি জানায় তদন্ত কমিটি। এ অবস্থায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রূপসা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের পরিচালক রাশেদুর রহমান ২০১৪ সালে হাইকোর্টে পিটিশন দাখিল করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সড়কটিতে সংস্কার কাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সম্প্রতি হাইকোর্ট ওই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করায় সড়কের ওই অংশ সংস্কারে বাধা কেটে গেছে।

কুয়াকাটা সৈকতে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা আসেন। ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয়দের যাতায়াতের গুরুত্ব বিবেচনায় এ সড়কের ওই অংশ জরাজীর্ণ থাকায় অশেষ ভোগান্তি পোহাতে হয় যাত্রীদের।

পটুয়াখালী জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন মৃধা বলেন, ‘পটুয়াখালী-কুয়াকাটা সড়কের পাখিমারা থেকে আলিপুর পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘ ৮ বছর ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে। এতে যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হয় এবং যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সড়ক বিভাগ এবার সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘব হবে আশা করি।’

আরো পড়ুন : পটুয়খালীতে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার

পটুয়াখালী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ এম আতিকুল্লাহ বলেন, ‘এটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। এর সংস্কার জরুরি হলেও আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে আমরা এতদিন ওই ১১ কিলোমিটার অংশ সংস্কার করতে পারিনি’।

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি আদালতের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হওয়ায় আমরা ১৭ কোটি টাকার প্রাক্কলন তৈরি করে অনুমোদনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি।’
‘আশা করছি দুয়েক মাসের মধ্যেই সংস্কার কাজ শুরু করা যাবে এবং সড়কের ওই অংশের সংস্কার কাজ শেষ হলে কুয়াকাটা থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন হবে’।




বরিশালের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল

বরিশাল অফিস :: পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে বরিশাল শহর ও জেলার বাইরের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ঈদের দিন

বিকেল থেকে ভ্রমন পিপাসু সকল শ্রেনি মানুষের মানুষের ঢল নেমেছে। অন্যদিকে বিনোদন কেন্দ্রগুলোর পথে পথে বসেছে মাটির তৈরী খেলনা পুতুল ও প্রিয়জনদের ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য গোলাপ সহ বিভিন্ন রকমারী ফুলের দোকান। বিশেষ করে শিশুদের পদচারণায় মুখর বিনোদন কেন্দ্রগুলো।


নগরীর প্রধান বিনোদনকেন্দ্র নগরীর কীর্তনখোলার তীর ত্রিশ গোডাউন, বঙ্গবন্ধু উদ্যান,শিশুপার্ক, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, আমানতগঞ্জ এলাকায় নবনির্মিত শহীদ সুকান্ত বাবু শিশুপার্ক, গ্রিন সিটি শিশুপার্ক, প্লানেট ওয়ার্ল্ড, মুক্তিযোদ্ধা কাঞ্চন পার্ক,
কালিজিরা ব্রিজ, শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ব্রিজ ও চৌমাথা লেক পাড় সহ সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ তালতলী ও চরবাড়িয়া এলাকার বিনোদন এলাকাগুলো প্রিয় মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। রঙ বেরঙের নতুন পোশাক পড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে তরুণ- যুবক ও শিশু-কিশোরসহ সকল শ্রেণির মানুষ ক্ষনিকের আনন্দ প্রিয়জনের সাথে ভাগ করে
নিতে ছুটে আসছেন বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে।

 

ঈদের দিনের চেয়ে ২য় দিন বিকেল থেকে বরিশালের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও বান্ধবের সাথে সেলফি ছবি তোলা, প্রিয়জনের সাথে হাঁটা, কির্তনখোলা নদীতে ঘন্টাব্যাপি নৌকায় ঘুরে বেড়ানো নিয়ে মেতে উঠেছে বিনোদন প্রিয় মানুষ। নগরীর অন্যতম উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র ত্রিশ গোডাউন এলাকায় সবচেয়ে উৎসবপ্রেমীদের ঢল নেমেছে। কীর্তনখোলা পাড়ের এ বিনোদন কেন্দ্র রয়েছে সেলফি প্রেমীদের দখলে।

 

নগরীর শিশুপার্কেও ছিলো বিনোদন প্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়। পছন্দের রাইড আর মন মাতানো আকর্ষণ দেখতে ঈদের দিন বিকেল থেকেই ভিড় বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা
জানিয়েছেন। এছাড়াও ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিতে বরিশালের তালতলী ও চরবাড়িয়া এলাকার কির্তনখোলা নদীর তীরে গড়ে উঠা বিভিন্ন বিনোদন স্পট সহ খাবারের
হোটেলগুলোতে উপচে পড়া ভীড় চোখে পড়ে।

এছাড়া নগরীর বাহিরের বিনোদন কেন্দ্র যেমন-বাবুগঞ্জের দূর্গাসাগর, গুঠিয়ার নয়নাভিরাম বায়তুল আমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্স গৌরনদীর ফারিহা গার্ডেন, বাটাজোরের শাহী ৯৯ পার্ক, প্রকৃতিতে ঘেরা পয়সারহাট ব্রীজ, দোয়ারিকা ও শিকারপুর সেতুসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রত্মতাত্মিক স্থাপনা ঘিরে বিনোদন প্রিয় মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

 




ট্রাক-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক নিহত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে ট্রাক মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে জাহিদুল ফকির (১৮) নামের এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮ টায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের কৃষি বিমান অবতরণ কেন্দ্র ( এয়ারপোর্ট) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় গুরত্বর আহত যুবককে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ।

নিহত জাহিদ সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া কালিচন্না এলাকার বাসিন্দা শাহ আলম ফকিরের ছেলে।

আরো পড়ুন : পটুয়খালীতে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার

স্থানীয়রা জানান, রাতে নিহত জাহিদুল ও আহত মুজাহিদ দুই বন্ধু মোটরসাইকেল যোগে ঈদে ঘোরাঘুরি করার সময় পটুয়াখালী মহাসড়কের কৃষি বিমান অবতরণ কেন্দ্র (এয়ারপোর্ট) এলাকা অতিক্রম কালে বরিশাল থেকে আসা দ্রুত গতির ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা.সঞ্জীব বলেন, সড়ক দূর্ঘটনায় আহত দুই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসলেও এক যুবককে চিকিৎসা শুরুর আগেই মৃত্যু হয়েছে। অপর আহত যুবককে চিকিৎসা দিয়ে ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

পটুয়াখালী সদর থানার এসআই মনিন্দ্র বলেন, ট্রাক মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত জাহিদুল ফকিরের লাশ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ট্রাক ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে ট্রাকের চালক ও হেলপারকে আটক করা যায়নি।




পটুয়খালীতে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর মায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ফজলু মোল্লা (৪৮) উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামের মৃত মনসুর মোল্লার ছেলে।

আরো পড়ুন : পিতার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যার অভিযোগ মায়ের

ভুক্তভোগীর পরিবার ও মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, অভিযুক্ত ফজলু মোল্লা ও ভক্তিভোগীরা পাশাপাশি বাড়িতে বসবাস করে। ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর বাবা দিনমজুর। ঘটনার দিন সকালে প্রতিদিনের মত সে কাজ করার জন্য বের হয়। মা তিন মেয়েকে বাড়িতে রেখে ঈদ উপলক্ষে উপজেলা চেয়াম্যানের সুবিদখালি বাড়িতে ত্রানের শাড়ি আনাতে যায়। এই সুযোগে ফজলু মোল্লা মেজো মেয়েকে একটি কেক নিয়ে খেতে দেয় এবং বড় মেয়েকে ঘরের পশ্চিম পাশের বারান্দায় নিয়ে যায়। সেখানে মাটির উপরে পাটের বস্তার উপর শুয়াইয়া মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। এ সময় গোমরানির শব্দ শুনে মেজো মেয়ে ঘটনা স্থলে এসে ডাক চিৎকার দিলে ফজলু মোল্লা পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী মা থানায় এসে বুধবার রাতেই মামলা করলে অভিযান চালিয়ে ফজলু মোল্লাকে ছৈলাবুনিয়া থেকে গ্রেফতার করে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ।

মির্জাগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন কবির বলেন বলেন, ভুক্তভোগী ওই তরুণীর মায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ফজলু মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।




পিতার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যার অভিযোগ মায়ের

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে পিতার বিরুদ্ধে আট বছরের শিশু সন্তানকে হত্যার অভিযোগ এনেছেন শিশুটির মা। তবে পুলিশের ধারণা খেলাধুলা করার সময় পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে শিশু তুষানের (৮)। শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত শিশুটির মা রেশমা বেগমের অভিযোগ, তার স্বামী ২য় বিয়ে করে আলাদা বসবাস করেন। এবিষয়ে পটুয়াখালী নারী শিশু নির্যাতন দমন আদালতে মামলা চলমান। বর্তমানে তিনি দুই সন্তান নিয়ে বরিশাল শহরে বসবাস করেন। কয়েকদিন আগে তার স্বামী মো. শামীম শিশু তুষানের আকিকা দেয়ার কথা বলে তাকে উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের নারায়ণপাশা গ্রামে সৎ মায়ের কাছে নিয়ে আসেন।
শুক্রবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়।

আরো পড়ুন : ঈদের দিন প্রকাশ্যে তরুণীকে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

এদিকে পুলিশ জানায়, তুষান পানিতে ডুবে মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবুও মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিখুঁত তদন্তের মাধ্যমে সঠিক ঘটনা উন্মোচন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।




ঈদের দিন প্রকাশ্যে তরুণীকে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ঈদের দিন দুপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় এক তরুণীকে দফায় দফায় নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ধারণকৃত ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, ঈদের দিন দুপুরে পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া শৌলা সড়কের সাদা পায়েজামা ও কালো পাঞ্জাবি পরা ২৬-২৭ বছরের এক তরুণ ও কালো সেলোয়ার কামিজ পরা এক তরুণী হাত ধরে পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে হেঁটে যাচ্ছেন। তরুণের পিছনের দিকে কালো পাঞ্জাবি অর্ধেক ছেড়া।
হেঁটে যাওয়ার একপর্যায়ে ওই তরুণ তরুণীকে একটি নির্মাধীন ভবনের সামনে কিলঘুষি মারছেন। চুল ধরে টানাটানি করছেন। ওই তরুণ সামনের দিকে হাঁটতে থাকলে তরুণীটি পিছন থেকে তরুণের হাত ধরে ফেলে । এরপর দুজনে হেঁটে সামনে এ গিয়ে তরুণটি ওই তরুণীকে আবার ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়।

আরো পড়ুন : আল্লাহর কাছে ছেলেকে ভিক্ষা চাইছিলাম’

তরুণীটি উঠে পুনরায় ওই তরুণেরর হাত ধরে এবং সামনে হাঁটতে থাকে। একপর্যায়ে জনৈক জামাল স্যারের বাসার সামনে ওই তরুণ তরুণীটিকে চুলের মুঠি ধরে কিলঘুষি মারতে থাকেন এবং ধাক্কা মেরে রাস্তার পাশে ফেলে দেন। এভাবে দফায় দফায় তরুণীকে মারধর করা হয়।

ওই সময় রাস্তা দিয়ে যানবাহন ও পথচারীরা চলচল করলেও কেউ এগিয়ে আসেননি। ঈদের দিন সন্ধ্যার দিকে ৪৬ সেকেন্ডে ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মা্যেমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পরলে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজনরা ভিডিওর নিচে নানা ধরনের কমেন্ট করছেন।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সরেজমিন ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান করে জানা গেছে, নির্যাতিন তরুনীর নাম মিম। তার বাবার নাম মিলন। কালাইয়া  লঞ্চ ঘাট এলাকায় তাদের বাসা। গত এক বছর আগে উপজেলার চন্দ্রদ্বিপ ইউনিয়নের কামরুল নামের এক তরুনের সাথে তার বিয়ে হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নির্যাতিত ওই তরুণীর এক ঘনিষ্ঠ আত্বীয় জানান, ঈদের দিন ওই তরুন তার শ্বশুরের বাসায় আসেন। এরপর স্ত্রীর সাথে মান অভিমান করে বাসা থেকে বেড় হয়ে যান। স্ত্রীও তার পিছু নেয়। একপর্যায়ে রাস্তায় বসে তাদের মাঝে মারামারি, ধস্তাধস্তি ও টানাটানির ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন : অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে কিশোরীর মৃত্যু

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক পথচারী বলেন, তরুণটি জোড় কদমে হেঁটে যাচ্ছেন। তরুণীটি তার পিছন দিক থেকে কালো পাঞ্জাবি ধরে তাকে থামানোর চেষ্টা করতেই পাঞ্জাবিটির পেছনের অংশ ছিঁড়ে যায়। তখন ওই তরুণ ক্ষুব্ধ হয়ে তরুণীটিকে কিলঘুষি মারতে থাকেন। এভাবে তরুণীটিকে কয়েক দফা মারধর করা হয়।

এ ব্যাপারে বাউফল থানার ওসি শোনিত কুমার গায়েন বলেন, ভিডিওটি তিনি দেখেছেন। তবে নির্যাতিত তরুণীর পক্ষ থেকে থানায় কোন অভিযোগ করা হয়নি। তবে পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।




বরিশালে হাসপাতাল থেকে গৃহবধূর লাশ রেখে পলাতক স্বামী!

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করেছে বাকেরগঞ্জ থানার পুলিশ। এ ঘটনা পলাতক রয়েছে স্বামী।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, কবাই ইউনিয়নের চল লক্ষ্মীপাশা গ্রামের রুবেল হাওলাদারের স্ত্রী খাদিজা বেগম (২৫) কে দুপুর ১ টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে নিয়ে আসে রুবেল হাওলাদার ও তার মা ইনারা বেগম। তখন হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্মরত ডাক্তার অনামিকা সরকার টুম্পা পরীক্ষা করে খাদিজা বেগমকে মৃত্যু বলে ঘোষণা দেয়। মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চেয়ে ডাক্তার খাদিজি বেগমের স্বামী রুবেলের কাছে জানতে চায় কিভাবে ওনার মৃত্যু হল। তখন রুবেল তার স্ত্রীর মরদেহ হাসপাতাল রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে কর্তব্যরত ডাক্তার বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশকে জানালে বাকেরগঞ্জ থানার এসআই রতন হাসপাতালে এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে নিহতের শাশুড়ি ইনারা বেগম বলেন, কিভাবে মৃত্যু হয়েছে আমি জানিনা। আমার ছেলে রুবেল ঢাকাতে গার্মেন্টসে চাকরি করে ঈদের ছুটিতে বাড়ি আসছে। আমার ছেলে তার স্ত্রীকে আহত অবস্থায় ঘরের দোতলা থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসছে তাই আমিও তার সাথে আসছি।

এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: আফজাল হোসেন জানান, ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ গিয়ে খাদিজা বেগমের মরা দেহ উদ্ধার করে আনে। খাদিজা বেগমের গলায় আঘাতের দাগ থাকায় মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ করেনি নিহত খাদিজা বেগমের পরিবার। তবে এই ঘটনায় নিহত খাদিজা বেগমের স্বামী রুবেল হাওলাদার পলাতক রয়েছে।




আল্লাহর কাছে ছেলেকে ভিক্ষা চাইছিলাম’

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: “মসজিদে ১০০ টাকা দিছি আর আল্লাহর কাছে বাবার প্রাণ ভিক্ষা চাইছি কিন্তু আল্লায় আমার কথা শোনলো না” এমন কথা বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন সদর ঘাটে লঞ্চের রশি ছিঁড়ে নিহত রিপন হাওলাদারের ছোট মেয়ে মেঘলা।

মেঘলা আরো বলেন, নামাজ পড়ছি আর আল্লাহর কাছে মানত করছি বাবায় সুস্থ হইলে সবাই মিলে মির্জাগঞ্জ ইয়ার উদ্দিন খলিফা সাহেবের মাজারে যামু। আমার বাবারেতো আল্লায় নিয়া গেলো।

আরো পড়ুন : অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে কিশোরীর মৃত্যু

নিহত রিপনের ছেলে রিফাত বলেন, চানরাইতে বাবার সাথে কথা হইছে হে আমাগো ঈদের জামা কাপড় কেনার জন্য দুই হাজার টাকা পাঠাইছে আর কইছে ঈদের পরদিন আইতাছি তোগো নিয়া জামা কাপড় কিন্না দিমু হানে। কিন্তু কাইল লঞ্চে ওডার সময় তার এক্সিডেন্ট হইছে। বাবায় আমাগো ছাইড়া চইল্যা গেছে।

নিহত রিপনের বৃদ্ধ বাবা জয়নাল আবেদীন হাওলাদার বলেন, বাবায় কইছে ঈদের পরদিন বাড়ি আইবে মায়ের কবর জিয়ারত করবে। বাড়িতেতো আইলো কিন্তু লাশ হইয়া।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে নিহত রিপনের লাশ তার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার শিয়ালীতে নিয়ে আসা হলে সেখানে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা ঘটে। কান্নায় ভেঙ্গ পড়েন বৃদ্ধ বাবা, ৪ সন্তান, দুই স্ত্রী, ভাই বোন সহ আত্মীয় স্বজনেরা।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে আটটায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার চান্দখালী গ্রামে তার শ্বশুর বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা এবং  শিয়ালী গ্রামে নিজ বাড়িতে তৃতীয় জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

আরো পড়ুন : একসঙ্গে ৬ সন্তান জন্ম দিলেন গৃহবধূ

রিপনের দুই স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। তিনি ঢাকায় মোটর সাইকেল চালাতেন। গুলশান নতুন বাজার এলাকায় দ্বিতীয় স্ত্রীর বড় বোন হেলেনা বেগম ও তার মেয়ে তানিয়াকে নিয়ে থাকতেন। ঈদের দিন তিনি তানিয়াকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি বরগুনার বেতাগী উপজেলায় আসার জন্য সদর ঘাটে যান। ঢাকা-বরগুনা রুটে চলাচল রত তাসরিফ-৪ লঞ্চে ওঠার জন্য অপেক্ষা করার সময় ঘটা দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান তিনি।