আগামী ৫ বছর হবে বরিশালে উন্নয়নের স্বর্ণ যুগ : বিডা চেয়ারম্যান

বরিশাল অফিস:: বরিশাল সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া বলেছেন, ‘ভাঙা থেকে পায়রা পর্যন্ত বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক ৬ লেনের অনুমোদন হয়েছে। বরিশালে আগামী ৫ বছর হবে উন্নয়নের স্বর্ণ যুগ। এরই মধ্যে বড় প্রকল্পগুলো শেষ হবে। এক্সপ্রেস রেল লাইন হবে দক্ষিণাঞ্চলে।’ গতকাল বৃহস্পতিবার  নগর ভবন সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিল চীনের রাষ্ট্রদূত দক্ষিণাঞ্চল সফর করবেন। আশা করা যাচ্ছে, চীন এ অঞ্চলে বড় বিনিয়োগ করবে। এখানে শিল্পের উন্নয়ন দরকার।’ নগরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিডা চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিসিসির লক্ষ্য হতে হবে রাজশাহীর চেয়ে ভালো করার। এরপর থাইল্যান্ডের মতো আগাতে হবে।

নদীকে ঘিরে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন এগিয়ে নিতে হবে। ৭ লাখ লোকের নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি হয়ে পড়েছে।’ সভাপতির বক্তব্যে সিটি মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত বলেন, ‘বরিশালবাসী সমস্যায় জর্জরিত ছিল। আমি দায়িত্ব নিয়ে সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছি। বরিশালবাসী সব দিকেই দরিদ্র। আশা করছি, ১০ বছরে বরিশালের চেহারা পাল্টে যাবে।’ তিনি বলেন, ‘অর্থনীতির শ্বাস প্রশ্বাসের কেন্দ্র সমুদ্রবন্দর। এই সুযোগটা কাজে লাগাতে হবে।

নগরীর আবাসিক সমস্যা, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং বর্জ্যব্যবস্থাপনায় জোর দিতে হবে।’ বিডা এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে বলে মনে করেন তিনি।সভায় অন্যান্যের মধ্যে বিডার নির্বাহী সদস্য ড. খন্দকার আজিজুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র-১ জিয়াউর রহমান বিপ্লব, প্যানেল মেয়র-৩ কহিনুর বেগম, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেন, সচিব মাসুমা আক্তার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ মাহমুদ, বিডার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাবৃন্দ, সাংবাদিক নেতা কাজী মফিজুল ইসলাম, কাজী মিরাজ মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভার শুরুতে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যানকে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়।




দেশীয় অর্থে নির্মিত হচ্ছে বরিশালের মীরগঞ্জ সেতু

বরিশাল অফিস :: বরিশাল বিভাগীয় সদর সহ সারা দেশের সাথে মেঘনা পাড়ের মুলাদী ও হিজলা উপজেলার সরাসরি ও মেহেন্দিগঞ্জের সাথে সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার সম্পূর্ণ দেশীয় তহবিলে মীরগঞ্জে অড়িয়াল খাঁ নদের ওপর সেতু নির্মান কাজ চলতি বছরের শেষে শুরু হতে যাচ্ছে। প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ কেবল স্টেইট এক্সট্রা ডোজ টাইপের এ সেতুটি নির্মানে ইতোমধ্যে নির্মান প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রাক-যোগ্যতা যাচাইয়ে প্রস্তাব আহবান করা হয়েছে।

আগামী মাসেই প্রাক-যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে দেশের খ্যাতিমান নির্মান প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রস্তাবনা যাচাই বাছাই করে যোগ্যতা সম্পন্ন প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে থেকে দর প্রস্তাব আহবান করা হবে। এসব দর প্রস্তাবের অর্থনৈতিক ও কারিগরি বিষয় সমূহ মূল্যায়ন শেষে চলতি বছরের মধ্যেই নির্মান প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি সম্পাদন করে দ্রুততার সাথেই মীরগঞ্জ সেতুর নির্মান কাজ শুরু করতে চাচ্ছে সড়ক অধিদপ্তর।

মীরগঞ্জ সেতু নির্মানের লক্ষ্যে উন্নয়ন প্রকল্প-প্রস্তাবনা,ডিপিপি’ গত ৩১ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেকএর সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছে। ডিপিপি অনুযায়ী ২০২৮-এর জুনের মধ্যে সংযোগ সড়ক ও নদী শাসন কাজ সম্পন্ন করে মীরগঞ্জ সেতু যান চলাচলের জন্য উম্মুক্ত করা হবে । তবে এসব কিছুর আগে নির্মান প্রতিষ্ঠানই এ সেতুটির চূড়ান্ত নকশা প্রনয়ন করবে বলে জানা গেছে।

প্রায় ১ হাজার ৪৪২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যায় সাপেক্ষ মীরগঞ্জ সেতুটি আড়িয়াল খাঁ নদের ওপর তৃতীয় সেতু। অপর দুটি সেতু ঢাকা-ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কের শিবচর এবং চাঁদপুর-শরিয়তপুর-মাদারীপুর মহাসড়কে অবস্থিত। মীরগঞ্জ সেতুটি নির্মিত হলে বরিশাল সহ সারা দেশের সাথেই নদ-নদী বেষ্টিত বিচ্ছিন্ন উপজেলা মুলাদী ও হিজলা’র সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হবার পাশপপাশি পাশ^বর্তি মেহেদিগঞ্জের সড়ক পথও অনেকটা নির্বিঘœ হবে।

এক হাজার ৪৮৪ মিটার দীর্ঘ মীরগঞ্জ সেতুটির মূল অংশ ২টি এবাটমেন্ট ও এবং ১৭৫ মিটারের দুটি ও ৯৭ মিটারের দুটি পিয়ার সহ ৫৪৪ মিটার। সংযুক্ত ভায়াডাক্ট ৯৪০ মিটার। সেতু ও ভায়াডাক্ট সহ মোট পিয়ারের সংখ্যা থাকছে ৩০টি। সেতুটির দুই প্রান্তে প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মিত হবে। যারমধ্যে টোলপ্লাজার সন্নিকটে রিজিট পেভমেন্ট এবং অবশিষ্ট ৩ হাজার ৯৭৩ মিটার ফ্লেক্সিবেল পেভমেন্ট এর সড়ক নির্মিত হবে। নির্মানের পরে আড়িয়াল খাঁ নদের সম্ভাব্য যে কোন ঝুঁকির হাত থেকে সেতুটি রক্ষায় ৪৬০ মিটার নদী তীর রক্ষাপ্রদ কাজে ৯৬.৬১ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এছাড়া সেতুটির প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মানে ২১.৫৫ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণে ৯৩.৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। অধিগ্রহনকৃত ভূমি থেকে ১০৫টি স্থাপনার ক্ষতিপূরণ বাবদও ৪৪.৭১ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

প্রকল্পটির আওতায় সেতু ও সংযোগ সড়কে ট্রাফিক সাইন, সিগন্যাল, রোড মার্কিং,টোল প্লাজা, সড়ক বাতি, ব্রীজ স্মার্ট হেলথ মনিটরিং সিস্টেম,বাস-বে, ডিভাইডার, ড্রেন, ফুটপাথ, কালভার্ট ও বনায়ন বাবদও প্রায় আড়াইশ কোটি টাকা ব্যয় হবে । পাশাপাশি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রুফ চেকিং পরামর্শক সেবা সহ প্রকল্প বাস্তবায়ন পরামর্শক সেবা বাবদও প্রায় ৮৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানা গেছে।

গত ১৮ অক্টোবর আন্তঃমন্ত্রণালয় প্রগ্রামিং কমিটির সভায় প্রকল্পটি চলতি অর্থ বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এডিপিতে অন্তর্ভূক্তির পরে ২১৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সেতুটি নির্মানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্স এর একটি যৌথ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার আলোকে এ্যাপাইজাল রিপোর্টও প্রনয়ন করা হয়েছে।

পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও তার আলোকে প্রণীত এ্যাপাইজাল রিপোর্টে সেতু ও সংযুক্ত সড়কটিতে বার্ষিক যান চলাচলের হিসেব অনুযায়ী দৈনিক গড়ে ২ হাজার ৪০১টি যানবাহন চলাচল করছে। যা প্রতিবছর গড়ে ১০ভাগ করে বৃদ্ধি পাবে। উপরন্তু সেতুটি নির্মিত হলে সর্বসাধারণের ভ্রমণ সময় হ্রাস সহ যানবাহনের পরিচালন ব্যয় বাবদ প্রায় ৪০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি সেতুটি নির্মিত হলে অর্থনৈতিক লাভবানের হার বছরে প্রায় ১৯% পর্যন্ত হতে পারে বলে সম্ভাব্য হিসেব করা হয়েছে।

তবে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার সম্পূর্ণ দেশীয় তহবিলের বিশাল এ প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হিসেবে অবিলম্বে প্রশাসনিক অনুমোদন সহ ভূমি অধিগ্রহণের জটিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়েছেন। যদিও সেতুটি নির্মানে ভূমি অধিগ্রহণের জটিল প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি। যেকোন প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় এখনো আমাদের দেশে বছর পার হয়ে যায়। আর ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন না হলে প্রকল্পটির বাস্তব অবকাঠামো নির্মান কাজ শুরু সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন অনেকে। তবে সে লক্ষে ইতোমধ্যে সব ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক।

 




জলকেলিতে মাতোয়ারা রাখাইন কিশোর-কিশোরীরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় আয়োজন করা হয়েছে তিন দিনব্যাপী রাখাইনদের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই জলকেলি উৎসব।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন রাখাইন মার্কেটে এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। সাংগ্রাই জলকেলি উৎসব উপলক্ষে রাখাইন কিশোর-কিশোরীদের মাঝে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মাঠের মধ্যে রাখা হয়েছে একটি সাজানো গোছানো নৌকা। নৌকার মধ্যে রাখা হয়েছে পানি। আর এ পানি একে অপরের গায়ে মারছেন রাখাইন কিশোর কিশোরীরা। এসময় নাচে গানে মাতোয়ারা হয়ে উঠে কিশোর-কিশোরীরা। এদিকে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বাড়িতে বাড়িতে ফুল দিয়ে সাজানো, বিহারে মোমবাতি প্রজ্বলন এবং প্রার্থনা করা, নতুন পোশাক পরাসহ নানা আয়োজন করে রাখাইনরা।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালী পৌর মেয়রের উদ্যোগে ইমামসহ ১২ জনের হজের সুযোগ

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান রাকিবুল আহসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব তালুকদার এবং কলাপাড়া ও কুয়াকাটার পৌর মেয়র উপস্থিত ছিলেন।

কেরানীপাড়ার তরুণ রাখাইন ওয়োনাইচে বলেন, পুরনো দুঃখকে ভুলে নতুন বছরে ভালো কিছু করার প্রত্যাশায় জলকেলিতে অংশ নিয়েছি। একটি বছর অপেক্ষা করি এমন দিনের জন্য। আমরা অনেক আনন্দ করছি।

একই এলাকার মাচান বলেন, নববর্ষের শুরুতে আমরা নানান রকমের খাবার তৈরি করেছি। পুরনো দুঃখ-কষ্টকে ভুলে নতুন বছরে ভালো কিছুর প্রত্যাশায় জলকেলিতে অংশ নিয়েছি।
শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহারের

পরিচালক ইন্দ্র বংশ ভান্তে বলেন, উৎসবকে ঘিরে সাজ সাজ রব রাখাইন পাড়ায়। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পাড়া থেকে যোগ দিয়েছে রাখাইনরা। পুরনো পাপ জলকেলির মাধ্যমে ধুয়ে মুছে নতুন বছর ভালোভাবে শুরু করব।




সদর উপজেলায় সরকারী সেবা নিশ্চিত করা হবে– ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিন

জাকির নেগাবান,বরিশাল :: সরকারী প্রকল্পের কাজে সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনার জন্য যা যা করার আমি তাই করবো। প্রতিটি কাজ শত ভাগ সম্পন্ন হয়েছে কি’না তা আমি নিজে গিয়ে তদারকি করবো। সাধারন খেটে খাওয়া মানুষেরা যাতে সরকারী বিশেষ সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয় সে লক্ষে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের তালতলী বাজারে গণসংযোগকালে সাধারন মানুষের সাথে এসব কথা বলেন আসন্ন বরিশাল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো: জসিম উদ্দিন।

জসিম উদ্দিন আরও বলেন, আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে বরিশাল সদর উপজেলাকে শৃংখলার আওতায় নিয়ে আসবো। উক্ত জন-সংযোগ কালে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, ও আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী সহ সাধারন জনগন। এদিকে, বুধবার (১৭ই মার্চ) আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় যাচাই বাছাইয়ে জসিম উদ্দিনের মনোনয়ন পত্র বৈধতা ঘোষনা করা হয়। এ খবর পাওয়ার পর থেকে বরিশাল সদর উপজেলার বাসীন্দাদের মাঝে বইছে উৎসবের আমেজ।




বরিশালের গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

বরিশাল অফিস :: বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা শাখার অভিযানে ৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদারের নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক কমলেশ চন্দ্র হালদার ও এসআই মো: সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ৩ টার দিকে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানাধীন নাজিরের পোল এলাকার আজমীর হোটেলের সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান পরিচালনায় সময় ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

তারা হলেন,বরিশাল জেলার গৌরনদী মহিলাড়া বেজাহার ২ নং ওয়ার্ডের পিতা- মৃত আলতাফ মাতুব্বরের ছেলে মো: ইমরান মাতুব্বর(৩০) ও নগরী কাউনিয়া থানাধীন ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা পিতা- মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে মো: বাবুল হাওলাদার(৬২)।

বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার জানান, আমাদের কাছে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ জন ব্যাক্তি ৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক জায়গায় থেকে অন্য জায়গায় নেওয়ার সময় তাদেরকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




পটুয়াখালী পৌর মেয়রের উদ্যোগে ইমামসহ ১২ জনের হজের সুযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ এর ব্যক্তিগত অর্থায়নে ওমরা হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে সৌদিআরবের রওহনা করেছেন পটুয়াখালী পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১০টি মসজিদের ১০ জন ইমাম এবং পটুয়াখালী পৌরসভার ২ জন স্টাফ। বুধবার এই ১২ জন ঢাকা থেকে বিমান যোগে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওহনা করেছেন।

ওমরা হজ্বের উদ্দেশ্যে যারা সৌদি আরবে গেছেন তারা হচ্ছেন পটুয়াখালী বড় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবু সাইদ, ১নং ওয়ার্ড এর গাজী বাড়ি বায়তুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মনোয়ার হোসেন, ২ নং ওয়ার্ডের লোহালিয়া খেয়াঘাট বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল বাসার, ৪নং ওয়ার্ডের বড় বাড়ী জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ আবু জাফর, ৫নং ওয়ার্ডের বায়তুল গফুর জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা শামীম আহম্মেদ, ৭নং ওয়ার্ডের নিউ মার্কেট জামে সমজিদের ইমাম মাওলানা তাজুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ডের জেলা মডেল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা তানভীরুল ইসলাম, ৯নং ওযার্ডের বড় চৌরাস্তা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল আলম, বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের ইমাম মুফতী নিজাম উদ্দিন এবং মার্কাজ মসজিদের ইমাম মাওলানা সাইদুল ইসলাম। এছাড়া পটুয়াখালী পৌরসভার গাড়ী চালক সিদ্দিকুর রহমান ও মাসুদুর রহমান মেয়রের অর্থায়নে ওমরা হজ¦ পালন করছেন।

আরো পড়ুন : কলাপাড়ায় গরমে বাড়ছে ডায়রিয়া রোগী, বেশির ভাগই শিশু

পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, ‘সকল ধর্মপ্রান সুমলমানদের একটা ইচ্ছা থাকে কাবাঘর ও রওজা মোবারক দেখার। কিন্তু অনেকেরই আর্থিক সামর্থ থাকে না। এ জন্য আমি গত তিন বছর আগে এই উদ্যোগটি গ্রহন করি। আমি সকলের সাথে আলাপ সিদ্ধান্ত নেই, যেহেতু অধিকাংশ মসজিদের ইমাম সাহেবরা আর্থিক ভাবে স্বাভলম্বী থাকেননা। সে কারনে প্রতি বছর ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন ইমাম সাহেবকে ওমরা হজ¦ পালনের ব্যবস্থা করবো। সেই ধারাবাহিকতায় প্রথম বছর ৯জন ইমাম সাহেবকে পাঠাতে পারলেও করোনার কারনে গত দুই বছর এই কার্যক্রমটি চালু রাখতে পারিনি। তবে এবার থেকে আবারও শুরু করলাম। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন এই কাজটি করে যেতে পারি। মহান আল্লাহ আমার যেন সেই আর্থিক সামর্থ বজায় রাখে।’

পটুয়াখালী জেলা ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আব্দুল কাদের বলেন, এটি একটি মহৎ উদ্যোগ, আমরা জেলা ইমাম পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েই ইমাম সাহেবদের একটি তালিকা তৈরী করে মেয়রের কাছে উপস্থাপন করেছি। আশা করছি আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারীতে অরেকটি গ্রুপ ওমরা পালনের সুযোগ পাবে। মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদকে ধন্যবাদ জানানোর পাশপাশি দোয়া করি তিনি যেন ইসলামের খেদমতে তারা এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেন।’




কলাপাড়ায় গরমে বাড়ছে ডায়রিয়া রোগী, বেশির ভাগই শিশু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অতিরিক্ত গরমের কারণে আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এদের বেশির ভাগই শিশু।

জানা গেছে, এপ্রিলের শুরু থেকেই গরমের সঙ্গে ডায়রিয়া রোগের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে।  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শয্যা না থাকায় মেঝেতে ঠাঁই হয়েছে অনেক রোগীদের।

আরো পড়ুন : গলাচিপায় মাঠে মাঠে হলুদ সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ২৫ জন রোগী। গত এক সপ্তাহে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮১ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি। ধারণ ক্ষমতা থেকে অতিরিক্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, পর্যাপ্ত ওষুধ এবং স্যালাইন মজুত রয়েছে। ডায়রিয়া থেকে বাঁচতে সবাইকে বাইরের খাবার পরিহারের আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।




গলাচিপায় মাঠে মাঠে হলুদ সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দূর থেকে দেখলে মনে হয় হলুদের গালিছা বিছানো। কাছে গেলে দেখা যায় বাতাসে দোল খাওয়া সূর্যমুখী ফুলের হাসি। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার মাঠে মাঠে এখন সূর্যমুখীর ফুলের হাসি। ভালো ফলন পাওয়ায় কৃষকের মুখেও হাসি ফুটে উঠছে।

এবার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা, গোলখালী, সদর ইউনিয়ন, পানপট্টি, ডাকুয়া, বকুলবাড়িয়া, কলাগাছিয়া, গজালিয়া, রতনদী তালতলী, চর বিশ্বাস ও চরকাজলসহ ১২টি ইউনিয়নে ১২০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। এখান থেকে এবার প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ মেট্রিক টন সূর্যমুখী বীজের ফলন পাওয়া যাবে।

আরো পড়ুন : ২ ঘণ্টা পর ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কে যান চলাচল শুরু

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আওতায় তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পে হাইসান-৩৩ জাতের সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে এ উপজেলায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সূর্যমুখীর ফলনও ভালো হযেছে। তেল জাতীয় অন্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখীর চাষ লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা এ ফসল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের কাউয়ুম চৌকিদার জানান, তিনি ৩৩ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে এক কেজি বীজ এবং ২০ কেজি ইউরিয়া, ২০ কেজি জিপসাম, তিন কেজি ম্যাট সার, ২৫ কেজি ড্যাব সার সরবারহ করেছে। এ ছাড়া জমি চাষাবাদ বাবদ তিন হাজার ৫০০ টাকা এবং সেচ বাবদ ৫০০ টাকা খরচ হয়েছে তার।

গলাচিপা পৌরসভার ঝন্টু দেবনাথ জানান, রতনদী গ্রামে ১২০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছেন তিনি। জলবায়ু সহনশীল বীজ, ইউরিয়া, টিএসপি, পটাশ, জিংক, দস্তা ও বোরন সার সরবরাহ করা হয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে।

গলাচিপা সদর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয় ৫-৬ হাজার টাকা। উৎপাদিত ফসল বিক্রি করা যায় ১৬ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। বীজ রোপণের ৯০ থেকে ১০৫ দিনের মধ্যে ফসল ঘরে তোলা যায়। এবার আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকূলে থাকায় সূর্যমুখীর ফলন বেশ ভালো হয়েছে। এই ফসলের রোগবালাই কম এবং সূর্যমুখীর খৈল গরুর জন্য উৎকৃষ্ট খাদ্য।

আরো পড়ুন : বৈশাখী মেলায় নৌকা ভেঙে ৫ শিশু-কিশোর আহত

ডাকুয়া ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাহিদ হাসান বলেন, তেল জাতীয় ফসলের আবাদ বৃদ্ধির জন্য সরকারের নির্দেশনা রয়েছে। সে লক্ষ্যে আমরা প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে আসছি।

গলাচিপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার জানান, সূর্যমুখী থেকে পাওয়া তৈল মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বাংলাদেশ সরকার কৃষকদেরকে সূর্যমুখী চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বীজ ও সার বিনামূল্যে সরবরাহ করছে। আমাদের ধারণা, তেল জাতীয় ফসল সূর্যমুখীর চাষ কৃষকেরকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।




২ ঘণ্টা পর ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কে যান চলাচল শুরু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ২ ঘণ্টা অবরোধের পর জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কে ফের যান চলাচল শুরু হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে পটুয়াখালীর বড় চৌরাস্তা এলাকায় অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের কারণে দুটি বাসকে জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সড়ক অবরোধ করে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয় বাস শ্রমিকরা। এতে করে ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কের দুই দিকে আটকে পড়ে শতাধিক যানবাহন। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। তীব্র গরমে যানবাহনের ভেতর হাঁসফাঁস করতে থাকেন তারা।

আরো পড়ুন : ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করায় পটুয়াখালীতে বাস বন্ধ

পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে মালিক সমিতির সঙ্গে বৈঠকের আশ্বাস দেয়া হলে বেলা সোয়া ৩টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

পটুয়াখালী জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন মৃধা বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষেরা ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরছেন। সময় বাঁচানোর জন্য তারা চালক ও হেলপারের নিষেধ উপেক্ষা করেই অতিরিক্ত যাত্রী হিসেবে বাসে উঠছে। এ কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছেন। জরিমানার পরিমাণ সহনশীল হলেও সেটি ঠিক ছিল, কিন্তু প্রতিটি বাসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এত টাকা বাসের চালক বা হেলপারের পক্ষে দেয়া কষ্টসাধ্য, তাই তারা সড়ক অবরোধ করেন।
পরে জেলা প্রশাসনের আশ্বাসে জরিমানা পরিশোধ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।




অপপ্রচার রোধে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেওয়া হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বরিশাল অফিস :: অপতথ্য ও অপপ্রচার রোধে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দফতর কক্ষে তার সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মার সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি আরও বলেন, অপতথ্য ও অপপ্রচারের ব্যাপারে ভারতের যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে তাদের অভিজ্ঞতা, প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিগুলো দুই দেশের মধ্যে বিনিময় করা হবে। এখানে কোন প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হলে সে জায়গায় পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়েও আলাপ হয়েছে। চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন খাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী এ সময় সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট যে যে ক্ষেত্রে পারস্পারিক সহযোগিতার সুযোগ আছে, সে বিষয়গুলো নিয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ উপকৃত হবে। চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের ক্ষেত্রে ভারতের যেসব অভিজ্ঞতা রয়েছে সেগুলো আমরা যথাসম্ভব নেয়ার চেষ্টা করব যাতে আমরা এসব ক্ষেত্রে আরও উন্নয়ন করতে পারি।

তিনি এ সময় আরও বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) দুই ঘণ্টাব্যাপী একটি সমসাময়িক আন্তর্জাতিক সংবাদ বিশ্লেষণ ও সংবাদ উপস্থাপন আমরা শুরু করতে যাচ্ছি। আন্তর্জাতিক মানে বিটিভিতে যে দুই ঘণ্টার কার্যক্রম শুরু করা হবে সেখানে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের খবরাখবর থাকবে এবং বিশ্ব সংবাদ থাকবে। এ বিষয়ে ভারতের সংবাদ সংস্থাগুলো বিশেষ করে এএনআই (এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল)-এর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করা যায় কীনা সে বিষয়টি নিয়ে হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিটিভির এ কার্যক্রম দিয়ে আমরা ভারতীয় দর্শকদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করব।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের সঙ্গে একটা সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করা, বিভিন্ন অভিজ্ঞতা বিনিময় ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন, দুই দেশের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত মুজিব: একটি জাতির রূপকার চলচ্চিত্রের মতো আরও এ রকম চলচ্চিত্র যৌথ প্রযোজনা নির্মাণের সুযোগ আছে কীনা তা খতিয়ে দেখার বিষয়গুলো আলোচনা হয়েছে।

দর্শক চাহিদার আলোকে দুই দেশের মধ্যে চলচ্চিত্র বিনিময়ের বিষয়টিও এ সময় উল্লেখ করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।