২ সন্তান-অসুস্থ মাকে নিয়ে চা বিক্রেতা প্রিয়াঙ্কার জীবন সংগ্রাম

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: প্রিয়াঙ্কা বণিক। বয়স ২৮ বছর। স্বামী মারা গেছেন এক বছর আগে, স্বামীই ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার অবর্তমানে আট বছরে মেয়ে ঐশি, পাঁচ বছরের ছেলে পরম ও অসুস্থ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মাকে নিয়ে প্রিয়াঙ্কা বিপাকে পড়ে যান। বাউফল পৌর শহরের বাউফল বাজারে একটি টং দোকান দেন তিনি। সেখানে বিক্রি করেন চা, সিগারেট, পান, বিস্কুট, চকলেট, কেক ও রুটি। যা দিয়ে কোনো রকমে চলে প্রিয়াঙ্কা বণিকের সংসার।

বিগত এক বছর ধরে ওই স্থানে প্রতিদিন খুব ভোরে দোকান খুলে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান করেন তিনি। এর মাঝে দুপুরে রান্নার কাজে সল্প সময়ের জন্য বাড়িতে যান প্রিয়াঙ্কা। স্কুল থেকে সন্তানেরা বাসায় ফিরে পান না মায়ের আদর ভালোবাসা। এভাবেই প্রতিদিন চলছে তার বেঁচে থাকার লড়াই।

প্রিয়াঙ্কা বণিকের প্রতিদিনের বিক্রি হয় ৭০০-৮০০ টাকার মতো। সেখান থেকে আয় হয় দুই থেকে আড়াই শত টাকা। তিনি পটুয়াখালী বাউফল উপজেলার পৌর শহরের ৭নং ওয়ার্ডের বণিক বাড়ির বাসিন্দা।

প্রিয়াঙ্কা বণিক বলেন, ২০২৩ সালে আমার স্বামী মারা গেছে। সে এখানে কাঁচামালের ব্যবসা করতো। আমার দুটো সন্তান আছে। তাদের মানুষ করতে আমি বাজারে চায়ের দোকান দিছি। বড় মেয়ে ঐশী দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ও ছোট ছেলে পরম শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী। এদেরকে মানুষ করার জন্য যুদ্ধ করতেছি। এই যুদ্ধে ভগবান কতদূর নেয় তা জানি নাহ।

আরো পড়ুন : রাজস্ব আয় বৃদ্ধি হলেই রাষ্ট্রের উন্নয়ন সমৃদ্ধি হবে – পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক

তিনি আরও বলেন, সন্তানদের পড়ালেখা করানোর জন্য প্রাইভেট দিতে হচ্ছে। খাওয়া-দাওয়া পরিপূর্ণ ভাবে দিতে পারি নাহ। তারপরও আমি চেষ্টা করছি। ভগবান যতদিন চায় সন্তানদের মানুষ করার জন্য আমি তৈরি। দুই বাচ্চা ও আমার মা আমার কাছে থাকে। মাও অসুস্থ, কিডনি দুইটাই নষ্ট হয়ে গেছে। মায়ের দেখভাল সবই করা লাগে আমার। সকাল ৫টার সময় দোকানে আসি আর দুপুর ২টার দিকে বাড়িতে যেয়ে রান্না-বান্না করা লাগে। রান্না-বান্না করে আবার দোকানে আসি। বিকাল ৫টার দিকে দোকান খুলি আর রাত ১০টার দিকে বাসায় যাই। এর মধ্যে বাচ্চারা কোথায় থাকে জানার মত ক্ষমতাও থাকে না।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রিয়ঙ্কা আরো বলেন, আমার দুর্ভাগ্য যে রোডের পাশে ঠাঁই হয়েছে। স্বামী ব্লাড ক্যান্সার ছিল, কিডনি দুইটাই নষ্ট ছিল। যখন আমার ছেলের বয়স দেড় মাস তখন সে না বাঁচার মতো হয়ে যায়। এখানকার ডাক্তারা বলছে ঠিক হবে না, তখন ঢাকায় নিছি তারপর অসুস্থ অবস্থায় ব্লাড দিয়ে বেঁচে ছিল কিছুদিন। বছর হলো মারা গেছে। মারা যাওয়ার পর থেকেই আমার জীবন যুদ্ধ শুরু। যুদ্ধ কবে শেষ হবে ভগবান জানেন, আমি কিছু জানি না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বশির গাজী বলেন, মা দিবসে বিশ্বের সকল মাকে মা দিবসের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। বাউফলের পৌরসভায় যিনি প্রিয়াঙ্কা বণিক নামে এক মা রয়েছেন। তিনি অত্যন্ত কষ্ট করে তার সন্তানদের মানুষ করছেন। তার বৃদ্ধা মাকেও তিনি লালন পালন করছেন। আমরা তার বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়েছি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সাহায্য সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে।




রাজস্ব আয় বৃদ্ধি হলেই রাষ্ট্রের উন্নয়ন সমৃদ্ধি হবে – পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলার বৃহত্তর গলাচিপা উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সদস্য সচিব, সাধারণ ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যদের সমন্বয়ে, জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এন আই এল জি) আয়োজনে শনিবার সকাল দশটার সময়ে, উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে গলাচিপা উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় ১১ ও ১২ মে /২৪ দিনব্যাপী, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা ও অভ্যন্তরীণ স্থানীয় সম্পদ আহরণ ও বার্ষিক বাজেট ব্যবস্থাপনা কোর্সে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

উপজেলার সুদক্ষ নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন আল- হেলাল এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উল্লেখিত বক্তব্য ও নির্দেশিনা প্রাদান করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক জনাব নূর কুতুবুল আলম।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আকষ্মিক বজ্রপাতে গরুর মৃত্যু

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট এর যুগ্ন- পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ) মো: সফিকুল ইসলাম।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি সকলের উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দ্বায়ীত্ব প্রাপ্ত সচিব, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর প্রতিনিধিদের স্ব-স্ব দ্বায়ীত্বে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদকে স্থানীয় সম্পদ আহরন ও বার্ষিকী বাজেট প্রণয়ন করে পক্ষ বিপক্ষ ভূলে নাগরিক ট্যাক্স বৃদ্ধি করে বর্তমান সরকারের লক্ষ উদ্দেশ্য ও জন- স্বার্থে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে সহকারী কমিশনার (ভূমী) মোঃ নাছিম রেজা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, স্থানীয় সম্পদ আহরণ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা কোর্সটি সকল জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের ও দক্ষতা উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।




পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আকষ্মিক বজ্রপাতে গরুর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অকষ্মিক বজ্রপাতে একটি বলদ গরুর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১১ মে) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার চম্পাপুর ইউপির মাসুয়াখালী গ্রামে এই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জাহাঙ্গীর জানান, সকালে বাড়ির পাশে খোলা মাঠে গরুটি বেঁধে রেখেছিলেন। তখন আবহাওয়া ভালো ছিল। কিন্তু বেলা বাড়লে গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। এরমধ্যে হঠাৎ-ই বিকট শব্দে বজ্রপাত ঘটে। পরে মাঠে গিয়ে বলদ গরুটি মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

আরো পড়ুন : নিষেধাজ্ঞার পর পটুয়াখালীর নদী থেকে ইলিশ উধাও

গরুটির আনুমানিক দাম প্রায় ৮৫ হাজার টাকা ছিল বলে জানান তিনি।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রবিউল ইসলাম জানান, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে আবদেন করতে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে সহায়তা প্রদান করা হবে।




নিষেধাজ্ঞার পরও পটুয়াখালীর নদী থেকে ইলিশ উধাও

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন নদনদীতে ইলিশসহ সব রকমের মাছ ধরা বন্ধ ছিল। টানা ৬০ দিন পর ১ মে থেকে আবারও নদীতে মাছ ধরতে নামেন জেলেরা। তবে নদীতে নেমেই হতাশ তারা। জালে প্রত্যাশিত ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। নদী থেকে ইলিশ যেন উধাও হয়ে গেছে।

শুধু ইলিশ নয়, অন্য মাছেরও দেখ পাচ্ছেন না জেলেরা। যে অল্প কিছু ইলিশ ধরা পড়ছে, সেগুলো চড়া দামে বিক্রি করেও জ্বালানি খরচ ওঠাতে পারছেন না জেলেরা। আবার চড়া দামের কারণে নিম্ন-আয়ের মানুষ ইলিশের ধারেকাছে যেতে পারছেন না। ঘাটে আড়াইশো থেকে তিনশ গ্রামের হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ থেকে ২ হাজার টাকায়।

আলিপুর, মহিপুর ঘাটে গিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে।

শনিবার (১১ মে) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ছোট বিগাই যাওয়ার পথে পায়রা নদীতে এই প্রতিবেদকের দেখা হয় একদল জেলের সঙ্গে। পায়রা নদীতে মাছ ধরার বিষয়ে কথা হয় তাদের সঙ্গে। নৌকার মালিক মো. জব্বার ফকির জানান, ৭ মে থেকে চার দিন নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন তারা। এক ট্রলারে ১১ জন জেলে চার দিনে মোট ২৬ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করতে পেরেছেন। এর মধ্যে খাবার ও নৌকার জ্বালানির জন্য ১৮ হাজার টাকার মতো খরচ হয়ে গেছে। অবশিষ্ট ৮ হাজার টাকা দিয়ে নৌকা, জাল ও ছয়জন মাঝিমাল্লার ৫ দিনের বেতন দিতে হবে।

জেলে নাসির বলেন, ‘মাছ ধরার পর যে টাকা পাই, তা দিয়ে কারোরই সংসার চলে না। এ মুহূর্তে নদীতে গিয়ে আমাদের পোষায় না। তারপরও ইলিশের আশায় এবং রোজগারের আশায় নদীতে যাই।’

জেলে দুলাল বলেন, ‘গত রাতে যে মাছ ধরেছি, ঘাটে এনে সেগুলো নিলামে বিক্রি করেছি ৫ হাজার টাকা। দিনের বেলায় যেগুলো ধরেছি, সেগুলো ৪ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দুইবার নদীতে গিয়ে সারে ৩ হাজার টাকার জ্বালানি পুড়িয়েছি। তাই মাছ কম পেলে ঘাটে এসে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।’

মহিপুর মৎস্য আরত এর ম্যানেজার বলেন, ‘অতীতে এ ঘাটে ঘণ্টায় ৪০-৫০ লাখ টাকার ইলিশ বিক্রি হতো। এখন ইলিশই নেই।’ ২০টি ট্রলারে তারা প্রায় ৫০ লাখ টাকার মতো দাদন দিয়েছিলেন। পুরো দিনে চারটি ট্রলার এসে মাত্র ৩০ হাজার টাকার ইলিশ নিলামে বিক্রি করেছে।

আলিপুর মৎস্য আরত এর ব্যবসায়ী আনোয়ার বলেন, ‘মাছ কম, তাই দাম অনেক বেশি। সাধারণ আয়ের কোন মানুষের পক্ষে এখন ইলিশ খাওয়া সম্ভব না। নদীর ঘাটেই ২৫০ গ্রাম ওজনের হালি ইলিশ হাজার টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।’

আরো পড়ুন : গলাচিপায় জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ

মৎস্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২ শতাংশ। বার্ষিক উৎপাদন প্রায় তিন লাখ ৪৬ হাজার টন। আর জিডিপিতে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১ শতাংশ। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, ভোলা, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, চাঁদপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা মিলিয়ে প্রায় ৭ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় ইলিশ মাছ সবচেয়ে বেশি ডিম ছাড়ে। এর বাইরের উপকূলের অন্যান্য নদীগুলোতেও ইলিশ ডিম ছাড়ে।

সরকার ছয়টি জেলার—ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর—মেঘনা নদীর অববাহিকা, তেঁতুলিয়া নদী, আন্ধারমানিক নদী, পদ্মা ও কালাবদর নদীর ৪৩২ কিলোমিটার এলাকার ছয়টি এলাকা ইলিশ অভয়াশ্রম ঘোষণা করে। এর মধ্যে পাঁচটি অভয়াশ্রমে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস সব ধরনের প্রকার মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।




গলাচিপায় জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার, দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে মৎস্য জেলেদের আর্থিক উন্নতির লক্ষ্যে ২৩-২৪ অর্থবছরের ইলিশ সম্পদ ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত) বিকল্প বাছুর (গরু) দ্বিতীয় কিস্তিতে ৩২ জন জেলে পরিবারদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়।

শনিবার ১১ মে বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসিম রেজা, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মৎস্যজীবীদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ ও বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলার সুযোগ্য মৎস অফিসার মোঃ জহুরুন্নবী (বিসিএস)। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ আকরামুজ্জামান, সহকারী সমাজসেবা অফিসার মোঃ সাইমুন জামান সায়েম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ প্রমুখ।

আরো পড়ুন : কলাপাড়ায় ৮৮ কিলোমিটার পাকা সড়কের বেহাল দশা কলাপাড়া

বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলেদের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকারের বিভিন্ন নির্দেশনা ও ঝাটকা ইলিশ সংরক্ষণে নির্দিষ্ট সময়ে মাছ আহরণ। বিকল্প কর্মসংস্থান ও আর্থিক অগ্রগতির জন্য মৎস্য চাল ও বকনা বাছুর সহ নানা বিধ সুবিধা বর্তমান সরকার দেশের মানুষের জন্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এই বকনা (গরু) বাছুর কে যত্ন করে লালন পালন করে নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার সুধী সহ মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।




কলাপাড়ায় ৮৮ কিলোমিটার পাকা সড়কের বেহাল দশা কলাপাড়া

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায় বিভিন্ন ইউনিয়নের ৮৮ কিলোমিটার পাকা সড়কের চরম বেহাল দশা। খানা-খন্দকে একাকার হয়ে গেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নির্মিত বিটুমিনাস কার্পেটিং এ সড়কের অধিকাংশ সিলকোট উঠে গেছে। বর্ষায় পানি জমে একাকার হয়ে যায়। অধিকাংশ সড়কের কার্পেটিং এর অস্তিত্ব নেই। বালু, কাদামাটি, খোয়া বেরিয়ে গেছে। পাকা এ সড়কগুলো এখন যান চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিনিয়ত যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে মানুষ। দীর্ঘদিন মেরামত না করায় সড়কগুলোর এমন অবস্থা হয়েছে। তবে গ্রামের মানুষের দাবি ছয় চাকার অবৈধ দত্যাকৃতির যান, হামজা কিংবা ট্রলি অতিরিক্ত মালামাল বোঝাই করে চলাচলের কারণে শুধু পাকা সড়ক নয়, আরও শত কিলোমিটার কাঁচা ও কয়েক কিলোমিটার হেরিংবন্ড রাস্তা ভেঙে গেছে।

এলজিইডি’র তথ্যমতে, তিন মিটার প্রস্থ ও এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সড়ক পাকাকরণে ৮০ লাখ থেকে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা ব্যয় হয়। অথচ অবৈধ ছয় চাকার দৈত্যাকৃতির ওই যানের (ট্রলি-হামজা) চাকায় (নির্মাণর ৩-৬ মাসেই) পিষ্ট হয়ে রাস্তাঘাট নষ্ট হয়ে গেছে।
ফলে সরকারের শত শত কোটি টাকার পাকা সড়ক ছাড়াও আরও ৫০ কোটি টাকার কাঁচা মাটি কিংবা ইটের রাস্তার সর্বনাশ হয়েছে। অবৈধ এ যান রোধে নেই কোনো পদক্ষেপ। ফলে সরকারের গ্রামীণ যোগাযোগের উন্নয়ন চিত্র বিবর্ণ হয়ে গেছে। সড়ক ধ্বংসের এই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

আরো পড়ুন : গলাচিপা উপজেলায় গরু চুরির হিড়িক পড়েছে

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, কলাপাড়া উপজেলায় এলজিইডি নির্মিত পাকা-কাঁচা মোট সড়ক রয়েছে এক হাজার ৯৬৮ কিলোমিটার। এর মধ্যে উপজেলা সংযোগ সড়ক রয়েছে ১০টি, যার দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার। ইউনিয়ন সংযোগ সড়ক রয়েছে ২৩টি। যার দৈর্ঘ্য ২২৯ কিলোমিটার। গ্রামীণ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক (এ টাইপ) রয়েছে ৫১টি। যার দৈর্ঘ্য ২৪২ কিলোমিটার। গ্রামীণ কম গুরুত্বপূর্ণ (বি-টাইপ) প্রত্যন্ত এলাকার সড়ক রয়েছে ৪৪৫টি। যার দৈর্ঘ্য ১৩৪৫ কিলোমিটার। এর মধ্য চার শ্রণির সড়কের মধ্যে বিটুমিনাস কার্পেটিং (পাকা) সড়ক রয়েছে ৩০৪ কিলোমিটার। একশ’ সাত কিলোমিটার সড়ক রয়েছে এইচবিবি। আরসিসি ও সিসি সড়ক রয়েছে প্রায় দুই কিলোমিটার। এছাড়া কাঁচা মাটির সড়ক রয়েছে এক হাজার ৫৫৪ দশমিক ৬১ কিলোমিটার। কলাপাড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়নর হিসাব এটি।

ইউনিয়ন পরিষদর চেয়ারম্যানদের দেয়া তথ্যমতে, ১২টি ইউনিয়নের অন্তত গুরুত্বপূর্ণ ৮৮ কিলামিটার পাকা বিটুমিনাস কার্পেটিং সড়ক খুব খারাপ হয়ে গেছে। যা যান চলাচলের অনুপযোগী। এর মধ্যে টিয়াখালী ইউনিয়নের প্রায় ৭ কিমি, চাকামইয়া ৭ কিমি, ধানখালী ৮ কিমি, চম্পাপুর ১.৫ কিমি, লালুয়া ১২ কিমি, বালিয়াতলী ১০ কিমি, ধুলাসার ৯ কিমি, মিঠাগঞ্জ ৯ কিমি, নীলগঞ্জ ১৫ কিমি, মহিপুর ২ কিমি, লতাচাপলী ৭ কিমি এবং ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নে ১.৫ কিলোমিটার পাকা সড়ক ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে গেছে। এর মধ্যে হেরিংবন্ড ছাড়াও কাঁচা আরও ১০০’ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা রয়েছে। বর্ষাকালে হাঁটু সমান কাদা হয়ে যায়। লালুয়ার অধিকাংশ সড়ক লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এসব সড়ক পাকা না মাটির তা পর্যন্ত বোঝার উপায় নেই বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসন তপন বিশ্বাস। মানুষের চরম দুর্ভোগ হচ্ছে যোগাযোগের ক্ষেত্রে। তারা জনস্বার্থে জীর্ণদশার এই সড়কগুলো দ্রুত মেরামতের দাবি জানান।

আরো পড়ুন : রাঙ্গাবালীতে চেয়ারম্যান পদে ৪ জনসহ ১১ জনের মনোনয়ন দাখিল

কলাপাড়া এলজিইডি’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল হাসান জানান, আট কিলোমিটার সড়ক মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে, যা শেষ পর্যায়। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছর আরও প্রায় ১৫ কিমি সড়ক মেরামতের টেন্ডার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে সড়কগুলো পাকাকরণ করার পাশাপাশি মেরামত করা হবে। এছাড়া সড়ক নষ্ট করতে না পারে এজন্য ছয় চাকার দৈত্যাকৃতির ওই যান হামজা কিংবা ট্রলি চলাচল বন্ধে তারা কলাপাড়া এবং মহিপুর থানার ওসিদ্বয়কে অনেক আগেই চিঠি দেয়া হয়েছে। যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।




গলাচিপা উপজেলায় গরু চুরির হিড়িক পড়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: গলাচিপায় গরু চুরির হিড়িক, ১০ দিনে ১৭ চুরির অভিযোগ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত ১০ দিনে অন্তত ১৭টি গরু চুরি হয়েছে। এরই মধ্যে দুই জনকে চোর সন্দেহে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার গোলখালি ইউনিয়নের আট নম্বর ওয়ার্ডের নলুয়াবাগী গ্রাম থেকে দুই জনকে আটক করা হয়েছে।

তারা হলেন- ডাকুয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ও পাশের উপজেলা চরমোন্তাজের মেনাজ বয়াতী। এসময় একটি ট্রলারও আটক করেছে স্থানীয়রা।

আরো পড়ুন : হত্যা মামলার আসামি বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

এদিকে শুক্রবার দুপুরে উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের বাদুরা বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে চুরি হওয়া দুটি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় চোরের দল গরুর মালিক বাহাদুর মৃধা নামে একজনকে পিটিয়ে আহত করেছে। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউপি সদস্য মো. সহিদুল প্যাদা।

স্থানীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে চোরের একটি সংঘবদ্ধ দল নলুয়াবাগী গ্রামের সিদ্দিক ফকিরের বাড়িতে গরু শেকল কাটছিল। এসময় ‍গৃহস্থ টের পেয়ে স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। রাত দুইটার দিকে চোর সন্দেহে দুই জনকে আটক করা হয়। পরে শুক্রবার সকালে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : রাঙ্গাবালীতে চেয়ারম্যান পদে ৪ জনসহ ১১ জনের মনোনয়ন দাখিল

তারা জানান, গত ১০ দিনে হাকিম ফকির, বাহাদুর মৃধা ও সোহেলের দুটিসহ অন্তত ১৭টি গরু চুরি হয়েছে।

ইউপি সদস্য সহিদুল জানান, গরু চুরি ঠেকাতে ইতিমধ্যে এলাকায় পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফেরদৌস আলম খান জানান, গরু চোর সন্দেহে স্থানীয়রা দুই জনকে পুলিশে সোপর্দ করেছে। অন্য একটি জিডির ঘটনায় দুইটি গরু উদ্ধার করা হয়েছে।




পুণ্য তিথি অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষে কুয়াকাটায় গঙ্গাস্নান অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পুণ্যতিথি অক্ষয় তৃতীয়া ব্রতম্ উদযাপন উপলক্ষে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সনাতন ধর্ম সম্মেলন ও গঙ্গাস্নান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক হরিভাবনামৃত সংঘ ও আশ্রমের আয়োজনে শুক্রবার (১০ মে) সকালে কুয়াকাটা রাধাকৃষ্ণ মন্দির ও তীর্থযাত্রী সেবাশ্রম প্রাঙ্গণে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পূজা ধর্মীয় আলোচনা ও নাম কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়।

পরে জাগতিক পাপ মোচন, অক্ষয় পুণ্যলাভ ও বিশ্ব শান্তি কামনায় সমুদ্র সৈকতে গঙ্গাপুজা ও গঙ্গাস্নানে মিলিত হন হাজার হাজার ভক্ত দর্শনার্থীরা।

আরো পড়ুন : রাঙ্গাবালীতে চেয়ারম্যান পদে ৪ জনসহ ১১ জনের মনোনয়ন দাখিল

এসময় মোমবাতি, আগরবাতি, ডাব, হরতকি, বেলপাতা, দুর্বা ও সিঁদুর মা গঙ্গার উদ্দেশ্যে সমুদ্রে অর্পণ করেন নারীরা।

এর আগে ভোরে কুয়াকাটার শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে আহ্বানী, সমবেত প্রার্থনা, মঙ্গলঘট স্থাপন, বিষ্ণপূজা ও গঙ্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বৃহস্পতিবার থেকে শ্রীমদ্ভাগবত গীতা আলোচনা ও নাম সংকীর্তনে অংশগ্রহণ করেন পূন্যার্থীরা।




রাঙ্গাবালীতে চেয়ারম্যান পদে ৪ জনসহ ১১ জনের মনোনয়ন দাখিল

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: আগামী ৫ জুন চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিতব্য পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন।

বৃহস্পতিবার অনলাইনে মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন পটুয়াখালী অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মু. সাইদুজ্জামান মামুন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য মোহাম্মদ রাশেদ এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটির সদস্য আরিফ বিন ইসলাম।

আরো পড়ুন : হত্যা মামলার আসামি বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন শোভন, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি রওশন মৃধা, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রবিউল হাসান।

এ ছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন বর্তমান উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাতোয়ারা লিপি, উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ফেরদৌসী পারভীন ও নারগিস পারভীন।

আগামী ১২ মে মনোনয়ন বাছাই, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের রিটানিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ১৩ থেকে ১৫ মে, আপিল নিষ্পত্তি ১৬ থেকে ১৮ মে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৯ মে এবং প্রতীক বরাদ্দ ২০ মে।




হত্যা মামলার আসামি বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: মাহফিলের কমিটি নিয়ে পটুয়াখালীর দুমকীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত মোশারেফ মুন্সি (৫০) নামের একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর পরে ওই মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ মে) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মোহাম্মদ হান্নান। এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন বাবা আ. ছত্তার হাওলাদার (৫৫) ও ছেলে মো. সালাউদ্দিন বাপ্পী (৩৫)। তারা পটুয়াখালী জেলা সদর থানাধীন পুরাতন ফেরিঘাটের মাঝগ্রামের বাসিন্দা।

ওসি বলেন, র‍্যাব-৮ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করে দুমকী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপর আসামিদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

আরো পড়ুন : কলাপাড়ায় মামার বাসা থেকে কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

উল্লেখ্য, উপজেলার পূর্ব কার্তিকপাশা গ্রামের মরহুম আব্দুল গনি মাওলানার ছেলে মাওলানা মো: নেছার স্থানীয় একটি মাদরাসা মাঠে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করেন। কিন্তু সেই মাহফিলের কমিটিতে মুন্সি বাড়ির লোকজনের নাম না রাখায় নেছার মাওলানা পক্ষ ও সোবাহান মুন্সি পক্ষে মাঝে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার জেরে ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় মুন্সির বাজারে উভয়পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা, রামদা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে‌ ভর্তি হন, উভয়পক্ষ দুমকী থানায় মামলা করে।

একজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি থাকা অবস্থায় আহত মোশারেফ মুন্সি ৭ মে রাত সাড়ে ১২টার দিকে মারা যান। পরে মোশারেফ মুন্সির মৃত্যুতে পেনাল কোড সংযোজিত হয় এবং আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হয়।