পায়রার প্রথম জেটিতে পরীক্ষামূলকভাবে ভিড়লো বিদেশি জাহাজ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালের জেটিতে পরীক্ষামূলকভাবে ভিড়েছে পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজ।

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে বন্দরের নবনির্মিত প্রথম জেটিতে ২৪ হাজার মেট্রিক টন লাইমস্টোন নিয়ে নোঙর করে ‌‘জেন’ নামের জাহাজটি।

এর আগে, গত ১০ মে জাহাজটি দুবাইয়ের ফৌজিয়া বন্দর থেকে ৫০ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন লাইমস্টোন নিয়ে বন্দরের আউটারে এসে পৌঁছায়। ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ জাহাজটির প্রস্থ ৩৩ মিটার। পায়রা বন্দরের জন্য এটি একটি মাইলফলক বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। পায়রা বন্দরের নিজস্ব টার্মিনালের নিজস্ব জেটিতে জাহাজ নোঙর করাতে পারায় উচ্ছ্বসিত বন্দরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

আরো পড়ুন : দুমকী উপজেলা নির্বাচন ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়ক বন্ধ করে জনসভা :: চেয়ারম্যান প্রার্থীকে শোকজ

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক আজিজুর রহমান বলেন, আজ পরীক্ষামূলকভাবে একটি জাহাজ বন্দরের জেটিতে অবস্থান নিয়েছে। ইতোমধ্যে জেটি থাকা জাহাজটি থেকে পণ্য খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পায়রা বন্দর সফরে আসবেন এবং বন্দরের জেটিসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা উদ্বোধন করবেন।

২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রামনাবাদ চ্যানেলে দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে পায়রা’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ২০১৬ সালের আগস্টে বন্দরের বহিনোঙ্গরের অপারেশন কার্যক্রম শুরু হয়। সেই থেকে বন্দরে আগত বড় জাহাজগুলো লাইটার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য খালাস করতো। এ ছাড়া, পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিজস্ব জেটিতে চলতো কয়লা খালাস কার্যক্রম। জুনে বন্দরের এই প্রথম টার্মিনাল উদ্বোধন করতে চায় কর্তৃপক্ষ। এই টার্মিনালের জেটিতে নিয়মিত পণ্য খালাস কার্যক্রম শুরু হলে পায়রা বন্দর দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।




লাউকাঠী নদীর ২ পাড়ে উচ্ছেদ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী লাউকাঠী নদীর তীরভূমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করছে বিআইডব্লিউটিএ ও জেলা প্রশাসন।

বুধবার সকালে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান শুরু হয়। অভিযানের প্রথম দিনে লাউকাঠী নদীর উত্তর পাড়ে গড়ে ওঠা চারটি অবৈধ ডকইর্য়াড অপসারণ করা হয়েছে।

এছাড়া লাউকাঠী নদীর দক্ষিণ পাড়ে স্বনির্ভর সড়কে নদীর জায়গায় গড়ে ওঠা বেশ কিছু অবৈধ কাঁচাপাকা স্থাপনা অপসারণ করা হয়।

আরো পড়ুন : দুমকী উপজেলা নির্বাচন ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়ক বন্ধ করে জনসভা :: চেয়ারম্যান প্রার্থীকে শোকজ

আগামী একদিন এ অভিযান চলমান থাকবে। অভিযান পরিচালনা কালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তারেক হাওলাদার, বিআইডব্লউিটএ’র সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল পরিমাণ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

বিআইডব্লডিটিএ’র পটুয়াখালীর সহকারী পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, আমাদের বিআইডব্লডিটএ ডকইয়ার্ডসহ নদীর দুই ধারে যত অবৈধ স্থাপনা আছে সেগুলো আমরা উচ্ছেদ করছি।




৫ বছর নয় আমার আমৃত্যু পর্যন্ত দুমকি উপজেলা জনগণের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবো: আনারস মার্কা চেয়ারম্যান পদ-প্রার্থী অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক :: আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে দুমকি উপজেলার আনারস মার্কা চেয়ারম্যান পদ-প্রার্থী অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান বলেছেন, তরুণ উদ্যোক্তা হিসাবে তরুণ প্রজন্মের জন্য কাজ করতে চাই,খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য কর্মসংস্থান এবং বেকার সমস্যা নিরসনে কাজ করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য ।

বুধবার (১৫মে) ৫৩ নং পশ্চিম জলিশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উদয়ন ক্লাব জলিশার সভাপতি বরকত উল্লাহ বুলু সভাপতিত্বে উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন ।

তিনি বলেন,২০১৯ সালে যে নির্বাচন হয়েছিল সে সময়ও আমি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলাম। তার পরবর্তী সময়েও আপনাদের সাথে আমি কাঁদে কাদ রেখে দুমকি উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় মাঠে ঘাটে বেড়েছি তাই আপনাদের অনেকের সম্মতি নিয়ে এই উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আংশগ্রহন করেছি। দুমকি উপজেলা একটি অবহেলিত উপজেলা এই জায়গায় আমার গ্রাম আমার শহর নামের একটি প্রকল্প এসেছে এটি বাস্তবায়নের জন্য একজন সৎ, শিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্ব নির্বাচিত করে উপজেলা উন্নয়ন করার সুযোগ দিন।

তিনি বলেন,বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স মাস্টার্স পাশ করে এডভোকেট হয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি সেবা করার জন্য। আমি আশা রাখি আগামী ২৯ তারিখ আনারস মার্কায় ভোট প্রদান করে আপনাদের কাছেও পাশে থাকার সুযোগ দিবেন।

 

,আমাকে আপনারা নির্বাচিত করলে আমি আগামী ৫ বছর নয় আমার আমৃত্যু পর্যন্ত আপনাদের দুমকি উপজেলা জনগণের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবো। অনেক প্রার্থী আছেন যারা নির্বাচনে নির্বাচিত বা না হতে পারলেও এই দুমকি উপজেলায় থাকবে না। এই গুলো আপনারা বিবেচনা করেই আপনাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করবেন।

স্মার্ট, উন্নত ও মানবিক দুমকি বিনির্মানে সকলের সহযোগীতা চেয়ে এডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান বলেছেন,উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দুমকিকে একটি মডেল ও স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য কর্মসংস্থান এবং বেকার সমস্যা নিরসনে কাজ করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য। তরুণ উদ্যোক্তা হিসাবে তরুণ প্রজন্মের জন্য কাজ করতে চাই বিশেষ করে ঝরে পড়া শিক্ষিত বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। ইতোমধ্যেই আমি দুমকীতে ২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। একটি অটো ব্রিকস করেছি যেখানে তিন থেকে সাড়ে তিন শত মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। নির্বাচিত হলে আরো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করে বেকার সমস্যা নিরসনে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উদয়ন ক্লাব জলিশার সাধারন সম্পাদক মাসুম হেমায়েত উদ্দীন। দুমকি উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক রাকিব মৃধা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কয়েক শত সাধারণ জনতা উপস্থিত ছিলেন।

 




দুমকী উপজেলা নির্বাচন ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়ক বন্ধ করে জনসভা :: চেয়ারম্যান প্রার্থীকে শোকজ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের পাগলায় যান চলাচল বন্ধ করে জনসভা, প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীদের কটাক্ষ এবং ভোটারদের ভয়-ভীতি প্রদর্শনসহ একাধিক অভিযোগ এনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করার অভিযোগে উপজেলা চেয়ারম্যান ও আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন অর রশীদ হাওলাদারকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন।

পটুয়াখালী জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও জেলা রিটার্নিং অফিসার যাদব সরকার জানান, ১৩ মে প্রতীক বরাদ্দের দিন বিকেলে ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়কের পাগলা চত্বরে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে নির্বাচনী সভা করা ও উস্কানীমূলক বক্তব্যে আচরণ বিধি লঙ্ঘণের কারণে তাকে শো-কজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘণ করলে প্রার্থীতা বাতিলসহ পরবর্তি প্রয়োজনীয় কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ড. হারুণ অর রশীদ হাওলাদার শোকজের চিঠির কথা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি আমি অবহিত আছি আগামী ১৯ তারিখ এর মধ্যে লিখিত জবাব চেয়েছেন আমি দিয়ে দিব।

উল্লেখ্য, আগামী ২৯ মে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।




দুমকীতে ভেজাল আইসক্রিম ফ্যাক্টরিসহ ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকারের অভিযান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দুমকীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার(১৪মে) দুপর দেড়টার দিকে উপজেলার থানা ব্রিজের পশ্চিম পাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের পটুয়াখালী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ শাহ্ শোয়াইব মিয়া। এ অভিযানে পার্শ্ববর্তী বাকেরগন্জ উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের মোঃ আনোয়ার হোসেনকে আইসক্রিমে ডাইয়িং কালার ও ঘন চিনির ব্যবহার ও উৎপাদিত পণ্যের মোড়কে তারিখ ও মেয়াদ না থাকার অপরাধের ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসহ মোট ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

আরো পড়ুন : দুমকী উপজেলা নির্বাচন আনারস প্রতীক পেলেন অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান

অভিযানে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটিতে খাবার অনুপযোগী ক্ষতিকর রঙযুক্ত আইসক্রিম তৈরি করা হচ্ছে। পরে জনসম্মুখে এ সব ক্ষতিকর রঙযুক্ত আইসক্রিম ধ্বংস করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪৩ ধারায় মোট ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ফ্যাক্টরীতে বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রমের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।




একমাত্র ছাত্রীও ফেল, অস্তিত্বই নেই যে মাদরাসার শিক্ষা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: এবারে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীদের পাসের হার শূন্য। এমন ফলাফল বিপর্যয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। অপরদিকে কাগজ কলমে অস্তিত্ব থাকলেও সরেজমিনে খোঁজ পাওয়া যায়নি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের।

জানা গেছে, উত্তর দাশপাড়া দাখিল মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে। মাদরাসায় বর্তমানে ইবতেদায়ি থেকে দাখিল পর্যন্ত ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় ১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে কেউ পাস করতে পারেননি। পশ্চিম কালিশুরী বালিকা দাখিল মাদরাসা থেকে অংশ নেয়া ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেউ পরীক্ষায় পাস করেননি।

আরেকটি অস্বিস্তহীন ননএমপিওভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উত্তর কেশবপুর বালিকা দাখিল মাদরাসা থেকে একজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তিনিও ফেল করেছেন।

আরো পড়ুন : শো-ডাউন ও মিছিল দেয়ায়- দুমকিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাল্টার চার কর্মী সমর্থকের জরিমানা

ফলাফলের এ সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. নূরুন্নবী। এমন ফলাফলে হতাশা প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।

সরেজমিনে উত্তর কেশবপুর বালিকা দাখিল মাদরাসায় দেখা যায়, মাদরাসার কোন অস্বিস্ত নেই। শূন্য ভিটা পড়ে আছে। এখানে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিলো এমন কোন চিহ্নও দেখা যায়নি। ভিটার আশে পাশে জঙ্গলে ভরপুর। কোন শিক্ষকও খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিভাবে ফরমপূরণ করেছে তা কেউ বলতে পারেননি।

অবশেষে লতুফা নামক একজন শিক্ষিকার মোবাইল নম্বর পাওয়া গেছে স্থানীয়দের কাছে থেকে। মোবাইলে কথা হয় ওই শিক্ষকার সঙ্গে। তিনি জানান, মাদরাসাটি ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হলেও আজ অবধি এমপিওভুক্ত করা হয়নি। শিক্ষকরা দীর্ঘ দিন বিনা বেতনে পড়িয়েছেন। এক পর্যায়ে তাদের জীবনজীবিকা পরিচালনা করতে গিয়ে অন্য পেশায় ঝুঁকে পড়েন তারা। শিক্ষক ও স্থানীয়দের সহযোগিতা গড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিনসেড ভবনটি দুই বছর আগে ঝড়ে ভেঙে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেননি সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।




২৭ বছর পর হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

প্রতিনিধি পটুয়াখালী :: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া এলাকা থেকে ২৭ বছর আত্মগোপনে থাকা হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আনোয়ার হোসেন খানকে সোমবার গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

গ্রেপ্তার আনোয়ার হোসেন খান বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠি গ্রামের মৃত গিয়াস খানের ছেলে।

র‍্যাব-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মাসুদ রানা জানান, ১৯৯৭ সালের অক্টোবর মাসে প্রতিবেশী হাকিম খানের ছেলে আসমান খানকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে আনোয়ার হোসেন খান। এই হত্যাকাণ্ডের পর গা ঢাকা দেয় অভিযুক্ত ব্যক্তি। ২০২১ এই হত্যা মামলার রায়ে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আনোয়ার হোসেন খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয় আদালত।

আরো পড়ুন : শো-ডাউন ও মিছিল দেয়ায়- দুমকিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাল্টার চার কর্মী সমর্থকের জরিমানা

তিনি আরও বলেন, রায় ঘোষণার ২৩ বছর পার হলেও আসামি আনোয়ার হোসেন পলাতক ছিলো। আনোয়ার হোসেন খান এ সময় পার্শ্ববর্তী জেলা পটুয়াখালীর দুর্গম চরাঞ্চল রাঙ্গাবালীর বড়বাইশদিয়া এলাকায় পরিচয় গোপন করে মাছ ধরার জেলে হিসেবে বসবাস করে আসছিলো। সেখানে সে বিয়ে করে সংসার শুরু এবং দুই সন্তানের জনক হয়।

র‍্যাবের পটুয়াখালী ক্যাম্প তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে অভিযানে যায়। ১৩ মে বিকেল পৌনে পাঁচটায় র‍্যাবের একটি দল রাঙ্গাবালীর বড়বাইশদিয়া থেকে আনোয়ার হোসেন খানকে গ্রেপ্তার করে এবং বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।




Nusrat Jahan Nipa Redefines Limits and Culture, Only Bangladeshi Woman to Break Two World Records

Barisal office :: In the bustling streets of Barishal, a city that lies on the banks of the Kirtankhola river in south-central Bangladesh, there walks a young woman who has defied the odds and etched her name into the Guinness Book of World Records, not once but twice.

Nusrat Jahan Nipa, 32, stands tall as the only Bangladeshi woman to have shattered two world records. From mastering the art of stacking coins during the tumultuous times of the horrific COVID-19 pandemic to eating rice grains with chopsticks, Nipa’s journey and achievements is nothing short of extraordinary.

HE-ED MEDIA reached out to this young brilliant woman for an interview. Nipa always wanted to do something exceptional and represent her hometown on the world platform. “But my environment did not support me earlier,” she shared. “As I passed the age of 30, I found I could break the Guinness world record by staying at my place. That was my inspiration.”

Nusrat Jahan Nipa holding the Guinness World Records certificate for setting a record for the ‘Most coins stacked into a tower’ category on Tuesday, December 21, 2021


Talking about her two world records, stacking coins in particular, Nipa says it just happened. “It was because I was staying at home during the coronavirus lockdown, and I wanted to utilize my time on something that could bring some value. I came across a video on YouTube about stacking coins and decided to go for it. My second Guinness world record is ‘most rice grains eaten in one minute using chopsticks’ which was inspired by my first world record. I think I am pretty good at using chopsticks.”

Nipa revealed that coin collecting was not her hobby. “Breaking the Guinness world record has become my hobby, besides my profession that of a teacher. When I have free time, I practice breaking the Guinness world record.” She shared that her husband supports and encourages her. About her family and friends celebrating her feat, Nipa says she doesn’t have many friends. “It is because to some extent, I found them to be toxic and always jealous of me, so I avoided them, but perhaps they liked my accomplishments, and some of them congratulated me. I was criticized by some of my relatives. “Some of my close relatives criticized a lot by questioning the benefit of this as it did not pay money. Some said, weird job! others said, what you are gonna eat next time? soup?”

Guinness World Book: ভাত খেয়েই বিশ্বরেকর্ড নুসরতের | By Eating Rice With Chopsticks nusrat-jahan-nipa in Guinness World Book
It hasn’t been a cakewalk for Nipa. She has been a victim of cyber bullying and heavy scrutiny. “If you see the media features of my world record on social media you will see tons of bullying. I usually do not read any comments. I believe, that whatever makes you happy, do that, and not everyone will understand the value of everything. People who put negative comments on social media are unemployed and lifeless, so they share their frustration to see others’ achievements and try to lower them. I do not read their comments because I do not have time to do that, I am busy working on my goals, and I take it positively maybe they showed their opinion. When comes to face to face criticism, I smile and avoid the environment without feeling anger. I built my inner power to avoid negative people and negative comments. If I cannot, I won’t be able to achieve my goals.”

With her world record breaking feats, Nipa has brought joy to her city and people. They are very proud of her. “My parents, my husband, and my students and fellow teachers, as well as journalists of my country have celebrated me. I am a quiet person, so whenever I see people happy to see my accomplishments, I feel happy because I am just working on them to feel more proud.”

Nipa, who is also an online diplomat and climate change storyteller, plans to break at least one Guinness World Record every year.

Nusrat Jahan Nipa Redefines Limits and Culture, Only Bangladeshi Woman to Break Two World Records

Barisal office :: In the bustling streets of Barishal, a city that lies on the banks of the Kirtankhola river in south-central Bangladesh, there walks a young woman who has defied the odds and etched her name into the Guinness Book of World Records, not once but twice.

Nusrat Jahan Nipa, 32, stands tall as the only Bangladeshi woman to have shattered two world records. From mastering the art of stacking coins during the tumultuous times of the horrific COVID-19 pandemic to eating rice grains with chopsticks, Nipa’s journey and achievements is nothing short of extraordinary.

HE-ED MEDIA reached out to this young brilliant woman for an interview. Nipa always wanted to do something exceptional and represent her hometown on the world platform. “But my environment did not support me earlier,” she shared. “As I passed the age of 30, I found I could break the Guinness world record by staying at my place. That was my inspiration.”

Talking about her two world records, stacking coins in particular, Nipa says it just happened. “It was because I was staying at home during the coronavirus lockdown, and I wanted to utilize my time on something that could bring some value. I came across a video on YouTube about stacking coins and decided to go for it. My second Guinness world record is ‘most rice grains eaten in one minute using chopsticks’ which was inspired by my first world record. I think I am pretty good at using chopsticks.”

Nipa revealed that coin collecting was not her hobby. “Breaking the Guinness world record has become my hobby, besides my profession that of a teacher. When I have free time, I practice breaking the Guinness world record.” She shared that her husband supports and encourages her. About her family and friends celebrating her feat, Nipa says she doesn’t have many friends. “It is because to some extent, I found them to be toxic and always jealous of me, so I avoided them, but perhaps they liked my accomplishments, and some of them congratulated me. I was criticized by some of my relatives. “Some of my close relatives criticized a lot by questioning the benefit of this as it did not pay money. Some said, weird job! others said, what you are gonna eat next time? soup?”

It hasn’t been a cakewalk for Nipa. She has been a victim of cyber bullying and heavy scrutiny. “If you see the media features of my world record on social media you will see tons of bullying. I usually do not read any comments. I believe, that whatever makes you happy, do that, and not everyone will understand the value of everything. People who put negative comments on social media are unemployed and lifeless, so they share their frustration to see others’ achievements and try to lower them. I do not read their comments because I do not have time to do that, I am busy working on my goals, and I take it positively maybe they showed their opinion. When comes to face to face criticism, I smile and avoid the environment without feeling anger. I built my inner power to avoid negative people and negative comments. If I cannot, I won’t be able to achieve my goals.”

With her world record breaking feats, Nipa has brought joy to her city and people. They are very proud of her. “My parents, my husband, and my students and fellow teachers, as well as journalists of my country have celebrated me. I am a quiet person, so whenever I see people happy to see my accomplishments, I feel happy because I am just working on them to feel more proud.”

Nipa, who is also an online diplomat and climate change storyteller, plans to break at least one Guinness World Record every year.




৫ বছর ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করার পরও দমে যায়নি মাহাথির

বরিশাল অফিস :: দীর্ঘ পাঁচ বছর ক্যান্সারের সাথে লড়াই করার পরও দমানো যায়নি বরিশাল জিলাস্কুলের শিক্ষার্থী মাহাথির রহমানকে। এ বছর প্রতিটি বিষয়ে জিপিএ-৫ নিয়ে পাস করেছে। ভবিষ্যতে ক্যান্সারের মানবিক চিকিৎসক হতে চায় মাহাথির। আর তাকে উৎসাহ জোগাচ্ছেন তার মা-বাবা এবং আত্মীয়স্বজন।

মাহাথিরের বাবা প্রবাসী মোহাম্মদ মফিজুর রহমান বলেন, তিনি দীর্ঘ ২২ বছর ধরে আবুধাবীতে কর্মরত ছিলেন। তার জমজ দুই সন্তান মাহাথির রহমান ও মাকতুম রহমান বরিশাল নগরীর মুন্সি গ্যারেজ এলাকায় তাদের মায়ের কাছে থাকতো। ২০১৮ সালের দিকে মাহাথির তার মায়ের সাথে বাজারে যায়। এ সময় মাথা ঘুরে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। বরিশালের চিকিৎসকরা নানা ধরনের পরীক্ষা শেষে ছেলেকে ঢাকায় নিয়ে যেতে বলেন। পরবর্তীতে তাদের চিকিৎসক আত্মীয়ের শরনাপন্ন হন তার স্ত্রী। সেখান থেকেও একই ফলাফল আসে। তার বোন ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি তাকে জানানোর পর বিদেশে বসে ছেলের চিন্তায় ভেঙ্গে পড়েন। সেখানে যে কোম্পানীর অধীন চাকরিতে ছিলেন তাদের কাছে পাসপোর্ট জমা ছিল। পরবর্তীতে ওই কোম্পানীকে বিষয়টি বুঝিয়ে পাসপোর্ট আনতে কিছু সময় চলে যায়। এরপর দেশে এসে ছেলেকে নিয়ে যান ভারতে। সেখানে চলে দীর্ঘ ছয়মাসের চিকিৎসা।

মফিজুর রহমান আরো বলেন, ছোটবেলা থেকে মাহাথিরের লেখাপড়ায় ঝোক ছিল। একই অবস্থা ছিল তার অপর জমজ সন্তানের। অসুস্থ হওয়ার পরও সে কোনভাবেই লেখাপড়া থেকে দূরে সরে যায়নি। সুস্থতা অনুভব করলেই বই হাতে নিয়ে পড়তে বসতো। তাকে লেখাপড়ায় কোনভাবে জোর করা হতো না। এভাবে দীর্ঘ ৫ বছর মাহাথিরকে ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করতে হয়েছে। এরপর বোন মেরু ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়। প্রতিদিন ১০ থেকে ১২টি বিভিন্ন ওষুধ খেতে হয়। তাছাড়া দীর্ঘ চিকিৎসায় তাকে অর্ধশতাধিক কেমো দিতে হয়েছে। খাবারের প্রতি সামান্যতম আসক্তি ছিল না। এভাবে চলতে থাকায় ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে বিদেশে যাওয়া আর হয়নি। আল্লাহর দরবারে একটি ফরিয়াদ মাহাথির সুস্থ জীবনে ফিরে আসুক।

মাহাথিরের বাবা বলেন, অসুস্থ শরীর নিয়ে ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে চেয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে পরীক্ষা থেকে বিরত থাকতে হয়। কিন্তু সুস্থ অনুভব করলেই মাহাথির বই এর মধ্যে ডুবে থাকতো। তখন তাকে নিষেধ করলেও তা শুনতো না। তার কথা ছিল আমি এখন সুস্থ আছি কিছু লেখাপড়া করে এগিয়ে থাকি। এভাবে চলতে থাকার পর ২০২৪ সালের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় মাহাথির। এ জন্য বাসায় শিক্ষক রেখে দেয়া হয়।

মাহাথিরের জমজ ভাই মাকতুম রহমান বলেন, তারা জমজ হওয়ায় একই সাথে প্রতিটি ক্লাসে অধ্যায়ন করেছে। তারা দুইজনই মেধাবী। প্রতিটি ক্লাসে ভালো ফলাফল করতো তারা। কিন্তু মাহাথির অসুস্থ হয়ে পড়লে তার প্রভাব পড়ে তার উপর। কারন বেশীরভাগ সময় বাবা-মা মাহাথিরকে নিয়ে ঢাকা ও ভারতে অবস্থান করতো। ওই সময় আত্মীয়স্বজনের কাছেই তাকে থাকতে হয়েছে। কিন্তু এরপরও লেখাপড়া থেকে সরে যায়নি। ২০২২ সালে বরিশাল জিলাস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। বর্তমানে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। তার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার আশা রয়েছে। একই সাথে তার ভাই মাহাথিরের চিকিৎসক হওয়ার আশা পূরন হবে বলে আশাবাদী মাকতুম। কারন মাহাথির তার চেয়েও অনেক মেধাবী। পিছয়ে পড়লেও মাহাথির তার টার্গেট পূরন করবেই।

মাহাথিরের মা হোসনে আরা বেগম বলেন, তার জমজ সন্তান দুটি মেধাবী। তারা বেশীরভাগ সময় পড়ালেখায় ব্যস্ত সময় কাটায়। তাদেরকে পড়ার জন্য বলার প্রয়োজন হয় না। মাহাথির চিকিৎসাধীন অবস্থায় বই নিয়ে পড়াশুনা করতো। তার শরীর ভালো থাকলেই কোনভাবে তাকে আটকানো যেতো না। আর এ কারনেই এসএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

ছোটবেলা থেকেই মাহাতির বলতো সে ডাক্তার হবে। অসুস্থ হওয়ার পর সেই আবেগটা তার মধ্যে বেশী কাজ করছে। কারন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কষ্টটা অনুভবন করতে পেরেছে। এ কারনে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ হতে চায় মাহাথির। আমাদেরও ইচ্ছা মাহাথির তার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিক। একই সাথে একজন মানবিক চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করুক। এ জন্য মা-বাবা হিসেবে আমরা দুইজন সর্বাত্মক তার পাশে থাকবো।

মাহাথির রহমান বলেন, ক্যান্সারের বিষয়টি ধরা পড়ার পর দীর্ঘ ৫ বছর তার চিকিৎসা চলে। এর মধ্যে ঢাকা এবং ভারতে বেশীরভাগ সময় কাটাতে হয়েছে। ওই দুই স্থানের চিকিৎসকরা তাকে অনেক সাহায্য করেছে। তাদের সাথে মেইলে তার রোগের বিষয়ে কথা হতো। তাদের চিকিৎসা এবং উৎসাহ তাকে দ্রুত সুস্থতা এনে দিয়েছে। বই পড়ার তার শখ এবং নেশা। এ কারনে ছোটবেলা থেকেই ক্লাশের বইয়ের মধ্যে ডুবে থাকতে তার ভালো লাগতো। অসুস্থ হওয়ার পর তাতে ভাটা পড়ে। কিন্তু সুস্থতা অনুভব করলেই বই নিয়ে বসে যেতো। ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে চেয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকের নিষেধের কারনে অংশ নেয়নি। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। বাসায় শিক্ষক এবং মা-বাবার সহযোগিতায় তার ভালো ফলাফল হয়েছে বলে দাবি মাহাথিরের। ভবিষ্যতে একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ হতে চায় মাহাথির। কারন এ রোগ মানুষকে কতটা কষ্ট দে তা নিজ থেকেই উপলব্ধি করতে পেরেছে। সে একজন মানবিক চিকিৎসক হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামীতে এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে দেশের যে কোন মেডিকেলে চান্স পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। এ জন্য সকলের দোয়া চায় মাহাথির।

বরিশাল জিলাস্কুলের প্রধানশিক্ষক পাপিয়া জেসমিন বলেন, মাহাথির এবং মাকতুম জমজ দুই ভাই খুবই মেধাবী। তবে তার দৃষ্টিতে বেশী মেধাবী মাহাথির। কারন ক্যান্সারে আক্রান্ত একজন শিক্ষার্থী ওই অবস্থায় লেখাপড়া করে প্রতিটি বিষয়ে জিপিএ-৫ পাওয়া সহজ নয়। মাহাথিরের সুস্থ হয়ে যেন একজন মানবিক চিকিৎসক হতে পারে এ জন্য সকলের কাছে দোয়া চান তিনি।

 




বরিশাল-৬ আসনের এমপি হাফিজ মল্লিককে তলব

বরিশাল অফিস :: নির্বাচনী অপরাধের ব্যাখ্যা দিতে বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হাফিজ মল্লিককে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১৩ মে) তাকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান।

চিঠিতে বলা হয়, গত ০৮ মে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন তিনি (হাফিজ মল্লিক) ৪৭ নম্বর মঙ্গলসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে প্রকাশ্যে ভোট দেন। এর ভিডিও নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায়) ছবিসহ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রকাশ্যে ভোট দিয়ে ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা না করা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি ৭৮ এর বিধান অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য নির্বাচনী অপরাধ।

এ অপরাধ সংঘটনের কারণে তার নামে মামলা দায়ের এবং পদ্ধতিগতভাবে ব্যবস্থা নিতে স্পিকারের কাছে কেন চিঠি পাঠানো হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১৫ মে (বুধবার) দুপুর ১২টায় নির্বাচন কমিশনে (কক্ষ নং-৩১৪, নির্বাচন ভবন, আগারগাঁও, ঢাকা) তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ অবস্থায় কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাকে উল্লিখিত তারিখ ও সময়ে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।