পটুয়াখালীতে বজ্রপাতে ইমারত শ্রমিকের মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আকস্মিক বজ্রপাতে জাকির ফকির নামে এক ইমারত শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২০ মে) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউপির খলিলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জাকির ওই ইউনিয়নের মস্তফাপুর গ্রামের মোতালেব ফকিরের ছেলে।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ১১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড

স্থানীয় ইউপি সদস্য জহির জানান, জাকির মহাসড়ক লাগোয়া খলিলপুর গ্রামে বৃষ্টির সময় রেজাউলের বাড়িতে কাজ করছিলেন।

এসময় হঠাৎ বজ্রপাতে তিনি আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।




পটুয়াখালীতে ১১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে টানা আড়াই ঘণ্টার বৃষ্টিপাতে জনদুর্ভোগ নেমে এসেছে। টানা বর্ষণের ফলে শহরের বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (২০ মে) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ১১২ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস।

আরো পড়ুন : সাগরে মাছ ধরায় ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা, দুর্দিন দেখছেন পটুয়াখালীর জেলেরা

এদিকে ছাতা ছাড়া বের হয়ে শ্রম ও পেশাজীবী মানুষ বিভিন্ন দোকানপাটে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকতে দেখা গেছে।

পটুয়াখালী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. রাহাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, পটুয়াখালীতে আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ১০০ শতাংশ। এতে দিনের শুরুতে কিছুটা অস্বস্তি ছিল।




সাগরে মাছ ধরায় ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা, দুর্দিন দেখছেন পটুয়াখালীর জেলেরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: প্রতি বছরের ন্যায়ে এবারও দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজননে আজ মধ্যরাত থেকে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞায় এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য বিভাগ।

সোমবার ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই মঙ্গলবার পর্যন্ত সকল ধরনের মাছ শিকারে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞার ফলে সমুদ্রগামী জেলেদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।

মৎস্য বিভাগের দেয়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের বংশ বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ২০২৪ পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

পটুয়াখালীর মৎস্য বন্দর আলীপুর-মহিপুর সরেজমিনে জেলেরা জানান, বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে বিভিন্ন ধাপে ১৪৭ দিন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ায় লাখো জেলে ও ব্যবসায়ীর মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। জেলেরা যে সরকারি প্রণোদনা পান তা অপ্রতুল। ফলে তাদের জীবন কাটে চরম দুর্দশা এবং হতাশায়। মা ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, মার্চ-এপ্রিল ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ না হতেই আবার ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন উপকূলীয় জেলেরা। এই ১৪৭ দিন ছাড়াও ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত জাটকা শিকারের উপরেও রয়েছে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা। ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞার ফলে বছরে অল্প যে সময় মাছ শিকারে পাচ্ছেন তা থেকে নিজেদের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরছেই না, বরং ঋণগ্রস্ত রয়েছে অধিকাংশ জেলেরা বলে জানা যায়।

জেলে জালাল মাঝি বলেন, ট্রলারে কাজ করে গত বছর ৮০ হাজার টাকা ঋণ হয়েছে, তা এখনো পরিশোধ করতে পারিনি। আবার ৬৫ দিনের অবরোধ, এই ঋণ পরিশোধতো দূরের কথা ঋণের বোঝা আরো বেড়ে যাবে।
তিনি বলেন, অবরোধকালীন সময়ে প্রতিবছর ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ শিকার করলেও রোধকল্পে প্রশাসনের তৎপরতা দেখি না।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ২ জনকে কুপিয়েছে কিশোর গ্যাং ‘কমরেড’ বাহিনী

আরেক মাঝি গনি মুন্সী বলেন, ৬৫ দিনের অবরোধকালে আমরা মাছ ধরা বন্ধ রাখলেও পার্শ্ববর্তী ভারতীয় জেলেরা আমাদের দেশের জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ শিকার করে। কিন্তু সরকার এখনো এর কোনো প্রতিকার করতে পারলো না। আমাদের দাবি, এই সময়ে আমাদেরও মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করত: নয়তো অবৈধভাবে ভারতীয় জেলে ট্রলারগুলো বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ বন্ধ করা হোক।
ভাইভাই ফিসের পরিচালক শাহআলম হাওলাদার জানান, পটুয়াখালী জেলার সবচেয়ে বড় দুটি মৎস্য বন্দর মহিপুর-আলীপুর। এখান থেকে কোটি কোটি টাকার মাছ চালান হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তবে গত কয়েক বছর যাবৎ বছরে দুবার নিষেধাজ্ঞা, বৈরী আবহাওয়া, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধি। সব মিলিয়ে এই পেশা এখন হুমকির মুখে।

ট্রলার মালিক ইব্রাহিম হাওলাদার বলেন, কোম্পানির কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা দাদন নিয়ে দুইটা ট্রলার তৈরি করেছি। ২ বছরে এখন পর্যন্ত লাভের মুখ দেখিনি। এর উপর আবার অবরোধ, এখন এই পেশায় টিকে থাকা আমাদের মতো মানুষের পক্ষে সম্ভব না।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, জেলেদের দাবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পেশ করা হচ্ছে। এছাড়াও জেলেদের ঋণসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পরিকল্পনাও চলছে।

তিনি আরো বলেন, মূলত দুটি কারণে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। প্রজনন সুবিধায় যাতে মাছ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারে। আর অপরটি হলো-ছোট মাছকে বড় হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। যার জন্য বর্তমানে বড় আকারের ইলিশ জেলেদের জালে বেশি ধরা পড়ছে। বরাবরের মতো মৎস্য বিভাগের দেয়া অবরোধ ফলপ্রসূ হবে বলে আশা করছি বলে জানান এই কর্মকর্তা।




ওয়ার্ল্ড ভিশনে নিয়োগ, সপ্তাহে ৫ দিন কাজ




বঙ্গবন্ধু কন্যার লড়াইয়ের গল্প তুলে ধরাই হোক অঙ্গীকার’




পটুয়াখালীতে ২ জনকে কুপিয়েছে কিশোর গ্যাং ‘কমরেড’ বাহিনী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে ‘কমরেড’ নামক একটি কিশোর গ্যাং গ্রুপের বিরুদ্ধে দুই জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (১৮মে) কালাইয়া ইউনিয়নের পুরানো পুলিশ ফাঁড়ির সামনে কলেজ শিক্ষার্থী হাবিব (১৭) ও ইমনের (২৪) ওপর এ হামলা চালানো হয়।

এর আগেও এ ‘কমরেড’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে আটককৃতরা কিশোর হওয়ায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে তথ্য দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেছে।

আরো পড়ুন : দুমকী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন : আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগে মোটরসাইকেল প্রার্থীকে জরিমানা করলেন ম্যাজিস্ট্রেট

ভুক্তভোগীরা জানায়, বাউফল সরকারি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী হাবিব কালাইয়া কাপড়ের পট্টি এলাকায় ইমনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। দুপুরে দোকানের অন্যদের জন্য খাবার পানি সংগ্রহ করতে পুলিশ ফাঁড়ির টিউবওয়েলের ঘরে যায় হাবিব।

এসময় সেখানে আড্ডা দিচ্ছিলো কমরেড গ্রুপের ১৪/১৫ জন সদস্য। তাদের আড্ডায় সময় সেখানে যাওয়ার অপরাধে হাবিবকে চড়থাপ্পড় মারে তারা। এ ঘটনা দোকানে এসে জানালে কলেজ শিক্ষার্থী ও কাপড় ব্যবসায়ী ইমন তাকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। মারধরের কারণ জিজ্ঞাসা করলে হামলাকারীরা ছুরি ও লাঠিসোটা নিয়ে, তাদের ওপর পুনরায় হামলা চালায়।

পরে স্থানীরা তাদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। হাবিবের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে ভর্তি রাখা হয় এবং ইমনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠানো হয়।

আরো পড়ুন : উপজেলা নির্বাচন: চতুর্মুখী লড়াই হবে কলাপাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে

পুলিশ জানায়, মারামারির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। আটককৃত দুজনই কিশোর। তাই তদন্ত শেষ না করে, তাদের বিষয়ে কোনো তথ্য বা ফুটেজ দেয়া যাবে না।

এ বিষয়ে বাউফল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদ্দাম হোসাইন বলেন, এরকম কোনো গ্রুপ সক্রিয় আছে কিনা, সে বিষয় আমাদের ইন্টেলিজেন্স টিম কাজ করছে। কোনো অপরাধীকে পুলিশ ছাড় দিবে না। অপরাধের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে, সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।




বরিশাল বিমানবন্দর এরিয়া ভাঙ্গন রোধে কাজ করছে সরকার: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী : জাহিদ ফারুক শামীম

বরিশাল অফিস :: কাজের গুণগত মান ঠিক রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নদী ভাঙন রোধে সারাদেশের সকল প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে এবং সেই লক্ষেই দ্রুরুততার সঙ্গে কাজ করছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। এমন কথা জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল(অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।

আজ (১৮ মে) শনিবার সকালে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, বরিশাল কর্তৃক বাস্তবায়িত সুগন্ধা নদীর ভাংগন হতে বরিশাল বিমানবন্দর এলাকা রক্ষা” প্রকল্প এর আওতায় চলমান ১.৬০০ কি:মি: নদী তীর ড্রেজিং ও ৪৯৬ মিটার স্থায়ী নদী তীর সংরক্ষণ কাজ পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।

সুগন্ধা নদীর ভাংগন হতে বরিশাল বিমানবন্দর এলাকা রক্ষা” প্রকল্প এর আওতায় চলমান নদীর তীর রক্ষা প্রকল্প কাজের অগ্রগতি দেখেতে এসে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রকল্প এলাকার বরিশাল বিমানবন্দর এলাকা সুগন্ধা নদীর ভাঙ্গন হতে রক্ষা করা।

বিনিয়োগ ও উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নসহ এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে জাতীয় অর্থনৈতিতে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেন তিনি।দেশের দক্ষিণাঞ্চল সহ সারাদেশে বন্যা, নদী ভাঙন ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সকল প্রকল্পের কাজ চালিয়ে নেয়া হচ্ছে।

এ সময় প্রধান প্রকৌশলী, দক্ষিনাঞ্চল, বাপাউবোর মো: আব্দুল হান্নান,খুলনা ড্রেজার অপারেশন সার্কেল, বাপাউবোর তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী,মো: আনিচুর রহমান, বরিশাল পওর বিভাগ, বাপাউবো’র বরিশাল নির্বাহী প্রকৌশলী,মো: খালেদ বিন অলীদ,খুলনা ড্রেজার অপারেশন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী,শাওন আহমেদ,বাবুগঞ্জ পওর উপবিভাগ বাপাউবো, বরিশাল এর উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মুশফিকুর রহমান শুভ সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, এসব কাজের তদারকি নিজে করেছি। সারাদেশ নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্যই এসব বিভিন্ন প্রকল্প করা হয়েছে। আর এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে সারাদেশে নদী ভাঙনের সমস্যা আর থাকবে না। কাজের গুণগত মান ঠিক রেখে নিদিষ্ট সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যে সর্তকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। আর কাজের ব্যাপারে কারও অনিয়ম ও গাফিলতি সহ্য করা হবে না।

জাহিদ ফারুক শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী প্রজন্ম নিয়ে ভাবেন, সেজন্য তিনি আগামীর বাসযোগ্য বিশ্বমানের সুবিধা সম্বলিত বাংলাদেশ গড়তে চান। সেজন্য তিনি ডেল্টাপ্লান-২১০০ বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। আর এই

মহাপরিকল্পনার সিংহভাগ কাজই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবেন। এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সারাদেশে নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতার কোনো সমস্যাই থাকবে না। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে।




উপজেলা নির্বাচন: চতুর্মুখী লড়াই হবে কলাপাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে চতুর্মুখী লড়াই হবে বলে সাধারণ ভোটারদের ধারণা। উপজেলা পরিষদের বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা পারভীন সীমাসহ চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে নির্বাচনের মাঠে দিনরাত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছে।

অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন- লাইজু হেলেন লাকি, রাশিদা বেগম ও মোসাম্মৎ নাজমুন নাহার মলি।

কে হবে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ভোটাররা চায়ের দোকানে বসে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে চুল চেড়া বিশ্লেষণে ব্যস্ত রয়েছেন।

জানা যায়, উপজেলা পরিষদের বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা পারভীন সীমা গত নির্বাচনে প্রায় দুই-তৃতায়ংশ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হয়ে করোনা মহামারি থেকে শুরু করে যেকোনো দুর্যোগে সময় জনগণের পাশে ছিলেন। বিশেষ করে বিগত বছরের বেশ কয়টি বন্যার সময় তার উপস্থিতি ও কার্যক্রম সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িঁয়েছে। বন্যা কবলিত অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণসহ তাদের খোঁজ খবর নিয়েছেন।

এছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে দুইবার তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে জনগণের সেবা দিয়েছেন। বিগত পাঁচ বছরে তার নামে কোন অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ সকল দিক বিবেচনা করে আগামী নির্বাচনে আবারও তাকে নির্বাচিত করবে এমনটাই আশা করছেন তার ভোটার ও সমর্থকরা।

এদিকে, নাজমুন নাহার মলি ভাইস চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ হলেও সরকারি দলের নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন রয়েছে তার ওপর। সেই বিবেচনায় বড় একটা ভোট ব্যাংক রয়েছে তার। এছাড়া, তিনি ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা ইউপি সদস্য হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এসময় তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আস্থার সাথে জনগণকে সেবা দিয়েছেন। তার সেবার পরিধিকে উপজেলা ব্যাপী পৌঁছে দিতে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। এ নির্বাচনে সে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন অনেকে।

আরো পড়ুন : দুমকী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন : আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগে মোটরসাইকেল প্রার্থীকে জরিমানা করলেন ম্যাজিস্ট্রেট

অপরদিকে, অপর দুজন প্রার্থী লাইজু হেলেন লাকি ও রাশিদা বেগম এর আগেও এই পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। রাশিদা বেগম ২০১৪ ও অপরজন ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। সামান্য ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হতে পারেননি। এরা দুজনেই পৌর মহিলা কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে এবার ভোটাররা তাদের মূল্যায়িত করে নির্বাচিত করবে এমনটাই আশা করেন তারা।

লাইজু হেলেন লাকির মতে, এর আগেও দুইবার নির্বাচন করেছি। শেষের বার বিজয়ী হয়েও যেকোনো কারণে পরাজয় শিকার করতে হয়েছে। এবার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে সে শতভাগ বিজয়ী হবেন। বিজয়ী হলে সরকারি সকল ধরনের বরাদ্দের সুষ্ঠু বণ্টনসহ গরিব, দুঃখী ও মেহনতি মানুষদের পাশে থাকবেন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, আগামী ৫ জুন উপজেলা পরিষদের চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে কলাপাড়া উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২০ মে প্রতীক বরাদ্দের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।




উপজেলা নির্বাচন বরিশালে প্রার্থীদের টার্গেট বিএনপির ভোটার

বরিশাল অফিস :: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতা করায় ভোট কয়েকভাগে ভাগ হয়ে যাবে। তাই প্রার্থীদের জয়ের ব্যাপারে এখন সবচেয়ে মুখ্যভূমিকা পালন করবেন বিএনপি সমর্থিত ভোটাররা।

সেই টার্গেট নিয়েই প্রার্থীরা বিভিন্ন কৌশলে বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ ভোটারদের সাথে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির স্থানীয় একাধিক নেতৃবৃন্দরা জানিয়েছেন, হামলা ও মামলা দিয়ে এতোদিন বিএনপির নেতাকর্মীদের এলাকা ছাড়া করে রাখা হয়েছে। এখন ভোটের জন্য বিএনপির সেই নেতাকর্মীদের ব্যাপক কদর বেড়ে গেছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের কাছে। কিন্তু দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে বিএনপির ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইতোমধ্যে ঢাকায় অবস্থান করা বরিশালের নির্বাচনী উপজেলার নেতাকর্মী ও ভোটারদের সাথেও প্রার্থীরা দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। পাশাপাশি নির্বাচনের আগেই রক্তাক্ত উপজেলায় পরিনত হওয়া গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কাপ-পিরিচ মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন মিয়াকে সমর্থন দিয়েছেন আনারস মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদ্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী। ফলে ওই উপজেলায় এখন কাপ-পিরিচ মার্কার সাথে মোটরসাইকেল প্রতীকের ভোট যুদ্ধ হবে। তবে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে ওই উপজেলার সাধারণ ভোটাররা চরম শঙ্কিত।

আগৈলঝাড়া উপজেলায় আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত ও দোয়াত কলম মার্কা নিয়ে যতীন্দ্র নাথ মিস্ত্রী প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন।

দ্বিতীয়ধাপের মুলাদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরিবর্তনের পক্ষে চেয়ারম্যান প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জহির উদ্দীন খসরু’র দোয়াত-কলম মার্কার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তবে নদী বেষ্টিত মুলাদী উপজেলায়ও সুষ্ঠু ভোট নিয়ে চরম আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা।

ওই উপজেলায় আনারস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন তারিকুল হাসান খান মিঠু। হিজলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন সদ্য প্রয়াত উপজেলা চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন ঢালীর একমাত্র ছেলে নজরুল ইসলাম রাজু ঢালী। তিনি চিংড়ি মাছ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন।




বরিশালে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে ট্রাফিক পুলিশ

বরিশাল অফিস :: বরিশালে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে বিএমপির ট্রাফিক পুলিশ।

শনিবার (১৮ মে) বিকালে বরিশাল নগরীর সাগরদী এলাকার মেসার্স ডোস্ট ট্রেডার্স ফিলিং স্টেশন ও এলপিজি কনভারসন সেন্টারে এ অভিযানের উদ্বোধন করেন বিএমপির ট্রফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রুনা লায়লা। এ সময় হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকদের জরিমানা করা হয়।

এছাড়াও পেট্রোল পাম্পগুলোতে জনসচেতনতামূলক লিফলেট ও স্টিকার সাঁটানো হয়েছে। পাম্প কর্তৃপক্ষকে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালকদের জ্বালানি না দিতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিএমপির ট্রফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রুনা লায়লা বলেন, সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু করেছে বিএমপির ট্রাফিক পুলিশ। হেলমেট ছাড়া জ্বালানি দেওয়া হবে না।

পাশাপাশি মোটরসাইকেলে চালকসহ দুজনের বেশি বহন করা যাবে না,আমাদের এ অভিযান চলমান থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,বিএমপির ট্রাফিক পুলিশের টি আই আঃ রহিম,টি আই পল্লব,সার্জেন্ট জাকির,পুলিশ সদস্য সোহেল সহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা।