ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে-গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

বরিশাল অফিস :: বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ফেরিঘাট এলাকাস্থ সড়ক ও জনপথ দপ্তরের পরিত্যাক্ত জমিতে দীর্ঘদিন যাবত এক শ্রেনির অসহায় মানুষ লোন ও দারদেনা করে ক্ষুদ্র ব্যবসা বানিজ্য করে আসছিল। টাকা ও জনবল সহ নিজ সন্তান কিশোর গ্যাং বাহিনীর ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে উক্তস্থানের ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করার জন্য বিভিন্ন হুমকি-ধামকি সহ ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুঠিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করার অভিযোগে ফেরিঘাট বাজার সমিতির পক্ষ থেকে বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বরিশাল সাব রেজিষ্ট্রাড অফিসের পিওন জাহাঙ্গীর চাপরাসি ও তার কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসী সন্তানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। আজ সোমবার (২০)মে বেলা ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ আরিফুর রহমান লিখিতভাবে বক্তব্যতে এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যতে আরিফুর রহমান বলেন,বিগত ১ মাস যাবত বরিশাল সাব রেজিষ্ট্রার্ড অফিসের পিওন ভূমিদস্যুখ্যাত জাহাঙ্গীর চাপরাসি সহ তার নিজ সন্তানদের নিয়ে দোকান ব্যবসা গুঠিয়ে নিয়ে জমি খালী করে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার ও ভয়ভীতি দেখিয়ে যাচ্ছে। এসময় আরিফ আরো বলেন তাদের দোকানগুলো ফেরিঘাট সংলগ্ম নদীরপাড়ে সড়ক ও জনপথ দপ্তরের পরিত্যাক্ত জমি চরবদনা মৌজার দাগ নং-২৮১ সড়ক ও জনপথ দপ্তরের জমিতে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন কাঠের ঘড় করে গত ১২ বছর যাবত ব্যবসার মাধ্যমে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবন- যাপন করে আসছিল।

গত ১ মাস পূর্বে জাহাঙ্গীর চাপরাসি ওরফে জাহাঙ্গীর ভূইয়া পাশের ৩১৭ দাগের জমিটি ক্রয় করেন। ২৮১ নং দাগের সরকারী সড়ক ও জনপথ দপ্তরের খাস জমিতে থাকা ব্যবসায়ীদের পিছনে একটি ৫তলা ভবন নির্মানের কাজ শুরু করেন। বর্তমানে জাহাঙ্গীর গং সদস্যরা জমি থেকে দোকান পাঠ সড়িয়ে না নিলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া সহ জীবননাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।

এ সময় আরো বলেন জাহাঙ্গীর চাপরাসি বলে বেড়াচ্ছে কোটি টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করেছি। প্রয়োজনে আরো ৫০ লক্ষ টাকা প্রশাসনের পিছনে ব্যয় ও ম্যানেজ করে ওদের উচ্ছে করে ছাড়বো। এখানে আমাদের প্রশ্ন আমরা টাকা খাটিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে ঠিকমত খেতে পারি না। সেখানে একজন পিওন কি করে কোটি টাকার জমি ক্রয় করে তার এত টাকা আয়ের উৎস্য কোথায়? এছাড়া জাহাঙ্গীরের দূর্নীতির বিষয় নিয়ে বিভিন্ন ইলেক্টনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হলেও সাব রেজিষ্ট্রার্ড অফিসে তার দূর্নীতি অপরাধ থেমে থাকেনি। এবিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হলেও অফিসার ইনচার্জ ওসি অভিেেযাগটি এ.এস.আই মিজানকে তদেেন্তর জন্য দায়ীত্ব দেন।

এ ব্যাপারে তদন্তকারী এ.এস.আই মিজানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমরা কাছে আঃ ছালাম হাওলাদারের একটি অভিযোগ আছে আমি বাদী ছলাম হাং ও পতিপক্ষ জাহাঙ্গীর চাপরাশিকে নিয়ে বসি তারা উভয়ে সঠিকভাবে কাগজ-পক্ষ দেখাতে ব্যার্থ হয়ে সময় নেয় যা এখনও তদন্তনাধীন আছে। এব্যাপারে জাহাঙ্গীর চাপরাসি ওরফে জাহাঙ্গীর ভূইয়ার মুঠোফোনে কয়েকবার রিং দেওয়া হলে অপরপ্রান্তে রিং হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। সংবাদ সম্মেলেেন আরো উপস্থিত ছিলেন বাজার কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান রাসেল মোল্লা,মোঃ সাইফুর রহমান টিপু,মোঃ মোকলেস,মোঃ খবির খান,মোঃ মামুন হাওলাাদার ও জমি ভূক্তভোগী আঃ ছালাম হাওলাদার প্রমুখ।




জনগণের সেবক হতে চান তরুণ প্রজন্মের আইডল “মেহেদী হাসান মিজান”

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: গণমানুষের নেতা অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার তুখোড় রাজনীতিবীদ। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (সোহাগ-নাজমুল কমিটি)।

উপজেলা উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। পরিবেশবান্ধব অটোব্রিক কারখানা ‘পায়রা সিরামিক্স ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড’-এর তিনি চেয়ারম্যান। পাশাপাশি লেবুখালী ব্রিজের সন্নিকটে ‘পায়রা পয়েন্ট শপিং কমপ্লেক্স’-এর যৌথ উদ্যোক্তা। এছাড়া ঢাকার কেরানিগঞ্জে আবাসন প্রকল্পের অন্যতম রূপকার ‘নিউভিশন গ্রুপ’-এর সম্মানিত ডিরেক্টর। এভাবে বহুমুখী ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার ফলে উপজেলার মানুষের কর্মসংস্থানে দারুণ ভূমিকা রেখেছেন।

দুমকির গরীব ও মেহনতী মানুষের পাশে নিজেকে সবসময় নিয়োজিত রেখেছেন মেহেদী হাসান মিজান। তাছাড়া উপজেলার শিক্ষা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। যেসব পরিবারের সন্তানরা অর্থাভাবে লেখাপড়া চালাতে পারেন না, তাদের পাশে অবলীলায় দাঁড়ান তিনি। এছারা তিনি সামাজিক, ধর্মীয়, ও নাগরিক সংগঠনের সাথে নিজেকে সর্বদা জড়িয়ে রেখে গরীব, অসহায়, দুস্থ মানুষের পাশে থেকে সবধরনের মানবিক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।

ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান নিজের মেধা, যোগ্যতা, সততা, আন্তরিকতা ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে দুমকি উপজেলা বাসীর সকল স্তরের সাধারণ মানুষের ভালোবাসার আস্থা অর্জন করেছেন।

বর্তমানে তরুণ সমাজ পরিবর্তন চায় রাজনীতিতে, চায় শিক্ষিত ও নীতিবান সৎ যোগ্য ব্যক্তিদের, যাদের হাত ধরে এগিয়ে যাবে সমাজ এবং প্রতিষ্ঠিত হবে মানবিক বাংলাদেশ। তারুণ্যের প্রতীক অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান। সাধারণ মানুষের কাঙ্খিত ব্যক্তিত্বদের একজন।  তিনি জনগনের প্রতিনিধি হলে এগিয়ে যাবে সমাজ, কাঙ্খিত উন্নয়ন হবে উপজেলার।

অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান আসন্ন দুমকি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস মার্কার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে দুমকি উপজেলাবাসীর বেশ সমর্থন পাচ্ছেন। শিক্ষানুরাগী, ভদ্র, নীতিবান ব্যক্তি হিসেবে সাধারণ নাগরিকদের পছন্দের নাম অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান ।

ক্লিন ইমেজের এই তরুণ স্বপ্ন দেখছেন সাধারণ মানুষের সেবা করার। সুযোগ পেলে শাসক নয়, জনগণের সেবক হয়ে সবার পাশে দাঁড়াতে চান সাধ্যমতো। তিনি নির্বাচিত হলে সমাজের অসচ্ছল, বিধবা, অসহায়, গরীব, বয়স্ক এবং প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য কাজ করবেন। মাদক নির্মূল এবং শিক্ষা বান্ধব সমাজ উপহার দিবেন। সর্বোপরি মানুষের কাছে থেকে নাগরিক সেবা নিশ্চিতের সব চেষ্টা করবেন তিনি।

আসন্ন দুমকি উপজেলা নির্বাচন বিষয়ে অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান বলেন, “আমি যদি মহান আল্লাহর রহমতে নির্বাচিত হই, তাহলে আমার দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পালন করব ইনশাআল্লাহ। সেই সাথে অন্যান্য উপজেলা থেকে পিছিয়ে পড়া দুমকি উপজেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাব এবং একটি স্মার্ট উপজেলা হিসাবে গড়তে সবাইকে নিয়ে কাজ করে যাব।”

পরিশেষে, দুমকি উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে আনারস মার্কায় ভোট এবং দোয়া চেয়েছেন তিনি।




দখল-দূষণে ছোট হয়ে আসছে কীর্তনখোলার মানচিত্র

বরিশাল অফিস :: ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর মানচিত্র। ৫ হাজারেরও বেশি ভূমিদস্যু ও দখলদারের দখলে নদীটি। পরিবেশবাদীদের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এই দখল ও দূষণ হলেও, প্রতিরোধে কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না।

বরিশাল সদর উপজেলার চর আইচা এলাকায় বাঁশের বেড়া দিয়ে, বালু ফেলে দখল করা হচ্ছে কীর্তনখোলা নদী। পাশেই দখল করা জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। যে যেভাবে পারছে দখল করছে।

শুধু চর আইচা এলাকায় নয়। বরিশাল নগরী ঘেঁষা ধান গবেষণা রোড, বেলতলা, পলাশপুর এলাকাজুড়ে চলছে কীর্তনখোলা নদী ভরাট ও দখলের মহোৎসব। আর দখলদাররা বলছেন, এসব জমির কাগজপত্র ‍আছে তাদের কাছে। কিন্তু কাগজপত্র দেখতে চাইলে দেখাতে পারেননি।

দখলদারদের দাবি, নদীর পাড়ে যেসব জমি তারা দখল করেছেন তার অধিকাংশের দলিল আছে তাদের কাছে। কারোর দাবি, নদী ভাঙনের আগে নদীর যেসব জায়গায় তাদের জমি ছিলো সেই দাগ হিসেব করে ভরাট করেছেন তারা। তাতে নদী দখল হয়নি বলে দাবি তাদের।

স্থানীয়রা বলছেন, নদীর সাথে সংযোগ দেয়া স্যুয়ারেজ লাইনের ময়লা আবর্জনার স্তূপকে ঘিরে প্রতিনিয়তই বিষাক্ত হয়ে উঠছে নদীর পানি। আর কীর্তনখোলা দিন দিন সরু হচ্ছে।

আরিফ নামে এক বাসিন্দা জানান, গত কয়েক বছর ধরে যে যেখান থেকে পেরেছে কীর্তনখোলা দখল করেছে। এছাড়া সুয়ারেজ লাইনের মাধ্যমে সব ময়লা আবর্জনা এসে নদীতে পড়ছে। সব মিলিয়ে একাকার অবস্থা কীর্তনখোলার।

সুজন নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা অনেকবার আন্দোলন করলেও দখলদারদের হাত থেকে কীর্তনখোলাকে মুক্ত করতে পারিনি। প্রতিবারই তারা প্রভাব খাটিয়ে এ নদীকে যেভাবে পেরেছে দখল করেছে।’

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বরিশালের তথ্য বলছে, গত ৪০ বছরে কীর্তনখোলা নদীর দুপাড় দখল করেছে প্রায় ৫ হাজার ১৯২ জন প্রভাবশালী দখলদার।

পরিবেশবিদ আহসান মুরাদ বাপ্পি বলেন, সংশ্লিষ্ট যেসব কর্তৃপক্ষ আছে তাদের এখনই সময় কীর্তনখোলা নদীকে দখলমুক্ত করার। এখনই যদি তারা পদক্ষেপ না নেন তাহলে ভবিষ্যতে আরো খারাপ হবে।

বিআইডব্লিউটিএ বলছে, দখলদারদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ প্রায় শেষ। আর দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি জেলা প্রশাসকের।

বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন উর রশিদ বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে নদীর বিভিন্ন জায়গা পর্যবেক্ষণ করে আমরা দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত করেছি। যাদেরই অবৈধ স্থাপনা তালিকায় আছে তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।’

বরিশালের জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম বলেন,‘বিআইডব্লিউটিএ’র সাথে সমন্বয় করে দ্রুতই দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যারাই নদী দখল করেছে তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। যত প্রভাবশালী হোক না কেন যার যার অবৈধ স্থাপনা আছে সবারটা উচ্ছেদ করা হবে।’

সবশেষ ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ৬০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। নদী দখলের তালিকা প্রস্তুত জানিয়ে বারবার হুঁশিয়ারি দিলেও, অদৃশ্য শক্তির জোরে শক্তপোক্তভাবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় না বলে অভিযোগ নদী গবেষকদের।

 




কোটি টাকা ব্যায়েও আলোর মুখ দেখেনি বরিশালের ক্যান্সার হাসপাতাল

বরিশাল অফিস :: বরিশাল বিভাগীয় সদরে ১২৮ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মানাধীন ক্যান্সার, হৃদরোগ ও কিডনী হাসপাতাল ভবন নির্মানকাজ নির্ধারিত সময়ের এক বছরে মাত্র ৩৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

ব্যায় বৃদ্ধি করে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে পুরো প্রকল্প সম্পন্ন করার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশন নির্দেশনা দিলেও বর্ধিত সে সময়ের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ক্যান্সার, হ্রদরোগ ও কিডনীর উন্নত চিকিৎসার লক্ষ্যে দেশের সবগুলো বিভাগীয় সদরে ৮টি অনুরুপ হাসপাতাল নির্মানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সরকার। সে আলোকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ক্যাম্পাসে একটি ১৭ তলা ভবন নির্মাণে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাথে ‘ মেসার্স বঙ্গ বিল্ডার্স ও মেসার্স খান বিল্ডার্স-জেভি নামের একটি যৌথ অংশিদারী প্রতিষ্ঠান চুক্তিপত্র সম্পাদন করে ২০২১ সালের ১৯ জুলাই। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৩ সালের ১৮ জুলাই কাজ শেষ করার কথা।

কিন্তু চলতি বছরের ২২ মে পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কাজের অগ্রগতি মাত্র ৩৫ ভাগ। ৪৬০ শয্যার এ হাসপাতাল ভবনটির জন্য ইতোমধ্যে নির্মান প্রতিষ্ঠানকে ২৮ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে বলে বরিশাল গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে। তবে নির্মান প্রতিষ্ঠানের বকেয়া এখন ১২ কোটি টাকাও বেশী। একটি সূত্রের মতে অর্থ বরাদ্দ না থাকায় কাজের গতি শ্লথ হয়ে গেছে। তবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের মতে নির্মান প্রতিষ্ঠান চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করতে পারেনি। ফলে তহবিলও আসেনি। তহবিলের জন্য মন্ত্রণালয়ে লেখা হয়েছে। খুব শিগগিরই তহবিল প্রাপ্তি সাপেক্ষে নির্মান প্রতিষ্ঠানকে অর্থ পরিশোধ করা হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্মানাধীন ১৭তলা বরিশাল ক্যান্সার,হ্রদরোগ ও কিডনী হাসপাতাল ভবনটির মাত্র ৬তলা পর্যন্ত ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হয়েছে। ২-১ দিনের মধ্যে ৭তলার ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হবে। আগামী দু বছরে অবশিষ্ট ১০তলা ঢালাই সহ পুরো ভবনটির নির্মানকাজ সম্পন্ন হবে কিনা সে ব্যপারে সংশয় রয়েছে খোদ গণপূর্তের কর্মকর্তাদের। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রকৌশলী এ লক্ষ্যে সময়মত তহবিলের যোগান সহ নির্মান প্রতিষ্ঠানকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন। তবে দুটি বেজমেন্ট সহ ৭তলা পর্যন্ত ছাদ ঢালাইয়ের পরে ইতোমধ্যে নির্মান প্রতিষ্ঠানের ১২ কোটি টাকার বেশী বকেয়া পড়ে থাকাই অচলাবস্থার মূল কারণ বলে দাবী নির্মান প্রতিষ্ঠানের।

গত ২৯ এপ্রিল প্রকল্প ব্যায় বৃদ্ধি সহ বর্ধিত সময়সীমা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা একনেক এর অনুমোদন লাভ করলেও এ সংক্রান্ত প্রশাসনিক অনুমোদন এখনো না মেলায় চলতি অর্থ বছরের অবশিষ্ট সময়ে তহবিলের সংস্থান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে সংশোধিত ও বর্ধিত প্রকল্প ব্যায় ও সময়ে বরিশাল ক্যান্সার, কিডনি ও হ্রদরোগ হাসপাতাল ভবনের নির্মান কাজ সম্পন্ন নিয়ে সন্দেহ ক্রমশ দানা বাঁধছে। ১শ কোটি টাকার এ প্রকল্পটির মেয়াদ দু’বছর বৃদ্ধির সাথে প্রকল্প ব্যায়ও ১২৮ কোটিতে উন্নীত হয়েছে।

এ ব্যাপারে বরিশাল গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, তহবিলের সংস্থান হলে বর্ধিত সময়সূচি অনুযায়ী কাজ শেষ করা সম্ভব। এ লক্ষে আমরা নির্মান প্রতিষ্ঠানকে সব ধরনের চাপ সৃষ্টি করব। তবে গত ২৯ এপ্রিল একনেক এর সভায় সংশোধিত প্রকল্পটি অনুমোদিত হলেও এখনো প্রশাসনিক অনুমোদন মেলেনি বলে স্বীকার করেন তিনি।

উল্লেখ্য, বরিশাল ক্যান্সার, কিডনি ও হ্রদরোগ হাসপাতাল ভবনটিতে দুটি বেজমেন্ট ছাড়াও ২য় তলা থেকে ৭ম তলা পর্যন্ত ক্যান্সার ইউনিট, ৮ম তলা থেকে ১২ তলা পর্যন্ত কিডনি ইউনিট এবং ১৩ থেকে ১৭তলা পর্যন্ত হ্রদরোগ ইউনিট স্থাপনের কথা রয়েছে।




হিজলায় চেয়ারম্যান দিপু-ভাইস চেয়ারম্যান মাহিম ও সেলিনা

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলায় চেয়ারম্যান হয়েছেন আলতাফ মাহমুদ দিপু। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর চেয়ে প্রায় তিন হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এ ভোটে হিজলা উপজেলায় ১৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৫, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আলতাফ মাহমুদ সিকদার দিপু, ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাইদুল ইসলাম মাহিম ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সেলিনা ইসলাম তুহিন নির্বাচিত।

চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফ মাহমুদ দিপু ২৫ হাজার ২৫৮ ভোট পেয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী নজরুল ইসলাম রাজু ঢালী পান ২২ হাজার ৬৬২ ভোট। হিজলা উপজেলা নির্বাচনের মোটর ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২১ জন। ৪৯ টি কেন্দ্রে ভোট নেয়া হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মনদীপ ঘরাই বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন পরিবেশে ভোট হয়েছে। এ উপজেলায় ৩৮.০৯ ভাগ ভোটার ভোট দিয়েছেন।

 




গলাচিপায় প্রথম নারী উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: প্রথমবারের মতো পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী ওয়ানা মার্জিয়া নিতু নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়।

আরো পড়ুন : উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট চলছে পটুয়াখালীর ৩ উপজেলায়

আনারস প্রতীক নিয়ে ৪৫ হাজার ৩৮৮ ভোট পেয়ে তিনি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মু. সাহিন পেয়েছে ২৯ হাজার ৮৭৩ ভোট।




উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট চলছে পটুয়াখালীর ৩ উপজেলায়

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দ্বিতীয় ধাপে পটুয়াখালীর ৩ উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এখন পর্যন্ত কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে একটানা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

বাউফল উপজোয় ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬শ’ ০৭ জন, দশমিনা উপজেলায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৪ জন এবং গলাচিপা উপজেলায় ২ লাখ ৪১ হাজার ৮শ’ ৭০ জন। তিন উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়নের ২শ’ ৪৭টি কেন্দ্রে ৬ লাখ ৫৫ হাজার ৫ শত ২১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে বজ্রপাতে ইমারত শ্রমিকের মৃত্যু

তিন উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১৪ জন এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে রয়েছে একজন এএসআই চার জন পুলিশ ও ১৬ জন আনসার সদস্য রয়েছে। এছাড়া ১৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে র‌্যাবের দুটি ও বিজিবি তিন প্লাটুন ও কোস্টগার্ড ১৭ জন স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়াও পুলিশের নেতৃত্বে ১৬টি টিম স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।




টিনশেড ঘরেই পাঠদান, রোদ-বৃষ্টিতে বরিশালে ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের পূর্ব মহেশপুর গ্রামে ১৯৭৮ সালে স্থানীয় শিক্ষা অনুরাগী মাওলানা মতিউর রহমান খান প্রতিষ্ঠিত করেন পূর্ব মহেশপুর হাছানিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা। মাদ্রাসাটি ১৯৮১ সালে এমপিওভুক্ত করা হয়। মাদ্রাসাটির দোচালা টিনশেড ঘরে তখন থেকে অদ্যাবধি চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। গত ১০ বছর ধরে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে টিনশেড ঘরটি। রোদ-বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে এখানকার শিক্ষার্থীরা। বৃষ্টি হলেই পানি পড়ে ভিজে যায় শ্রেণিকক্ষসহ শিক্ষার্থীরা এবং তাদের বই-খাতা।

অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সনিয়া আক্তার ও রুবি জানায়, প্রচণ্ড সূর্যের তাপে টিনের চালা গরম হয়। শ্রেণিকক্ষে বসে ক্লাস করতে গিয়ে প্রায় সময় গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেক শিক্ষার্থী। আবার বৃষ্টি হলেই টিনের চালা দিয়ে পানি পড়ে ভিজে যায় বই-খাতা। তখন শ্রেণিকক্ষের মধ্যে বসে থাকাও অনেক কষ্টকর হয়ে পড়ে।দ্রুত মাদ্রাসার জন্য একটি পাকা ভবন চান তারা।

সরেজমিন দেখা যায়, মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেণি থেকে ডিগ্রি পর্যন্ত তিন শতাধিক শিক্ষার্থী থাকলেও প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে ২৫০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকে। প্রতি বছর দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয় অন্তত ১০০ শিক্ষার্থী। আর প্রতি বছর নতুন করে ভর্তি হয় এক থেকে ১৫০ মতো শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থীরা বছরের পর বছর চরম দুর্ভোগ নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করছে।

শিক্ষকদের অভিযোগ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার প্রায় ৪৬ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরেই এখন পর্যন্ত চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। প্রখর রোদে ক্লাস করতে গিয়ে অনেকে শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ছে। বৃষ্টি আসলে জামা, কাপড় ও বই খাতা ভিজে যায়, পাঠদানে ব্যাহত হয়। দুর্ভোগ পোহাতে হয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ জরুরি।

মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু হানিফা বলেন, মাদ্রাসার দোচালা ঘরটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে চরম দুর্ভোগে রয়েছি। এতে করে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বারবার সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করেছি এখন পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম আরও বেগবান করতে শিগগিরই একটি পাকা ভবন নির্মাণের জোর দাবি জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তপন কুমার দাস বলেন, উপজেলার অধিকাংশ মাদ্রাসায় কার্যক্রম পাকা ভবন চলছে। এ মাদ্রাসাও ভবনের জন্য অপেক্ষমাণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছে। আশা করছি, সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে শিগগিরই নতুন একটি পাকা ভবন পাস হবে।

 




২১শে মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পটুয়াখালী জেলার তিনটি উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: কাল (২১শে) মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পটুয়াখালী জেলার ৩টি উপজেলায় ২য় ধাপে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচন। উপজেলাগুলো হচ্ছে বাউফল উপজেলা, দশমিনা উপজেলা ও গলাচিপা উপজেলা।

জেলা প্রশাসন ও জেলা নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানা গেছে আজ মধ্যরাত থেকে এই উপজেলাগুলোতে প্রচার প্রচারণা বন্ধ হয়ে যাবে। সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন এবং তাদের ভোট প্রদান করতে পারেন সে ব্যাপারে সকল কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকেও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনী শংশ্লীষ্ট সকল কর্মকর্তাদের কে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শেষে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। যথাসময়ে ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনের দিন মধ্য রাত পর্যন্ত যানবহন চলাচল সীমিত করা হয়েছে এবং এব্যাপারে জেলা প্রশাসন একটি গনবিগপ্তি প্রকাশ করেছেন।




কলাপাড়ায শুরু হয়েছে মাসব্যাপী তাঁত শিল্প মেলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১ম বারের মতো শুরু হয়েছে মাসব্যাপী তাঁত শিল্প মেলা।

সোমবার (২০ মে) দুপুরে বেলুন উড়িয়ে এ শিল্প মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম।

কলাপাড়া পৌর শহর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির আয়োজনে সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজ মাঠে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে বজ্রপাতে ইমারত শ্রমিকের মৃত্যু

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, মেলা ঘিরে তাঁতের দোকান, খাবার দোকান ও কসমেটিক্সের দোকানসহ ৫৪টি স্টল বসেছে। বিভিন্ন বাহারী পণ্য পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যই এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

এ সময় কলাপাড়া পৌর শহর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি নাজমুল আহসান, প্রেসক্লাব সভাপতি হুমায়ুন কবির ও কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম রয়েল, টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন বিপু উপস্থিত ছিলেন।