আশ্রয়ণ প্রকল্পের মানুষও পাবে স্মার্ট সুবিধা : আনারস মার্কা প্রার্থী মেহেদী হাসান মিজান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দুমকী উপজেলার আনারস মার্কা চেয়ারম্যান পদ-প্রার্থী অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান বলেছেন, স্মার্ট ও উন্নত মানবিক দুমকী বিনির্মাণে গড়ার লক্ষে আনারস মার্কা বিজয় হলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মানুষও পাবে স্মার্ট সুবিধা। আমার কাছে ধনী-গরীব কোন ভেদাভেদ নেই প্রতিটি মানুষই সমান, এই উপজেলার জনগণের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। এখানের মাটি ও মানুষের ভাষা আমি বুঝি। তাই এখানের মাটি ও মানুষের মাঝে আমি বড় হয়েছি। তাই আগামী দিনগুলোতে সুখে দুঃখে সকলের মাঝে পাশাপাশি থাকতে চাই। সকলকে সাথে নিয়ে উন্নয়নে মাধ্যমে দুমকী উপজেলাকে ঢেলে সাজাতে চাই।

শুক্রবার ( ২৫ মে) বিকালে দুমকী লেবুখালী ১ নং ওয়ার্ডের আশ্রয় কেন্দ্রে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

আনারস মার্কা প্রার্থী বলেন, এবারের নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক না থাকায় আপনাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করবেন। আপনারা কারোর কথায় বা কালো টাকার প্রলোভনে পড়বেন না। আপনারা নিজে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট দিবেন। বিগত দিনের ভোট এবং এবারের ভোট পুরোটাই ভীন্ন। এবারের নির্বাচনে কোনো প্রার্থী পেশী শক্তি প্রয়োগ করতে পারবেনা। সুষ্ঠ, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকেও ব্যাপক জোরালো ভূমিকা রয়েছে। আগামী ২৯ মে আপনারা আপনাদের মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের জন্য আপনাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন বলে আমি আশা করি।

এডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান বলেন, আমাকে আপনারা নির্বাচিত করলে আমি আগামী ৫ বছর নয় আমার আমৃত্যু পর্যন্ত আপনাদের দুমকি উপজেলা জনগণের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবো। বেকার সমস্যা নিরসনে কাজ করতে চাই। তরুণ উদ্যোক্তা হিসাবে তরুণ প্রজন্মের জন্য কাজ করতে চাই বিশেষ করে বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। ইতোমধ্যেই আমি দুমকীতে ২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। নির্বাচিত হলে আরো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করে বেকার সমস্যা নিরসনে কাজ করবো। অনেক প্রার্থী আছেন যারা নির্বাচনে নির্বাচিত হোক বা না হোক ভোটের পরে আর দুমকি উপজেলায় থাকবে না। এই গুলো আপনারা বিবেচনা করেই আপনাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,লেবুখালী ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: জহিরুল ইসলাম,
দুমকি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রাকিব মৃধা,স্থানীয় সমাজ সেবক নুরুজ্জামান জাকির মোল্লা সহ আরও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কয়েক শত মহিলা পুরুষ ও যুবকরা । এর আগে আশ্রয় প্রকল্পের দলে দলে সমর্থকরা মিছিল নিয়ে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করেন।




স্মার্ট দুমকী বিনির্মাণে ফ্রী ওয়াইফাই জোন গড়ে তোলা হবে : আনারস মার্কা প্রার্থী মেহেদী হাসান মিজান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দুমকী উপজেলার আনারস মার্কা চেয়ারম্যান পদ-প্রার্থী অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান বলেছেন,তরুণ প্রজন্মের জন্য উপজেলায় ৫০ টি ফ্রী ওয়াইফাই জোন নির্মাণ করা হবে। এর মাধ্যমে বর্তমান সময়ে স্মার্ট ও উন্নত মানবিক দুমকী বিনির্মাণে গড়ার লক্ষে তরুণ প্রজন্ম সঙ্গী হতে পারলে বেকারত্ব নিরসনে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে।

বৃহস্পতিবার ( ২৩ মে) সন্ধ্যায় দুমকী মুরাদিয়া ইউনিয়ন পঞ্চায়ত বাজার আল হেরা নূরানী মাদ্রাসা মাঠে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

আনারস মার্কা চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেন, খেটে খাওয়া মানুষদের জন্য কর্মসংস্থান এবং বেকার সমস্যা নিরসনে কাজ করতে চাই । তরুণ উদ্যোক্তা হিসাবে তরুণ প্রজন্মের জন্য কাজ করতে চাই বিশেষ করে বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। ইতোমধ্যেই আমি দুমকীতে ২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। নির্বাচিত হলে আরো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করে বেকার সমস্যা নিরসনে কাজ করবো ।

তিনি বলেন, ২০১৯ সালে যে নির্বাচন হয়েছিল সে সময়ও আমি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলাম। তার পরবর্তী সময়েও আপনাদের সাথে আমি কাঁধে কাধঁ রেখে দুমকি উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় মাঠে ঘাটে ঘুরে বেড়িয়েছি তাই আপনাদের অনেকের সম্মতি নিয়ে এই উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আংশগ্রহণ করেছি।

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স মাস্টার্স পাশ করে এডভোকেট হয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি সেবা করার জন্য।

এডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান বলেন, আমাকে আপনারা নির্বাচিত করলে আমি আগামী ৫ বছর নয় আমার আমৃত্যু পর্যন্ত আপনাদের দুমকি উপজেলা জনগণের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবো। অনেক প্রার্থী আছেন যারা নির্বাচনে নির্বাচিত জোক বা না হোক ভোটের পরে আর দুমকি উপজেলায় থাকবে না। এই গুলো আপনারা বিবেচনা করেই আপনাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করবেন।

আনারস মার্কা প্রার্থী মেহেদী হাসান মিজান আরও বলেন,বাংলাদেশের ১২ টি উপজেলাকে ৪ টি প্যাকেজ এ তিনটি করে নির্ধারণ করেছেন। প্রথম ধাপের প্যাকেজে এই দুমকী উপজেলা রয়েছে। এই মেগা প্রকল্পগুলো বিশেষ করে আয়তনে ছোট উপজেলা থেকে শুরু হয়। বিগত দিনেও আপনারা উদাহরণ হিসেবে দেখেছেন শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা হিসাবে দুমকী বাংলাদেশে প্রথম শতভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছিল।

তিনি বলেন,আমার গ্রাম আমার শহর এই প্রকল্পে দুমকী উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন আমাদের লেবুখালী ইউনিয়নের কৃতি সন্তান পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত মো: হারুন আর রশীদ। তার কাছে আমরা দুমকীর জনগণ কৃতজ্ঞতা জানাই । তার মতো একজন দক্ষ ও মেধাবী চৌকস অফিসার আমাদের দুমকীর জনপদে ছিল বলেই এই দুমকী উপজেলাটির উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য এই প্রকল্পটি দুমকী উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

মেহেদী হাসান মিজান বলেন,এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য একজন সৎ, শিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্ব নির্বাচিত করে উপজেলা উন্নয়ন করার সুযোগ দিন।

ইতিমধ্যেই সৎ, শিক্ষিত ও তরুণ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করুন এই নির্বাচনীয় স্লোগান হিসাবে আনারস মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেছি। এই তিনটি গুনেরও সমন্বয়ে যে ব্যক্তি নির্বাচিত হবে তিনি এই দুমকীকে একটি আধুনিক দুমকীতে ও স্মার্ট উপজেলা হিসাবে রুপান্তরিত করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে প্রকল্প আপনাদের দিয়েছেন সেটি বাস্তবায়নের জন্য একজন দক্ষ, সৎ, শিক্ষিত,তরুন জনসেবক দরকার। যদি আমার ভিতরে এই গুনগুলো থাকে তাহলে আগামী ২৯ তারিখ আনারস মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করে সকলের সেবা করার সুযোগ দিন।

ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষক মো: ইউসুফ আকনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, মুরাদীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণত সম্পাদক মো: হারুন চাকলাদার সাবেক, স্থানীয় সমাজ সেবক ইমু গাজী,সালামপুর আমিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা,শিক্ষক রুহুল আমীন মাউলানা। যয়বুন নেসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো: ইউসুফ আলী,বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো: গফুর হাওলাদার। দুমকি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রাকিব মৃধা সহ আরও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কয়েক শত মহিলা পুরুষ ও যুবকরা । এর আগে দলে দলে সমর্থকরা মিছিল নিয়ে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করেন।




দুমকীতে ক্যাম্পেইন করতে অস্বীকৃতি জানালে সরকারি গরু ফেরত নিলেন প্রার্থী হারুন হাওলাদার

দুমকী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: প্রান্তিক জেলে হিসেবে উপজেলা থেকে সরকারি প্রকল্পের বিনামূল্যে গরু পেয়েছিলেন পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার দক্ষিণ মুরাদিয়ার আ: রহিম খানের ছেলে বশির খান। তবে তা কিছুক্ষণ পরেই ফিরিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্দে।

জেলে বশির খান জানান, গরুর বিনিময়ে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ডক্টর হারুন অর রশীদ হাওলাদার তার মোটর সাইকেল প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার করার অনুরোধ জানান। তখন তিনি বলেন, যে আপনার (হারুন হাওলাদার) জন্য ১৩ তারিখ পযন্ত অপেক্ষা করার পরে আমি দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে নেমেছি এখন আর তার (হারুন হাওলাদার) পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি গরু ফেরত দিতে বললে, উপজেলায় গিয়ে বশির খান গরু ফেরত দিয়ে আসেন। বর্তমানে গরুটা উপজেলা চেয়ারম্যানের সরকারি বাসভবনে আছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ হাওলাদার বলেন, এটা শতভাগ মিথ্যা। আমি ওকে একটা গরু দিয়েছি। যে কিছু করে খাক এবং ওকে আমার ক্যাম্পেইন করতে রিকোয়েস্টও করেছি। তখন ও বলেছি আমি এখনো নামি নাই। নামব। এর বেশি কিছু হয়নি। গরু কী আমার যে আমাকে ফেরত দেবে।




পবিপ্রবিতে পাওয়ারিং দ্য ফিউচার শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ‘পাওয়ারিং দ্যা ফিউচার’ শিরোনামে ‘ওভারকামিং এনার্জি ক্রাইসিস উইথ সাসটেইনেবল সলিউশন’ বিষয়ক আলোচনাসভা আয়োজন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়টির কৃষি কনফারেন্স কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ এ সেমিনারের আয়োজন করে।

আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও শক্তি উপদেষ্টা (সিএবি) অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, পবিপ্রবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুজাহাঙ্গীর কবির সরকার, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক আফজাল হোসাইন, অধ্যাপক তৌফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ইমরানুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক জাকারিয়া আরেফিন সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

আরো পড়ুন : দুমকি উপজেলা নির্বাচনে আনারস মার্কার সমর্থনে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী “মেহেদী হাসান মিজান”

অধ্যাপক ড. শামসুল আলম তার আলোচনায় এনার্জেটিক এফিসিয়েন্সি এবং ইকোনমিক এফিসিয়েন্সি নিয়ে কথা বলার সময় বাংলাদেশের এনার্জি সেন্টার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে আলোচনা করেন।

আলোচনায় তিনি শক্তির সাসটেইনেবল সলিউশন নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক এ আলোচনা করার সময় তিনি বলেন, এই সমস্যা সমাধানে এগ্রিকালচার, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স, বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন, আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রয়েছে। ’ডলারের ব্যবহার হ্রাস করার জন্য জোর আহ্বান জানান তিনি।

সভা শেষে প্রশ্নোত্তর সভার আয়োজন করা হয়।




পটুয়াখালীতে উপজেলা নির্বাচনে এমপি সমর্থিত প্রার্থীদের ভরাডুবি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে পটুয়াখালীর বাউফল, দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ তিনটি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে একজন এমপি সমর্থক প্রার্থী ও অন্য দুইজন নতুন মুখ বিজয়ী হয়েছেন।

বাউফল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান পটুয়াখালী ২ সংসদীয় আসনের এমপি আ স ম ফিরোজের সমর্থিত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোশারেফ হোসেন খান। তিনি (আনারস) প্রতীকে ৪২ হাজার ৩২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদার ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ১০১ ভোট।

এ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫০ হাজার ৫০৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন উড়োজাহাজ প্রতীকের মো. আনিচুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মাহমুদ রাহাত তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৭১৪ ভোট।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে হাঁস মার্কার প্রার্থী মোসা: মরিয়ম বেগম ৫০ হাজার ৩৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রজাপতি প্রতীক প্রার্থী ঝরনা বেগম পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৫২ ভোট।

দশমিনা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১২ হাজার ১৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন টেলিফোন প্রতীকের প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম শাহাজাদা সমর্থিত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো.বশির উদ্দিন মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৮ ভোট।

এ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২১ হাজার ১৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন চশমা প্রতীকের প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী টিউবওয়েল প্রতীকের প্রার্থী মো. নাসির উদ্দিন পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪০৮ ভোট।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী সামসুন্নাহার ডলি। তিনি ৩৩ হাজার ০৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী কলস প্রতীকের প্রার্থী মনিরা বেগম পেয়েছেন ১২ হাজার ৮১২ ভোট।

আরো পড়ুন : দুমকি উপজেলা নির্বাচনে আনারস মার্কার সমর্থনে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী “মেহেদী হাসান মিজান”

এছাড়া পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ওয়ানা মার্জিয়া নিতু আনারস প্রতীকে ৪৫ হাজার ১৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম শাহাজাদা সমর্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন শাহ্ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৭৬ ভোট।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে উড়োজাহাজ নিয়ে ৪১ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদ আহসান কচিন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রিফাত হাসান সজীব (টিউবওয়েল প্রতীক) পেয়েছেন ২৫ হাজার ৭৬৯ ভোট।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ফুটবল নিয়ে ৩১ হাজার ৮০৭ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন তহমিনা আক্তার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হেলেনা বেগম কলস প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ৩৩৩ ভোট।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয় এমপিরা তাদের প্রার্থীদের সমর্থন করায় ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।




দুমকি উপজেলা নির্বাচনে আনারস মার্কার সমর্থনে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী “মেহেদী হাসান মিজান”

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: আনারস মার্কার সমর্থনে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন আসন্ন দুমকি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান।

বুধবার ( ২২ মে) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনি দুমকি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। এরপর বিকাল ৫ টায় পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন এর হাজিরহাটে জনসংযোগ ও পাংগাশিয়া মিয়াবাড়ি আল মুত্তাকিন জামে মসজিদের সামনে উঠান বৈঠক করেন।

এসময় মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হন জননেতা অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান ।

প্রচারণাকালে অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান বলেন, “আমি যদি মহান আল্লাহর রহমতে নির্বাচিত হই, তাহলে আমার দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পালন করব ইনশাআল্লাহ। সেই সাথে অন্যান্য উপজেলা থেকে পিছিয়ে পড়া দুমকি উপজেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাব এবং একটি স্মার্ট উপজেলা হিসাবে গড়তে সবাইকে নিয়ে কাজ করে যাব।”

এ সময় অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান মিজান এর সঙ্গে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত: আগামী ২৯ মে দুমকি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।




প্রেমিকের’ সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়ে প্রাণ গেল তরুণীর

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে কথিত প্রেমিকের সঙ্গে মোটরসাইকেলে চড়ে ঘুরতে বের হয়ে প্রাণ গেল শেফা আক্তার নামে এক নাসিং ছাত্রীর।

মঙ্গলবার (২১ মে) রাতে ঘুরতে বের হয়ে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে শাখারিয়া বাসস্ট্যান্ডে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে যায় শেফা। পরে সেখান থেকে তুলে মুমূর্ষু অবস্থায় পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শেফা আক্তার পটুয়াখালী গাজী মনিবুর রহমান নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার নৌকরণ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে।

আরো পড়ুন : জনগণের সেবক হতে চান তরুণ প্রজন্মের আইডল “মেহেদী হাসান মিজান”

কথিত প্রেমিক হাসনাত টিটু মির্জাগঞ্জ উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব। তার গ্রামের বাড়ি দুমকি উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে। তার স্ত্রী-সন্তান রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শেফা আক্তার লেখাপড়ার সুবাদে বান্ধবীদের সঙ্গে পটুয়াখালী শহরে বসবাস করতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টায় রুমমেটদের কাছে অন্য এক বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বের হয়ে টিটুর সঙ্গে ঘুরতে যায়।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জসিম জানান, প্রাথমিকভাবে টিটুকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।




২৭ বছরেও হলো না ডাম্পিং স্টেশন, সড়কের পাশেই আবর্জনা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা পৌরসভাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৯৭ সালে। প্রতিষ্ঠার ২৭ বছর পার হলেও ময়লা-আবর্জনা ফেলার জায়গা ঠিক করতে পারেনি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা । এতে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ গলাচিপা পৌরবাসী ।

সরেজমিনে দেখা গেছে,গলাচিপা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের শান্তিবাগ এলাকার গলাচিপা ও ডাকুয়া ইউনিয়ন যাওয়ার প্রধান সড়কের ওপরে ফেলা ময়লা ভাগাড়ে রূপ নিয়েছে। ভাগারটিতে জ্বলছে আগুন । ময়লা- আবর্জনায় ঢেকে গেছে পুরো এলাকা । সড়কের যাতায়াত করা লোকজন এবং এলাকাবাসী সকলে নাক চেপে চলাচল করে ।ভাগারটির ঠিক পাশে রয়েছে একটি পুকুর যে পুকুরটির পানি ব্যাবহার করে ওই এলাকার অসংখ্য মানুষ ।

রাস্তার উপরেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ময়লার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন হসপিটাল ক্লিনিকে ব্যবহার করা সিরিঞ্জ শুই স্যালাইন ও কাচের বোতল এতে বিভিন্ন সময় ক্ষতির সম্মুখীন হয় এলাকার চলাচল করা এলাকাবাসী । এই ময়লার ভাগারটি দ্রুত অপসরন ও শহরের বাহিরে কোথাও স্থায়ী করার দাবী জানান এলাকাবাসী ।

শান্তিবাগ এলাকার মোঃ রাসেল বলেন, ‘এই ময়লার গন্ধে বসবাস করা অসম্ভব এই এলাকায় এখন থাকাই বড় দায়, স্থায়ী বাসিন্দা না হলে এই এলাকা ছেড়ে চলে যেতাম। এইখানে বাসা থাকায় আত্মীয় স্বজনরা ও আসতে চায় না’।

আরো পড়ুন : জনগণের সেবক হতে চান তরুণ প্রজন্মের আইডল “মেহেদী হাসান মিজান”

আরেক ভুক্তভোগী ডলি বেগম বলেন, ‘এই ময়লা গুলো পৌরসভার লোকজন গাড়িতে নিয়ে এসে ফেলে চলে যায় এই ময়লার গন্ধে খাওয়া দাওয়া বন্ধ হয়ে যায় । এমন চলতে থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের অসুখ হইয়া যাইবে । দ্রুত এই ময়লা সরানোর জন্য পৌরসভাকে বারবার বল্লেও তারা কোনো কিছু করে না।’

এবিষয়ে গলাচিপা পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুনীল বিশ্বাস জানান, ডাম্পিং স্টেশনের জন্য জায়গা ইতোমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার থেকে বরাদ্দ আসলেই ময়লা স্থানান্তর করা হবে।

গলাচিপা পৌরসভার মেয়র আহসানুল হক তুহিনের সাথে এই বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।




কলাপাড়ায় জগন্নাথ মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে জগন্নাথ দেবের একটি নাট মন্দিরের তিনটি প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিমার গা থেকে স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় ওই মন্দিরের সিটিটিভি ফুটেজ দেখে এক দুর্বৃত্তকে খুঁজছে পুলিশ।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে জেলার কলাপাড়া উপজেলার পৌর শহরের শ্রী শ্রী জগন্নাথ নাট কেন্দ্রীয় মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। এসময় মন্দিরের শীতলা, মনসা ও কালী প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়।

আরো পড়ুন : জনগণের সেবক হতে চান তরুণ প্রজন্মের আইডল “মেহেদী হাসান মিজান”

কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আহমেদ জানান, প্রাথমিক আলামত ও সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ক্যামেরায় দাড়িওয়ালা ও লম্বা পাঞ্জাবি পড়া একজনকে দেখা গেছে। তাকে ধরতে অভিযান চলছে।

মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক দেবদাস মুখার্জী বলেন, দুপুর সোয়া একটার দিকে তারা ভাঙা প্রতিমা দেখতে পেয়ে থানায় জানান। বর্তমানে কলাপাড়ায় সব ধর্মের মানুষ শান্তি ও সম্প্রীতির বন্ধনে থাকলেও একটি চক্র পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে এ ঘটনা ঘটাতে পারে। থানায় মামলা করা হবে বলে জানান।




অপরিপক্ব ফলে সয়লাব বরিশালের বাজার

বরিশাল অফিস :: বাংলা বারো মাসের মধ্যে জ্যৈষ্ঠ মাসে সবচেয়ে বেশি মিষ্টি মিষ্টি ফল পাওয়া যায়। তাই জ্যৈষ্ঠ মাসকে মধু মাস বলা হয়। জ্যৈষ্ঠ মাসের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনও গাছে গাছে ঝুলছে অপরিপক্ব আম, কাঁঠাল, লিচুসহ অন্যান্য মৌসুমি ফল।

পরিপক্ব হওয়ার আগেই অপরিপক্ব মৌসুমি ফলে ভরে গেছে বরিশালের বাজার। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার আশায় আগেভাগেই বাজারজাত করছে অপরিপক্ব ফল। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইতোমধ্যে বরিশালের বাজারে এসেছে আম, কাঁঠাল, লিচুসহ অন্যান্য মৌসুমি ফল।

প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ক্রেতারা। তাদের দাবি, ফলের মৌসুমেও ভোক্তা অধিকারের বাজার মনিটরিং চালানো দরকার। আর চিকিৎসকদের মতে, এসব অপরিপক্ব ফল খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে মানুষ। এদিকে বরিশালের বাজারগুলোতে প্রকাশ্যে অপরিপক্ব ফল বিক্রি করলেও সেদিকে প্রশাসনের দৃষ্টি নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে বরিশালের পাইকারি ফলের আড়ৎসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অপরিপক্ব আম, কাঁঠাল, লিচু, তালসহ বিভিন্ন ধরনের ফল বিক্রি হচ্ছে। দামও বেশ চড়া। তবে দাম বেশি হলেও বছরের প্রথম ফল বলে অনেকেই কিনছেন শখ করে। পরিপক্ব আর অপরিপক্ব যাই হোক এখন সব ফলের চাহিদা বেশি। বিশেষ করে লিচু, আম ও কাঁঠাল বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারি বাজারে ১শ’ লিচু বিক্রি হচ্ছে ২৬০-২৭০ টাকা দরে যা খুচরা বিক্রেতারা ৩০০ টাকা বা তারও বেশি দরে বিক্রি করছে। অন্যদিকে গোপালভোগ পাইকারি বাজারে ৬০ টাকা হলেও খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা দরে। আর হিমসাগর পাইকারি আমের কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হলেও খুচরা বিক্রেতারা দাম হাঁকছেন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। এছাড়া সাইজ অনুসারে কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে।

নতুনবাজার এলাকার খুচরা ফল বিক্রেতা মিন্টু বলেন, জ্যৈষ্ঠ মাস শুরু হয়েছে, এখনো মধুমাসের ফল আসবে না? তিনি দাবি করেন, তার দোকানে পরিপক্ব ছাড়া কোনো ফল নেই।

নগরীর ফলপট্টি এলাকার ফল ব্যবসায়ী নজরুল বলেন, এই গরমে রসালো ফল বিক্রি বেশ ভালোই হচ্ছে। তার দাবি, পাইকারি বাজারে ফলের দাম বেশি হওয়ায় তারা খুচরা একটু বেশি দামেই বিক্রি করছেন। তবে এ দামেও ক্রেতারা খুশি বলেন তিনি।

নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা শফিক বলেন, গ্রাম থেকে আত্মীয়-স্বজন এসেছে। তাই শখ করে তিন কেজি পাকা আম আর একটি কাঁঠাল কিনেছিলাম। কিন্তু আম এবং কাঁঠাল কোনোটাতেই স্বাদ পাইনি।

ব্যাংকার নাজমা বেগম বেগম এসেছেন লিচু কিনতে, তবে দোকানদারের দেয়া লিচু খেয়ে ফল কেনার আগ্রহ হারিয়েছেন। ফলে না কিনেই ফিরে গেছেন তিনি। তিনি বলেন, জ্যৈষ্ঠ মাস মধুর মাস। কারণ এই মাসে বিভিন্ন ধরনের রসালো, মিষ্টি ও সুগন্ধি ফল উঠতে শুরু করে। কিন্তু এখনকার বাজারের ফলগুলো তেমন রসালো না, মিষ্টিও না। কারণ এসব ফল অপরিপক্ব থাকতেই গাছ থেকে নিয়ে বাজারজাত করা হয়েছে। যার কারণে এখনকার ফলে অরজিনাল যে স্বাদ সেটা নেই।

স্কুল শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, ভোক্তা অধিকারের উচিত নিয়মিত বাজার পর্যবেক্ষণ করা। এখন ফলের মৌসুম। বাজারে ফল আসবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কোন ফলগুলো পরিপক্ব আর কোনগুলো অপরিপক্ব এই বিষয়টা দেখা প্রয়োজন। অনেক অসাধু ব্যবসায়ী লাভের আশায় পাকার আগেই অপরিপক্ব ফল বাজারে ছেড়েছে। ফলে এসব ফল খেয়ে মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে।

শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আশীষ কুমার বলেন, অপরিপক্ব ফল অবশ্যই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অপরিপক্ব ফল সংরক্ষণ করার জন্য যে মেডিসিন ব্যবহার করা হয় সেটা আরও বেশি ক্ষতিকর। বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ওই মেডিসিন ব্যবহার করা ফল শিশুদের স্বাস্থ্যহানি, কিডনি ও লিভারের সমস্যা, এমনকি শিশুর বেড়ে উঠাতেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।