রাস্তা খুঁড়ে উধাও ঠিকাদার, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের আমড়াজুড়ি সুইচগেট থেকে রহমান খান এর বাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি করে অল্প কিছু কিছু জায়গায় বালু ফেলে রাখা হয়েছে। প্রায় ছয় মাসের বেশি সময় ধরে ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে সড়ক এভাবে ফেলে রাখায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ঐ গ্রামের প্রায় ছয় হাজার মানুষ।

কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের গাবুয়া গ্রামের গ্রামীণ এই সড়কটি কার্পেটিং করার জন্য খুঁড়ে রেখে উধাও হয়ে যায় ঠিকাদার। রাস্তা খোঁড়ার ফলে কোন ধরনের যান চলাচল করতে পারছে না এতে চলাচলে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে গ্রামের সাধারণ মানুষসহ কোমল মতি শিক্ষার্থীদের।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সড়কটির এমন চরম দুরবস্থা।

স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণ জানায়, দীর্ঘদিন আগে রাস্তাটিতে কাজ শুরু করে রাস্তা খুঁড়ে রেখেছেন ঠিকাদার। কাজ শেষ তো দূরের কথা তাকে এখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। রাস্তার বেড কেটে রাখায় এতে পানি জমে চরম ভোগান্তি হচ্ছে গ্রামবাসীর। এ সড়ক দিয়ে অটোরিকশাসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আগে হাঁটা গেলেও এখন পানি জমে থাকায় রাস্তায় স্বাভাবিকভাবে হাঁটা যাচ্ছে না।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

উপজেলা প্রকৌশলী অফিস থেকে জানান হয়, নন-মিউনিসিপাল প্রকল্পের আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৮৪ লাখ ৬২ হাজার ৮৫০ টাকা ব্যয়ে রাস্তাটি নির্মাণের কাজ পান বাউফল উপজেলার মেসার্স আব্দুল বারী এন্টারপ্রাইজ। তার কাছ থেকে কাজটি ক্রয় করেন রিয়াজ নামের পটুয়াখালীর এক ঠিকাদার। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও মাটি খোঁড়াখুড়ি ছাড়া আর কিছুই হয়নি।

ক্রয়কৃত ঠিকাদার রিয়াজ মুঠোফোনে বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই তিনি কাজ শুরু করবেন বলে জানান।

উপজেলা প্রকৌশলী আলমগীর বাদশা বলেন, মানুষের ভোগান্তি দেখলে আমাদেরও কষ্ট লাগে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শেষ করার তাগেদা দেয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই রাস্তার নির্মাণ কাজ শুরু হবে।




পটুয়াখালীতে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে সরকারি জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে সদর উপজেলা প্রশাসন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার সকালে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকায় থাকা এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

এসময় অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চন্দন কর। অভিযানকালে শতাধিক পাকা-আধাপাকা দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে খাস জমি বন্দোবস্ত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চন্দন কর বলেন, পৌরসভায় খাল ও নদীর মধ্যে যত অবৈধ স্থাপনা ছিল তারই অংশ বিশেষ হিসেবে বহালগাছিয়া খালের ওপরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।




পটুয়াখালীতে খাস জমি বন্দোবস্ত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবাংলা মৌজার খাস জমিতে অবস্থানরত ভূমিহীন পরিবারের মাঝে বন্দোবস্ত দেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি ও চরবাংলা বিত্তহীন কৃষক সমবায় সমিতি।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে জেলা কৃষক মজুর সংহতি ও চরবাংলা বিত্তহীন কৃষক সমবায় সমিতির আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কৃষক মজুর সংহতির জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আমজাদ হেসেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কৃষক নেতা দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাফর মোহাম্মদ, চর বাংলা বিত্তহীন কৃষক সমবায় সমিতির সভাপতি মো. সিরাজ খান, সহসভাপতি হারুন হাওলাদার ও কোষাধ্যক্ষ মজিবুর রহমান।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ই-জিপিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সভাপতির বক্তব্যে আমজাদ হোসেন বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী খাস জমির প্রকৃত মালিক ভূমিহীনরা। চর বাংলায় ভূমিহীন ৩২০ পরিবার গত ৩০-৩৫ বছর ধরে বসবাস করে আসছে। কিন্তু ভূমি অফিস ভূমিহীনদের নামে বন্দোবস্ত না দিয়ে কিছু অসাধু ভূমিদস্যুদের বন্দোবস্ত দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। আমরা এ ঘটনার নিন্দা জানাই। অবিলম্বে ভূমিদস্যুদের অপতৎপরতা বন্ধ করে ভূমিহীনদের ভূমি বন্দোবস্ত দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।




পটুয়াখালীতে ই-জিপিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ‘বিপিপিএর কার্যাবলি ও ই-জিপিবিষয়ক সচেতনতা’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. নাছিমুর রহমান শরীফ। ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট প্রজেক্টের (ডিআইএমএপিপি) আওতায় বিপিপিএ এ কর্মশালা আয়োজন করে।

জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইদুল ইসলাম।




দুমকী উপজেলা ও পবিপ্রবি পঁচিশে পদার্পণে নানা আয়োজন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দুমকি উপজেলা ও দক্ষিণাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অর্থাৎ পঁচিশে পদার্পণ উপলক্ষ্যে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়েছে।

সোমবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহীন মাহমুদ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এসে এক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহীন মাহমুদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন দুমকি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাওসার আমিন হাওলাদার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড. মাঈনুল ইসলাম রুবেল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুন নাহার শিরীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আকন সেলিম, পটুয়াখালী জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এইচএম আনোয়ার হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাওলানা আলমগীর হোসেন, শ্রীরামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজাহার আলী মৃধা, পাঙ্গাশিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গাজী নজরুল ইসলাম, চরগরব্দী আবুল কাশেম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ‌ আলম প্রমূখ। এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন : খালের বাঁধ কাটলো প্রশাসন – চাষযোগ্য হলো ৭০০ একর জমি

অপরদিকে “স্মার্ট বাংলাদেশ ও স্মার্ট গ্রাজুয়েট তৈরি” স্লোগানকে ধারণ করে দক্ষিণাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।




খালের বাঁধ কাটলো প্রশাসন – চাষযোগ্য হলো ৭০০ একর জমি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নে সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে প্রভাবশালী একটি মহল। এতে কৃষি কাজ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে ওই ইউনিয়নের প্রায় তিন শতাধিক কৃষকপরিবার। মুষলধারা বৃষ্টিতে তিন গ্রামের ৭শ একর আবাদি কৃষিজমিতে ৩ ফুট পানি জমে রয়েছে। খালে বাঁধ দেওয়ার কারণে জমানো পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় কৃষিকাজ নিয়ে দুর্বিষহ অবস্থায় কৃষক পরিবারগুলো। স্থানীয়দের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনে প্রতিকার না পেয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে মানববন্ধন করেছে দুই শতাধিক কৃষক।

এ নিয়ে রোববার (৭ জুলাই) Chandradip News24 .com অনলাইনে ‘ পটুয়াখালী সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ, ৩ গ্রামের ৭শ একর জমি পানিবন্দি ’ শিরোনামে সংবাদ প্রচারিত হয়। সংবাদ প্রচারের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে সরকারি খালে প্রভাবশালীদের অবৈধ বাঁধগুলো গত রোব ও সোমবার কেটে অবমুক্ত করা হয়।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে রথযাত্রা থেকে মোবাইল চোর চক্রের ৪ সদস্য আটক

জানা গেছে, চরমোন্তাজ ইউনিয়নের উত্তর চরমোন্তাজসহ ৩টি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালটি মণ্ডল স্লুইচ খালের সাথে সংযুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে ওই খালে প্রভাবশালী একটি মহল ১০-১২ টি বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে। যার ফলে ওই গ্রামের প্রায় ৭শ একর আবাদি জমি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এ কারণে বন্ধ রয়েছে চাষাবাদ।

চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক নাজমুল হাসান জানান, উত্তর চরমোন্তাজ গ্রামের মধ্য যে খালটি রয়েছে সেখানে কয়টি অবৈধ বাঁধ ছিল। বাঁধের কারণে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় কৃষি জমি তলানো ছিল। ইউএনওর নির্দেশ ও গনমাধ্যমে সংবাদ দেখে স্থানীয় জনসাধারণকে নিয়ে খালের বাঁধ কেটে অবমুক্ত করা হয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন এই খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছে একটি প্রভাবশালী মহল। এবছরও একই চিত্র ছিল। কিন্তু ইউএনও এবং সাংবাদিকরা তাৎক্ষণিক উদ্যোগের ফলে ৭শ একর জমিতেই এখন চাষাবাদ করা যাবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, অবৈধ বাঁধ কেটে খাল অবমুক্ত করা হয়েছে। এখন পানি নিষ্কাশন চলছে।




বাউফলে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে ধর্ষণচেষ্টার শিকার শিক্ষার্থী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে এক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নাজিরপুর ইউনিয়নের দাখিল মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষার্থী চলতি বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। একটি বিষয়ে ফলাফল খারাপ করায় ওই শিক্ষার্থী আগামী বছর ফের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ওই মাদ্রাসার কম্পিউটার বিষয়ের শিক্ষক শহিদুল ইসলামের কাছে সে প্রাইভেট পড়া শুরু করে।

গত ৩০ জুন বিকালে প্রাইভেট পড়া শেষে ব্যাচের সব শিক্ষার্থীকে ছুটি দেওয়া হলেও বিশেষ পড়ার অজুহাতে নির্যাতিত শিক্ষার্থীকে টেবিলে বসতে বলেন শিক্ষক শহিদুল। কিছুক্ষণ পর ঘরের দরজা আটকে ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। ধস্তাধস্তির কারণে শিক্ষার্থীর শরীরে ক্ষত তৈরি হয়েছে। বিষয়টি কাউকে না বলার নির্দেশ দিয়ে শিক্ষার্থীকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন তিনি।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে রথযাত্রা থেকে মোবাইল চোর চক্রের ৪ সদস্য আটক

পরে নির্যাতিত শিক্ষার্থী তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানানোর পর গ্রামের কয়েকজন মোড়ল সালিশ-মীমাংসার প্রতিশ্রুতি দেন। সালিশে ১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হলেও শিক্ষার্থীর মা বলেন, আমি এ বিচার মানি না। পরে রোববার রাতে নির্যাতিত শিক্ষার্থীর মা থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক শহিদুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

বাউফল থানার ওসি শোনিত কুমার গায়েন বলেন, অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




পটুয়াখালীতে রথযাত্রা থেকে মোবাইল চোর চক্রের ৪ সদস্য আটক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান রথযাত্রা উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান মালার আয়োজন করা হয়েছিল। এই রথযাত্রা থেকে একটি পেশাদার মোবাইল চোর চক্রের চারজনকে আটক করেছে পটুয়াখালী থানা পুলিশ।

সোমবার (৮ জুলাই) আটকদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার (৭ জুলাই) বিকেলে রথযাত্রা চলাকালীন আদালতপাড়া এলাকা থেকে চোর চক্রের চারজনকে আটক করা হয়।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ৮২ মণ লইট্যা ও ইলিশ মাছ জব্দ

আটকরা হলেন– বাগেরহাট জেলার গোটাপাড়া উপজেলার আতাইকাঠী গ্রামের আব্দুল হাকিম মোল্লার ছেলে মো. মিলন মোল্লা, একই জেলার কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের সত্য রঞ্জন সাহার পুত্র সবুজ সাহা (২৭), একই উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের মো. হাবিবুর রহমান শেখের ছেলে মো. জসিম শেখ (২৮), অপরজন ঝালকাঠী পৌর এলাকার মনু সড়কের বাসিন্দা মৃত মজিদ তালুকদারের ছেলে মো. সানোয়ার হোসেন তালুকদার। আটক সবার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মোবাইল চুরির একাধিক মামলা রয়েছে।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসিম বলেন, আটক সবাই পেশাদার মোবাইল চোর। তাদের আটকের পর নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটকের সময় তাদের সঙ্গে থাকা আটটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করেছে পুলিশ।




পটুয়াখালীতে ৮২ মণ লইট্যা ও ইলিশ মাছ জব্দ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৮০ মণ লইট্যা ও ২ মণ ইলিশ মাছসহ দুটি পিকআপ ভ্যান জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৮ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে এসব মাছ জব্দ করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কৌশিক আহম্মেদ।

অভিযানের সময় ১১ জন মাছ ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার করে মোট ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে সন্ধ্যায় জব্দকৃত মাছ বিভিন্ন এতিমখানা ও অসহায় মানুষদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : ঝাড়ু মিছিল নিয়ে পল্লীবিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও – পালালেন কর্মকর্তারা

নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কৌশিক আহম্মেদ জানান, সাগরে মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। কিছু অসাদু জেলে সাগরে মাছ শিকার করে পাইকারি ব্যবসায়ীদের তা বিক্রি করছেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুটি পিকআপ ভ্যান থেকে ৮০ মণ লইট্যা ও ২ মণ ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে। অসাদু জেলেদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।




বরিশালে ১১ দফা দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল

বরিশাল অফিস :: দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা, শ্রমিক কর্মচারীসহ সকল শ্রমজীবী মানুষদের রেশনিং সুবিদা প্রদান করা ও শ্রমিকদের চাঁদা বা প্রিমিয়াম বিহীন পেনশন সুবিদা প্রদানসহ ১১ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে নগরীতে শ্রমিক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১ টায় নগরীর সদর রোডে শ্রমিক-কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে একর্মসূচি পালিত হয়। সমন্ময় পরিষদের সভাপতি এসএম জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন মোল্লার সঞ্চলনায় সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মানিক মৃধা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোসলেম সিকদার, শেখ আবুল হাসেম মাস্টার, নান্নু মিয়া, শায়লা শারমিন প্রমুখ। সমাবেশ শেষে ২৫টি সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের সমন্বয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।