আবারও চালো হলো চন্দ্রদ্বীপ নিউজ

বরিশাল অফিস :: চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪.কম-এর প্রিয় পাঠক ও গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী আপনাদের শুভেচ্ছা। আমরা গভীর অনুশোচনার সাথে জানাচ্ছি যে দেশে উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক সংবাদ চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪.কম মাধ্যম -এ গত ছয়দিন কোনো খবর পরিবেশন করা সম্ভব হয়নি।

এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আমরা আমাদের বিপুল সংখ্যক অনুসারীর কাছে কোন আপডেট দিতে পারিনি।

সরকার সীমিত পরিসরে ইন্টারনেট সেবা চালু করেছে। আমরা আবার ফিরেছি। আমাদের বার্তা বিভাগ আবারও সংক্রিয় হয়ে উঠেছে। খবর সংগ্রহের জন্য আমাদের সংবাদ কর্মীরা আবারও ছুটতে শুরু করেছে। পাঠাকের আস্থায় থাকতে আমরা সব সময় সচেষ্ট। আমাদের সাথেই থাকুন।




বরিশালে স্ত্রী ছুরিকাঘাতে স্বামী খুন

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলায় স্বামী শাহিন হাওলাদারকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছেন স্ত্রী। এ ঘটনায় স্ত্রী মারিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিহত শাহিন হাওলাদার (৪৫) উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের মৃত কাঞ্চন হাওলাদারের পুত্র ও শ্যামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। গ্রেপ্তারকৃত মারিয়া বেগম (৩৮) এক‌ই গ্রামের মৃত বাবুল হাওলাদারের মেয়ে ।

নিহত শাহিন হাওলাদারের ছোট ভাই সামিম হাওলাদার জানান, প্রায় সময়ই তার ভাইয়ের সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো ভাবি মারিয়ার। এর আগেও একবার ভাইকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছিলেন তখন ভাইয়ের হাতের আঙুল কেটে গিয়েছিল। এবারেও ঝগড়া করে রাতে ভাইকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলেছে।

জানা যায়, পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান খানের বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন শাহিন হাওলাদার, প্রতিদিনের মতো সোমবার (২২ জুলাই) নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন শাহিন হাওলাদার।

এ সময় রাত একটার দিকে মারিয়া ছুরি দিয়ে শাহিনের বুকের বাম পাশে আঘাত করে। শাহিন বাঁচার জন্য তার নিজ ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে ফোন দিয়ে মেঝ ভাইয়ের স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে জানান।

খবর পেয়ে তিনি স্বজনদের নিয়ে শাহিন হাওলাদারের ভাড়া বাসায় গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহিন হাওলাদারের স্বাস্থ্যের অবনতি দেখে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বরিশাল বাকেরগঞ্জ থানার ওসি মো. মোস্তফা জানান, শাহিন হাওলাদার নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে স্ত্রীর ছুরির আঘাতে। এ ঘটনায় নিহত শাহিনের বড় ভাই নিজামুল কাদির বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। স্ত্রী মারিয়া বেগমকে ঢাকার শাহবাগ থানা পুলিশের সহযোগিতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।




দেশের সম্পদ ধ্বংসকারীদের বিচার দেশবাসীকে করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বরিশাল অফিস :: দেশের সম্পদ যারা নষ্ট করেছে তাদের বিচার দেশের মানুষেরই করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশবাসীর কষ্ট লাঘবে সরকার যে উন্নয়ন করেছে সেগুলো ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকেই রুখে দাঁড়াতে হবে। এ তাণ্ডব যারা করেছে তাদের বিচার এদেশের মানুষকেই করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যে স্থাপনাগুলো মানুষের জীবনকে সহজ করে সেগুলো ধ্বংস করা আসলে কোন ধরনের মানসিকতা। ঢাকা শহর যানজটে নাকাল থাকলেও মেট্রোরেল স্বস্তি দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির এই পরিবহন এভাবে ধ্বংস করেছে তা মানতে পারছি না।

 




কলা চাষে অল্প পুঁজিতে অধিক লাভের স্বপ্ন পটুয়াখালীর কৃষকের

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় কলা চাষে অল্প পুঁজিতে অধিক লাভের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক আব্দুস সালাম চুন্নু মোল্লা (৭০)। পৌরসভার শান্তিবাগে নিজের পৈত্রিক ৯০ শতক অ-কৃষি জমিতে ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে ১ বছর সময় নিয়ে নিজের উদ্যোগ ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে ৭০০ কলা গাছের চারা রোপন করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিভিন্ন প্রজাতির কলার বাগান। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও অধিকাংশ গাছে ফল ধরেছে। এখন তার মুখে ফুটে উঠেছে সুখের হাসি। প্রতিনিয়ত আশপাশের গ্রাম থেকে বিভিন্ন মানুষ দেখতে আসেন এই বাগান। অনেকে আবার তার কাছ থেকে বাগান করার পরামর্শও নিচ্ছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে বাজারে কলা বিক্রি করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। বছরে কলা ও গাছের চারা বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা আয় করার স্বপ্ন এই কৃষকের।

সরেজমিনে দেখা যায়, গলাচিপা পৌরসভার শান্তিবাগে ওয়াবদা বেড়িবাঁধের বাহিরে আব্দুস সালাম চুন্নু মোল্লা গড়ে তুলেছেন সাগর, শবরী, চম্পা ও কাঁচাকলা প্রজাতির কলার বাগান। নিজের শ্রম ও লোকবল নিয়োগ করে একটি লাভজনক কলাবাগান গড়ে তুলেছেন তিনি। বাহির থেকে বিভিন্ন পশু কিংবা অন্য কেউ যাতে গাছের অনিষ্ট করতে না পারে সেজন্য বাগানটির চারদিক দিয়ে তারকাটা দিয়ে বেড়া দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত গাছে সার ও কীটনাশক প্রয়োগসহ গাছের পরিচর্যা করছেন তিনি। অধিকাংশ গাছেই ফল ধরেছে।

জানা যায়, গত বছর আষাঢ় মাসের শুরুর দিকে নিজের পৈত্রিক ৯০ শতক জমিতে সাত শত কলা গাছের চারা তিনি রোপন করেছেন। বাগানটি তৈরি করতে গত ১ বছরে ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করেছেন এই কৃষক। পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজারে কলা ও চারা কলা গাছ বিক্রি করে তিনি বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হতে চান। পরিবার ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভিটামিনের অভাব দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

ঝড়-বন্যার কবলে বাগানের সামান্য ক্ষতি হলেও সার্বক্ষণিক সার, কীটনাশক ও পরিচর্যার মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ঝড়-বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বিলম্ব হলেও বাগানের অধিকাংশ গাছে ফুল-ফল ধরতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকূলে থাকলে অচিরেই সম্ভাবনাময় স্বপ্ন পুরণ হবে বলে আশা করছেন তিনি। বর্তমানে তার বাগানে যে পরিমাণ কলা গাছের চারা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে একাধিক বাগান করা সম্ভব। তাই তিনি বাগান থেকে চারাগাছ বিক্রি করা শুরু করেছেন।

আব্দুস সালাম চুন্নু মোল্লা বলেন, ‘আমি প্রথমে শখের বশে কলার বাগান তৈরি করি। ঝড়-বন্যার মধ্যেও বাগানটি টিকে আছে। গাছে ফুল ও ফল ধরতে শুরু করেছে। অনেকে বাগান থেকে চারা গাছ কিনে নিচ্ছে। এখন আমি বাণিজ্যিকভাবে কলা ও চারা গাছ বিক্রি করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছি। আশা করছি বাগান থেকে বছরে পাঁচ লাখ টাকা আয় করা যাবে। এ ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে আমাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন।’

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শ্রাবন্তী মন্ডল বলেন, ‘আমি চুন্নু মোল্লার কলা বাগান একাধিকবার পরিদর্শন করেছি। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি এবং পাশাপাশি তাকে সবজির বাগান করারও পরামর্শ দিচ্ছি।’




কলাপাড়ায় ৮০ মণ সামুদ্রিক মাছ জব্দ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ইলিশ ও বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক ৮০ মণ মাছসহ একটি মিনি কাভার্টভ্যান ও একটি বাস জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার বেলা এগারোটায় শেখ কামাল সেতুর টোল প্লাজা থেকে এসব মাছ আটক করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কৌশিক আহমেদ।

এসময় মিনি কাভার্ট ভ্যানের চালক সাব্বির হোসেনকে ১০ হাজার ও বাসের চালক রুবেল হুসাইনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত মাছ টিয়াখালী বঙ্গবন্ধু কলোনির অসহায় মানুষের মাঝে বিতরন করা হয়।

পরে নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে আর সামুদ্রিক মাছ পরিবহন করবেনা মর্মে মুচলেখা দিলে চালকদের ছেড়ে দেয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কৌশিক আহম্মেদ জানান, ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিনের মাছধরার উপর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সমুদ্র থেকে মাছ শিকাররত অসাদু জেলেদের কাছ থেকে ক্রয় করে এসব মাছ ঢাকায় পাচার করতে চেয়েছিল ব্যবসায়ীরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব মাছ জব্দ করা হয়েছে।




পটুয়াখালীতে চিরকুটের পাশেই ঝুলছিল যুবকের মরদেহ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিজ ঘরের বিছানায় মৃত্যুর কারণ লেখা দুটি চিরকুটের পাশে ঝুলছিল মো. হাসিবুল ইসলাম (২০) নামের এক যুবকের মরদেহ।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে কলাপাড়া উপজেলার মহিপুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাসিবুল উপজেলার কুয়াকাটা এলাকার মেলাপাড়ার বাসিন্দা মো. হারিচ ঘরামীর ছেলে। গত দুই বছর আগে মহিপুর এলাকার বাসিন্দা লাল মিয়ার মেয়ে আখির সাথে তাঁদের বিবাহ হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিকভাবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বেশ কিছুদিন যাবৎ কলহ চলছিল। তাই তারা পার্শ্ববর্তী বিপিনপুর গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকতেন। মঙ্গলবার তারা স্বামী-স্ত্রী মেয়ের বাবার বাড়িতে যায়, রাতে হাসিবুল একা বাড়িতে আসে। বুধবার সকালে স্ত্রী আখি ওই ভাড়া বাসায় এসে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের নিয়ে দরজা ভেঙে ভীতরে ফ্যানের রটের সাথে ঝুলতে দেখে ডাকচিৎকার দেয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। চিরকুটে তার মৃত্যুর জন্য স্ত্রী দায়ী করেন, এবং শ্বশুর বাড়ির লোকজন অবহেলা করিত বলে চিরকুটে উল্লেখ করেন।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে লাশ নামানো হয়েছে। ঝুলন্ত লাশের পাশ থেকে দুটি চিরকুট পাওয়া গেছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।




পটুয়াখালী বাউফল মহাসড়কে বিক্ষোভ ও গায়েবি জানাজা আদায় – পবিপ্রবির

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনের অংশ হিসেবে পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল ও গায়েবি জানাজা পড়েছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল গেটের সামনে পটুয়াখালী বাউফল মহাসড়ক আবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় তারা বিভন্ন স্লোগান দিতে থাকে, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দিব না’, ‘অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’। পরে কোঠা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে মৃত্যু বরণকারী সকল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে গায়েবি জানাজা পড়ে কর্মসূচি শেষ করে।

এছাড়া সারাদেশে ছাত্র সমাজের ওপর মর্মান্তিক হামলার প্রতিবাদ ও কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে দুমকিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা সরকারি জনতা কলেজ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে লেবুখালী-বাউফল সড়ক দিয়ে নতুন বাজার হয়ে থানাব্রিজ বাজার ও পবিপ্রবি হয়ে পুনরায় জনতা কলেজের সামনে এসে মহাসড়ক অবরোধ করে। তারা বেলা ১১টা থেকে টানা আড়াইটা মিনিট পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে দুপুর আড়াইটার পর যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়।




কমনওয়েলথে স্বর্ণজয়ী শুটার আতিক আর নেই

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: কমনওয়েলথে স্বর্ণজয়ী শুটার আতিক আর নেই রাজধানীর এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আতিকুর রহমান।
গত ৫ জুলাই আকস্মিকভাবে চলে গেলেন কিংবদন্তী ক্রীড়াবিদ দাবার গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান। দুই সপ্তাহ পর ক্রীড়াঙ্গনে আরেকটি বড় ধাক্কা। কিংবদন্তী শুটার আতিকুর রহমানও চলে গেলেন। আজ সকালে রাজধানীর এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আতিকুর রহমান। (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)।

গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান খেলতে খেলতে বিদায় নিলেও শুটার আতিক প্রায় এক দশক মরণব্যাধী ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছিলেন। শুটিং রেঞ্জে লড়াই করা এই শুটার শেষ পর্যন্ত আজ জীবন যুদ্ধে হেরে গেলেন।

গত দুই দশক বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন পুরোটাই ক্রিকেট নির্ভর। আশি-নব্বইয়ের দশকে ছিল একেবারে ভিন্ন চিত্র। ফুটবল-হকির পেছনে ছিল ক্রিকেটের অবস্থান। ফুটবল ঘরোয়া পর্যায়ে জনপ্রিয় হলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তেমন অর্জন ছিল না। সেই সময় কমনওয়েলথ গেমসের মতো আসরে স্বর্ণ জিতেছিলেন আতিকুর রহমান। যা বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনেই সাড়া ফেলেছিল।

১৯৯০ সালে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড কমনওয়েলথ গেমসে আতিকুর রহমান ১০ মিটার পিস্তল ইভেন্টে আব্দুস সাত্তার নিনির সঙ্গে জুটি গড়ে স্বর্ণ জেতেন। ব্যক্তিগত ইভেন্টে জিতেছিলেন ব্রোঞ্জ। কমনওয়েলথের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ান গেমসেও স্বর্ণ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে আতিকের। শুটিং ছাড়ার পরও কিছুদিন শুটিংয়ের সঙ্গে ছিলেন।

শারীরিক অসুস্থতা গত কয়েক বছর একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। কন্ঠনালীর ক্যান্সারে তিনি আক্রান্ত ছিলেন। দেশ ও দেশের বাইরে চিকিৎসা করালেও শেষ পর্যন্ত আর লড়াই করতে পারলেন না। ১৯৬৫ সালে জন্ম নেয়া কৃতি এই শুটারের জীবন থামল মাত্র ৫৯ বছর বয়সেই। কিংবদন্তী শুটারের বিদায়ে শুটিং ফেডারেশনসহ আরও অনেক ক্রীড়া সংস্থা ও ব্যক্তিত্ব শোক প্রকাশ করেছে। আজ বিকেল তিনটায় শুটিং ফেডারেশনে আতিকের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক স্বাধীনতা পুরস্কার। খুব কম সংখ্যক ক্রীড়াবিদ এই পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন শুটার আতিক। স্বাধীনতা পদক ছাড়াও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার, বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি, বাংলাদেশ ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থা সহ আরো অনেক স্বীকৃতি/পুরস্কার পেয়েছেন ক্যারিয়ার জুড়ে।




গলাচিপায় নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল রাসেলস ভাইপার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া এলাকায় নদীতে জেলের জালে ধরা পরলো ভয়ংকরী সাপ রাসেল ভাইপার।

জানা যায়, ১৭ জুলাই বুধবার সকাল ৯টার দিকে হাতেম হাওলাদার নামে এক জেলে নদীতে মাছ ধরতে গেলে নদীতে দেখতে পায় রাসেল ভাইপার নামের সাপটি। প্রথমে কিছু বুঝে উঠতে পারেনি, হঠাৎ সাপটি তার দিকে আক্রমণের উদ্দেশ্যে ধেয়ে আসলে জীবন রক্ষায়, তার কাছে থাকা জাল দিয়ে ভয়ংকরী রাসেল ভাইপার সাপটি আটকিয়ে ফেলে। তার ডাক চিৎকারে স্থানীয় জনগণ আসলে পরে তিনি ও স্থানীয়রা মিলে তারা নিজেদেরকে রক্ষার জন্য সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে। তবে স্থানীয়রা জানান সাপটি কাউকেই ক্ষতি করতে পারনি।

এ বিষয়ে বন বিভাগের গলাচিপা উপজেলার রেঞ্জার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, চলমান বন্যাজনিত কারণে উজান থেকে ভেসে আসা রাসেল ভাইপার দেশের সর্বত্র এলালায় ছড়িয়ে পরার খবর আসছে। সে অনুযায়ী সকল জনসাধারণ, বিশেষ করে ইতি পূর্বেই আমাদের সোনালি প্রান্তিক কৃষকদের সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে, পাশাপাশি প্রকৃতি ভারসাম্য বজায় রাখতে বিলুপ্ত বন্য প্রাণিসম্পদ রক্ষা করাও সকল নাগরিকদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে। তাই সতর্কতার পাশাপাশি বিলুপ্তি প্রাণিসম্পদ রক্ষায় আমাদের সচেতন হতে হবে বলে, তিনি জানান।




পটুয়াখালীতে নারীদের কোটা রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: চলমান কোটা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল সারা বাংলাদেশ সেখানে পটুয়াখালীতে নারীদের কোটা রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন পটুয়াখালী সম্মিলিত নারী সমাজ।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল ১১ টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে তারা। পরে প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে লঞ্চ টার্মিনালে গিয়ে শেষ হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা ভিপি আব্দুল মান্নান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান খান জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী কানিজ সুলতানা হেলেন, জেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আবদুল আল হাদী সোহাগ ও মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃরা।

মানববন্ধনে নেতারা বলেন উন্নয়নের অভিযাত্রায় দেশ যখন স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছে, ঠিক তখন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে কোটা আন্দোলনের নামে একটু গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতীশীল, বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্যপূর্ন করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এ ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে নারী সমাজের এ প্রতিবাদ।