দুর্গাপূজায় ভারতে রফতানি হবে ১২০০ টন ইলিশ

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার ভারতে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ মাছ রফতানি করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এই বিশেষ বরাদ্দ কার্যকর হবে।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রফতানি-২ শাখার উপসচিব এস এইচ এম মাগফুরুল হাসান আব্বাসী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগ্রহী রফতানিকারকদের ১১ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে হার্ড কপিতে আবেদন দাখিল করতে হবে।

আবেদনের সঙ্গে অবশ্যই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত হালনাগাদ দলিলাদি জমা দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • ট্রেড লাইসেন্স

  • ইআরসি সার্টিফিকেট

  • আয়কর ও ভ্যাট সার্টিফিকেট

  • বিক্রয় চুক্তিপত্র

  • মৎস্য অধিদফতরের লাইসেন্স

সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী প্রতি কেজি ইলিশের ন্যূনতম রফতানি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২.৫ মার্কিন ডলার। আগের আহ্বান ছাড়াই যারা আবেদন করেছেন, তাদেরকেও পুনরায় আবেদন জমা দিতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের জাতীয় রফতানি নীতিতে ইলিশ মাছ শর্তসাপেক্ষে রফতানিযোগ্য পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ভারতে ইলিশ রফতানির প্রথম অনুমতি দেওয়া হয় ২০১৯ সালে। প্রথম চালান বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রতি কেজি ৬ ডলারে পাঠানো হয়, পরে তা ১০ ডলারে উন্নীত হয়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




শেবাচিম-কোডেক চক্ষু সেবায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী রোগীদের জন্য চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সহজলভ্য সেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অপথালমোলজি অ্যান্ড হসপিটালের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।

রোববার রাতে বরিশাল নগরের হোটেল গ্র্যান্ড পার্কে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সিবিএম গ্লোবাল ডিজএবিলিটি ইনক্লুশনের প্রতিনিধি এবং কোডেকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কোডেকের সমঝোতা স্মারকের উদ্দেশ্য তুলে ধরেন কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ সাপোর্ট ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মো. আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন, “দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী রোগীদের জন্য সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য ক্যাটারাক্ট সার্জারি, রিফ্র্যাকটিভ এরর সংশোধন, চশমা এবং সহায়ক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে। এছাড়া স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক ও কমিউনিটি ভলান্টিয়ারদের অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে এবং হাসপাতাল রেফারেল সিস্টেমকে শক্তিশালী করা হবে।”

তিনি আরও জানান, সার্ভে, মনিটরিং, অ্যাক্সেসিবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট এবং নীতিগত সংলাপের মাধ্যমে জাতীয় চক্ষুস্বাস্থ্য উন্নয়নে শেবাচিম ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অপথালমোলজি অ্যান্ড হসপিটালের সঙ্গে সহযোগিতা করা হবে। যৌথ সেবা, অ্যাডভোকেসি এবং জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষুস্বাস্থ্য সেবা মডেল তৈরি করা হবে এবং জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে বহু-পক্ষীয় সমন্বয় গড়ে তুলে দীর্ঘমেয়াদে সেবাটি সংহত করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অপথালমোলজি অ্যান্ড হসপিটালের পরিচালক প্রফেসর ডা. খায়ের আহমেদ চৌধুরী, শেবাচিম পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এস.এম. মশিউল মুনীর, বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল, বাংলাদেশ চক্ষু বিজ্ঞান সমিতির বৈজ্ঞানিক উপকমিটির সদস্য সচিব সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেন আলম মৃধা, সহকারী অধ্যাপক ডা. জুয়েল এলিয়াস রব, বরিশাল সিভিল সার্জন ডা. এস.এম. মঞ্জুর-ই-এলাহী, সিনিয়র জনস্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ জলিল, সিবিএম গ্লোবাল ডিজএবিলিটি ইনক্লুশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান, প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. ফিরোজ রহমান, কোডেকের উপ-নির্বাহী পরিচালক কামাল সেনগুপ্ত ও অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




গণছুটিতে হিজলার পল্লী বিদ্যুৎ: গ্রাহক সেবা বিপর্যস্ত

বরিশালের হিজলা উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সাব জোনাল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চার দফা দাবি আদায়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য গণছুটি পালন করায় গ্রাহকরা দুইদিন ধরে সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কর্মকর্তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে—অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হবে না, বরখাস্তকৃতদের পুনর্বহাল করা হবে, অফিসের অব্যবস্থাপনা দূর করতে হবে, বদলীর নামে হয়রানি বন্ধ করতে হবে এবং জরুরি ভিত্তিতে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

হিজলা সাব জোনাল অফিসের আওতাধীন এলাকাগুলো হলো কাউরিয়া, মেমানিয়া ও হিজলা সদর। এখানে মোট ৫৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন, যার মধ্যে ১৮ জন লাইনম্যান। বর্তমানে ১০ জন লাইনম্যান জিএম বরাবর ছুটির ফরম পূরণ করে গণছুটিতে আছেন। এছাড়া দুইজন প্রশিক্ষণে এবং দুইজন পূর্ববর্তী কর্মবিরতির কারণে ছুটিতে আছেন। বাকি চারজনের মধ্যে দুইজন অফিসে থাকলেও তারা কাজে অংশ নিচ্ছেন না।

সোমবার দুপুরে সংবাদদাতার উপস্থিতিতে দেখা গেছে, এজিএমসহ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিসে অলস সময় কাটাচ্ছেন। বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান ও নতুন সংযোগের কাজ ঝুলে থাকায় গ্রাহকরা চরম অসুবিধায় পড়েছেন।

স্থানীয় এক গ্রাহক জয়নাল আবেদীন বলেন, “গত রাত থেকে বিদ্যুৎ নেই। বয়স্ক ও শিশুদের জন্য গরমে থাকা অনেক কষ্টকর হয়ে গেছে। আমরা সাহায্যের জন্য এসেছি কিন্তু সেবা পাইনি।”

অফিসের একজন নাম প্রকাশ না করা কর্মচারী জানান, দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা চলছিল। তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত গণছুটি অব্যাহত রাখবেন।

হিজলা পল্লী বিদ্যুৎ সাব জোনাল অফিসের প্রকৌশলী ফাইজুল ইসলাম বলেন, “মূল চালিকাশক্তি লাইনম্যানরা অনুপস্থিত থাকায় আমরা গ্রাহকদের সেবা দিতে পারছি না। এতে কিছু গ্রাহক আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়েছেন।”

এজিএম শ্যামল মন্ডল জানান, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




৩৩ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা, সন্ধ্যা ৭টার আগেই বিসর্জনের নির্দেশ

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সারাদেশে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। এবছর সারাদেশে প্রায় ৩৩ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিমা বিসর্জন নিরাপত্তাজনিত কারণে সন্ধ্যা ৭টার আগেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত প্রস্তুতি সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান। জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এবারের পূজাকে কেন্দ্র করে কোনো উদ্বেগ নেই। তবে উৎসবমুখর পরিবেশে দুষ্কৃতিকারীরা যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি জানান, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবি এবং প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ-আনসার বাহিনী মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে নতুন একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা দ্রুত জানানো যাবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, পূজামণ্ডপের আশপাশে অবৈধ মেলা, মদের আসর বা গাঁজার আড্ডা বসতে দেওয়া হবে না। তবে পূজা কমিটির অনুমোদনক্রমে সীমিত পরিসরে কিছু দোকান থাকতে পারবে। আয়োজকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তালিকাভুক্ত মণ্ডপের বাইরে যেন অতিরিক্ত মণ্ডপ তৈরি না হয়। আগেভাগে তালিকা জমা দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করতে পারবে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এবছর দেশের ৩১ হাজার ৫৭৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। তবে পূর্ণাঙ্গ তালিকা না আসায় সংখ্যা বেড়ে আনুমানিক ৩৩ হাজার হতে পারে। এর মধ্যে ঢাকা রেঞ্জে ৭ হাজার ১৩৬টি, চট্টগ্রামে ৪ হাজার ২৮৮টি, রাজশাহীতে ৩ হাজার ৪৬০টি, সিলেটে ২ হাজার ৪৮০টি, খুলনায় ৪ হাজার ৫৩৪টি, রংপুরে ৫ হাজার ১৭৫টি, বরিশালে ১ হাজার ৬১৪টি এবং ময়মনসিংহে ১ হাজার ৫৯৯টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমরা সবার জন্য একই নির্দেশনা দিয়েছি—সন্ধ্যা ৭টার আগেই প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করতে হবে। আমরা চাই পূজা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপিত হোক এবং সবাই নিরাপদ থাকুক।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




নুরের সুস্থ হতে আরও ৪-৬ সপ্তাহ লাগতে পারে : ঢামেক পরিচালক

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নতুন তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, নুরের সম্পূর্ণ সুস্থ হতে অন্তত চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। তবে চাইলে কয়েকদিন পর থেকেই পরিবার তাকে বাসায় নিয়ে যেতে পারবে।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢামেক হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।

ঢামেক পরিচালক বলেন, নুরুল হক নুরকে গত ২৯ আগস্ট আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জরুরি বিভাগ থেকে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে শারীরিক উন্নতি হলে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসার জন্য ছয় সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।

তিনি জানান, নুরের নাকে হাড় ভাঙার কারণে মাঝেমধ্যে রক্তপাত হচ্ছে। এছাড়া ম্যাক্সিলায় একটি ফ্র্যাকচার রয়েছে, যা সম্পূর্ণ সেরে উঠতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ লাগবে। তবে নাক ও মুখের হাড় ভাঙলেও কোনো বড় ধরনের জটিলতা নেই।

চোখের আঘাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চোখের নিচে জমে থাকা রক্ত ইতোমধ্যে স্বাভাবিক হয়ে গেছে। মাথার আঘাতও ছিল সামান্য এবং সিটি স্ক্যানে দেখা যায় জমে থাকা রক্ত শোষিত হয়ে গেছে।

বর্তমানে নুর হালকা জ্বর ও ঠান্ডায় ভুগছেন বলে জানান পরিচালক। তিনি বলেন, মৌসুমি জ্বর কিংবা ডেঙ্গু হতে পারে। এজন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাথায় আঘাতের কারণে শর্ট মেমোরি লস হওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। এ ধরনের আঘাত থেকে এ সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

তিনি আরও বলেন, নুরকে বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে পরিবার চাইলে দেশের বাইরে নিতে পারবে। তবে চিকিৎসার বর্তমান অবস্থা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ফেসবুক আইডি ডিজেবল ছাত্রদলের আবিদ-হামিম-মায়েদের

চন্দ্রদ্বীপ ‍নিউজ..   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামীকাল মঙ্গলবার।

এর ঠিক আগের দিন ছাত্রদল মনোনীত ভিপি, জিএস ও এজিএসপ্রার্থীদের ফেসবুক আইডি ডিজেবল করে দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রথমে আবিদুল ইসলাম খানের আইডি ডিজেবল হয়। সোমবার (০৮ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত ভিপি পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খানের আইডি সকালে একবার ডিজেবল করে দেয়ার পর পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল। এখন আবারো ডিজেবল করে দেয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সজাগ থাকুন। আপনারা পাশে থাকলে, কোন ষড়যন্ত্রই আবিদদের থামাতে পারবে না।’

এরপর শেখ তানভীর বারী হামিমের আইডিও বিকল হয়। তাদের আইডি যাওয়ার বিষয়টা ফেসবুকে জানান তানভীর আল হাদী মায়েদ। এরপর তার আইডিও ডিজেবল হয়ে পড়ে।

এদের মধ্যে হামিম অবশ্য তার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেয়েছেন। তিনি তার ফেসবুকে লিখেছেন, বারংবার সাইবার এ্যাটাকের মাধ্যমে আইডি ডিজেবলড করা হচ্ছে।প্রিয় ঢাবি শিক্ষার্থীবৃন্দ- আপনাদের কাছে বিচার দিলাম। আপনারাই আমার শেষ আশ্রয়। ইনশাল্লাহ- দেখা হবে বিজয়ে!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন ২০২৫ আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের প্রচারণাকালে কোনো কোনো ক্ষেত্রে অতীতের কর্মকাণ্ড নিয়ে সাইবার বুলিং এবং ব্যক্তিগত চরিত্রহননের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিশেষত ছাত্রী প্রার্থীদের নিয়েও নানাভাবে সাইবার বুলিংয়ের ঘটনা ঘটছে। যা মানবাধিকার পরিপন্থি।’

সেখানে আরও যোগ করা হয়, ‘কারো বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ প্রমাণিত হলে রিটার্নিং কর্মকর্তাগণ কর্তৃক গঠিত ডাকসু আচরণবিধি সংক্রান্ত টাস্কফোর্স এবং সাইবার নিয়ন্ত্রণ সেলের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সাইবার বুলিং কিংবা অপপ্রচারের বিষয়ে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।’

 




ফ্যাসিস সরকারের সাবেক সচিব আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খান গ্রেফতার

চন্দ্রদ্বীপ ‍নিউজ প্রকৃতি কখনো মানুষকে নিরাশ করে না যার প্রমান ক্ষনে ক্ষনে পাপীরা বুঝতে পারছে ।   অপরাধের শাস্তি ভোগ করতেই হবে আজ অথবা কাল , তার ই  ধারাবাহিকতায় সাবেক সচিব আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খানকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আজই তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটনের বোরাক টাওয়ারের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় । ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় সাবেক সচিব আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

১৯৯৬-২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিবের দায়িত্ব পালন করেছিলেন আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খান।

 




আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস আজ

দারিদ্র্য নিরক্ষরমুক্ত হতে বড় বাধা

চন্দ্রদীপ নিউজ  সাত বছর বা তার বেশি বয়সী ২২ শতাংশ মানুষ এখনো নিরক্ষর

বছরের ব্যবধানে ৪ হাজার বেসরকারি প্রাইমারি বিদ্যালয় ও ২ লাখ শিক্ষার্থী বাড়লেও ঝরে পড়ার হার বেড়েছে ৩ শতাংশ ।

স্বাধীনতার পর থেকে দেশে সাক্ষরতার হার বেড়েছে। তবে শতভাগ সাক্ষরতা নিশ্চিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দারিদ্র্য। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশের দারিদ্র্যের হার যত কমেছে, সাক্ষরতার হার তত বেড়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার ছিল ৮০ শতাংশের বেশি আর সাক্ষরতার হার ছিল মাত্র ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। বর্তমানে দেশে দারিদ্র্যের সেই হার নেমে দাঁড়িয়েছে ২৮ শতাংশে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রতিবেদন ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪’ অনুযায়ী দেশের সাত বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। সেই হিসাবে ২২ দশমিক ১ শতাংশ জনগোষ্ঠী এখনো নিরক্ষর। ২০১০ সালে দেশে সাক্ষরতার হার ছিল ৫৯ দশমিক ৮২ শতাংশ। দেড় দশকে সাক্ষরতার হার বেড়েছে ১৮ দশমিক ০৮ শতাংশ। এদিকে এক বছরের ব্যবধানে ৪ হাজার বেসরকারি প্রাইমারি বিদ্যালয় ও ২ লাখ শিক্ষার্থী বাড়লেও ঝরে পড়ার হার বেড়েছে ৩ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাক্ষরতার হার নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি তথ্যে বড় ধরনের ফারাক রয়েছে। সাক্ষরতার আন্তর্জাতিক সংজ্ঞার সঙ্গেও আমাদের কার্যক্রমের মিল নেই। এ কারণে দেশকে নিরক্ষরমুক্ত করার পরিকল্পনা দিনদিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায়ই বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো দেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ পালিত হবে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৫’। ইউনেসকো নির্ধারিত এবারের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘প্রযুক্তির যুগে সাক্ষরতার প্রসার’।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বাণীতে তিনি বলেন, সাক্ষরতা একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। প্রযুক্তিনির্ভর এই আধুনিক পৃথিবীতে সাক্ষরতার ধারণা আজ শুধু পড়ালেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল জ্ঞান, তথ্য ব্যবহারের দক্ষতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় অংশগ্রহণের সক্ষমতা। এখন তথ্য খুঁজে বের করা, বিশ্লেষণ করা, অনলাইনে শেখা ও দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান খোঁজা—এ সবই কার্যকর সাক্ষরতার অংশ। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে যারা পিছিয়ে পড়ছে, তারা কেবল শিক্ষাবঞ্চিতই নয়, বরং সমাজ ও অর্থনীতির মূল স্রোত থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘প্রযুক্তির যুগে সাক্ষরতার প্রসার’ সময়োপযোগী ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকার জন্য কর্মমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।

উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের জন্য তাদের সাক্ষরজ্ঞান ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করা অত্যন্ত জরুরি।

১৮টি জেলায় এখনো ২৫ শতাংশের বেশি মানুষ লিখতে বা পড়তে পারে না: এক জরিপে দেখা গেছে, দেশের ১৮টি জেলায় এখনো ২৫ শতাংশের বেশি মানুষ লিখতে বা পড়তে পারে না। এ ২৫ শতাংশের সিংহভাগের নিরক্ষতার পেছনে দায়ী দারিদ্র্য। পাশাপাশি রয়েছে অবকাঠামো ও জনবল ঘাটতি, মাঠপর্যায়ের দুর্বলতা ও সমন্বয়হীনতা। শে নিরক্ষরতার হারের দিক থেকে শীর্ষে পার্বত্য জেলা বান্দরবান। আবার দারিদ্র্যের হারের দিক থেকেও শীর্ষে থাকা জেলাগুলোর অন্যতম বান্দরবান। বান্দরবানের পর নিরক্ষরতার হারে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে—ময়মনসিংহ বিভাগের দারিদ্র্যপ্রবণ জেলা জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা এবং উত্তরাঞ্চলের দারিদ্র্যপ্রবণ জেলা কুড়িগ্রাম। দারিদ্র্যের কারণে দেখা যায়, অভিভাবকরা সন্তানদের স্কুলে না পাঠিয়ে কর্মে নিয়োজন করেন। এতে একদিকে অসচ্ছল পরিবারগুলোকে শিক্ষায় ব্যয় করতে হয় না, অন্যদিকে উপার্জন আসে। দারিদ্র্যপ্রবণ এলাকাগুলোয় সাক্ষরতার হার বাড়াতে সরকারি উপবৃত্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষার্থীদের যে পরিমাণ উপবৃত্তি দেওয়া হয়, দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিরাজমান মূল্যস্ফীতি ও শিক্ষার্থীদের পরিবারগুলোর আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় তা যৎসামান্য। উপবৃত্তির অর্থের পরিমাণ বাড়ানো উচিত

দেশে প্রতি চার জনের একজন এখন গরিব: দেশে বিগত তিন বছরে দারিদ্র্য বেড়েছে। প্রতি চার জনের এক জন এখন গরিব। আরও অনেক মানুষ এমন আর্থিক অবস্থায় রয়েছেন যে, অসুস্থতা বা অন্য কোনো সংকটে তারা গরিব হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। ২০২০ সালে করোনা মহামারির আগে তিন দশক ধরে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার কমছিল। এখন দেখা যাচ্ছে, সেটা বাড়ছে। এটা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অগ্রযাত্রা পিছিয়ে যাওয়ার লক্ষণ।

 




জ্বালানি খাতে আশার আলো হয়ে এল রশিদপুরে গ্যাস কুপ। ১০ বছরে ২৫ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্রের ৩ নম্বর কূপের সংস্কার (ওয়ার্কওভার) কার্যক্রম চালানোর পর নতুন গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার কূপটিতে প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রবাহ ধরা পড়ে বলে জানিয়েছে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল)।

আজ রোববার গ্যাসের সন্ধান পাওয়ার বিষয়টি জানিয়ে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে এসজিএফএল। তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে এসজিএফএলের কর্মকর্তারা মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্রের ৩ নম্বর কূপ থেকে ১০ বছরে ২৫ দশমিক ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কূপ থেকে গ্যাসের সঙ্গে উপজাত হিসেবে কনডেনসেট পাওয়া যাবে। বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার এলএনজির দাম ৬৫ টাকা বিবেচনা করলে ওই কূপ থেকে আনুমানিক ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকার গ্যাস পাওয়া যাবে।




ব্যাংকিং জটিলতায় ৪০০ পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত আবারও সংকটে পড়েছে। ব্যাংকিং জটিলতার কারণে প্রায় ৪০০টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। রপ্তানিমুখী এ শিল্পে স্থবিরতার ফলে লাখো শ্রমিকের কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তবে সরকার নীতি সহায়তা দিলে এ কারখানাগুলো পুনরায় চালু হয়ে অতিরিক্ত এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে সদস্যদের সঙ্গে ব্যাংকিং সমস্যা নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় ৭০টিরও বেশি সদস্য প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এ সময় সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক ফয়সাল সামাদ, এক্সিট পলিসি সংক্রান্ত স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহীম এবং ওয়ান স্টপ সেল কমিটির চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

সভায় খেলাপি ঋণ নীতিমালা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সদস্যরা প্রস্তাব দেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান সার্কুলার অনুযায়ী খেলাপি ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ৩ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করতে হবে। কারণ স্বল্প সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করা অধিকাংশ উদ্যোক্তার পক্ষে সম্ভব নয়। একইসঙ্গে ডাউন পেমেন্ট কমানোরও দাবি তোলেন তারা।

বিজিএমইএর সদস্যরা অভিযোগ করেন, অনেক প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূতভাবে ফোর্সড লোনের শিকার হয়ে চেক ডিজঅনার ও অর্থঋণ মামলায় জড়িয়ে পড়ছে। এতে করে তাদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং উৎপাদন ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এ অবস্থার দ্রুত সমাধানে বিজিএমইএকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় উদ্যোক্তারা সহনশীল এক্সিট নীতি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তাদের দাবি, এমন নীতি উদ্যোক্তাদের সম্মানের সঙ্গে ব্যবসা থেকে সরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্বাসন সহজ হবে।

অংশগ্রহণকারীরা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা যেন শুধু বড় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের জন্য সীমাবদ্ধ না থাকে। ছোট ও মাঝারি কারখানাগুলোকেও একই সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ৭৭টি পোশাক কারখানার সমস্যারও দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।

সভায় বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, সদস্যদের উত্থাপিত প্রতিটি বিষয় গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে এবং দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। তিনি আরও আহ্বান জানান, যেসব কারখানা ব্যাংকিং জটিলতায় ভুগছে, তারা যেন লিখিত আকারে তাদের সমস্যার বিবরণ বিজিএমইএকে জানায়।

বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত হিসেবে তৈরি পোশাক শিল্প দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তবে ব্যাংকিং সংকট দীর্ঘায়িত হলে শুধু শ্রমিকদের কর্মসংস্থানই নয়, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ক্ষেত্রেও বড় ধাক্কা লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫