সুপার ফোরে দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশে

দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটে-বলে অসাধারণ পারফরম্যান্সে টাইগাররা দেখিয়েছে এক নতুন আত্মবিশ্বাসের ছবি।

ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ফিল্ডিং নেয় বাংলাদেশ। লঙ্কান ওপেনার নিসাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিসের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র পাঁচ ওভারে স্কোরবোর্ডে জমে ৪৪ রান। তবে ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে মুস্তাফিজুর রহমান ও শেখ মেহেদীর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বিপাকে পড়ে শ্রীলঙ্কা। মুস্তাফিজ ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে তুলে নেন ৩টি উইকেট, মেহেদী নেন ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। তবুও দাসুন শানাকার ৩৭ বলে ৬৪ রানের দাপুটে ইনিংসে লঙ্কানরা নির্ধারিত ২০ ওভারে সংগ্রহ করে ১৬৮ রান।

১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ প্রথম ওভারেই চাপে পড়ে। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম শূন্য রানে বিদায় নেন। তবে সাইফ হাসান ও লিটন দাস মিলে গড়েন ৫০ রানের জুটি। লিটন ২৩ রানে আউট হলেও সাইফ থেমে থাকেননি। তিনি ৪৫ বলে ঝড়ো ৬১ রান তুলে দলকে এগিয়ে নেন। এরপর তাওহীদ হৃদয় নামেন মাঠে এবং নিজের সমালোচকদের জবাব দিতে খেলেন ৩৭ বলে ৫৮ রানের অসাধারণ ইনিংস।

শেষ ওভারে ম্যাচ যখন বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে, তখন নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়। ৬ বলে ৫ রান প্রয়োজন ছিল, হাতে ৪ উইকেট। কিন্তু শানাকার ওভারে পরপর দুই উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগাররা। তবুও নাসুম আহমেদ ঠাণ্ডা মাথায় শর্ট থার্ডম্যানের দিকে বল ঠেলে ১ বল হাতে রেখেই নিশ্চিত করেন বাংলাদেশের জয়।

এই জয় বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে পাওয়া জয়। এর আগে ২০১৮ সালে নিদাহাস ট্রফিতে ২১৫ রান তাড়া করে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষও ছিল শ্রীলঙ্কা।

ম্যাচে সাইফ ও হৃদয়ের ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি মুস্তাফিজের বোলিং ছিল নজরকাড়া। যদিও ফিল্ডিংয়ে কয়েকটি ক্যাচ ফসকে যায়, তারপরও দলগতভাবে পারফরম্যান্স ছিল প্রশংসনীয়। শেষ পর্যন্ত দৃঢ়তায় জয় তুলে নিয়ে পূর্ণ ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে টাইগাররা সুপার ফোরের শুরুটা করেছে দুর্দান্তভাবে। সামনে অপেক্ষা করছে আরও বড় লড়াই—ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা: ২০ ওভারে ১৬৮/৭ (শানাকা ৬৪*, মেন্ডিস ৩৪, নিশাঙ্কা ২২; মুস্তাফিজ ৩/২০, মেহেদী ২/২৫)
বাংলাদেশ: ১৯.৫ ওভারে ১৬৯/৬ (সাইফ ৬১, হৃদয় ৫৮, লিটন ২৩; শানাকা ২/২১, হাসারাঙ্গা ২/২২)
ফলাফল: বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: সাইফ হাসান।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




তিন মন্ত্রণালয়ে এক বছরে ৪৫ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়

দেশের উন্নয়নে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হিসেবে দুর্নীতি, অপচয় ও প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কথা উল্লেখ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, “দুর্নীতি ও অপচয় রোধের মাধ্যমে শুধু জ্বালানি আমদানি খাতেই বছরে প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হয়েছে। আর সড়ক পরিবহন, রেল ও জ্বালানি—এই তিন মন্ত্রণালয়ে এক বছরের ব্যবধানেই প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।”

শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় চট্টগ্রাম থেকে নারায়ণগঞ্জে সরাসরি জ্বালানি তেল পরিবহনের পাইপলাইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রায় দেড় মাস পরীক্ষামূলকভাবে এই পাইপলাইন ব্যবহার করে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল ও ফতুল্লা ডিপোতে ৫ কোটি লিটার ডিজেল সরবরাহ সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পাইপলাইনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় সরাসরি জ্বালানি তেল পরিবহন শুরু হলো।

উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, “আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ সীমিত, তাই মানবসম্পদ ও প্রযুক্তি নির্ভর উন্নয়নই প্রধান ভরসা। কিন্তু দুর্নীতি ও অপচয়ের কারণে প্রকল্প ব্যয় বাড়ছে এবং সময়ক্ষেপণের ফলে উন্নয়নে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। সঠিকভাবে সম্পদ ব্যবহার করলে হাজার হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব।”

২০১৬ সালে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) প্রকল্পটি হাতে নিলেও ২০২০ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে শেষ হয় চলতি বছরের মার্চে। তিন দফা মেয়াদ বাড়ানোয় ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৮৩৮ কোটি টাকা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা গুপ্তখাল থেকে শুরু হওয়া এই পাইপলাইন ফেনী, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মুন্সিগঞ্জ হয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গিয়ে শেষ হয়েছে। পথে ২২টি নদীর তলদেশ অতিক্রম করেছে পাইপলাইনটি। এছাড়া রয়েছে ৯টি মিড-স্টেশন, ৪টি পাম্প হাউস এবং ২১ হাজার টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি ডিপো।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহে এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামগ্রিক পরিকল্পনা অপরিহার্য। তাদের মতে, আগে যেখানে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় জ্বালানি পৌঁছাতে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগত, সেখানে পাইপলাইনের মাধ্যমে এখন তা মাত্র ১২ ঘণ্টায় সম্পন্ন হবে। এতে শুধু সময়ই বাঁচবে না, খরচ সাশ্রয়ও হবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা আশা প্রকাশ করেন, দেশের শিল্প, বাণিজ্য ও পরিবহন খাতে এই প্রকল্প নতুন গতি যোগ করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ভোলার ১৯ জেলে সাগরে নিখোঁজ, পরিবারের উদ্বেগ বৃদ্ধি

ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের ১৯ জন জেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তাদের পরিবারগুলো চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের পক্ষ থেকে ভোলা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, জেলেরা ভারতের সংরক্ষিত সুন্দরবন এলাকার সীমান্ত অতিক্রম করলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের আটক করেছে। পরে ভারতের কারাগারে পাঠানো হয়।

জেলেদের স্বজনরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পর সাগরে ঝাঁকের ইলিশ ধরা পড়ার সংবাদ পেয়ে ৫ সেপ্টেম্বর বিকালে ১৯ জন জেলে মাছ ধরতে যান। তাদের সঙ্গে পরিবারের শেষ যোগাযোগ হয় ১২ সেপ্টেম্বর। এরপর থেকে তারা আর ফিরে আসেননি।

ভারতে আটককৃত জেলেদের নামগুলো হলো: মোঃ সফিজল বেপারী, মোঃ শাহে আলম, ছিডু মুন্সি, রাজিব চন্দ্র দাশ, মোঃ আক্তার হোসেন, মোঃ মিন্টু হাওলাদার, মোঃ ফরিদ, মোঃ আলমগীর, মোঃ ফরিদ, মোঃ ইউনুছ, মোঃ বাবুল সরদার, মোঃ নিরব হোসেন, মোঃ ইসমাইল, মোঃ শাহে আলম হাওলাদার, গৌতম চন্দ্র দাস, মোঃ জাকির, মোঃ ছগির সিকদার, মোঃ টুটুল এবং মোঃ শহিদুল ইসলাম। সকলেই দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

জেলা ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী সমিতির সম্পাদক শেখ আল মামুন জানিয়েছেন, নিখোঁজ জেলেদের সকল তথ্য সংগ্রহ করে প্রশাসনকে প্রদান করা হবে, যাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের উদ্ধারের ব্যবস্থা নিতে পারে। ভোলা জেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অধিদপ্তর থেকে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

পরিবারগুলো সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তায় তাদের প্রিয়জনদের দ্রুত ফিরে পেতে চায়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ভোলার মাঝেরচরে মেঘনার তীব্র ভাঙন: ঘর-বাড়ি ও বিদ্যালয় নদীতে বিলীন

ভোলা জেলার মাঝেরচর গ্রামে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন ইতোমধ্যেই চরম আকার ধারণ করেছে। গ্রামের ঘরবাড়ি, স্কুল, মসজিদ ও কমিউনিটি ক্লিনিক নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

ষাটোর্ধ্ব শামসুন নাহার ও জাহানারা বেগম, দীর্ঘ ৩০ বছরের প্রতিবেশী, এখন নদীতীরের টং ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন। তারা জানেন না, আগামী দিনে কোথায় যাবে।

মাঝেরচর গ্রামের এক সময়ের শস্যভাণ্ডারখ্যাত এই এলাকা এখন ভয়াবহভাবে ক্ষতবিক্ষত। সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন কাচিয়া ইউনিয়নের রামদেবপুর, মধুপুর ও টবগী গ্রামে আট মাস আগে পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার মানুষ বাস করত। বর্তমানে ছয়টি সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের মধ্যে পাঁচটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। অবশিষ্ট রামদেবপুর-৪ প্রকল্পও হুমকির মুখে।

নদীতে বিলীন হয়েছে একটি মাটির কিল্লা, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি মাদরাসা, তিনটি মসজিদ, একটি কমিউনিটি ক্লিনিক, শত শত বসতভিটা, বাজার, রাস্তাঘাট এবং কয়েক কিলোমিটার এলাকার ফসলি জমি।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, নদী ভাঙনে স্কুল ভবন হারিয়ে ১৭৯ নং উত্তর-পশ্চিম কাচিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস চলছে একটি পরিত্যক্ত সাইক্লোন শেল্টারে। কমিউনিটি ক্লিনিকও চলছে বসতবাড়ির ভেতরে গড়ে ওঠা মাটির কিল্লায়।

মাঝেরচরের প্রায় সাড়ে ৭ হাজার ভোটার ছিলেন। সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলোতে ছিল ১১০-১৩০টি করে ঘর। বারইপুরা-১, রামদেবপুর-২, রামদেবপুর-৩, রামদেবপুর-৫ এবং নতুন রামদেবপুর-৩ প্রকল্পগুলো নদীতে বিলীন। স্থানীয়দের অভিযোগ, চর রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই।

জেলে মো. কালু ও মেহের নিগার দম্পতি বলেন, “এক রাইতের মইধ্যে নদী ঘরবাড়ি সব ভাইঙ্গা লইয়া গেছে। নদী আমাদের সব লইয়া গেছে।” অন্য বাসিন্দা জাহানারা বেগমও বলেন, “এখন খোলা আকাশের নিচে আছি। টাকা-পয়সা নাই, ঘরদুয়ার করতে পারি না।”

বারইপুর গ্রামের সরকারি মাটির কিল্লার আশপাশে অর্ধশতাধিক পরিবার টিনের টং ঘরে বসবাস করছে। কৃষকরা জানাচ্ছেন, এক সময় মধ্যেরচরের জমিতে বিদেশি সবজিসহ নানা ফসলের bumper ফলন হতো। এখন নদীতে সব ফসলি জমি হারিয়ে গেছে।

রামদেবপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি মো. মাকসুদুর রহমান জিলাদার বলেন, “নদী ভাঙনে ক্লিনিকটি বিলীন হয়ে গেছে। এখন মাটির কিল্লার ভেতরে বসে স্বাস্থ্যসেবা চালাচ্ছি।”

চরবাসীর একমাত্র দাবি, অবশিষ্ট অংশ রক্ষায় দ্রুত জিওব্যাগ বা সিসি ব্লক বসানো হোক এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেওয়া হোক।

ভোলা পানি উন্নয়ন বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন আরিফ জানান, “বর্ষা মৌসুমে নদীর প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাঝেরচর পরিদর্শন করেছি এবং প্রকল্প গ্রহণের জন্য অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ করছি। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীভাঙন প্রতিরোধ করা হবে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




শ্রীলঙ্কা দিলো বাংলাদেশকে ১৬৯ রানের চ্যালেঞ্জ

এশিয়া কাপের সুপার ফোর পর্বের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে বাংলাদেশকে ১৬৯ রানের বড় চ্যালেঞ্জ দিয়েছে। নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান করেছে।

টস জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাস। দলের একাদশে পরিবর্তন আনা হয়; শেখ মেহেদী হাসান ও শরিফুল ইসলাম দলে ফেরানো হয়, বাদ পড়েন নুরুল হাসান সোহান ও রিশাদ হোসেন।

শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস দলের শুরুটা দারুণ করে দেন। নিসাঙ্কা ১৫ বলে ২২ রান করেন (৩ চার, ১ ছক্কা), আর কুশল মেন্ডিস ২৫ বলে ৩৪ রান যোগ করেন (১ চার, ৩ ছক্কা)। শেখ মেহেদীর বলে মেন্ডিস ৫৮ রানে আউট হন। এরপর নিয়মিত উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে লঙ্কানরা। কামিল মিশারা ১১ বলে ৫ ও কুশল পেরেরা ১৬ বলে ১৬ রান করে বিদায় নেন।

শেষ পর্যন্ত দাসুন শানাকা ইনিংস টেনে নেন। মাত্র ৩৭ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন, ইনিংসে রয়েছে ৩ চার ও ৬ ছক্কা। শেষ বলে তাসকিন আহমেদকে ছক্কা মেরে ইনিংসের ইতি টানেন তিনি।

শ্রীলঙ্কার ইনিংস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পাওয়ার প্লেতে ৫৩ রান, পরের ৬ ওভারে ৩০ রান এবং শেষ ৫ ওভারে ৫৩ রান।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান, ৪ ওভারে ২০ রান খরচে ৩ উইকেট নিয়েছেন। মেহেদী হাসান ২ উইকেট নেন ২৫ রানে। তবে শরিফুল ইসলাম সবচেয়ে ব্যয়বহুল ছিলেন, ৪ ওভারে ৪৯ রান দিয়েছেন। শেষদিকে কিছু ক্যাচ মিস ও ফিল্ডিং ভুলে টাইগারদের আফসোস বাড়ে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় শক্ত অবস্থানে বিএনপি: ইঞ্জিনিয়ার সোবহান

বিএনপি জনগণের দল হিসেবে নানা ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও সব সময় শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বরিশাল-১ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান।

শনিবার বিকেলে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের দক্ষিণ বাউরগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত কর্মী সভায় তিনি বলেন, দেশে ও দেশের বাইরে বিএনপির বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এজন্য নেতাকর্মীদের সর্বদা সতর্ক থাকা জরুরি। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। নেতাকর্মীরা জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরও জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখার বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। অতীতের শিক্ষা গ্রহণ করে জনগণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।

ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান বলেন, বিএনপি জেতার পর ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামো সংস্কার করা হবে এবং ১৭ বছর ধরে নির্যাতিতদের সঠিক মূল্যায়ন ও সবধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতের সময়ে বিভিন্ন হামলা ও মামলা সত্ত্বেও বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা প্রতিটি আন্দোলন এবং সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। জনগণ যদি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে না থাকে, সেই দলের কোনো সার্থকতা নেই। জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে এবং সেই আস্থা ধরে রাখতে হবে।

সভায় বক্তব্য রাখেন বার্থী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. হারুন মোল্লা, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল আউয়াল লোকমান, সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার সাদাত তোতা, গৌরনদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহে আলম ফকির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আবদুল মালেক আকন, আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মাহাবুবুল ইসলাম, গৌরনদী উপজেলা যুবদলের সভাপতি মনির হাওলাদার, আগৈলঝাড়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি শোভন রহমান মনির, গৌরনদী পৌর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামাল হাওলাদার, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক মাসুম বিল্লাহ মিলন এবং জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম হীরা প্রমুখ।

এর আগে ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান নেতাকর্মীদের সঙ্গে টরকী বাসষ্টান্ড ও বন্দরের ব্যবসায়ীদের মাঝে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২5




বিএনপি অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে কাজ করছে: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন বলেছেন, যদি বিএনপি জনগণের ভোটে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পায়, তাহলে আগামী ১৮ মাসের মধ্যে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে। তিনি আরও জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪৭০ বিলিয়ন ডলার থেকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (বিআরইউ) অনুষ্ঠিত মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে তিনি এ বিষয়টি জানান।

ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন বলেন, “আমরা চাই অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণ। এজন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন, সুনীল অর্থনীতি সহ সাতটি অগ্রাধিকার খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। সরকারি, বেসরকারি এবং আত্মকর্মসংস্থান—সব ক্ষেত্রেই কীভাবে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়, তার পরিকল্পনা প্রণয়ন চলছে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আমাদের অর্থনীতি জিডিপি বৃদ্ধির মাধ্যমে কিছুটা শক্তিশালী হলেও এর সুফল সবাই সমানভাবে পাচ্ছেন না। আমরা চাই হিন্দু, মুসলিম, পাহাড়ি কিংবা দরিদ্র—সকল নাগরিক যেন সমানভাবে উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারেন।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আনিসুর রহমান খান স্বপন। স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ। এছাড়া বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিরুল ইসলাম খসরু, সাবেক সভাপতি মেরুন্নেসা বেগম এবং ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আক্কাস হোসেন উপস্থিত ছিলেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




পিআর সিস্টেমে নির্বাচন নিরাপদ ও আদর্শপূর্ণ হবে: মুফতী ফয়জুল

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, পিআর (Proportional Representation) সিস্টেমে নির্বাচন হলে কোনো ফ্যাসিস্ট তৈরি হবে না, ভোট ছিনতাই হবে না, কালো টাকা ব্যবহার হবে না এবং কোনো ধরণের লুটপাট, ডাকাতি বা ব্যক্তিস্বার্থচর্চা ক্ষমতায় যেতে পারবে না। তিনি বলেন, “পিআর সিস্টেমে নির্বাচন হবে নিরাপদ, আদর্শের নির্বাচন। এমন সংসদ গঠিত হবে যেখানে আলোচনার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধান হবে।”

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জয়পুরহাট জেলা শহরের শহীদ ডা. আবুল কাসেম ময়দানে ইসলামী আন্দোলনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে জেলার বিভিন্ন নেতা ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফয়জুল করীম আরও বলেন, বর্তমান রাজনীতিতে একে অপরের প্রতি সহিংসতা ও হত্যার ঘটনা ঘটছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি আবরার ও ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, “ছাত্রদল, যুবলীগ ও অন্যান্য দলের মধ্যে যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত তারা মূলত স্বাভাবিক মানুষ ছিল না, কিন্তু দল তাদের এই অবস্থায় পৌঁছে দিয়েছে।”

তিনি উল্লেখ করেন, ৫৩ বছর ধরে শাসকরা জাতিকে মুক্তি দিতে পারেননি। ইসলামী আন্দোলন দেশ পরিচালনায় আদর্শ ও নৈতিকতা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে। ফয়জুল করীম বলেন, “আমরা রসূলের আদর্শ, মদিনার চেতনা, কোরআন ও হাদিস অনুসরণ করি। ক্ষমতা নয়, আদর্শ বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য।”

সমাবেশে তিনি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, যারা নৌকা, ধানের শীষ বা লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে, তারা বাস্তবে সেই কাজ করতে সক্ষম নয়। “নৌকা চালায় গরিব, ধান কাটে গরিব, লাঙ্গল বইতে পারে গরিব। তাই যারা হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে, তারা সাধারণ মানুষের শান্তি ও কল্যাণ নিশ্চিত করবে।”

জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মাদ নাজমুল হাসান মাহমুদের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন আল্লামা আব্দুল হক আজাদ, জেলা জামায়াতে ইসলামী কমিটির আমীর ডা. ফজলুর রহমান সাঈদ, জেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম মাসুদ এবং জেলা নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর যুগ্ম সমন্বয়কারী ওমর আলী বাবু।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে নতুন দাম ঘোষণা করেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এবার ১ হাজার ১৫৫ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দাম রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে, স্বর্ণের দাম টানা ৮ দফা বৃদ্ধি পেয়ে কমানো হয়েছিল। ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে বাজুস ঘোষণা করে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৭০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৮ হাজার ১৫২ টাকা করা হয়েছে। সেই সময়ও স্থানীয় বাজারের দাম কমার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। নতুন দাম বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছিল।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারের সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাজারের অবস্থার কারণে দাম ওঠানামা করছে। সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এই পরিবর্তন সরাসরি প্রভাব ফেলবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বিএনপির নামে ব্যক্তিস্বার্থে কেউ যেন সুযোগ না নেয়: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দলের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কিশোরগঞ্জ শহরের পুরোনো স্টেডিয়ামে জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।

তারেক রহমান বলেন, “শহীদ জিয়া ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার প্রতিটি সৈনিককে অত্যন্ত সচেতন থাকতে হবে। কেউ যেন বিএনপির নাম ব্যবহার করে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে। এই দলের নাম বা আমাদের নাম ব্যবহার করে কেউ যেন ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে না পারে। এ বিষয়ে প্রত্যেককে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের প্রতিটি ধানের শীষের কর্মী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আজও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমাদের সামনে একটি লক্ষ্য—যেকোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকা। এর বিকল্প নেই।”

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “স্বৈরাচার পতন ঘটালেও মাঝে মাঝে অদৃশ্য অপশক্তি মাথা তোলে। কিন্তু আমরা উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি করি। শহীদ জিয়া ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার আদর্শে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা এগিয়ে নিতে হবে। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যদি আমরা ইস্পাতের মতো ঐক্যবদ্ধ হতে পারি, জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারি, তবে সফল জনরায় নিশ্চিত হবে।”

এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের দুটি বিষয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে বলেন—প্রথমত, দলীয় সিদ্ধান্তে ঐক্যবদ্ধ থাকা; দ্বিতীয়ত, দলের নামে কেউ যেন ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে না পারে এবং দলের বিরুদ্ধে কোনো চক্রান্ত সফল হতে না পারে। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে উপস্থিত নেতাকর্মীরা হাত তুলে প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫