বরিশালে ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৩৭

বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বরগুনা জেলায়, যেখানে প্রাণ গেছে ১৪ জনের।

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বিভাগজুড়ে সরকারি হাসপাতালগুলোতে মোট ১৬ হাজার ৩৪৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১৫ হাজার ৮৫২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৫৯ জন রোগী।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগজুড়ে নতুন করে আরও ১০৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন।

বরিশাল বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে বরগুনায়—৮ হাজার ৩৪৬ জন। বরিশাল জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ হাজার ২২৪ জন, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ হাজার ৭৭৭ জন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ হাজার ২০৭ জন, পটুয়াখালী জেলায় ১ হাজার ৭৩২ জন, ভোলায় ৫০৩ জন, পিরোজপুরে ১ হাজার ৮৪ জন এবং ঝালকাঠিতে ৪৭৫ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরে বিভাগের মোট ৩৭ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২২ জন, বরগুনায় ১৪ জন এবং পটুয়াখালীতে ১ জন মারা গেছেন।

নতুন আক্রান্ত ১০৭ জনের মধ্যে সর্বাধিক ৩৮ জন রোগী বরগুনায় শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া বরিশাল জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭ জন, শেবাচিম হাসপাতালে ১৫ জন, পটুয়াখালীতে ১৮ জন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে ১১ জন, ভোলায় ৫ জন, পিরোজপুরে ১৬ জন এবং ঝালকাঠিতে ৬ জন ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিটি জেলায় মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং জনগণকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া ১৫ শতাংশ বাড়ালো অন্তর্বর্তী সরকার

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর অবশেষে তাদের দাবি আংশিক পূরণে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। শিক্ষকদের মূল বেতনের ওপর ১৫ শতাংশ হারে বাড়ি ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাতে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি. আর. আবরারের সভাপতিত্বে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী নভেম্বর মাসের ১ তারিখ থেকে প্রথম ধাপে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ২০২৬ সালের জুলাই থেকে আরও ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ি ভাতা কার্যকর হবে।

এ বিষয়ে শিক্ষক নেতা দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, “আমরা শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের পথে এক বড় পদক্ষেপ পেলাম। বিষয়টির সুন্দর সমাধান হয়েছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) থেকে আমরা শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাব।”

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ জানান, “আজকের দিনটি শিক্ষা পরিবারের জন্য ঐতিহাসিক। দীর্ঘ আলোচনার পর সম্মানিত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ন্যায্য ভাতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। এটি কোনো একক সাফল্য নয়—এটি যৌথ প্রয়াসের ফল।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয় শুরু থেকেই দায়িত্বশীলভাবে কাজ করেছে। আমরা চেয়েছি একটি স্থায়ী সমাধান, যেখানে সম্মান, সংলাপ ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমস্যার নিষ্পত্তি হবে। শিক্ষকদের আন্দোলন আমাদের বাস্তবতা শিখিয়েছে। এখন সময় শ্রেণিকক্ষে ফিরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর।”

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি. আর. আবরার বলেন, “শিক্ষকদের দাবি পূরণ করা শুধু আর্থিক বিষয় নয়, এটি শিক্ষা খাতের মর্যাদার সঙ্গে সম্পর্কিত। আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়ন দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে।”

সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে সারাদেশে আন্দোলনরত শিক্ষক সমাজের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পুনরায় ক্লাস শুরু হলে শিক্ষার্থীরাও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরে পাবে বলে আশা করছেন অভিভাবকরা।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা: প্রেমিকার পরিকল্পনায় জড়িত প্রথম প্রেমিক মাহির

রাজধানীর পুরান ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে বেরিয়ে এসেছে তার ছাত্রী ও প্রেমিকা বারজিসস সাবনাম বর্ষার নাম। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করেন বর্ষার প্রথম প্রেমিক মাহির।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস. এন. নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, জোবায়েদ হোসাইন পুরান ঢাকার বংশাল থানার নুরবক্স লেনের একটি বাসায় ছাত্রী বর্ষাকে পড়াতে যেতেন। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু বর্ষা একই সময়ে তার গৃহশিক্ষক জোবায়েদ এবং প্রথম প্রেমিক মাহিরের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছিলেন। ত্রিভুজ প্রেমে জড়িয়ে পড়ায় সংকট তৈরি হলে বর্ষা নিজেই জোবায়েদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

নজরুল ইসলাম বলেন, “বর্ষা তার প্রেমিক মাহির ও তার বন্ধু ফারদিন আইলানকে হত্যার কাজে যুক্ত করেন। ১৯ অক্টোবর বর্ষা জোবায়েদকে ডেকে বাসায় নিয়ে আসেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মাহির ও আইলান সেখানে অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে সিঁড়ির কক্ষে তর্কবিতর্কের সময় জোবায়েদকে ছুরিকাঘাত করা হয়।”

তিনি আরও জানান, হত্যার পর বাসার সিঁড়ি থেকে তিনতলা পর্যন্ত রক্তের দাগ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে জোবায়েদ উপুড় হয়ে পড়ে ছিলেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

গ্রেফতার হওয়া তিনজন—বর্ষা, মাহির ও আইলান—বর্তমানে পুলিশের রিমান্ডে আছেন।

জোবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত রোববার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে বর্ষার বাসার তিনতলায় ওঠার সিঁড়িতে জোবায়েদকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়, যা পুরো এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।


আল-আমিন




ড. ইউনূসের প্রতি ছয় মানবাধিকার সংস্থার খোলা চিঠি

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশে খোলা চিঠি পাঠিয়েছে বিশ্বের ছয়টি প্রভাবশালী মানবাধিকার সংস্থা। চিঠিতে তারা সরকার কর্তৃক সাম্প্রতিক মানবাধিকার উদ্যোগের প্রশংসা জানিয়ে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে, নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারেরও অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাগুলো।

রোববার (১৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছে আরও পাঁচটি সংস্থা— সিভিকাস, কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে), ফর্টিফাই রাইটস, রবার্ট এফ. কেনেডি হিউম্যান রাইটস, এবং টেক গ্লোবাল ইনস্টিটিউট

চিঠিতে ছয় সংস্থা বর্তমান সরকারের নেওয়া ইতিবাচক উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেছে, বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য আরও কার্যকর ও টেকসই সংস্কার অপরিহার্য। তারা সরকারের প্রতি ১২ দফা সুপারিশ তুলে ধরে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—

  • গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা।
  • র‍্যাব বিলুপ্তি ও নিরাপত্তা খাতের সার্বিক সংস্কার।
  • গুমকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে আইনভুক্ত করা।
  • জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে প্যারিস প্রিন্সিপল অনুযায়ী স্বাধীন ও কার্যকর করা।
  • সাইবার নিরাপত্তা আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও মানহানি ধারা আন্তর্জাতিক মানে সংশোধন করা।
  • সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
  • মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের স্বাধীনতা বজায় রাখা।

চিঠিতে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত রাখতে হলে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা জরুরি। সংস্থাগুলোর মতে, আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত বছর জাতিসংঘের প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়, যেখানে আওয়ামী লীগের কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ১০ মে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সরকার।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো তাদের চিঠিতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা বাতিল, এবং এনজিও ব্যুরো সংস্কারসহ বিদেশি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর কার্যক্রমে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার পরামর্শ দেয়।

এছাড়া, তারা রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক প্রত্যাবাসন বন্ধ, তাদের স্বাধীন চলাচল, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর দাবি জানায়। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে (আইসিসি) রোহিঙ্গা নিপীড়ন মামলায় পূর্ণ সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানায় এবং অভিযুক্তদের হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেয়।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর এই চিঠি বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের প্রতি বৈশ্বিক আগ্রহ ও প্রত্যাশার প্রতিফলন। তারা বলছেন, এই চিঠি দেশের মানবাধিকার ব্যবস্থাকে নতুন করে ভাবার সুযোগ সৃষ্টি করবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালীতে পারিবারিক বিরোধে শ্বশুরের কোদালের আঘাতে জামাইয়ের মৃত্যু

পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছোটবিঘাই ইউনিয়নের হরতকিবাড়িয়া গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে শ্বশুরের কোদালের আঘাতে জামাইয়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

নিহতের নাম অভিনাশ চন্দ্র দাস (২৮)। তিনি সদর উপজেলার লাউকাঠী ইউনিয়নের ঢেউখালি গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অভিনাশ কিছু অর্থ ও স্বর্ণালংকার শ্বশুরবাড়িতে জমা রাখেন। সোমবার বিকেলে স্ত্রী মনিকা দাসকে সঙ্গে নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে সেই অর্থ ও গহনা ফেরত চান। এ সময় শ্বশুর শান্তি দাস (৫৫), শ্যালক হৃদয় দাস এবং স্ত্রী মনিকা দাসের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে শ্বশুর শান্তি দাস কোদাল দিয়ে অভিনাশের মাথায় আঘাত করেন, এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত শান্তি দাস, হৃদয় দাস ও মনিকা দাস বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।”

পুলিশ ধারণা করছে, পারিবারিক বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।


 




বাধ্যতামূলক অবসরে ৯ সচিব

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :  সরকার জনস্বার্থে নয়জন সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছে। সোমবার (২০ অক্টোবর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনগুলোতে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন।

অবসরপ্রাপ্ত সচিবরা হলেন :
১. মো. মনজুর হোসেন (৫৪৯০)

বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

২. মো. মশিউর রহমান, এনডিসি (৫৫৬৮)

বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

৩. মো. সামসুল আরেফিন (৫৭৭৩)

বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

৪. মো. মিজানুর রহমান এনডিসি (৫৯২৪)

বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

৫. মো. আজিজুর রহমান (৫৯২৯)

বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

৬. মো. নূরুল আলম (৫৯৯৪)

বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

৭. ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ (৬০৬৫)

বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

৮. ড. এ কে এম মতিউর রহমান (৭৬৩১)

বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

৯. শফিউল আজিম (৬৩৬৫)

বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

 




স্বর্ণের দাম আকাশ ছোয়া

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: বাংলাদেশের বাজারে আজ (সোমবার) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকার বিক্রি হচ্ছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্বর্ণের দাম রেকর্ড উচ্চতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। সোমবার (২০ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় প্রতি আউন্স স্বর্ণ ,২৬৬ দশমিক ২০ ডলারে লেনদেন হয়, যা আগের তুলনায় দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।সোনার শহরহিসেবে পরিচিত দুবাইতেও স্বর্ণের দাম ছুঁয়েছে নতুন মাইলফলক। ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রথমবারের মতো প্রতি গ্রামে ৫০০ দিরহাম ছাড়িয়ে গেছে।

এই অবস্থায় বিশ্লেষকরা খুচরা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। তাদের মতে, বাজারে প্রবেশের জন্য এখনই উপযুক্ত সময় নয়। বরং ১০ শতাংশ দামের পতন হলে সেটাই হতে পারে বিনিয়োগের আদর্শ সুযোগ।




মানসম্মত পরিসংখ্যান উন্নয়নের চালিকাশক্তি: প্রধান উপদেষ্টা

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে মানসম্মত পরিসংখ্যানের গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, উন্নয়নের পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য অপরিহার্য ভূমিকা রাখে।

সোমবার (২০ অক্টোবর) বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস ও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস উদযাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এবারের প্রতিপাদ্য ‘ড্রাইভিং চেঞ্জ উইথ কোয়ালিটি স্ট্যাটিসটিক্স অ্যান্ড ডাটা ফর এভরিওয়ান’— যা সময়োপযোগী এবং উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করবে।”

প্রফেসর ইউনূস বলেন, “মানসম্মত পরিসংখ্যান কেবল সরকারের জন্য নয়, বরং জাতির সামগ্রিক উন্নয়নে প্রতিটি নীতিনির্ধারক, পরিকল্পনাবিদ, গবেষক ও তথ্য ব্যবহারকারীর জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-কে একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সংস্কার ও আধুনিকীকরণের নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ প্রক্রিয়া আরও কার্যকর, প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “মানসম্মত ও সর্বজনীন তথ্যপ্রবাহ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াবে এবং উন্নয়নকে আরও জনমুখী করবে। আমাদের লক্ষ্য—‘সবার জন্য মানসম্মত উপাত্ত’ নিশ্চিত করা।”

বাণীর শেষে তিনি বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস ও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দুমকির আজিজ আহমেদ কলেজের তিন শিক্ষককে মাউশির কারণ দর্শানোর চিঠি

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আজিজ আহমেদ কলেজের তিন শিক্ষক একসঙ্গে দুটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), ঢাকা।

অভিযুক্ত তিন শিক্ষক হলেন—জীববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. সিদ্দিকুর রহমান (ইনডেক্স-৩০৭৯৭১২), বাংলা বিভাগের প্রভাষক শাহিনা আক্তার (ইনডেক্স-৩০৭৯৭১৬) এবং ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক মো. মোশারেফ হোসেন (ইনডেক্স-৩০৮৬৮৪৪)

জানা গেছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর মাউশির পক্ষ থেকে ১৯ মার্চ সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিনের স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে মাউশি বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর মো. ওমর ফারুককে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সরেজমিন তদন্ত শেষে কমিটি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে প্রতিবেদন জমা দেয়।

এরপর ৭ অক্টোবর মাউশির সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিন আজিজ আহমেদ কলেজের তিন শিক্ষককে উদ্দেশ্য করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। চিঠিতে বলা হয়, অভিযোগের বিষয়ে কেন তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—তা ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জানাতে হবে।

তদন্তে উঠে এসেছে, জীববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. সিদ্দিকুর রহমান ২০০৪ সালে উত্তর মুরাদিয়া বশিরিয়া আলিম মাদ্রাসায় নিয়োগ পেয়ে এমপিওভুক্ত হন এবং ২০১০ সাল পর্যন্ত সেখান থেকে বেতনভাতা উত্তোলন করেন। একই বছর তিনি আজিজ আহমেদ কলেজেও শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
একইভাবে শাহিনা আক্তার ২০০৫ সালে আজিজ আহমেদ কলেজে যোগ দিলেও ২০১০ সাল পর্যন্ত কারখানা আলিম মাদ্রাসা থেকে বেতনভাতা নেন।
অন্যদিকে, মো. মোশারেফ হোসেন সালামপুর আমিনিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় চাকরি করেও ২০০৪ সালে আজিজ আহমেদ কলেজে যোগ দেন এবং পরবর্তী সময়েও উভয় প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “দুই প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নেওয়া অপরাধ কিনা তা আইনি ব্যাখ্যা দিয়েই বোঝা যাবে।”
তবে শাহিনা আক্তার এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মোশারেফ হোসেন বলেন, “আমি ১৯৯৫ সালের বিধান অনুযায়ী নিয়োগ নিয়েছি এবং কারণ দর্শানোর চিঠির জবাব ইতোমধ্যে দিয়েছি।”

আজিজ আহমেদ কলেজের অধ্যক্ষ মো. আহসানুল হক বলেন, “মাউশির চিঠি আমরা পেয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিষয়টি জানানো হয়েছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




৫ শতাংশ বাড়িভাতা প্রত্যাখ্যান, ভুখা মিছিলের ঘোষণা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারের ঘোষিত পাঁচ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি—এই সিদ্ধান্ত শিক্ষা পেশার মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তাই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। রবিবার (১৯ অক্টোবর) জাতীয় শহীদ মিনারে অষ্টম দিনের মতো অবস্থান ও অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে দুপুর বারোটায় শিক্ষাভবন অভিমুখে ভুখা মিছিলের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

শিক্ষকরা বলেন, বাড়িভাড়া ভাতা ন্যূনতম ২০ শতাংশ, মেডিকেল ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ না করা পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত হবে না। তাদের অভিযোগ, সরকার বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বৈষম্য ও অবহেলা চলে আসছে। একজন শিক্ষক যখন নিজ পরিবারকে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করেন, তখন শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।

এর আগে রোববার সকালে অর্থ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপন জারি করে জানায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে এবং সর্বনিম্ন ২ হাজার টাকা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, যা আগামী ১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে। উপসচিব মিতু মরিয়ম স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ভাতা প্রদানে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে চলতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে— ভবিষ্যৎ জাতীয় বেতনস্কেলের সঙ্গে সমন্বয়, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা’ অনুযায়ী নিয়োগের শর্ত অনুসরণ এবং কোনো অবস্থাতেই বকেয়া দাবি তোলা যাবে না।

তবে শিক্ষক নেতারা এই প্রজ্ঞাপনকে “প্রহসনমূলক” বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা বলছেন, সামান্য পাঁচ শতাংশ বৃদ্ধি কোনোভাবেই ন্যায্য সমাধান নয়। বাড়ি ভাড়া, দ্রব্যমূল্য ও চিকিৎসা ব্যয়ের লাগামহীন বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই ঘোষণা বাস্তবতার সঙ্গে সম্পূর্ণ বেমানান।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, “আমরা জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তুলছি, অথচ নিজেদের জীবনে নিরাপত্তা ও মর্যাদা নেই। বছরের পর বছর প্রতিশ্রুতি শুনেছি, কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি। এখন খালি থালা হাতে রাস্তায় নামা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। এটি শুধুই প্রতীকী প্রতিবাদ নয়, এটি আমাদের বঞ্চনার কান্না।”

তিনি আরও বলেন, “এই দাবিগুলো শুধু শিক্ষকদের ব্যক্তিগত নয়, বরং দেশের শিক্ষার মান, সমতা এবং মর্যাদা রক্ষার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। সরকার চাইলে আজই এই সংকটের অবসান ঘটাতে পারে। শিক্ষক সমাজ করুণা নয়, প্রাপ্য সম্মান ও ন্যায্য দাবির বাস্তবায়ন চায়।”

দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ন্যায্য ভাতা ও সুবিধাবঞ্চনার প্রতিবাদে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। যদিও এর আগে একাধিকবার সরকার বাড়িভাতা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। এবারের আন্দোলনে শিক্ষকদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি বলে জানা গেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম