দেশের মাটিতে অবসর নেয়ার সম্ভাবনা বেশি সাকিবের: বিসিবি সভাপতি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: দেশের মাটিতে সাকিব আল হাসানের খেলা, না খেলা নিয়ে সংশয়ের মাঝে সুখবর দিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘরের মাটিতেই টাইগার অলরাউন্ডারের শেষ টেস্ট খেলার সম্ভাবনা বেশি দেখছেন বোর্ড সভাপতি ফারুক আহমেদ।

টি-টোয়েন্টিকে বিদায় বলে দিয়েছেন। আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে ইতি টানতে চান টেস্ট ক্রিকেটের। কিন্তু ঘরের মাঠে হওয়া এ সিরিজে খেলা নিয়ে সংশয়ে আছেন সাকিব। কারণটা রাজনৈতিক। দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি অনেকটা বদলে গেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে গত জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়ায় জনতার রোষানলে পড়েছেন তিনিও।

তাই নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে এ সিরিজে খেলা হবে না সাকিবের। সেক্ষেত্রে ভারতের বিপক্ষে খেলা সবশেষ টেস্ট ম্যাচটিই তার সাদা পোশাকের ক্যারিয়ারে শেষ ম্যাচ হয়ে থাকবে। তবে ঘরের মাটিতে সাকিব যেন শেষ টেস্ট খেলতে পারেন সে ব্যবস্থা করার চেষ্টা করে যাচ্ছে বোর্ড ও ক্রীড়া উপদেষ্টা।

এর আগে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছিলেন, ‘একজন খেলোয়াড়কে আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেব। আইনি অভিযোগ থাকলে সেটা আইন মন্ত্রণালয়ের বিষয়। তবে সাকিব আল হাসানের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে কথা বলেছি। তার নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করব। এরকম একজন ক্রিকেটার যার দেশের ক্রিকেটের জন্য এত অর্জন তার বিদায়টা দেশেই সুন্দরভাবে হোক। যেহেতু তিনি দেশে বিদায় নিতে চাচ্ছেন।’

এদিকে সোমবার (৭ অক্টোবর) ঘরের মাটিতে সাকিবের খেলার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে বিসিবি। বোর্ড সভাপতি ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, ‘ঘরের মাটিতে সাকিবের অবসর নেয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

আগামী ২১ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্ট মাঠে গড়াবে ২৯ অক্টোবর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে। সবকিছু ঠিক থাকলে এ সিরিজ খেলে দেশের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটের ইতি টানবেন সাকিব। আপাতত তিনি অবস্থান করছেন যুক্তরাষ্ট্রে।




বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

বরিশাল অফিস :: বরিশাল সদর উপজেলা চরবাড়িয়ার ইউনিয়নের সাপানিয়া গ্রামের মেম্বার বাড়ির ডোবা থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ।

গতকাল সোমবার ( আগষ্ট) দুপুর ৩ টার দিকে সাপানিয়া গ্রামের মেম্বার বাড়ির একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়।

চরবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য হাবিবুর রহমান টিপু বলেন, তার বাড়ির পাশের নির্জন এলাকায় ডোবায় মরদেহটি পাওয়া গেছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি কচুরলতি তুলতে গিয়ে মরদেহটি দেখতে পায়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি স্থানীয় কারও নয় বলে নিশ্চিত করেছেন ইউপি সদস্য টিপু।

বরিশাল কাউনিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নাইম আহমেদ জানান, সদর উপজেলার চরবাড়িয়ার সাপানিয়া গ্রামের মেম্বার বাড়ির একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোথাও হত্যা করে দেহটি এনে এখানে ফেলা হয়েছে। কঙ্কালের ধরন দেখে মনে হচ্ছে একমাস আগে হত্যা করা হতে পারে।

তিনি বলেন, মরদেহের পরিচয় শনাক্তে থানায় বার্তা দেওয়া হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। পরিবারের খোঁজ না পেলে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করা হবে।




টানা ২০ বছর ধরে অনিশ্চিত নগরবাসীর ভাগ্য: বসিকের অনিয়ম দূর্নীতির প্রতিবাদে ছাত্র জনতা

বরিশাল অফিস :: একটানা প্রায় বিশ বছর ধরেই চরম অবহেলা ও অনিয়ম সহ্য করে আসছে বরিশাল মহানগরীর বাসিন্দারা। সড়কের বেহাল দশা, মশার উৎপাত, জলাবদ্ধতায় ডুবে থাকা নগরীতে অবৈধ যানবাহনের সংখ্যা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।

যানজটে স্থবির নগরীর চিত্র সংবাদ হচ্ছে প্রতিদিন। এছাড়াও পানি বন্টন ব্যবস্থা, প্লানিং আটকে রাখা ও পরিচ্ছন্নতা কাজে অনিয়ম ছাড়াও রয়েছে দলীয়করণ ও সেচ্ছাচারীতা অসংখ্য ইতিহাস।

বলা যায়, অনিয়ম ও দূর্নীতিতে গলা পর্যন্ত ডুবে আছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বসিক)। আর এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এসে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা লাঞ্ছিত হবার ঘটনাও ঘটেছে এই সিটি করপোরেশন ভবনে। ফলে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে দ্রুত পরিচ্ছন্ন সিটি করপোরেশন গড়ে তোলার দাবী জানিয়েছিল বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থী ও বরিশালের সচেতন জনতা। যা উপেক্ষা করার কারণে ৭ অক্টোবর সোমবার দুপুরে অনির্দিষ্টকালের জন্য সিটি করপোরেশন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন ছাত্র জনতা। ১৩ দফা দাবী নিয়ে তাদের এই অবস্থান কর্মসূচি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বহু ইতিহাসের সাক্ষী ঐতিহ্যবাহী কীর্তনখোলা নদী বেষ্টিত চমৎকার সম্ভাবনাময় একটি শহর এই বরিশাল। এর রয়েছে প্রাচীন গর্বিত ইতিহাস। চন্দ্রদ্বীপ, বরি শল্ট থেকে বরিশাল হওয়া, আগা বাকের খানের বাকেরগঞ্জ হওয়া। অতঃপর বরিশাল পৌরসভা। পৌরসভা গঠিত হয় ১৮৭০ সালে এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন ঘোষণা করা হয় ২৫ জুলাই ২০০২ সালে বিএনপির শাসনামলে। প্রথম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএনপির বর্তমান সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি মজিবর রহমান সরোয়ার। তার সময়ে পৌরসভা থেকে পুনর্বিন্যাস ঘটে নগরীর।

দ্বিতীয় পরিষদে ২০০৮ সালের আগস্টে মেয়র নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন আওয়ামী লীগের প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরন। তার সময়টা ছিলো বরিশালের স্বর্নযুগ। তৃতীয় পরিষদে ২০১৩ সালে বসিক মেয়র ছিলেন বিএনপির আহসান হাবীব কামাল। এই সময় থেকে বরিশাল নগরীর বন্ধ্যাত্বের সূচনা। এরপর ২০১৮ সালে বলপূর্বক নির্বাচনে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ চতুর্থ পরিষদের মেয়র হিসেবে গত ২০২৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

আহসান হাবীব কামাল আওয়ামী লীগ শাসনামলে দায়িত্ব পালন করার কারনে বরিশাল সিটি করপোরেশনের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকাই রাখতে পারেন নি। একই চিত্র ছিল আওয়ামী লীগের সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এর সময়েও। হাতেগোনা কয়েকটি সড়কের কাজ ছাড়া নগরবাসীর ঘাড়ে শুধু ট্যাক্সের বোঝা চাপিয়েছে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। যা নিয়ে জনরোষে পতিত হন তিনি এবং পঞ্চম পরিষদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর বরিশালের উন্নয়নে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন এবং ২৫০ কোটি টাকায় বেশকিছু প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। যা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। সিটি মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার নগরীর পরিধি বৃদ্ধি করে ১৮.১৩ বর্গ কিলোমিটার থেকে ৫৮ বর্গকিলোমিটার করেন। এসময় ৩ টি থানা, ৩০ টি ওয়ার্ল্ড এবং ১২৫টি মহল্লা নিয়ে গঠিত হয় বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকা।

পরবর্তীতে প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরন বরিশালের উন্নয়নে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। যে কারণে বরিশালের মানুষ এখনো শওকত হোসেন হিরন এর মতো একজন মেয়র খুঁজে বেড়ান সবসময়। আওয়ামী লীগের মেয়র ও এমপি হওয়ার পরও শওকত হোসেন হিরন আপামর মানুষের মন জয় করেন এবং মৃত্যুর পরেও বরিশালবাসীর মনে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ হচ্ছেন। তার মৃত্যুর পর বরিশালের মেয়র হন প্রয়াত আহসান হাবীব কামাল।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে তার মেয়র হওয়ার কারণে একের পর এক মামলা জটে আটকো যায় বরিশালের সব উন্নয়ন। এরপর আসেন সাদিক আব্দুল্লাহ। তিনি মেয়র হবার পর থেকে বরিশালের জন্য উন্নয়ন বরাদ্দ বন্ধ হয়ে যায়। তারপরও তিনি রাজধানী ঢাকার সাথে পাল্লা দিয়ে এখানের হাউজিং ট্যাক্স ও বাড়ি ভাড়া বাড়িয়ে দেন। ইজিবাইক ও অটোরিকশার পাশাপাশি বাসাবাড়ির ট্যাক্স পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে। শুধু বাড়েনা মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন। গত বিশ বছরের উন্নয়ন চিত্রে দেখা যায়, পায়রা বন্দর ও লেবুখালীর পায়রা ব্রীজ বৃহত্তর বরিশালের একমাত্র দর্শন। নগরীতে প্রধান সড়কে প্রলেপমাখা ছাড়া স্থায়ী কোনো উন্নয়ন চোখে পড়ে না। যা কর্মসংস্থান হিসেবে মোটেই ভূমিকা রাখেনা বরিশালের জীবনযাত্রায়।

জানা যায়, ২০০৬ সালে মেট্রোপলিটান এলাকা প্রতিষ্ঠিত হলেও আজ পর্যন্ত বরিশালে কোনো উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠিত হয়নি। যে কারণে ৫৮ বর্গকিলোমিটার বিভাগীয় এই নগরী ক্রমশ অপরিকল্পিতভাবেই ডালপালা বিস্তার করেছে। শুধু তাই নয় সিটি করপোরেশন হবার ২২ বছর পরও ১৮ থেকে ২০টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম এখনো খুলনা নির্ভর। বেতন-ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের আদান-প্রদান করতে হলে এখনো বরিশালবাসীকে ছুটতে হয় বিভাগীয় শহর খুলনায়। ২০০৯ সাল থেকে এ নিয়ে অসংখ্য প্রতিবাদ ও লেখালেখি আমলে নেয়নি তৎকালীন কোনো প্রশাসন। বিভাগীয় কমিশনার, মেয়র যখন যে এসেছেন তারা সবাই কাজ দেখাতে শুধু পরিদর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন বারবার। সাদিক আব্দুল্লাহ মাঝরাতে সড়কের কাজ পরিদর্শনে যেতেন।

একই সড়কের কাজ পরিদর্শন করেছেন খোকন সেরনিয়াবাত। আবার বসিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক বিভাগীয় কমিশনার শওকত আলীও সড়ক ও খাল পরিদর্শনে নিজের দায়িত্ব দেখাচ্ছেন। এদিকে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ সময়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনকে ঘীরে যে প্রশাসনিক দূর্নীতি শুরু হয়েছে তা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। দলীয়করণ ও আত্মীয়করণের পাশাপাশি টাকার বিনিময়ে নিয়োগের প্রতিযোগিতা হয়েছে বিগত ১০ বছর। বিএনপি আমলের (আহসান হাবীব কামাল) কর্মকর্তাদের বহিষ্কার বা বলপূর্বক অবসর করে এসব নিয়োগ চূড়ান্ত হয়েছে। যা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা অত্যন্ত কৌশলে জিইয়ে রেখেছেন নতুন মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। তিনি এসেই মৌখিক নোটিশে নিয়োগ দিয়েছেন অসংখ্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী। এসব অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার বরিশালের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র জনতা প্রতিবাদ জানাতে আসলে তাদেরকে অপমানিত কথাবার্তা ও চাঁদাবাজ আখ্যা দেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের সচিব মাসুমা আক্তারসহ কয়েকজন। যা নিয়েই ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও জনতা ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে সিটি করপোরেশনকে দূর্নীতিবাজ মুক্ত করতে চিঠি দেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসককে।

যা নিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি জানিয়ে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের একজন সহ সমন্বয়ক রাকিব হাসান বলেন, গত সাত দিন আগে আমরা সংবাদ সম্মেলন করে বরিশাল সিটি করপোরেশনকে দূর্নীতিবাজ মুক্ত এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার অনুরোধ জানিয়েছি। এসময় লেখিত অভিযোগ দিতে আসলে সচিব মাসুমা আক্তারসহ কয়েকজন আমাদের রাজাকার ও চাঁদাবাজ বলে অসদাচরণ করেছে। আমরা এ নিয়ে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিভাগীয় কমিশনার শওকত আলীর কাছে অভিযোগ করি এবং সিটি করপোরেশন থেকে মাসুমা আক্তার, স্বপন কুমার দাস সহ কয়েকজন কর্মকর্তার অপসারণ ও দূর্নীতিবাজ মুক্ত করার দাবী জানাই। তিনি এখন পর্যন্ত তার কিছুই করেন নাই। তাই আমরা আজ থেকে তারও পদত্যাগ দাবী করছি ও বরিশাল সিটি করপোরেশকে দূর্নীতি মুক্ত করতে ১৩ দফা প্রস্তাব রেখেছি বলে জানান রাকিব হাসান।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে : কর্মরত দুইজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সাজাপ্রাপ্ত ও দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত এবং সাবেক মেয়রের মৌখিক নির্দেশে স্থায়ী ভিত্তিতে চাকরিরতদের অপসারন, ঘুষসহ আটক স্বপন কুমারকে চাকরিচ্যুত, মহিলা কর্মকর্তা কর্মচারিদের যৌন হয়রানি থেকে মুক্ত এবং নড়বড়ে অবস্থায় থাকা রাজস্ব, মশক, পরিচ্ছন্নতা ও পানি বিভাগের কার্যক্রম বেগবান করা।
বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থী ও জনতার এই অভিযোগ সম্পর্কে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিভাগীয় কমিশনার শওকত আলী বলেন, মৌখিক নিয়োগপ্রাপ্তদের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা অলরেডি শুরু হয়েছে। সিটি করপোরেশনের রেগুলেশনে বাইরে যারা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধেও যাচাই-বাছাই চলমান রয়েছে। সচিব মাসুমা আক্তার ও সাবেক জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস দোষী প্রমাণিত হলে তাদেরও ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিভাগীয় কমিশনার শওকত আলী আরো বলেন, সিটি করপোরেশন আমার বাড়তি দায়িত্ব। এখান থেকে কোনোরকম সুবিধা আমি নিচ্ছিনা উল্টো বিনামূল্যে শ্রম দিয়ে যাচ্ছি। আমার দায়িত্বে যতদিন থাকবে ততদিন এখানে কোনো অনিয়ম দূর্নীতির স্থান হবেনা বলে স্পষ্ট জানান শওকত আলী।




সচিবদের ২৫ নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার




একযোগে ঝালকাঠির চার থানার ওসিকে বদলি

বরিশাল অফিস :: ঝালকাঠি জেলার চার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পদে কর্মরত সবাইকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শেখ ইমরান।

গতকাল সোমবার (৭ অক্টোবর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার ঢাকা পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-২ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে তাঁদের বদলি করা হয়েছে।

অতিরিক্ত ডিআইজি (অতিরিক্ত দায়িত্বে) শাহজাদা মো. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মরত ৪২ জন পুলিশ পরিদর্শককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়।

এর মধ্যে ঝালকাঠি সদর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম ও রাজাপুর থানার ওসি মু. আতাউর রহমানকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) এবং কাঠালিয়া থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন সরকার ও নলছিটি থানার ওসি মো. মুরাদ আলীকে অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) বদলি করা হয়েছে।




বরিশালে ডেঙ্গুতে যুবকের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০২ জন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে সোহাগ (২৭) নামের ওই রোগী বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ নিয়ে চলতি বছর বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুতে ২২ জনের মৃত্যু হলো।

গতকাল মারা যাওয়া সোহাগ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়ি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ দাস। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে নতুন করে ১০২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এরমধ্যে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬ জন, বরিশালের অন্যান্য হাসপাতালে ১৬ জন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন, পটুয়াখালীর অন্যন্য হাসপাতালে ১০ জন, ভোলায় ১৯ জন, পিরোজপুরে ৬ জন, বরগুনায় ২৫ জন ও ঝালকাঠিতে ৬ জন রোগী গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ৩ হাজার ২৯৬ ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হয়েছেন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার জন।

এদিকে চলতি বছর বরিশাল বিভাগে ২২ ডেঙ্গুরোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সর্বোচ্চ ১৬ জন, বরগুনায় ২ জন, পটুয়াখালীতে ১ জন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন, ভোলায় ১ জন ও পিরোজপুরে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।




প্রধান উপদেষ্টা নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য, বরখাস্ত হলেন উপজেলা কর্মচারী

বরিশাল অফিস :: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে ফেসবুকের নিউজ লিংকে মন্তব্য করে বরখাস্ত হলেন ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর এস এম মনিরুজ্জামান। আজ সোমবার তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের গোপনীয় সহকারীর (সিএ) দায়িত্ব ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানা ইয়াসমিন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রথম আলোর অনলাইন পেজে শেয়ার করা একটি নিউজ লিংকের মন্তব্যে মনিরুজ্জামান লিখেন, “আগে জেলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল, এখন ফাঁসি নিশ্চিত (যদি বাংলাদেশে জীবিত থাকেন)।” যা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রকাশ করা অনুচিত। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে এস এম মনিরুজ্জামানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সাড়া না দেওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এর আগে গতকাল রোববার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ওএসডি হন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (ম্যাজিস্ট্রেট) তাপসী তাবাসসুম ঊর্মি। সবশেষ আজ তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।




সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও লেখক আলী রীয়াজকে প্রধান করে ৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সোমবার (৭ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

বাংলাদেশ সরকার জনপ্রতিনিধিত্বশীল ও কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে দেশের বিদ্যমান সংবিধান পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করে সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে এ কমিশন গঠন করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

কমিশনের সদস্যরা হলেন:

১. রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও লেখক অধ্যাপক আলী রীয়াজ (কমিশন প্রধান)।

২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের

(সদস্য)।

৩. বার-এট-ল ইমরান সিদ্দিকী (সদস্য)।

8. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ ইকরামুল হক (সদস্য)।

৫. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. শরীফ ভূঁইয়া (সদস্য)।

৬. বার-এট-ল এম মঈন আলম ফিরোজী (সদস্য)।

৭. লেখক ফিরোজ আহমেদ (সদস্য)।

৮. লেখক ও মানবাধিকারকর্মী মো. মুস্তাইন বিল্লাহ (সদস্য)।

৯. শিক্ষার্থী প্রতিনিধি মো. মাহফুজ আলম (সদস্য)।

সংবিধান সংস্কার কমিশন ৬ অক্টোবর থেকে কার্যক্রম শুরু করে এবং সংশ্লিষ্ট সব মতামত বিবেচনা করে পরবর্তী ৯০ দিনের (৩ মাস) মধ্যে প্রস্তুত করা প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাজে হস্তান্তর করবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কমিশন কার্যালয় সরকার নির্ধারণ করবে। কমিশনের প্রধান ও সদস্যরা সরকার নির্ধারিত পদমর্যাদা, বেতন/সম্মানি ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তবে কমিশন প্রধান বা কোনো সদস্য অবৈতনিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চাইলে বা সুযোগ-সুবিধা নিতে না চাইলে, তা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন করতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দপ্তর/সংস্থা কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেবে। কমিশন প্রয়োজনে উপযুক্ত ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ এ কমিশনকে সাচিবিক সহায়তা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।




বাউফলে জোরপূর্বক জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে জোরপূর্বক জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জাহাঙ্গীর হোসেন (৬০) নামে এক ভুক্তোভোগী। বাউফল পৌরসভার ৮ নস্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তিনি।

সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বাউফল পৌরসভার হাসপাতাল সড়কের একটি হোটেলের কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

এ সময় জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নাজিরপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওসমান মৃধার মৃত্যুর পরে পটুয়াখালী আদালত কর্তৃক তাঁর নাবালক দুই ছেলে মো. রফিক ও শফিক এবং কন্যা সামচুন্নাহারের অভিভাবকশীপ আদেশ প্রাপ্ত হয়ে ওসমানের স্ত্রী জমিলা খাতুন দাতা হয়ে একই বাড়ীর মোহাম্মদ আলীর ছেলে আব্দুর রহিমের কাছে ১৫ শতাংশ জমি বিক্রি করেন।

পরবর্তীতে আব্দুর রহিম দাতা হয়ে ওই জমি থেকে মো. এমদাদ হোসেন নামে এক ব্যক্তির কাছে ৮.৫০ শতাংশ ও মো. বেলায়েত হোসেন নামে অপর একজনের কাছে ৩.৫০ শতাংশ জমি বিক্রি করেন।

এরপর মো. বেলায়েতের কাছ থেকেও আবার ওই ৩.৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন এমদাদ হোসেন। পরবর্তীতে মো. এমদাদ হোসেন ও তার ভাই মো. মিজানুর রহমান এবং মা ভানু বিবি ও মামী সাফিয়া খাতুনের কাছ থেকে ১৯৯০ সালের ২৮ অক্টোবর বাউফল পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৌজা- ৮৬, খতিয়ান-৭৩৬, দাগ নং- ৫৩৪৪, ৫৩৮৫, ৫৩৮৬ থেকে মোট ২৩.৫০ শতাংশ জমি আমি ( জাহাঙ্গীর হোসেন) ক্রয় করি ।

যা দীর্ঘ ৩৪ বছর পর্যন্ত ভোগদখল করে আসছি। গত ৮ আগষ্ট দুপুর ২ টার দিকে অভিভাবকশীপ প্রাপ্ত হয়ে জমিলা খাতুনের বিক্রি করা ওই জমিতে তার ছেলে মো. রফিক ও মো. শফিক এবং মেয়ে মোসা. শামচুন্নাহারের নেতৃত্বে স্থানীয় জয়নাল আবেদিনের ছেলে মোঃ মজিবর মোল্লা এবং জব্বার মাতুব্বরের ছেলে মোঃ সহিদুল ইসলামসহ ১৫/২০ জনের একটি দল আমার বসতঘরের সামনে দখলীয় ওই জমিতে হঠাৎ করে জোরপূর্বক একটি টিনের ছাপড়া ঘর তুলে দখল করেন।

এ বিষয় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।




দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টাস্কফোর্স

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর বাজার পরিস্থিতি ও সরবরাহ চেইন তদারক ও পর্যালোচনার জন্য জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (৭ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মেহেদী হাসানের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এই বিশেষ টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক। আর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক।

এতে সদস্য হিসেবে থাকবেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বা উপযুক্ত প্রতিনিধি, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বা উপযুক্ত প্রতিনিধি, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বা উপযুক্ত প্রতিনিধি, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা বা সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা, ক্যাবের প্রতিনিধি এবং ২ জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই টাস্কফোর্স নিয়মিত বিভিন্ন বাজার, বৃহৎ আড়ত/গোডাউন/ কোল্ড স্টোরেজ ও সাপ্লাই চেইনের অন্যান্য স্থানসমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন করবে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার বিষয়টি তদারক করবে। এছাড়াও টাস্কফোর্স উৎপাদন, পাইকারি ও ভোক্তা পর্যায়ের মধ্যে যাতে দামের পার্থক্য ন্যূনতম থাকে তা নিশ্চিত করবে ও সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে মত বিনিময় সভা করবে।

টাস্কফোর্স প্রতিদিনের মনিটরিং শেষে একটি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা ও পূর্বাভাস সেল এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে পাঠাবেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া প্রতিবেদন সংকলন ও পর্যালোচনা করে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন দেবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে টাস্কফোর্স প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।