ডিসি নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ : তদন্ত কমিটি নিয়ে প্রজ্ঞাপন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ নিয়ে ওঠা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বুধবার (৯ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, আইন উপদেষ্টাকে আহ্বায়ক এবং স্বরাষ্ট্র ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টাকে সদস্য করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ১০ কার্য দিবসের মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন জমা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

গত ৩ অক্টোবর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘ডিসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি, আমার টাকা-পয়সার প্রতি লোভ নেই, ৫ কোটি হলেই চলবে’ শিরোনামে ওই সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপরই সারাদেশে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

সংবাদ প্রকাশের পর ওইদিন দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমান। তার দাবি, সারা দেশে জেলা প্রশাসক নিয়োগের ক্ষেত্রে লেনদেনের অভিযোগ সংক্রান্ত যে সংবাদ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে সেটি সত্য নয়।

সচিব আরও বলেন, ‘এটি একটি ফেক নিউজ। ওই পত্রিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ ধরনের অভিযোগ আমলে নিচ্ছি না।’

তিনি দাবি করেন, ‘নিউজে স্ক্রিনশট প্রকাশ করা হয়েছে, সেটি আইফোনের স্ক্রিনশট। কিন্তু আমি ব্যবহার করি স্যামসাং ফোন। আমি সরকারি কোনো ফোন ব্যবহার করি না।




‘আমাকে ভুল বোঝার অবকাশ নেই’ : অজ্ঞাত স্থান থেকে ডিবির সেই হারুন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই আলোচনায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আলোচিত-সমালোচিত পুলিশ কর্মকর্তা হারুনকে ঘিরে নানা তথ্য ছড়াতে থাকে। হারুনের বর্তমান অবস্থান কোথায় তা নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা।

নানা গুঞ্জনের মধ্যেই সম্প্রতি অজ্ঞাত স্থান থেকে প্রবাসী এক সাংবাদিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়াসহ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন পুলিশের সাবেক এই কর্মকর্তা। সেখানে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান, আন্দোলন দমনে তার ভূমিকাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন।

বর্তমান অবস্থান ও কাজে যোগ না দেয়ার বিষয়ে হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘আমাকে ঘিরে নানা ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছিল। তখনো আমি চুপ ছিলাম। সরকার যখন বলল, সবাইকে কাজে যোগ দিতে। তখন আমি গত ৮ আগস্ট ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে তখনই যোগ দিতে নিষেধ করেন। আমাকে নিরাপদ স্থানে থাকতে বলেন। আমি যোগদান করতে গেছি। কিন্তু আমি যোগ দিতে পারিনি। দুই দিন পর দেখি আমার নামে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, কমিশনার ও আমাকে হুকুমের আসামি করা হয়। তখন আমি অবাক হলাম।’

তিনি বলেন, আমি তো ডিবিতে চাকরি করি। ডিবির কাজ হলো মামলা তদন্ত করা। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নির্দেশ দিলে আমরা গ্রেফতার করি। মোহাম্মদপুরে তো আমি গিয়ে মারামারি করিনি, এটা তো আমার কাজ না। অতিরিক্ত কমিশনার কি মারামারি করতে যায়? আর ডিএমপিতে কমিশনারের পরে ৬ জন অতিরিক্ত কমিশনার। আমি হলাম ৬ নম্বর কমিশনার। সেখানে আমার নামে যখন মামলা হলো তখন তো একটু…। আবার বলা হল মামলা হলেও সমস্যা নেই। ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকলে গ্রেফতার করা হবে না। আমি মনে করলাম ভাল কথা। ভাবলাম জয়েন করব। পরের দিন দেখলাম একজন উপদেষ্টা বললেন, যেসব পুলিশ কর্মকর্তা জয়েন করেননি আপনারা তাদের ধরে নিয়ে আসেন। আমি তখন আরো অবাক হলাম। আমি ‍যদি চাকরিতে জয়েন না করি তাহলে প্রসিডিং করবেন। আর যোগ দিলে আমাকে দিয়ে জোর করে চাকরি করাবেন। এটা শোনার পরে আমার মনে হলো রিস্ক। মানে আমার লাইফ ঝুঁকির মধ্যে। এখন মানুষকে ধরে যেভাবে পেটানো, ডিম মারা হচ্ছে। যদি আমাকে…। আগে তো বাঁচতে হবে। আমি ইচ্ছাকৃতভাবে একটু চুপ আছি।’

ছাত্র-জনতার হাতে গণধোলাইয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে হারুন বলেন, ‘ফেসবুক, ইউটিউবে নানা গুজব আছে। আপনারা মরার ছবিসহ নানা গুজব দেখেছেন। আমি এগুলো নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। যারা এগুলো বলে তারা গুজব বা টাকা-পয়সা পাওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ে। এগুলো গুজব।’

পুলিশ সদর দফতরের দেয়াল টপকে পালাতে গিয়ে ব্যথা পাওয়ার বিষয়ে সাবেক ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি পুলিশ সদর দফতরে যাইনি।’

তিনি বলেন, ‘আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে আমেরিকা এসেছিলাম ছুটি নিয়ে। জুলাইয়ের ১৫ তারিখ দেশে ফিরি। দেশে যাওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোর কমিটির বাসায় একটা মিটিং হয়। প্রতিদিন সেই মিটিং হতো। মিটিংয়ে স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, এনএসআই, ডিজিএফআই, এসবি, বিজিবিপ্রধান ছিল। এ ছাড়া ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ও এনটিএমসির প্রধান। প্রতিদিন কোর কমিটির মিটিং হচ্ছিল। একদিন মিটিংয়ে আমাকে ডাকা হলো। আমার কাছে গ্রেফতারের বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়। তখন আমি বলি আমার কাছে কেউ গ্রেফতার নেই। তবে র‌্যাব নুরুকে গ্রেফতার করে আমার কাছে দিয়েছে, নজরুল ইসলাম খানকে দিয়েছে। গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে তিনজন সমন্বয়ক আছে। তাদের এসবি পাহারা দিচ্ছিল। আমাকে বলা হলো তাদের নিরাপত্তার জন্য ডিবিতে আনার জন্য। তখন বলি আমি তাদের কিভাবে নেব?’

তিনি আরও বলেন, ‘তখন তারা বলে এত কিছু বোঝার দরকার নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব আপনি নিয়ে রাখেন। আমাকে কমিশনারসহ কোর কমিটির সবাই এই কথা বলেছে। এরপর আমি ডিবির রমনা বিভাগের ডিসি হুমায়ুনকে সমন্বয়ক তিনজনকে নিয়ে আসতে বলি। হুমায়ুন তাদের নিতে আসে। তাদের মোবাইল আগেই ডিজিএফআই নিয়ে গেছিল। রাত ২টা-৩টার দিকে আমাকে ডিজিএফআইয়ের দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ফোন দিয়ে বলেন সারজিসসহ আরো দুজনকে ডিবি গেটে আনা হয়েছে। আপনার কোনো এক কর্মকর্তাকে বলেন রিসিভ করতে। পরে আমি ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) শাহেনশাহ মাহমুদকে ফোন দিয়ে বলি রিসিভ করতে। পরে তাদের সাইবারের একজন এডিসি রিসিভ করে। এই হলো পাঁচজন। পরের দিন ডিজিএফআইপ্রধান আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, একটি মেয়ে (নুসরাত তাবাসসুম) খুব উৎপাত করছে তাকেও তুলে আনতে হবে। আমি মিরপুরের ডিসি মানস কুমার পোদ্দারকে বলি তাকে আনতে। এই ছয়জন হলো।’

এত সংস্থা থাকতে ডিবিকে দিয়ে কেন এই কাজটি করাতে গেল। আপনার তো অতিউৎসাহী মনোভাব ছিল। এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, ‘এখনো তো সব গ্রেফতার ডিবি করছে। সারা দেশে ধরা হচ্ছে তাদের তো ডিবিতে নেওয়া হচ্ছে। আমি ডিবিকে মানুষের আস্থার স্থানে নিয়ে এসেছি। বিএনপি যত নেতাকে গ্রেফতার করে ডিবিতে এনেছি। কেউ বলতে পারবে না কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছি। আমি কখনো খারাপ ব্যবহার করিনি। মতিঝিলের আওয়ামী লীগ নেতা টিপু হত্যার ঘটনায় ৩৩ জন দলীয় নেতার বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছি। এতে দলের নেতারা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সর্বশেষ এমপি আনার হত্যার ঘটনায় নেপাল, ভারত এমনকি পাহাড় থেকে আসামি ধরে এনেছি। জেলার সাধারণ সম্পাদককে ধরেছি। তার মানে কোনো ঘটনা ঘটলে ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে জড়াইনি। আমার এমন কাজে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনেকে ক্ষিপ্ত হয়েছে।’

সরকারপ্রধান (শেখ হাসিনা) সবাইকে বিপদে ফেলে চলে গেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। আমি ছোট মানুষ। আমি ডিএমপির প্রধানও না, পুলিশের প্রধান না। আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাকে মোয়া বানানো হচ্ছে। আমি কেন আলোচিত-এর একটাই কারণ যেখানে অপরাধ হয়েছে সেখানে আমি মানুষকে সেবা দিয়েছি। মানুষ যখন যে সমস্যায় পড়েছে তারা থানায় না গিয়ে ডিবিতে আসত। ডিবিতে আমার চাকরিজীবনে মানুষের উপকার করেছি। কারো ক্ষতি করিনি।’

সরকারের লাঠিয়াল হিসেবে কাজ করে আপনি অনুতপ্ত কি না জানতে চাইলে ডিবির সাবেক এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি লাঠিয়াল হিসেবে কাজ করিনি। আমি সরকারি চাকরি করি। আমার সঙ্গে কোনো দিন শেখ হাসিনার দেখা হয়নি। ১৫ বছরের ক্ষমতাকালীন সময়ে কোনো দিন শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে যাইনি। আমার সঙ্গে কথা হয়নি। আমাকে বলা হচ্ছে হুকুমদাতা। আমি হুকুমদাতা কিভাবে হলাম। আমি তো ডিএমপি কমিশনারের অধীনে কাজ করেছি। আমি যা করেছি ন্যায়বোধ থেকে করেছি। অন্যায় করিনি। ন্যায়বোধ দিয়ে কাজ করায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রোষানলে পড়েছি। কিন্তু মানুষ আমার কাজের প্রশংসা করেছে। আমাকে ভুল বোঝার অবকাশ নেই।’

দেশবাসী কেন আপনাকে ঘৃণা করে? এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, আমি ১২ বছর চাকরি করেছি। আমার কোনো অন্যায় থাকলে আপনি আমাকে ছাড়তেন? তখন আপনারা কোথায় ছিলেন? এখন আমি একটু অড পজিশনে পড়ে গিয়েছি, এখন যদি বলে হারুন খুব খারাপ… তাহলে আমি কী খারাপটা করেছি বলেন। কার ক্ষতি করেছি? আমার কাছে যারা-যেসকল আসামিরা ছিল… এমনও বড় বড় বিএনপি নেতারা আমার কাছে গিয়েছিল.. তারা আমাকে বলতো আমার ফ্যামিলি প্রবলেম আছে, আমার ফ্যামিলি প্রবলেম সলভ করে দিও। এসব বিষয়ে আমি আরেকদিন কথা বলবো।




আবু সাঈদের বোনকে চাকরি দিল বেরোবি প্রশাসন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিয়ে নিহত হওয়া আবু সাঈদের বোন সুমি খাতুনকে ল্যাব এটেনডেন্ট (স্থায়ী) পদের বিপরীতে সেমিনার এটেনডেন্ট (অস্থায়ী) পদে নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার (৯ অক্টোবর) উপাচার্যের অনুমোদনক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম ও সংস্থাপন শাখা-১ এর অতিরিক্ত রেজিস্টার ড.মো. জিয়াউল হকের সাক্ষরিত নিয়োগ পত্রে এই চাকুরি দেওয়া হয়।

নিয়োগ পত্রে বলায় হয়, এই পদে যোগদানের তারিখ থেকে আপনার নিয়ে কার্যকর হবে, আপনি জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৮,৫০০-২০,৫৭০ স্কেলে বেতন ও অন্যান্য ভাতাদি প্রাপ্য হবেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্ম থাকলে নিয়োগ কারী কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে গৃহীত ছাড়পত্র যোগদানের সাথে অবশ্যই জমা দিতে হবে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুরে যোগদানের পর চাকরি হতে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি গ্রহণ করতে হলে আপনাকে দুই মাস অগ্রিম নোটিশ প্রদান করতে হবে অথবা এক মাসের বেতন সমর্পণ করতে হবে, আপনার চাকরি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রংপুর এর আওতায় প্রণীত ও প্রণীতব্য সকল সংবিধি, প্রবিধান, রেগুলেশন ও বিধি-বিধান দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে এবং আপনাকে বাধ্যতামূলক বিশ্ববিদ্যালয়ের গোষ্ঠী বিমায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

নিয়োগ পত্রে আরও বলায় হয়, এই নিয়োগপত্রে গৃহীত শর্ত মোতাবেক আপনি এ নিয়োগ গ্রহণ করতে সম্মত থাকলে আগামী ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের মধ্যে সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সনদপত্রসহ অন্যান্য সনদপত্রের প্রথম শ্রেণীর গেজেটের কর্মকর্তার নামাঙ্কিত সিল দ্বারা সত্যায়িত অনুলিপি পত্র, অভিজ্ঞতার সনদপত্র, শেষ বেতনের প্রত্যয়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং যোগদানের পত্র রেজিস্ট্রার দফতরের জমা দিতে বলা হয়।




ওএসডি হলেন শেবাচিম পরিচালক ডাঃ এইচ এম সাইফুল ইসলাম

বরিশাল অফিস :: অবশেষে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) পরিচালক ডাঃ এইচ এম সাইফুল ইসলামকে ওএসডি (অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি) করা হয়েছে। গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সংযুক্ত করে ওএসডি হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ এর সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ আবু রায়হান দোলন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তিনি অবিলম্বে তার দায়িত্ব উপ-পরিচালকের নিকট হস্তান্তর করে দুই কর্মদিবসের মধ্যে বদলীকৃত কর্মস্থলে যোগদান করবেন। অন্যথায় তৃতীয় দিন থেকে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ট্যান্ড রিলিজ হিসাবে গণ্য হবেন।

ছাত্রদের আন্দোলনের পর পদত্যাগের আবেদন গত সপ্তাহে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলাম ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে নিজ দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। ছাত্রদের আন্দোলন মূলত হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সেবা নিয়ে ছিল, যার প্রেক্ষিতে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। পদত্যাগের আবেদন করার পর তিনি ছুটির জন্যও আবেদন করেন এবংউপ-পরিচালকের কাছে হাসপাতালের দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। তবে গতকাল পর্যন্ত পরিচালক পদে নতুন কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি, ফলে হাসপাতালের পরিচালনার বিষয়টি অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল।

শেবাচিমের বর্তমান অবস্থায় ডাঃ সাইফুল ইসলামের পদত্যাগের পর শেবাচিম হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় কিছুটা শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্র আন্দোলনের কারণে হাসপাতালের কার্যক্রম কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে, যা মিটমাটের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই ওএসডি করার সিদ্ধান্ত ডাঃ সাইফুল ইসলামের পদত্যাগ এবং চলমান পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কিত বলে মনে করা হচ্ছে।




সিরিজ বাঁচানোর মিশনে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ভারতের কাছে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ। এবার টাইগারদের সামনে সিরিজ বাঁচানোর লড়াই। আর সেই লড়াইয়ে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছে বাংলাদেশ।




দুমকি উপজেলা সন্তান ড.আব্দুল ওহাব মিনার এবি পার্টির আহ্বায়ক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) নতুন আহ্বায়ক হয়েছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) রাতে দলটির জরুরি ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের (এনইসি) সভায় নতুন আহ্বায়কের নাম ঘোষণা করা হয়।

বুধবার (৯ অক্টোবর) সকালে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওহাব মিনার একজন শীর্ষস্থানীয় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সিনিয়র অধ্যাপক। সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এ কর্মকর্তা দলের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম। তার বাড়ি পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়।

এবি পার্টি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এবি পার্টির আহ্বায়ক, অবসরপ্রাপ্ত সচিব ও রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে গতকাল ৮ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় পার্টির আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর পরপরই গণমাধ্যমে এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদের আমন্ত্রণ পেয়েছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।




কুয়াকাটায় এবার ৪৬ কেজি ওজনের পাখি মাছ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এবার ৪৬ কেজি ওজনের একটি পাখি মাছ বিক্রি হয়েছে।

বঙ্গোপসাগর থেকে আহরিত বিশাল আকৃতির এই পাখি মাছটি বিক্রি করেছেন পাথরঘাটার জেলে সোহেল রানা।

বুধবার সকালে কুয়াকাটা মৎস্য মার্কেটে নিয়ে এলে মাছটি দেখতে ভিড় করেন উৎসুক জনতা।

জানা গেছে, উপকূলে এসব মাছের চাহিদা না থাকায় নিলামের মাধ্যমে মো. হাসান নামের এক মাছ ব্যবসায়ী ২০০ টাকা কেজি দরে মাছটি ৯ হাজার ২’শ টাকায় কিনে নেন। তিনি ঢাকার কারওয়ান বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

জেলে সোহেল বলেন, এই প্রজাতির মাছ এখন কম ধরা পড়ছে। মাছগুলি বেশ শক্তিশালী আমার কাছে মনে হয়। আগে আরও বেশি ধরা পড়ত এই মাছ। সকালে কুয়াকাটা এই বাজারে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করেছি।




রাষ্ট্রের ১০ খাতে সংস্কার চায় জামায়াত, ৪১ প্রস্তাবনা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা, পররাষ্ট্র এবং শিক্ষাসহ রাষ্ট্রের ১০টি খাতে সংস্কারের জন্য ৪১টি প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এর মধ্যে অন্যতম ইভিএম বাতিল, পুলিশি আইন সংস্কার, সরকারি চাকরিতে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর এবং অবসরের সময়সীমা ৬২ বছর নির্ধারণ।

বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় গুলশানের হোটেল ওয়েস্টিনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ‘রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাবনা’ উপস্থাপন করেন দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। এ সময় দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানও মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্যের শুরুতেই ডা. আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, জুলাই-আগস্টে যারা জীবন দিয়েছে আল্লাহ তাদের শহীদ হিসেবে কবুল করুন। আওয়ামী লীগ দেশকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য একনায়কতন্ত্র কায়েম করেছিল। ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য প্রশাসন, নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ কুক্ষীগত করেছিল। হাজার হাজার মামলা দায়ের করে জুলুমের রাজনীতি কায়েম করেছিল।

তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কমিশনের অনেক সংস্কার প্রয়োজন। বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করতে হবে। প্রয়োজনে আইনের সংশোধন করতে হবে। একইসঙ্গে সংসদে বিরোধীদলের ডেপুটি স্পিকার নিয়োগ দিতে হবে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।

এর মধ্যে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা কারার প্রস্তাব দিয়ে ডা. তাহের বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আইন সংস্কার করতে হবে। দেওয়ানি মামলা ৫ বছর ও ফৌজদারি মামলা ৩ বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেয়ারটেকার সরকারব্যবস্থা স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হয়, আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল, কেয়ারটেকার সরকারব্যবস্থা বাতিল করেছিল। এখন এটি অন্তর্ভুক্ত করতে এবং ইভিএম বাতিল করতে হবে।

পুলিশের আইন পরিবর্তন করার দাবি জানিয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, বদলি ও পদোন্নতির জন্য স্বাধীন কমিশন গঠন করতে হবে। কোনো সুপারিশের সুযোগ রাখা যাবে না। পুলিশে নিয়োগে দলীয় হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। পুলিশ ট্রেনিংয়ের মধ্যে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা রাখতে হবে। পুলিশের কাছে মারণাস্ত্র দেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, র‍্যাবে যারা গত ১৫ বছর কাজ করেছেন তাদের ফিরিয়ে আনা যাবে না ও র‍্যাবের প্রতি মানুষের আস্থা ফেরাতে সংস্কার করতে হবে।

সরকারি চাকরির সুযোগ বৃদ্ধি নিয়েও প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমির বলেন, সরকারি চাকরিতে আবেদন বিনামূল্যে করতে হবে। চাকরিতে বয়স সময়সীমা আগামী ২ বছরের জন্য ৩৫ ও পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে ৩৩ বছর আর শেষ হবে ৬২ বছর বয়সে।

এ সময় সরকারি চাকরিতে প্রশ্নফাঁস বা দুর্নীতি করে যারা চাকরি পেয়েছে, তাদের নিয়োগ বাতিল করার দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে দুদককে শক্তিশালী করে স্বাধীনভাবে কাজ করার ব্যবস্থা করতেও প্রস্তাব দেওয়া হয়।

পরপর দুই বারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না, এমন প্রস্তাবনা দিয়ে দলের পক্ষ থেকে নায়েবে আমির বলেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ব্যবহারে ভাগভাগি থাকতে হবে।

প্রস্তাবনায় শিক্ষা ও দেশের বিনোদন সেক্টর নিয়েও সংস্কারের দাবি তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, সকল শ্রেণির পাঠক্রমে হজরত মুহাম্মাদ (স.)-এর বিষয় যুক্ত করতে হবে। নাটক, সিনেমা ও কন্টেন্ট অশ্লীলমুক্ত করতে হবে।

ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, চীন, নেপাল ও ভারতের সঙ্গে অভিন্ন নদী বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে নিতে হবে। পররাষ্ট্র বিষয়ে সাম্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সম্পর্ক রাখতে হবে। হজ ও ওমরার খরচ কমানোর জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণহত্যায় জড়িত যারা পালিয়ে গেছে, তাদের ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

আগে নির্বাচন, নাকি সংস্কার, এমন এক প্রশ্নে জামায়াত আমির জবাব দেন, দুটি রোডম্যাপ হবে। একটা সংস্কারের, আর একটা নির্বাচনের। তবে সময় যেন অতি দীর্ঘ না হয়, আবার অতি সংক্ষিপ্ত না হয়।




সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে দুদকের ৫ মামলা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ঘুষ-দুর্নী‌তির মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তার পরিবার ও এপিএসসহ ৫ জন‌কে আসা‌মি ক‌রে পৃথক ৫টি মামলা ক‌রে‌ছে দুর্নী‌তি দমন ক‌মিশন (দুদক)।

গণঅভ্যুত্থানের পর বিগত সরকারের প্রভাবশালী প্রথম কোনো মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করলো রাষ্ট্রিয় দুর্নীতি বিরোধী এই সংস্থা।

আজ বুধবার (৯ অক্টোবর) ক‌মিশ‌নের জেলা সমন্বিত কার্যালয় ঢাকা-১ এ এসব মামলা করা হয়। কমিশনের অনুমোদনের পর তার পরিবার ও এপিএসসহ তাদের বিরুদ্ধে মোট ৫টি পৃথক মামলা করে কর্মকর্তারা।

প্রত্যেকটি মামলার আসামি করা হয়েছে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল ছাড়াও মামলার অন্য আসামীরা হলেন– তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, তার ছেলে শাফি মোদাচ্ছের খান, মেয়ে সোফিয়া তাসনিম খান ও সহকারী একান্ত সচিব মনির হোসেন।

উল্লেখ্য, গত ১৫ আগস্ট নিয়োগ-পদোন্নতি কিংবা বদলিতে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তার পরিপ্রেক্ষিতেই আজ হলো সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে এই ৫ মামলা।




সাবেক হুইপ গিনির জামিন আবারও নামঞ্জুর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ ও গাইবান্ধা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাহবুব আরা বেগম গিনির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। তাকে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা বিএনপি অফিসে ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে সাবেক হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনিকে বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ তার ১০ দিনের রিমান্ডসহ জামিন নামঞ্জুরের আবেদন করে।

অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড নামঞ্জুর করে জামিনের জন্য আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড নামঞ্জুর করে জামিন শুনানি স্থগিত রেখে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ২৬ আগস্ট গাইবান্ধা জেলা বিএনপির দফতর সম্পাদক আব্দুল হাই বাদী হয়ে জেলা বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় সাবেক হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনিসহ ১১৪ জনের নামসহ অজ্ঞাত ২৫০ জনকে আসামি করা হয়।

সাবেক হুইপ ও গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য মাহাবুব আরা বেগম গিনিকে গত ১ অক্টোবর ঢাকার একটি হত্যা মামলায় ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে রিমান্ড আবেদন করে। আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গাইবান্ধা জেলা বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায় আদালতে হাজিরের উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) তাকে গাইবান্ধা জেলা কারাগারের পাঠানো হয়।

মাহবুব আরা বেগম গিনির পক্ষের আইনজীবী আহসানুল করিম লাছু বলেন, ‘রিমান্ড নামঞ্জুরসহ জামিনের জন্য আবেদন করা হয়েছিল, আদালত শুনানির জন্য স্থগিত রেখেছেন।’