ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেজানা যাবে ভোটের দিনক্ষন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার,(২৯ অক্টোবর ২০২৫) যমুনায় প্রথম সমন্বয় সভা করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন বানচালে ভেতর থেকে, বাইরে থেকে অনেক শক্তি কাজ করবে। ছোটখাটো নয়, বড় শক্তির কাছ থেকে আক্রমণ চলে আসতে পারে। এই নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে। যত ঝড় আসুক না কেন, আমাদের সেটা অতিক্রম করতে হবে।’

সভা শেষে বিকেলে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলন করে সভার আলোচ্য বিষয়গুলো জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে বলেছে যে তারা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তারিখ জানাবে।’

অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের হঠাৎ আক্রমণের আশঙ্কা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, ‘এই আক্রমণ বলতে শুধু শারীরিক আক্রমণ নয়, বরং সাইবার অ্যাটাক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ডিজ ইনফরমেশন (অপতথ্য) ছড়ানোকেও বোঝানো হচ্ছে। যারা পতিত স্বৈরাচার এবং তার দোসর, তারা দেশে একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হোক, তা চাইবে না। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’




জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার না হওয়া অবদি নির্বাচন নয়: নাহিদ ইসলাম

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : বুধবার সন্ধ্যায় (২৯ অক্টোবর) রংপুর নগরীর পর্যটন মেট্রোর হলরুমে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম   এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই যেন নির্বাচন হয়। এ জন্য সব পক্ষকেই কাজ করতে হবে। পতিত শক্তি নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। যদি ক্ষমতার লোভে কোনো দল কিংবা কোনো শক্তি যদি মনে করে তারা এককভাবেই সব কিছু করবে বা জাতীয় ঐক্য ভেঙে দেবে বা জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে দাঁড়াবে, তাহলে হিতে বিপরীত হবে। তারা সংসদ টেকাতে পারবে না। সংসদ টেকাতে তাদের কষ্ট হবে এবং জনগণের আস্থা তারা পাবে না। তাই সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান করব, সংস্কারের পক্ষে থাকার।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, জুলাই সনদ শুধু একটি দলীয় প্রস্তাব নয়, এটি জনগণের মুক্তির দলিল। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া এই দেশের গণতন্ত্র পূর্ণতা পাবে না। আমরা শুনেছি, ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ দেওয়া হবে। আমরা চাই যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে বা কমিশন যেসব বিষয়কে সংবিধান সংস্কারের জন্য লিপিবদ্ধ করেছে, সেসব বিষয় গণভোটে যাক। জনগণই রায় দেবে, কী থাকবে আর কী বদলাবে।

তিনি বলেন, নোট অব ডিসেন্ট বলে কিছু থাকবে না। সংস্কারের রূপরেখা জনগণের হাতে যাবে, তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। গণভোট ছাড়া কোনো সনদ বাস্তবায়নের অর্থ জনগণের মতামত উপেক্ষা করা।

নাহিদ আরও বলেন, গণহত্যার বিচার না হলে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কোনো অর্থ নেই। এই বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন আয়োজন কেবলই আনুষ্ঠানিকতা, কাগজের সাইন, যার মূল্য কেবলই কাগজে। বাংলাদেশের ইতিহাসে আমরা নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পরেও দেখেছি, ত্রিদলীয় রূপরেখা শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার পথ হিসেবে ব্যবহার হয়েছে। জনগণের রক্তের ত্যাগ ভুলে যাওয়া হয়েছে। আমরা সেই ভুল আর করব না।

তিনি বলেন, নোট অব ডিসেন্ট বলে কিছু থাকবে না। সংস্কারের রূপরেখা জনগণের হাতে যাবে, তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। গণভোট ছাড়া কোনো সনদ বাস্তবায়নের অর্থ জনগণের মতামত উপেক্ষা করা।

     




লোহালিয়ায় সাক্ষী হত্যা: বিএনপি নেতা নিহত, পুলিশ আহত

পটুয়াখালীর লোহালিয়া ইউনিয়নে ধর্ষণ মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হওয়ার কারণে স্থানীয় বিএনপি নেতা মফিজুল মৃধাকে (৩৮) কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করার সময় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনা ঘটেছে সদর উপজেলার পালপাড়া বাজারে, গত ৮ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে। নিহত মফিজুল স্থানীয় বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

মফিজুল সম্প্রতি এলাকার এক ধর্ষণ মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিলেন। ক্ষুব্ধ প্রতিপক্ষ সোহাগ মাঝি ও তার সহযোগীরা রাতের বেলায় বাজার এলাকায় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার পাশাপাশি বাজারে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা পুলিশের ওপরও হামলা চালায়। এতে আহত হন এএসআই জহির, এসআই আবদুর রহমান, কনস্টেবল মহিবুল্লাহ, রানা ও সাইফুল ইসলাম। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মফিজুলকে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। আইসিইউতে টানা ২০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

নিহতের পরিবার ও স্বজনদের বক্তব্য:

  • স্ত্রী রাবেয়া খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার স্বামী অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিল বলেই ওরা তাকে হত্যা করেছে। ওর কোনো দোষ ছিল না। আমার দুই মেয়ে মিম আর ফাতিমা এখন কাকে বাবা বলবে?”
  • বোন সোনিয়া আক্তার বলেন, “ভাইকে আগেও হুমকি দিয়েছিল তারা। পুলিশকে জানালেও কেউ গুরুত্ব দেয়নি। আজ আমার ভাই নেই।”
  • মা আকলিমা বেগম বলেন, “ছেলেকে মানুষ করেছি সৎ পথে চলার জন্য। ন্যায়ের পাশে থাকায় আজ তার প্রাণ গেল।”

পুলিশ অভিযান চালিয়ে আমিনুল হক চৌধুরী (৪৫), পলাশ হাওলাদার (২৫) ও রমজান আলী (৬৫) নামে তিনজনকে আটক করেছে।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, “ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্য দেয়ার কারণে এবং স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আলাদা মামলা দায়ের করা হয়েছে।”


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বিশ্বের পাঁচ দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ সার আনছে বাংলাদেশ

দেশের কৃষিখাতে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার বিশ্বের পাঁচটি দেশ থেকে মোট ২ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। এতে ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ১৭৮ কোটি ৭৭ লাখ ৪২ হাজার টাকা। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, সারগুলোর মধ্যে রয়েছে এক লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া, ৬০ হাজার টন টিএসপি এবং ৩৫ হাজার টন এমওপি সার। এছাড়া ২০ হাজার টন ফসফরিক এসিড আমদানির অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৯৯ কোটি ২০ লাখ টাকা

শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনা হবে। চুক্তির আওতায় প্রতি মেট্রিক টনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯২.৩৩ মার্কিন ডলার। এতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ১৯২ কোটি টাকা

এছাড়া সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকেও ৪০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনা হবে। একই দরে সার সরবরাহের বিষয়ে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১৯২ কোটি টাকারও বেশি

বাংলাদেশের কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকেও ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্রানুলার ইউরিয়া সার কেনা হবে। প্রতি মেট্রিক টনের মূল্য ৩৮০ মার্কিন ডলার ধরা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা

কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার কেনার অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৫৬.২৫ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫২ কোটি টাকায় নির্ধারিত হয়েছে।

এছাড়া মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস থেকে ৬০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুটি ধাপে এই সার আসবে—প্রতিটি ধাপে ৩০ হাজার মেট্রিক টন করে। প্রতি মেট্রিক টনের মূল্য ধরা হয়েছে ৫৪৮ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪০২ কোটি টাকায় নির্ধারিত হয়েছে।

অন্যদিকে ডিএপি সার উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ফসফরিক এসিড কেনারও অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। মেসার্স সান ইন্টারন্যাশনাল এফজেডই (ইউএই) থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন ফসফরিক এসিড আমদানি করা হবে। এই ক্রয়ের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯৯ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি, যেখানে প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৭৭৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কৃষি উৎপাদন টেকসই রাখতে সরকার আগেভাগেই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জিটুজি (Government to Government) চুক্তির মাধ্যমে সার আমদানির উদ্যোগ নিচ্ছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা মোকাবিলা করে কৃষক পর্যায়ে সার সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও সরবরাহ বজায় রাখতে এমন সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী। এতে আগাম মৌসুমে সার ঘাটতির কোনো আশঙ্কা থাকবে না।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




২৪ ঘণ্টায় আবারও কমলো সোনার দাম, চার দফায় ভরিতে কমেছে ২৩ হাজার টাকার বেশি

দেশের বাজারে টানা চতুর্থ দফায় কমলো সোনার দাম। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমানো হয়েছে আরও ১০ হাজার ৪৭৪ টাকা। ফলে এখন এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম হ্রাস পাওয়ায় নতুন এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) থেকে এ দাম কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে সোনার নতুন দর নির্ধারণ করা হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।

এর আগে টানা তিন দফায় ২৪ অক্টোবর, ২৭ অক্টোবর ও ২৮ অক্টোবর সোনার দাম কমানো হয়েছিল। সেই হিসাবে চার দফায় ২২ ক্যারেটের এক ভরিতে দাম কমলো মোট ২৩ হাজার ৫৭৩ টাকা

বাজুসের নতুন তালিকা অনুযায়ী—

  • ২২ ক্যারেটের সোনা: ভরিতে ১০,৪৭৪ টাকা কমে এখন ১,৯৩,৮০৯ টাকা
  • ২১ ক্যারেটের সোনা: ভরিতে ৯,৯৯৬ টাকা কমে এখন ১,৮৫,০০৩ টাকা
  • ১৮ ক্যারেটের সোনা: ভরিতে ৮,৫৭৩ টাকা কমে এখন ১,৫৮,৫৭২ টাকা
  • সনাতন পদ্ধতির সোনা: ভরিতে ৭,৩১৪ টাকা কমে এখন ১,৩১,৬২৮ টাকা

তবে রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ৪,২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪,০৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩,৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ২,৬০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের অস্থিরতা ও ডলারের মান কমে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশের বাজারেও সোনার দর নিম্নমুখী প্রবণতায় রয়েছে।


আল-আমিন

 




বাংলাদেশ সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ পাকিস্তানি সামরিক প্রতিনিধিদলের

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান (সিজেসিসি) জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা-এর নেতৃত্বে আগত এক সামরিক প্রতিনিধিদল।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর সেনাসদরে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। পরে সন্ধ্যায় সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

সেনাবাহিনীর প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়, সাক্ষাৎকালে দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও নিরাপত্তা বিষয়ক পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এছাড়া, যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ, সেমিনার, উচ্চ পর্যায়ের পরিদর্শন ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সামরিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করেন উভয়পক্ষ।

বাংলাদেশ সেনাপ্রধান ও পাকিস্তানি প্রতিনিধিদল উভয়েই আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সৌহার্দ্যের ভিত্তিতে আরও সুদৃঢ় হবে।

এর আগে, গত ২৫ অক্টোবর রাতে পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সে সময় তারা বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্প্রসারণ, এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল মামলার চূড়ান্ত শুনানি চতুর্থ দিনে

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত আপিল শুনানির চতুর্থ দিন চলছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ এর নেতৃত্বে আপিল বিভাগের বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

আজ আদালতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার-এর পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির যুক্তি উপস্থাপন করছেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ধারাবাহিক তিনদিন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিকের পক্ষে ড. শরীফ ভূঁইয়া যুক্তি উপস্থাপন করেন। একই মামলায় ইন্টারভেনার হিসেবে অংশ নেন আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক এবং শেষ দিনে বক্তব্য দেন শিশির মনির

এর আগে, গত ২৭ আগস্ট, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন প্রাথমিক শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেয় আপিল বিভাগ।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম. সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

২০০৪ সালের ৪ আগস্ট, হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করে রিট খারিজ করে দেন। পরে ২০০৫ সালে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০১১ সালের ১০ মে, আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করেন।

এর ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালের ৩০ জুন, জাতীয় সংসদে পাস হয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী, যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।

পরবর্তীতে, সরকার পরিবর্তনের পর ৫ আগস্ট, রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন ড. বদিউল আলম মজুমদার, তোফায়েল আহমেদ, এম. হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া এবং জাহরা রহমান

এছাড়া, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ১৬ অক্টোবর পৃথকভাবে একটি পুনর্বিবেচনা আবেদন করেন।
গত বছরের ২৩ অক্টোবর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং নওগাঁর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও একই দাবিতে পৃথক আবেদন দাখিল করেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




কুয়াকাটায় ডেঙ্গুতে আবারও দুইজনের মৃত্যু, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও দুই ব্যক্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এ নিয়ে এলাকায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ জনে।

রবিবার (২৬ অক্টোবর) রাতে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খাজুরা এলাকার নুরজামাল ফকির ও মিশ্রীপাড়া এলাকার হাবিব। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লতাচাপলী ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য রাহিমা আক্তার রূপা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা প্রথমে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনেরই মৃত্যু হয়।

এর আগে গত ১৩ অক্টোবর মহিপুর এলাকায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুই নারী, এক শিশু ও এক অন্তঃসত্ত্বাসহ চারজনের মৃত্যু হয়। অন্তঃসত্ত্বা ওই নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন।

বর্তমানে মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারী বলেন,
“ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রচারণা চালাচ্ছি এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছি। সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের খবর মহিপুর ও কুয়াকাটা এলাকা থেকে আসছে।”

অপরদিকে, কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাওসার হামিদ জানান,
“ডেঙ্গুতে মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফগার মেশিন দিয়ে মশা নিধন কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বাড়িঘর ও ড্রেন পরিষ্কার রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

এদিকে, এলাকাজুড়ে ডেঙ্গু আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে কুয়াকাটা ও আশপাশের অঞ্চলে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আরও বিস্তৃত হতে পারে।


আল-আমিন



বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ: জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সব দলের ঐক্য জরুরি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ কার্যকর করার জন্য দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানাতে হবে।

রোববার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে গণ অধিকার পরিষদের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “জনগণের সাংবিধানিক ক্ষমতা গণভোটের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাই জাতীয় সংসদ সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো প্রশ্ন বা আইনি জটিলতা সৃষ্টি না হয়। সবকিছুই সবার ঐক্যের ভিত্তিতে করা প্রয়োজন।”

তিনি জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য দলের প্রতি বলেন, “বাস্তবতার আলোকে কথা বলতে হবে। এমন কোনো প্রস্তাব বা আদেশ দেওয়া যাবে না যা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। পুরো প্রক্রিয়াকে বৈধ ও স্থায়ী ভিত্তিতে রচনা করতে হবে, যেন ১০-১৫ বছর পরও কেউ আদালতে যেতে না পারে।”

সালাহউদ্দিন আরও জানান, এনসিপিসহ কিছু দলের স্বাক্ষর না দেওয়ার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। আশা করা যায়, সুষ্ঠু সমাধানের মাধ্যমে তারা সনদে স্বাক্ষর করবেন। এই সনদ বাস্তবায়ন হলে তা রাজনীতিতে সমঝোতার একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে চিহ্নিত হবে।

তিনি যোগ করেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত জাতীয় সংসদই সুনির্দিষ্ট ফোরাম। নোট অব ডিসেন্টসহ স্বাক্ষরিত সনদ অনুযায়ী জনগণের সম্মতির ভিত্তিতে বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে, যাতে কোনো সংসদ সদস্য বা দল সেখান থেকে সরতে না পারে।”

সালাহউদ্দিন আহমদ আবেগের চেয়ে বাস্তবতাকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “অনেকে আবেগের বশে দাবি করেন যে জুলাই অভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের অভিপ্রায় অনুযায়ী বৈপ্লবিক আদেশ জারি করা যায়। এগুলো আবেগপূর্ণ বক্তব্য। সংবিধানের আশ্রয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। রাষ্ট্র এখনও সাংবিধানিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।”

তিনি সবাইকে ‘ফ্যাসিবাদের’ প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক, মুখপাত্র ফারুক হাসান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, জাগপা, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, এনডিপি, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রতিনিধি ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

 

আল-আমিন



নির্বাচন নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই: ইসি সচিব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে এখন পর্যন্ত উদ্বেগ বা আতঙ্কের কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

রোববার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আখতার আহমেদ বলেন, “ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী শতভাগ কাজ সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক নয়। পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কিছু বিষয়ে সমন্বয় করতে হয়। কিছু কাজ আগেই শেষ হয়েছে, আবার কিছু বিষয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সময় অনুযায়ী সব কিছু নির্দিষ্ট দিনক্ষণে করা সব সময় সম্ভব হয় না।”

তিনি জানান, আসন্ন নির্বাচনের জন্য ভোটকেন্দ্রের তালিকা ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। রাজনৈতিক দল নিবন্ধনসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতাও চলতি সপ্তাহের মধ্যেই শেষ করা হবে।

নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মাঠপর্যায় থেকে পাওয়া তথ্যগুলো আমরা পর্যালোচনা করছি। ইনশাআল্লাহ এই সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।”

নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে সচিব বলেন, “সবকিছু শতভাগ পরিকল্পনা অনুযায়ী করা সব সময় সম্ভব নয়। বাস্তব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কিছু বিষয় সামঞ্জস্য করতে হয়। এখন পর্যন্ত কোনো রকম আতঙ্ক বা দুশ্চিন্তার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। আমার মনে হয় না এখন এমন কোনো অবস্থা এসেছে যে তা নিয়ে কেউ উদ্বিগ্ন হবে।”

বিএনপি কর্তৃক আরপিও সংশোধন বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে পাঠানো চিঠি সম্পর্কে তিনি বলেন, “বিএনপি একটি চিঠি দিয়েছে। কমিশন বিষয়টি পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।”

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার আগেই প্রাথমিক সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে কমিশনের।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম