কুয়াকাটার সৌন্দর্য রক্ষায় চার শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার পরিবেশ সুরক্ষায় চার শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া এই অভিযান চলবে আগামী দুদিন।

প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জিরো পয়েন্ট থেকে পৌরভবন পর্যন্ত এলাকায় অবৈধ দখলদারদের স্থাপনা সরাতে আগে থেকেই নোটিশ ও মাইকিং করা হলেও অনেকেই স্থানান্তর করেনি। ফলে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে এসব স্থাপনা সরানোর কাজ করছে।

কুয়াকাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “আমরা প্রায় চার শতাধিক অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ দিয়েছি, যা আইনগতভাবে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই চলছে। যারা এখনও স্থানান্তর করেননি, তাদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”

এই অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক মো. কৌশিক আহমেদ। সেনাবাহিনী, মহিপুর থানা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সহায়তায় পুরো এলাকায় উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।




ইসলামি সম্মেলনে যোগ দিতে সোহরাওয়ার্দীতে উপচে পড়া ভিড়

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামি মহাসম্মেলন যোগ দিতে ভোর থেকেই উপচে পড়া ভিড়। সম্মেলন কে কেন্দ্র করে পায়ে হেটে, নিজস্ব পরিবহন, বাস ও মেট্রোরেলে এদিন সম্মেলনস্থলে আসতে দেখা যায়।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ভোর থেকেই জমায়েত হতে থাকা এ সম্মেলনটি সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে। যেখানে দাওয়াত ও তাবলিগ, কওমি মাদরাসা এবং দীনের হেফাজতের বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

ইসলামি মহাসম্মেলন কে কেন্দ্র করে এদিন দেশের বিভিন্ন স্থানের আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ভোর থেকেই সম্মেলনস্থলে আসতে দেখা যায়। বিপুল মানুষের ঢাকায় প্রবেশে রাজধানীর প্রায় প্রতিটি স্থানেই সৃষ্টি হয়েছে যানজটের।

এমতাবস্থায় সাইনবোর্ড, যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, গাবতলি থেকে গণপরিবহন না পেয়ে পায়ে হেটেও সম্মেলনে যোগ দিতে আসতে দেখা যায়।

উপচে পড়া ভিড় দেখা যায় বাস ও মেট্রোরেলেও। এদিন মিরপুর শেওড়াপাড়ায় অনেককেই বাসের জন্য দাঁড়িয়ে থেকে বাস না পেয়ে মেট্রোরেলে সম্মেলনে যেতে দেখা যায়। ফলে মেট্রোরেলেও ছিলো উপচে পড়া ভিড়। তিল ধারণের ঠাই ছিলো না মেট্রোরেলে।

এর, আগে কওমি মাদরাসাভিত্তিক আলেমরা একাধিক সংবাদ সম্মেলন করে সর্বস্তরের ওলামা-মাশায়েখ ও সাধারণ জনগণকে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

এদিকে, ২০১৯ সাল থেকে বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। প্রথম পর্বে মাওলানা সাদের অনুসারীরা অংশ নেন, এবং দ্বিতীয় পর্বে অন্য পক্ষের লোকজন অংশগ্রহণ করেন। তবে এবার মাওলানা সাদের অনুসারীরা দাবি করছেন, তারা প্রথম পর্বে ইজতেমা করতে চান। এই দাবি নিয়ে কওমি মাদরাসাভিত্তিক আলেমরা বিরোধিতা জানান এবং তাদের পক্ষ থেকে ইসলামি মহাসম্মেলনের আয়োজন করা হয়।




ময়মনসিংহে গ্যাস পাম্পে আগুন, নিহত বেড়ে ২

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ  :: ময়মনসিংহ গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২ জন হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মোট ৭ জন। তার মধ্যে ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে এবং ২ জন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনা তদন্তের জন্য ইতোমধ্যে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসন।

নিহতরা হলেন, প্রাইভেটকার চালক সদর উপজেলার কিছমত গ্রামের বাসিন্দা হিমেল ও রহমতপুর এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে আব্দুল কুদ্দুস। আহতদের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

সোমবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল কুদ্দুস মারা যান। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিদর্শক মো. শফিক উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ময়মনসিংহ জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ঘটনার সময় ঢাকা থেকে আনা একটি এলপিজি গ্যাসের ট্যাঙ্ক লড়ি থেকে গ্যাস নামানো হচ্ছিল। পাশাপাশি একটু দূরেই একটি প্রাইভেটকারে তিতাস গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। এ সময় গ্যাস লিকেজ থেকে হঠাৎ এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে ৭টি গাড়ি অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত হয়ে যায়। এর মধ্যে একটি প্রাইভেকটার, তিনটি সিএনজিসহ অন্যান্য গাড়ি রয়েছে।

এসময় ভস্মীভূত প্রাইভেটকার থেকে হিমেল নামের এক অগ্নিদগ্ধ ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এক নারীসহ ৬ জন দগ্ধ হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেলে পাঠানো হয়। বর্তমানে হাসপাতালের ৪ জনের চিকিৎসা চলছে।

এর আগে বেলা পৌনে ৩ টার দিকে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিটের টানা দুই ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে, এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা কাজ করছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করার চেষ্টা চলছে।

এদিকে, অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মুফিদুল আলম। এ সময় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

ডিসি মো. মুফিদুল আলম বলেন, অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ইতোমধ্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট লুৎফুন্নাহার নাহারকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে এই কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলো এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই সঙ্গে কীভাবে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং অগ্নিকান্ডের ঘটনায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত, তা ওই প্রতিবেদনে জানা যাবে।




গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে’ বিএনপির সঙ্গে কাজ করতে চায় আওয়ামী লীগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দেশের ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে’ প্রয়োজন হলে বিএনপির সঙ্গে একযোগে কাজ করার বিষয়ে তার দলের প্রস্তুত থাকার কথা বলেছেন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

রোববার লন্ডনভিত্তিক ‘চ্যানেল এস’ টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা সরকারের সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, “আমি বিএনপির সাথে অনেক ক্ষেত্রে একমত।

“এবং বিএনপি যে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কথা বলছে, একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলছে, সেটির সাথে আমরা একমত এবং প্রয়োজনে বিএনপির সাথে একযোগে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আমরা কাজ করব।”

ছাত্র-জনতার তুমুল গণ আন্দোলনে গত ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হাছান মাহমুদের দেশ ছাড়ার খবর এসেছিল। তবে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের মন্ত্রী ও দলের সংসদ সদস্যদের গ্রেপ্তার অভিযানের মুখে তিনি কীভাবে বাইরে গেলেন, সেই প্রশ্ন রয়ে গেছে এখনও।

সরকার পতনের পরপরই ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বিএনপির সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে একসঙ্গে কাজ করার কথা বলেছিলেন। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো সাড়া আসেনি। দলটির নেতারা আওয়ামী লীগকে ‘ফ্যাসিবাদী’ আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতিরোধের কথা বলছে।

তবে অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির বক্তব্যের ধারাও ইদানীং পাল্টেছে। নেতারা দ্রুত নির্বাচন চাইছেন। মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এক এগারোর মত ‘মাইনাস টু’য়ের চেষ্টা সফল হবে না।




পায়রা নদীতে ১৩ কেজির বিশাল পাঙাশ ধরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে ১৩.৫ কেজি ওজনের বিশাল পাঙাশ মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি জেলে রাকিব হাওলাদার ও জিয়াদের জালে ধরা পড়ে। পরে সেটি পারাগঞ্জের জালাল ফকিরের মৎস্য আড়তে নিয়ে আসা হয়।

জেলে রাকিব হাওলাদার জানান, “২২ দিনের ইলিশ প্রজনন মৌসুম শেষে নদীতে নামার পরেই এত বড় পাঙাশ ধরা পড়েছে, যা আমাদের জন্য সত্যিই বিস্ময়ের।”

আড়তদার জালাল ফকির জানান, মাছটি স্থানীয় বাজারে ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে বিক্রি সম্ভব না হলে তা ঢাকায় পাঠানোর কথাও ভাবা হচ্ছে।

পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, “ইলিশ মৌসুমের সফলতা এখন নদীতে স্পষ্ট। শুধু পায়রা নদী নয়, দেশের অন্যান্য নদীতেও বড় পাঙাশসহ নানা প্রজাতির মাছ পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।”




দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে গাংনীতে বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ::নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে মেহেরপুরের গাংনীয় উপজেলার বামুন্দী বাজারে অভিযান পরিচালনা করেছে বিশেষ টাস্কফোর্স। এ সময় বাদল ট্রেডার্স নামের এক দোকানিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সোমবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে এ অভিযান চালানো হয়। সেই সাথে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন মেহেরপুর জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের বিশেষ টাস্কফোর্স সদস্য সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম। একই সময়ে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মূল্য তালিকা না থাকায় তাদেরকে সতর্ক করা হয়। অভিধানের সহযোগিতা করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দলঅভিযানে উপস্থিত ছিলেন কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) মেহেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল হক মানিক, বৈষম্যবিরোধি ছাত্র আন্দোলনের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, ক্যাব গাংনী উপজেলা শাখার সভাপতি তৌহিদ উদ-দৌলা রেজা ও সহসভাপতি মজনুর রহমান আকাশসহ ক্যাব ও ছাত্র প্রতিনিধিরা।

এ সময় বামুন্দি বাজার কমিটির সভাপতি আব্দুল আউয়ালের সাথে বাজারের পণ্য সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্যে কেনাবেচা করার জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।




‘বরিশাল ভাটার খাল কলোনিতে হামলায় আহত হয়ে মায়া মারা যায়নি’

বরিশাল অফিস:: হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলেও প্রতিপক্ষ প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে হামলায় আহত হয়ে রোগী মায়া বেগম (৩০) মারা গেছে। এমন অভিযোগ এনে রোগীর ব্যবস্থাপত্র তুলে ধরে বরিশাল নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড ভাটার খাল কলোনির তিন জন বাসিন্দা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সোমবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬ টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি (বিআরইউ) কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনকারী তিনজন হলেন- কলোনির মৃত মোঃ হালিম শাহ্ মেয়ে মোসাঃ রশ্নি, মৃত মোশারফ মুন্সির মেয়ে মোসাঃ সুমি বেগম ও সাদ্দাম শাহ এর স্ত্রী মোসাঃ নিপু আক্তার।

লিখিত বক্তব্যে নিপু আক্তার বলেন, ভাটার খাল কলোনির বাসিন্দা মায়া বেগম (৩০) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রোববার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ইউনিট-২ তে ভর্তি (রেজি নং- ৬৮১০৭/৬০) হলেও ওই দিনই সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মায়া আগে থেকেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। যা কলোনির সকলেই জানে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মায়ার মৃত্যুর ঘটনাকে হামালায় আহত হয়ে মারা গেছে বলে প্রচারণা চালাচ্ছে প্রতিপক্ষ।

কলোনিতে একটি মটার নষ্ট হবার পর পানি ব্যবহারের তর্ক-বিতর্ক নিয়ে সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দফায় দফায় দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। আহতদের মধ্যে মায়া ছিল না। তখন মায়া আহত হয়নি এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়নি। তাছাড়া মারামারিতে আহত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয় সার্জারী বা অর্থপেডিক্স ওয়ার্ডে। একই সাথে হাসপাতালের জরুরী বিভাগ থেকে আহত রোগীর ভর্তির ব্যবস্থাপত্রে পুলিশ কেসের সিল দেয়া হয়। কিন্ত মায়ার ভর্তির ব্যবস্থাপত্রে পুলিশ কেসের সিল ছিল না। হামলায় আহত হয়ে মায়া মারা যায়নি।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মায়ার মৃত্যুকে অস্বভাবিক করে তোলার কারণ হল- ২৮ অক্টোবর কলোনিতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছিল ১০ জন। ঘটনার পরই দুই পক্ষের আহত ৭ জনকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছিল। ২৯ অক্টোবর এ হামলার ঘটনায় তানিয়া আক্তার বাদী হয়ে নামধারী ১৪ জন সহ অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জনকে আসামী করে বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার নং-৫০/৬৭৪। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম আসামী ৭ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে।

গ্রেফতারকৃত ৭ জনের মধ্যে ছিল রুহুল আমীন (৪০)। এই রুহুল আমীনই হল- হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী মায়ার স্বামী। রুহুল আমীন ওই দায়েরকৃত মামলায় জেলহাজতে থাকার কারণে আমাদের জেল খাটানোর জন্য হৃদরোগে মারা যাওয়া স্ত্রীকে ‘ফিজিক্যাল অ্যাসল্ট’ বলে লোকমুখে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। যে কেউ শেবাচিম হাসপাতালে রোগী মায়ার ভর্তির ব্যবস্থাপত্র শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তদন্ত করলে হাতেনাতে প্রমাণ মিলবে।

অথচ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোববার ( ৩ নভেম্বর) রাতে ‘মায়ার মৃত্যুর বিচারের দাবিতে পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছে প্রতিপক্ষ।’ যা উদ্দেশ্যমূলক। একই সাথে হত্যা মামলা দায়ের করে আমাদেরকে হয়রানী করার পরিকল্পনা নিয়েছে প্রতিপক্ষ।

উল্টো তানিয়ার দায়েরকৃত মামলার আসামীরা আমাদের ঘর বাড়ি ভাংচুর করেছে। ঘটনাস্থল থেকে আমাদের সেনাবাহিনী উদ্ধার করেছিল। আসামীরা নিজেদের ঘরে নিজেরা আগুন দিয়ে আমাদের নাম ফাঁসাতে চায়। এখন হৃদরোগে আক্রান্ত মায়ার স্বাভাবিক মৃত্যুকে অপপ্রচার পূর্বক আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমাদের ৫টি স্পীডবোট আটকিয়ে রাখছে এবং সিরিয়াল কােটে দিয়েছে। প্রতিপক্ষরা বসতঘরে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। যে কারণে আমরা নিজ ঘরে যেতে পারি না।




৭ দিন সাড়ে ৩ ঘণ্টা করে বন্ধ থাকবে শাহজালালের রানওয়ে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ::হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে আগামী ৮ নভেম্বর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সাড়ে ৩ ঘণ্টা করে বন্ধ থাকবে। রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।  এ সময় সব ধরনের ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকবে। সোমবার বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সব এয়ারলাইনস ও সংস্থাকে বিষয়টি জানাতে ইতোমধ্যেই নোটিশ জারি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরের যাত্রীদের তাদের স্ব স্ব ফ্লাইট সম্পর্কে অগ্রিম জানাতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সকে এবং যাত্রীদের তাদের ফ্লাইট সূচি পুনরায় নিশ্চিত হওয়ার জন্য বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ পরামর্শ দিচ্ছে। প্রয়োজনে বিমানবন্দরের কল সেন্টার ১৩৬০০- তে কল করার পরামর্শ দেন তিনি।

এর আগে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য চলতি বছরের ১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত সাড়ে তিন ঘণ্টা করে বন্ধ ছিল বিমানবন্দরের রানওয়ে। তার আগে ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ১০ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের নতুন হাইস্পিড কানেকটিং ট্যাক্সিওয়ে নির্মাণ কাজের জন্যও রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়েছিল




ময়মনসিংহে গ্যাস পাম্পে আগুন, নিহত ২

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ::ময়মনসিংহ গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২ জন হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মোট ৭ জন। তার মধ্যে ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে এবং ২ জন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনা তদন্তের জন্য ইতোমধ্যে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসন।

নিহতরা হলেন, প্রাইভেটকার চালক সদর উপজেলার কিছমত গ্রামের বাসিন্দা হিমেল ও রহমতপুর এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে আব্দুল কুদ্দুস। আহতদের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

ময়মনসিংহ জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ঘটনার সময় ঢাকা থেকে আনা একটি এলপিজি গ্যাসের ট্যাঙ্ক লড়ি থেকে গ্যাস নামানো হচ্ছিল। পাশাপাশি একটু দূরেই একটি প্রাইভেটকারে তিতাস গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। এ সময় গ্যাস লিকেজ থেকে হঠাৎ এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে ৭টি গাড়ি অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত হয়ে যায়। এর মধ্যে একটি প্রাইভেকটার, তিনটি সিএনজিসহ অন্যান্য গাড়ি রয়েছে।

এর আগে বেলা পৌনে ৩ টার দিকে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিটের টানা দুই ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে, এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা কাজ করছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করার চেষ্টা চলছে।

এদিকে, অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মুফিদুল আলম। এ সময় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

ডিসি মো. মুফিদুল আলম বলেন, অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ইতোমধ্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট লুৎফুন্নাহার নাহারকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে এই কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলো এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই সঙ্গে কীভাবে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং অগ্নিকান্ডের ঘটনায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত, তা ওই প্রতিবেদনে জানা যাবে




সারজিস আলমের দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া মাদরাসা পরিদর্শন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: “বৈষম্য দূরীকরণের জন্য সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

আজ (৪ অক্টোবর) সোমবার ডেমরায় দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসা পরিদর্শনকালে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন এবং তাদের অভিজ্ঞতা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

অধ্যক্ষ আ খ ম আবু বকর সিদ্দিক ও মাদ্রাসার শিক্ষক সহ এলাকার মুরুব্বীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

সারজিস আলম বলেন, ছাত্রদের সক্রিয় অংশগ্রহণই এই আন্দোলনের মূল ভিত্তি। শিক্ষার্থীরা যেন নিজেদের শিক্ষার ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য ও সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তির জন্য সচেতন হন, সেই বিষয়েও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

মাদরাসার শিক্ষার্থীরা তাদের সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার চ্যালেঞ্জগুলোও তুলে ধরলে সারজিস আলম এগুলো সমাধানের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং তাদের মাঝে সাহস ও উদ্যম জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানান।

তিনি সকলের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন, যেন শিক্ষার্থীরা নিজেদের দাবি তুলে ধরতে সাহসী হন।