সুন্দরবন ১৬ লঞ্চ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে তরুণীর মৃত্যু

বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন ১৬ লঞ্চ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে এক তরুণীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামে নদীতে ভাসমান অবস্থায় ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করে বরিশাল সদর নৌ পুলিশ।
নিহত তরুণীর নাম আলো মজুমদার (৩৭)। তিনি বরিশাল জেলার এয়ারপোর্ট থানাধীন পশ্চিম ইছাকাঠি এলাকার বাসিন্দা এবং অনুপ রায়ের স্ত্রী। বরিশাল সদর নৌ পুলিশের ওসি সনাতয় চন্দ্র সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আলো মজুমদারের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। গতকাল, ১১ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে মোবাইলে লোড দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন এবং এরপর থেকে আর ফিরে আসেননি। তার নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে এয়ারপোর্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
লঞ্চটির যাত্রী আলম রায়হান জানান, চরমোনাই এলাকা অতিক্রম করার সময় গতকাল রাতে এক তরুণীকে লঞ্চ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখা যায়। লঞ্চের ক্রু এবং যাত্রীরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও সফল হননি।
চরমোনাই ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, তিনি নদীতে কিছু ভাসতে দেখে সন্দেহ করেন। এরপর তিনি ৯৯৯-এ ফোন করলে নৌ পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে।
বরিশাল সদর নৌ পুলিশের ওসি সনাতয় চন্দ্র সরকার জানান, “আমরা ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা মনে হলেও আমরা বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখছি। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, তার কোনো পারিবারিক দ্বন্দ্ব ছিল না। তবে মানসিক অসুস্থতার কারণে এমনটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”
আলো মজুমদারের ভাই মঞ্জু মজুমদার জানান, নিখোঁজ হওয়ার সময় তার বোনের গায়ের রং শ্যামলা, উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি ছিল। বাম পায়ের গোড়ালি ও তালুতে পোড়ার দাগ ছিল এবং তার পরনে ছিল সেলোয়ার কামিজ।
“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”








