ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন শেখ হাসিনা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে এক সপ্তাহ আগে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে গেছেন শেখ হাসিনা। দেড় দশকের বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি দায়ী করেছেন তিনি। শেখ হাসিনার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের কথামতো বঙ্গোপসাগরে একাধিপত্য বাড়াতে সেন্টমার্টিন দ্বীপ তুলে না দেয়ায় তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে।

ভারতে পৌঁছে শেখ হাসিনার সঙ্গে যাদের কথা হয়েছে সেই সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজারের অনলাইন ভার্সনে বলা হয়েছে, যাতে ‘লাশের মিছিল’ দেখতে না হয় সেজন্য পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন শেখ হাসিনা। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, নয়াদিল্লিতে নামার পর একাধিকবার ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে দেখা হয় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। ভারতীয় নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক কর্তাদের সঙ্গেও তার কথা হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, যতক্ষণ না শেখ হাসিনার পরবর্তী আশ্রয়ের ঠিকানা নির্ধারিত হয় ততদিন দিন নয়াদিল্লিতেই থাকবেন। নয়াদিল্লির আবাসস্থল থাকা ঘনিষ্ঠজনের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বাংলাদেশের পরিস্থিতি এবং আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি দায়ী করেছেন।

দেশত্যাগ করার আগে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে যে বক্তব্য দিতে চেয়েছিলেন, তাতেও এই বক্তব্যই রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বাসভবন দখল করে।

শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কথামতো বঙ্গোপসাগরে একাধিপত্য বাড়াতে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ তাদের হাতে তুলে না দেয়ার মাসুল হিসাবেই তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। তিনি বাংলাদেশিদের সতর্ক করেছেন, তারা যেন ‘মৌলবাদীদের দ্বারা’ পরিচালিত না হন।

ভারতে পৌঁছে শেখ হাসিনার সঙ্গে যাদের কথা হয়েছে, সেই সূত্রে জানানো হয়েছে, যেন লাশের মিছিল দেখতে না হয় সেজন্য পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। ছাত্রদের মৃতদেহের ওপর ক্ষমতা হস্তান্তর হোক তা চাননি বঙ্গবন্ধুকন্যা। চাননি দেশের আরো সম্পদ নষ্ট হোক।

শেখ হাসিনার মতে, সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সার্বভৌমত্ব যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিয়ে বঙ্গোপসাগরে সে দেশকে ছড়ি ঘোরাতে দিলে হয় তো তিনি ক্ষমতায় থেকে যেতে পারতেন। দেশ ছাড়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে তিনি বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন হাসিনা।

শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি আবার নিজের দেশে ফিরে যাবেন। তিনি মনে করেন, আওয়ামী লীগ বার বার ঘুরে দাঁড়িয়েছে, আবারো দাঁড়াবে। তার দলের অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা ও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার মতো খবরে তিনি ব্যথিত বলে জানিয়েছেন। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। এরপর ২০১৪ সালে দশম সংসদ নির্বাচন হয় একতরফা, যেখানে বিরোধী দলগুলো অংশ নেয়নি।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি আবার প্রধানমন্ত্রী হন। তবে এ নির্বাচনও বিতর্কিত। ছয় মাসের মাথায় ব্যাপক ছাত্র ও গণবিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান তিনি।




কুয়াকাটায় রাস্তা দখল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় মুদি দোকানিকে কারাদণ্ড

কুয়াকাটায় সরকারি রাস্তা দখল করে ফ্রিজ রাখা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় জাফর মৃধা (৪৫) নামের এক মুদি দোকানিকে দুই মাস ২৮ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুয়াকাটা চৌরাস্তা এলাকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহমেদ এই দণ্ড প্রদান করেন।

জানা গেছে, কুয়াকাটা চৌরাস্তা এলাকায় মৃধা স্টোরের স্বত্বাধিকারী জাফর মৃধা দীর্ঘদিন ধরে সড়ক দখল করে ফ্রিজ রেখে ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। সন্ধ্যায় কুয়াকাটা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালালে, তারা ওই দোকানের সামনে গিয়ে ফ্রিজ সরাতে বলেন। তবে, দোকানি ফ্রিজ সরানোর পরিবর্তে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এর ফলে তাকে দণ্ডিত করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহমেদ বলেন, “কুয়াকাটায় ১৫ নভেম্বর রাসমেলা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে। তাই কুয়াকাটার শৃঙ্খলা ফেরাতে অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানের সময় ওই দোকানি সড়ক দখল করে ফ্রিজ রাখলে তাকে সরাতে বলা হয়। তিনি ফ্রিজ না সরিয়ে উল্টো ভ্রাম্যমাণ আদালতের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন, যা আদালতের সিদ্ধান্তে দণ্ডিত হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “কুয়াকাটার সৌন্দর্য রক্ষা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

#কুয়াকাটা, #পটুয়াখালী, #ভ্রাম্যমাণ_আদালত, #দুই_মাস_কারাদণ্ড, #রাস্তা_দখল, #ফ্রিজ, #নির্বাহী_ম্যাজিস্ট্রেট, #কুয়াকাটা_চৌরাস্তা, #অভিযান, #মুদি_দোকানি, #অবৈধ_স্থাপনা, #শৃঙ্খলা

 




শেখ হাসিনার বিচার দাবিতে পটুয়াখালীতে যুবদলের বিক্ষোভ

গত ১৭ বছর ধরে বিএনপি ও সমমনা দলের নেতাকর্মীদের গুম-খুন এবং সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র জনতার ওপর গুলিবর্ষণের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার দাবিতে পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা যুবদল।

মঙ্গলবার বিকেলে পটুয়াখালী শহরের শের ই বাংলা সড়কে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসভবনের সামনে থেকে জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তৌফিক আলী খান কবিরের নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

বিক্ষোভকারীরা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন, যার মধ্যে বিডিআর বিদ্রোহ, হেফাজতের আলেমদের ওপর নির্যাতন, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড, ইলিয়াস আলীসহ অনেক নেতাকর্মীর গুম এবং সাম্প্রতিক ছাত্র জনতার ওপর সহিংসতা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এ সময় জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তৌফিক আলী খান কবির বলেন, “এইসব ঘটনা প্রমাণ করে যে, বর্তমান সরকার বিরোধী দলগুলোর কণ্ঠরোধ করার জন্য দমনমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে।”

মিছিল শেষে বক্তারা দাবি করেন, দেশের গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শেখ হাসিনার বিচার হওয়া উচিত।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ভোলায় গ্যাস সংযোগ, অবৈধ চুক্তি বাতিল ও ভোলা-বরিশাল সেতু বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ

ভোলায় বাসাবাড়িতে গ্যাস সংযোগ, ইন্ট্রাকো কোম্পানির সাথে অবৈধ চুক্তি বাতিল এবং ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা উত্তর শাখা এই কর্মসূচি আয়োজন করে। মিছিলটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।

এ সময় বক্তারা বলেন, “ভোলায় গ্যাস পাওয়া প্রায় ৩৪ বছর হলেও এখনো বাসাবাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়নি। অথচ, সরকারের অনুমোদন ছাড়া ইন্ট্রাকো নামে একটি কোম্পানির সঙ্গে অবৈধ চুক্তির মাধ্যমে ভোলার গ্যাস দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। ভোলার বাসাবাড়িতে গ্যাসের সংযোগ দেয়া হচ্ছে না, এটা ভোলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী।”

বক্তারা আরও বলেন, “বর্তমানে যেসব রাইজার স্থাপন করা হয়েছে তা প্রায় ১০ বছর পুরনো, এবং সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি সেগুলো প্রতিস্থাপন করছে না। অন্যদিকে, ইন্ট্রাকো কোম্পানি সিলিন্ডার করে গ্যাস নিয়ে ঢাকায় পাচ্ছে, যেখানে ১৬ টাকায় গ্যাস কিনে ৪৮ টাকায় বিক্রি করছে। পুনরায় সেই গ্যাস ভোলার মানুষের কাছ থেকে বেশি দামে কেনা হচ্ছে।

এছাড়াও তারা ইন্ট্রাকোর সাথে সকল চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেন, “ভোলাবাসী জানতে চায়, কিভাবে ইন্ট্রাকো ভোলা থেকে গ্যাস নেয়। আমরা হুশিয়ারি দিচ্ছি, ইন্ট্রাকোর কোনো গাড়ি ভোলাতে আসতে পারবে না এবং ভোলা থেকে গ্যাস নিতে পারবে না।

তারা আরও বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ ভোলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী। এই সরকার যেনো ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।

গতকাল, সকাল ১১টার দিকে কালিনাথ রায়ের বাজারের হাটখোলা মসজিদের সামনে সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম 




বিপিএল ধামাকা শুরু ৩০ ডিসেম্বর, ফাইনাল ৭ ফেব্রুয়ারি

বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর! জনপ্রিয় ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এই বছর বিপিএলের একাদশ আসরের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২০২৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি। নতুন বোর্ড সভাপতি ফারুক আহমেদের নেতৃত্বে বিপিএল এবারে নতুন আঙ্গিকে আয়োজন করা হচ্ছে, যা আরও আকর্ষণীয় এবং সাফল্যমণ্ডিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা।

এবারের বিপিএল আগের সব আসরের চেয়ে আলাদা হবে, এমনটাই জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) । বিপিএল-এ এবার অংশগ্রহণ করছে ৭টি দল। এই আসরে মোট ৪৬টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ফরচুন বরিশাল এবং দুর্বার রাজশাহী দলের মধ্যে। ম্যাচটি হবে ৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার।

বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ জানালেন, এবারের বিপিএলে সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সকল দলের জন্য সমান ভেন্যু নির্বাচন, ডে ম্যাচ, নাইট ম্যাচসহ বিশ্রামের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ বছর প্রতিটি দল যেন পারফরম্যান্সের দিক থেকে সঠিক সুযোগ পায়, তার জন্য ফিকচার নির্ধারণে বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়েছে।

ফারুক আহমেদ আরও জানান, এবারের বিপিএলে বেশ কিছু নতুনত্ব থাকবে। বিশেষত প্রোডাকশন নিয়ে বিসিবি অনেক সচেতন। নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বমানের টিভি প্রোডাকশন নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া, মাঠে থাকবে ডিজিটাল পেরিমিটার, যা টুর্নামেন্টের প্রযুক্তিগত দিকটিকে আরও আধুনিক করবে। টুর্নামেন্টের কমেন্ট্রি এবং আম্পায়ারিং নিয়েও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। দেশের পাশাপাশি বিদেশী নামকরা আম্পায়াররাও দায়িত্ব পালন করবেন, যাতে ম্যাচের মান এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করা যায়।

ফারুক আহমেদ জানান, এবারের বিপিএল নতুন মাত্রা পাবে এবং আগের সমালোচনাগুলো কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে। তিনি আরও বলেন, “এখন পর্যন্ত ১০টি বিপিএল আসর হয়ে গেল, কিন্তু একটি ভাল প্লাটফর্ম গড়তে পারিনি। এবারের বিপিএল অবশ্যই সেই খোলস থেকে বেরিয়ে আসবে। পরবর্তী সময়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।”

এবং, যদিও এবারের বিপিএল বর্তমান সাইকেলের শেষ টুর্নামেন্ট, বিসিবি আগামি বছরগুলোর জন্য নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। প্রতিটি টুর্নামেন্ট যেন আরও উন্নত এবং আকর্ষণীয় হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বন্দরের আয়ের ১ শতাংশ ‘মাশুল’ হিসেবে চান মেয়র ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম বন্দরের আয়ের ১ শতাংশ ‘নগর উন্নয়ন মাশুল’ হিসেবে চেয়ে বলেছেন, এই অর্থ চসিকের অবকাঠামো উন্নয়ন ও নগরীকে আরও আধুনিক করতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য পরিবহনের জন্য সিটি করপোরেশন যে সড়ক নির্মাণ করে, সেগুলি বন্দরের ভারী যানবাহন চলাচলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে সড়ক মেরামতের জন্য চসিকের রাজস্বের একটি বড় অংশ ব্যয় হয়, যা উন্নয়ন কাজের জন্য সীমিত রাখে।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘‘বন্দরকে সচল রাখতে এবং এর পণ্য পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় সড়ক নির্মাণে চসিকের অনেক অর্থের প্রয়োজন। যদি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দরের আয়ের ১ শতাংশ চসিককে দেয়, তাহলে চসিক অবকাঠামো খাতে আরও বেশি কাজ করতে পারবে, যা শুধু নগর উন্নয়ন নয়, বরং দেশের রাজস্ব আয়ের জন্যও সহায়ক হবে।’’

মেয়র আরও বলেন, ‘‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য কার্যক্রম কেবল হোল্ডিং ট্যাক্স এবং অল্প কিছু খাতের আয় দিয়ে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই বন্দরসহ অন্যান্য খাত থেকে আয়ের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি।’’

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান সভায় বলেন, ‘‘পলিথিন ও অন্যান্য বর্জ্য কর্ণফুলী নদীর নাব্যতার জন্য বড় হুমকি। এ নদী রক্ষায় চসিককে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। একটি সামগ্রিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।’’

সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার লতিফুল হক কাজমি এবং বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সাংবাদিকদের নির্ভয়ে সংবাদ পরিবেশন করতে বললেন তথ্য উপদেষ্টা

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘আপনারা নির্ভয়ে, সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করুন। সরকার সব ধরনের সহায়তা করবে। তবে ভুল বা মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করলে তা সরকারের জন্য এবং দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।’’

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে দৈনিক সংবাদপত্রের সম্পাদক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। সভায় তিনি আরও বলেন, ‘‘সঠিক তথ্য পরিবেশন করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকার জনগণের কাছে সঠিক ও নিরপেক্ষ তথ্য পৌঁছাতে গণমাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল। যদি সঠিক তথ্য না পৌঁছায়, তাহলে গুজবের জন্ম হয়, যা দেশের জন্য বিপজ্জনক।’’

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘‘গত জুলাইয়ে ঘটে যাওয়া গণ-অভ্যুত্থানে অনেক সাংবাদিক সমর্থন এবং সহায়তা করেছেন। তবে এখন অনেক সাংবাদিক তাদের মিডিয়া হাউজে নানা ধরনের হেনস্থার শিকার হচ্ছেন, যার কারণে কিছু অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। এটি শুধু গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেই নয়, প্রশাসন ও অন্যান্য ক্ষেত্রেও হচ্ছে। আমরা চাই, সাংবাদিকরা তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিজেরাই সমাধান করুন, যাতে সরকারের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন না হয়।’’

সভায় সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিলের বিষয়ে আলোচনা হয়। সম্পাদকরা সরকারের কাছে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। তারা বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা ঠিক নয়, যা সাংবাদিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ বলেন, ‘‘সরকারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের ওপর কোনো চাপ নেই, এবং সামরিক গোয়েন্দাদের পক্ষ থেকেও কোনো চাপ প্রয়োগ হবে না বলে আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে।’’

সভায় সাংবাদিকদের উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘আপনারা সঠিক তথ্য সংগ্রহ এবং সঠিকভাবে সংবাদ পরিবেশন করুন, যাতে জনগণ প্রকৃত সত্য জানতে পারে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং সরকারের সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে।’’

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বেতাগীর সামাজিক বনায়নে হাজারো গাছের মৃত্যু পরোয়ানা

বরগুনার বেতাগী উপজেলায় সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের আওতায় রোপণ করা হাজার হাজার গাছের “মৃত্যু পরোয়ানা” জারি করেছে বন বিভাগ। গাছগুলোতে নম্বর দিয়ে কাটার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং কিছু সড়কের গাছ ইতোমধ্যে কেটে ফেলা হয়েছে। এসব গাছ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সুরক্ষা প্রদান করেছিল, তবে বর্তমানে বন বিভাগের কাটার সিদ্ধান্তে এলাকাবাসী শঙ্কিত।

বেতাগী পৌরসভার সবদার চান মুন্সীর মাজার থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যন্ত সড়কের দুপাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ, যেমন রেইনট্রি, আকাশমণি, কড়ই, মেহগনি রোপণ করা হয়েছিল। বর্তমানে সেখানকার বেশিরভাগ গাছ কেটে ফেলা হলেও কিছু আকাশমণি গাছ এখনও “মৃত্যু পরোয়ানা” নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। গাছের প্রতিটিতে নম্বর দেওয়া হয়েছে, যা কাটার জন্য প্রস্তুতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এছাড়া, বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের বদনীখালী বাজার থেকে কনার খাল পর্যন্ত সড়কের গাছগুলোও কাটা হবে। বন বিভাগ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য দরপত্র আহ্বান করে গাছ বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। স্থানীয়রা initially ধারণা করেছিলেন, এসব নম্বর গাছ গণনার জন্য দেওয়া হয়েছে, কিন্তু পরে জানানো হয় যে, গাছগুলো কাটা হবে, যা তাদের জন্য বিস্ময়কর ছিল। একসাথে এত গাছ কাটা হবে শুনে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বেতাগী উপজেলায় ১৫ হাজার ৯৫৭ হেক্টর আয়তনে ১ লাখ ২৫ হাজার ৪৬৪ মানুষের বসবাস, এর মধ্যে ৪ হাজার ৩৬৯ হেক্টর বনভূমি রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। বন বিভাগ ১৯৯১ সাল থেকে সামাজিক বনায়নের আওতায় ১৮০ কিলোমিটার সড়কে নানা প্রজাতির গাছ রোপণ করেছিল, তবে ৫০ কিলোমিটার সড়কের গাছ ইতোমধ্যে কেটে ফেলা হয়েছে। সামাজিক বনায়ন বিধিমালা অনুযায়ী, গাছের বয়স ১৫-২০ বছরের মধ্যে পৌঁছালে তা কেটে ফেলা হয়।

স্থানীয়রা জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় এই গাছগুলো অনেক মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে। স্থানীয় কৃষক ও পরিবেশবান্ধব বাসিন্দা আব্দুস সোবাহান বলেন, ‘‘এই গাছগুলো আমাদের নিরাপত্তা দেয়, এগুলো কাটলে আমাদের সমস্যায় পড়তে হবে। আমাদের প্রত্যাশা, গাছগুলো বেঁচে থাকুক এবং আরও গাছ লাগানোর দিকে নজর দেওয়া হোক।’’

বেতাগী সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগের অধ্যাপক মানবেন্দ্র সাধক বলেন, ‘‘সরকারি প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণের মতামত গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক বনায়নের ক্ষেত্রে সুষ্ঠু নীতিমালা প্রণয়ন এবং জনগণকে নতুন করে বনায়নে উদ্বুদ্ধকরণে সরকার ও বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।’’

এছাড়া, উপজেলা এনজিও বিষয়ক সমন্বয়ক রফিকুল ইসলাম জানান, ‘‘সামাজিক বনায়ন থেকে বন বিভাগকে বেরিয়ে আসতে হবে। মুনাফাকেন্দ্রিক এই নীতি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, এতে দ্রুত বর্ধনশীল গাছের লাগানো হতো। প্রকৃতিতে ভারসাম্য রক্ষা করতে, দেশীয় ঔষধি, বনজ এবং ফলদ গাছ লাগানো উচিত, যাতে পরিবেশ ও মানুষের জন্য উপকারী হয়।’’

বেতাগী উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানিয়েছেন, সামাজিক বনায়নের বিধিমালা অনুযায়ী গাছগুলো কাটতে হবে। রাস্তায় সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে গাছ লাগানো হয়েছিল এবং স্থানীয় বাসিন্দারা এসব গাছের পরিচর্যা করেছেন। গাছ বিক্রির টাকা ভাগ করে দেয়া হবে— উপকারভোগী ৫৫%, বন অধিদপ্তর ১০%, সওজ ২০%, ইউনিয়ন পরিষদ ৫%, এবং বাকি ১০% দিয়ে পুনরায় বনায়ন করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারুক আহমদ বলেন, ‘‘বিষয়টি বন বিভাগের অধীনে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এর সমাধান করা হবে।’’

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




রিমান্ডের আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, ৪ পুলিশ সদস্য আহত

বরগুনায় ৭ জন রিমান্ডের আসামিকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এ হামলা ঘটে, যার ফলে পুলিশের এসআইসহ ৪ সদস্য আহত হয়েছেন। হামলার সময় আহত হয়েছেন হাসপাতালের কর্মরত ৫ জন স্টাফও। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

বরগুনা সদর উপজেলার তালতলী থানার পুলিশ আসামিদের চিকিৎসার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ সময় আসামিরা ও তাদের স্বজনরা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে রিমান্ডে থাকা আসামিদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। হামলায় পুলিশ সদস্যদের মধ্যে এসআই শহিদুল ইসলাম, কনস্টেবল রিয়াজুল ইসলাম, অন্তর ও ফোরকান আহত হন।

আটককৃতরা হলেন, সদর উপজেলার ঘটবাড়ীয়া এলাকার আশ্রাফুর রহমান অন্তু (২০), তালতলী উপজেলার মালিপাড়া এলাকার মো. ছগির মিস্ত্রি (৫০) ও তার স্ত্রী হামিদা বেগম।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত অক্টোবর মাসের ১৫ তারিখে, যখন বরগুনার তালতলী থানায় আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন করার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার মধ্যে উল্লেখ রয়েছে, তালতলী বন্দরের জিয়া মঞ্চ ও বিএনপি অফিস ভাঙচুরসহ চাঁদা দাবি করে নয় বলে এক ব্যবসায়ীর অফিসে হামলা চালানো হয়। এছাড়া, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন মহলকে হুমকি ও হামলা করার অভিযোগও আনা হয়।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রিমান্ড মঞ্জুর করা হলে, তারা শারীরিক পরীক্ষা করার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়েছিল। এসময় তাদের স্বজনরা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিদের ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। তবে পুলিশি হস্তক্ষেপে কোনো আসামি ছিনতাই করতে সক্ষম হয়নি হামলাকারীরা।

আসামিরা হলেন, মো. মিজানুর রহমান (৩০), মো. রাকিব (২৫), মো. জাহিদ (২৫), মো. খলিল (৩০), মো. ইমরান হোসেন (২২), মো. আরিফুর রহমান (২০) ও মো. ইউসুফ (২৬)।

বরগুনা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বশিরুল আলম জানান, দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করা হয় এবং হামলায় জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়। তবে অন্যান্য অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন জানিয়েছেন, “হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আসামিদের স্বজনরা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং অন্যান্যদের ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বিপিএলের সূচি ঘোষণা, উদ্বোধনী ম্যাচ বরিশাল-রাজশাহীর

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৪ সালের আসরের সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর শুরু হতে যাচ্ছে এই জমজমাট টুর্নামেন্ট। এবারের আসরে ৭টি দল অংশ নেবে, এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২০২৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবারের বিপিএল সূচি ঘোষণা করেছে।

বিপিএলের এবারের আসর শুরু হবে ফরচুন বরিশাল ও দুর্বার রাজশাহীর মধ্যকার লড়াই দিয়ে। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে। সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বে প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ রাখা হয়েছে। দিনের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টায়, এবং দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা ৭টায়।

প্রথমদিন, দ্বিতীয় ম্যাচে রংপুর রাইডার্স ও ঢাকা ক্যাপিটালস মুখোমুখি হবে। বিপিএলের ঢাকা পর্ব এবার বেশ সংক্ষিপ্ত রাখা হয়েছে। ঢাকায় মোট চারটি দিন ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই চার দিনে মোট আটটি ম্যাচ হবে, যা অনুষ্ঠিত হবে ৩০, ৩১ ডিসেম্বর এবং ২, ৩ জানুয়ারি।

ঢাকার পর, সিলেট পর্ব শুরু হবে ৬ জানুয়ারি এবং চলবে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর পর চট্টগ্রামে ১৬ জানুয়ারি থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত বিপিএল এর ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের বিপিএলের ফাইনাল ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়। তার আগে, ৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে প্রথম এলিমিনেটর ও প্রথম কোয়ালিফায়ার। ৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার।

এবারের বিপিএল দলসমূহ : এই বছরের বিপিএলে সাতটি দল অংশ নেবে: ফরচুন বরিশাল, রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ক্যাপিটালস, চট্টগ্রাম কিংস, দুর্বার রাজশাহী, খুলনা টাইগার্স ও সিলেট স্ট্রাইকার্স।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম