“জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন: যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না”

কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জিয়া পরিবারের অসামান্য অবদান রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা উচ্চারণ করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার ফলে, যখন দেশের মানুষ অনিশ্চিত ও অন্ধকারময় ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন মেজর জিয়াউর রহমানের সাহসী কণ্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা শোনা যায়।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার জিয়ানগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

মুন্না আরও বলেন, “জিয়াউর রহমানের শাসনামল সংক্ষিপ্ত হলেও তিনি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক উন্নতি ও পরিচিতি প্রতিষ্ঠা করেছেন বিশ্বমঞ্চে। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে গেছে। তিনি ইরাক-ইরান যুদ্ধ বন্ধে তাঁর অবদান রেখেছেন, যা খুব কম মানুষ জানে।”

জিয়াউর রহমান কৃষি বিপ্লব ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর খাল কাটা কর্মসূচি এবং জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আয় বৃদ্ধি পেয়েছিল।

এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি আরও বলেন, “চট্টগ্রামে এসে আমি আবারো শহীদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি। এই শহরের সাথে তার সম্পর্ক অম্লান এবং বিএনপির শিকড় এখানেই।”

কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার সংক্ষিপ্ত কিন্তু বর্ণাঢ্য জীবন দিয়ে ইতিহাস রচনা করেছেন। তাঁর অবদান আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য। বহু বছর ধরে তাঁর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান চিরকাল বেঁচে থাকবেন।”

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, নোয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি মনজুরুল আজিম সুমন সহ অন্যান্য নেতারা।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




রাঙ্গাবালীতে সিডরের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হেনেছিল বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায়, যা ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করেছিল। সিডরের ১৭ বছর পূর্তিতে, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে এই দুঃসহ স্মৃতি স্মরণ করতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। শুক্রবার রাতে রাঙ্গাবালী প্রেস ক্লাবের সামনে এই আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয়।

এটি ছাড়াও, এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে, যেখানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সংবাদকর্মী এবং বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, রাঙ্গাবালী একটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হওয়ায়, এই অঞ্চলের জানমালের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে উঁচু, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের গুরুত্ব অপরিসীম। যেখানে এখনও বেড়িবাঁধ নির্মাণ হয়নি, সেখানে দ্রুত বাঁধ নির্মাণ এবং যেখানে আশ্রয়কেন্দ্র নেই, সেখানে আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান তারা।

এ আয়োজনটি রাঙ্গাবালী প্রেস ক্লাব এবং বসুন্ধরা শুভ সংঘের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয়।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




আলু-পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দাম, ভোগান্তিতে ক্রেতারা

দেশের বাজারে আলু ও পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে ক্রেতাদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রাজধানীর বাজারগুলোতে আলুর দাম বর্তমানে প্রতি কেজি ৭০-৭৫ টাকায় এবং দেশি পেঁয়াজ ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যেখানে গত মাসেও আলুর দাম ছিল ৫৫-৬০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ১১০-১২০ টাকা। তবে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ কিছুটা কম দামে, প্রায় ১২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আলু ও পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার ক্ষেত্রে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ভুক্তভোগী ক্রেতা জামাল উদ্দিন বলেন, “আলুর দাম ৭০ টাকা এবং পেঁয়াজের ১৫০ টাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু, পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে আমাদের এই দামেই কিনতে হচ্ছে।”

কারওয়ান বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, আলু ও পেঁয়াজের মৌসুম প্রায় শেষের দিকে হওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া, চলতি বছরের শুরু থেকেই এই দুই পণ্যের দাম ছিল চড়া। তাই, বাজার এখনো অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে, সবজির বাজারে দেখা গেছে সামান্য স্বস্তি। ঢ্যাঁড়স, পটোল, ঝিঙা, চিচিঙার মতো সবজির দাম কমে ৫০-৬০ টাকায় নেমেছে। বেগুন, বরবটি, করলা, কাঁকরোল ৮০-১০০ টাকায় এবং পেঁপে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিছুদিন আগেও এসব সবজির দাম ১০০ টাকার ওপরে ছিল।

বাজারের তেলের দিকেও নজর দেয়া যায়, যেখানে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম স্থিতিশীল থাকলেও খোলা তেলের দাম বেড়ে প্রতি লিটার ১৭০-১৭১ টাকা হয়েছে। অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগির দাম কমে এখন ১৭৫-১৮০ টাকায় পৌঁছেছে, যা আগের সপ্তাহে ২০০ টাকার ওপরে ছিল।

সবজি বিক্রেতা আবু হানিফ জানান, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় সামনে দাম আরও কমবে বলে আশা করছেন তিনি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



খোলা সয়াবিন তেলের দাম বাড়ায় বিপাকে সাধারন ক্রেতারা

বাজারে খোলা সয়াবিন তেলের দাম ক্রমশ বেড়েই চলেছে। রাজধানীর কেরানীগঞ্জের জিনজিরা, আগানগর, নয়াবাজার এবং কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে লিটারপ্রতি খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে গেছে ১৫-২০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে এক মাসের ব্যবধানে এই তেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ১৭৫-১৮০ টাকায়, যেখানে বোতলজাত সয়াবিন তেল এখনও আগের দাম ১৬৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইসঙ্গে খোলা পাম তেলের দামও বেড়ে লিটারপ্রতি ১৮০ টাকা ছুঁয়েছে।

সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবি’র তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রায় ১১ শতাংশ এবং খোলা পাম তেলের দাম ১২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এরই মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) গত অক্টোবর মাসে ভোজ্যতেলের ওপর মূসক হ্রাস করলেও বাজারে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে না।

এনবিআর এর ঘোষণা অনুযায়ী, পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ মূসক এবং ব্যবসায়ী পর্যায়ে ৫ শতাংশ মূসক মওকুফ করা হয়েছে। এছাড়া আমদানির ক্ষেত্রে অপরিশোধিত তেলগুলোর মূসক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এই সুবিধা চলতি বছরের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

তবে বাজারে এর প্রভাব না পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ডিলাররা রমজান মাসকে সামনে রেখে তেল সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন, ফলে দাম বেড়ে যাচ্ছে। কারওয়ান বাজারের মুদি দোকানি রবিউল জানান, ডিলাররা পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছেন না, যার ফলে দাম বেড়েছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহও কমে যাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভোজ্যতেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুনরায় আমদানি শুল্ক কমানোর চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। তবে ক্রেতাদের আশঙ্কা, রমজান মাসের আগেই বাজারে আরও এক দফা দাম বাড়ানোর প্রবণতা দেখা দিতে পারে।

“মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”



টেলিকম খাতে অনিয়ম: সালমান এফ রহমান সিন্ডিকেটের কবলে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা লোপাট

দীর্ঘ দেড় দশকে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে টেলিকম খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রসার ঘটেছে। সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেটের প্রভাবে এই খাত হয়ে উঠেছে দুর্নীতির অভয়ারণ্য। অভিযোগ উঠেছে, আন্তর্জাতিক গেটওয়ে অপারেটরস ফোরাম (আইওএফ) এর মাধ্যমে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার সুবিধা লুটে নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সম্প্রতি এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক তদন্তে আইওএফ গঠনের মাধ্যমে রাজস্ব ভাগাভাগিতে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আইজিডব্লিউ, আইসিএক্স, আইআইজিসহ বিভিন্ন খাতের লাইসেন্স প্রদানে দুর্নীতির তথ্যও উঠে এসেছে।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী জানিয়েছেন, লভ্যাংশ শেয়ার করার প্রক্রিয়ায় নানা অসঙ্গতি রয়েছে। লটারির মাধ্যমে লভ্যাংশ ভাগ করা হয়, যা নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে বিটিআরসি কাজ করছে।

২০১৫ সালে সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সিন্ডিকেট আন্তর্জাতিক কল ব্যবসা দখলে নেয়। অভিযোগ রয়েছে, ভয়েস কলে নামমাত্র ট্যারিফ নির্ধারণ করতে বিটিআরসিকে বাধ্য করা হয়। ফলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়ে, যদিও ইন্টারন্যাশনাল ক্যারিয়ারেরা লাভবান হয়েছে।

রবির করপোরেট বিভাগের চিফ সাহেদুল আলম জানান, আইওএফ এর মাধ্যমে প্রতিমাসে মোবাইল অপারেটরদের বিশাল পরিমাণ টাকা ফাঁকি দেয়া হয়েছে। তাদের মতে, সরকারেরও প্রতি মাসে ১শ’ থেকে দেড়শ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।

প্রযুক্তিবিদদের মতে, আইএলডিটিএস পলিসি পুনর্বিবেচনার সময় এসেছে। প্রযুক্তিবিদ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, “২০০৮ সালের পুরনো পলিসি এখন বাস্তবতার সঙ্গে মিলছে না, যা পুনর্গঠন করা উচিত।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বন্ধ চিনিকল পুনরায় চালুর আশ্বাস

দেশের সকল বন্ধ চিনিকল আবারও চালু করার পরিকল্পনার কথা জানালেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেন, চিনির উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে নাটোরের লালপুর উপজেলার গোপালপুর নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে চলতি মৌসুমের আখ মাড়াই কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

শিল্প উপদেষ্টা আরও বলেন, বন্ধ থাকা চিনিকলগুলো পুনরায় সচল করতে এবং উৎপাদন বাড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি চিনিকল চালুর প্রতিবন্ধকতাগুলো পর্যবেক্ষণ করে সমাধানের পথ বের করবে। জনগণের সমর্থন পেলে সমন্বিত উদ্যোগ ও সাহসের মাধ্যমে সফলতার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে চান বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে কলকারখানার সংখ্যা কম হওয়ায় অর্থনৈতিক পরিবর্তনে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে এই এলাকাগুলোতে কলকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে জীবন-জীবিকার উন্নতি আনার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অবশ্যই পরিবর্তনের ধারা শুরু করবে, যা পরবর্তী নেতৃত্ব আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের পরিচালক এটিএম কামরুল ইসলাম, নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন এবং পুলিশ সুপার মো. মারুফাত হোসাইন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



মির্জাগঞ্জে গ্রেফতার ইস্যুতে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, উপজেলা বিএনপিতে উত্তেজনা

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে দুই রাউন্ড গুলি ও একটি বিদেশি পিস্তলসহ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম ফরাজীকে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার অনু স্থানীয় বিএনপি সভাপতিকে দায়ী করে গত ১০ নভেম্বর এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

এরই প্রতিবাদে শুক্রবার মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাহাবুদ্দিন নান্নু। সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, যৌথ বাহিনীর অভিযানে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল না।

তিনি আরও জানান, “গত ৭ নভেম্বর রাতে মো. জাহাঙ্গীর আলম ফরাজীকে যৌথ বাহিনী তার নিজ বাড়ি থেকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে। এরপর তার স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার অনু আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন, যা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আহসানুল্লাহ পিন্টু, মো. ফারুক মুন্সী, মো. আইয়ুব খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এইচএম শামীমসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের নেতারা জানান, দলীয় অন্তঃকলহের কারণে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ তুলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



কলাপাড়ায় জলবায়ু অর্থায়ন ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে সাইকেল র‍্যালি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জলবায়ু পরিবর্তন এবং ক্ষতিপূরণের জন্য এক ব্যতিক্রমী সাইকেল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৫ নভেম্বর শুক্রবার, উপজেলার আন্দারমানিক নদীর তীরবর্তী হেলিপ্যাড মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয় এই র‍্যালি।

এই র‍্যালির আয়োজন করে “ধরিত্রী রক্ষায় আমরা”, “ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ”, এবং “আমরা কলাপাড়াবাসী”। এর মাধ্যমে তারা নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারের জন্য অর্থায়ন বাড়ানোর পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার বন্ধ এবং জলবায়ু ন্যায্যতার জন্য দাবি জানান।

র‍্যালির উদ্বোধন করেন কলাপাড়া প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ওয়াটারকিপার্সের কলাপাড়া সমন্বয়ক মেজবাহ উদ্দিন মাননু, কলাপাড়া প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য অমল মুখার্জী, “আমরা কলাপাড়াবাসী” এর সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, এবং প্রান্তজনের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর সাইফুল্লাহ মাহমুদ।

সংগঠকরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পৃথিবীকে রক্ষার জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তারা নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার ও জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের পরিবর্তে আরো সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব উপায় গ্রহণের আহ্বান জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, এমন ধরনের উদ্যোগ কলাপাড়ার জনগণের মধ্যে জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সংগ্রামে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



পদ্মায় বালু উত্তোলন বন্ধে বিশেষ অভিযান, ৬ জনের ছয় মাসের কারাদণ্ড

পাবনার পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় নৌ পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের প্রত্যেককে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার চরতারাপুর পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পাবনা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুরাদ হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ রায় প্রদান করেন।

আটককৃতরা হলেন: গোপালগঞ্জের ফরিদ শেখ (৩০), ঝালকাঠির হানিফ খা (৩০), ঝালকাঠির তৌহিদ খান (২৫), রাজবাড়ীর রতন প্রামাণিক (৩৫), পটুয়াখালীর ইব্রাহিম জমাদ্দার (৩০) এবং পিরোজপুরের নাহিদ হাসান (২০)।

নৌ পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পদ্মার চরতারাপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে তারা ড্রেজার ও বাল্কহেড ফেলে পালানোর চেষ্টা করলে নৌ পুলিশ তাদের আটক করে। এ সময় জব্দ ড্রেজারের মালিক রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়ার জলিল এবং বাল্কহেডের মালিক চাঁদপুরের গোলাম মর্তুজা বলে জানা গেছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নাজিরগঞ্জ নৌ পুলিশের ইন্সপেক্টর শরিফুল ইসলাম, পাবনা সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাকীবুল্লাহ এবং ভাঁড়ারা ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা আবু সাইয়্যিদ।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




বরিশালের সাবেক এমপি টিপু কেরানীগঞ্জে গ্রেপ্তার

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বরিশাল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের বীর বাঘৈর এলাকায় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, গোলাম কিবরিয়া টিপুর বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থানায় একটি মামলা রয়েছে। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে হাতিরঝিল থানায় হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।

,মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম,