ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৫ দিন বন্ধ ঘোষণা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :  গত শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভায় ভূমিকম্প–পরবর্তী উদ্ভূত জরুরি পরিস্থিতিতে আগামী ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার বিকেল পাঁচটার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়ালি এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় সাম্প্রতিক ভূমিকম্প ও পরাঘাতের কারণে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক আঘাতের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়। পাশাপাশি তাদের সার্বিক নিরাপত্তার দিক সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় বুয়েটের বিশেষজ্ঞ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অফিসের পরিচালক এবং প্রধান প্রকৌশলীর মতামত বিশ্লেষণ করা হয়। তাঁরা ভূমিকম্প–পরবর্তী আবাসিক হলগুলোর পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সামগ্রিক ঝুঁকি মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার দরকার বলে মতামত দেন। ঝুঁকি নিরূপণ ও সম্ভাব্য সংস্কারের স্বার্থে আবাসিক হলগুলো খালি করার কথাও বলেন তাঁরা।

এর প্রেক্ষাপটে সভায় আগামী ৬ ডিসেম্বর শনিবার পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখা এবং আবাসিক হলগুলো খালি রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই আগামীকাল বিকেল পাঁচটার মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ছেড়ে যেতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রাধ্যক্ষদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়




ঢাকার ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংখ্যা কতো?

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : যখন বিপদ ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলে তখন আমরা এর ভয়াবহতা টের পাই তাই  ভূমিকম্প অথবা বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটলেই আলোচনায় আসে রাজধানী ঢাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়। মানুষের মৃত্যুতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো নড়েচড়ে বসলেও কিছুদিন পরই আবার আলোচনার বাইরে চলে যায় বিষয়টি।

ঢাকায় ঠিক কতগুলো ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, এর প্রকৃত হিসাবও নেই কারো কাছে। সঠিক তালিকা না থাকলেও রাজউকের তথ্য মতে, শহরের ৭৪ শতাংশ ভবন গড়ে উঠেছে নকশাবহির্ভূতভাবে।

অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা ধরে ভেঙে ফেলার নির্দেশনা থাকলেও সেটিও বাস্তবায়ন করা হয়নি।

সম্প্রতি সেফটি অ্যাওয়্যারনেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক সেমিনারে জানানো হয়, রাজউকের নিয়ম-নীতি না মানায় ঢাকায় ২১ লাখ ৪৬ হাজার ভবন ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। এসব ভবন ভূমিকম্পে হতে পারে মৃত্যুপুরি।

স্থপতি ও নগরবিদ মো. ইকবাল হাবিব বলেন, ‘ঢাকার ১৩ শতাংশ জায়গায় কোনো ধরনের ভবন বানানো যাবে না, কিন্তু ভবন বানানো হচ্ছে।এতে ঢাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বাড়ছে। এসব ভবন অপসারণ না করে নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে ঢাকায় বসবাস করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ফায়ার সার্ভিস এর তথ্যমতে আরমানিটোলার কসাইটুলিতে একটি বহুতল ভবনে পলেস্তারার কিছু আলগা অংশ ও কিছু ইট খসে পড়েছে। খিলগাঁওয়ে নির্মীয়মাণ ভবন থেকে ইট পড়ে পাশের ভবনের একজন আহত হয়েছে। সূত্রাপুর ও কলাবাগানে দুটি ভবন হেলে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল, কবি জসীমউদ্দীন হল, স্যার এ এফ রহমান হল, মোকাররম ভবন, ফজলুল হক হলসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় পলেস্তারা খসে পড়ে। পুরান ঢাকার কেপি ঘোষ স্ট্রিটে একটি পাঁচতলা ভবন থেকে রেলিং পড়ে যায়। সূত্রাপুরের স্বামীবাগে আটতলা একটি ভবন অন্য একটি ভবনের দিকে হেলে পড়ে।

এদিকে ফায়ার সার্ভিস বলছে, রাজধানীর ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ভবনে অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা নেই। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ভবন পরিদর্শন করে ফায়ার সার্ভিস ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা করে। এতে দুই হাজার ৬০৩টি অগ্নিঝুঁকি ভবন চিহ্নিত করা হয়। ৫৮টি বিপণিবিতানের সব কটিই কমবেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৩৫টি, মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি এবং অতিঝুঁকিপূর্ণ পাওয়া যায় ৯টি।

একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে সারা দেশে ২৫২টি সরকারি এবং ৯২৯টি বেসরকারি মিলিয়ে এক হাজার ১৮১টি বহুতল ভবন (ছয়তলার ওপরে) পরিদর্শন করে ফায়ার সার্ভিস। ওই সময় ৩৬৭টি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৭৪টিকে অতিঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ভবন মালিকসহ সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সুপারিশ পাঠানো হলেও কেউ বাস্তবায়নে উদ্যোগী হয় না।

 গত বছরের ২১ এপ্রিল ‘আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্প : রাজউক অংশ’ নামের একটি প্রকল্পের আওতায় ঢাকা অঞ্চলের ২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩০টি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এগুলোর তালিকাও প্রকাশ করে। এসব ভবনের সামনে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ লেখা সাইনবোর্ড টাঙানোর নির্দেশ দিয়েছিল সরকার। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভেঙে ফেলার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু শ্রেণিকক্ষসংকট ও পাঠদানে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ার অজুহাতে বেশির ভাগ ভবন এখনো দাঁড়িয়ে আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজউক গত এক দশকে যতগুলো ভবন ভাঙার নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দিয়েছে তার চার ভাগের এক ভাগও ভাঙা হয়নি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কবি নজরুল কলেজের একটি ছয়তলা ভবন এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি ভবন।

এ ছাড়া পুরান ঢাকার সোহরাওয়ার্দী কলেজের পাশে একটি দোতলা ভবনসহ বেশ কয়েকটি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে রাজউক চিঠি দিয়েছিল। তবে বছর পার হলেও তার কোনো সুরাহা হয়নি। এভাবে হাজারো ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে বসবাস করছে লাখো মানুষ।

‘আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্প : রাজউক অংশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নিয়োজিত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ঢাকা মহানগর উন্নয়ন প্রকল্প (ডিএমডিপি) এলাকার সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন সংস্থার মালিকানাধীন ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ ভবনগুলো ভেঙে ফেলার সুপারিশ করে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীন ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ ভবন ৪৪টি।

রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) নুরুল ইসলাম বলেন, ‘নির্দেশনার পরও নানা কারণে ভবনগুলো ভাঙা হয়নি। অথচ আমরা বারবার নোটিশ দিয়েছি। আগামীকাল (আজ) সকালে রাজউকের জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। ভূমিকম্পের পর সবাই উদ্যোগী হবে বলে আশা করছি।’

 

 




ঢাকায় ভূমিকম্পে আহতদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে : ঢাকা জেলা প্রশাসন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : গত কাল দেশে এক  শক্তিশালী ভুমিকম্প আঘাত হানে। রিকটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল  ৫.৭ ।

এ ভুমিকম্পে দেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রান হানি ঘটে। এ যাবত ১০ জন নিহত ও ৬০০মানুষ আহত হবার খবর পাওয়া গেছে।

ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম শুক্রবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান ভূমিকম্পে আতঙ্কিত হয়ে বা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ঢাকায় যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের চিকিৎসার জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা দেবে  ঢাকা জেলা প্রশাসন। আহত ব্যক্তিদের প্রত্যেককে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকায় বসবাসরত অথবা ঢাকায় কাজে এসে যাঁরা ভূমিকম্প চলাকালে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আহত হয়েছেন, তাঁরা এই সরকারি সহায়তা পাবেন। তবে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সুপারিশ থাকতে হবে।

আহত ব্যক্তি নিজে অথবা তাঁর পক্ষে হাসপাতালে অবস্থানরত পরিচর্যাকারী (অ্যাটেনডেন্ট) বা কোনো নিকটাত্মীয় জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমের নম্বরে যোগাযোগ করে সহায়তা নিতে পারবেন।

সহায়তার জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমের +৮৮০১৭০০৭১৬৬৭৮ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ভূমিকম্পে আহত চিকিৎসাধীন রোগী বা তাঁদের স্বজনদের কাছে বার্তাটি পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।




তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার পূণর্বহাল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : দলীয় সরকারের অধীনে আর কোন সংসদ নির্বাচন নয়।    নির্দলীয় নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে পুনরুজ্জীবিত ও সক্রিয় ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তবে রায়ে বলা হয়েছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে স্বয়ংক্রিয় পুনঃস্থাপন হলেও এর বিধানাবলি শুধুমাত্র ভবিষ্যৎ প্রয়োগযোগ্যতার ভিত্তিতেই কার্যকর করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফেরাতে করা আপিলগুলো মঞ্জুর ও রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই রায় দেন।

সংক্ষিপ্ত রায়ে আপিল বিভাগ বলেছেন, ‘আদালত এই মর্মে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, পর্যালোচনাধীন আপিল বিভাগের রায়টি (বিচারপতি খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের দেওয়া আগের রায়টি) কলঙ্কিত ও একাধিক ত্রুটিতে ত্রুটিপূর্ণ। অতএব, পর্যালোচনাধীন রায়টি এতদ্বারা সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হলো। ফলশ্রুতিতে, সংবিধানের চতুর্থ ভাগের পরিচ্ছেদ ২ক-এর নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পর্কিত বিধানাবলি, যা সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬ (১৯৯৬ সনের ১নং আইন)-এর ধারা ৩ দ্বারা সন্নিবেশিত হয়েছিল, তা এতদ্বারা এই রায়ের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত ও সক্রিয় করা হলো।’

রায়ে বলা হয়, ‘যদিও এইরূপ পুনরুজ্জীবন পরিচ্ছেদ ২ক-এ বর্ণিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত বিধানাবলির স্বয়ংক্রিয় পুনঃস্থাপন নিশ্চিত করে, তবে পুনরুজ্জীবিত অনুচ্ছেদ ৫৮খ (১) এবং অনুচ্ছেদ ৫৮গ (২)-এর বিধানাবলির প্রয়োগ সাপেক্ষে উহা কার্যকর হবে। পুনঃস্থাপিত ও পুনরুজ্জীবিত পরিচ্ছেদ ২ক-এ বর্ণিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত বিধানাবলি কেবলমাত্র উক্তরূপ ভবিষ্যৎ প্রয়োগযোগ্যতার ভিত্তিতেই কার্যকর হবে। এ ছাড়া পূর্ণাঙ্গ রায় পরবর্তী সময়ে প্রদান করা হবে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়।’

রায়ের পর আপিলকারী আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত ও পুনর্বহাল হওয়াটা সংবিধানের ৫৮ (খ) ও ৫৮ (গ) অনুচ্ছেদের প্রয়োগযোগ্যতা সাপেক্ষে কার্যকর হবে। ওই অনুচ্ছেদে বলা আছে, সংসদ ভেঙে দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হবে। এখন দেশে কোনো সংসদ নেই। সে কারণে তত্ত্বাবধায়কের বিধানের প্রয়োগযোগ্যতা নেই। তাই আদালত বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রয়োগযোগ্যতার ভিত্তিতে এই বিধানাবলি কার্যকর হবে। ফলে রায়ের মাধ্যমে এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে পুনর্বহাল হলেও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না। আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই হবে। ভবিষ্যতে অর্থাৎ, ত্রয়োদশ সংসদ ভেঙে দেওয়ার পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গঠন করে চতুর্দশ নির্বাচন থেকে এই ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে।’

রায় ঘোষণাকালে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, আপিলকারী বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির, সুজন সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার ও তার পক্ষে ড. শরীফ ভূঁইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




ট্রাম্পের শুল্কের প্রভাব বাংলাদেশের পোশাক খাতে কমছে রপ্তানি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :    যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কের কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের পোশাক খাতে । চলতি বছরের আগস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। এই পতনের জন্য গত আগস্টে ট্রাম্প প্রশাসন আরোপিত নতুন পাল্টা শুল্ককে দায়ী করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মার্কিন বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১.৭৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৩ মিলিয়ন ডলার বা ২.৮৮ শতাংশ কম।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি কমার মূল কারণ হচ্ছে- বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক। এর ফলে বাজার সংকুচিত হয়েছে। তাঁদের ধারণা কম চাহিদার কারণে আগামী মাসগুলোতেও ওই বাজারে রপ্তানি কমতে পারে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের দোকানে বিক্রি কমেছে। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে মোট রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ২.৫৯ বিলিয়ন ডলার, যেখানে বিগত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২.৪৬ বিলিয়ন ডলার; অর্থাৎ ৫.১৪ শতাংশের একটি সামান্য প্রবৃদ্ধি। এই প্রবৃদ্ধি মূলত জুলাই মাসের চালানে শক্তিশালী উল্লম্ফনের কারণে হয়েছে, যা ছিল ১৯ শতাংশ।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, নতুন শুল্ক ৭ আগস্ট কার্যকর হওয়ার আগে অগ্রিম ক্রয়ের কারণেই এ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, এই

উল্লম্ফন মূলত প্রত্যাশিত শুল্কের প্রভাব পড়ার আগে অগ্রিম ক্রয়ের কারণে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পরবর্তী তিন মাসে নেতিবাচক বা দুর্বল প্রবৃদ্ধির যে প্রবণতা দেখা গেছে, তা অন্তর্নিহিত চাহিদা ও নীতিগত অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দেয়।

গত আগস্ট থেকে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা বেশিরভাগ পণ্যের ওপর উল্লেখযোগ্য শুল্ক আরোপ করেছে। নতুন শুল্ক কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক অন্যান্য পণ্যের সঙ্গে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শুল্কের আওতায় পড়েছে।

শুধু বাংলাদেশ নয়, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়াসহ প্রায় সব প্রতিযোগী দেশই এই নতুন শুল্কের আওতায় এসেছে। তাদের মধ্যে চীন ও ভারতের ওপর আরোপিত শুল্ক বাংলাদেশের তুলনায় আরও বেশি।

এর ফলে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের প্রত্যাশা ছিল, মার্কিন ক্রেতারা চীন ও ভারত থেকে অর্ডার সরিয়ে বাংলাদেশে আনবে। কিন্তু বাস্তবে তেমনটি ঘটেনি।

 




ভারত যদি শেখ হাসিনাকে ফেরত না দেয় তাহলে তাদের মন্তব্য গুরুত্বহীন: সারজিস আলম

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) রাতে পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে আলোকাখোয়া রাশমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদেন  জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন-

শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ বহু অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। তার বক্তব্য, এসব অপরাধের তুলনায় প্রদত্ত শাস্তি সামান্য হলেও বাংলাদেশের আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির রায় ঘোষণা করা হয়েছে, যা এখন কার্যকরের অপেক্ষায়।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে না দিলে বাংলাদেশ ইস্যুতে ভারতের মন্তব্য তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই এ রায় কার্যকর হবে।
তার ভাষ্যে, “একজন স্বৈরাচারের শাস্তি কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে এগিয়ে যাবে।”

সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের প্রশংসা করে সারজিস আলম বলেন, জুলাই ঘটনার বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায় ঘোষণা সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি পূরণের সূচক। পাশাপাশি জুলাই সনদ, গণভোট ও নোট অব ডিসেন্ট—এসব ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।

এনসিপির এই নেতা বলেন, এখন লক্ষ্য জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার এগিয়ে নেওয়া।

 

 




ফেনী সীমান্তে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

ফেনী সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ১ কোটি ৭ লাখ ৪৮ হাজার ১৭৫ টাকা সমমূল্যের চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বিজিবির ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে এসব পণ্য চোরাচালানে জড়িতদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ও বৃহস্পতিবার ফেনী ব্যাটালিয়নের (৪ বিজিবি) আওতাধীন জেলার ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া ও পরশুরাম উপজেলা এবং চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিস, পাঞ্জাবি, চকলেট, মদ, গরুসহ মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি জব্দ করা করা হয়। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৭ লাখ ৪৮ হাজার ১৭৫ টাকা।

এ ব্যাপারে বিজিবির ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান বন্ধে বিজিবির নানা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। জব্দকৃত চোরাচালান পণ্য শুল্ক অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।




দ্রুত গণভোটের রূপরেখা চায় এনসিপি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে এনসিপি পুরোপুরি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো, বিশেষ করে গণভোটের রূপরেখা নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) দ্রুত প্রকাশ করতে হবে।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সংলাপে অংশগ্রহণ করে এসব কথা বলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক।

আসন্ন নির্বাচনে গণভোট পরিচালনার বিষয়টি একটি বড় বিষয় হিসেবে তুলে ধরেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, গণভোট কীভাবে পরিচালিত হবে, এটি কবে বাস্তবায়ন করা হবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ– প্রতারণা প্রতিরোধের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেওয়া হয়েছে কি না নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত এগুলো প্রকাশ করতে হবে।

তিনি জানান, কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী এনসিপি প্রস্তুতি নেবে এবং প্রয়োজনে সব সহযোগিতা দেবে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) স্বতন্ত্রতা অক্ষুণ্ণ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, যদি কমিশন সব রাজনৈতিক দল থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকে, তাহলে এনসিপি ১০০ শতাংশ সহযোগিতা প্রদান করবে। আমরা অন্যান্য সহযোগী দলকেও কো-অপারেশন মোডে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং তাদের নিরাপত্তা দিতে একটি মনিটরিং সেল গঠনের প্রস্তাব দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ইলেকশনের সময় নারীরা সাইবার হ্যারাসমেন্টের শিকার হতে পারেন, তাই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন।

তরুণ ভোটারদের নির্বাচনে উৎসাহিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সক্রিয় করার পরামর্শ দেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক। তিনি মনে করেন, এতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গণতান্ত্রিক সম্মান বজায় থাকবে এবং তরুণরা ভুল পথে চালিত হবে না, যা দেশের জন্য ইতিবাচক হবে।

প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তাদের জন্য সময় সীমিত। যদি প্রক্রিয়া আগে থেকে চালু করা হয়, তাহলে অংশগ্রহণ বাড়বে, যা ভোটার সংখ্যা ও নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে।

তিনি নির্বাচনের প্রতীক ও প্রার্থীর স্বতন্ত্র পরিচয় নিশ্চিত করার গুরুত্বে জোর দেন। তার মতে, প্রতীক একজন প্রার্থীর পরিচয়, যা ভোটারদের জন্য স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রস্তাব করেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের জন্য একজন অফিসার ট্যাগ করা হলে দলের উদ্বেগ ও কনসার্ন সহজভাবে জানানো সম্ভব হবে।




আজকের স্বর্ণের দাম: ১৯ নভেম্বর ২০২৫

বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। এবার ভরিতে ১ হাজার ৩৬৪ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে  ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬ হাজার ৯০৮ টাকা হয়েছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে করেছে বাজুস। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬ হাজার ৯০৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৪৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৯ হাজার ২৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪০ হাজার ৭৬১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এর আগে গত ১৫ নভেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ১৬ নভেম্বর থেকে।

স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।




নতুন বছরের প্রথমেই পাঠ্যবই হাতে পাবে শিক্ষার্থীরা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : বছরের শুরুতে নতুন পাঠ্যবই ছাত্র ছাত্রীদের হাতে তুলে দিতে সরকার বদ্ধ পরিকর  এরই ফলশ্রুতিতে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এবার শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ধারিত সময়মতো বই পৌঁছে দিতে এবং সময় সাশ্রয় করতে অনলাইন পদ্ধতিতে চালান অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সম্প্রতি এনসিটিবির সচিব প্রফেসর মো. সাহতাব উদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি স্মারকে এ বিষয়ে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। স্মারকে বলা হয়েছে, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক (বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন), দাখিল, এসএসসি, দাখিল ভোকেশনাল এবং কারিগরি স্তরের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহ কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

স্মারকে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—নির্ধারিত টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান থেকে বই গ্রহণ এবং দ্রুততম সময়ে অনলাইনে চালানের অনুমোদন দেওয়া। এছাড়া, সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতেও পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ ও গ্রহণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।