কলাপাড়ায় আমনের বাম্পার ফলন, কৃষকদের মুখে হাসি

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় আমন ধান চাষের বাম্পার ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে, তবে লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি পূর্ণ হয়নি। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আরাফাত হোসেন জানিয়েছেন, বেশ কয়েকজন কৃষক আগাম তরমুজ চাষের জন্য তাদের জমিতে আমন ধান রোপণ করেননি, যার কারণে লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা কমেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা বলেন, “এ বছর আবহাওয়া ছিল পুরোপুরি অনুকূলে, আমরা সময়মতো সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করেছি। নতুন প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারের ফলে, লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ না হলেও বাম্পার ফলন হয়েছে। এ ছাড়া এই ধানের পুষ্টিগুণও বেশি।”

কৃষি অফিসের তথ্যানুযায়ী, এ বছর কলাপাড়া উপজেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩১ হাজার হেক্টর, তবে পূর্ণ হয়েছে ৩০ হাজার ৭৯৮ হেক্টর। কিছুটা কম হলেও, সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সামান্য পার্থক্য পূর্ণ হয়ে যাবে।

কলাপাড়া উপজেলা উপকূলীয় এলাকা হওয়ায়, লবণাক্ততা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কৃষিকাজ অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে, এ বছর বর্ষাকালে বৃষ্টির পরিমাণ ভালো থাকার কারণে এবং কৃষি উপকরণ যথাযথভাবে সরবরাহের ফলে আমনের ফলন আশানুরূপ হয়েছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুরের কৃষক মো. খলিলুর রহমান বলেন, “এ বছর গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক বেশি ফলন হয়েছে। যা আমাদের জীবনমানের উন্নতি ঘটাবে এবং পরবর্তী মৌসুমে আমরা আরও বেশি আত্মবিশ্বাস নিয়ে চাষাবাদ করতে পারবো।”

আরেক কৃষক মমিন উদ্দিন বলেন, “এ বছর আমনের দাম ভালো আছে। ধান বিক্রি করে আশা করি লাভবান হবো। এ বছর যতটুকু ক্ষতির আশঙ্কা ছিল তা হয়নি।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



সূচনা ফাউন্ডেশনের ব্যাংক হিসাব জব্দ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্রতিষ্ঠিত সূচনা ফাউন্ডেশনের ব্যাংক হিসাব জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। একই সঙ্গে, ফাউন্ডেশনের সব লেনদেন ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। প্রয়োজনে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

বিএফআইইউ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২৩(১) (গ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সূচনা ফাউন্ডেশনের পরিচালিত সব হিসাবের লেনদেন সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে।

সূচনা ফাউন্ডেশনের নামে পরিচালিত ব্যাংক হিসাবগুলোর বিস্তারিত তথ্য, যেমন হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি ফরম, এবং লেনদেন বিবরণী সংযোজিত এক্সেল শিট আকারে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিএফআইইউতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, লেনদেন স্থগিত থাকা হিসাবগুলোর ক্ষেত্রে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯-এর ২৬(২) ধারা প্রযোজ্য হবে।

সূচনা ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টিদের মধ্যে আছেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, মুজহারুল মান্নান এবং জয়ন বারী রিজভী। ফাউন্ডেশনটি মানসিক অক্ষমতা, স্নায়বিক অক্ষমতা, অটিজম এবং মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহায়তায় কাজ করে আসছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বাউফলে ছাত্রদের বিক্ষোভের মুখে ইউএনও বশির গাজীকে অপসারণ

পটুয়াখালী জেলার বাউফলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. বশির গাজীকে ছাত্র সমাজের বিক্ষোভের পর অপসারণ করেছে জেলা প্রশাসন। রোববার (২৪ নভেম্বর) সকালে বাউফল সরকারি কলেজ থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ইউএনও’র অপসারণ দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে তারা ইউএনও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এসময় ছাত্রদল ও ছাত্রঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা আন্দোলনে যোগ দেন।

ছাত্রদের দাবি, ইউএনও মো. বশির গাজী দুর্নীতিতে লিপ্ত এবং তিনি ‘ফ্যাসিস্ট’ শেখ হাসিনা সরকারের সহযোদ্ধা। তাদের অভিযোগ, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তিনি দুর্নীতিবাজ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানকে পুনর্বাসন করতে চেষ্টা করেন। যদিও ৪ দফায় তার বদলি আদেশ হলেও এক বিশেষ মহলের হস্তক্ষেপে বারবার আদেশ স্থগিত হয়ে যায়।

আরো পড়ুন :  মাস্টার ইউনুসের জীবন ও কর্ম নিয়ে বাউফলে আলোচনা

সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যরা মো. বশির গাজীর বদলি ও বিচারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করলে, বিশেষ মহল ছাত্রদের কিছু প্রতিনিধিকে ম্যানেজ করে আন্দোলন বন্ধের চেষ্টা করে। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শনিবার (২৩ নভেম্বর) ফেসবুকে পোস্ট করে জানায়, আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে এবং বশির গাজী বাউফলের জনতার পক্ষে কাজ করতে রাজি হয়েছেন। কিন্তু অন্যান্য শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে এবং আজ (২৪ নভেম্বর) বিক্ষোভ করে।

অবশেষে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুপুর ১২টার দিকে ইউএনও মো. বশির গাজীকে অপসারণ করা হয়। তার অপসারণের পর ছাত্র সমাজের আনন্দ মিছিলের মধ্য দিয়ে আন্দোলন শেষ হয়।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মহিপুরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

পটুয়াখালীর মহিপুরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে সোহাগ (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত সোহাগ লতাচাপলী ইউনিয়নের মুসুল্লীয়াবাদ গ্রামের আবু সালেহর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহাগ এবং সুমাইয়া আক্তারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এই সম্পর্কের ভিত্তিতে সোহাগ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সুমাইয়াকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ, গত শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে সোহাগ পুনরায় সুমাইয়ার বাসায় যান। তবে স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ ঘটনায় সুমাইয়া বাদী হয়ে মহিপুর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। পুলিশ তৎপর হয়ে লতাচাপলীর আজিমপুর এলাকা থেকে সোহাগকে আটক করে।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, “ভিকটিমের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা মামলা গ্রহণ করেছি। অভিযুক্ত সোহাগকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

এ ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

ট্যাগ: মহিপুর, ধর্ষণ মামলা, প্রেমিক গ্রেপ্তার, পটুয়াখালী, লতাচাপলী, পুলিশ অভিযান, নারী নির্যাতন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি, Mahipur, Rape Case, Arrest News, Crime Report

 




গলাচিপায় জেলের জালে ধরা পড়ল ৪২ কেজি ওজনের বিরল কচ্ছপ

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ৪২ কেজি ওজনের একটি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ। রোববার (২৪ নভেম্বর) সকাল ৬টার দিকে সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া এলাকার মো. সাইফুল ইসলাম নামের এক জেলের জালে এটি ধরা পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কচ্ছপটি ধরা পড়ার খবর এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিরল প্রজাতির এই কচ্ছপ দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কচ্ছপটি জব্দ করেন।

উপজেলা প্রশাসন এবং প্রাণী সুরক্ষা সংগঠন ‘অ্যানিমেলস লাভার’ টিমের সহযোগিতায় কচ্ছপটিকে নিরাপদে পানপট্টি লঞ্চঘাট এলাকার সাগর মোহনায় অবমুক্ত করা হয়।

রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “বিরল প্রজাতির এই কচ্ছপ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটিকে সাগরে অবমুক্ত করে তার প্রাকৃতিক পরিবেশে ফিরে যেতে সহায়তা করা হয়েছে।”

অবমুক্ত কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, পক্ষিয়া বিট কর্মকর্তা জামাল হোসেন, এবং ‘অ্যানিমেলস লাভার’ টিমের লিডার মো. সোহেল হোসেন রাসেল।

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে একদিকে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে, অন্যদিকে পরিবেশ সুরক্ষায় বন বিভাগের এ উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



শেখ পরিবারের সদস্য মঈন আব্দুল্লাহ রিমান্ডে

বরিশাল মেট্রোপলিটন আদালত শেখ পরিবারের সদস্য মঈন আব্দুল্লাহকে দুই দিনের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। রবিবার (২৪ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় বিচারক নূরুল আমিন এই রিমান্ডের আদেশ দেন। মঈন আব্দুল্লাহকে বরিশালে বিএনপির শোক মিছিলে হামলা, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দুটি পৃথক মামলায় রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

এছাড়া, মঈন আব্দুল্লাহকে আরো দুটি মামলায় (শোন অ্যারেস্ট) গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তিনি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে এবং কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সদস্য। তিনি বাংলাদেশ শিল্প ও বাণিজ্যিক সম্মেলন (এফবিসিসিআই)-এর পরিচালক হিসেবেও পরিচিত।

গত ৪ আগস্ট বরিশাল জেলা বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দের ওপর হামলা এবং হত্যাচেষ্টার দুটি পৃথক মামলায় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তাকে দুই দিন করে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিকে, আদালত জামিনের জন্য উপস্থিত সাবেক সংসদ সদস্য জাহিদ ফারুকের জামিন আবেদনও না মঞ্জুর করেন। মঈন আব্দুল্লাহকে ২৩ অক্টোবর রাজধানী গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। তার বিরুদ্ধে বরিশালে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনসহ পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় মামলা রয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আমাদের নিয়ত সহিহ, জাতিকে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, আমাদের নিয়ত সহিহ, জাতিকে আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দিতে চাই। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা করা দরকার তাই করব।

রোববার (২৪ নভেম্বর) শপথগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার সক্ষমতা আমাদের আছে। এর আগে তথ্য ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব থাকাকালে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এসেছি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, যে শপথ নিয়েছি এর সম্মানটা রাখতে চাই। আমার শপথ ভঙ্গ হবে না, আমি এই দায়িত্বকে জীবনের একটি অপরচুনিটি (সুযোগ) হিসেবে দেখছি। দেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত, তারা ফ্রি ফেয়ার একটা ইলেকশনের জন্য সংগ্রাম করেছে, অনেক আন্দোলন করেছে। বিগত বছরগুলোতে অনেকে রক্ত দিয়েছে। আমি তাদেরকে একটা ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল (স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য) ইলেকশন দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুত বদ্ধ। আমি আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করব। আমি ইনশাল্লাহ কনফিডেন্ট। আমরা সবাই মিলে আপনাদের সবার সহযোগিতা নিয়ে, দেশবাসীর সহযোগিতা নিয়ে, রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতাসহ এ জাতিকে একটা স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পারব।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, নির্বাচন করতে গেলে কিছু এসেনশিয়াল সংস্কার লাগবে। যেমন- এখন নানা রকম কথা হচ্ছে- আনুপাতিক ভোটের হারে এবং আগের নিয়মে হবে। সংবিধানে যদি এটার ফয়সালা না হয় তাহলে আমরা নির্বাচনটা করব কীভাবে। ইলেকশন করতে ইয়ং জেনারেশন যারা ভোট দেওয়ার জন্য বছরের পর বছর মুখিয়ে আছে, তাদেরকে তো ভোটার লিস্টে আনতে হবে। আমাকে ভোটার লিস্ট করতে হবে, কোথায় কোথায় রিফর্মশেনের দরকার হবে, সেটা আমরা পাব। এ বিষয়ে নির্বাচন সংস্কার কমিশন কাজ করছে। আগে তাদের পরামর্শ আসুক। এর যেগুলো গ্রহণযোগ্য সেগুলো আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে। সংবিধান যদি ঠিক না হয়, তাহলে আমাদের যাত্রা এলোমেলো হয়ে যাবে। সংস্কার কমিশন কাজ করছে, এটা শেষ হোক। আর বেশিদিন তো নেই। সরকার বলছে ডিসেম্বরের মধ্যে কমিশনগুলোর রিপোর্ট দেবে। আপনারা আশস্ত থাকুন, আমাদের নিয়ত সহিহ। ইনশাল্লাহ একটা ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল নির্বাচন হবে। এবার আরেকটা সুযোগ এসেছে, রাজনৈতিক দলগুলো, যারা নির্বাচন করবে তারা ১৫-১৬ বছর ধরে বলে আসছে আমরা ভোটের অধিকার চাই। আমরা আমাদের ভোট দিতে চাই। সুতরাং আমরা তাদের সঙ্গে পাব। তাদের দাবিকে বাস্তবায়ন করব, তারাও জাতির কাছে ওয়াদাবদ্ধ।

আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার ইচ্ছে আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রিফর্ম কমিটির সুপারিশ আসুক, অনেক বির্তক চলছে, বিতর্কের ফয়সালা হোক। ফয়সালা হলে আপনারা দেখতে পারবেন।

এদিন দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন ও অন্য চার নির্বাচন কমিশনার (ইসি) শপথ নেন।

দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমেদ ভূঁঞা। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন ও ইসির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২১ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান সাবেক সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীন। তার সঙ্গে চার নির্বাচন কমিশনারের নামও ঘোষণা করা হয়।

চার নির্বাচন কমিশনার হলেন- সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ, সাবেক যুগ্ম সচিব তহমিদা আহ্‌মদ ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের নিয়োগ দেন




বরিশালে জন্মের পর বাবা রবিউলের দেখা পায়নি মেয়ে তুবা

বরিশালের বাকেরগঞ্জের পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নের শাকবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা তুবা নামের একটি নবজাতক মেয়েটি জন্মের মাত্র ২০ দিন আগে তার বাবাকে হারিয়েছে। তার বাবা রবিউল ইসলাম (২৮) জুলাই মাসে ঢাকার যাত্রাবাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান। রবিউল মারা যাওয়ার আগে তিনি তুবার নাম রেখেছিলেন, কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, তার মেয়ে তুবা পৃথিবীতে আসলেও বাবা রবিউলকে দেখার সুযোগ পেল না।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে নিহত ৭৯ শহীদ পরিবারের সহায়তার চেক গ্রহণ করতে গিয়ে তুবার মা তানিয়া আক্তার তার দুর্দিনের কথা শেয়ার করেন। তিনি জানান, “১৫ জুলাই যাত্রাবাড়িতে ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী রবিউল পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এরপর এক মাস ২০ দিন পর তুবার জন্ম হয়। বাবা রবিউলের ঠিক করে দেওয়া নাম বহন করলেও তুবা তার বাবাকে কখনোই দেখতে পায়নি। একদিন তুবা হয়তো আমাকে প্রশ্ন করবে, ‘বাবা কোথায়?’ তখন আমি কী বলব?”

মা তানিয়া আক্তার আরও জানান, তিনি একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হারিয়ে চরম অর্থ সংকটে রয়েছেন। “আমি কীভাবে তুবাকে লালন-পালন করব, এটা নিয়ে প্রতিদিন শঙ্কার মধ্যে আছি। আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই,” বলেন তিনি।

এদিকে, নিহতের পরিবারে আরেক শোকগাথা। সাবেক সেনা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম (৫৯) বলেন, তার একমাত্র ছেলে ইমরান হোসেন (৩৪) ১৯ জুলাই ঢাকার গুলশানে পুলিশের গুলিতে মারা যান। ইমরান বরিশালের গৌরনদী উপজেলার আগরপুর কলেজের ডিগ্রি ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং পড়াশোনার পাশাপাশি ঢাকার একটি হাউজিং কোম্পানিতে চাকরি করে পরিবারের খরচ বহন করতেন। তার মৃত্যুতে তার স্ত্রী শান্তা মিয়া ও সন্তান ইয়াজ খলিফা (২৩ মাস) সহ নজরুল এখন নিঃস্ব। “আমার একমাত্র ছেলে ইমরানকে হারিয়ে আমি আজ নিঃস্ব। আমি এ ঘটনায় জড়িতদের বিচার চাই,” বলেন তিনি।

এছাড়া, জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত এমদাদুল হকের (২৭) বড় ভাই মো. হাসান বলেন, তার ছোট ভাই ঢাকায় ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার চালিয়ে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের খরচ বহন করতেন। এমদাদুলও ওই ঘটনার সময়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। বর্তমানে, তিনি এবং তার পরিবার চরম অর্থ সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি জানান, স্থানীয়দের সহায়তা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অর্থ সহায়তার মাধ্যমে কিছুটা হলেও সাহায্য পেয়েছেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণের আগেই লাশ হয়ে ফিরল মাহিন

বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল, একদিন তাদের ছেলে মাহিন ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বাড়ি ফিরবে। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের আগেই ২৩ নভেম্বর, শনিবার, বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেছেন মুবতাছিন রহমান মাহিন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো পরিবার এবং তাঁর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

রংপুর নগরীর জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মাহিন ছিলেন গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) শিক্ষার্থী। শনিবার গাজীপুরে অনুষ্ঠিত এক বনভোজনের সময় একটি বাসে প্রথম বিদ্যুতায়িত হন তিনি। সেসময় তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে যান তাঁর বন্ধু জোবায়ের আলম (সাকিব), কিন্তু দুজনই একসঙ্গে মারা যান। এতে আরও একজন বন্ধু, মীর মোজাম্মেল নাঈম (২৩) মারা যান। এরা সবাই তৃতীয় বর্ষের মেকানিক্যাল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

মাহিনের পরিবার জানায়, গাজীপুরে ওই দুর্ঘটনার পর দ্রুত স্থানীয় মাদ্রাসায় জানাজার ব্যবস্থা করা হয়। রোববার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে তার জানাজা শেষে তাকে রংপুরের নিজ বাড়ির কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

মাহিনের পরিবারে তার বাবা ইমতিয়াজুর রহমান, যিনি নীলফামারী সৈয়দপুর শাখার এবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক এবং মা নাজমুন্নাহার, একজন গৃহিণী। ছোট ভাই মোস্তায়িন রংপুরের পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। মাহিনের পরিবার আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে তাকে পড়াশোনার সুযোগ দিয়েছিলেন, যাতে সে একদিন বড় কিছু করতে পারে।

মাহিনের চাচা হাসানুর রহমান বলেন, “এত সুনামখ্যাত একটি প্রতিষ্ঠানে যদি এমন গাফিলতি হয়, তাহলে কে দায়ী? রাষ্ট্রব্যবস্থা, যেখানে বিদ্যুতের তার এমনভাবে রাখা হয়েছে, যে সে তরুণের প্রাণ কেড়ে নিল। মাহিনের মত কাউরাও যেন এমন অকালে না মারা যায়। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”

শুধু পরিবারের সদস্যরা নয়, পাড়া-প্রতিবেশী এবং আত্মীয়স্বজনদের মাঝেও শোকের মাতম বিরাজ করছে। তারা বলেন, “বাবা-মা এত কষ্ট করে ছেলে মাহিনকে মানুষ করেছেন। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবহেলাজনিত কারণে নিষ্পাপ মাহিনের প্রাণ গেল। এটি দুর্ঘটনা নয়, এটি এক ধরনের অবহেলাজনিত মৃত্যু।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে ঐতিহ্যবাহী চর কাউয়া খেয়া ঘাট দখল নিয়ে উত্তেজনা

বরিশালের ঐতিহ্যবাহী চর কাউয়া খেয়া ঘাট দখল নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, বিআইডব্লিউটি (বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ) কর্তৃক শুরু হওয়া উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী এই ঘাটটি দখল করা হচ্ছে, যা তাদের চলাচলের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। ঘাটটির দীর্ঘদিনের ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।

চর কাউয়া খেয়া ঘাটের মাঝি মাল্লার সভাপতি সাজ্জাদ বলেন,আমাদের এই ঘাটটি বহু পুরানো এবং ঐতিহ্যবাহী। এটি দীর্ঘ বছর ধরে স্থানীয় মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। আমরা এর স্থিতি বজায় রাখার দাবি জানাচ্ছি এবং বরিশাল জেলা প্রশাসককে এই বিষয়ে আবেদন জানিয়েছি।

এদিকে, ঘাটের সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন বলেন, এই ঘাটটি আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের আমল থেকে দেখে আসছি। এটা আমাদের জন্য একটি আবেগের জায়গা। প্রতিদিন এই ঘাটটি দিয়ে লাখ লাখ মানুষ পারাপার করে। এখান দিয়ে ১০টি ইউনিয়নের মানুষ একপাড় থেকে আরেকপাড়ে যায়। ভোলা থেকে আসা মানুষও এখান দিয়ে পারাপার করে। এভাবে, আমাদের জন্য কেনো এই ঘাটটি দখল করে নেওয়া হবে? এটা কি সাধারণ মানুষের অধিকার না ।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাই বলেন, আমরা চাই, এই ঘাটটি এই জায়গাতেই রক্ষা করা হোক, কারণ এটি আমাদের চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের এখান দিয়ে চলাচল করেই কাজকর্মে যাবো, সবার জন্য এটি প্রয়োজনীয় একটি পথ।

একজন সাধারণ পথযাত্রী বলেন, আমরা এই ঘাট দিয়ে চলাচল করতে পারলে খুব ভালো হয়। বরিশাল মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ আগের মেয়র শওকত হোসেন হিরন এর উদ্যোগে ঘাটটি সংস্কার করেছেন, যেটি আমাদের জন্য অনেক উপকারে এসেছে। নতুনভাবে সংস্কার হওয়ায় এখানে চলাচলের সুবিধা অনেক বেড়েছে।

তবে, বিআইডব্লিউটি’র ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস এস গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ার আরমান জানিয়েছেন,আমরা সরকারি উন্নয়নমূলক কাজ করছি, এবং আমাদের কোনো উদ্দেশ্য নেই ঘাটের ক্ষতি করার। আমরা কাজটি সম্পন্ন করার সময় সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য দুই পাশের ওয়াকওয়ে ক্লিয়ার রাখছি। পাইলিংয়ের কাজ করছি, আমাদের পর্যাপ্ত লোকবল ও সিকিউরিটি রয়েছে। আমরা নিশ্চিত করছি, ঘাটের কোনো ক্ষতি হবে না।

এদিকে, বিআইডব্লিউটি’র তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই উন্নয়নমূলক কাজটি চলাচল সহজতর করতে এবং ঘাটের নিরাপত্তা বাড়াতে করা হচ্ছে। তবে, স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, এই কাজের মাধ্যমে ঘাটের জায়গা দখল হয়ে যেতে পারে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা সৃষ্টি করবে।

এই ঘাটটি বরিশাল শহরের গুরুত্বপূর্ণ নৌযান চলাচলের একটি কেন্দ্রস্থল। বহু বছর ধরে এটি স্থানীয় জনগণের পারাপারের মূল পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ঘাটটির পাশের এলাকায় অনেক ব্যবসায়ী এবং দোকানও রয়েছে, যারা দৈনন্দিন ব্যবসা পরিচালনা করেন। ঘাটটি কেবল বরিশালের মানুষদের জন্য নয়, ভোলার মানুষদের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘাটটির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যবসা এবং পণ্য পরিবহণ সেবাও অনেক মানুষের জীবিকা নির্বাহের সঙ্গে জড়িত।

চর কাউয়া খেয়া ঘাটের স্থিতি ও মালিকানার ব্যাপারে স্থানীয় জনগণের দাবি রয়েছে, এবং তারা এই ঘাটটির ওপর কোনো ধরনের অযথা হস্তক্ষেপ বা দখল বিরোধী অবস্থানে রয়েছেন। তবে বিআইডব্লিউটির দাবি, এই কাজের উদ্দেশ্য ঘাটের নিরাপত্তা ও উন্নয়ন করা, যাতে ভবিষ্যতে পরিবহন ব্যবস্থায় আরও সুবিধা হয়।

বিষয়টি এখন প্রশাসনের নজরে রয়েছে, এবং বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের জন্য স্থানীয় প্রশাসন এবং বিআইডব্লিউটি কর্তৃপক্ষ একযোগে কাজ করার আশা করছেন স্থানীয়রা।

শাকিল সিকদার,বরিশাল অফিস
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম