চলতি বছর বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৫৫ জনের মৃত্যু

চলতি বছরের প্রথম ১১ মাসে বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৭ হাজার ৮০৩ জনকে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে ৭ হাজার ৪৭৮ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, বর্তমানে সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৭০ জন রোগী।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বরিশাল বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মৃতদের মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ৪৪ জন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে ১ জন এবং অন্যান্য হাসপাতালগুলোতে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ভোলা, পিরোজপুর এবং বরগুনা জেলার সরকারি হাসপাতালে চলতি বছর তিন জন করে মারা গেছে।

ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল আরও জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত ৭ হাজার ৮০৩ জনের মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ হাজার ২৮১ জন। বরিশাল জেলার অন্যান্য সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে ৫৮২ জন, পটুয়াখালী জেলার অন্যান্য হাসপাতালে ৭২৯ জন, ভোলা জেলার সরকারি হাসপাতালে ৭৪৫ জন, পিরোজপুরে ১ হাজার ১৫ জন, বরগুনায় ২ হাজার ১৭৭ জন এবং ঝালকাঠির ২৩৯ জন।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পেতে সর্বোচ্চ সচেতনতা প্রয়োজন। তাই আমাদের সচেতন না হলে আক্রান্তের সংখ্যা কমানো সম্ভব হবে না।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



জামায়াত আমিরের বক্তব্য: ‘ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার হবে দেশে’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যারা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল, জনগণ তাদের নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, “স্বৈরাচারের পতনের সাথে সাথে দেশ থেকে সমস্ত জুলুম-নির্যাতনের অবসান হয়েছে। যারা দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিলেন, হত্যা, লুন্ঠন, খুন, গুম করেছেন তাদের ক্ষমা করা হবে না। তাদের বিচার এদেশের মাটিতেই হবে।”

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন সাতক্ষীরা মোড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শার্শা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এক পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, “ফ্যাসিবাদের দোসররা দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। তারা আমাদের ঐক্যে ফাটল ধরাতে চাচ্ছে।” তিনি যোগ করেন, “এই অবস্থায় তাদের চক্রান্ত রুখে দিতে দেশের সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।” তিনি আরো বলেন, “আমরা আগামীতে এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে কোনও সুদ-ঘুষ, জাতপাত-দল-ধর্মের ব্যবধান থাকবে না।”

পথসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ফারুক হাসান। এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আজিজুর রহমান, মোবারক হোসেন, যশোর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল, উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, বেনাপোল পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা রেজাউল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইউছুপ আলী প্রমুখ।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকা থেকে বিমানযোগে যশোরে পৌঁছানোর পর জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানকে নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানান। পরবর্তী সময়ে তিনি সাতক্ষীরায় রুকন ও কর্মী সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন এবং পথে যশোরের চাঁচড়া চৌরাস্তা, ঝিকরগাছা ও নাভারনে পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করেন। এসব পথসভায় হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মুরগির দাম নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের হতাশা

পটুয়াখালী বিভিন্ন বাজারে মুরগির দাম আজকাল সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিন মজুর রাজু আহমেদ পটুয়াখালীর নিউ মার্কেটে বাজারে এসে ব্রয়লার মুরগি কিনেছেন দুটি। কিন্তু মুরগির দাম দেখে তার মধ্যে এক ধরনের আক্ষেপ ছিল। তিনি বলেন, “ব্রয়লার মুরগির দামও অনেক বেশি, আর দেশি মুরগি তো আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য বিলাসিতা।

জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মুরগির দাম সত্যিই বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা দরে। অন্যদিকে, লেয়ার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা, কক প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩১০ টাকা, সোনালি ও পাকিস্তানি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকায়, এবং দেশি মুরগির দাম ৬৫০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে।

মুরগির দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বাজারের ক্রেতারা অনেকটা উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য ব্রয়লার মুরগি এখন একমাত্র ভরসা ছিল। কিন্তু এই দাম বৃদ্ধি তাদের কাছে মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি সোনালি, লেয়ার, কক জাতের মুরগিও এখন অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে, ফলে সাধারণ ক্রেতারা এই মুরগি কিনতে পারছেন না।

দুমকির বোর্ড অফিস বাজারে মুরগি কিনতে আসা হাবিবুর রহমান, একজন বেসরকারি চাকরিজীবী, তার হতাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “বেতন দিয়ে পুরো মাস চালানো কঠিন হয়ে গেছে, বাজারের অতিরিক্ত খরচ সবকিছুর ওপর চাপ ফেলছে। এখন এক কেজি ব্রয়লার মুরগি কিনতেই ৩৫০-৪০০ টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে।”

এমন পরিস্থিতি নিয়ে গলাচিপার বাঁশ-বাড়িয়া এলাকার ক্রেতা সাজ্জাদ হোসেন জানান, “ব্রয়লার মুরগির দাম অনেক বাড়িয়েছিল, তবে কিছুটা কমেছে, এখন ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে, অন্যান্য মুরগির দাম নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন।”

পটুয়াখালী পৌর নিউমার্কেট বাজারের মুরগি বিক্রেতা খোরশেদ আলম বলেন, “মুরগির ফিডের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে খামারিরা মুরগি উৎপাদনে অতিরিক্ত খরচ করছে, যার ফলে বাজারে মুরগির দাম বাড়ছে।” তিনি আরও বলেন, “ব্রয়লার মুরগি ছাড়া অন্যান্য মুরগির সরবরাহ কমে গেছে, যার প্রভাব পড়ছে বাজারে।”

কলাপাড়া বাজারের মুরগি বিক্রেতা সিরাজুল ইসলাম জানান, “বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মুরগি উৎপাদনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যার ফলে মুরগির দাম বেড়েছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




আমদানি কম, দ্রব্যমূল্য বাড়ার শঙ্কা

বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি এবং নীতিমালা শিথিল করার পরেও দেশের আমদানি গতিতে কোন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। বরং আমদানির ঋণপত্র নিষ্পত্তি এবং নতুন ঋণপত্র খোলার হার কমে যাওয়ায় আগামী রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ সংকট এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, দুর্বল অর্থনীতির কারণে আমদানিতে ধীরগতি সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত হলে অর্থনীতির গতি বাড়াতে সহায়তা হবে। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে চলা উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেশের নিম্ন, মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ করেছে। যদি এই সংকট রমজান মাসে বাড়ে, তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে আমদানি ব্যয় ছিল ৬ হাজার ৬৭২ কোটি মার্কিন ডলার। গত জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসে এই আমদানি ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬১৭ কোটি ডলার। এমসিসিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে আমদানি ঋণপত্র নিষ্পত্তি ২ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং নতুন ঋণপত্র খোলার পরিমাণ ৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমদানি কমে যাওয়ার মূল কারণ হলো অর্থনৈতিক দুর্বলতা।’ তিনি আরো বলেন, ‘বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বেড়েছে এবং নীতিমালা শিথিল করা হয়েছে, তারপরও আমদানির গতি ফেরেনি।’

এছাড়া, ড. হোসেন আরও জানান, আমদানি কমার আরেকটি কারণ হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতি, যা মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে এবং খাদ্যবহির্ভূত খরচ কমাতে বাধ্য করছে। তিনি বলেন, ‘অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।’

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করলে অর্থনীতি দ্রুত সচল হতে পারে। বিগত সময়ে যে অর্থনৈতিক সমস্যা ছিল, তার অনেকটাই বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের কারণে হয়েছিল, যা বর্তমানে কিছুটা শিথিল হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের বিশেষ ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান মনে করছেন, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে নানা কারণে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আগামী অক্টোবর-ডিসেম্বরে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন আশা করা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র হোসনে আরা শিখা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানিতে শূন্য মার্জিনে ঋণপত্র খোলার সুবিধা এবং সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট সহজতর করা হয়েছে। এর ফলে আমদানি প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে, এবং সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দুই বছর সময় প্রয়োজন: নুরুল হক নূর

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর বলেছেন, রাতারাতি নির্বাচন হলে দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। এজন্য অন্তত দুই বছর সময় নিয়ে সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

শুক্রবার দুপুরে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার অফিসার্স ক্লাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হতাহতদের স্মরণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নুরুল হক নূর বলেন, “দেশের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা ও অবিশ্বাস প্রকট হয়ে উঠেছে। আমরা একটি নিরপেক্ষ প্রশাসন চাই, যেখানে রাজনৈতিক পক্ষপাতের ঊর্ধ্বে থেকে সাধারণ মানুষের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “শহীদ পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন যে, শহীদদের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশ তাদের কাছে এক হাজার টাকা দাবি করেছে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং আমাদের জন্য হতাশার। আমি আমাদের দলের পক্ষ থেকে প্রতিটি শহীদ পরিবারকে এক লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।”

এ সময় তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীলতার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “আমরা সবাই নিজ নিজ সুবিধা এবং পদ-পদবি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেছি। যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের পরিবারের পাশে সেভাবে দাঁড়ানো হচ্ছে না। শহীদ পরিবারগুলো যেন অবহেলার শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে শহীদ আতিকের বাবা শাহ আলম হাওলাদার, শহীদ সাগর গাজীর ভাই সোহাগ গাজীসহ শহীদ পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।

সভায় আরও বক্তব্য দেন গলাচিপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার এবং উপজেলা শ্রমিক অধিকার সংগঠনের সদস্য সচিব আমির হোসেন।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর মুহিত, গলাচিপা থানার ওসি মো. আসাদুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের আমির জাকির হোসেন, এবং গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব মিয়া।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 

 




কলকাতায় বাংলাদেশের পতাকার অবমাননা, ঢাকার তীব্র নিন্দা উদ্বেগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের বাইরে সংঘবদ্ধ ও সহিংস বিক্ষোভের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকালে বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ নামে একটি স্থানীয় সংগঠন এই বিক্ষোভ আয়োজন করে।

সেখানেই বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

এসব ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ঢাকা। একইসঙ্গে কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন ও ভারতে বাংলাদেশের অন্যান্য কূটনৈতিক মিশনের পাশাপাশি কূটনৈতিক এবং অকূটনৈতিক সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সরকার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে উল্লেখ করছে যে কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের বাইরে গতকাল বিকালে কলকাতার একটি হিন্দু সংগঠন ‘বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ’ দ্বারা সহিংস বিক্ষোভ হয়েছে। সে সময় বিক্ষোভকারীদের একটি বড় দল আয়োজিত সমাবেশ ও বিক্ষোভ থেকে সহিংস হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা পুলিশ ব্যারিকেড ভেঙে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সীমানায় পৌঁছায়। তারা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় আগুন দেয় এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কুশপুত্তলিকা দাহ করে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে বলে মনে হলেও ডেপুটি হাইকমিশনের সব সদস্যের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা এবং প্রধান উপদেষ্টার কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর জঘন্য কাজের তীব্র নিন্দা জানায়। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় বাংলাদেশ সরকার।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ, বাংলাদেশ সরকার যেকোনো ধরনের সহিংস কার্যকলাপের নিন্দা জানায়। একইসঙ্গে কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন এবং ভারতে বাংলাদেশের অন্যান্য কূটনৈতিক মিশনের পাশাপাশি কূটনৈতিক এবং অ-কূটনৈতিক সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়।




পটুয়াখালীতে কৃষক বাজারে গরুর মাংসের কম্বো প্যাকেজ, স্বস্তিতে ক্রেতারা

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় এবার কৃষক বাজারে চালু হলো গরুর মাংসের কম্বো প্যাকেজ। শুক্রবার সকাল থেকে পৌর শহরের ভলিবল খেলার মাঠের কৃষক বাজারে এ প্যাকেজ চালুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে।

এ প্যাকেজে ২০০ গ্রাম গরুর মাংস, তিনটি আলু ও তিনটি কাঁচা মরিচের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ২০০ টাকা। আর ৫০০ গ্রাম গরুর মাংসের জন্য ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৩২৫ টাকা। স্বল্প মূল্যের এই প্যাকেজ চালু করায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে।

উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “আমরা কলাপাড়াবাসী” এর উদ্যোগে গত শনিবার থেকে খাজনামুক্ত এই কৃষক বাজার চালু করা হয়। এখানে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে পণ্য কিনতে পারায় বিক্রেতারা যেমন ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন, তেমনি ক্রেতারা নির্ভরযোগ্য দামে মানসম্মত পণ্য পাচ্ছেন।

মহিউদ্দিন নামে এক ক্রেতা বলেন, “কম দামে এই ধরনের প্যাকেজ পেয়ে আমরা খুবই খুশি। গরুর মাংসের সঙ্গে সবজি যুক্ত হওয়ায় এটা আমাদের জন্য দারুণ সুবিধা।”
সাবিনা আক্তার নামে আরেকজন জানান, “বাজারে সাধারণত এই দামে গরুর মাংস পাওয়া যায় না। তাই আমরা অনেকটাই উপকৃত হয়েছি।”

এ বাজারে উপস্থিত বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, “খাজনামুক্ত বাজার হওয়ায় আমরা ভালো দামে পণ্য বিক্রি করতে পারছি। এমন উদ্যোগ আমাদের জন্য অনেক সহায়ক।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ ক্রেতা ও কৃষকদের জন্য উপকারী। আমরা বাজারের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কাজ করছি।”

পটুয়াখালীর এই কৃষক বাজারে গরুর মাংসের কম্বো প্যাকেজ চালুর উদ্যোগটি ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের জন্য প্রশংসনীয়। এই বাজারটি একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে কিভাবে স্বল্প খরচে সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণ করা যায়।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ইটভাটার জন্য মাটি কাটার মহৎসব চলছে ঝালকাঠির বিষখালী ও সুগন্ধা নদীর তীরে

ঝালকাঠির বিষখালী ও সুগন্ধা নদীর তীরে ইটভাটার জন্য অবৈধভাবে মাটি কাটার মহৎসব চলছে, যা তীব্র নদী ভাঙন এবং পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী চক্রটি নদী তীর থেকে মাটি কেটে তা বিক্রি করে, ফলে নদীভাঙন ও ফসলি জমির ক্ষতি বাড়ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের আধাঁরে এবং ভোরের প্রথম আলোতেই প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নদী তীরের মাটি কাটতে দেখা যাচ্ছে একটি চক্রকে। নৌকা ও ট্রলারে করে এসব মাটি জেলার বিভিন্ন ইটভাটায় পাঠানো হচ্ছে। ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনা বালিয়া ইউনিয়ন, কাঠালিয়া, রাজাপুর এবং নলছিটি উপজেলার নদী তীর থেকে নিয়মিত মাটি কাটা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রায় ২০টি এলাকায় প্রতিদিন মাটি কেটে ইট তৈরি করা হচ্ছে, যার ফলে নদী ভাঙন তীব্রতর হচ্ছে এবং নদী তীরবর্তী রাস্তা, বাঁধ এবং ফসলী জমির ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়াও গাছ কেটে ইট পোড়ানোর অভিযোগ রয়েছে, যা পরিবেশের উপর আরও চাপ সৃষ্টি করছে। ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান জানিয়েছেন, নদী তীরের মাটি কাটা বন্ধে উপজেলার ইউএনও এবং এসিল্যান্ডদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের দাবি, অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করে এবং মাটি কাটার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে ঝুলন্ত অবস্থায় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার

বরিশাল শহর ও হিজলা উপজেলায় গত বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) ঝুলন্ত অবস্থায় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে পৃথক দুটি ঘটনায় এ মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

মৃতদের মধ্যে একজন বরিশাল নগরের নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা সোহাগ হোসেন (২৩) এবং অপরজন হিজলা উপজেলার পশ্চিম কোড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা রাজীব বাবুর্চি (২৮)। সোহাগ ছিলেন রিকশাচালক এবং রাজীব কৃষক হিসেবে কাজ করতেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সোহাগ দুপুরে নগরের মুন্সির গ্যারেজ এলাকায় তার ব্যাটারিচালিত রিকশা চার্জ দিচ্ছিলেন। পরে বিকেলে গ্যারেজ খুলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে খবর দেন, এবং পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ ধারণা করছে, সোহাগের মাদকাসক্তি এবং পারিবারিক কলহের কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

অন্যদিকে, হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, রাজীব গত দুপরের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। সন্ধ্যায় তার ছোট ভাই তাকে একটি পরিত্যক্ত ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। ওসি আরো জানান, রাজীব ঋণে জর্জরিত ছিলেন এবং পারিবারিক কলহের কারণে তিনি হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই হতাশার কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আমাদের স্বাধীন দেশ নিয়ে ভারতের পার্লামেন্টে আলোচনা কেন: পীর সাহেব চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, “আমাদের দেশ নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। আমাদের দেশ নিয়ে ভারতের পার্লামেন্টে আলোচনা হবে কেন? আমরা কি স্বাধীন দেশের নাগরিক নই?” তিনি আরও বলেন, “হিন্দুরা এদেশের নাগরিক, তাদের ভালোমন্দ আমরা দেখবো। এটা নিয়ে অন্যদেশে আলোচনা হবে কেন?”

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিল ময়দানে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত ছাত্র গণজমায়েতে প্রধান অতিথি হিসেবে পীর সাহেব চরমোনাই এ কথা বলেন।

পীর সাহেব বলেন, “দেশের এই পরিস্থিতিতে সকল দলকে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে। খুনী ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে হবে। ইসলাম দেশ ও মানবতার পক্ষে আওয়াজ তুললে বাতিল পালাতে বাধ্য হবে।”

তিনি আরও বলেন, “ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সাহাবাদের অনুসরণ। রুহানিয়াত ও জেহাদের সমন্বিত প্রয়াস ছাড়া বিজয় সম্ভব নয়। বিজয় অর্জন করতে হলে অবশ্যই সাহাবাদের অনুসরণ করতে হবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর রাসূল কে যেই নীতি ও আদর্শ নিয়ে পাঠিয়েছেন, সেই নীতি ও আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যদি এই নীতি ও আদর্শকে বিশ্বাস করেন, তবে আপনার সন্তানকে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।”

গণজমায়েতে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, “যারা দখলবাজি করছে, এরা আধা পাগল। এদের চিকিৎসার জন্য একটি মেন্টাল হসপিটাল তৈরি করা জরুরি। তবে এসব রাজনীতিবিদরা সুস্থ হয়ে দেশ কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবেন।”

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, “একটি সরকার পরিবর্তন করা সহজ, তবে আদর্শ ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা তত সহজ নয়। এজন্য আদর্শবান সচ্চরিত্রবান প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে। মেধাবীদেরকে ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে আনতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

গণজমায়েতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল বশর আজিজীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক নাসির উদ্দীন, ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নেছার উদ্দীন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট বরকত উল্লাহ লতিফ, অ্যাডভোকেট হাছিবুল ইসলাম, জিএম রুহুল আমীন, শেখ ফজলুল করীম মারুফ, শরিফুল ইসলাম রিয়াদ সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

এদিন চরমোনাই ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ইমামতি ও খুৎবা প্রদান করেন নায়েবে আমীরুল মুজাহিদীন আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই হাফিজাহুল্লাহ। জামাতে অংশ নেন বরিশাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাবিদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, উলামায়ে কিরাম ও জাতীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

আগামী ৩০ নভেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ৮ টায় হযরত পীর সাহেব চরমোনাই’র আখেরি বয়ানের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী বিশাল মাহফিলের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে।

মাহফিলে আসা মুসল্লীদের মধ্যে গতকাল দুইজন বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। উভয়ের জানাযা শেষে মাহফিল হাসপাতালের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম