বরিশালে অবৈধ ঘাটে যাত্রী বহন করে ফিটনেস বিহীন অবৈধ স্পিডবোট

বরিশাল সদর উপজেলা শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন থেকে মেহেন্দিগঞ্জ-পাতারহাট নৌপথে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। যদিও এই অঞ্চলের প্রধান বাহন হিসেবে লঞ্চ ব্যবহার করা হয়, তবে অধিকাংশ যাত্রী সময়ের অভাবে স্পিডবোটে যাতায়াত করেন।

তবে, এই নৌপথে চলাচলরত ৫০ থেকে ৫৫টির অধিক স্পিডবোটের একটিরও বিআইডব্লিউটিএ’র লাইসেন্স নেই, যার ফলে এই স্পিডবোটগুলো অবৈধ এবং ফিটনেস বিহীন। বেশিরভাগ বোটে দক্ষ চালকও নেই, যা যাত্রীদের জন্য বিপজ্জনক। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

জানা গেছে, বর্তমানে বরিশাল-মেহেন্দিগঞ্জ-পাতারহাট রুটে অর্ধশতাধিক স্পিডবোট চলাচল করছে, এবং এগুলোর কোনো লাইফ জ্যাকেট নেই বা তা ব্যবহারের উপযোগী নয়। এসব বোটে যাত্রীদের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে স্পিডবোট চালকরা দুর্ব্যবহার করেন, তাই ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করেন না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিআইডব্লিউটিএ’র নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এই অবৈধ স্পিডবোটগুলো চলাচল করছে এবং প্রশাসন একাধিকবার সতর্ক করা সত্ত্বেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, স্পিডবোট মালিক সমিতির নেতারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অবৈধভাবে স্পিডবোট চালাচ্ছেন।

এছাড়া, অবৈধ স্পিডবোট ঘাটে স্থানীয় দোকানদারদের সাথে চাঁদাবাজি করার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নদী ও বাঁধের ক্ষতির জন্য এই অবৈধ স্পিডবোটগুলো দায়ী। অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে এবং এর ফলে নদীর পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শায়েস্তাবাদ স্পিডবোট ঘাটে কোনো কমিটি বা লাইনম্যান নেই। যাত্রীদের কাদা পানি পার করে বোটে উঠতে হয়, যা তাদের জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে। এসব সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য প্রশাসনের কাছে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে।

এ বিষয়ে বরিশাল অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উপ-পরিচালক মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, স্পিডবোটগুলো অবৈধভাবে চলাচল করছে এবং এর জন্য প্রশাসনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এই স্পিডবোটগুলোর লাইসেন্স না থাকায় সেগুলোর বন্ধের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তৎপর হতে বলা হয়েছে।

অবশেষে, প্রশাসন যদি দ্রুত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে যাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি আরো বৃদ্ধি পাবে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




তেল নিয়ে তেলেসমাতি: মিলছে না দাম বাড়িয়েও

দেশে সয়াবিন তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৯ ডিসেম্বর দাম লিটারে আট টাকা বাড়ানো হয়। এর পর ১৬ ডিসেম্বর দাম সহনীয় রাখতে সয়াবিন তেল আমদানি, উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) অব্যাহতি দেয় সরকার। কিন্তু এসব পদক্ষেপ সত্ত্বেও খুচরা ব্যবসায়ীরা চাহিদামাফিক তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তুলেছেন, আর এর ফলে সাধারণ মানুষ ভুগছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও চাহিদা মাফিক সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে, কোথাও বা পাওয়া যাচ্ছে না। দোকানিরা অনেক সময় জানাচ্ছেন, ‘তেল নেই’। আবার কিছু দোকানে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করারও অভিযোগ উঠেছে।

কাওরান বাজারের মায়ের দোয়া জেনারেল স্টোরের এক বিক্রেতা জানান, তাদের দোকানে সয়াবিন তেলের সরবরাহে কোনো সমস্যা নেই। তারা যা চাচ্ছেন তাই পাচ্ছেন। একই বক্তব্য দেন কাওরান বাজারের মেসার্স বন্ধু স্টোর, লক্ষ্মীপুর স্টোরসহ অন্যান্য বিক্রেতারা। এর সত্যতা পেয়ে জানা যায়, আব্দুর রহমান নামে একজন ক্রেতা কোন সমস্যা ছাড়াই দুই লিটার সয়াবিন তেল কিনেছেন।

তবে মিরপুর, বাংলামোটর এবং পুরান ঢাকার নবাবপুরে খুচরা ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন যে, আগে যেমন সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ (এসআর) নিয়মিত তাদের কাছে তেল পৌঁছাতো, এখন তা হচ্ছে না। অনেক সময় এসআররা এসে সীমিত অর্ডার নিচ্ছেন, ফলে বাধ্য হয়ে ব্যবসায়ীদের পাইকারি বাজার থেকে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

বাংলামোটরের রিপন স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী রিপন মিয়া বলেন, আগে প্রতি সপ্তাহে এসআর আসতেন, কিন্তু এখন তাদের জোরাজুরি করতে হচ্ছে এবং তাও চাহিদামতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন মিরপুরের শেওড়াপাড়া এলাকার এক খুচরা দোকানদার, যিনি জানান, কোম্পানির লোকেরা ঠিকভাবে আসছেন না, ফলে তেল পেতে সমস্যা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজিব ব্যাপারী, যিনি সদ্য মাস্টার্স শেষ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। তিনি বলেন, সয়াবিন তেল কিনতে গিয়ে প্রায়ই তাকে হয়রানির মুখে পড়তে হয়। একাধিক দোকানে ঘুরেও তেল পাওয়া যায় না। তিনি সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, সরকার ব্যবসায়ীদের কাছে নতি স্বীকার করে দাম বাড়িয়েছে, কিন্তু এই মূল্যবৃদ্ধির পরও তেল সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, সরবরাহে সমস্যা থাকার কথা বললেও, কেন এতদিনে এর সমাধান করা হয়নি, তা প্রশ্নবিদ্ধ। সরকারের দায়িত্ব ছিলো সরবরাহ ঠিক রাখা, কিন্তু তারা সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে।

বর্তমানে, ৯ ডিসেম্বর সয়াবিন তেলের দাম লিটারে আট টাকা বেড়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ টাকায় এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৫৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বোতলজাত পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের দাম এখন ৮৬০ টাকা।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




 বাংলাদেশে গুমের ঘটনায় ভারতের সম্পৃক্ততা খুঁজে পেয়েছে কমিশন

বাংলাদেশে গুমের ঘটনা নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে ভারতের সম্পৃক্ততা খুঁজে পেয়েছে একটি কমিশন। দুই দেশের বন্দি বিনিময়ের কার্যক্রম এবং আটক ব্যক্তিদের পরিণতি নিয়ে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহকারী কমিশন তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, বাংলাদেশে গুমের ঘটনায় ভারতের ভূমিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাবেক বিচারপতি মাইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিশন সম্প্রতি ‘সত্য উদঘাটন’ শিরোনামে প্রতিবেদনটি রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে হস্তান্তর করেছে। কমিশন জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে জোরালো ইঙ্গিত রয়েছে যে কিছু বন্দি এখনও ভারতের জেলে থাকতে পারে।

কমিশন আরও জানায়, তারা পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, যেন তারা ভারতের জেলে থাকা কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে খুঁজে বের করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়। তবে, বাংলাদেশে এই বিষয়টি তদন্ত করার এখতিয়ার কমিশনের নেই।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে অপহৃত হয়ে ভারতীয় কারাগারে পৌঁছানো সুখরঞ্জন বালি এবং বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের ঘটনা দুইটি বড় প্রমাণ সরবরাহ করছে যে, গুমের কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হয়েছিল।

সালাহউদ্দিন আহমেদের বিষয়ে কমিশন জানায়, তাকে ২০১৫ সালে উত্তরায় লুকিয়ে থাকার সময় আটক করা হয় এবং তাকে একটি পরিত্যক্ত সেলে আটক রাখা হয়েছিল, যেখানে একটি গর্ত ছিল যা টয়লেট হিসেবে ব্যবহৃত হতো। তার দেওয়া কম্বলে ‘টিএফআই’ অক্ষরগুলো লেখা ছিল, যা ‘টাস্ক ফোর্স ফর ইন্টারোগেশন’-এর ইঙ্গিত বহন করে।

কমিশন পরিদর্শন করে নিশ্চিত করেছে যে, র‍‍্যাব গোয়েন্দা শাখা এখনও ওই স্থাপনার প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর চাবি নিজেদের হাতে রাখে। তবে, ওই স্থাপনার অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো সম্প্রতি ধ্বংস করা হয়েছে। কমিশন জানায়, ২০১০-১১ সালের দিকে এই কেন্দ্র পরিদর্শনকারী সেনা সদস্যদের সাক্ষাৎকার থেকে জানা গেছে, এক সময় এই স্থাপনায় অতিরিক্ত একটি তলা ছিল, যা বর্তমানে আর প্রবেশ করা যায় না।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বন্দী হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রকৃতি এবং এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি ইঙ্গিত দেয় যে, দুই দেশের সরকারের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে এই ঘটনা ঘটেছে।

কমিশন এই বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের অপেক্ষায় রয়েছে, তবে প্রাথমিকভাবে এটি সন্দেহ করা হচ্ছে যে, সালাহউদ্দিন আহমেদ বর্তমানে নষ্ট করে ফেলা সেলগুলোর একটিতে আটক ছিলেন। তাদের মতে, দুই দেশের মধ্যে বন্দী বিনিময় কার্যক্রমের মাধ্যমে গুমের ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিকভাবে সংগঠিত এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রকৃতির।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




 ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়াল

দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার খবর এসেছে, ফলে চলতি বছর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬১ জনে। এ সময়েই নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪১ জন ডেঙ্গু রোগী। চলতি বছর এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৯ জনে পৌঁছেছে।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২২ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ৩৫ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৩৫ জন, খুলনা বিভাগে ১১ জন, ময়মনসিংহে ৫ জন এবং রাজশাহীতে ৮ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭০ জন ডেঙ্গু রোগী। এ পর্যন্ত মোট ৯৮ হাজার ২৬৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১ লাখ ২৯ হাজার ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে ৫৬১ জন ডেঙ্গু রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, “ডেঙ্গু এখন আর সিজনাল নয়, এটি সারা বছরই হচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনে পক্ষ থেকে সর্বত্র প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে এবং জনগণকে সচেতন থাকতে হবে।”

কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলেন, “মশানিধন কেবল জেল-জরিমানা এবং জনসচেতনতা বাড়িয়ে হবে না, সঠিক জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।”

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন আক্রান্ত হয়েছিল এবং ১ হাজার ৭০৫ জন মৃত্যুবরণ করেছিল, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




শীতের বৃষ্টিতে স্থবির বরিশালের জনজীবন

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘু চাপের কারণে বরিশালে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি শনিবার দিনভর চলতে থাকে। শনিবার দিনভর মেঘলা আকাশের কারণে সূর্যের দেখা মেলেনি, ফলে শহরের জনজীবন এক ধরনের স্থবির হয়ে পড়েছে।

বরিশাল আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক মো. মাসুদ রানা রুবেল জানান, শুক্রবার রাত ৯টা ৪০ মিনিট থেকে বরিশালে বৃষ্টি শুরু হয়। শনিবার দিনভর কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি, আবার কখনো হালকা বৃষ্টি হতে থাকে। শনিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত ২ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। দিনের তাপমাত্রা বাড়েনি এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি শীত অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া মেঘলা এবং বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। তিনি আরো জানান, উপকূল এবং ভোলার নিম্নাঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যা আরো দুই-এক দিন ধরে চলতে পারে।

এ অবস্থা শহরের জনজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। বৃষ্টির কারণে কাজে না যাওয়ার জন্য বেশিরভাগ মানুষ ঘরেই অবস্থান করছেন। তবে মহাসড়ক পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ার কারণে পরিবহন চালকদের কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে। এরই মধ্যে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের উজিরপুরের ইচলাদিতে সাকুরা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে বাসের সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কেউ আহত হয়নি। এছাড়া, সকাল বেলা মহাসড়কে দুটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। তবে ধীরগতির কারণে সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ২১ জন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা ছাত্র আন্দোলনকালে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও পুলিশ দিয়ে হয়রানি চালিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য উপাচার্যের সাথে একটি সভা করবেন।’ তিনি আরও জানান, এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সকল পক্ষের মতামত নেওয়া হবে, যাতে নিরপরাধ কেউ হয়রানির শিকার না হন।

সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাথে সংশ্লিষ্ট। তবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে সতর্কতার সাথে যাচাই-বাছাই করার আহ্বান জানিয়েছেন, যেন কোনো নিরপরাধ শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার না হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শারমিন ২১ ছাত্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত শুক্রবার রেজিস্ট্রারকে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে অবশ্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। তবে এটা ধারণা করা হচ্ছে যে, মামলা দায়ের কিংবা একাডেমিক শাস্তি, যেকোনো একটি বা দুটি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

এর আগে, ছাত্র আন্দোলনকারীরা তিনটি পৃথক পক্ষ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা উপাচার্যের কাছে জমা দেন। এরপর এসব তালিকা যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত করা হবে কাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




নিম্নচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীসহ উপকূলে বৃষ্টি ও শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় এলাকায় শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। এর ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে এবং নিম্নআয়ের মানুষদের আরও বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে এবং পুরো উপকূলজুড়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আক্তার জাহান জানান, সাগরে সৃষ্ট এই নিম্নচাপের প্রভাবে আকাশের এ অবস্থা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, নিম্নচাপের কারণে পায়রা এবং দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং গভীর সমুদ্রে থাকা মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে সাবধানে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার কারণে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে গেছে। পটুয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে, যা শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষগুলো বৃষ্টির কারণে বেশি সমস্যায় পড়েছেন।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। এতে উপকূলীয় এলাকায় শীত এবং বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



পটুয়াখালীর দুমকিতে মুক্তিযোদ্ধার লাশ আটকে রাখল পাওনাদাররা

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) সাবেক ডেপুটি রেজিস্ট্রার, জলিশা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম খানের লাশ পাওনা আদায়ের দাবিতে আটকে রেখেছিলেন শিক্ষক ও কর্মচারীরা। দীর্ঘ দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ২০১৫ সালে আব্দুল হাকিম খান আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের জলিশা গ্রামে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। ওই সময় ৬৭ জন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠানের সরকারি হওয়ার আশ্বাসে তাদের কাছ থেকে ৩ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়।

কিন্তু গত ৯ বছরেও প্রতিষ্ঠানটি সরকারি স্বীকৃতি পায়নি। এ সময় শিক্ষকেরা কোনো বেতন ছাড়াই প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় কাজ করে আসছিলেন। আব্দুল হাকিম খান বেশ কিছুদিন অসুস্থ থাকার পর গতকাল সন্ধ্যায় মারা যান।

শনিবার সকাল ১০টায় পবিপ্রবি মাঠে জানাজা শেষে লাশ দাফনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা পবিপ্রবির দ্বিতীয় গেটে লাশ আটকে দেন। তারা দাবি করেন, দীর্ঘদিনের বকেয়া টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত লাশ দাফন করতে দেওয়া হবে না।

প্রায় দুই ঘণ্টা লাশ অবরুদ্ধ থাকার পর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. শাহীন মাহমুদ সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেন। তাদের মধ্যস্থতায় ভুক্তভোগীদের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলে লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়।

দুমকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহীন মাহমুদ বলেন, “জানাজা নামাজ শেষে আমি চলে আসার পর ঘটনাটি ঘটে। তবে আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছি।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ধর্মীয় ঐক্যের বার্তা দিলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “ধর্মের ভিত্তিতে জাতিকে বিভাজন বা সংখ্যালঘু ধারণায় আমরা বিশ্বাস করি না। আমরা সবাই বাংলাদেশের গর্বিত নাগরিক। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে দেশকে কল্যাণকর রাষ্ট্রে পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিরপুর সেনপাড়া খ্রিষ্টান চার্চে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াত আয়োজিত খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ। এ দেশকে ফুলের বাগানের মতো সুন্দর রাখার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কিছু অপশক্তি এই ঐক্য নষ্ট করতে চাইছে। তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জামায়াত সবসময় অপরাধ, দুর্নীতি, এবং অপশক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তবুও যদি কোনো ভুল হয়, আমরা তা সংশোধন করতে প্রস্তুত। দেশের সব নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জামায়াত আপোষহীন।”

জামায়াত আমির বলেন, “বাংলাদেশে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের একসঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের ঐতিহ্য রয়েছে। সবাই একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নিয়েছে। জামায়াত এ ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে।”

তিনি বলেন, “দেশে দুটি শ্রেণি অপরাধপ্রবণ। একদিকে রয়েছে উচ্চ শ্রেণি, যারা কলমের খোঁচায় মানুষের অধিকার কেড়ে নেয়। অন্যদিকে বস্তির মানুষ, যাদের মাদক ও অস্ত্র দিয়ে অপরাধে ব্যবহার করা হয়। এদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা প্রদর্শন করতে হবে।”

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন মিরপুর ব্যাপটিস্ট চার্চের জ্যেষ্ঠ পালক রেভারেন্ড মার্টিন অধিকারী। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, মিরপুর ব্যাপটিস্ট চার্চের সাধারণ সম্পাদক বাবুল কুমার সাহা এবং রেভারেন্ড প্রিন্স কিরণ বাইন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



জাতীয় সরকার ছাড়া বর্তমান সরকার ছয় মাসও টিকবে না: নুরুল হক

ডাকসু’র সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক বলেছেন, “জাতীয় সরকার ছাড়া এ সরকার ছয় মাসও টিকবে না। তারা নিজেদের পরিচিত সার্কেল, বন্ধুবান্ধব এবং সহকর্মীদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেছে, যা গণঅভ্যুত্থানের অংশীদারদের হতাশ করেছে।”

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিপরীতে হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত এক দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের গুলশান জোনের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করা হয়।

সভায় নুরুল হক বলেন, “বর্তমান সরকার নির্বাচন নিয়ে বিভক্তি সৃষ্টি করছে। গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের ত্যাগ ও বিপ্লবীদের পাশে না দাঁড়িয়ে সরকার তাদের এড়িয়ে চলছে। এই দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত দুঃখজনক।”

তিনি আরও বলেন, “বারবার আহত ও নিহতদের সহযোগিতা ও ক্ষতিপূরণ দেয়ার কথা বলা হলেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমরা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই, ডিসেম্বরের মধ্যে আহতদের অর্ধ কোটি এবং নিহতদের জন্য ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া না হলে জানুয়ারিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও করা হবে।”

নুরুল হক জানান, “আমরা জানি, বিপ্লবের পর প্রতি বিপ্লবের ঝুঁকি থাকে। কিন্তু সরকার আমাদের বার্তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে জনসমর্থন হারিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারও টিকে থাকতে পারবে না।”

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মিজানুর রহমান ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান এবং যুব অধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মামুন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম