সংস্কার ও নির্বাচন একসঙ্গে চলবে: ড. ইউনূস

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সংস্কার ও নির্বাচনের প্রস্তুতি একই সঙ্গে চলবে। তবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব, আর সংস্কারে অংশগ্রহণ করতে হবে সকল নাগরিককে।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশে (কেআইবি) জাতীয় সংলাপে ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ (এফবিএস) আয়োজিত এ সংলাপের মূল বিষয় ছিল ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “ভোটাররা তো অংশ নেবেনই, ভবিষ্যতের ভোটারদেরও সংস্কারে অংশ নিতে হবে। নাগরিকদের মতামতকে সহজ করতে সংস্কার কমিশন কাজ করছে। জানুয়ারিতে তাদের প্রতিবেদন পাওয়া যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি, ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারণ করা উচিত। তবে নির্বাচন সংস্কার কমিশনের সুপারিশ এবং জনমতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করে ড. ইউনূস বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা নতুন রূপান্তর পর্বে প্রবেশ করেছি। শহীদ ও আহতদের প্রতি জাতি চিরঋণী। তাদের আত্মত্যাগ আমাদের জন্য প্রেরণা হয়ে থাকবে।”

তিনি নতুন বাংলাদেশের সম্ভাবনা উল্লেখ করে বলেন, “এই পরিবর্তন দ্রুত কার্যকর করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পেছনে ফেরার কোনো সুযোগ নেই।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



কুয়াকাটায় পর্যটকদের জন্য নতুন সংযোজন ‘তাঁবুঘর’

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, যা প্রকৃতি, সমুদ্র, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগের জন্য দেশ-বিদেশের হাজারো পর্যটকের প্রিয় স্থান। এবার এই পর্যটন শহরে পর্যটকদের বাড়তি আনন্দ দিতে চালু হলো ‘তাঁবুঘর’। এই অভিনব উদ্যোগটি নিয়েছে ‘নোনা জলের ভেলা’ নামের একটি ইকো ট্যুরিজম প্রতিষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত ১১টায় কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের ঝাউবন সংলগ্ন তালবাগানে অস্থায়ী তাঁবু স্থাপনের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান, কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এমএ মোতালেব শরীফ, কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবের সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষারসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট অনেক বিশিষ্টজন।

‘নোনা জলের ভেলা’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম মিরন জানান, তাঁবুঘরের বিশেষ প্যাকেজে পর্যটকরা সমুদ্র ও আশপাশের দ্বীপগুলোতে ঘুরে তাঁবুতে রাত্রিযাপন, ক্যাম্প ফায়ার, সামুদ্রিক মাছের বারবিকিউ পার্টি এবং নানা বিনোদনমূলক আয়োজন উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সুবিধা নিশ্চিত করাই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান লক্ষ্য।

কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবের সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, “এটি কুয়াকাটায় পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত চমৎকার উদ্যোগ। পর্যটকদের বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বেশি গ্রহণ করা উচিত।”

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “নোনা জলের ভেলা পর্যটকদের জন্য ইকো ট্যুরিজমের মাধ্যমে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছে। এটি কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পকে আরও উন্নত করতে সাহায্য করবে।”

তাঁবুঘরের এ উদ্যোগ কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে। এটি কেবল কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের জন্যই নয়, পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসাগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




 গণতন্ত্রের প্রধান দরজা নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রবেশের প্রধান ফটক হলো নির্বাচন। তিনি বলেন, যে সকল রাজনৈতিক দল এবং ব্যক্তি এ মুহূর্তে নির্বাচন চাইছে, তাদের জন্য সংস্কারের গুরুত্ব অপরিসীম। শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে আয়োজিত ‘ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অনেকেই ভুলভাবে অভিযোগ করছেন যে, বিএনপি সংস্কার চায় না, শুধুমাত্র নির্বাচন চায়। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, নির্বাচন হবে তখনই, যখন প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তিনি আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যেতে হলে নির্বাচন একটি প্রধান দরজা,” এবং এই দরজা পার করতে হলে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।

ফখরুল আরও বলেন, দেশের প্রধান সমস্যা হলো গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব। এখানে কোনো ধরনের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি, এবং তা না থাকলে কোনো কিছু চাপিয়ে দিয়ে সফল হওয়া সম্ভব নয়। তিনি উদাহরণ হিসেবে ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোর কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার যখন কার্যকর ছিল, তখন জনগণ তা গ্রহণ করেছিল এবং তারা মনে করেছিল এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

গণতন্ত্রের বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, “জনগণকে বাদ দিয়ে কিছু করা সম্ভব নয়, জনগণকেই সঙ্গে নিয়ে এই পরিবর্তন আনা হবে।” তিনি বর্তমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রশংসা করেন এবং নির্বাচন কমিশনকে জনগণের সঙ্গে ইন্টারেকশন বাড়ানোর আহ্বান জানান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, দেশের প্রশাসন এবং সরকারি মেশিনারির মধ্যে এখনও ফ্যাসিবাদী চর্চা চলছে, যা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বড় বাধা। তিনি বলেন, “কাঠামো না থাকলে কিছু চাপিয়ে দিয়ে সফল হওয়া সম্ভব নয়।” গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, “যত বেশি সময় যাবে, তত সমস্যাগুলো বাড়বে।”

তিনি অতীতে ২০১৬ সালে রাজনৈতিক সংস্কারের জন্য বিভিন্ন প্রস্তাবনা দিয়েছেন এবং ২০২২ সালে ১২ দফা এবং ৩১ দফা প্রস্তাবনা নিয়ে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলামের মতে, গণতন্ত্রের সঠিক চর্চা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

পরিশেষে, তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “আমরা একাত্তরকে ভুলে গেলে চলবে না, আর গণতন্ত্রের জন্য লড়াইয়ের ইতিহাস মনে রাখতে হবে।”

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকারে বাসের ধাক্কায় ৫ জন নিহত

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে একটি প্রাইভেটকারকে বাসের ধাক্কায় ৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে ধলেশ্বরী টোল প্লাজা এলাকায়।

প্রাথমিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি, তবে দুর্ঘটনার ফলে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, সকালে মাওয়াগামী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দেয়। এর ফলে, প্রাইভেটকারটির সাথে একটি মোটরসাইকেলও দুর্ঘটনায় পড়ে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের উপ সহকারী পরিচালক সফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসসহ স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দুর্ঘটনায় বাইকে থাকা এক শিশুর মৃত্যু হয়, আর হাসপাতালে পাঠানোর পথে আরও ৪ জন মারা যান। মোট ৫ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্ধার কাজে দ্রুত সহায়তা করে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।

প্রাথমিক উদ্ধার কাজ শেষে, দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলো সরিয়ে নেওয়া হলে এক সময় সেখানে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর হওয়া উচিত: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

দেশের তরুণদের পরিবর্তনের প্রতি আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বাড়াতে ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারণ করার প্রস্তাব করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে (কেআইবি) দুই দিনব্যাপী জাতীয় সংলাপের উদ্বোধনী বক্তব্যে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এ প্রস্তাব দেন। ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজের (এফবিএস) উদ্যোগে আয়োজিত এ সংলাপে ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচনের ওপর আলোচনা হয়।

ড. ইউনূস বলেন, “যে যত তরুণ, পরিবর্তনের প্রতি তার আগ্রহ তত বেশি। তারুণ্য শক্তি যোগায় এবং তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তাই তরুণদের আগাম ভোটাধিকার দেওয়া উচিত।” তিনি আরও বলেন, “ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মতামত গ্রহণের জন্য ১৭ বছর বয়সে ভোটার হওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে। তবে নির্বাচন সংস্কার কমিশনের সুপারিশ দেশের জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই মেনে নেওয়া হবে।”

ড. ইউনূস আরও বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের স্বপ্নকে সাহসী করেছে। এই ঐক্যের জোরেই আমরা দেশের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক কাঠামোতে বড় পরিবর্তন আনতে পারব।” তিনি উল্লেখ করেন, “প্রত্যেক নাগরিক যেন তার সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ পায় এবং সমাজে বৈষম্যহীনতা বজায় থাকে।”

তিনি বলেন, “প্রত্যেক নাগরিকের একটাই পরিচয় থাকবে— তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। রাষ্ট্র তার অধিকার সুনিশ্চিত করবে। এ ধরনের সমাজে ব্যক্তি বন্দনার কোনো সুযোগ থাকবে না।”

সংস্কার ও নির্বাচনের প্রস্তুতি একই সঙ্গে চলবে বলে উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি জানান, “নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেবে। তবে সংস্কারের কাজে প্রত্যেক নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।” সংস্কারকে এগিয়ে নিতে ইতোমধ্যে ১৫টি সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে, যেগুলোর প্রতিবেদন জানুয়ারি মাসে পাওয়া যাবে।

সংলাপের সমাপ্তিতে ড. ইউনূস সবাইকে আহ্বান জানান, “দেশের উন্নয়নে এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে হবে এবং প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব নিতে হবে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সমুদ্র সৈকত তারুয়ায় পর্যটকদের ভিড়, হুমকির মুখে প্রকৃতি

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি তারুয়া সমুদ্র সৈকত। লাল কাঁকড়ার বিচরণ এবং পাখিদের অভয়ারণ্য খ্যাত চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচরের এই সৈকতটি বর্তমানে পর্যটকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে পর্যটকদের বাড়তি ভিড় এবং নির্বিচারে তাদের যাতায়াতের কারণে এই সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।

এই সৈকতটি প্রকৃতির এক অপূর্ব সৃষ্টি, যেখানে রয়েছে প্রশস্ত বালির সৈকত, সাগরের কোলাহল, এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও লাল কাঁকড়া। তবে পর্যটকরা এখানে এসে শুধুমাত্র সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি লাল কাঁকড়া ধরার জন্য ধাওয়া করছেন, যা তাদের স্বাভাবিক বিচরণ ও প্রজননকে বাধাগ্রস্ত করছে। একইভাবে, পাখিরাও আর আগের মতো নির্বিঘ্নে বিচরণ করতে পারছে না। এতে করে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই অঞ্চলটির জীববৈচিত্র্য।

এছাড়া, পর্যটকদের জন্য কোনো সরকারি বিধি-নিষেধ বা নির্দেশনা না থাকায়, তারা নির্বিঘ্নে এখানে ভ্রমণ করছেন এবং অনেকেই এখানে রাত্রী যাপনও করছেন। এতে করে সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অদূর ভবিষ্যতে আরও হুমকির মুখে পড়তে পারে। পরিবেশবিদদের মতে, এই ধরনের নির্ধারিত পরিকল্পনা ও নির্দেশনা না থাকলে, স্থানটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হারিয়ে যেতে পারে।

তবে কিছু স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা কিছু ব্যবস্থা নিয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় সেখানে একটি ঘর স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে পর্যটকরা নিরাপদে অবস্থান করতে পারেন। তবুও, সরকারি কোনো পরিকল্পনা বা পর্যটন এলাকাকে ঘোষণা না করলে দীর্ঘমেয়াদীভাবে এই সৈকতটির সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

তারুয়া সমুদ্র সৈকত প্রকৃতির এক বিরল সৃষ্টি। তবে সরকারিভাবে এটিকে টুরিস্ট স্পট হিসেবে ঘোষণা করা হলে, এটি দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। তবে, এখনই এটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়ে পড়েছে এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা ও প্রকৃতির সংরক্ষণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




নির্বাচন-অভ্যুত্থানে টালমাটাল বরিশাল

বরিশালে ২০২৪ সাল ছিল উত্তাল ও রকমের এক বছর, যেখানে একাধিক ঘটনা সমান্তরালভাবে ঘটেছে, যার মধ্যে ছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এসব ঘটনায় বরিশাল এবং এর আশেপাশের অঞ্চলগুলোতে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক নানা চাপ সৃষ্টি হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সরকারের পতন .

২০২৪ সালের জুলাই মাসে বরিশালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়, যেখানে সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। আন্দোলনটি দ্রুত পুরো দক্ষিণাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, এবং সেখানে শিক্ষক ও অভিভাবকরা আন্দোলনকারীদের সমর্থন জানাতে রাজপথে নামেন। আন্দোলনের সময় পুলিশি নির্যাতন, অস্ত্রধারীদের হামলা, এবং বিভিন্ন সহিংস ঘটনার মধ্যেও শিক্ষার্থীরা দমে যায়নি। ৫ আগস্ট, আন্দোলনের ফলস্বরূপ, সরকার পতন এবং আওয়ামী লীগের সভাপতির দেশ ত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ে, যা জনমনে বড় ধরনের আলোচনার সৃষ্টি করে।

রাজনৈতিক সহিংসতা ও মামলা

অন্যদিকে, ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করায় বরিশাল মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে হামলা ও মামলা দায়ের হয়। ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি অফিসে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে সেরনিয়াবাত ভবনে তিনজনের মৃত্যু হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ ওঠে। ২২ আগস্ট, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা দায়ের হয়, যার মধ্যে সাবেক মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধিরাও আসামি হন।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ

২০২৪ সালে বরিশালবাসী বিশেষভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে দুর্বিষহ জীবনযাপন করেছে। বিশেষত সয়াবিন তেল, ডিম, চাল, পেঁয়াজ, আলু, এবং সবজির বাজারে ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। তবে ডিসেম্বরের শেষের দিকে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হতে শুরু করে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগও বরিশালের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। ২৬ মে ঘূর্ণিঝড় রিমাল দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে, এবং বিশেষজ্ঞরা এর কারণ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন। এছাড়া বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ, হিজলা, ও বাকেরগঞ্জ অঞ্চলে নদী ভাঙনের ফলে হাজারো মানুষ নিঃস্ব হয়ে গেছে।

নির্বাচন এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা

২০২৪ সালের শুরুতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলন নিয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। বরিশালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ এবং বাগবিতণ্ডা ঘটে, যেখানে পুলিশি সংঘর্ষের কারণে বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরই মধ্যে বরিশালে বিদ্রোহী প্রার্থীদের হামলা, পুড়িয়ে ফেলা মোটরসাইকেল, এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সাংবাদিক নির্যাতন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের ঘোষণা এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের বদলি বিষয়ক আলোচনা ছিল এবছরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এছাড়া সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলতে থাকে, বিশেষ করে নির্বাচনকালে।

বিশেষ উল্লেখযোগ্য ঘটনা

বরিশালের জিলা স্কুলের ছাত্র মাহাথির রহমান ক্যান্সার জয় করে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছে, যা সবার মধ্যে আশা ও অনুপ্রেরণা জাগিয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে ব্যবসা শুরু করেছে, এবং বরিশালের বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনও আলোচনায় আসে।

২০২৪ সাল ছিল বরিশালের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, এবং প্রাকৃতিকভাবে চ্যালেঞ্জের বছর। তবে এসব পরিস্থিতির মধ্যেও বরিশালের জনগণ তাদের সংগ্রাম চালিয়ে গেছে, এবং কিছুটা স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে পণ্যবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ

বরিশালে শ্রমিকদের লাগাতার কর্মবিরতির কারণে পণ্যবাহী সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে এমভি আল বাখেরা জাহাজে সাত শ্রমিক হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে শ্রমিকরা এই কর্মবিরতি শুরু করেন। কর্মবিরতির কারণে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার ব্যবসায়ীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত ১২টা থেকে বরিশাল অঞ্চলের পণ্যবাহী নৌযান, তেল ও গ্যাসবাহী নৌযানসহ সব ধরনের মালবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেন শ্রমিকরা। তাদের দাবি, নিহত শ্রমিকদের প্রত্যেক পরিবারের জন্য সরকারিভাবে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং নৌপথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের বরিশাল অঞ্চলের নেতা একিন আলী মাস্টার জানান, যদি তাদের দাবি দ্রুত মেনে না নেওয়া হয়, তাহলে আরো কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে যাত্রীবাহী নৌযান কর্মবিরতির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পণ্য পরিবহণে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন এবং তাদের ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




কালকিনিতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বোমা বিস্ফোরণ, ইউপি সদস্য ও তাঁর ছেলে নিহত

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্তার শিকদার (৪২) এবং তাঁর ছেলে মারুফ শিকদার (২০)। আজ শুক্রবার ভোরে উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের মধ্যেরচর এলাকায় সংঘর্ষের সময় হাতবোমার বিস্ফোরণে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন।

নিহত আক্তার শিকদার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে মধ্যেরচর এলাকায় ফকির এবং শিকদার বংশের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর আক্তার শিকদার এলাকা ছেড়ে চলে যান। আজ ভোররাতে তিনি তাঁর লোকজন নিয়ে মধ্যেরচরে ফেরার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে জলিল ফকিরের দল ওই এলাকায় মাইকিং করে লোকজন জড়ো করে এবং সংঘর্ষ শুরু হয়।

এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষ দেশী অস্ত্রসহ একে অপরকে আক্রমণ করে এবং কয়েকটি হাতবোমা বিস্ফোরিত হয়। এর মধ্যে আক্তার শিকদার ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তার ছেলে মারুফ শিকদার গুরুতর আহত হন এবং শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মৃত্যুবরণ করেন।

এ ছাড়া, এই সংঘর্ষে আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং তারা বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাঁশগাড়ী এলাকায় পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা জানান, পুলিশের যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে এবং আসামিদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা অমিত সেনগুপ্ত জানান, মারুফ শিকদারকে সকাল ৯টার দিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীর রক্তাক্ত ছিল এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মাদারীপুরে নিয়ে যাওয়া হয়।

বাঁশগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আক্তার শিকদারের বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলা ছিল, যার মধ্যে ৫টি হত্যা মামলা রয়েছে। তিনি সরকার পতনের পর এলাকা ছেড়ে যাওয়ার পর নতুন করে এলাকা প্রবেশের চেষ্টা করেন, যার ফলশ্রুতিতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

মধ্যেরচর এলাকার বাসিন্দা রাজন হোসেন জানান, শিকদার বংশের লোকজন প্রায় ২০০ জন নিয়ে প্রথমে ফকির বংশের লোকজনের বাড়িতে হামলা চালায়, পরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।

এ ঘটনায় আসামিদের ধরতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




কলাপাড়ায় পাওনা টাকার দাবিতে চীনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধানখালীতে ১৩২০ মেগাওয়াট আরএনপিএল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের চারজন চীনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বরিশালের রূপাতলীর মিফতা ট্রেডার্সের ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম রাহাত। অভিযুক্তরা টিইপিসি-সিএইচইসি-সিডব্লিউইসি প্রজেক্টে কর্মরত। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযুক্তরা সাইফুল ইসলামের প্রতিষ্ঠানের কাছে জেটি আনলোড ও পরিবহন খাতে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ২২ হাজার ৩২৮ টাকা বকেয়া রেখেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে পরিশোধে গড়িমসি করছেন।

মামলায় অভিযুক্ত চীনা কর্মকর্তারা হলেন প্রজেক্টের জেনারেল ম্যানেজার ইয়ং লিং, প্রজেক্ট ম্যানেজার লিফুডং, এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার হুতাও এবং নির্বাহী পরিচালক সানরুই। অভিযোগ অনুযায়ী, তিয়ানজিং ইলেক্ট্রিক পাওয়ার কনস্ট্রাকশন কোম্পানি নির্মাণাধীন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের আন্তর্জাতিক লজিস্টিক প্রতিষ্ঠান সিএমইসি-এর কমট্রান্স প্রজেক্ট লজিস্টিক কোম্পানি লিমিটেড এবং সহযোগী ওসান ট্রাক লজিস্টিক (বিডি) লিমিটেডের সঙ্গে ২০২১ সালের ১০ জুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সাইফুল ইসলাম জানান, চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করার পরও অভিযুক্তরা টাকা পরিশোধে নানা অজুহাত দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ করছেন। এমনকি কোম্পানি তাদের কর্মকাণ্ড গুটিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। নিরুপায় হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।

মামলার প্রেক্ষিতে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থানার ওসিকে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ধানখালীতে নির্মিত ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আরএনপিএল পাওয়ার প্লান্টটি উৎপাদনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম