জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক বৃহস্পতিবার

আগামী বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র নিয়ে একটি সর্বদলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, জানিয়ে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। এই বৈঠকের পর, ঘোষণাপত্রে কী কী বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে এক প্রেস কনফারেন্সে এসব মন্তব্য করেন মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, “বিএনপি, জামায়াত এবং অন্যান্য সব অভ্যুত্থানকারী শক্তি জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে একমত হলেও, এতে কী কী বিষয় থাকবে, তা নিয়ে এখনও একমত হওয়া সম্ভব হয়নি।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী বৃহস্পতিবারের বৈঠকে সকল রাজনৈতিক দল ও পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে বিষয়টি নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

এসময়, জাতীয় পার্টি এবং বাম দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের ব্যাপারে করা এক প্রশ্নের জবাবে মাহফুজ আলম বলেন, “জাতীয় পার্টির অবস্থান আমাদের কাছে পরিষ্কার, তবে আমরা এখনও তাদের বৈঠকে ডাকি নি, তাই তাদের সঙ্গে ঘোষণাপত্র নিয়ে আলোচনা করার যৌক্তিকতা অনুভব করছি না। বাম দলগুলোর অনেক সংগঠন রয়েছে, তবে যেসব দল গণঅভ্যুত্থানে সহায়তা করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং আরও হবে।”

জুলাই ঘোষণাপত্র সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা, এ বিষয়ে তিনি বলেন, “সরকারের দিক থেকে এই ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে একটি লিগ্যাল ডকুমেন্ট প্রস্তুত করার পর্যালোচনা চলছে। এটি আরও আগে করা উচিত ছিল, তবে জনগণের মতামতের পরই এটি চূড়ান্ত করা হবে। সংবিধানে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি গণপরিষদ এবং পরবর্তী সংবিধান সংশোধনীর ওপর নির্ভর করবে।” তিনি আরও জানান, “যারা নির্বাচনে জয়ী হবে, তারা গণঅভ্যুত্থানের শক্তি হিসেবে এই ঘোষণাপত্র ধারণ করে জনগণের কাছে যাবে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এখন উত্তেজনা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বর্তমানে কোনো উত্তেজনা নেই এবং পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি বলেন, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণও বন্ধ রয়েছে এবং এখন সবকিছু স্থিতাবস্থায় রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) ময়মনসিংহ বিভাগের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কৃষি অধিদফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সিটি করপোরেশনের শাহাবউদ্দিন মিলনায়তনে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহাঙ্গীর আলম আরও জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আগামী মাসে বিজিবি এবং বিএসএফ’র ডিজি পর্যায়ের একটি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এই আলোচনায় কিছু অসম চুক্তির বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে এবং সমস্যাগুলো সমাধান করার পথ খুঁজে বের করা হবে। এর আগে, মন্ত্রণালয় থেকে বিএসএফকে চিঠি পাঠানো হবে, যাতে অসম চুক্তি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া যায়।

এছাড়া, সারের কোনো সংকট নেই জানিয়ে তিনি বলেন, যদি কেউ কৃত্রিম সারের সংকট তৈরি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ডিলার যদি এর সঙ্গে জড়িত থাকে, তাদের ডিলারশিপ বাতিল করা হবে এবং তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “কৃষকরা আমাদের দেশের প্রাণ, তারা অবশ্যই ন্যায্য মূল্যে সার পাবে।”

তিনি আরও জানান, পুলিশ বাহিনী সংকট কাটিয়ে তাদের কার্যক্রম পুনরায় ত্বরান্বিত করছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে ২৪৫ বছরের পুরোনো মারবেল মেলা

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় ২৪৫ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী মারবেল মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের রামানন্দের আঁক গ্রামে মেলার আয়োজন করা হয়। প্রতিবছরের মতো এবারও মেলায় হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন, শুধু আগৈলঝাড়া নয়, পাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার মানুষও এতে যোগ দেন।

মেলা কমিটির সভাপতি নির্মল মণ্ডল জানান, ২৪৫ বছর আগে রামানন্দের আঁক গ্রামের সোনাই চাঁদের বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির একটি নিমগাছের গোড়ায় শিবের আরাধনা শুরু করেন। পরবর্তীতে এটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং ওই স্থানে প্রতি বছর পৌষ সংক্রান্তির দিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বৈষ্ণব সেবা, নবান্ন উৎসব এবং মারবেল মেলার আয়োজন করা হতে থাকে।

এ বছরেও মেলা উপলক্ষে বৈষ্ণব সেবা, নাম সংকীর্তন, কবিগান ও মারবেল খেলার আসর বসে। বিশেষত, মেলার অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে ৫০ কেজি চাল, আখের গুড়, নারকেলসহ অন্যান্য উপকরণ দিয়ে তৈরি নবান্নের আয়োজন। এই মেলা হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অনুষ্ঠিত মারবেল খেলা এবং দোকানপাট মেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। মারবেল বিক্রেতা ত্রিমুখী গ্রামের প্রদীপ বল্লভ জানান, প্রতি বছর এ দিনটি বিশেষ করে মারবেল বিক্রির জন্য অপেক্ষা করেন। এবার বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। একশত পিস মারবেল ২০ টাকায় বিক্রি করছেন তিনি।

মেলায় শিশু, কিশোর, কিশোরী, যুবক-যুবতী সহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ মারবেল খেলার আনন্দে মেতে ওঠেন। বাকাল গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র মিরাজ ফকির বলেন, “আমি সারাবছর টাকা জমিয়েছি যাতে মারবেল খেলার জন্য মেলায় আসতে পারি।”

এছাড়া, আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুশংকর মল্লিক জানান, মেলা উপলক্ষে আগত মানুষের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ প্রশাসন আগেই ব্যাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। অনেকেই দূরদূরান্ত থেকে মেলায় অংশ নিতে আসেন, তাদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য ‘প্লে উইথ এ পারপাস’ কর্মশালা

শুধু স্বাভাবিক সময়ে নয়, দুর্যোগ ও মানবিক বিপর্যয়ের পরিস্থিতিতেও শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা সমান জরুরি। এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে কক্সবাজারে বসবাসরত মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য ‘প্লে টু লার্ন’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সিসেমি ওয়ার্কশপ, ব্র্যাক, আইআরসি এবং নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায়। সিসেমি ওয়ার্কশপ হলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এবং জনপ্রিয় শিশুতোষ টেলিভিশন সিরিজ সিসিমপুরের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

‘প্লে টু লার্ন’ প্রকল্পের সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) কক্সবাজারে আয়োজন করা হয় একটি কর্মশালা, যার শিরোনাম ছিল ‘প্লে উইথ এ পারপাস’। সরকারি-বেসরকারি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় দেড় শতাধিক প্রতিনিধি কর্মশালায় অংশ নেন। দিনব্যাপী এই কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, এবং সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।

কর্মশালায় আলোচনা হয়, যেকোনো দুর্যোগ বা মানবিক বিপর্যয়ের সময় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশকে অতি জরুরি সেবা হিসেবে গণ্য করার বিষয়ে। এতে উল্লেখ করা হয়, সিসেমি ওয়ার্কশপ দুটি রোহিঙ্গা শিশু চরিত্র—নূর ও আজিজ তৈরি করেছে, যা রোহিঙ্গা শিশুদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই দুটি চরিত্রকে কেন্দ্র করে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষামূলক ভিডিও কন্টেন্ট রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য তৈরি করা হয়েছে এবং সেগুলো ক্যাম্পে ব্র্যাকের প্লেল্যাব, ইউএনএইচসিআর এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে প্রদর্শন করা হচ্ছে।

এছাড়া, প্রকল্পটি ১২টি গল্পের বই বার্মিজ, ইংরেজি এবং বাংলা ভাষায় প্রকাশ করেছে, যা কক্সবাজারের ১৪টি সংস্থার শিশু শিক্ষাকেন্দ্রে বিতরণ করা হয়েছে। প্রায় দুই লক্ষ শিশু এসব বই ব্যবহার করছে। সেই সঙ্গে শিশু বিকাশের জন্য বিশেষ হোমকিট এবং অভিভাবক ও শিশু যত্নকারীদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।

ছয় বছর ধরে চলমান ‘প্লে টু লার্ন’ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৮ লক্ষ রোহিঙ্গা শিশু, অভিভাবক ও শিশু যত্নকারী সরাসরি উপকৃত হয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, এই প্রকল্পের আওতাধীন ৭০ শতাংশ শিশুদের সার্বিক বিকাশ সাধিত হয়েছে, ৯১% শিশুর মানসিক বিকাশ হয়েছে এবং ৯৬% শিশু যত্নকারী ও অভিভাবকরা শিশুদের প্রতি আরও বেশি যত্নশীল হয়েছেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বিনিয়োগ সংস্থাগুলোকে একত্রিত করার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের ভূমি অধিকার সমস্যা সমাধান এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য সকল বিনিয়োগ সংস্থাকে এক ছাতার নিচে আনার নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) ইয়ংওন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাং এবং অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সাথে বৈঠককালে প্রধান উপদেষ্টা এই নির্দেশনা দেন। তিনি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনকে পাঁচটি বিনিয়োগ সংস্থাকে একত্রে নিয়ে আসার জন্য পদক্ষেপ নিতে বলেন।

বৈঠক শেষে, ইয়ংওন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাং বাংলাদেশের বিনিয়োগের সমস্যা, বিশেষ করে ভূমি অধিকার সম্পর্কিত জটিলতা তুলে ধরেন এবং বড় আকারের বিনিয়োগ পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ করেন।

এছাড়া, কোরিয়ান ইপিজেডের জমি সমস্যা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সমাধান হবে বলে আশ্বাস দেন কিহাক সাং। তিনি বলেন, “আমরা চাই কোরিয়ান ইপিজেড বাংলাদেশের সবার জন্য মডেল হোক। আশা করি এটি বড় বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।”

ড. ইউনূস চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম উন্নত করার জন্য ইতোমধ্যে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং দ্রুত রপ্তানির জন্য গ্রিন চ্যানেল চালুর কথাও জানিয়েছেন। চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে দ্রুত শিপমেন্টের ব্যবস্থা নেয়া হলে, অর্থনীতির গতিশীলতা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া, কোরিয়ায় একটি বৃহৎ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ড. ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানান কিহাক সাং। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি তরুণদের প্রশিক্ষণ প্রদান করার আশ্বাসও দেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু: ইসি সচিব

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে কমিশন ভবনে ইউএনডিপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

ইসি সচিব বলেন, “ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং নির্বাচনে কারিগরি সহযোগিতা দেবে ইউএনডিপি। আগামী দশ দিনের মধ্যে ইউএনডিপি তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার তালিকা প্রদান করবে।”

এসময়, ইউএনডিপির প্রতিনিধিরা নির্বাচনের জন্য ইসির চাহিদা অনুযায়ী সাহায্য করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশের সকল নির্বাচনেই ইউএনডিপি কমিশনকে সরাসরি সহযোগিতা দিয়ে আসছে। জাতিসংঘের এ সংস্থা নির্বাচনী পরামর্শ, কারিগরি সহায়তা, লজিস্টিক, প্রশিক্ষণ, ভোটার তালিকা প্রণয়ন, এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির মতো নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে।

জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি গোয়েন লুইস বলেন, “বাংলাদেশের নির্বাচনে সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি এবং এ বিষয়ে আমাদের সহযোগিতার প্রস্তাবগুলো কমিশনের সাথে আলোচনা চলছে।”

এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০২৫ সালের শেষ দিকে অথবা ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানান।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে ঘরের মাঠে বিপিএল না হওয়ায় ক্রীড়াপ্রেমীদের হতাশা

ক্রিকেটের প্রতি বরিশালবাসীর উন্মাদনা অসীম। তবে এই বছর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজনের সময়, ফরচুন বরিশাল অসাধারণ পারফরম্যান্স সত্ত্বেও, ঘরের মাঠে খেলার সুযোগ পাচ্ছে না। এই কারণে বরিশালবাসী দুঃখিত ও হতাশ। বরিশালের আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকায় স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা নিজেদের মাঠে বিপিএল খেলা দেখতে পারছেন না।

বরিশালের ক্রীড়াপ্রেমী আশিকুজ্জামান বলেন, “যদি আমাদের মাঠে ফরচুন বরিশালের ম্যাচ আয়োজন করা যেত, তাহলে স্থানীয় তরুণ খেলোয়াড়রা আরও অনুপ্রাণিত হতো। মাঠে খেলা দেখার আনন্দ আলাদা।”

প্রশিক্ষণরত নতুন ক্রিকেটার ফরহান আহমেদ বলেন, “বরিশালের সমর্থন আমাদের শক্তি। তাদের ভালোবাসা আমাদের আরও বেশি প্রেরণা দেয়। মাঠে খেলার সুযোগ না পেলেও, আমরা সবাই একসঙ্গে জিততে চাই।”

আরেক ক্রিকেটার আরিফ হোসেন বলেন, “ফরচুন বরিশালের হয়ে খেলা মানে এক স্বপ্ন। বরিশালবাসীর ভালোবাসায় অটুট বিশ্বাস রেখে আমরা শুধু জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছি।”

ফরচুন বরিশালের মালিক মিজানুর রহমান জানান, “বরিশালের স্টেডিয়ামটি দ্রুত সংস্কার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার সংস্কৃতি এবং নতুন প্রতিভার বিকাশের জন্য খেলা আয়োজনের কোনো বিকল্প নেই।”

যদিও মাঠে খেলা দেখতে না পারলেও, বরিশালবাসী প্রিয় দলের জয় উদযাপনে কমতি রাখছে না। ফরচুন বরিশালের রাজশাহীর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়ার পর শহর জুড়ে ক্রিকেট উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে। ৬ ও ৭ জানুয়ারির দুই ম্যাচে জয় পাওয়ার পর উদ্দীপনা আরও বেড়ে যায়।

নগরীর বিভিন্ন স্থানে প্রজেক্টরে খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোথাও খিচুরি পার্টি, কোথাও বারবিকিউ আয়োজন করে সমর্থকরা খেলার আনন্দ উদযাপন করেছেন। বিএম কলেজের শিক্ষার্থী ফয়সাল বারী বলেন, “বরিশালে ক্রিকেট মানেই অন্যরকম এক আবেগ। ফরচুন বরিশালের খেলা হলে গোটা শহর জেগে ওঠে।”

নিউটন নামের এক ব্যবসায়ী জানান, “আমার প্রজেক্টর ভাড়া নিয়ে নগরীতে কাড়াকাড়ি পড়েছে। বিপিএলের দিনগুলোতে সাউন্ড সিস্টেম ও প্রজেক্টরের ভাড়া নিয়ে দারুণ ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে।”

বরিশাল জেলা ক্রীড়া অফিসার সাইদুল ইসলাম জানান, “স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ দ্রুতই শেষ করার চেষ্টা চলছে। এটি শেষ হলে আমরা বিপিএলসহ আন্তর্জাতিক মানের খেলাগুলো আয়োজন করতে পারব।”

বরিশালবাসী আশা করে, স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজ দ্রুত শেষ হবে এবং ঘরের মাঠে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাগুলোর আয়োজন হবে। ক্রীড়াঙ্গনে বরিশালের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের জন্য অপেক্ষা করছেন ক্রীড়ামোদীরা।

ফরচুন বরিশালের উজ্জ্বল পারফরম্যান্স, সমর্থকদের ভালোবাসা এবং স্টেডিয়াম উন্নয়নের স্বপ্ন মিলিয়ে বরিশালে একটি নতুন ক্রীড়াযুগের সূচনা হবে, এটাই বরিশালের প্রত্যাশা।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ, রোগীরা ভোগান্তিতে

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বালানি সংকটের কারণে গত দুই মাস ধরে বন্ধ রয়েছে একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স সেবা। অকটেনের বকেয়া পরিশোধ না করায় এই সেবা বন্ধ হয়েছে, যার ফলে মুমূর্ষু রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দূরবর্তী হাসপাতালে নেওয়ার সমস্যা তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে, রোগীদের স্বজনরা সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে পারছেন না এবং বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যেতে তাদের প্রায় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ ভাড়া দিতে হচ্ছে। এতে গরিব ও দুস্থ রোগীদের জন্য আর্থিক চাপ বেড়ে গেছে, আর রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অ্যাম্বুলেন্সটির জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স এম খান ফিলিং স্টেশনে প্রায় ৭ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে, যার কারণে ১১ নভেম্বর থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার জন্য রোগীদের প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে হচ্ছে এবং এই কারণে তাদের খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, এক কিলোমিটার ভাড়া ১০ টাকা ধরা হলেও সরকারি অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ থাকায় এখন রোগীদেরকে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সে ২ হাজার থেকে ২.৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে।

রঘুনাথপুর গ্রামের কাজী বশির উদ্দিন জানান, তার বোনের শাশুড়ি অসুস্থ, ডাক্তার তাকে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু সরকারি অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ থাকায় প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সে যেতে প্রায় ৩ হাজার টাকা খরচ হবে।

অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. মহসিন বলেন, ‘প্রতিদিন রোগীর স্বজনরা ফোন করেন, কিন্তু তেল না থাকায় আমি অ্যাম্বুলেন্স চালাতে পারছি না। দুই মাস ধরে অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ রয়েছে, তাই অলস সময় কাটাচ্ছি।’

এদিকে, মেসার্স এম খান ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের বকেয়া পরিশোধ না করায় তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমী আক্তার জানান, বর্তমানে প্রায় ৭ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে, এর মধ্যে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন এবং বিল প্রক্রিয়াধীন। বিল পাস হলেই দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স সেবা পুনরায় চালু করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




জয় বললেন, এফবিআই’র রিপোর্ট ‘ভুল ও বিভ্রান্তিকর’, বিবাহ বিচ্ছেদ ৩ বছর আগে

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) এর রিপোর্ট নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্কের মধ্যে, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেছেন যে, ওই রিপোর্টটি ‘ভুল ও বিভ্রান্তিকর’। তিনি এফবিআইয়ের প্রতিবেদনের কয়েকটি গুরুতর ভুলের কথাও উল্লেখ করেছেন।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জয় বলেন, “সম্প্রতি আমার বিরুদ্ধে এফবিআই-এর একটি রিপোর্ট ফাঁস করা হয়। তবে তাদের অসাবধানতা ও বোকামির কারণে রিপোর্টটির মিথ্যা প্রমাণ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। রিপোর্টে বেশ কিছু গুরুতর ভুলও রয়েছে।”

এফবিআইয়ের তদন্ত অনুযায়ী, হাসিনা ও জয় যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে প্রায় ৩০ কোটি ডলার (৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা) পাচার করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাটি দাবি করেছে, তারা জয়ের আর্থিক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য অনিয়ম উদঘাটন করেছে। এর ভিত্তিতে, বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর হাসিনা ও জয়ের বিরুদ্ধে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু করবে।

এফবিআই আরও জানায়, তারা জয়ের বিলাসবহুল ৮টি গাড়ি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা পেয়েছে। তবে জয় তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, এসব গাড়ি অনেক পুরোনো এবং অধিকাংশই বহু আগে বিক্রি হয়ে গেছে।

এফবিআইয়ের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা হংকং ও কেম্যান আইল্যান্ডে সজীবের ব্যাংক হিসাব খুঁজে পেয়েছে এবং স্থানীয় একটি মানি এক্সচেঞ্জ কোম্পানির মাধ্যমে ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক ও লন্ডনে সন্দেহজনক অর্থ স্থানান্তরের বিষয়টি জানা যায়। তবে জয় এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন যে তার কোনো অফশোর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। তিনি পুরো বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করে এসব অভিযোগ প্রমাণ করে দেখানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

এছাড়া, প্রতিবেদনে সজীব ওয়াজেদের স্ত্রী ক্রিস্টিনের সঙ্গে সন্দেহজনক ব্যাংক কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হলেও, জয় তার পোস্টে বলেন, “ক্রিস্টিন এবং আমি আর বিবাহিত নই। আমরা প্রায় তিন বছর আগে আলাদা হয়েছি এবং আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আ. লীগ আমলে নেওয়া ১৯০ সেতু বাতিল, বাঁচল ৬৩৯ কোটি টাকা

বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলার জন্য পূর্বের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নেয়া ১৯০টি লোহার সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাতিল করেছে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সেতু গুলোর মধ্যে অনেকগুলি রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রকল্পভুক্ত করা হয়েছিল, যার কোন প্রয়োজনীয়তা ছিল না। ফলে এসব সেতু বাতিলের ফলে সরকারের খরচ থেকে সাশ্রয় হবে ৬৩৯ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে ২ হাজার ৪৯টি সেতু পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। সেই সময় একাধিক সেতু সংস্কারের জন্য পরিকল্পনা করা হয়, যার ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা। পরে, ২০২১ সালে প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে ২ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা করা হয় এবং গত বছর তা আরও বাড়িয়ে ৩ হাজার ৪১২ কোটি টাকা করা হয়। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৯০টি সেতু বাতিলের পর প্রকল্পের ব্যয় কমিয়ে ২ হাজার ৭৭৩ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেতু বাতিলের জন্য চারটি মূল কারণ উল্লেখ করা হয়েছে:
১. স্থানীয় লোকজনের জন্য সেতুগুলো গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।
২. উজান-ভাটিতে কাছাকাছি আরেকটি সেতু ছিল।
৩. সেতু গুলোর পাশে কোনো গ্রোথ সেন্টার বা গ্রামীণ হাটবাজার ছিল না।
৪. চলমান অর্থনৈতিক সংকটকে সামনে রেখে ব্যয় কমানো হয়েছে।

এদিকে, বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়াহাট লোহার সেতুর ক্ষেত্রে স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন, কারণ এই সেতুর ওপর একটি মাইক্রোবাস পড়ে ৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল। তবে, এই সেতুটি প্রকল্পে প্রথমদিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পরে পরিকল্পনা কমিশন এই সেতুটি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আদনান আক্তারুল আজম বলেন, “কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেতু আগে প্রকল্পে ঢোকানো হয়নি, আর কিছু অগুরুত্বপূর্ণ সেতু তদবিরের মাধ্যমে প্রকল্পে যোগ করা হয়েছিল।” তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের শুরুর সময়ে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সিদ্ধান্ত কেন এমন ছিল, তা জানা নেই।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম